আখাউড়া রেলওয়ে হাইস্কুল থেকে পাস করে সোজা ঢাকায় চলে আসি।
কিছুদিন সিটি কলেজে ছিলাম। ছিলাম জগন্নাথেও।
তারপর টোকিওতে কাটিয়েছি সাড়ে...
![]() | আর এস এস ফিড |
পোস্ট আর্কাইভ
- মে,২০১৩(২)
- এপ্রিল,২০১৩(৬)
- মার্চ,২০১৩(৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০১৩(৩)
- জানুয়ারী,২০১৩(১২)
- ডিসেম্বর,২০১২(২)
- নভেম্বর,২০১২(৩)
- অক্টোবর,২০১২(৭)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(৮)
- আগস্ট,২০১২(১০)
- জুলাই,২০১২(২)
- জুন,২০১২(৮)
- মে,২০১২(২)
- এপ্রিল,২০১২(৫)
- মার্চ,২০১২(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(৩)
- ডিসেম্বর,২০১১(১)
- নভেম্বর,২০১১(৪)
- অক্টোবর,২০১১(৪)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(২)
- আগস্ট,২০১১(৪)
- জুলাই,২০১১(১)
- জুন,২০১১(৪)
- মে,২০১১(৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(৪)
- জানুয়ারী,২০১১(৪)
- ডিসেম্বর,২০১০(৬)
- নভেম্বর,২০১০(৩)
- অক্টোবর,২০১০(৫)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(৩)
- আগস্ট,২০১০(৩)
- জুলাই,২০১০(৩)
- এপ্রিল,২০১০(৩)
- মার্চ,২০১০(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(১)
- জানুয়ারী,২০১০(৩)
- নভেম্বর,২০০৯(৩)
- অক্টোবর,২০০৯(২)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(২)
- জুলাই,২০০৯(১)
- মে,২০০৯(৩)
- এপ্রিল,২০০৯(৪)
- মার্চ,২০০৯(৩)
- জানুয়ারী,২০০৯(৬)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৭)
- নভেম্বর,২০০৮(৪)
- অক্টোবর,২০০৮(৯)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(৬)
- আগস্ট,২০০৮(৯)
- জুলাই,২০০৮(১৬)
- জুন,২০০৮(১৫)
- মে,২০০৮(১০)
- এপ্রিল,২০০৮(১১)
- মার্চ,২০০৮(১০)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৮(১৫)
- জানুয়ারী,২০০৮(১৭)
- ডিসেম্বর,২০০৭(১৬)
- নভেম্বর,২০০৭(১৩)
- অক্টোবর,২০০৭(১১)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(১২)
- আগস্ট,২০০৭(২৪)
- জুলাই,২০০৭(১০)
- জুন,২০০৭(১০)
- মে,২০০৭(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- মধ্যযুগে বাগদাদ এবং ইউরোপের বিদ্যাচুরী - দ্য েস্লভ
- নাস্তিক্যবাদ ও বহুইশ্বরবাদের অসারতা এবং তৌহিদের অনিবার্যতা - নূরুল্লাহ তারীফ
- মদীনা রাষ্ট্র না মানার কারণে নয় বনু কুরাইযাকে পাকড়াও করা হয়েছিল বিশ্বাসঘাতকতার কারণে, সংসদসদস্যদের কাছে দায়িত্বশীল বক্তব্য কাম্য - মুফতি আবুল হাসান মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ - লিয়াকত আলী খান
- বিশ্বাসের মূল্য - ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ - সুলাইমান হাসান
- সামুতে আমার ৫০ টি প্রিয় গল্প (একটি গল্প সংকলন মূলক পোষ্ট) - সোহাগ সকাল
- অন্ধকারাচ্ছন্ন ইউরোপ - দ্য েস্লভ
- আসুন মোনাজাত করি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে। - মাগুর
- প্রথম ক্রুসেড এবং বর্বর মুসলিম জাতি(!) - বুনো
- জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি - রাজীব নুর
- আল কোরআন - মহা বিশ্বের চির বিস্ময় - শেষ পর্ব - বইপাগল
- বিশ্ববাসীর প্রতি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু সক্ষিপ্ত বাণী.. - আ.হ.ম. সবুজ
- শিক্ষামূলক ঘটনা: ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এর সাথে এক নাস্তিকের কথপোকথন। - বিদ্রোহী২০০৩
- রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষেরা : একটি নাটকীয় ইতিহাস - অনিমেষ হৃদয়
- চীনের প্রাচীনতম ও ঐতিহাসিক মসজিদ সমূহ.....

