আমার প্রিয় পোস্ট

নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই!

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:০৭

শেয়ারঃ
0 21 0



আমাদের দেশে, এক শ্রেনীর জনগোষ্ঠি আছে- যাঁরা দেখতে মানুষের মতো হলেও আমাদের কাছে ঠিক মানুষ নন। বাসার ঘর মোছা কাপড়টি হারিয়ে গেলে যতোখানি বিচলিত হই, তার হাজার ভাগের এক ভাগ বিচলিত বোধ করিনা মানুষের মতো দেখতে তাঁদের কেউ অকালে হারিয়ে গেলে! অতি তুচ্ছ সামান্য জিনিসের প্রতি যতোখানি মমতাবোধ করি তার হাজার ভাগের একভাগ সহানুভূতি এই জনগোষ্ঠির প্রতি অনুভব করিনা। অত্যন্ত তিতকূটে হলেও এটাই বাস্তব, এটাই সত্য।




এমন এক জনগোষ্ঠির একজন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের পন্চান্ন বছরের হতভাগ্য রিক্সাচালক আব্দুর রশিদ। হতদরিদ্র আব্দুর রশিদদের প্রায় সারা বছরই রোজা রাখার মতোই উপোস করে কাটাতে হয়, তবু হয়তো রমজান মাসে পূণ্যলাভের আশায় শত কষ্টের মাঝেও তাঁরা সিয়াম সাধনা করেন। এই রমজানের এক দুপুরে গ্রামের বাজারে বসেছিলেন আব্দুর রশিদ, হঠাৎ করে মানুষের মতো দেখতে একদল হায়না এসে তাঁর উপর হামলে পড়ে! শ্যামল কুমার নামক এক নরপশুর নেতৃত্বে জোর করে ধরে নিয়ে যায় তাদের অফিস নামের নরকে। সেখানে শুরু হয় তাঁর প্রতি অমানুষিক নির্যাতন। আব্দুর রশিদের অপরাধ! হতভাগ্য দরিদ্র রশিদের স্ত্রী মোমেনা আক্তার এই নরপশুদের প্রতিষ্ঠান থেকে পঁচিশ হাজার(ভিন্ন একটি সুত্র মতে উনত্রিশ হাজার) টাকা ধার করেছিলেন। দারিদ্রের সাথে সংগ্রামে বার বার পরাজিত হয়ে কয়েক কিস্তি পরিশোধের পর নিজের অক্ষমতার কাছে পরাজয় স্বীকার করে তিনি গ্রাম থেকে পালিয়ে যান।

ঋনগ্রহীতা নেই তাতে কি হয়েছে? নরপশুর দল কি এতো সহজে কাউকে ছেড়ে দিতে পারে! তারা তাদের সমস্ত পাশবিকতা দিয়ে চড়াও হয় এই অসহায় মানুষটির উপর, কিছু খেয়ে রোজা ভাঙ্গার আগেই হয়তো ভেঙ্গে দেয়া তাঁর মেরুদন্ড আর পাঁজরের হাড়!! সন্ধ্যায় তাঁর সন্তান ও শশুরের কাছে গিয়ে হুমকী দিয়ে আসে, "বারো ঘন্টার মধ্যে টাকা পরিশোধ করা না হলে আব্দুর রশিদের লাশ গাছের সাথে ঝুলানো অবস্থায় পাবে।"

বারো ঘন্টা সময়সীমা পার হবার আগেই তাঁর হতবিহ্বল স্বজনেরা আব্দুর রশিদের লাশ "ব্রাক কার্যালয়" নামের এই নরকের পিছনে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পায়!!!


একটি প্রতিষ্ঠানের কতোখানি ধৃষ্টতা হলে তারা একজন মানুষকে হত্যা করে ঝুলিয়ে দেবার হুমকি দিতে পারে! কোন ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের উচ্চাশা তাদের কতোখানি বিবেক ও আদর্শবর্জিত করলে নিরীহ মানুষের লাশের উপর দাঁড়িয়ে তারা সাফল্যের হাসি হাসে!

ঘটনার নির্মমতা, নিষ্ঠুরতার এখানেই সমাপ্ত নয়। মাত্র পঁচিশ হাজার টাকার কিছু অংশের জন্য যারা একজন মানুষকে হত্যা করে, সেই নারকীয়তা, সেই হত্যাকান্ড ধামা চাপা দিতে শুরু হয়ে যায় লাখ টাকার খেলা। অসহায় আব্দুর রশিদের হতদরিদ্র পরিবারটিকে চোখ রাঙ্গানি আর হাতে কিছু পয়সা গুঁজে দিয়ে থানায় হত্যা মামলার পরিবর্তে অস্বাভাবিক মামলা দায়ের করাতে বাধ্য করে।

স্থানীয় থানার ওসি'র ভূমিকা সবচেয়ে দৃষ্টি কটু ও নিন্দনীয়। এই নির্মম হত্যাটিকে আত্মহত্যা বলে চালাতে "ব্র্যাক" কর্মীদের চেয়ে তার গরজ যেন অনেক বেশি!!! অতি দ্রুত ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চাওয়ায় কিছু খোঁজখবরের পর যা জানা যায় তাতে যেন মেরুদন্ড দিয়ে আতংকের শীতল স্রোত বয়ে যায়!! কিছুকাল পূর্বে কেরানীগন্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকাকালীন সময় ওসি মুস্তাফিজুর রহমানের কর্মকান্ড থেকে আর যাইহোক তার কাছে থেকে সুবিচার বা ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান আশা করা যায়না।



দুই শত বছর শোষনের পর ব্রিটিশ রাজ্যের অবসান ঘটলেও দেশ ছাড়ার পূর্বে নিন্দিত ইস্ট ইন্ডীয়া কোম্পানীর আত্মা যেন রয়ে যায় এই মাটিতে, পরবর্তিতে যা আমাদের দেশের "(?)গরীবের বন্ধু" এনজিও গুলোর শরীর ধারন করে!

আর কেনই বা নয়। যে আন্চলের মাটি উর্বর সেখানে ফসল ভালো ফলবেই, ঠিক তেমনি যে অন্চলের মানুষের বিবেক বোধ, সচেতনতা শূণ্যের কোঠায় সেখানে সন্ত্রাসীরা ত্রাসে রাজত্ব গড়বে এমনটিই তো স্বাভাবিক।



দিন দিন বোধশূণ্য হয়ে পড়ছি না অমানুষ হয়ে উঠেছি বুঝতে পারছিনা। চোখের সামনে ঘটে যায় কতো নির্মমতা, নৃশংসতা,- কতো সহজেই না পাশ কাটিয়ে চলে যাই! পত্রিকার পাতা খুলে দেখি আব্দুর রশিদের ঝুলন্ত লাশের ছবি, রাজপথে ছড়িয়ে থাকা পিতাপুত্রের টুকরো টুকরো লাশের সংবাদ, রাহেলার মতো অগুনিত ধর্ষিতা নারীর গলিত পচে যাওয়া শরীর পড়ে থাকে ঝোপ জঙ্গল আর ডোবানালায়! আমরা নির্বিকার ভাবে তাতে চোখ বুলিয়ে মনোযোগ দেই তার পাশের খবরটিতে, কোন রাজনৈতিক নেতার আঙ্গুল মচকে গেলো, কার ডান কানের ব্যাথা বাম কানে হলো- তা নিয়ে হৈচৈ শুরু করি। পাতা উল্টে মেতে উঠি স্বদেশ ও বিদেশের বিনোদন সংবাদে।

নিজে, পরিবার পরিচিতিজন, নিজ পেশা, প্রতিষ্ঠান, পছন্দের দলের কারো প্রতি নিষ্ঠুরতার লেশমাত্র হলেই তো ঝাঁপিয়ে পড়ি, প্রতিবাদ জানাই সাধ্যমতো- আর ভেবে আত্মতৃপ্তি লাভ করি মনুষত্ববোধ তো হারাইনি! সব ঠিকাঠাক আছে। এখনো আমরা মানুষ আছি!!!

হতদরিদ্র আব্দুর রশিদের মতো মানুষ, যাঁদের বেঁচে থাকারই কোন মূল্য নেই আমাদের কাছে, তাঁদের মৃত্যুতে কি এসে যায়! রাহেলার মতো মেয়েরা নির্যাতিতা হবে, ধর্ষিতা হবে, লাশ হয়ে পড়ে থাকবে এরা.. এমনটিই তো স্বাভাবিক। আমাদের এহেন নির্লিপ্ততা বাড়িয়ে দেয় এসব কুলাঙ্গার খুনী সন্ত্রাসীদের সাহস। "ব্র্যাক"এর মতো এনজিও গুলো ধরে নেয় তাদের নির্মমতায় দু চারজন প্রাণ হারালে কোন কিছু এসে যাবেনা, টাকা ঢেলে দুদিনেই প্রশাসনের মুখ বন্ধ করা যাবে। বরং লাভ এই, ঋণগ্রহীতাদের সামনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে, তারা ভয়ে যেকোন মূল্যে দেনা পরিশোধে সচেষ্ট হবে।

সাধারন মানুষের প্রতি অন্যায় অবিচার আর নৃশংস আচরেন করার পর অন্য কারো জীবন কিভাবে স্বার্থকতা পায়, একটি প্রতিষ্ঠান কিভাবে সাফল্যের হাসি হাসে - জানা নেই। তবে আমরা যারা (!)শিক্ষিত সচেতন মানুষ আমরা কি এর বিরুদ্ধে কোনদিনই দাঁড়াতে পারবোনা? আমাদের বিবেক কিংবা মেরুদ্ন্ড কি এতোটাই অসাড় হয়ে গেছে যে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এসব নৃশংসতা, নির্মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের "টুঁ" শব্দটি করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি!!


দেশের সাধারান মানুষ, এই আমরা যদি এসবের প্রতিবাদ না করি, প্রতিকারের চেষ্টা না করি.. পাশবিকতার এই ধারা অব্যহত থাকবে। হতদরিদ্র এই জনগোষ্ঠিকে ছাড়িয়ে যা অচিরেই আমাদের মত (!)সুসভ্য মানুষদের আঘাত করবে। সেদিন হয়তো ঘুরে দাঁড়াতে চাইবো, কে জানে.. ততোদিনে হয়তো অনেক দেরী হয়ে যাবে!


দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে, এখন অন্তত আমরা ঘুরে দাঁড়াই। প্রতিবাদ করি আব্দুর রশিদের মতি অসহায় হতভাগ্য মানুষটির সাথে করা অন্যায়ের- যাঁর হত্যার সুবিচার দাবী করার কেউ নেই। যাঁর ভাগ্য আর দারিদ্র পিষ্ঠ পরিবার অতি সহজে তাঁর হত্যাকারী হায়নাদের কাছে বিকিয়ে যায় পরদিনই। রাহেলা হত্যা মামলার মতো চার বছর পর নয় এখনই রুখে দাঁড়াই, প্রতিহত করি এই নরপশুদের।

আমাদের সকলের সন্মিলিত প্রচেষ্টা যদি এই অসহায় মানুষটির হয়ে একটি প্রতিবাদী কন্ঠস্বর হতে পারে, অন্তত পূনরায় মানুষ হবার পথে কিছুটা স্বার্থক হবো।



আব্দুর রশিদের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে, ময়না তদন্ত হয়তো এখনো হয়নি, তবে আমি হাজার হাজার মাইল দূরে বসেই বলে দিতে পারি রিপোর্ট কি হবে- " Cause of Death- A case of suicide" -"আত্মহত্যা জনিত কারনে মৃত্যু"! আমরা একটু সচেতন হয়ে সময় দিলেই এই অনিবার্য অন্যায়টিকে রোধ করতে পারি।


"দৈনিক ইনকিলাব" ও "প্রথম আলো"র যে সাহসী সাংবাদিকরা এই নির্মম ঘটনাটিকে সততার সাথে তুলে ধরেছেন তাঁদের স্যালুট জানাই। আপনাদের প্রতি অনুরোধ, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম বন্ধ করবেননা। অন্যান্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ, আব্দুর রশিদের মতো অসহায় মানুষের পক্ষে এগিয়ে এসে সাধ্য মতো ঘটনাটি এবং এর পিছনের কুচক্রী মহলের মুখোস উন্মোচিত করুন।
আমরা যারা সাধারন আমনুষ, যাদের হাতে শক্তিশালী কলম নেই, আমরা নিজ নিজ অবস্থানে বসেই সুবিচারের জন্য চেষ্টা করতে পারি। দেশ অথবা বিদেশে বসেই প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ইমেইল ও ফোন করে এই নির্মমতার সুবিচারের দাবী জানাতে পারি।

এই ব্লগে হয়তো অনেকেই আছেন যাঁরা ব্র্যাকে কর্মরত, তাঁরা এই অন্যায়ের প্রতিকারে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন! নিজেদের মধ্য থেকে প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা আশা করতে পারেন। এই নৃশংস হত্যাকান্ডটি যদি ব্র্যাকের প্রধান কার্যালয়ের কর্তাব্যক্তিদের নির্দেশে না ঘটে থাকে, তাহলে সত্যিকারের অপরাধীদের ধরিয়ে দেবার দাবী জানাতে পারেন।


বর্তমান যুগের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর এমন নির্মম আচরনের ঘটনা দিনের পর ঘটে যায়, নিশ্চিন্তে নির্বিকার ভাবে তারা খুন করে যায় মানুষ। অর্থ, দম্ভ আর দুর্নীতির জোরে সব ঘটনা দুদিনেই ধামা চাপা পড়ে যায়, নৃশংস হত্যা কান্ড নিমেষেই হয়ে যায় "আত্মহত্যা"।

আসুন আমরা একটু চেষ্টা করে দেখি। শুধু দুঃখ বা ঘৃণা প্রকাশ করে নয়, বিবেকবোধ সম্পন্ন সত্যিকারের মানুষের মতো রুখে দাঁড়াই হতভাগ্য এই মানুষ গুলোর পক্ষে, তাঁদের প্রতি ধারাবাহিক ভাবে করে যাওয়া এই নির্মম আচরেনর ইতি টানতে চেষ্টা করি।

কোন সরকার, সে তত্ত্বাবধায়ক, সামরিক কিংবা রাজনৈতিক সরকার হোক কেউ এই সমস্যার প্রতিকারে এগিয়ে আসবেনা। আপনি আমি, আমরা সন্মিলিত ভাবে প্রতিবাদ না জানালে, হত দরিদ্র অসহায় মানুষদের প্রতি ইস্টিন্ডিয়া কোম্পানীর প্রেতাত্মাদের এই নির্মম তান্ডবের অবসান ঘটবেনা কোনদিন।

সকলের প্রতি অনুরোধ, আসুন আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধ্যমতো প্রতিবাদ করে দেখি, সুবিচার চেয়ে দেখি!!!


