আমার প্রিয় পোস্ট
- মাহবুব মোর্শেদের নতুন বাংলা শব্দকোষ - ব্রাত্য রাইসু
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- সামহয়ারে এসে যে লেখকদের সঙ্গে পরিচয় হলো - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ারে আসার আগে আমি যে লেখকদের চিনতাম পরে সামহয়ারেও যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি ব্লগীয় রাউন্ড টেবিল আলোচনার প্রস্তাব - মাহবুব মোর্শেদ
- জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার কুড়ি বছর - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহয়ার কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ # বিষয় : মত প্রকাশের স্বাধীনতা, প্রাইভেসি ও সিকিউরিটি - মাহবুব মোর্শেদ
- ওয়ান্স আপন এ কান্ট্রি, সামহয়ার ইন দ্য ওয়েব - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীন : সফল নাট্যকার ও শিক্ষকের বিদায় - মাহবুব মোর্শেদ
- সেলিম আল দীনের সাক্ষাৎকারের বাকী অংশ - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার নব্যরাজাকারিতার সন্ধানে - মাহবুব মোর্শেদ
- আমেরিকার নির্বাচনে ভোটার হওয়ার আবেদন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক চিত্রনায়কের জন্য আমার শোকগাথা - মাহবুব মোর্শেদ
- জয় বাবা আলুনাথ! - মাহবুব মোর্শেদ
- পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ, গণতন্ত্র ও প্রগতিশীল আর্মি - মাহবুব মোর্শেদ
- ছোটদের অর্থনীতি অথবা কয়দিন ধরে যা কিছু কথা ভাবতেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি চিঠি... ভাস্করদা ও সুমন ভাইকে - মাহবুব মোর্শেদ
- এখানেও আমরা ব্যর্থ হবো? - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি বাসি বিজ্ঞাপন - মাহবুব মোর্শেদ
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- বুনুয়েলের বুর্জোয়া - মাহবুব মোর্শেদ
- এই ছবি আমি তুলেছি - মাহবুব মোর্শেদ
- প্রেমেক্কার শ্বশুর বাড়ি - মাহবুব মোর্শেদ
- তুই ...রে ব...সন্ত সমী...রণ - মাহবুব মোর্শেদ
- ফাদার গাস্তঁ রোবের্জের সাক্ষাৎকার - মাহবুব মোর্শেদ
- তারেক মাসুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- টেগোর ইন দ্য টাইম অব এমার্জেন্সি - মাহবুব মোর্শেদ
- বহুদিন পর আবার হরিদাস পাল - মাহবুব মোর্শেদ
- কবি আল মাহমুদের সাক্ষাতকার - মাহবুব মোর্শেদ
- ব্লগে পোস্টিংয়ের স্লথগতি - মাহবুব মোর্শেদ
- সামহোয়ার, ইলেকট্রনিক মোল্লা, ভার্চুয়াল মুক্তিযুদ্ধ ও লেখক যশোপ্রার্থীদের তড়পানি - মাহবুব মোর্শেদ
- আমার সচলায়তন অভিজ্ঞতা : সে এক কাহিনি বটে! - মাহবুব মোর্শেদ
আমার উপন্যাস ফেস বাই ফেস বেরিয়েছে এবারের বই মেলায়। প্রকাশক ভাষাচিত্র। স্টল ২৫০। উপন্যাসের বিষয় : ফেসবুক।

লালন সাঁইয়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে শরিয়ত, মারেফাত ও পৌত্তলিকতার দ্বন্দ্ব : এসব দেখি কানার হাট-বাজার
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
আজ পয়লা কার্তিক। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে লালন সাঁইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হইতেছে। এইবার আর তীর্থে যাওয়া হলো না। তথাপি, মনে মনে তত্ত্বগানে মুখরিত ছেউড়িয়ার আমেজ টের পাইতেছি। শহুরে মধ্যবিত্ত বৃদ্ধিজীবী সম্প্রদায় লালন সাঁইকে হিন্দু-মুসলমান মিলনের দর্শণ-ধারী হিসাবে চিনতে পারেন, আর এক ধরনের উদার মানবতাবাদী, আধুনিকতাবাদী দর্শনের মিলমিশ থেকেও তাকে পাঠ করার চেষ্টা করা হয়। ভাবুকরা বলেন, সেইটা ভুল পাঠ।
এ যাবত শহুরে লোকেরা লালনকে যেভাবে দেখার, বোঝার ও চর্চার চেষ্টা করেছেন তার মধ্যে ভ্রান্তি বেশি। লালনের চেয়ে শহুরে বুদ্ধিজীবীরা সেইখানে নিজেদেরকেই বেশি উপস্থাপন করতে চেয়েছেন। আমরা কীভাবে লালনকে দেখতে চাই? গেউরা বসন পরা ঝুঁটি বাঁধা এক গায়ক একতারা হাতে আকাশের দিকে তাকায়া নাচতেছে। ইনি লালন? বেশ। লালনকে দার্শনিক হিসাবে না দেইখা আমরা গায়ক হিসাবে দেখতে চাই বইলা এইরকম রূপ জনপ্রিয়তা পাইছে। পাউক। আদতে যাঁর ছবি আমরা লালন হিসাবে চিনতে চাই তিনি লালন নন। আদতে লালনের একটি ছবিই যতদূর সম্ভব অথেনটিক হিসাবে বিচার করা হয়, সেটি জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা। সেইখানে মহাত্মা লালন সাঁই চেয়ারে বইসা আছেন। তার দর্শন বলে, চিত্রার্পিত হয়ে জগতে বিরাজ করা ইচ্ছা সাঁইজির আছিল না। ফলে, ছবি কেন, গানের মাধ্যমে চিন্তার ছবি ছাড়া আর কোনো ছবি, উত্তারাধিকার তিনি রাইখা যাইতে চান নাই। লালন দর্শন মোতাবেক, চিন্তাকে ধারণ করা, পালন করা ও বাস্তবায়ন করার চাইতে ছবি, মাজার ইত্যাদিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয় নাই।
আজকে সকালে পত্রিকা পড়তে পড়তে নিউজের সাথে ভাস্কর্যের যে ছবি দেখলাম তাতে নাচনেঅলা যে বাউলকে দেখা যাইতেছে তিনি লালন নন বইলা প্রথমেই ওই ভাস্কর্যরে লালনের ভাস্কর্য হিসাবে চালানোর বুজরুকির বিরোধিতা করা দরকার বইলা মনে করছিলাম। প্রথম কথা হইলো, এই ভাস্কর্যের সঙ্গে মহাত্মা লালন সাঁইয়ের কোনো সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা একটা অসমর্থন যোগ্য দাবি মাত্র।
বাংলাদেশের হাটে, বাজারে, শহরের মোড়ে যেসব কাঁচা হাতের ভাস্কর্য শোভা পায় সেইগুলা দেইখা কখনো হাসি লাগে, কখনো অভক্তি আসে আর কখনো করুণা হয়। বিমানবন্দরের সামনে যে ভাস্কর্য দেখতেছি সেইটা এর বেশি কিছু হইতে বইলা আমার এখন পর্যন্ত মনে হইতেছে না।
তাই এই ভাস্কর্য ফিরায়ে আনার দাবির প্রতি আমার তেমন একটা সায় নাই।
কিন্তু তাই বইলা কি আমি বিমানবন্দর এলাকার মোল্লা-মুসল্লিদের সমর্থনে আগায়া আসবো? না। তাদের সমর্থনে আগায়া আসারও কোনো কারণ দেখি না। আমাদের প্রবল প্রতিপত্তিশালী সরকারগুলো ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ মোল্লাদের হাত থিকা বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় তথাকথিত 'জঙ্গি মাদ্রাসা' তৈরি হইতে দিছে এবং তারা সেই মাদ্রাসার লোকের সেইখানের একটা মোক্ষম জায়গায় অরাজকতা তৈরি করতেছে এবং সরকার সেইটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেছে না এইটা দেইখা একটু বিস্ময় লাগলো। জর্জ বুশ আইসা এই বিমানবন্দর দিয়া ঠিকমতো বাইত যাইতে পারবে তো? সন্দেহ থাকে।
ছবিতে যা দেখি মোল্লাদের সরানো কোনো ব্যাপার আছিল না। কিন্তু ছবির বাইরে যা দেখি তাতে মোল্লারা একটা ফ্যাক্টর এখন। নইলে, কালকেই কেন বিশেষভাবে তাদের মূর্তি ভাঙার কথা হঠাৎ মনে হবে? ভাস্কর্য মেলা দিন থেকে তৈরি হইতেছে। ছোট-বড় হুজুরেরা উঁকি দিছে সেইখানে। তো আগেও তো ভাঙা যাইতে। নাকি? তো বিশেষভাবে আজকেই ভাঙলো মনে হয়, মুজাহিদ সাহেবকে বাঁচানোর জন্য। মুজাহিদ চিপায় পড়ার পরই হঠাৎ কইরা এই ভাস্কর্যের কথা মোল্লাদের মনে হইছে। তারা একটা ইস্যু চায়। যেই ইস্যু ধইরা জামাত-সরকার-কওমীদের মধ্যে একটা রফা হইতে পারবে। মানুষজন ভুইলা যাবে মুজাহিদের সঙ্গে সরকারের আঁতাতের কথা। আর চাইলে এই ইস্যুরে বাড়ায়া নির্বাচন বাতিল পর্যন্ত আগায়ে নেওয়া যাইতে পারে। সারা দেশের 'ধর্মভীরু' লোকেরা যদি এখন রাস্তায় বারাইয়া ভাস্কর্য ভাঙা শুরু করে তাইলে সরকারকে কে বাঁচাবে?
