অনলাইনে বন্ধুত্ব নিয়েই আমার আজকের পোস্ট। ইদানিং অনলাইনে বন্ধুত্ব কিংবা পরে প্রেম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই জনপ্রিয়তা দিন কে দিন বেড়েই চলেছে। বেশ কয়েকটা বাংলা চ্যাট সাইট আছে যা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে খুব ভালভাবেই গ্রহনযোগ্যতা লাভে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া আছে বিভিন্ন মেসেঞ্জার। আর এসব সম্পর্ক থেকেই তৈরি হয় বন্ধন। যা বিয়ে অবধি গড়ায়। এরকম অনেক সম্পর্ক এর কথা আমরা আশেপাশে নানাজনের কাছ থেকে জানতে পারি।
এই পোস্ট এ উল্লেখ করবো কি করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার যাত্রা এ প্রসঙ্গে-
প্রাথমিক ধাপ
•প্রথমেই বাংলা কোন চ্যাট রুম এ ঢুকার জন্য নিজের কিংবা সুন্দর একটি নাম নিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে।
•চ্যাট রুম এ যখন থাকবেন তখন সবার সাথে হাল্কা যোগাযোগ রক্ষা করে চলুন।
•ওপেন চ্যাটিং করুন। কিন্তু কোন মেয়েকে ব্যক্তিগত মেসেজ দিয়েন না। কারণ ওখানে শুধু আপনি না আরো অনেকেই আছে এরকম মেসেজ দিচ্ছে।
•ওপেন চ্যাটিং করতে করতেই মাঝে মাঝে কোন নিক পছন্দ হলে মেসেজ দিতে পারেন। খবরদার!! ভুলেও কোন লুল টাইপ মেসেজ দিবেন না।
•যখন আপনি সেই চ্যাট রুমে বেশ পরিচিতি লাভ করবেন তখন দেখবেন অনেকের সাথে আপনার ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ চালাচালি হচ্ছে।
•তবে আপনি যদি ওপেন চ্যাটে আগ্রহী না হন তবে সমানে ব্যক্তিগত মেসেজ দিয়ে যেতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে উত্তর আসবে কি না বলা যায় না।
পরের ধাপ
•সবার সাথেই আপনার সম্পর্ক ভাল থাকলেও এমন কাউকে দেখুন যার সাথে আপনি মানিয়ে নিতে পারেন।
•বয়সের ব্যবধানটা খেয়াল রাখুন। আপনার যদি ২৬ বছর হয় তাহলে কমপক্ষে ১৯-২১ বছরের কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করুন।
•কোন মেসেঞ্জার সে ব্যবহার করে সেটা নিয়ে নিবেন। পরে মেসেঞ্জার এ বসেই চ্যাট করুন।
•বন্ধুত্ব এর শুরুর দিকেই তাকে প্রেম নিবেদন করবেন না। তাহলে আর কোন চান্স থাকবে না আপনার।
•সম্পর্ক এর শুরু দিকে তার কাছ থেকে ফোন নম্বর চাইবেন না কখনই।
•সুন্দর একটি সম্পর্ক তার সাথে গড়ে তোলার চেষ্টা করুন।
•নিজেকে সৎ, উদার, উন্নত মন মানসিকতার মানুষ হিসেবে তার কাছে উপস্থাপন করুন। ভুলেও তার সাথে মিথ্যা কথা বলবেন না
•বিশ্বাস একটা বড় ব্যপার যেকোন সম্পর্ক এর ক্ষেত্রে। তাই তার উপর এবং সে আপনার উপর বিশ্বাস রাখতে পারে এমন ভাবে তার সাথে মিশুন।
•সব কথা যাতে সে আপনার সাথে শেয়ার করতে পারে কিংবা আপনি যাতে পারেন সেরকম একটা পরিবেশ তৈরি করুন।
৩য় ধাপ
•এই ধাপে আপনি তাকে দেখতে পারেন সরাসরি। তার কাছে কোন ছবি থাকলে চাইতে পারেন। আপনি ও আপনার ছবি তাকে দেখাতে পারেন।
•তার রূপ / গুণের উচ্ছসিত প্রশংসা করুন তবে অতিরিক্ত না।
•তার সাথে দেখা করার অনুমতি চাইতে পারেন। তবে বেশ সাবধানে। আবেগকে ধরে রাখুন।
•রাজি না থাকলে সমস্যা নেই। তার সাথে যোগাযোগ রেখে যান।
•আপনি যদি তার প্রতি দূর্বল হয়ে যান তাহলে তা নিয়ন্ত্রণ করুন। সে যাতে তা বুঝতে না পারে।
•ফোন নম্বরটা চাইতে পারেন তার। তবে এ কথা মনে রাখবেন যে আপনাকে যদি সে বিশ্বাস করে তবেই সে আপনাকে তার নম্বর দেবে। তার আগে নয়।
•মাঝে মাঝে তাকে ফোন করুন। অতিরিক্ত ফোন করা থেকে বিরত থাকুন।
•মাঝে মাঝে মেসেজ পাঠিয়ে তার খোঁজখবর নিতে পারেন।
•সম্পর্ক যখন বেশ গাঢ় হবে তখন তাকে দেখা করার প্রস্তাব দিতে পারেন। এমন জায়গায় দেখা করবেন যাতে সেখানে লোক সমাগম বেশি হয়।
•দেখা হওয়ার দিন তার জন্য ছোট কোন উপহার নিয়ে যেতে পারেন।
•নিজের ব্যক্তিত্বকে বজায় রেখে তার সাথে দেখা করুন। প্রথম ইম্প্রেশন টাই বেশ বড় একটা ব্যপার।
শেষ ধাপ
•আপনাদের এই সুন্দর বন্ধুত্বকে আপনি কি আরো সামনের দিকে নিয়ে যেতে চান কি না তা
ভাবুন।
•তার মনের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন।
•আপনার সামনে এসে সে কি ভাবে কথা বলছে তা খেয়াল করুন।
•তার সাথে সবসময় চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। যদি চোখ সরিয়ে কথা বলে তাহলে আপনি লাইনে আছেন ধরে নিন।
•মেয়েরা প্রেমে পরলে তাদের চেহারায় আলাদা একটা আভা তৈরি হয়। এটা লক্ষ্য রাখুন।
•আপনার মনকে প্রশ্ন করুন বার বার।
•সব কিছু যদি পজিটিভ মনে হয় আপনার কাছে তাহলে তাকে আপনার মনে কথা জানান। তবে সেটা সরাসরি দেখা করে। খবরদার!! তার হাত ধরতে যাবেন না।
•সে যদি লজ্জা পেয়ে যায় এবং চলে যায় তাহলে তাকে ফোন বা দেখা করাটা তখনই আপনার উচিত হবে না।
•আর যদি সে বেশ রাগী একটা ভাব নিয়ে আপনার দিকে তাকায় তাহলে একটা সুন্দর হাসি দিয়ে সেই স্থান ত্যাগ করুন।
কিছুদিন ফোন করা কিংবা কোন রকম যোগাযোগ করা আপনার দরকার নেই। সে নিজে থেকেই আপনাকে খোঁজ করবে।
এভাবে করেই চালিয়ে যান। জয় নিশ্চিত। তবে ২ জন ২ জনকে ভাল মত জেনে তারপর সামনে আগানো জরুরি।
বিঃদ্রঃ একটি এম১৫৪ পরিবেশনা। কারো লেখার সাথে কমন পড়ে গেলে তা কাকতালীয় মাত্র।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