দৈনিক ইনকিলাব

দৈনিক প্রথম আলো

ছবি সুত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

হতভাগ্য আব্দুর রশিদের অসহায় পরিবার ও বর্তমান অবস্থার সচিত্র প্রতিবেদন


 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১১
রাশেদ বলেছেন: খুবই দুঃখজনক। তবে এইটা প্রথম না, এইরকম আগেও অনেক শুনেছি এনজিওদের নিয়ে। তাদের কাছ থেকে টাকা নেয়াটা একসময়ে দুঃস্বপ্নে পরিনিত হয়!
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। সেটাই 'এনজিও' রা বেশ নিশ্চিন্তেই এই হত্যা কান্ড চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক! নিশ্চিন্ত কারন, এদের জন্য বিচার চাইবার কেউ নেই।

২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৩
মানবী বলেছেন: বেশ কিছুদিন পর ব্লগে এসে অনেক কিছু লেখার ছিলো, রাহেলা হত্যা মামলার জরুরী আপডেট জানানোর ছিলো.. অণৃণ্য ব্লগে একটি পোস্টদেখে অন্য কিছু লেখার মানসিকতা হলোনা। দুঃস্বপ্নের মতো ঘটনাটি তাড়া করে ফিরছে! গাছে ঝুলে থাকা আব্দুর রশিদের নিষ্প্রাণ দেহের মতো সেই পোস্টটি মন্তব্যশূণ্য হয়ে ঝুলে আছে যেন। তা যেন বার বার চোখে আঙ্গুল দিয়ে জানিয়ে দেয় আমাদের নির্লিপ্ততা, এধরনের ঘটনা এড়িয়ে যাবার প্রবণতা।


আজ রাহেলা হত্যা মামলার শুনানী, সবাই দোয়া করবেন খুনি, ধর্ষকরা যেন তাদের প্রাপ্য শাস্তি পায়, রাহেলা নামের হতভাগ্য মেয়েটি যেন সুবিচার পান।

৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৪
নাসিমূল আহসান বলেছেন:
আজ রাহেলা হত্যা মামলার শুনানী, সবাই দোয়া করবেন খুনি, ধর্ষকরা যেন তাদের প্রাপ্য শাস্তি পায়, রাহেলা নামের হতভাগ্য মেয়েটি যেন সুবিচার পান।

আপডেট জানার অপেক্ষায় রইলাম ।
৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৫
রাতমজুর বলেছেন: আছি সাথে, তবে ইউনিটি দরকার খুব, সমাজের বিভিন্ন স্তরের দায়িত্ববান মানুষদের নিয়ে কার্যকর একটা ইউনিটি দরকার যারা শুধু প্রতিবাদই করবে না, সাথে সাথে কাজেও নামবেন।

আমরা মুখে বলে এর প্রতিকার করতে পারবো না। মানবীদি, সত্যই কিছু করা দরকার।
৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৩
ফয়সল নোই বলেছেন:
আপনি যেমনটি বলেছেন:'মেরুদন্ড দিয়ে আতংকের শীতল স্রোত বয়ে যায়',লেখাটি পড়ে ওরকমই একটা অনুভুতি হলো।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই লেখাটির জন্য।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার ও মন্তব্যের জন্য।

৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৪
মানবী বলেছেন: নাসিমূল আহসান, ব্লগার ফয়সল নোই নিয়মিতভাবে রাহেলা হত্যা মামলার আপডেট জানান, তাঁর ব্লগে লক্ষ্য রাখার অনুরোধ রইলো।


রাতমজুর, ভালো বলেছেন ভাইয়া। এসব প্রতিরোধ ও প্রতিবাদে নামা জরুরী, খুব বেশি জরুরী।
৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩১
শ্রেয়া বলেছেন: রাহেলা হত্যা মামলা র আপডেট জানাবেন প্লীজ!!ধন্যবাদ লেখাটির জন্য!!
৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৮
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: এসব এনজিও গুলো রক্তচোষা জোঁকের মতো। আরেকটা হল তথাকথিত "গ্রামীণ ব্যাংক।"

আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের জ্ঞাত করার্থে।
৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫১
মানবী বলেছেন: শ্রেয়া, ব্লগার ফয়সল নোই নিয়মিত এই মামলার আপডেট জানান। তাঁর ব্লগে লক্ষ্য রাখার অনুরোধ রইলো।


আশরাফ মাহমুদ, আপনাকেও ধন্যবাদ সমর্থন ও মন্তব্যের জন্য।

১০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৭
অদ্ভুত ভালবাসা বলেছেন: দুই শত বছর শোষনের পর ব্রিটিশ রাজ্যের অবসান ঘটলেও দেশ ছাড়ার পূর্বে নিন্দিত ইস্ট ইন্ডীয়া কোম্পানীর আত্মা যেন রয়ে যায়, পরবর্তিতে যা আমাদের দেশের "(?)গরীবের বন্ধু" এনজিও গুলোর শরীর ধারন করে!

কিছু বলার নাই, এই অন্যায়ের প্রতিবাদ সোচ্চার হওয়া চাই।
১১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:১৫
তাসু বলেছেন: এই ধরনের হত্যার পর ক্ষুদ্র ঋণকে কি দারিদ্র বিমোচনের কোন মাধ্যম বলা যায়?
১২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩১
রোবোট বলেছেন: মানুষের জীবন বড় সস্তা। +
১৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৩২
ফাহমিদুল হক বলেছেন: এরকম একটা হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, বিশ্বাস করা মুশকিল।
একটি 'মানবদরদী' প্রতিষ্ঠান কীভাবে এরকম কাজ করতে পারে? এই হলো একালের মিশনারী?
বাংলা ভাইয়ের 'হত্যাপরবর্তী গাছে-ঝোলানো'র নৃশংসতার সঙ্গে এর পার্থক্য কোথায়?
১৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০১
মানবী বলেছেন: অদ্ভুত ভালবাসা, আমাদের প্রত্যেকের কিছু করার আছে। আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করতে পারি। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।


তাসু , ভালো প্রশ্ন। মাধ্যম হয়তো তবে তা ঋণগ্রহীতাদের রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে!!! ধন্যবাদ আপনাকে।


রোবোট, বিশেষ করে আব্দুর রশিদদের মতো মানুষের জীবন সস্তাও নয় হয়তো, মূল্যহীন।



ফাহমিদুল হক, মানদ দরদী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বরূপ প্রতিদিন একটু একটু করে উন্মোচিত হচ্ছে। যেটুকু জানি, এই প্রথম নয়, এদের অত্যাচারে অতীতেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছেন। তবে তাঁরা নিতান্তই মূল্যহীন মানুষ, তাই হয়তো আমরা খুব দ্রূত সব ভুলে গেছি। বাংলা ভাইয়ের সাথে পার্থক্য এই, বাংলা ভাইকে সবাই সন্ত্রাসী বলেই জানতো আর এরা হলো জনদরদী প্রতিষ্ঠান, কিছুদিন পর পর মানবতাবাদী কাজের জন্য বিভিন্ন পদকের দাবীদার। আপনার প্রতি অনুরোধ,এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধ্যমতো জনমত গড়ে তুলুন। ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।



১৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:০৪
বাবুয়া বলেছেন:
ভয়ে ছিলাম-অনেক অনেক ভালো ব্লগারদের মতো-আপনাকেও ব্লগ থেকে হারিয়ে ফেলেছি ভেবে!আপনাকে ই-মেইল করেও রিপ্লাই নাপেয়ে খুব হতাশ হয়েছিলাম। “বিরক্ত করছি”-ভেবে আমিও পরবর্তীতে মেইল করিনি। বহু দিন পর ব্লগে আপনার উপস্থিতিতে খুশী হয়েছি।

খুব, খুব বেশী মর্মান্তিক, তার চাইতেও বেশী অমানবিক।কাগজে খবরটা পরে খুব বেশী অবাক হইনি। কারন, এই ধরনের অমানবিক কার্যক্রম অবৈধ, দুর্নীতি পরায়ণ এবং কত্থিত কিছু সাংবাদিক, টাউট সুশীল সমাজ নামধারীদের এজেন্টদের সুবিধাবাদী সমর্থনের উপড় টিকে থাকে। এই ধরনের অবৈধ, দুর্নীতিবাজ সরকার রক্ত চোষা ইঊনুচ-আবেদ-কাজী ফারুকদের আজ্ঞাবহ হয়ে চলে। তাদের সার্টিফিকেট অবৈধদের জন্য খুব বেশী প্রয়োজন।কাজেই আমাদের মত খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের ন্যায় বিচারের আশা নিছক বাতুলতা মাত্র!আমাদের প্রয়োজন শ্রেনী শত্রু খতমের জন্য চারু মজুমদারের পথ অনুশরণ করা।আমাদের প্রয়োজন নীলকর জাতীয় আন্দোলন গড়ে তোলা।আমাদের দরকার আবার একটা ৭১............!সেই ৭১ হবে জনযুদ্ধের............

এই অমানবিক কাজের জন্য মিডিয়া কর্মীরা অনেক ক্ষেত্রেই দায়ী। তারা ধর্ষিতার চৌদ্দ পুরুষের কাহিনী বানিয়ে লেখে-কিন্তু ধর্ষকের কথা লিখেনা!প্রশাসন ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে পুণঃ পুণঃ ধর্ষিতাকে ধর্ষন করে!কারন, বরাবরের মত ধর্ষক হয়-আমলা পুত্র, চেয়ারম্যান পুত্র। তারাই সমাজের কলকাঠী নাড়ে, তারাই প্রশাসনের হর্তা কর্তা!তাদের বিজ্ঞাপন, তাদের আশীর্বাদ মিডিয়া মালিকদের খুব বেশী দরকার। কিন্তু রহিমা, রাহেলারাদের তাদের দরকার নেই-তারা যে সারা জীবনের খাদকদের সুস্বাদু খাদ্য!

আমারো ইচ্ছা-রাহেলাদের জন্য, রহিমাদের জন্য কিছু করি............ একা কিছুই করা যায়না। করার জন্য একটা প্লাটফর্ম দরকার। আসুন আমাদের ছোট ছোট অনেকগুলো হাত একত্রিত করে শক্ত একটা প্লাটফর্ম গড়ে তুলি।যেখান থেকে রহিমা-রাহেলাদের জন্য কিছু করতে পারি।আপনাদের যে কোন প্রচেস্টার সাথে নিজেকে সাথী করতে পারলে খুশী হবো।

ধন্যবাদ আপনাকে।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: বিভিন্ন ঝামেলার মাঝে ব্যস্ত ছিলাম এবং আছি, কিছু মনে করবেননা ভাইয়া।

"আমাদের মত খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের ন্যায় বিচারের আশা নিছক বাতুলতা মাত্র!"
- এধরনের কথা আমাদের বুঝাতে চেষ্টা করা হয়, আমরা এটা মেনে নিয়েই কিন্তু নিজেদের অসহায় করে তুলি। আমরা সংখ্যায় অনেক ওরা অল্প ক'জন মাত্র! ক্ষমতা অর্থ সেভাবে না থাকলেও আমাদের আছে সততা, নীতিবোধ.. আমরা এতো জন মানুষ গুটি কয়েক নীতিবর্জিত, অসৎ কুলাঙ্গারের কাছে হার মানবো কেনো?

মিডিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেকাংশে সত্য আবার মিডিয়াই কিন্তু খবরটি আমাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। আমরা প্রতিবাদী হলে সব না হলেও কিছু কিছু মিডিয়াই তা তুলে ধরছে,, এটাই বা অস্বীকার করি কিভাবে!


ভাইয়া, আমি জানি আপনি ইচ্ছে করলে করতে পারবেন। সবাই একত্রিত হয়ে না হয় এই সামহোয়্যারইন ব্লগটিকেই প্লাটফর্ম হিসবে গণ্য করি। আপনি একটু চেষ্টা করলে হয়তো কিছু একটা সম্ভব, আপনার কাছে অনুরোধ প্রশাসনে যাঁরা পরিচিত আছেন, তাঁদের অবগত করুন, তাঁদের বলুন সংশ্লিষ্ট মহলকে সচেতন করতে। সম্ভব হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান, কুমিল্লার ডিসি অফিসে যোগাযোগ করে বলুন, আব্দুর রশিদের পরিবার ছেড়ে গেলেও আমরা অনেকে আছি তাঁর পাশে। আমরা প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার সাহায্য চাইবো যদি আমাদের প্রসাসন ব্যর্থ হয়।

১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১২
মেহবুবা বলেছেন: বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে আশা করি প্রশাসন স্বচ্ছতার আশ্রয় নেবে,যেহেতু পত্রিকায় বিষয়টা প্রকাশ পেল। আপনার এলেখায় অনেক ধন্যবাদ রইল ।
১৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৪
সক্রেটিস বলেছেন: তারাতো বেবসায়ী প্রতিষ্ঠান, 'মানবদরদী' ছিল কবে?
বিদেশ থেকে টাকা এনে প্রাডো পাজেরো কিনে, আবার গরিবের সাথে ব্যবসা করে। পুরা লাভ!!!
১৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১৭
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: মানবতা বোধ টাকার কাছে নিয়তঃ হেরে যাচ্ছে.......
মানবী আপনার কথাই ঠিক......."আপনি আমি, আমরা সন্মিলিত ভাবে প্রতিবাদ না জানালে, হত দরিদ্র অসহায় মানুষদের প্রতি ইস্টিন্ডিয়া কোম্পানীর প্রেতাত্মাদের এই নির্মম তান্ডবের অবসান ঘটবেনা কোনদিন।"
আমার তো মনে হয় বাংলাদেশের অবহেলিত মানুষরা আসলেই সত্যিকারের মানুষ.....
নাহলে উঁচু দালান কোঠায় কারো ঘুমানোর কথা না........।ওরা যদি একদিন বিদ্রোহ করেই বসে ভাবা যায় কি হতে পারে.....!

আপনাকে খুঁজছিলাম .......।
অনেকদিন দেখিনিতো!
ভালো থাকবেন।
শুভকামনা।


১৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
মানবী বলেছেন: মেহবুবা, আপনার মতো আমরাই আশাবাদী। সব আমলেই প্রশাসন সুন্দর কথা সুন্দর কথা বলে, আর বোকা মানুষরা তা বিশ্বাস করে আশায় বুক বাঁধি। দেখা যাক তাঁরা আব্দুর রশিদের আর্তনাদ কতোখানি শুনেন! আপনাকে ধন্যবাদ।

সক্রেটিস, সেই ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। তবে যেধরনের প্রতিষ্ঠান হোক, কাউকে এভাবে হুমকি দেয়া এবং নৃশংস ভাবে হত্যা করার ধৃষ্টতা দেখাবার অধিকার কারো নেই!! তারা পাজেরো কেনো, ল্যাম্বোগিনি চালিয়ে ঘুরুক, শুধু এই অসহায় মানুষগুলো রক্তের বিনিময়ে যেন না হয়! ধন্যবাদ আপনাকে।


সুলতানা শিরীন সাজি , সন্মিলিত প্রচেষ্টা আপনাকে আমাকে সবাইকে মিলেই করতে হবে। আমরা অনেকেই ঘৃণা প্রকাশ করি, গালভরা প্রতিশ্রুতি দেই তবে কার্যক্ষেত্রে গিয়ে সেই আবারো এড়িয়ে যাওয়া। একবার অন্তত আমরা আমাদের কথার মর্যাদা রেখে যদি এগিয়ে যাই, সুবিচার হয়তো সম্ভব।
আমায় খুঁজেছেন জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ। আপনিও ভালো থাকুন।



২০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪২
অন্তিম বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়ে খুব বেশি কষ্ট লাগছে। অসহায় জীবনবোধের এক চরমতম বলি এই আব্দুর রশিদ।

সেইসাথে নিজেকেও খুব বেশি অসহায় মনে হচ্ছে। কেননা জীবনের এই কঠিন বাস্তবতা দেখে মন কেঁদে উঠে কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা মনের স্লোগান দেয়। তখন মনে হয় আমি মানুষ।

আর এই নির্জীব মানুষ থেকেই বা লাভ কি? সমস্ত জীবনে ধরেই এসব অন্যায় দেখে আসছি, দেখেই যাব---------তাই নিজেকে আর মানুষ মনে হয় না। তবে সপ্ন দেখি অহরহ যে সমাজের এই নির্যাতিত মানুষ জেগে উঠেছে পিশাচদের দাত ভাঙ্গার জন্যে------তাদের মধ্যে আমিও আছি।

আর এনজিওদের কথা কি বলব। ওরা-তো কলা দেখিয়ে মানুষদের বিষ ধরিয়ে দিচ্ছে। ওরা যে কত নির্মম, নিষ্ঠুর তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আব্দুর রশিদের মত মৃত্যু এদেশে আরও ঘটবে----কেননা এটাই স্বাভাবিক। তাই প্রতিবাদ করার মত সঙ্গি খুজছি।

অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি লিখার জন্য। যদি কোনভাবে আপনাদের কাজে লাগি তবে নিজেকে ধন্য মনে করব।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: অন্তিম, সুন্দর মন্তব্যটিতে আপনার বোধ, ভাবনা ও সদিচ্ছার কথা জেনে ভালো লাগলো, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার হতাশা বুঝতে পারছি। আব্দুর রশিদের ঘটনাটি জানার পর দেশে বিভিন্ন মহলে যখন খোঁজ করছিলাম, নিজেকে হাত পা বাঁধা আব্দুর রশিদের মতোই অসহায় মনে হয়েছিলো, সেই অসহায়ত্ব খুব গভীর ভাবে অনুধাবন করেছি বলেই হয়তো তাঁর হতদরিদ্র পরিবারটি বিকিয়ে গেলো তাঁদের প্রতি কোন ক্ষোভ বা ঘৃণাবোধ জাগেনি।

আপনি অবশ্যই আব্দুর রশিদকে সুবিচার পাইয়ে দিতে চেষ্টা করে এই হতদরিদ্র মানুষদের সাহায্য করতে পারেন। আব্দুর রশিদের মানুষদের পক্ষে কথা বলার যেহেতু কেউ নেই, তাই এধরনের কেসগুলোর প্রতি প্রশাসনের প্রায় সর্বস্তরে একটি অবহেলা গা ছাড়া ভাব বিরাজ করে। প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ফোন করে তাঁদের জানাতে পারেন আমরা অনেকেই এই মামলাটি পর্যবেক্ষন করছি, তাঁরা যেন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেন।

তাঁদের জবাবটিও জানিয়ে দিচ্ছি, তাঁরা বলবেন.. "মামলার তদন্ত চলছে, আমরা চেষ্টা করছি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট এলে সব জানা যাবে।" কেউকেউ আবার খুব জোড় দিয়ে বলবেন "এটা আসলে হত্যা নয় আত্মহত্যা ছিলো"। হতাশ হবেননা, আপনার আমার, আরো এমন অনেকের ফোন পেলে তারা বিষয়টিকে গুরত্ব দিতে বাধ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট কিছু মহলের ফোন নাম্বার আমাদের কাছে আছে, সব এখনো পাওয়া যায়নি। প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন

২১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
বাবুয়া বলেছেন: প্রিয় মানবী,

বিশয়টা যেদিন পরতিকায় প্রথম পড়েছিলাম-সেই দিনই আমার ইয়াতীমখানার পক্ষ থেকে এই নিশ্বংসতার সুস্টহ তদন্ত এবং কঠিন শাস্তি কামনা করে আমি একটা প্রিবাদ লিপি সেন্ড করেছিলাম-আমার পরিচিত বেশ কয়েকটি খবরের কাগজে। তা প্রকাশিত হয়নি দেখে-আমি ব্যাক্তিগত ভাবে পত্রিকা অফিসে যোগাযোগ করি। তখন পত্রিকা অফিস থেকে জানানো হয়-"ব্রাক সঙ্গঠন নিয়ে কোন খবর এই মুহুর্তে ছাপানো যাচ্ছেনা"!

আমি কুমিল্লার ডিসি এবং এসপি'র সাথে যোগাযোগ করি-তাঁরা জানালেন-"তদন্ত হচ্ছে"/ "কাজ এগিয়ে চলছে"-ইত্যাদী!

আমি ব্যাক্তিদত ভাবে-কখোনোই কোন অপশক্তির কাছে মাথা নত করিনা এবং আজও করবোনা। আমি আমার সাধ্যমত চেস্টা করছি এবং করবো।
২২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
ভোদাই বলেছেন: দুঃখজনক ঘটনা ।দৃস্টান্তমুলক বিচার দরকার ।
২৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৭
মানবী বলেছেন: বাবুয়া, জেনে ভালো লাগলো ধন্যবাদ। আপনার এই প্রচেষ্টা অব্যহত থাকবে আশা করি।


ভোদাই, ধন্যবাদ সমর্থন ও মন্তব্যের জন্য।
২৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১১
মাহবুব সুমন বলেছেন:
নিষ্ঠুর নোংরা বাস্তবতা হোলো, কিছুই হবে না; কোনো বিচারই হবে না। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা দরিদ্র সাধারন মানুষের জন্য কখনোই ছিলো না , এবারেও থাকবে না। কিছুদিন পর আমরা সবাই ভুলে যাবো , হয়তো মেতে উঠবো নতুন কোনো রশিদ কে নিয়ে। ব্লগে ব্লগে আগুন ঝড়বে, কিবোর্ডে ঝড় বা পত্রিকার পাতায় কিছু খবর। কস্ট লাগে, খারাপ লাগে, অসহায় লাগে তারপরো সব কিছু মেনে নেই।
২৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০২
রাত বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে বেশ খারাপ লাগল। এই সব রক্ত চোষা থেকে আমাদের সমাজ কে মুক্ত করতে হলে আমাদের অনেক সক্রিয় ভাবে আগাতে হবে। আপনার আর বাবুয়া ভাই এর উদ্যোগ দেখে অনেক ভাল লাগল।

আমার ধারনা প্রশাসনিক কিংবা আইনগত দিক থেকে এদের সাথে পেরে উঠা যাবে না, হয়ত বা যাবে তবে তা হবে সময় সাপেক্ষ এবং স্থায়িত্ব দির্ঘ হবে বলে মনে হয় না। কারন প্রশাসনের খারাপ লোক গুলা এন জি ও-দেরকে খারাপ কাজ করতে উৎসাহিত করবে। যদি আমাদের এই ব্লগকেই একটা প্লাটফর্ম হিসাবে দেখি, আমরা কি পারি না ব্রাক, গ্রামিন কিংবা অনান্য এন জি ও এর মত ক্ষুদ্র আকারে একটা এন জি ও খুলতে, যার কার্যক্রম হবে অনান্য এন জি ও এর মতই তবে ঋন প্রদান কিংবা ঋন গ্রহনের পদ্ধতি হবে অন্য সব এন জি ও-এর থেকে আমাদের গ্রামের দরিদ্র জনগষ্টির জন্য সহজ সরল। যদি বর্তমান প্রচলিত এন জি ও-থেকে আলাদা ধরনের (দরিদ্র জনগষ্টির জন্য সহজ বান্ধব) কোন এন জি ও শুরু করা যায় তাহলেই ঋন গ্রহিতারা প্রচলিত এন জি ও-কে বর্জন করবে এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল আশা করা যায়।
২৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
আজনবী বলেছেন: সংবাদটা আগেই পড়েছি, কষ্ট পেয়েছি কিন্তু আপনার মত করে ভাবতে পারিনি। এখানেই আপনি অন্যদের থেকে আলাদা। আপনি সবার অনুপ্রেরনা হয়ে ব্লগে নিয়মিত থাকুন।

সত্য প্রতিষ্ঠিত হোক, দৃষ্টান্তমুলক বিচার প্রার্থনা করি।
২৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: পাশবিক এই ঘটনাটার তীব্রতা কিংবা নির্মমতা এতো বেশি আমি পড়তে পারি নাই।