আমার কথা হইলো, হুজুরেরা নিজেদের বুদ্ধিতে মাঠে নামে নাই। লালন সাঁই শরিয়তি ইসলামের বিরুদ্ধে মেলা কথা কইছেন। মোল্লাদের কূপমন্ডুকতা নিয়া প্রশ্ন তুলছেন। বিমানবন্দর এলাকার মোল্লারা লালনের কথা শুইনা খেইপা গেছে এমন মনে হইতেছে না। মূর্তি, ছবি, ভাস্কর্য নিয়া তাদের অসুবিধা হইলে তো প্রথমে বিলবোর্ড ভাঙা উচিত। নইলে চোখে পর্দা করে চলা উচিত। কিন্তু তা না কইরা যখন তারা ভাস্কর্য ভাঙতে আসে তখন বুঝা যায় :
১. মোল্লারা শক্তি পরীক্ষা করতেছে।
২. সরকারের মধ্যে মোল্লাপন্থীরা আমেরিকা পন্থীদের চেয়ে শক্তিশালী হয়া উঠতেছে।
৩. মোল্লাদের সামান্য উত্থান সামলানোর ক্ষমতা এই সরকারের নাই।
৪. সরকারের নতজানু মনোভাবে দেখে মনে হইতেছে তারা পলিটিকাল পার্টির মতো পলিটিকাল ইসলামের সঙ্গেও আপোষে আসতে চাচ্ছে।
ফলে, মোল্লাদের মাঠে নামায়ে ফায়দা যারা তুলতে চাচ্ছে তাদের দিকে আঙ্গুল তাক কইরা রাখতে হবে।
অনলাইন মিডিয়াগুলাতে দেখতেছি ভাস্কর্য বাঁচানোর মাতম শুরু হইছে। প্রথমত এই ভাস্কর্য শেষ হয় নাই। অর্ধেক ওই ভাস্কর্য কারো মনে কোনো স্মৃতি তৈরি করে নাই। এর কোনো ইতিহাস তৈরি হয় নাই। ফলে, এইটা শুধু ভাস্কর্য বইলা এইটারে রক্ষা করা শিক্ষিত লোকের দায়িত্ব এইটা আমার মনে হইতেছে না। শিক্ষিত লোকদের লাফালাফি দেইখা মনে হইতেছে দেশে তালেবানরা ক্ষমতা দখল কইরা বামিয়ানের বৌদ্ধমূর্তি ভাঙা শুরু করছে। কথা হইলো, দেশে এই ঘটনা নতুন না। এর আগেও শহরে শহরে, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে জামাত-শিবিরের আখড়া আছে সেইখানেই এইরাম ঘটছে। ইসলামের দোহাই দিয়া ভাস্কর্য ভাঙা হইলেও ১৯৭১-ই জামাতের ভাষ্কর্য বিরোধিতার কারণ। এবার বাউলের ভাস্কর্যতে হামলা হইছে। হুজুরদের ইস্যু দরকার। তারা ইস্যু পায়া নাচতেছে।
এখন আমাদের কথা হইলো, আমেরিকা পন্থী একটা সরকার, বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর একটা জায়গায় জঙ্গি বেশধারী তালেবানদের একরকম শক্তিশালী উপস্থিতি কেমনে সয়? ভাস্কর্য নিয়া আমার মাথাব্যথা নাই। ওইখানে ইসলাম সম্মত ভাস্বর্য হউক আর অসম্মত হউক এইটাও বিষয় না। বিষয় হইলো, বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?
জর্জ বুশরে কোন মুখ নিয়া আমরা দাওয়াত দিবো এই দেশে?
প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: সেম টু মি।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আপনি মুল জিনিসটার উপর ফোকাস করতে পেরেছেন ..........
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস এ লট।
মিলটন বলেছেন:
মোর্শেদ ভাই, প্রথমত অনেক কিছু জানলাম লালন সম্মন্ধে। আর আপনি যে প্রশ্ন করেছেন, কেনই বা আজকে হঠাৎ এটার বিরুদ্ধে কথা উঠছে। তার আসল কারণ ঐটাই, একটা ইস্যু ক্রিয়েট করা আরকি। আর কিছু না। ওরকম ভাস্বর্য অনেক আছে দেশজুড়ে। যাই হোক, এয়াপোর্টের কাছে একটা স্পর্শকাতর জায়গায় দড়ি ধরে টানাটানি করে কেউ কেউ তখন সরকারের নজর কোনদিকে থাকে?[অফটপিক: মাসুম ভাইয়ের সাথে একটা ব্যাপার নিয়ে আলাপ করেছিলাম, একটু শুনে নিবেন। আপনার ছবিটার জন্ডিস হলো কেন?]
লেখক বলেছেন: থ্যংকস।
শুনে নিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: ছবিটা দেখতে দেখতে বিরক্ত লাগে।
লেখক বলেছেন: হ।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
ধরেন তিন পক্ষ বিদ্যমান । পক্ষ ১ পক্ষ ২ আর পক্ষ ৩ ।
পক্ষ ১ এর শত্রু বাকি দুই পক্ষ । আবার পক্ষ ২ আর পক্ষ ৩ পরস্পরের শত্রু । মানে হৈলো কেউ কাউরে দেখতারেনা । হিন্দি সিরিয়াল কেইস ।
এখন আপনে মনে করেন এই তিনপক্ষের কোন একটাতে বিলঙ করেন । ধরা যাক আপনি পক্ষ ১ । এখন পক্ষ ২ আর পক্ষ ৩এর কাইজ্জাতে আপনার অবস্থান কি হবে ?
আমার মাথায় আপাতত তিনটা সমাধান দেখতেছি আপনার জন্য -
১. দুই পাট্টি কাইজ্জা করুক । শক্তি ক্ষয় করুক । আপনে চুপ থাকবেন । এতে আখেরে আপনারি লাভ ।
২. অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর শত্রু বাইছা তারপর তারে সাপুট দিবেন ।
৩. আগে কি নিয়া কাইজ্জা সেইটা দেখবেন । তারপর নিজের বিবেচনায় নিজের কি করা সেইটা ঠিক করবেন । তবে সেইটা অবশ্যই চুপ থাকা না ।
আপনি কোন পথটা বাছবেন ? নাকি আপনার অন্য কোন চিন্তা আছে এই বিষয়ে ?
লেখক বলেছেন: তিনটা পথই তো আপনে তৈরি করলেন। আপনের পথ আর আমার পথ সবসময় এক না।
লালপ্রভাত বলেছেন:
খালি ইয়ারপুটে দখল নিছে, এইটা দেখতাছো কেনে মাহবুব মিয়া।তোমার গুরু ( এক্স) শফিক রেহমানে যে ঝামাতি + বিএনপি গো
তালি বাজায় , হেইটা দেখো না ।
তোমাগো চুশীল ফরহাদ মঝার, মাহমুদুর রহমান, সিরাজুর রহমান ,আল মাহমুদ - রা কি কইবার পারে এহন ?????
লেখক বলেছেন: তুই জিগাস না ক্যান?
আমার কথা আমি কইছি। তোর জানার থাকলে জিগা। তোর মতো আমি এদের মুখের দিকে তাকায়া থাকি না।
সুতরাং বলেছেন:
আপনি দারুণ জায়গায় ধরেছেন। এভাবে ভাবা হয়নি। লালনের কথাই ঠিক...কানার হাটবাজার...
লেখক বলেছেন: হ। লালন অনেক ভাল কথা কইছেন।
রাজামশাই বলেছেন:
বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?
জর্জ বুশরে কোন মুখ নিয়া আমরা দাওয়াত দিবো এই দেশে?
লেখক বলেছেন: তাই না?
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন:
হ.. কানার হাটবাজার... সব খানেই কানার হাটবাজার...