। ( না দেখলে মিস) - নাঈম আহমেদ
- একজন মা কে বাঁচাতে "ও নেগেটিভ" রক্তের ভীষণ প্রয়োজন। - ইচ্ছামানুষ রনি
- নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের চারিত্রিক গুণাবলী - মাহমুদডবি
- তিনি এমন ছিলেন, আমরা কেমন আছি??? - মানব ও মানবতা
- কালোজিরার পুষ্টি ও ঔষধি গুণ: - হাসিবুল ইসলাম বাপ্পী
- একটি দোয়া, ভাল লাগল তাই শেয়ার করতে ইচ্ছে হল। - এস এম এ যাহিদ ফুয়াদ
- ইসলামে নারীর যৌন অধিকার - নিক টা আমার
খাচা নিয়ে টানাটানি, পাখির দেখা নাই......।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫ |
মূর্তি ভাংগা টা ঠিক হয়েছে না কি বেঠিক হয়েছে সে প্রসংগে ষ্টিকি পোস্টেই অনেক কিছু বলা হয়েছে কিন্তু সেই প্রসংগে যাচ্ছি না।
আজকে এটিকে আমাদের সংষ্কৃতির প্রতি এটিকে আঘাত বলে মনে করছেন অনেক দেশপ্রেমি সংস্কৃতিমনা মানুষজন। সংষ্কৃতিতে এদের অনেক পদচারনাও আছে মনে হয়।
আজকের এই পোস্টটি মুলত তাদের উদ্ধেগ নিয়ে। লালনের যে মূর্তি বানানো হয়েছে তাতো ইট পাথরের, কিন্তু আজকে যে বিদেশী সংষ্কৃতি লালনসহ অন্যসব লোকজ সংষ্কৃতিকে ধুয়ে মুছে দিতে উদ্যত হচ্ছে সে ব্যপারে ওনাদের উন্নাসিকতা কেন। শিশুরা বড় হয় বিদেশী কার্টুন দেখতে দেখতে, কিশোর আর তরুনদের মনে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয় চটুল হিন্দি ছবি আর গানগুলো। যারা একটু এগিয়ে তারা ঝুকে পড়ে হলিউডের দিকে। বিদেশী সংষ্কৃতির আগ্রাসনে এখন বাংলারও উচ্চারনও বিকৃত করা শুরু হয়ে গেছে। টিভিতে এড দেখলে মাঝে মাঝে দ্বিধা হয় হিন্দি চ্যানেল দেখছি না বাংলা।
আমি যদ্দুর জানি উন্নত বিশ্বের সরকার প্রধানগন জাতিসংঘ ভাষন দেবার সময় সবসময় নিজের দেশের ভাষা ব্যবহার করেন। কিন্তু তৃত্বীয় বিশ্বের নেতাদেরই কেবল দেখা যায় চোস্ত ইংরেজীতে ভাষন দিতে। আমাদের দেশের নেতারাও এর বাইরে নন। একবার মুজিব বোধহয় বাংলায় বক্তৃতা দিয়েছিলেন। অথচ রবীন্দ্রনাথ আর নজরুলের জন্মমৃত্যু দিবসগুলো ঘটা করে পালন করা হয়। কিন্তু এখনো কি সম্ভব হয়েছে তাদের বানীকে জনগনের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া। একুশের সকালে যে বাবা সন্তানের হাত ধরে নিয়ে যান মিনারে ফুল দিতে, সেই বাবাই পরেরদিন সন্তানের হাত ধরে রওয়ানা দেন ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলে। ভাল কিছু পড়াশুনা করতে চাইলে আমাদের নির্ভরশীল হতে হয় ইংরেজীতে লেখা বইগুলোর উপর। ইংরেজী না জানলে ভাল কোন চাকুরী মেলে না।
লোক দেখানে ব্যপারে আমরা অভ্যস্ত বলেই লোকজ সংষ্কৃতির ব্যপারে আমাদের আবেগটাও লোক দেখানো।
আমি জাপানে ছিলাম বহু বছর, কিন্তু রাস্তাঘাটে তো কোন মুর্তির চোখে পড়েছে বলে মনে হয় না। নিজের দেশের ভাষা কিংবা সষ্কৃতির প্রতি এদের ভালবাসা আমাদের চাইতে অনেক গুনে বেশি। সংষ্কৃতিকে মানুষ ধারন করে তার মননে, মুর্তিতে না। তাইত লেলিনের আদর্শে গঠিত সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেংগে যখন পড়ল তখন ভেংগে ফেলা হল তার অসংখ্য মুর্তিগুলোকেও। তার নামের শহরগুলোকেও আগের নামে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমি কোথায় যেন পড়েছি স্বংয় লেনিন এসব মুর্তি গঠনের বিপক্ষে ছিলেন। তিনি হয়ত তখনই টের পেয়েছিলেন যে তার মুর্তিগুলি একসময় ভেংগে ফেলা হবে।