এইরুপ পাশবিকতার উন্মোচন হওয়া জরুরি।

দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠানোর ঘোষণাদানকারি "দারিদ্র্য-বানিজ্যের" বণিকরা তাহলে এইভাবেই দরিদ্রের হিমশীতল জাদুঘরে পাঠিয়ে সহস্রাব্দের উন্নয়ণ লক্ষ্য পূরণ করে চলেছে আর আমাদের সরকার মহাশয় আর জনগণরা মাঝারীআয়ের দেশে অধিভূক্ত হওয়ার আত্মপ্রসাদে সুখনিদ্রা যাচ্ছি।ধন্য।

কেউ ঘটনাটা সংক্ষিপ্ত আকারে লিখে দিলে এইটা অনুবাদ করে গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন-এ দিতে চাই।

সারাবিশ্বে এন,জি,ও দের দেশ হিসেবে পরিচিতি বাংলাদেশের এন,জি,ও দের মুখোশ উন্মোচন করা দরকার।
২৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
মামুনহ্যাপী বলেছেন: ফজলে হোসেন আবেদকে আরও একটা পুরুস্কার দেওয়ার প্রস্তাব করছি।এটা কি কম কথা মানুষ মেরে গাছে এতবড় কাজের পুরুস্কার চাই।
২৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই!
৩০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
মানবী বলেছেন: মাহবুব সুমন,অপ্রিয় সত্যটিকে অবধারিত মেনে নিতে চাইনা বলেই কোন ক্ষমতা না থাকার পরও সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাই, যদি সুবিচার সম্ভব হয়। বাস্তবতাটা আরো দুঃখজনক, আব্দুর রশিদ রা এমনই হতভাগ্য যে তাঁদের নিয়ে "আগুন ঝরা লেখা" লিখে সময় নষ্ট করার মতো মানুষ নেই! ধন্যবাদ।


রাত, আপনার পরিকল্পনা ভালো লাগলো। অনেক বড় একটি কাজ, তবে হয়তো অসম্ভব নয়। আপনি উদ্যোগী হয়ে শুরু করুন আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সাধ্য মতো উদ্যোগটির সাথে থাকবো। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।


আজনবী, আমি অন্যদের চেয়ে আলাদা নই, তবে হয়তো সকলের তুলনায় খুব বেশি সাধারন। তাই ভাবতে চাই আজ না হোক কাল এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ একদিন রুখে দাঁড়াতে শিখবে, এটা হয়তো নিতান্তই বোকামী যা আমি এখনও মানতে পারছিনা। অনেক ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার ও মন্তব্যের জন্য।



"সারাবিশ্বে এন,জি,ও দের দেশ হিসেবে পরিচিতি বাংলাদেশের এন,জি,ও দের মুখোশ উন্মোচন করা দরকার।"
-আহসান হাবিব শিমুল, খুব সত্য বলেছেন। এনজিও দের প্রতি আমার কোন বিদ্বেষ ছিলোনা, ভালো কাজ করতে চাইছে এমনটিই মনে হতো। কয়েক বছর ধরে তারা যেভাবে নির্বিকার চিত্তে একটির পর একটি হত্যা কান্ড ঘটিয়ে চলেছে, অবিশ্বাস্য মনে হয়। আর তাদের পাশবিকতার শিকার এমন একটি শ্রেনী যাঁদের হত্যার বিচার চাইবার কেউ নেই, এমনকি তাঁদের পরিবারও বিকিয়ে যায় সহজে!
সম্ভব হলে গ্লোবাল ভয়েসে লেখাটি দিন, আমি সময় করতে পারছিনা বলে দেয়া হচ্ছে না। ধন্যবাদ আপনাকে।


মামুনহ্যাপী, ভালো বলেছেন ধন্যবাদ। এনজিও গুলোর মধ্যে একটি জরীপ করা যেতে পারে, বছরে কে কতো জনকে হত্যা করে মানুষকে ভয় দেখাতে পারলো, তার পর হয়তো বিজয়ী নির্বাচন সহজ হবে!!!


একরামুল হক শামীম , ধন্যবাদ ভাইয়া।
৩১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৯
ফয়সল নোই বলেছেন: জানলাম,গ্রামীন ব্যাংক সরকারকে কর দেয় না:) শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকল্প হিসেবে কাজ শুরুর পর গ্রামীন ব্যাংক এই সুবিধা নেয়। এখন পর্যন্ত তা অব্যহত আছে।এবছরও তাদের করমুক্ত রাখতে অর্থমন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে।

ব্র্যাকের উদ্দেশ্য অনেক মহান ছিল।স্বাধীনতার পর বিধ্বস্ত দেশ সাজানোর ব্রত ছিল তাদের।

আমার মনে আছে,যে দিন আব্দুর রশিদের মৃত্যুর সংবাদ পত্রিকায় ছাপা হলো সে দিনই ফজলে হাসান আবেদ সাহেব ক্ষুদ্র ঋণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কার নিচ্ছেন এমন একটি খবরও প্রকাশ পেয়েছিল।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: গ্রামীন ব্যাংক কর দেয়না, তাতেও আমাদের সমস্যা নেই। নিয়মিত ভাবে হতদরিদ্রমানুষের রক্ত চুষবে কেনো? মানুষ মেরে এরা সমাজ সেবক সাজে, ভাবতেই ঘৃণা হয়।


(!!!)মহান ব্র্যাকের বর্তমান ব্রত মনে হয় যেকোন লক্ষ্যে ঋণ গ্রহীতাদের আতংকে রাখা, যেন তারা কিস্তি পরিশোধে অবহেলা না করে। ফজলে হাসান আবেদের পুরুষ্কার আব্দুর রশিদের মতো অসহায় মানুষের হাড়ে গড়া, এদের গাড়ি জ্বালানী তেলে নয় চলে আব্দুর রশিদদের রক্তে। তাই দুর্মুল্যের বাজার অথবা বিশ্ব অর্থনীতির ধ্বস, সব অবস্থাতেই এই ড্রাকুলারা ভালো থাকে।

৩২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: ফজলে হোসেন আবেদকে আরও একটা পুরুস্কার দেওয়ার প্রস্তাব করছি।
৩৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৯
মিঞা ভাই বলেছেন: এই নৃশংস ঘটনার বিচার হওয়া দরকার।
৩৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: এই পোস্টটা কি স্টিকি করা যায় না??
৩৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫৪
রাগিব বলেছেন: প্রচন্ড দুঃখজনক ঘটনা। এনজিওদের দৌরাত্মের উপরে কড়া নিয়ন্ত্রন থাকা উচিত।

একই রকম ঘটনা কাল ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। মানে কাছাকাছি। এক ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্যক্তি কয়েকমাস বেকার থাকার পরে দেনার দায়ের দুশ্চিন্তাতে নিজের পুরো পরিবার ও শাশুড়ীকে গুলি করে মেরে নিজেও আত্মহত্যা করেছে।
৩৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
দূরন্ত বলেছেন: খুবই নিন্দাজনক ঘটনা। অপরাধীদের বিচার দাবী করছি। এনজিওদের এ ধরনের কর্মকান্ডের প্রতি প্রচণ্ড ঘৃণা প্রকাশ করছি।

বিষয়টা তুলে ধরার জন্য মানবী আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আশা করি এ ঘটনার বিচার হবে আর এ ধরনের কর্মকান্ড চালানোর সাহস কেউ পাবে না।
৩৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫২
মানবী বলেছেন: ফারহান দাউদ, :-)


মিঞা ভাই, পোস্টটি পড়ার এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।



ভাঙ্গা পেন্সিল, :)
মন্তব্য এবং সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।


রাগিব, এদের নিয়ন্ত্রনের দাবী তো আমাদের জানাতে হবে, হতভাগ্য এই দরিদ্র অসহায় মানুষগুলো তো এসব অনুধাবন পর্যন্ত করতে পারেনা, ধন্যবাদ।
খবরটি পড়ে আমার প্রথমেই মনে পড়েছিলো প্রবাসী বাংলাদেশি ছাত্রদের কথা। কতোজনের যে ক্রেডিট কার্ডের কাছে হাজার হাজার ডলার দেনা! কে জানে হয়তো এই ফজলে আবেদ ছাত্র অবস্থায় এমন অনেক দেনা করেছে, তার পরিবারের প্রবাসী ছাত্ররা এখনো এমন দেনাগ্রস্থ। সময় মতো কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের কাউকে মেরে এভাবে ঝুলিয়ে দিলে কেমন হবে!!! এরা তো অনেক এ্যাডভান্সড আর ধনাঢ্য, এক ফজলে আবাদের সন্তানের হত্যাকে আত্মহত্যা প্রমান করা খুব কঠিন হবেনা তাদের জন্য! এই কথাগুলো এই পিশাচরা কি কখনো ভেবে দেখে!!!!


দূরন্ত, বিচার দাবী আর ঘৃণা যদি একটু কষ্ট করে প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন, তাহলে হয়তো তারা জানবে। দুঃখজনক হলেও সত্য এদের বিচার কেউ করেনা, অতীতে করেনি, ভবিষ্যতে করবে কিনা বুঝতে পারছিনা! সমর্থনের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
৩৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
সোমেশ্বর অলি বলেছেন: SUBOCHON NIRBASONE...!

BESIR VAG KHETREYI AAMADER SONGBAD MADHOMGULO NGO'R KAACHE JIMMI THAKE. J KARONE EKI GOTHONAR PUNORBRITI GHOTCHE.

AAMADER SOTTI MUKTI MELENI...!



৪০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৯
একজন ব্লগার বলেছেন: মানুষের চে বর্বর আর হিংস্র প্রানী জগতের বুকে আর নেই।

কেমনাছো আপু?
৪১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
যুদ্ধবাজ বলেছেন: তবুও এই কুকুরের বাচ্চা এন.জি.ও গুলো প্রতাপের সাথে এদেশে ব্যবসা করে যাবে, আর আমরা চেয়ে চেয়ে দেখব।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: আইডি ছাড়া ব্লগার!!! :-* :-*
কেমন ইনভিজিবল ম্যানের মতো মনে হচ্ছে :-)


এনজিও'র এই ধৃষ্টতা শুধু চেয়ে চেয়ে না দেখে আমরা একটু চেষ্টা করে দেখি, (!)সমাজসেবার নামে নৃশংসতার এই তান্ডব যদি বন্ধ করা যায়!

পড়ার ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৪২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪১
েজবীন বলেছেন: অসহ্য লাগে এই বিষয়গুলো জানলে........
কি অদ্ভুত ভাবে একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে চলে "এরা" কিন্তু কোনই বিকার হয় না এদের!! কিছুদিনের মাঝেই এসব ধামাচাপা পডড়ে যাবে, আমরাও ভুলে যাবো, আবার আবার কোন এমন ঘটনা ঘটবে.....আবার আবারও
৪৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৯
রাত বলেছেন: মানবী, জেনে ভাল লাগল যে আমার পরিকল্পনা আপনার ভাল লেগেছে। আসলেই অনেক বড় একটা কাজ, দরকার উদ্যোগের। আমার পক্ষে উদ্যোগ নেওয়াটা সম্ভব হচ্ছে না কারন আমি বাংলাদেশের বাইরে আছি। আর সক্রিয় উদ্যোগের সাথে এন জি ও-তে কাজ করে এবং এন জি ও-র কার্যক্রম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান আছে এমন ব্যেক্তিদেরও থাকতে হবে। এন জি ও তে কাজ করেন ব্লগে এমন যারা আছেন তারা উদ্যোগটা নিতে পারেন। নিজের কাছে খুব খারাপ লাগছে, যেই কথাটা বললাম সেইটা করার জন্য অংশগ্রহন করতে পারলাম না।
৪৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৯
কালপুরুষ বলেছেন: আপনার লেখার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করছি এবং আপনার বক্তব্যের প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইলো।
৪৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
মানবী বলেছেন: সোমেশ্বর অলি, শুধু এনজিও কেন বড় বড় ক্লিনিক, শোল্প প্রতিষ্ঠান অনেকের কাছেই মিডিয়ার কর্ণধাররা বিকিয়ে থাকে বিরাট অংকের নিয়মিত বিজ্ঞাপনের খাতিরে। বিবেকবান সাংবাদিকের সদিচ্ছা থাকা সত্বেও তাঁরা অনেক সময় কিছু করতে পারেনা। তবু অনুরোধ জানিয়ে যাই সাধ্যমতো সবাই যেন চেষ্টা করেন। "মুক্তি মেলেনি" সত্য, "মিলবে না" এমনতো নয়। ধন্যবাদ আপনাকে।


একজন ব্লগার, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


েজবীন, আমরা না ভুলে চেষ্টা করে দেখি আপু, যদি সুবিচার সম্ভব হয়। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


রাত, যে কথাটি বললেন(অথবা যে স্বপ্নটি দেখালেন) তার বাস্তবায়ন এখন সম্ভব না হলেও খারাপ বোধ করার কিছু নেই। এই মুহুর্তে যেটুকু সাধ্য(প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ন্যায় ও সুবিচারের দাবী জানানো) তা দিয়ে চেষ্টা করার অনুরোধ রইলো।


কালপুরুষ, 'অনেক কিছু' না হলেও আপনার অবস্থানে বসে হয়তো 'কিছু একটা' করা সম্ভব। হতভাগ্য আব্দুর রশিদকে না ভুলে সাধ্যমতো সংশ্লিষ্ট মহলকে অবগত ও সুবিচারের দাবী জানাবার অনুরোধ রইলো। একাত্মতা ও সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

৪৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৩
মিঞা ভাই বলেছেন: আসুন প্রতিরোধ গড়ি।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: মিঞা ভাই, মন্তব্যটির জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই মনোভাব আশা করি সকলের কাছে। শুধু দুঃখ বা ঘৃণা প্রকাশ নয়, আসুন আমরা সকলে মিলে এই নৃশংসতা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলি।


একটু ইচ্ছে থাকলে খুব সহজেই করা যায়। নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততার সাথে সাধ্য মতো চেষ্টা! খুব বেশি কিছু না হলেও, প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে ফোন করে ন্যায় বিচারের দাবী জানানো যায়।


৪৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:২৪
রাশেদ বলেছেন: এসেই আবার কই গেলেন! /:)
৪৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪১
বাফড়া বলেছেন: দেখেন ক্যদিন পর এরে নোবেল ই দিয়া দিব
৪৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
মানবী বলেছেন: রাশেদ, এসেই যাইনিতো ভাইয়া! আজ প্রায় এক ঘন্টা বা তার বেশি সময় ছিলাম ব্লগে!