লেখক বলেছেন: ঠিক।
সুমন রহমান বলেছেন:
ভাস্কর্য কতটুকু রিপ্রেজেন্টেটিভ হৈল সেইটা ভিন্ন প্রসঙ্গ মাহবুব। লালন-সংস্কৃতিতে তাঁর ভাস্কর্যের মূল্য যতটুকুই থাক, বিমানবন্দরে তাঁর মূর্তি একটা সিম্বল। আমাদের সিনক্রেটিক ট্র্যাডিশনের। মূর্তি অর্ধেক হোক কি পুরাই হোক, একটা পরাজয়ের স্মৃতি কিন্তু সে ইতোমধ্যেই তৈরি করতে পেরেছে। এই দেশে এইটা নতুন নয়, ঠিক। কিন্তু এর নতুনত্বের দিকটা আমার পোস্টে বলতে চেয়েছি। পলাতক মুজাহিদ ইস্যুকে আড়াল করতে গিয়ে মূর্তি-পলিটিকসের অবতারণা, একথা আপনি বলতে চাইছেন। কিন্তু আমার কাছে এই দুইটা ইস্যুতে সরকারের অবস্থানকে একইরকম লাগে। মুজাহিদ-ইস্যুতে উপদেষ্টার "নো-কমেন্ট" এর ধারাবাহিকতা হিসাবেই কিন্তু মূর্তি-ইস্যুতে সিভিল এভিয়েশন কর্মকর্তার সাচ্চা মুসলমান থিওরি! একটা আরেকটাকে আড়াল করবে কি, বরং কমপ্লিমেন্ট হিসাবে কাজ করতেছে মনে হয় আমার।ভাস্কর্য নিয়া মাথাব্যথা কেন নাই, হোক না খারাপ ভাস্কর্য, কিন্তু পলিটিক্যাল তো। জর্জ বুশ নামবেন কেমনে এই বিমানবন্দরে!
লেখক বলেছেন: সুমন ভাই,
যে কোনো মূর্তি সিম্বল হয়া উঠলে তো মুশকিল। মূর্তি হইলেই সেইটা সিম্বল হবে কেন? আমরা তো এই মূর্তি তৈরির দাবি করি নাই। এইটার বিষয় ঠিক করি নাই। এই মূর্তি দেখি নাই। সেইটা নিয়া আমাদের ভালোবাসা তৈরি হয় নাই।
তাইলে এই মূর্তি নিয়া আমাদের ভাবাবেগ তো মূর্তি তৈরি ও তা ভাঙার আগেই তৈরি হইছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?জর্জ বুশরে কোন মুখ নিয়া আমরা দাওয়াত দিবো এই দেশে?
লেখক বলেছেন: তাই না?
লেখক বলেছেন: হ।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
আমি শেষ লাইনে লিখছি এইটা - "নাকি আপনার অন্য কোন চিন্তা আছে এই বিষয়ে ?"এর মানে হৈলো আমি কোনকিছুই আরোপ করতে চাই নাই ।
এই সিমিলার চিন্তাটা আসছিলো আপ্নে যখন কমলা বিপ্লব নিয়া আপনের পোস্ট দেন । (স্মৃতি থিকা বললাম)
লেখক বলেছেন: ও।
আমি একটু ঘুরাইলাম অন্য কারণে।
এত বড় পোস্ট দিয়া যদি আবার পথ খুঁজতে হয় তাইলে তো মুশকিল। তাই না?
লেখক বলেছেন: কী করবেন?
আমেরিকা আইসা কিছু কইরা দিলে না!
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
পথ তো থাকাই দরকার একটা নাকি ? অবস্থানহীনতার চর্চা উত্তরাধুনিকরা করে শুনছি । আম্রা একবারে মধ্যযুগ, আধুনিক যুগ ইত্যাদি বাদ্দিয়া উত্তরআধুনিক হৈলে তো সমস্যা ।
লেখক বলেছেন: তাইলে কোন যুগ চলতেছে সেইটা বিতর্কের বিষয়, কী বলেন?
লালপ্রভাত বলেছেন:
তুই কি াল ফালাইবার কানচি নাকি? জুচোচুরি করবার আর জাগা পাস না !
লেখক বলেছেন: তোর কথা বুঝি নাই। বুঝায়া ক।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কথা হইল আপনে কিছু ভাল পয়েন্ট তুলছেন। মাথায় থাকল, দেখি আগে কি হয়!!
লেখক বলেছেন: কী আর হবে। খেল খতম। ভাস্কর্য শেষ।
অললাইনে মাতব হবে। পত্রিকায় হবে। কিন্তু যা হওয়ার হয়ে গেছে।
ফজলুল কবিরী বলেছেন:
মূর্তি সরানোর বিদ্যা ও তার চর্চার ইতিহাস মাত্রই বছরখানেকের ঘটনা। নতুন করে নতুন কায়দায় মানুষের অন্তরের বসন হয়ে ওঠা লালনকে ভাস্কর্য বানায়া বসানো কিংবা সরানোর নজির সামনে কী ধরনের চিন্তাকে উসকে দেয়ার পঁয়তারা করছে তা নিয়ে আমার খুব শংকা হচ্ছে। চিন্তা ও চর্চাকে ন্যাংটা কইরা জনগনকে খাওয়ানোর ধান্দা করায়া কৌশলে তার পেছনে ঠেলাঠেলির জন্য বিনা পয়সায় সৈনিক নামানোর নতুন উদাহরণ তৈরীকরল মুজাহিদ ও ভাই বেরাদারগন। আচ্ছা শুধু মুজাহিদকে ধাক্কা থেইকা আড়াল করাই কি এটার উদ্দেশ্য? প্রশ্নটার উত্তর হয়ত জ্ঞানী সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবি সমাজ ভাল জানেন। গতবছর গিয়েছিলাম লালনের আখড়ায়। বাংলালিংকের স্পন্সরে কী যে অনাথ মনে হয়েছিল জায়গাটা!
পোস্টটা ভাল লাগল। কিন্তু কোন সমাধান নাই। তবে প্রশ্ন আছে। প্রশ্নগুলা সমাধানে অনেকেই আগায়া আসবে নিশ্চয়।
লেখক বলেছেন: আমি স্পন্সর চালু হওয়ার পর আর যাই নাই কা।
থ্যাংকস এ লট।
মুক্তকথা বলেছেন:
"সাপেদের সাহস দিনে দিনে বাড়তাসে,এতদিন তাদের গর্তে পা দিলে চামেচিকনে কামড়াইত,এখন ব্ল্যাক মাম্বার মত গর্ত থাইকা বাইর হয়া কোন কারণ ছাড়াই কামড়াইতাসে..."এইটা ইম্পরট্যান্ট।
তয় আপনে যে চিন্তাটা করছেন, সেইটা আমার ভালা লাগছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
লেখক বলেছেন: হ। ঠিকই।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
হ সেইটা একটা তর্ক বটে । তবে অবস্থানহীনতা উত্তরগো প্র্যাক্টিস এইটা কি আমি ঠিক কৈছি ?
লেখক বলেছেন: আমি তো অতো পড়ালেখা পারি না। সো জানি না, কথাটা ঠিক কইছেন কি না।
সুন্দর যৌক্তিক এবং চিন্তাশীল পোষ্ট। আর পোষ্ট স্টিকি হইল কিনা......
আসলেই এসব দেখি কানার হাট-বাজার!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই.গ্না.।
মোল্লাদের নিয়ে যা বলছেন সেটাতে আমার আরো মনে হয়েছে, লালনের মৃত্যুবার্ষিকীর সময়টাতে এমন করাটঅ একটা সুকৌশল। উদযাপিত হবার জায়গায় লালন উচ্ছেদ হচ্ছেন এটা একটা প্রবল শোক আমাদের জন্যে!
পোস্টের জন্যে ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।
লেখক বলেছেন: আসলে লালনের মৃত্যুবার্ষিকীটা কোইন্সিডেন্স। মূল ঘটনা নির্বাচন-অনির্বাচন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
বেশ ভাল কিছু পয়েন্ট। এগুলো মাথায় আসে নাই। বেশ কয়েকটা পয়েন্টে যদিও দ্বিমত আছে, তবুও আপনার অবস্থান চিন্তা করলে থেকে যুক্তিযুক্ত বটে। আমার কিছু প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন আছে-
১) আপনি বলছেন, "ইসলামের দোহাই দিয়া ভাস্কর্য ভাঙা হইলেও ১৯৭১-ই জামাতের ভাষ্কর্য বিরোধিতার কারণ। "
প্রশ্ন: এই বিষয়টা আমি আরো বহু জায়গায় শুনেছি। ৭১ এর সাথে মূর্তি বা প্রতিকৃতির সম্পর্কটা আসলে কি? মানে ৭১ এ কি এমন কোন এজেন্ডা ছিলো যা আমাদের পূর্বপুরুষ তথা মূর্তিপূজারীর যুগে ফেরত নেয়ার প্রতিশ্রুতি বহন করে?
২) আপনি বলছেন, "বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?"
প্রশ্ন: হাজীদের আপনি তথাকথিত মোল্লা শ্রেণী (যাদেরকে আপনারা ঘৃনা করেন) হিসেবে কেন দেখলেন?