আর আমাদের দেশের কিছু ধর্মীয় গুরু আছেন তারা মনে হয় সবসময় একপায়ে খাড়া আছেন মুর্তি দেখলেই তা ভেংগে গুড়িয়ে ফেলার জন্য।
কিন্তু তাদের মনে যে লোভের মুর্তি, খ্যাতির মুর্তি আর ক্ষমতার মুর্তির যে প্রতিনিয়ত পুজা চলে, তাকি তারা কখনো ভাংগতে পারবেন। এদেরকে দেখলে মনে হয় নবীজি সা: নিজেই লজ্জা পেতেন। অবশ্য প্রয়োজনীয় মানবিক গুনাবলীর অনেক কিছুই নেই এদের মাঝে।
এটাই সহজেই অনুমেয় যে এধরনের কিছু হাংগাম মাঝে মাঝে তারা তৈরি করে এইজন্য যে এরসাথে তাদের স্বার্থপরতা সংষ্লিষ্ট থাকে।
আজকে লালনের মুর্তি ভাংগা নিয়ে যারা খুব বেশি আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন, দেখা যাবে তাদের অনেকেই জীবনে একবারের জন্য হলেও লালনের একটি গানও শেষ পর্যন্ত শুনার আগ্রহ দেখাননি। লালনের এই মুর্তি ভাংগাতে তাই একদিকে ভালই হয়েছে, কিছুটা হলে লালন সম্পর্কে জানার আগ্রহ জন্মেছে অনেকের মধ্যে।
কিছুটা অপ্রাসংগিক হলেও একটা প্রসংগে বলার লোভ সংম্বরন করতে পারছি না।
লালনের মুর্তি ভাংগাতে অনেকে আজকে মিছিল নিয়ে ছুটে গেছেন ঘটনার স্থানটিতে।
অথচ কিছুদিন আগে ব্রাকের কর্মীরা যখন একজন জলজ্যান্ত মানুষ পিটিয়ে মারল আর লাশটিকে ঝুলিয়ে দিল গাছে। তখন তাদের কয়জন ছুটে গেছেন ব্র্যাকের অফিসের সামনে তার প্রতিবাদ করতে।
আরেকটি প্রশ্ন হল বেসামরিক বিমান সংস্থাটি ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করে এটি নির্মান করিয়েছিলেন কোন উদ্দ্যেশে, পর্যটন নাকি সংষ্কৃতির লালন। এটাকা গুলো খরচ করে লোকজ সংষ্কৃতির উন্নতিকল্পে অন্য কিছু করা সম্ভব ছিল নয়কি। গায়ে গন্জে অনেক লোকজ শিল্পী আছেন যাদের না খেয়ে মরার মত অবস্থা। তাদের জন্য কিছু খরচ করলে তা আমাদের লোকজ সংষ্কৃতির জন্য ভাল ফল বয়ে আনত নয় কি?
খাচার ভেতর অচিন পাখি, সে যে কেমনে আসে যায়......খাচাটা ভেংগে গেছে সে ত অনেক বছর আগে কিন্তু সে অচিন পাখি এখনো আসা যাওয়া করে আমাদের মনে। লালন নেই কিন্তু লালনের কথাগুলো এখনো অনুরনিত হয়ে আমাদের মনের মাঝে।
তাই পাখিটিকে ছেড়ে খাচা আগলে রাখার মধ্যে কোন যৌক্তিকতা আছে কি?
আমাদের চিন্তা চেতনাগুলো যদি কেবলিমাত্র ছবি আর মুর্তিগুলো মধ্যে পুন্জীভূত হতে থাকে তাহলে কয়দিন পরে দেখা যাবে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে দাড়িয়ে নিজামী আর মুজাহিদেরা স্বাধীনতার মন্ত্রপাঠ নিচ্ছেন কিংবা দিচ্ছেন।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
২য় ...শিশুরা বড় হয় বিদেশী কার্টুন দেখতে দেখতে, কিশোর আর তরুনদের মনে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয় চটুল হিন্দি ছবি আর গানগুলো। যারা একটু এগিয়ে তারা ঝুকে পড়ে হলিউডের দিকে। বিদেশী সংষ্কৃতির আগ্রাসনে এখন বাংলারও উচ্চারনও বিকৃত করা শুরু হয়ে গেছে। টিভিতে এড দেখলে মাঝে মাঝে দ্বিধা হয় হিন্দি চ্যানেল দেখছি না বাংলা।
বাংলা কার্টুন আছে নাকি ...?আগে বানায়া দেন, তারপর দেখেন শিশুরা দেখে কিনা ...