বাফড়া, খুব অসম্ভব কিছু নয়।
৫০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
ফেরারী পাখি বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: এসেই আবার কই গেলেন!



অনেক দিন ধরে আপনাকে খুঁজছি? কৈ ছিলেন এতদিন? ভালো আছেন তো? ভালো থাকুন। বেশী বেশী করে লিখুন।
৫২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩১
হামোম প্রমোদ বলেছেন: এই হত্যাকান্ড- খুন অথবা আত্মহত্যা যাই বলি না কেন এর মূল কারণ, এন জি ও থেকে লোন নিয়ে পরিশোধ করতে না পারা। এতে কারও দ্বীমত নেই। যে মরলো, -- যারা মারলো -- তারা কি আসলেই স্বাভাবিক অবস্থায় থেকে এরকম একটি চরম সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে, আমার মনে হয় না। কয়েক হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারা, আদায় করতে না পারা'র মতো ছোট্ট একটি ঘটনা থেকে এই মৃত্যু ঘটনা। অথচ কোটি কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে, চুরি হচ্ছে, বিদেশে পাচার হচ্ছে, খেলাপি হচ্ছে -- কই কেউতো এর জন্য আত্মহত্যা করছে না, কাউকে খুন করছে না, কোন দায়ীত্ববান (!) কর্মকর্তা কাউকে ধরে ফাঁসীতে লটকাচ্ছে না। অথচ একজন রিকশা চালকের আত্মমর্যাদা এতই উচুঁ হয়ে গেছে যে, লোন পরিশোধ করতে না পারার বেদনায় আত্মহত্যা করতে হলো কিংবা এন জি ও কর্মকর্তাদের এতই দায়ীত্বপরায়ন (!!!!) হয়ে গেছে যে সামান্য টাকার লোন পরিশোধ করতে না পারার জন্য একজন ক্লায়েন্টকে এভাবে শাস্তী দিতে হবে যা দেখে অন্য ক্লায়েন্টগুলোরও যথাযথ শিক্ষা পায়, পাশাপাশি সহকর্মীদের উদাহরন দিয়ে দেখাতে হবে কর্তব্য নিষ্ঠা কাহাকে বলে, এন জি ও কর্তা হতে হলে কতটা নিষ্ঠুর হতে হয়, কিভাবে কর্তব্য পালন করতে হয়..........
আমার সবচেয়ে করুনা হয় এনজিও কর্মী-কর্মকর্তাদের জন্য যারা নিজেদের পার্ফমেন্সের জন্য এরকম নিষ্ঠুর হতে হলো, মানবসেবা(!!!) করতে গিয়ে কতটা অমানবিক হতে হল। অথবা এর বিপরিতও তো ঠিক হতে পারে, উদ্ধতন কতৃপক্ষের চাপে পড়ে কিংবা চাকরি হারানোর ভয়ে নিরুপায় হয়ে এরকম নিষ্ঠুর কর্ম করতে হলো। হতে পারে ঐ এনজিও কর্মী বা কর্তাও গ্রামের একজন কৃষকের ছেলে-রিকশাওয়ালার ছেলে যার পরিবার হয়তো তার বেতনের উপর নির্ভরশীল, পরিবারের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য তার আয়ের উপর নির্ভরশীল অথচ এনজিও কতৃপক্ষ যথাযথ লোন পরিশোধ করতে না পারলে হয়তো তার চাকরিচ্যুত হতে পারে, অথবা তার বেতন থেকে পরিশোধ করা হতে পারে......আরও অনেক কিছু হতে পারে কিন্তু মোদ্দা কথা হলো এনজিও কতৃপক্ষের লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে সেটা কর্মীর বেতন থেকে হোক অথবা গ্রহনকারী রিকশাওয়ালার কাছ থেকে হউক। তাই ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন ভাবে না দেখে সবার প্রতি অনুরোধ থাকলো আরেকটু ভিতরে যায় ......... আসলে বাংলাদেশের আমরা সবাই কোন না কোন ভাবে এনজিওদের সাথে সম্পর্কিত, কারও মা-বোন-খালা-ফূপি কিংবা কাজের মেয়ের কোন আত্মীয় এনজিও'র লোন নিচ্ছে (বেনিফিসারী ) অথবা কারও ভাই- বোন - মামা-শশুর-খালু -চাচা- ভাতিজা কোন না কোন এনজিও তে কর্মী, কর্তা, গবেষক, কনসালটেন্ট, উপদেষ্টা, বোর্ড মেম্বার....... অর্থাৎ তাই আমরা কোন না কোন ভাবে এনজিও' র নেটওয়ার্কের মধ্যে পড়ে। তাই মানবী'র হা-হুতাসের সাথে আমিও একটু যোগ করতে চাই

".....এই নৃশংস হত্যাকান্ডটি যদি ব্র্যাকের প্রধান কার্যালয়ের কর্তাব্যক্তিদের নির্দেশে না ঘটে থাকে, তাহলে সত্যিকারের অপরাধীদের ধরিয়ে দেবার দাবী জানাতে পারেন।" ... শুধু সত্যিকার অপরাধীদের ধরিয়ে দিলেই চলবে না, সাথে সাথে প্রধান কার্যালয়ের কর্তাব্যক্তিদেরও ভেবে দেখতে হবে তাদের কর্মী /কর্তা এরকম নিষ্ঠুর আচরনের পিছনের তাদের গৃহীত কোন কৌশল কিংবা পদ্ধতি দায়ী কি-না,......তাই আমরা শুধু ঐ ঘটনার জন্য বিচারের দাবী কিংবা অপরাধীর শাস্তী দাবী করার মধ্যে সীমিত না রেখে, এনজিও দের ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম টাকে একটু নড়ে চড়ে দেখতে হবে। কারন এনজিও দের হাতে নিহত-হত্যা এটাই প্রথম নয়, আরও অনেক ঘটনা অতীতে ঘটেছে, পাশাপাশি এনজিও কর্মীর নিহতের সংখ্যাও কম নয়।
শেষে আপনার কথার প্রতিধ্বনি করে বলতে চাই " -- নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততার সাথে সাধ্য মতো চেষ্টা! ......." আমিও সাধ্য মতো চেষ্টা করবো আমাদের দুঃখিনী বাংলাদেশকে কিছুটা সুখ দেবার। কিছু অন্যায়ের প্রতিকার করার... ...................


আবারো ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপুর্ণ পোষ্ট দেবার জন্য।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৯

লেখক বলেছেন: "হতে পারে ঐ এনজিও কর্মী বা কর্তাও গ্রামের একজন কৃষকের ছেলে-রিকশাওয়ালার ছেলে যার পরিবার হয়তো তার বেতনের উপর নির্ভরশীল, পরিবারের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য তার আয়ের উপর নির্ভরশীল অথচ এনজিও কতৃপক্ষ যথাযথ লোন পরিশোধ করতে না পারলে হয়তো তার চাকরিচ্যুত হতে পারে, অথবা তার বেতন থেকে পরিশোধ করা হতে পারে......আরও অনেক কিছু হতে পারে "

-- এমনও যদি হয় তবু মানুষ খুন করা যৌক্তিকতা পায়না। নিজে এবং পরিবার না খেয়ে থাকবে তবু হত্যাকারী হবে কেন! তাহলে তার সাথে একজন পেশাদার খুনীর পার্থক্য কি হলো, সেও তো জীবিকার খাতিরেই খুন করে!!


" তাই আমরা কোন না কোন ভাবে এনজিও' র নেটওয়ার্কের মধ্যে পড়ে। "

- এমন মানবতাবোধ বর্জিত নৃশংস কাজ করার প্রতিষ্ঠানটি যদি আমার বাবা'র ও হতো, আমি এই ভাষাতেই প্রতিবাদ ও ঘৃণা জানাতাম(আপনার ভাষায় "হা-হুতাশ" করতাম :-)।


"তাই আমরা শুধু ঐ ঘটনার জন্য বিচারের দাবী কিংবা অপরাধীর শাস্তী দাবী করার মধ্যে সীমিত না রেখে, এনজিও দের ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম টাকে একটু নড়ে চড়ে দেখতে হবে।"

- বিচারের দাবীটিই আগে উঠুক :-)
সুবিচারের জোড়ালো দাবী, এই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে উঠলেই এনজিও ম্যানেজমেন্ট, নীতিমালা নেড়েচেড়ে দেখার সুযোগ হবে। তা না হলে, ঘটনাটি যে তিমিরে আছে সে তিমিরেই থেকে যাবে।



আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ হামোম প্রমোদ। আপনি সাধ্যমতো কিছু করবেন জেনে খুব ভালো লাগলো। আব্দুর রশিদ হত্যার সুবিচারের দাবী জানাতে সংশ্লিষ্ট মহলের ফোন নম্বরের প্রয়োজন হলে এখানে() যোগাযোগ করতে পারেন।


ভালো থাকুন।

৫৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩২
মানবী বলেছেন: ফেরারী পাখি, যে পাখি ফেরারী তিনি আমায় খুঁজেছেন জেনে ভালো লাগলো :-) আল্লাহ্'র রহমতে ভালো আছি, ধন্যবাদ। আপনি ভালো আছেন আশা করি। অনেক ভালো থাকুন এবং সম্ভব হলে আব্দুর রশিদ হত্যার সুবিচারের জন্য সাধ্য মতো চেষ্টা করার অনুরোধ রইলো।।



সাইফুর, পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আব্দুর রশিদ হত্যার সুবিচারের জন্য সাধ্য মতো চেষ্টা করার অনুরোধ রইলো।


৫৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫
টিপু বলেছেন: সাম্রাজ্যবাদের হাত ধরে যা আসে তা কখনও ভাল হতে পারে না ।পুঁজিবাদের লক্ষ্যই হচ্ছে যেনতেন ভাবে পুঁজি বা মুনাফা অর্জন।এদেশে ক্ষুদ্র ঋনের উদ্ভব হয়েছে পুঁজিবাদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য।আর পুঁজিবাদের কাছে মানুষের জীবনের চেয়ে অর্থের মূল্য বেশী।
আবদুর রশিদের মৃত্যু সেটিরই জ্বলন্ত প্রমান।
৫৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: খুবই নিন্দাজনক, আগেই পড়েছিলাম। এগুলিই স্বাভাবিক মনে করে খুব বেশি গায়ে মাখিনি, কেবল বেদনার দীর্ঘশ্বাস বেরিয়েছে। পোস্টে আপনার সিরিয়াসনেস আপনার মানবিকতাকেই তুলে ধরেছে। সামহয়্যার এটাকে স্টিকি করে ভাল করেছে।

এইসব জালেমরা সুশীলের ভেক ধরে পুরস্কার পায়। সমাজ ধ্বংশের জন্য সমাজ গঠনের পুরস্কার! আমরা যেন লজ্জিত হই।
৫৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
নাজিরুল হক বলেছেন: এই হলো এনজিও দের কথিত সেবা ( ????)।
৫৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
আসিফ আহমেদ বলেছেন: মনুষ্যত্ব কোথায় পাবো আমরা?
৫৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫
আশিক হাসান বলেছেন: আপনার সবগুলো চিঠি আমি পেয়েছিলাম তবে শেষের চিঠিটির রিপ্লাই ব্যস্ততার কারনে দেয়া সম্ভব হয়ে উঠেনি । তবে আপনার দেয়া ইনফরমেশন গুলো আমার সাধ্যমত বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের গোচরে নেয়ার চেষ্টা করেছি ।আমার পরিচিত এক সাংবাদিক বন্ধুকেও এ বিষয়ে অর্থাৎ ময়না তন্দতের বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে বলেছিলাম ।