৩) আপনি বলেছেন, "জর্জ বুশরে কোন মুখ নিয়া আমরা দাওয়াত দিবো এই দেশে? "
প্রশ্ন: জর্জ বুশ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। আমেরিকা সেই দেশ যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো। আবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কে মেরে ফেলার পর খুনীরা সেই রাতেই ভিসা/পাসপোর্ট ছাড়াই স্পেশাল ফ্লাইটে আমেরিকা চইলা গেছিল। আজকে পর্যন্ত সেই খুনীদের আমেরিকা থেকে ফেরত আনতে পারে নাই। মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ নিয়া কথা বলার পর এইরকম একটা দেশের প্রেসিডেন্টরে কেন দাওয়াত দিতে চান?
বি:দ্র: আমি জানার জন্য প্রশ্নগুলো উত্থাপন করলাম। বিতর্কের জন্য না।
লেখক বলেছেন: ত্রিভুজ,
মন দিয়া পোস্ট পড়ছেন বইলা ধন্যবাদ।
১. ভাস্কর্য ও মূর্তির মধ্যে পার্থক্য আছে। স্কাল্পচার আর আইকন ব্যাপারগুলা আলাদা। রিলিজিওন ও শিল্পের পথ বহু আগে আলাদা হয়া গেছে। সেই আলাদা হওয়ার হিস্ট্রিটা বুঝা দরকার। আমি মনে করি মূর্তিপূজার প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ একটা রেসিস্ট জায়গা থিকা প্রকাশিত হয়। ১৯৭১ মূর্তিপূজাকে ফেরত আনার জন্য যেমন হয়নি তেমনি মূর্তিপূজকদের ঘৃণা করার জন্যও হয় নাই। আধুনিক পৃথিবীতে যে কোনো ঐতিহাসিক/স্মরণীয় ঘটনাকে স্মৃতিবদ্ধ কইরা রাখার জন্যই স্থাপনা, ভাস্কর্য, জাদুঘর এইগুলা তৈয়ার হয়। স্মৃতি সংরক্ষণ ও স্মৃতিরক্ষা ইসলামেও প্রচলিত। একেক দেশের ইতিহাস অনুসারে সেই স্মৃতি রক্ষিত বা সংরক্ষিত হইতে পারে। মানুষের ভাস্কর্য তৈরি হইলে সমস্যা কোথায়। চারদিকে জ্যান্ত মানুষ ঘুরতেছে তাতে সমস্যা যদি না হয় তাইলে পাথরের মানুষ ধার্মিকের কী সমস্যা তৈরি করে আমারে বুঝাইতে পারেন?
২.
এমন কোনো খবর দেখছেন যে হজগামীরা আইসা ভাস্কর্য স্থাপনের জন্য প্রতিবাদ জানাইছে? নাকি পত্রিকায় ছবি ছাপা হওয়া বাচ্চা মোল্লাদের আপনের হাজি বইলা মনে হইতেছে? মোল্লাদের আমি খারাপভাবে দেখি না। তবে এইখানে হাজিদের মোল্লা হিসাবে দেখা হয় নাই। আমার জানা মতে, হাজিরা এখনও হজ্জ্ব ক্যাম্পে সমবেত হইতে শুরু করেন নাই।
৩.
ভাষায় কূটাভাস বইলা একটা ব্যাপার আছে। সিরিয়াস পাঠকরা সেইটা মিস কইরা যায়। আপনে সিরিয়াস পাঠক বইলা জর্জবুশ বিষয়ক কূটাভাস মিস কইরা গেছেন। ব্যাপার না। এত সিরিয়াসলি না পইড়া একটু রস কইরা পড়েন, দেখবেন আর সমস্যা হইতেছে না।
কোলাহল বলেছেন:
ভাস্কর্য নিয়ে আমার বিশেষ কোন উচ্ছাস নেই। সারা দেশে ভাস্কর্য তৈরী হলেই যে দেশে কালচারাল রেভ্যুলেশন ঘটে যাবে এমনটা ভাবিনা। তবে আপনার কথামত পক্ষ বিপক্ষ, জয় পরাজয় এসব ভাবতে গেলে জটিল কেস। একটা অনির্বাচিত সরকারকে সুযোগমত সবাই প্রেসারে রাখতে চায়, শুধু মোল্লাদের দোষ দিয়ে লাভ কি!
লেখক বলেছেন: মোল্লারা সরকারকে প্রেসারে রাখতে চাইতেছে বইলা মনে হয়?
অবকাশ বলেছেন:
বুঝার চেষ্টা করছি
লেখক বলেছেন: সেম টু মি।
লেখক বলেছেন: ব্যক্তি মূর্তিকে নিরুৎসাহিত করা বিষয়ে ইসলামের বিধানগুলা একটা উল্লেখ করতে পারেন?
লেখক বলেছেন: তাই না?
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
জর্জ বুশ লোকটা বড় নাক উঁচা টাইপ, একে আমাদের দেশে বেরাইতে আনার চেষ্টা না করাই ভাল বলে মনে হয়...মুজাহিদকে প্রটেকশান দেয়ার জন্য মোল্লাদের এতো তড়িঘড়ি, এটা একটা ভাল পয়েন্ট....
এক পক্ষ হুমকি দিলো , আর সরকার সেটা মেনে নিলো, এটা খুবই বিচিত্র ! অথচ জা.বি তে দেখেনে ছাত্র-ছাত্রীরা এখনো লড়ে যাচ্ছে, শুরুতে অনশন করল কিন্তু কারো কোন ভ্রুক্ষেপ নাই !!!!
কোন এক বছর, শিক্ষকেরা বেতন সংক্রান্ত দাবীতে দূরদুরান্ত থেকে রাজধানী এসে অনশন করল, কান্না-কাটি, আহাজারি করল, কিন্তু সেই সময়কালের সরকারের মন গলতে অনেক সময় লাগল ....
আমাদের এখন আন্দোলনের পন্থা শিখতে হবে.... সব দাবীর সাথে একটা ডেডলাইন জুড়ে দিতে হবে ...ওইটাই সরকারের key performance indicator
তবে সরকার যেহেতু বলেই দিয়েছে ভাস্কর্য সরানো হবে..সেক্ষেত্রে মৌলবাদীদের এমন অস্থির হয়ে ভাস্কর্য অপসারণের দরকার পড়ল কেন সেটা বোধগম্য হলো না ...
লেখক বলেছেন: হা হা হা।
দারুণ বলছেন।
আমি আগে কইছিলাম, টুপি হইলো বাংলাদেশের সবচাইতে শক্তিশালী ইউনিফর্ম।
আমার ধারণা টুপি পইরা যে কোনো দাবি করলে সেইটা আদায় হওয়া সহজ।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
দারুন বিশ্লেষন
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
এটা সত্য এসব কাজে ইন্ধনদাতা থাকে। তারা দেখিয়ে দেয়, আড়ালে সবরকমের সহযোগিতাও করে।আরিফের কার্টুন নিয়ে যে হইচই, একই কার্টুন আগেও প্রকাশিত হলেও তা কেউ খেয়ালই করেনি।
মুজাহিদের দেশে যুদ্ধাপরাধী নেই বলে দাবীর ব্যাপারে কি সেই হইচই। অথচ এর কিছুদিন আগে ব্যারিষ্টার আব্দুর রাজ্জাক বিবিসির সংলাপে প্রায় একই রকম বক্তব্য দেন এবং আইনগতভাবে বিষয়টি ব্যখ্যা করার চেষ্টা করেন যেখানে আবেদ খান সাহেবও ছিলেন, তিনি যুৎসই জবাবই দিতে পারেন নি। অথচ সেটা কেউ জানলোও না।
একইভাবে মুর্তির ব্যাপারেও বলা যায়। এসবের পিছনে নিঃসন্দেহে ভাল কোন উদ্দেশ্য কাজ করে না, যেটা কাজ করে বিশৃংখলা তৈরি করা এবং এগুলো প্ল্যানমাফিকই হয়ে থাকে।
এবার আমি আপনাদের তথা সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, সুশীলদের ব্যাপারে বলব। আপনাদের আচরণও অনেক সময়ই খুবই উদ্ধত ধরনের হয়ে থাকে। এদেশের বেশিরভাগ ধর্মপ্রাণ মুসলমানই মনে করে মুর্তি নির্মাণ শিরকের পর্যায়ভুক্ত। অথচ এসবের ধার না ধেরে সংস্কৃতির দোহায় দিয়ে মুর্তি নির্মাণেই আপনারা জেঁকে বসতে চান। আর কোন বিকল্প কি নেই? মুর্তি দিয়ে দেশ সয়লাব করে দিলে কি আমরা খুব সভ্য হয়ে যাব?