যারা এগিয়ে তারা হলিউড এর প্রতি ঝুকে মানেটা বুঝলাম না, হলিউড এর ছবি দেখা মানেই কি এগিয়ে থাকা নাকি ...?
আজিব সব ধারনা ...
মাহিরাহি বলেছেন:
ঐটা সবার আগে আমি ভাংগতাম
রাহুল বলেছেন:
আচ্ছা ওখানে নাকি হাজি মিনার হবে।কি ধরনের হবে জিনিসটা? মাথায় আসছেনা।আচ্ছা মাথায় টুপি ...সস্রুমন্ডিত কারো মুর্তি হবে? নাকি একটা গম্ভুজ জাতীয় কিছু।একটু ধারন দিয়েনতো ভাই...
দুঃখবিলাস বলেছেন:
@মাহিরাহি , আমেরিকানরা দেখি সাচ্চা মুসলমানের মতো কাজ করেছে। সাধু সাধু!!!!
মাহিরাহি বলেছেন:
দুঃখবিলাস বলেছেন: @মাহিরাহি , আমেরিকানরা দেখি সাচ্চা মুসলমানের মতো কাজ করেছে। সাধু সাধু!!!!ঠিক তাই, অত্যন্ত এই কাজটি ওরা ভাল করেছে।
মাহিরাহি বলেছেন:
আপনি খোজ খবর রাখতে থাকেন, আর কিছু জানতে পারলে পোস্ট দিয়া জানায়েন @রাহুল
দুঃখবিলাস বলেছেন:
আসেন সবাই বলি,ইস্ট টু ওয়েস্ট
আম্রেরিকা দি বেস্ট।
আম্রেরিকা এখন ভালো লাগে, তাই না???
আমার পা চাটা কুকুরটাকে বেশ মিস করছি ।আফসুস
মাহিরাহি বলেছেন:
যারা এগিয়ে তারা হলিউড এর প্রতি ঝুকে মানেটা বুঝলাম না, হলিউড এর ছবি দেখা মানেই কি এগিয়ে থাকা নাকি ...? যারা ইংরেজী জানে তারা আর কি। (পড়াশুনা একটু বেশি জানে?)
একটা জরীপ করেন, সূর্যদীঘল বাড়ি কয়জন দেখছে আর স্পাইডার ম্যান কয়জন দেখছে।
শিল্পমানসম্মত কাজগুলোর ব্যপারেও শিক্ষিত মানুষের যে এই উদাসিন্য, এর কারনটা কি?
আবু সালেহ বলেছেন:
আরেকটি প্রশ্ন হল বেসামরিক বিমান সংস্থাটি ৪৫ লক্ষ টাকা খরচ করে এটি নির্মান করিয়েছিলেন কোন উদ্দ্যেশে, পর্যটন নাকি সংষ্কৃতির লালন। এটাকা গুলো খরচ করে লোকজ সংষ্কৃতির উন্নতিকল্পে অন্য কিছু করা সম্ভব ছিল নয়কি। গায়ে গন্জে অনেক লোকজ শিল্পী আছেন যাদের না খেয়ে মরার মত অবস্থা। তাদের জন্য কিছু খরচ করলে তা আমাদের লোকজ সংষ্কৃতির জন্য ভাল ফল বয়ে আনত নয় কি?
আমারও একই প্রশ্ন.....
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ আবু সালেহ
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
একটা জরীপ করেন, সূর্যদীঘল বাড়ি কয়জন দেখছে আর স্পাইডার ম্যান কয়জন দেখছে। আপনি ই বলেন কোনটা দেখতে বেটার ...?
যেটা বেটার মানুষ সেইটাই গ্রহন করবে এইটাই জগতের নিয়ম ...
যুগান্তকারী বলেছেন:
ভালো বলেছেন
নাজমুল। বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। আপনাকে ধন্যবাদ।
মাহিরাহি বলেছেন:
ধন্যবাদ নাজমুল
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।