কাজ কতটুকু হবে জানিনা তবে এটুকু বলতে পারি বিষয়টি যদি ধারাবাহিক ভাবে পর্যবেক্ষেন এবং প্রতিবেদন আকারে মিডিয়াতে সঠিকভাবে তুলে ধরা হয় । সেক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবতে বাধ্য হবে ।

আমার সমর্থন আপনার সাথে থাকলো।
৬০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ এই লেখাটির জন্য।
আমাদের এই সমাজে এরকম ঘটনা অহরহ শুধু ঘটেই যাচ্ছে, আর আমরা তা পত্রিকার পাতায় লিখে যাচ্ছি! কিন্তু লাভটা কি পাচ্ছি? এটুকুই লিখাটি পড়ে আমরা খুব সহজেই বলে দিচ্ছি "খুবই দুঃখজনক" ঘটনা।
কিন্তু আমরা এধরনের ঘটনার কোন প্রতিবাদই করছিনা।
"খুবই দুঃখজনক" না বলে আসুন আমরা সবাই প্রতিবাদি হই, তাহলে অত্যন্তপক্ষে এই ধরনের অহরহ ঘটনা ঘটবেনা।

মানবী আপুর সাথে আমিও বলছি আসুন আমরা এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধ্যমতো প্রতিবাদ করে দেখি, সুবিচার চেয়ে দেখি!!!
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাস্করদা।

আমি জানি আপনি শুধু দুঃখপ্রকাশ আর ঘৃণা প্রকাশ করেই এর প্রতিবাদ জানাবেননা, কিছু করতে চেষ্টা করবেন। আমরা কি আপনার পত্রিকায় ছোট্ট হলেও একটি প্রতিবেদন আশা করতে পারি? একটি প্রতিবাদ সভা?
আর কিছু না হলেও সংশ্লিষ্ট মহলের সাথে যোগাযোগ করে ন্যায়বিচারের দাবীটুকু জানানো যায়।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনি সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন।

৬১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
মাহবুবা আখতার বলেছেন: "the only time evil can win is when good people do nothing."
অবস্থা ঐরকমই দাঁড়িয়েছে। আগে মিশনারীরা এসে যেসব করে যেত এখনকার এন.জি.ও রাও সেটাই করছে।
এদের ধৃষ্টতা দেখলে অবাক হয়ে যেতে হয়।
খবরটা দেখেছিলাম পত্রিকায়, আফসোস ছাড়া কিছু করতে পারি না।
এদের সেবার নমুনাটা এমনই।
৬৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
কঁাকন বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এ লেখাটার জন্য

দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া উচিৎ যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে
৬৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
মদন বলেছেন: যদি কিছু করতে পারতাম :(
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক কিছু করতে পারেন, একটু চেষ্টা করে করে দেখবেন সরাসরি প্রতিবাদ জানাবার?

প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে একটু তাগাদা দিয়ে, প্রতিবাদ সভা বা মানব বন্ধনের আয়োজন করে.. আমরা কি একটু চেষ্টা করতে পারি?

৬৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: কি আর বলবো।।। বাকহীন!
৬৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর বলেছেন: চলেন একটা প্রতিবাদ সবা করা হউক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে অথবা প্রেস ক্লাবে ।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: অতীতে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে কাজ করার সময় অনেকে নানান উদ্যোগ নেবার কথা বলেছেন. প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, দুঃখজনক হলেও সত্য.. অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুধু তা মন্তব্যের মাঝেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে। তারপরও, কেউ কোন উদ্যোগে নেবার কথা বললে বিশ্ব করি, ভাবতে ভালো লাগে এই মানুষ হয়তো আর সবার মতো নন, সত্যিই তিনি কাজটি করে দেখাবেন।


নুর হাসান মুহাম্মদ তানভীর, আপনি যদি একটু কষ্ট করে এই প্রতিবাদ সভা আয়োজনের উদ্যোগটি নিতে পারেন, আমি নিশ্চিত অনেক ব্লগার সেখানে অংশ নিবেন। বিভিন্ন মিডিয়ার যে সাংবাদিক ব্লগার আছেন তাঁরাও সাধ্যমতো কাভারেজ দিতে চেষ্টা করবেন।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

৬৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ড. ইউনুস নোবেল প্রাইজ পাবার পর খুব উল্লাসিত হয়েছিলাম এই ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়টার উপর। সরকারি ব্যাংকে চাকুরিরত আমার বাবাকেও বলেছিলাম, "তোমরা পিছিয়ে আছ কেন?"। তখন ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারি এই সব প্রতিষ্ঠানের এহেন রূপের কিছু বর্ণনা বাবার কাছ থেকে শুনেছিলাম। তখন ইউনুসের নোবেল লাভের ঘটনায় এত উল্লাসিত ছিলাম যে কাহিনী গুলো মনে আঁচ কাটতে পারে নি।ব্র্যাকের তথা আমাদের দেশের জনগনকে চুষে খাওয়া এইসব মিশনারিকে ধিক্কার জানাই।


৬৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ ব্লগার্স্‌: এই ঘটনা প্রত্যেকের জানা উচিত। আমার কন্টাক্ট লিস্টে যারা ছিলেন তাদের, মেইল করে দিয়েছি। আশা করব আপনারাও করবেন। @মানবী - আপনার এই পোস্টটি অন্য একটি বাংলাব্লগ আমারব্লগে, আপনার নাম উল্লেখ করেই লিংকসহ তুলে দিলাম। আশা করি, রাগ করবেন না
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: আমার না উল্লেখ থাক বা না থাক, এই দাবীটি ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করার জন্য ধন্যবাদ, রাগ করার প্রশ্ন নেই এখানে।

দাবীটি সাধ্যমতো চেষ্টা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেবার অনুরোধ রইলো।

৬৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৯
রক্তাক্ত যোদ্ধা বলেছেন: মাঝে মাঝে সত্যিই চিন্তা হয়, আসলে কোনটার দাম বেশী? জীবন না টাকা? বিবেক না টাকা? ভালোবাসা না টাকা?

কোন জবাব খুঁজে পাই না। দিশেহারা হয়ে, নির্বাক হয়ে এই রক্তমাংসের দেহটাকে বয়ে নিয়ে চলি................:(
৭০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০১
ইউনুস খান বলেছেন: দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া উচিৎ যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে
৭১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১০
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ভালো লাগল যে নোটিশবোর্ড একটা ভালো পোষ্টের সঠিক গুরুত্ব দিয়েছে।
৭২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
কৌশিক_বিশ্বাস বলেছেন: আপনারা এই ব্লগকে কেন্দ্র করে একটি সংগঠন তৈরী করুন। সবাই একমত হয়ে যে যার এলাকায় কাজে লেগে যান। যেই বিপদের সম্মুখীন হবেন, অন্য জেলা থেকে বন্ধুরা ঝাপিয়ে পড়বেন। সংগঠন হোক এই ব্লগ। Central meeting point এটাই। কেউ লীডার থাকবেনা এখানে। সবাই volunteer হোন। সবাইকে একটা অলিখিত চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে হবে যে যখন যে জেলায় প্রয়োজন পড়বে, বাকিরা বাস ভর্তি করে সেখানে রওনা দেবেন। পারবেন না?

এটা না পারলে এই জিনিস আটকানো যাবেনা, শুধুই ব্লগে লিখে দিন কাটাতে হবে। রাজনৈতিক নেতারা এই কাজ কোনোদিনও করবেন না। NGO'রা রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেপাবে না। এবং রাজনৈতিক নেতারা তাদের গুন্ডাবাহিনীকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করবেন। তাহলে, বাকি থাকে জনগণ। তারা যদি শুধু লিখবে বলে মনে করে তাহলে এই লেখালেখি অর্থহীন। বরং অন্য কাজ করুন। পারবেন মনে করলে শুরু করে দিন, দেরী করবেন না।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: "শুধুই ব্লগে লিখে দিন কাটাতে হবে..... তারা যদি শুধু লিখবে বলে মনে করে তাহলে এই লেখালেখি অর্থহীন। বরং অন্য কাজ করুন। পারবেন মনে করলে শুরু করে দিন, দেরী করবেন না।"

--এই কথাগুলোর কোথাও আমাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা আছে কিনা বুঝতে পারছিনা!!

তবু আপনার সদয় অবগতির জন্য বিনয়ের সাথে জানাতে চাই, আমি কোন ইস্যু নিয়ে ব্লগ লেখার আগে তা সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করি। সাধ্যমতো প্রতিবাদ জানিয়ে ও খোঁজখবর করে তার পর লিখে থাকি। আমার কোন প্রচেষ্টা বা প্রতিবাদ শুধুমাত্র ব্লগ লেখা বা মন্তব্য করার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকেনা।


এই সাইটে আপনি খুব নতুন ব্লগার কিনা বুঝতে পারছিনা। পুরনো বা নিয়মিত হলে জানার কথা এখানে অতীতে একাধিক ইস্যু নিয়ে লেখালেখি হয়েছে যা বিপুল জনমত গড়ে তুলেছে। সেই জনমতের প্রবল প্রতিবাদের মুখে সামস্যার সমাধান হয়েছে।

এটা সত্য অনেকে অনেক রকম প্রতিশ্রুতি দেন, অনেক বড় বড় উপদেশ যা শুধুমাত্র মন্তব্য বা লেখনীর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে। তবে এসবের মাঝেও জেনুইন সৎ আন্তরিক কেউ কেউ থাকেন বলেই প্রতিকার সম্ভব হয়।


আপনার সংগঠনের আইডিয়াটি ভালো লাগলো। আপনি উদ্যোগী হয়ে এগিয়ে এলে অনেকেই সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন বলে বিশ্বাস।
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৭৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: আমি কৌশিক বিশ্বাস ভাইয়ের সাথে একমত
৭৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
ফেরারী পাখি বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী। আপনার লেখা পড়ে আসলে মন্তব্য করতে ইচ্ছা করেনি। এটা যে আসলে এড়িয়ে যাওয়া তা নয়। এটা যে নির্বিকার থাকা তাও নয়।
এ ধরণের নিমর্মতা নিষ্ঠুরতা আমাদের মত সাধারণ কিন্তু সচেতন মানুষদের মনে বড় বেশী করে বাজে। কিন্তু কি ভাবে সংগঠিত হব বলুন। ধরুন আমি এখন আব্দুর রশিদের জন্য কিছু করতে চাই কি ভাবে করবো? আমাকেই তো চলতে হয় সমাজে আপস করে।
ফাহমিদুল হকের মত একভিস্ট রা পর্যন্ত প্রয়োজনে আপস করেন, আর আমাদের হাতে তো কলম নাই।
বলুন একটা এন জিও বা প্রথম আলো, ডেইলী স্টার এদের মধ্যে বিশাল কি কোন পার্থক্য আছে?
আছে কোন পার্থক্য ডাক্তার বা থানার ওসির যারা লিখবেন, আত্মহত্যা জনিত মৃতূ্্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষকটি ইচ্ছা হলেই যৌন হয়রানী করেন ছাত্রীদের, তার কি করতে পেরেছি আমরা? ফাহমিদুল হক কতটা স্বোচ্চার এ বিষয়ে জানতে ইচ্ছা করে। আসলে আমি গলা ফাটিয়ে তো কোন লাভ নেই। না আছে আমার হাতে কলম, না ক্ষমতা।
অনেকেই হয়তো আপনাকে সংগঠন করতে বলবেন। মানে আবার একটা টীম হবে, তা থেকে ডিম বেরুবে কিন্তু কাজের কাজ কি হবে?

আমি আসলে এ সবের কিছুতেই নিজের জায়গাটুকু খুঁজে পাই না।

বরং কিছু একটা শুরু করুন নৈতিকভাবে এবং একজন মানুষ হিসেবে সব সময় মনে মনে পাশে আছি।

সত্যি, আন্তরিভাবে যদি নিজেকে প্রকাশ করি, তাহলে বলবো - এ নিষ্ঠুরতার জবাবে কিছু বলার ভাষা আমার নেই।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: "ধরুন আমি এখন আব্দুর রশিদের জন্য কিছু করতে চাই কি ভাবে করবো?"

- অবশ্যই করতে পারেন, আর কিছু না হলেও প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করে তাদের কাছে ন্যয় বিচারের দাবী জানাতে পারেন। ডাক্তার "আত্মহত্যা"র রিপোর্টটি লেখারা গেই জানাতে পারেন, আমরাও আব্দুর রশিদের পক্ষ থেকে লক্ষ্য রাখছি।

প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর জানা না থাকলে, এখানে যগোযোগ করুন।


আমরা সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততার সাথে চেষ্টা করে যাই, প্রশাসনে টনক নড়তে বাধ্য! আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ফেরারী পাখি।

৭৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
হমপগ্র বলেছেন: আমি সমস্ত অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

তবে একটা কথা, আমরা অনেকেই জানি না এরকম ঘটনা একটা দুইটা নয়। বরং হাজার হাজার হচ্ছে। ইউনুস তো এইভাবে নোবেলও পেয়ে বসলেন।

বাংলাদেশে যত এনজিও আছে তার মধ্যে ব্র্যাককে সব থেকে ভাল জানতাম। অতচ কী বেড়িয়ে এলো এটা?