মাদ্রাসা ছাত্রদের ধ্বংশ করে দিয়ে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে তাদের কাছ থেকে আর কি আশা করা যেতে পারে? ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী, নাস্তিকদের কাছ থেকে কখনও ইসলামের ব্যাপারে দায়িত্বশীল কোন কিছু দেখতে পেলাম না। এদেরকে হিউম্যান হিসাবে ট্রিট করতেও যেন উনাদের বড় সংকোচ।
শুনেছিলাম, আমেরিকাতে যখন একবার মদ্যপানের ব্যাপক প্রচলন দেখা গেল, তখন সরকার এটাকে কমাতে মদপানের লিগ্যাল এইজকে ২১ থেকে কমিয়ে ১৮তে করে। উদ্দেশ্য ছিল, তাদের মধ্যে আরও আগে থেকেই রেসপন্সিবিলিটি তৈরি করা। যদিও মদপানকেই আমি জায়েজ মনে করি না, তবুও আইডিয়াটা নিশ্চয়ই ভাল।
চরমপন্থীদের মধ্যে সেই দায়িত্ব বোধ তৈরি করা তো সম্ভব হয়ই নাই বরং এই আপনারা হ্যাঁ এই আপনারাই তাদেরকে আরও চরমপন্থার দিকে নিয়ে গিয়েছেন।
সরি অনেক ক্ষোভ নিয়ে লিখেছি, কিছু মনে করবেন না প্লিজ।
লেখক বলেছেন: ধর্মীয় চরমপন্থীদের আপনে যেমনভাবে নিরপরাধ হিসাবে দেখছেন সেইভাবে দেখার চোখ শ্রেণীগত অবস্থান থেকেই আমার নাই। আমার লেখাটায় আমি যে মত প্রকাশ করছি তার একটা প্রতিপাদ্য এই যে, এই হুজুররা সময়মতো মাঠে নামছে ঠিক ধর্মীয় প্রণোদনায় নয়, অন্যের উদ্দেশ্য সফল করার জন্য। দেশে এখন যে কোনো প্রকারে একটা অরাজকতা তৈরি কারো উদ্দেশ্য হইতে পারে। তারা হুজুরদের মাঠে নামাইতেছে। আমার অভিজ্ঞতা বলে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে হুজুররা যে প্রতিক্রিয়া দেখায় তা অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ফলে, বায়তুল মোকাররম থেকে দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে কোনোদিন কোনো মিছিল হয় নাই। কোনো কওমী মাদ্রাসা ছাত্র আন্দোলনকে কখনো অর্থনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে কথা বলতে দেখা যায় নাই। কোনো অপশাসনের বিরুদ্ধে তাদের তেমনভাবে দাঁড়াতে দেখা যায় নাই।
নিজেদের শ্রেণীগত ইস্যু এজন্ডোর বদলে অধিকাংশ সময় অন্যের ভাড়াটিয়া হিসাবেই তারা ব্যবহৃত হন। এরকম একটা সময়ে কেন হঠাৎ মূর্তি/ভাস্কর্য ভাঙতে হবে সেইটা একটু বুঝা দরকার।
তবে একথা সত্য, প্রগতিশীলরা মোল্লাদের বিরুদ্ধে অনেকটা অবুঝের মতো খড়গহস্ত। ক্ষোভ নিয়ে লিখেছেন ঠিক আছে। আরও ক্ষোভ নিয়ে আলোচনাটা যদি চালান তবে খুব খুশী হবো।
ষড়ভূজ বলেছেন:
প্রথম আলোতে জয়েন করায় মাহবুব ভাই বদলানো শুরু করলেন মনে হয়?
লেখক বলেছেন: আমার আগের কোনো কথার সঙ্গে এখনকার কথার কোনো কন্ট্রাডিকশন দেখছে দয়া করে দেখিয়ে দেবেন।
আপাতত এটাই পেলাম। আর সময় নাই খোজার।
আরেকটা ব্যপার। সব ধরনের মূর্তি একই রকম নিরুৎসাহিত নয়। এটা লিংকেই পাবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিন্তু লিঙ্কে
Error, please try again. লেখা।
ভূপর্যটক বলেছেন:
মাহবুব বলছেন, প্রথম বয়ান:"ছবি কেন, গানের মাধ্যমে চিন্তার ছবি ছাড়া আর কোনো ছবি, উত্তারাধিকার তিনি রাইখা যাইতে চান নাই। লালন দর্শন মোতাবেক, চিন্তাকে ধারণ করা, পালন করা ও বাস্তবায়ন করার চাইতে ছবি, মাজার ইত্যাদিকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয় নাই"।
তার মানে বুঝলাম, ছবির ব্যাপারে লালনের বিশেষ দার্শনিক আপত্তি আছে এবং সেই আপত্তি আপনি বুঝতে পেরেছেন ও মানেন। আপনাকে বুঝতে আমার ভুল হলে দয়া করে ধরিয়ে দিবেন। আপাতত এই বুঝের উপর দাড়িয়ে এই সূত্রে পরের প্রসঙ্গে যাচ্ছি।
আপনি এরপর লিখলেন, দ্বিতীয় বয়ান:
"ভাস্কর্যের যে ছবি দেখলাম তাতে নাচনেঅলা যে বাউলকে দেখা যাইতেছে তিনি লালন নন বইলা প্রথমেই ওই ভাস্কর্যরে লালনের ভাস্কর্য হিসাবে চালানোর বুজরুকির বিরোধিতা করা দরকার বইলা মনে করছিলাম"।
তার মানে এবার আপনার আপত্তি বা "বুজরুকির বিরোধিতা" কারণ হলো, "এই নাচনেঅলা বাউল লালন নন বইলা"। তাহলে কী দাঁড়ালো? এটা "লালন হইলে" আপত্তি নাই?
আপনার এই দুই বয়ান একটা আর একটার বিরোধী। ছবির ব্যাপারে লালনের বিশেষ দার্শনিক আপত্তি যদি মানেন তাহলে ভাস্কর্য বা এর ছবি "লালন নন বইলা" বা "লালন বইলা" যাই হোক না কেন আপনাকে এই উভয় "বুজরুকির বিরোধিতা" করতেই হবে। কিন্তু আপনার বিরোধীতা কেবল "লালন নন বইলা" কেন?
আপনার এই স্ববিরোধীতা পীড়াদায়ক। আমরা জানি না আপনার অনুভব কেমন।
আবার দেখেন, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর যে ছবি আঁকলেন তা "আদতে যাঁর ছবি আমরা লালন হিসাবে চিনতে চাই তিনি লালন" হন বা না হন - এই ছবি আঁকার চেষ্টা করাটা কী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঠিক হলো? লালনের তত্ত্বগান দর্শনে ছবির ব্যাপারে লালনের বিশেষ দার্শনিক আপত্তি না বুঝে কী আমরা চিত্রকর হতে পারি, বিশেষত লালনেরই ছবির চিত্রকর? এটা কী জমিদার বংশের গৌরব আর গায়ের জোড় দিয়ে গরীব প্রজা লালনের উপর জবরদস্তি করলেন না?
আবার তিনি তো চিত্রকর, ফলে ধরে নিতে চাই তিনি শিল্পকলার সাধক। জ্যোতিরিন্দ্রনাথের কাছে শিল্পকলা কী কেবলই একটা টেকনিক, ইনজিনিয়ারিং বিদ্যার মতই রং তুলির একটা নেহায়েতই কৃতকৌশল? না কী ইতিহাস, দর্শন ইত্যাদির বিশেষ বিশেষ বৈশিষ্টসহ জানাশুনা পরই কেবল চিত্রকলা একটা বিদ্যা, নইলে তা অবিদ্যার নামান্তর? জ্যোতিরিন্দ্রনাথ কে কী আমরা অবিদ্যার দোষে অভিযুক্ত করার সাহস রাখি? না কী আজও তাঁর জমিদারি ক্ষমতা অলক্ষ্যে আমাদের উপর জারি আছে। আমার মনে হয়, হয় আমরা শহুরে বুদ্ধিজীবীর মত লালনের তত্ত্বগান দর্শন বুঝবার যোগ্যতা রাখি না অথবা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের জমিদারি ক্ষমতা আমাদের মধ্যেও আছে, কাজ করে - আমরা টের পাই হয়তো অথবা না; ইতিহাস, দর্শনের বোধশক্তিহীন রংমিষ্ত্রি।
লেখক বলেছেন: ভূপর্যটক,
দারুণ ব্যাপার ধরছেন।
অনেক কৃতজ্ঞতা, এইটা ধরায়ে দিছেন বইলা।
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর লালনের ছবি আঁকার সময় তিনি চেয়ারে বইসা আছিলেন কিনা আমি কোনো অথেনটিক সোর্স থিকা জানতে পারি নাই। অথবা, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ স্মৃতি থিকা এইটা আঁকছিলেন কিনা তাও জানতে পারি নাই। ফলে, ছবি আঁকার সময় বা তার পর কী ঘটছিল, লালন অনুমতি দিছেন কি দেন নাই। বকা দিছেন কি দেন নাই সেইটা নিয়া কথা বলার মতো পরিস্থিতির মধ্যে কখনো কাউরে পড়তে দেখি নাই।
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ কেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের সমস্যা নিয়া কথা বলার মতো পরিস্থিতি বাংলাভাষায় আমি মেলা দেখছি। ফলে 'আমরা' তো কথা বলার তাকদ রাখি। অন্য কেউ রাখে কি না, সেইটা আমি জানি না।
শহুরে লোকেরা লালনকে মানবতাবাদী, হিন্দু-মুসলিম মিলনের গায়ক হিসাবে দেখে। সমঝদাররা কন এইটা ভুল। তারা ভুলে শোধরানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সেই ভুল ভাঙে না। ফরিদা পারভীনের গানের মাধ্যমে লালনকে ভুলভাবে/খণ্ডিতভাবে পাঠ করলেও সেইটা লালনের একটা নির্দিষ্ট শ্রেণী ও সাংস্কৃতিক পাঠ। লালনের ধর্মকে ধর্ম হিসাবে, গানকে দর্শন হিসাবে পাঠ করার যোগ্যতা শহুরে মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় অর্জন করে নাই। তথাপি এইটা গুরুতর কোনো গোল তৈয়ার করে না। কারণ ভুলপাঠ/খণ্ডিত পাঠ আর বিকৃতির মধ্যে একটা স্পষ্ট পার্থক্য আছে।
লালন মূর্তি পছন্দ করতেন কি করতেন না, সেইটা সমঝদার জানেন। কিন্তু শহুরে মানুষের লোকসংস্কৃতি পাঠের প্রক্রিয়ায় লালনের ছবি একটা প্রসঙ্গ। সেইখানে লালন সাঁইয়ের অথেনটিক ছবির একটা গুরুত্ব আছে। লালন ছবি পছন্দ করতেন না বইলা, একতারা হাতে গেউরা পোশাক পরা কাউরে লালন বইলা চালায়া দেওয়া আমি সমর্থন করি না। মনে করি, লালনের ভাস্কর্য যদি কেউ তৈয়ার করতে চায়। ঠিক ভাস্কর্যই তৈয়ার করা উচিত। যতটা সম্ভব ঐতিহাসিক মাত্রা থাকা উচিত তাতে।
লালন কেন মূর্তি ছবি ভাস্কর্যে নিজের চিহ্ন রাখতে চান নাই সেইটা জানলে মোল্লারা এখন একটু খুশী হইতে পারে। কিন্তু এর বেশি কিছু কইলে তারা বেজারও হবে। সো, আকলমান্দের জন্য কফি আর নাকলমান্দদের জন্য চা।
ভাড়াটিয়া মোল্লাদের হঠাৎ জাগরণ আর লালন স্কুলের তত্ত্বকে মিলাইয়া বগল বাজানোর মধ্যে বিপদ আছে।
আবারও আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে, আপনে পড়ছেন আমার লেখা আর ধরছেন জায়গা মতো। বহুত খুশ হুয়া।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
পোস্টের থিকা তিনকোণারে দেয়া জওয়াব ভালৈসে।
লেখক বলেছেন: কিছু একটা ভাল হইলেই হইলো।
তাই তো। এটা কি করে হল? জাস্ট কিছুক্ষনের মধ্যে?
আমি তো কপি করেও রাখিনি।
আমার খুব আশ্চর্য লাগছে? উল্টা পাল্টা সন্দেহ মনে উকি দিচ্ছে।
Anan
Title
Islamic Views on Erecting Statues
Question
Dear scholars, As-Salamu `alaykum. How does Islam view the issue of making statues for leaders, thinkers, or scientists?
Date
03/Apr/2006
Name of Counsellor
IOL Shari`ah Researchers
Topic
Sculpture & Statues
Answer
Wa `alaykum As-Salamu Wa Rahmatullahi Wa Barakatuh.
In the Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.
All thanks and praise are due to Allah and peace and blessings be upon His Messenger.
Dear questioner, we would like to thank you for the great confidence you place in us, and we implore Allah Almighty to help us serve His cause and render our work for His sake.
Muslim scholars have unanimously agreed on the prohibition of making statues with the purpose of worshipping or revering them. If this is the case, the sin of making statues involves the sculptor, the buyer, the worshipper and deifiers.
There is also an agreement among scholars that the statues made to be an object for training and children toys, i.e. dolls of animals and humans are not included in the prohibition.
However, scholars have differed regarding some other points as follows:
The majority of scholars are of the opinion that defaced or incomplete statues are not prohibited so long as they are not worshipped. However, some scholars prohibit the use of statues under any circumstances whatsoever.
On the other hand, the full-figured statues are, according to the majority of scholars, prohibited, even if they are not worshipped or revered. By the passage of time, there is a possibility of people turning such statutes into objects of worship as did the people of Noah (peace be upon him) who made statues of their pious ancestors in order to remember them, and they ended up worshipping such statues.
Some scholars, however, hold the view that making statues is permissible if they are not deemed to be worshipped.
Deep thinking will show that it is more haram to erect statues commemorating tyrant rulers. Perpetuating the memories of rulers, thinkers, and scientists is best achieved through establishing organizations carrying their names or issuing books about their efforts and achievements.
In this regard, the prominent Muslim scholar Sheikh Yusuf Al-Qaradawi states:
Islam prohibits statues and three-dimensional figures of the living creatures. The prohibition is even more stressed in case the statue is for a being already dignified i.e. Angels, prophets, the Virgin, or idols like cows for Hindus.
We need to understand the Islam’s stand on this issue as a means of safeguarding the concept of monotheism. Some people may argue that such ruling belongs to the old ages when paganism was rampant, not in these days that worshipping idols exist no more. Such argument is weak especially as we know idolatry and paganism still keep their traces in some people’s minds and are reflected in their conduct. People do still believe in myths and even the educated ones sometimes fall in such errors. Therefore, the statues of ancient Egyptians are prohibited. Some people may use busts like the head of some ancient Egyptian queens as an amulet to protect against evil eye or evil souls, in which case the prohibition of amulets is added to that of the statues. The only type of statues that is permitted is children dolls.
Bellow, we'd summarize the rulings pertaining to figures and figure-makers:
1. The most strictly prohibited figures are those which are made to be worshipped in the place of or in addition to Allah. If the one who makes them does it intentionally for this purpose, he is going in the direction of unbelief. The most detestable among such figures are statues. Anyone who has a share in propagating or glorifying them will bear the sin proportional to his part.
2. Next to this in sinfulness are figures which are not made to be worshipped but which are intended to imitate Allah's creation. If the artist claims that he originates and creates as Allah does, he is an unbeliever. This matter pertains solely to the intention of the artist.
3. After this are statues which are erected in public places in order to commemorate great personalities such as kings, rulers and celebrities; this applies equally to full-length statues and to busts.
4. Next are statues of living beings which are neither worshipped nor reverenced. There is general agreement that they are haram, except those which are not treated in a manner indicative of respect. Dolls or figures made of chocolate or sugar are clear exceptions.
Late Sheikh Jadul-Haqq `Ali Jadul-Haqq, former Grand Imam of Al-Azhar, may Allah bless his soul, adds:
The Qur’an was brought to the Prophet (peace and blessings be upon him) when he was among a nation of pagans who used to set up idols around the Ka`bah. The Prophet warned against statues and the making thereof to avoid worshipping them or imitating Allah’s creatures.
Likewise, all the Prophets, were sent to prevent their peoples from worshipping idols or taking such as means to bring them near to Allah. Allah Almighty says: ( We worship them only that they may bring us near unto Allah.) (Az-Zumar 39: 3) In the Qur’an the story of Abraham (peace be upon him) with the idolaters is oft-repeatedly mentioned in order to draw people’s attention to the Oneness of Allah.
According to the scholars’ understanding, the dialogue between the Prophets, peace and blessings be upon them all, and their peoples concerning statues fluctuated between detest and prohibition.
However, making full-figured statues of humans or animals is prohibited. Masruq, may Allah be pleased with him, said: “We entered, along with Abdullah, a house where there were some statues. Pointing at one of them, Abdullah asked: “Whose statue is this?” They answered: “The Virgin”. Thereupon he quoted the Prophet (peace and blessings be upon him) as saying: “Among the people receiving the harshest punishment on the Day of Resurrection will be carvers or sculptors”
Sheikh `Atiyya Saqr, former Head of Al-Azhar Fatwa Committee, adds:
There is a disagreement among scholars concerning the issue of statues. Following is a summary of their opinions and views:
Muslim scholars unanimously agree that the possession of statues deemed to be worshipped is haram (prohibited). Allah says: (So shun the abomination (worshipping) of idols and shun lying speech) (Al-Hajj 22: 30)
The possession of statues is also prohibited if the following conditions exist, even if they are not to be worshipped:
1- If they are full-figured statues.