ধিক্কার জানাই তাদের এহেন কর্মকান্ডকে। তবে একটা কথা সবার মনে রাখা উচিৎ ব্র্যাক বাংলাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশে তাদের সেবাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। ব্র্যাকের ধর্তাকর্তারা নিশ্চয়ই কয়েকটা টাকার জন্য এমন একটি কাজ করাকে সাপোর্ট করবেন না। আমার মনে হয় ঢালাও ভাবে তাদের দোষারোপ না করে ব্র্যাকের কর্মকর্তা যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

ব্র্যাক বাংলাদেশের অনেক মানুষের দ্বারে পৌছে দিয়েছে উন্নত শিক্ষা, চিকীৎসা সহ আরও অনেক কিছু। তাদের কর্মকর্তারা দেশ ছড়িয়ে আছে। কিছু খারাপ কর্মকর্তা থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। তাদের এহেন কর্মকান্ডের বিষয়ে ব্র্যাকের ধর্তাকর্তারা ব্যবস্থা নেবেন বলেই আমার বিশ্বাস।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: একজন হলেও ব্র্যাকের পক্ষে মন্তব্য এলো! ধন্যবাদ আপনাকে।

ভালো করে লক্ষ্য করলে জানবেন, ব্র্যাককে শুধুই আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়নি, তারা নির্দোষ হলে নির্মম এই হত্যাটিকে 'আত্মহত্যা" বলে চালানোর প্রচেষ্টা না করে খুব সহজেই সত্যিকারের অপরাধীকে ধরিয়ে দিতে পারে।

আমরা কি তাদের কাছ থেকে এমন কিছু এখন পর্যন্ত পেয়েছি? ঘটনা কিন্তু দু'এক দিন ঘটেনি, এই কাজটি করতে এতো সময়ের প্রয়োজন পড়ে না।

৭৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০১
অ্যামাটার বলেছেন: কি আর বলব বলেন, ইউনুসের মত একটা সুদি মহাজনকে যখন 'তৈলমর্দন' আর 'লবিং'-এর জোরে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়, তখন আমরা নির্বোধেরা উল্লসিত হই, ইউনুসের মত একটা ফালতু লোক যে'দিন নোবেল পেয়েছিল, সেইটা বোধকরি বিশ্বের সকল নোবেল লরিয়েটরা একযোগে আত্মহত্যার শামীল...তাছাড়া আলফ্রেড নোবেল প্রবর্তিত গৌরবময় এই পুরস্কারটার মান রাতারাতি এতই কমিয়ে ফেলা হল একটা একটা তৈলবাজ লবিংমাষ্টার বেহায়া লোককে দেবার জন্য, যে এখন আমাকে(!) এই পুরস্কার প্রস্তাব করলে দ্বিতীয়বার ভেবে দেখব, যে এটা গ্রহণ করব, না প্রত্যাখ্যান করব!! আর ফজলে হাসান আবেদ-এর ব্র‌্যাক-ও গরীবের রক্ত শোষণে গ্রামীণ পরিবারের থেকে কম যায় না...
৭৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
শফিকুল বলেছেন: আমিও আছি।

সারা বাংলার জনগন এটা জানা দরকার।

শুধু ব্রাক না সব এজিও এধরনের কর্মকান্ড করে,

গ্রামীন ব্যাংক ও এর বাইরে না তারাও কম অত্যাচার করে না।

সবাই ভাল থাকুন।
৭৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
মো: শামসুজজামান বলেছেন: এদের নিয়ে যদি কথা বলি তবে তা হবে বোকামি কারণ " এরা মানুষ নয়, এরা জানোয়ার।" এদের মাঝে মানবতা বলে কিছু নেই আছে পশুত্ব।
৭৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
জনৈক আরাফাত বলেছেন: প্রথমত, লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়ত, বিষয়টি ভয়ানক। নরহত্যা সামান্য কিছু মহাজনী টাকার কারণে।

আর।। বাংলাদেশে কোন এনজিওটা দেশের সত্যিকারের উন্নতির জন্য কাজ করছে? বলুনতো? তারা যা করে নিজের পকেটে পয়সা ভরার জন্য আর মুফতে কিছু পুরষ্কার পাবার জন্য। সিধুলাই প্রজেক্ট এর কথা মনে আছে? কি হলো সেখানে? ৩ কোটি আশি লাখ টাকার তামাক নিরোধন প্রজেক্ট, যেখানে কথা ছিলো, সিগারেট এর উপর ট্যক্স বসানো হবে যাতে ভোক্তা কমে। কিন্তু কি হলো? তিন কোটি আশি লাখ টাকায় গোল্ডলিফের দাম বাড়লো আট-আনা। প্রতিষ্ঠানটির মালিক কে? হয়তো দেশের পরবর্তী অর্থমন্ত্রী!

রক্তচোষা গুলো আমাদের মাথা গুলোকে কিনে নিয়েছে।
তাই কন্ঠ দিয়ে শুধু ‘হাঁ হুজুর হাঁ হুজুর’ বের হয়...

দৈনিক ইনকিলাব ও প্রথম আলো কে ধন্যবাদ!
৮০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: আর ‘বিবর্তনবাদী’ এর মত লিঙ্কস টা আপনার নাম উল্লেখ করেই আমি তুলে দিলাম অন্যজায়গায়... কিছু মনে করবেন না...
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: কিছু মনে করার প্রশ্ন নেই, দাবীটি ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

সম্ভব হলে প্রশাসনের বভিন্ন মহলে যোগাযোগ করে ন্যায় বিচারের দাবীটি পৌঁছে দেবার অনুরোধ রইলো।

৮১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৬
পথিক মানিক বলেছেন: বাংলাদেশে কোন এনজিওটা দেশের সত্যিকারের উন্নতির জন্য কাজ করছে ? রক্তচোষা গুলো আমাদের মাথা গুলোকে কিনে নিয়েছে।
৮২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
চাচামিঞা বলেছেন: আমি নির্বাক......কি বলবো? এই দেশে কি আর প্রশাসন বলতে কিছু আছে.......? আর সাংবাদিক ভাই দের প্রতিও আমার আস্হা দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে। নিযেদের কোটা পুরনের জন্য তারা চোষে বেড়ায়........কিন্তু তার কোনো ফলো আপ থাকে না.......এক সময় আমরা বিষয়টা ভুলে যাই আর রিক্সাচালক আব্দুর রশিদের আত্না কাঁদে অবিরাম মুক্তির আশায়। ঐদিকে ওসি সাহেবেরা উৎকোচের টাকাদিয়ে মহাভোজের ব্যবস্হা করেন আর ওতে প্রধান অতিথি হন ব্রাকেরই উর্ধতনেরা..........নরক কি এর চাইতেও ভয়ংকর?
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: সৎ সাংবাদিকদের অস্তিত্ব অস্বীকার করা যায়না, তাঁদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অতীতে এমন অনেক অবহেলিত সংবাদ আলোর মুখ দেখেছে, রাহেলা হত্যামামলর মতো একটি মৃত প্রায় মামলা পুনরধজ্জীবিত হয়েছে। অনেকক্ষেত্রে তাঁরা পত্রিকার মালিক সম্পাদক/ পক্ষের কাছে অসহায়।


আব্দুর রশিদের জন্য সুবিচার চাইতে প্রশাসনের কয়েকটিমহলে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা অনেকেই বলেছেন, "ঘটনাটি জানি, কয়েক জন সাংবাদিক সুবিচারের অনুরোধ জানিয়েছিলেন"।

এই মহান সাংবাদিকদের কি অস্বীকার করা যায়?

দুর্নীতির কালো টাকায় আচ্ছন্ন অসৎ সাংবাদিক, পুলিশ, ব্যবসায়ী, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শুভবোধের উডব হোক, তারা মানুষ হয়ে উঠুক এই দোয়া করি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

৮৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

একজন আবদুর রশিদের মৃত্যু বা হত্যাকান্ড সভ্যসমাজের ড্রয়িংরূমে আলোচিত হয়না,
তাদের ডাইনিং টেবিলে ঝড় তোলে অন্য কোন জরুরী বিষয়, এতো ঠুনকো মৃত্যু নয় !
একজন আবদুর রশিদের মৃত্যু, জবির,ছবির,মজিদের মৃত্যু আমাদের সুশীল সভ্যতায় তেমন কোন ফারাক তৈরী করেনা ।


আবদুর রশিদকে যেদিন আবেদের চেলারা ঝুলিয়ে দিলো, সেদিন ক্ষুদ্র ঋণে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত হলেন আবেদ ।

যে কোন একজন ছগির -ছামাদরে আবারও ঝুলিয়ে দেয়া হোক, এবং একইদিনে ফজলে হাসান আবেদকেও আরো একটি পুরস্কার দেয়া হোক, এইভাবে দরিদ্রের লাশের উপর দিয়ে ক্ষুদ্র ঋণকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য । টিভি ক্যামেরায় আবেদের হাস্যোজ্জল মুখ দেখতে চাই, যখন ছগির ছামাদের লাশ ঝুলবে গাছের ডালে,-এটাই আমার এখনকার দাবী !
৮৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
অমিত আহমেদ বলেছেন: কি বিভৎস...!
আর কিছু বলতে পারছি না।
৮৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
সুখী মানুষ বলেছেন: আছি সবার সাথে।
এই সব হায়নাদের বিরুদ্ধে আমরা (!) শিক্ষিতরা যদি না দাড়াই তাহলে এদের অত্যাচার ইষ্টইন্ডিয়া কোম্পানি, পাকিস্তানি পাঞ্জাবীদেরকেও ছাড়ায়ে যাবে। তবু আমার অসহায় দেশের সেই সব রশিদেরা নগদ কয়টা টাকা ঋণ নেওয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে ঋণ নিতেই থাকবে, আর মরতেই থাকবে।

সাংবাদিক, আইনের লোক কি কেউ নেই এই ব্লগে? আপনারা কি আগায়ে আসবেন না!?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, সাংবাদিকদের দিকে শুধু চেয়ে না থেকে আমরা সাধারন ব্লগাররা কি একটু চেষ্টা করতে পারি। ঢাকায় একটি প্রতিবাদ সভা একটি মানব বন্ধনের আয়োজন কি করা যায়?

আপনারা একটি চেষ্টা করলে হয়তো সম্ভব।

আপনাকে ধন্যবাদ।



৮৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
সুশীল সুমন বলেছেন: আমার নামটি নিয়ে বেশ কিছু বন্ধু বান্ধব তিরস্কার করতে ছাড়ে না। যত দোষ ঐ সুশীল শব্দটার। হয়তোবা একসময় ঠিক তদ্রুপ মানবতাবাদীরা খুবই তিরস্কারের সম্মুখীন হবে আর তিরস্কার করবে তারাই যারা প্রকৃত মানবতাবাদী। আসলে আমরা কথা ও কাজে যদি
সত্য হতে পারতাম তবে পৃথিবী হতো খুবই সুন্দর । ব্রাক সহ মানবসেবার দাবীদার মিথ্যাবাদী জালেমদের প্রতি ধিক্কার। আর প্রতিরোধের ব্যাপারে বলতে হয় যারা প্রতিরোধের চেষ্টায় নামবে তাদের চরিত্রেও যদি একই রূপ ফাটল থাকে তবে অন্যায়ের অবসান অসম্ভব।
৮৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২০
ধীবর বলেছেন: রবিন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হয় " কাত্যায়ন বধ করো"। সোজা বাংলায় লাঠির বাড়ি দিয়ে এনজিও দের ১৪ গুষ্ঠিকে পিটিয়ে বাংলাদেশ ছাড়া করতে হবে। লেখালেখি করে এই সব অসুরদের কিসসুটি করা সম্ভব না। বিশেষ করে সুশিল নামের "কলামিস্ট" বা "অর্থনীতিবিদদের টিকিটিও যখন ওই এন জি ও দেরই খোটায় বাধা তখন নবীন ও অপরিচিত লেখকদের লেখা দিয়ে কত টুকু করা সম্ভব?
৮৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: পোস্টটা স্টিকি দেখে ভালো লাগছে...সবার জানা উচিত।

ব্র্যাকের মালিক নোবেল পেলে আমাদের মিডিয়া মাথায় তুলে নাচবে, ১০-১২দিনের পেপারের প্রথম পাতায় এই লোকের হাস্যোজ্জ্বল ছবি থাকবে। শুধু আব্দুর রশিদরা দৈনিকেগুলোর প্রথম পাতা থেকে হারিয়ে যায়। ব্লগে যেন এতো সহজে না হারায়... আমাদের স্মৃতি যেন এতো সহজে না হারায়।
৮৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আর একটা উপকার করেন মানবী আপু। প্রশাসনের কাছে মেইল করার সাজেশন দিয়েছেন আপনি। আমার তো মেইল অ্যাড্রেস জানা নেই। যদি আপনার জানা থাকে তাহলে মেইল অ্যাড্রেস গুলো দিয়ে দেন।

গা শিউরানো, লোমহর্ষক এই ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। বাংলাদেশের মানুষ এখন আদিম যুগে বাস করছে বলেই আমার ধারনা। আপু আপনার প্রতি অপরীসীম কৃতজ্ঞতা।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ইমেইল এ্যাড্রেস গুলো জানা নেই বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত, কেউ যদি জানাতে পারেন কৃতজ্ঞ হবো।
যদিও রাহেলা হত্যা মামলার দাবী জানাবার সময় ব্লগাররা অধিকাংশ ইমেইল এ্যাড্রেস অকার্যকর পেয়েছেন!!