2- If there is no need to acquire them.
3- If they are formed of a substance that lasts for a long time, i.e. wood, metal, or stone.
Therefore, we can say:
a) The possession of busts or statues with a missing part without which a human being can not survive, i.e. the head or the stomach is permissible, but yet disliked.
b) The possession of statues becomes permissible once there is a need to acquire them, i.e. girl’s dolls or statues used in practical training. According to Al-Bukhari and Muslim authentic books, the Prophet (peace and blessings be upon him) allowed `Aishah to play with dolls, but this was an exception for girls. According to some scholars, erecting statues to commemorate great men is only detested, not prohibited.
d) According to the Maliki scholar, Asbagh bin Al-Farag, the possession of statues made of candy or pasta is permitted.
Shedding more light on the issue, Professor Muhammad `Imarah, the well-known Egyptian Muslim thinker, says:
The Islamic ruling regarding statues is derived from the Qur’an in which there are many verses tackling this issue. The Qur’an, for example, refers to the making of statues as a form of His Favors on the Prophet Solomon (peace be upon him). This was because such statues were not worshipped at that time and thus did not pose any threat to the belief in the Oneness of Allah. Allah Almighty says: (And unto Solomon (We gave) the wind, whereof the morning course was a month's journey and the evening course a month's journey, and We caused the fount of copper to gush forth for him, and (We gave him) certain of the jinn who worked before him by permission of his Lord. And such of them as deviated from Our command, them We caused to taste the punishment of flaming fire They made for him what he willed: synagogues and statues, basins like wells and boilers built into the ground. Give thanks, O House of David! Few of My bondmen are thankful.) (Saba' 34: 12-13)
On the other hand, the Qur’an relates how Abraham (peace be upon him) destroyed the idols worshipped besides Allah. Likewise, the Prophet (peace be upon him) who was sent among a nation of idolaters, received the same Qur’anic legislation, i.e. destruction and elimination of the worshipped idols.
It is obvious, therefore, that the Qur’anic view as regards this issue depends on whether such statues are used as a kind of decoration which turns them to be one of Allah’s favors or as idols worshipped beside Allah, hence, they must be destroyed.
The Companions, may Allah be pleased with them, followed this very direction which does not generalize the ruling. They destroyed and eliminated the idols of the Arabs. In the same time, they kept intact the statues that people did not worship in the countries in which Muslims entered. They did so in Egypt, Afganistan, India and many other territories.
The renowned Muslim scholar Sheikh Faysal Mawlawi, Vice Chairman of the European Council for Fatwa and Research, states:
The issue of statues should be addressed in light of the following points:
Making, buying or possessing statues falls under the well-known principle of jurisprudence which reads: “Everything is lawful unless there is an attribute turning it into an unlawful matter.”
If the statues are made to be worshipped, then buying, selling or possessing such would be one of the grave sins.
Making statues to imitate Allah’s creatures is also a grave sin. However, such statues could be of a spiritless object, i.e. the sun, the moon … etc or of a lawful doll. Hence, some scholars said that the permissibility or otherwise of such statues depends on the intention of the one who makes them.
Statues or flat drawings made to commemorate great men in a way that may lead to some kind of worship are prohibited; this is out of blocking the ways leading to evil; a rule unanimously agreed upon by scholars.
Statues and drawings which are neither worshipped nor revered are permissible, even if there is no legitimate need for them. Making such statues becomes commendable if there is a legitimate reason, i.e. children dolls are lawful according to the four schools of Islamic jurisprudence.
Allah Almighty knows best.
লেখক বলেছেন: লিঙ্ক থেকে পুরোটা তুলে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
পোস্টটি পছন্দ হয়েছে । ১. বিমানবন্দরে স্থাপিত ভাষ্কর্যটি দ্রুতই বাউল থেকে লালনে রূপান্তরিত হচ্ছে দেখে অবাক হচ্ছি । আদতে এটা লালনকে স্মরণ করে বানানো হয়নি , এটা বাউল হিসেবেই তৈরী করা হচ্ছিল বলে জানি ।
২. ফাঁক ফোকরে ভাষ্কর্যটির যে নমুনা আমি দেখেছি তাতে করে এটি খুব ভালো মানের কাজ বলে মনে হয়নি । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শামীম শিকদারের একটি কাজ আছে , আমার স্থূল রূচিতে এটিকে অত্যন্ত কুৎসিত একটি স্থাপনা মনে হয় । একে অপসারনের জন্য যদি কোন আন্দোলন হয় তাহলে আমি হয়তো সেটাতে সমর্থন জানাব ।
৩. তবে-
কথা হচ্ছে মোল্লারা ভাষ্কর্যটিকে আঘাত করেনি , তারা করছে ভাষ্কর্য শিল্পটিকে । এই জায়গার প্রতিরোধ জরুরী ।
দেশে সবকিছুই মোল্লাদের নীতিমাফিক হবে , এই ধরনের গোয়ার্তূমি থেকে তাদেরকে বের করে নিয়ে আসতে হবে ।
এর জন্য যদি তাদের উদ্বুদ্ধকরনে যেতে হয় , সেখানে সমর্থন আছে , আবার শক্তি প্রয়োগ করতে হলে , সেটাকেও সমর্থন করি ।
৪.ভাষ্কর্য অপসারনের এই আন্দোলনকে আমার জামাতি আন্দোলন মনে হয়নি । বরং এটা মনে হচ্ছে ঐক্যজোটের আন্দোলন । এই কাঠমোল্লারা অন্য সেক্টরের । সরকার জামাতিদের যেহেতু জামাই আদর করছে , তাই তারাও তাদের ভাগ বুঝে নেয়ার জন্য শক্তি প্রদর্শন করছে, আমার তাই ধারনা ।
লেখক বলেছেন: আরিফ ভাই,
সহমত ও ভিন্নমত সবটার জন্যই ধন্যবাদ।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আমি ধর্মীয় চরমপন্থীদের নিরাপরাধ হিসাবে দেখি নাই। তার জন্য কে দায়ী সেটা খুঁজার চেষ্টা করেছি। ধর্মের লোকজনই কেবল চরমপন্থা হয় না, চরম আচরণ অন্য অনেকেই করে থাকেন।এইসব হঠাৎ হঠাৎ জেগে ওঠা লোকদের পিছনে বাজে উদ্দেশ্য কাজ করে, অথবা তারা বুঝে হোক না বুঝে হোক অন্য কোন শক্তির ক্রীড়নক হিসাবে আচরণ করে সে ব্যাপারেও আমার দ্বিমত নাই।
কিন্তু এসব ঘটনা একবার যখন শুরু হয় সুশীল চরমপন্থীরা সকল ইসলামপন্থীদের এক হাত নেন। মনে হয়, ইসলাম এসবের জন্য দায়ী। ইসলামটাকে উৎখাত করতে হবে এমন সব জিহাদী জোস দেখা যায়। খুব সহজেই জামাতী ট্যাগ লাগিয়ে দিয়ে কিছু শ্রেণীর মধ্যে বেশ একটা প্রভাব তৈরি করানো হয়। প্রচার করা হয় মাদ্রাসা থেকেই সন্ত্রাসের উৎপত্তি, এদের উৎখাত করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যেখানে একজন অমুসলিম নির্দিধায় ইসলামিক স্ট্যাডিজ নিতে পারে, সেখানে মাদ্রাসা ছাত্রদেরকে অযোগ্যতার অজুহাতে বিভিন্ন বিভাগ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা চলছে। নিয়ম করছে, বাংলা ইংরাজীতে ২০০ মার্কস থাকতে হব যেখানে পূর্ণমানই ২০০। ওদের সাথে এইসব রসিকতার কোন মানে হয়? অযোগ্য হলে তো ভর্তি পরীক্ষায়ই চান্স পাবে না। নিয়ম অনুযায়ী যখন তারা এসএসসি এবং এইচএসসির সমমান নিয়ে আছে, তখন তাদেরকে এভাবে বঞ্চিত করা কি অন্যায় নয়? আপনি আস্তে আস্তে সব দিকের দরজা বন্ধ করে দিবেন আর বলবেন এরা অপদার্থ সময়ের অপ্রয়োজনীয়, এটা কোন কথা হলো?
চরমপন্থাকে নির্মুল করতে হলে স্বাভাবিকতাকে প্রমোট করতে হবে। সত্যপন্থীদের জায়গা করে দিতে হবে নইলে চরমপন্থা সৃষ্টি এবং এর ব্যপকতার জন্য আপনারায় দায়ী থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি আবার কী করলাম। আমরা দায়ী থাকবো কেন?
আমি তো কিছু করি নাই।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
ভাল পোষ্ট দিয়েছেন। অনেক কিছু জানা গেলো। আপনাকে অভিনন্দন এই রকম একটি পোষ্ট মারার জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুক্তি ভাই।
লেখক বলেছেন: ভিন্নমত প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।
শিল্প নিয়া ইমোশন তো ভাল। তবে এ যাবত বাংলাদেশের ভাস্কর্য শিল্প দেইখা আমার এই ধারণা পোক্ত হইছে যে, সমঝদার, অসমঝদার, অবুঝ কারো মনে কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে এইগুলা ব্যর্থ হইছে। শিল্প হিসাবে এইগুলার কোনো অবদান আমি কখনো ফিল করি নাই। হুজুরদের ধন্যবাদ যে, তারা অন্তত এইগুলার কিছু অর্থ আবিষ্কার করতে পারছেন। আমরা এইগুলার অর্থ না বুইঝা চুপ কইরা থাকি কিন্তু তারা এইগুলার অর্থ বুইঝা চুপ কইরা থাকতে পারেন নাই।
প্রতিবাদ করছেন। তাতে আবেদনহীন, অশৈল্পিক ভাস্কর্যগুলার কিছু আবেদন সৃষ্টি হইছে। কিছু মানুষ এইসব অপ্রয়োজনীয় ভাস্কর্যকে শিল্প বইলা শনাক্ত করতে সক্ষম হইছেন।
এইজন্য আমাদের ধান্দাবাজ, টেন্ডারবাজ, দুই নম্বরী শিল্পীদের উচিত হুজুরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
হুজুররা ভাস্কর্য ভাঙায় আরেকটা ভাল কাজ হইছে। সংস্কৃতিবান লোকদের একটা ঐক্য তৈরি হইছে। লাইগা থাকলে এইখান থেকে একটা শৈল্পিক রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটতে পারে।
ফুটনোট : বাউল, লোকজ সংস্কৃতি এইগুলা খুব বিতর্কিত টার্ম। নেতিবাচক শব্দ। এইগুলার পক্ষে দাঁড়াইতে হইলে ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করাই ভাল।
ভাস্কর্য নিয়ে আপনার যে ধারণা তৈরি হয়েছে সেটি ইম্পিরিক্যাল কিনা সে প্রশ্নও জরুরি। ইম্পরিক্যাল না হলে সাধারণীকরণ না করাই ভাল। আর ইম্পিরিক্যাল হলে তার পদ্ধতিটা বলা দরকার। কারও কারও দ্বারা জঙ্গীবাদকে শ্রেণী সংগ্রাম হিসেবে দেখার মধ্যে নতুনত্ব থাকতে পারে। এ দেখার পদ্ধতিটা ভয়াবহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লেখক বলেছেন: পৃথিবীতে আপেক্ষিক না এমন একটা শব্দ দেখান। যে উচ্চম্মন্য অবস্থান থেকে আমরা বাউল, লোক/লোকজ সংস্কৃতি শব্দগুলা আকছার ব্যবহার করি তা কেউ ধরায়ে দিলে সে ফতোয়াবাজ হয়া যায় ঠিক একই অবস্থান থিকা।
আপনে মাইন্ড খাইলে তো হবে না।
ভাস্কর্য নিয়া ইমপিরিকাল ধারণা কেমনে হয়?
ভাস্কর্য তৈরি করতে করতে হয়, না ভাস্কর্য দেখতে দেখতে হয়, না ভাস্কর্য পড়তে পড়তে হয়?
বাংলাদেশের ভাস্কর্যগুলা নিয়া আপনের দৃষ্টিভঙ্গি জানার অপেক্ষায় থাকলাম।
...........................................................................................
ভাস্কর্য কারও মনে কোন প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে নাই এ ধরনের একটি অসাধারণ সাধারণীকরণের জন্য ইম্পিরিক্যাল এর দককার পড়ে। অন্তত বিদ্যাজাগতিক সততার জন্য। না হয় এটিকে নিছক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নির্ভর একটি প্রস্তাবাকারে উপস্থাপন করাই উত্তম। আম জনতাকে না জড়ানোই ভাল।
লেখক বলেছেন: জাইনা ভাল লাগলো যে, লোকজ সংস্কৃতিকে আপনে মূলধারা মনে কইরা উল্লেখ করেন।
......................................
আম জনতার কথা বাদ। আপনের মুখে শুনি, আপনের কী মত বাংলাদেশের বিভিন্ন ভাস্কর্য বিষয়ে?
আপনের মত পাইলে পোস্ট দিয়া অন্যদের মত যাচাই করা যাইতে পারে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আপনারা বলতে ঐ বিশেষ শ্রেণীকে বুঝিয়েছি, ভাল লাগছে যে আপনি ঐ শ্রেণীর মধ্যে পড়েন না।ঐ যে বললেন আরও ক্ষোভ নিয়ে আলোচনাটা চালাইতে...... হাতের কাছে আপনাকে পেলাম তাই
লেখক বলেছেন: তাহলে তো ঠিকই আছে।
রিফাত হাসান বলেছেন:
প্রথমে আপনার এই পোস্টটা চোখে পড়ে নাই। আমি এ সংক্রান্ত একটা লেখা দিয়েছিলাম ফাজলামোর একটা সীমা থাকা দরকার শিরোনামে, তার পরদিন এইটা চোখে পড়ল। এ সঙ্ক্রান্ত প্রচুর লেখা পড়েছি এর পরে, ব্লগে, আর জায়গায়ও। যেহেতু একটা পোস্ট দিচ্ছি এ সংক্রান্ত, তাই কমেন্ট করে যাই নাই। পরে, গতকালকে, এ সংক্রান্ত দ্বিতীয় পোস্টটি দিয়েছি: ভাস্কর্য বিতর্ক: কয়েকটি প্রশ্ন ও কিছু ফুটনোট, এখানে আমার কিছু মতামত আছে। অনেকেই অনেক কমেন্ট করেছেন আপনার এই পোস্টে, ভূপর্যটকের কথাগুলি বেশ ভাল লেগেছে এইসবের মধ্যে। আপনার শেষ প্যারাটি পছন্দ হইছে:আমেরিকা পন্থী একটা সরকার, বিমানবন্দরের মতো স্পর্শকাতর একটা জায়গায় জঙ্গি বেশধারী তালেবানদের একরকম শক্তিশালী উপস্থিতি কেমনে সয়? ভাস্কর্য নিয়া আমার মাথাব্যথা নাই। ওইখানে ইসলাম সম্মত ভাস্বর্য হউক আর অসম্মত হউক এইটাও বিষয় না। বিষয় হইলো, বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?
জর্জ বুশরে কোন মুখ নিয়া আমরা দাওয়াত দিবো এই দেশে?
লেখক বলেছেন: আপনার দুটি পোস্টই মনোযোগ সহকারে পাঠ করছি।
এই পোস্ট দেরিতে হলেও আপনার চোখে পড়েছে জেনে খুশী হলাম।
রণদীপম বসু বলেছেন:
বিমান বন্দরের এই ভাস্কর্যটির শিল্পমান হয়তো ভিন্ন জিনিস। কিন্তু সহজিয়া পন্থী বাউল সংস্কৃতি কি আমাদের হাজার বছরের লোকায়ত সংস্কৃতির উত্তরাধিকার নয় ? সে ক্ষেত্রে ওই ভাস্কর্যটিকে আমাদের লোকায়ত সংস্কৃতির সিম্বলিক উপাদান ভাবতে পারি নিশ্চয়ই।তাই তো মোল্লারা যখন এই ভাস্কর্যে আঘাত করে, তাকে আমাদের লোকায়ত সংস্কৃতির উপর আঘাত বললে কি ভুল বলা হবে ? হয়তো এখানে সমকালীন রাজনীতির অনেক উপাদানই বর্তমান, যা আপনার লেখায় এসেছে। কিন্তু ক্রমান্বয়ে দেশের সব মূর্তি ভেঙে ফেলা হবে বলে যে হুমকী উত্থাপিত হয়, তাতে এটাকে আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির উপর উগ্র মৌলবাদী বিজাতীয় সংস্কতির আঘাত হিসেবে যদি দেখতে চাই, তবে কি ভুল হবে ?
রাজর্ষী বলেছেন:
সব বুঝলাম কিন্তু , "বিমানবন্দরে মোল্লাদের ঘাঁটি কেমনে তৈরি হইলো?" এই প্রশ্নের উত্তর দেন, কারন এইটাই তো একশন আইটেম হওয়া উচিত। নাইলে কারোই পিঠ বাচবেনা।
জলপাই দেশি বলেছেন:
লালেনর মূর্তি নিয়ে হৈ চৈ এর সাথে লালন প্রেমিকদের কোন সম্পর্ক নেই। লালন বা লালন প্রেমিকরা কারো মূর্তি নিয়ে মাথা ঘামায় না। লালন প্রেমিকরা জানে, যারা মূর্তি ভাঙে আর ভাঙার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে তারা সবাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ওসব করে।



















কিন্তু যাওয়া হচ্ছে না।