প্রশাসনে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে দাবী জানানো যায়। প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর জানা না থাকলে এখানে যোগ করে জেনে নিতে পারবেন।

ধন্যবাদ সদিচ্ছার জন্য।

৯০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: আমরা এদের নিন্দা জানাবো,ধিক্কার দিবো,থুথু দেব যতক্ষন এই পোষ্টটি ষ্টিকি থাকে।


তারপর আমরা ঐসব মজলুমের কথা ভুলে যাব। কিন্তু তাদের জুলুম চলতেই থাকবে।

আমরা অন্য আরেকটা টপিক নিয়ে ব্যস্ত থাকবো।
আর এটা ঢাকা পড়ে যাবে।

কিন্তু কেউ কি আসবেনা এই নির্যাতিত মানুষের পাশে দাড়াঁতে???
কেউ কি আসবেনা এই মানুষদের কান্না বন্ধ করতে???
কেউ কি আসবেনা এদের সাহায্য করতে?????


ঘৃনা আর ধিক্কার দিয়েই আমরা সুশীলরা এদের পাশ কাটিয়ে যাই।

আর এই অসহায়রা শোষিত হয়ে যাক অবিরাম।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: "তারপর আমরা ঐসব মজলুমের কথা ভুলে যাব। কিন্তু তাদের জুলুম চলতেই থাকবে।"
- ভালো বলেছেন। তবে কেউ কেউ যে ভুলেননা সেই উদাহরন ও কিন্তু এই ব্লগে অতীতে আমরা পেয়েছি। শত শত নয় গুটি কয়েক সৎ ও সত্যিকারের মানুষের প্রচেষ্টা এই মজলুমদের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।


ঘৃণা, ধিক্কার ভুলে নিজেরা একটু চেষ্টা করে দেখি। আব্দুর রশিদদের পক্ষে কথা বলার কেউ নেই, প্রতিবাদ জানাবার কেউ নেই।

৯১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
চাররঙা রঙিন-কষ্ট বলেছেন: এরা দেখতে মানুষের মতো হলেও আসলে এরা হিংস জানোয়ারের চেয়েও নির্মম। এদের প্রতিহত করতে হবে আমাদেরকেই। আর সে জন্য চাই ঐক্যবদ্ধ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এদেরকে ধ্বংস করতেই হবে। আসুন আমরা সবাই এদের ধ্বংস করতে পথ চলি একসাথে হাত রেখে হাতে। ধন্যবাদ।
৯২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
সর্বনাশা বলেছেন: পোস্টটি ৯৩৯ বার পঠিত, ৯৮ টি মন্তব্য (আমার মন্তব্য লেখার সময় পর্যন্ত)।

এক ব্লগার বাবুয়া ছাড়া আর কেউ কি কার্যকরীভাবে কিছু করেছেন, সহানুভূতি আর সমর্থন জানান ছাড়া ? সবাই কি আমার মতই নপুংসক ?

( কেউ কি দয়া করে জানাবেন কোথায় ই-মেইল করলে একটু কিছু করা হবে ? হাস্যকরভাবে দায় এড়ান গোছের কিছু একটা অন্তত ! )
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ব্লগার আশিক হাসান নিয়েছেন। আরো অনেকেই নিবেন আশা করি।

ইমেইল এ্যাড্রেস জানা নেই বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। সমস্যা হলো আমাদের কাছে যে ফোন নম্বরগুলো আছে তার প্রায় সবকটিই মোবাইল নম্বর তা পাবলিক ফোরামে প্রকাশ করা কতোখানি শোভনীয় হবে বুঝতে পারছিনা।

প্রশাসনের বিভি্ন মহলে ফোনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাতে চাই, প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর জানা না থাকলে এখানে যোগ করে জেনে নিতে পারবেন।


ধন্যবাদ আপনাকে।

৯৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
মাহিরাহি বলেছেন: সময় বদলের সময় এসেছে
৯৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
সমকালের গান বলেছেন: দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।
৯৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
মাহিরাহি বলেছেন: মধ্যযুগীয় এই বর্বরতার কোন বিচার না হলে তার দায়ভার বহন করতে হবে আমাদের সবাইকে।
৯৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: ব্র্যাকসহ অন্যান্য নব্য দাদন ব্যবসায়ীদের নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই!
৯৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
নীল কাক বলেছেন: আসলেই 'চোখ ভেসে যায় জলে'......চলুন বিষয়টি Transparency international এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠ্নগুলোর নজরে আনি...চলুন খুঁজে বের করি ব্রাকের main donor agency গুলো কারা...তাদেরকে জানাই...এমনটি আর কতকাল মেনে নেয়া যায়?
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: আপনার ভাবনা ভালো লাগলো।

আর্ন্তজাতিক সংস্থাগুলোর নজরে আনার ব্যাপারে আপনার সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করছি।


অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৯৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: এই নির্মমতার প্রতিবাদ জানাই...
৯৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: ব্লগে আমার মুখে খই ফোটে......কিন্তু আজ শব্দের বড্ড অভাব বোধ করছি........
১০০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৮
চাঙ্কু বলেছেন: কি বলব বুজতেছিনা । মনে হচ্ছে আমরা এখন ১০০ বছর আগের দুনিয়াতে বাস করছি । তীব্র নিন্দা জানাই এই ধরনের কর্মকান্ডের ।
১০২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
অরণ্যচারী বলেছেন: বাংলাদেশের অসংখ্য সমস্যার মধ্যে একটি হল বেসরকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের (দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক) অসুস্থ আধিপত্য। সমস্যাটি একদিনে সৃষ্টি হয় নি। সামরিক এবং রাজনৈতিক সরকারগুলোর গত ৩০ বছরের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতেই এ সমস্যার উদ্ভব।

বিভিন্ন এনজিও আজ ক্ষুদ্র ঋণের নামে সুদের ব্যবসা চালাচ্ছে। তাদের সুদের চক্রে পড়ে অসংখ্য মানুষ ভিটেছাড়া হয়েছে এবং হচ্ছে। তবে আপনি যে ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেছেন তা এত কিছু জানার পরেও আমাদের স্তব্ধ করে দেয়।

যে এনজিওর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই ঘটনার হোতা তাদের যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হয় তাহলে তা হবে মানবতার পরাজয়, আমাদের সকলের পরাজয়।
১০৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১২
বিডি আইডল বলেছেন: পড়েছিলাম আগে..আমাদের অনুভূতির বোধ মনে হয়ে ভোতা হয়ে গেছে
১০৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৯
অপ্‌সরা বলেছেন: ধীবর বলেছেন: রবিন্দ্রনাথের ভাষায় বলতে হয় " কাত্যায়ন বধ করো"। সোজা বাংলায় লাঠির বাড়ি দিয়ে এনজিও দের ১৪ গুষ্ঠিকে পিটিয়ে বাংলাদেশ ছাড়া করতে হবে।

ধীবরের মত আমারও ইচ্ছে করছে ঐ কাজটি যারা করেছিলো তাদেরকেও ঐ ভাবেই পেটাতে আর বোঝাতে অর্থের মূল্যের চাইতেও জীবনের মূল্য অনেক বেশী।
১০৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
মুহিবুর রহমান বলেছেন: নৃশংসতা আর নির্মমতার এই তান্ডবের অবসান চাই!
১০৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৯
সবাক বলেছেন: তবুও ওরা আমাদেরকে আশাবাদী হতে বলে!!
১০৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩০
নাজমুল। বলেছেন: খুবই দূঃখ জনক ঘটনা। এরাকম প্ররই হচ্ছে। তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এর বিচার দাবি করছি।
১০৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৪
মুকুল বলেছেন: তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এর বিচার দাবি করছি।

তবে আমি প্রায় নিশ্চিত যে, ন্যায় বিচার হবে না। কারণ বর্তমান উপদেষ্টাদের মধ্যে রাশেদা কে চৌধুরী ফজলে হোসেন আবেদের খুবই ঘনিষ্ট। এছাড়া ড. হোসেইন জিল্লুর রহমান তো আছেনই!
১০৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
আবু সালেহ বলেছেন:

এনজিওদের এধরনের নৃশংসতামূলক কান্ড এবারই শুধু নয় আরো অনেকবার ঘটে ঘেছে.....

তারপরও ওদের কিছু হয়না কেন???

তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং বিচার দাবী করছি.....
১১০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৬
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: ব্রাক ও ড. ইউনুসের ফাঁসী চাই
১১১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৬
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি যদিও আমি পুরোটা পড়িনি। কিন্তু থিমটা বুঝতে পেরেছি। বাংলাদেশে এর কোন বিচার হবে কি?
১১২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
~টক্স~ বলেছেন: এসব নরপশুদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
১১৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৫
রুখসানা তাজীন বলেছেন:
মানবীদি', বিষয়টা ব্লগে তুলে এনেছেন, অনেকের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস অনেক ব্লগার বাস্তবিক অর্থে বিচার দাবীর জন্য কিছু করতে চাচ্ছেন। অনেকের এধরণের প্রতিবাদের সাংগঠনিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। নূন্যতমপক্ষে প্রতিবাদ জানানোর সুষ্ঠু প্রক্রিয়াটার সাথে পরিচিত। তারা এক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন, কারণ এই পোস্টে শুধুমাত্র 'সাথে আছি', 'বিচার চাই' এজাতীয় মন্তব্যে নিজের দায় সীমাবদ্ধ রাখতে হচ্ছেনা। যেহেতু আপনি কার্যকরী একটা আন্দোলনের দিকেই ইংগিত দিচ্ছেন এবং আদতেই আমাদের লক্ষ্য সেটা হওয়া উচিত, সেরকম কিছুর একটা কাঠামো যদি ব্লগারদের জন্য দেন, তবে আবগের একটা সুনির্দিষ্ট প্রবাহ সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস করি। আপনি এবং যারা সক্রিয়ভাবে এজাতীয় যূথবদ্ধ আন্দোলনের সাথে অতীতে সম্পৃক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য এ কাজটা অনেকাংশে সহজ।

জাপানে আছি। এমুহূর্তে আমি যেটা করতে পারি, পরিচিত প্রবাসীদের কাছে ইমেইল এবং ফোনে সংবাদটা পৌঁছাতে পারি, দূতাবাসের কর্তাব্যক্তিদের কাছে লিখতে পারি এবং অন্তর্জাল আমাকে যতটুকু দূর পর্যন্ত বাংলাদেশীদের কাছে নিয়ে যায় তাদের কাছে এ লেখাটির মতই প্রাথমিক আবেদন জানাতে পারি।

এ পোস্টটির উপর চোখ রাখব এবং সকলের মতামতের অপেক্ষায় থাকলাম।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: প্রথমে বিচারের দাবীতে জনমত গড়ে তোলা সবচেয়ে জরুরী। সেই জনমত গড়ে ওঠার পর আমরা সকলের মূল্যবান পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে বিভিন্ন পচেষ্টা নিতে পারি।

এই মুহুর্তে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করে বিচারের দাবীটুকু জানাতে পারি, যাঁরা বিভিন্ন গন মাধ্যমের সাথে জড়িত তাঁরা বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর সংগ্রহ সম্ভব হলেও তাঁদের কার্যালয়ের নম্বরগুলো যোগার এখনো সম্ভব হয়ে উঠনি বলে দুৎখিত। এ বিষয়ে ব্লগারদের সহযোগিতা কামনা করছি।

সাধ্যমতো পরিচিত জন, ফোরামে দাবীটি পৌঁছে দেবার সাথে সাথে প্রশাশনের বিভিন্ন মহলে ফোন করে বিচারের দাবী জানাবার অনুরোধ রইলো। প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর জানা না থাকলে এখানে যোগ করে জেনে নিতে পারবেন।


আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

১১৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০১
মদন বলেছেন: আমার মেসেঞ্জারে থাকা সবাইরে এই পোষ্টের লিংকটি পাঠিয়ে দিলাম। সবাই যার যার সাধ্যমতো চেষ্টা করুন...
১১৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: কেকদিন আগে এই ঘটনা শুনছিলাম। ব্লগে দেখে মাথা গরম হয়ে গেছে।

ক্ষুদ্র ঋনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় সকল এন.জি.ও - এর চেহারাই এই রকম। আমাদের দেশে আবার বোয়াল মাছেরা ব্যাংক থেকে শত কোটি টাকা মেরে দিলে কোন দোষ হয় না, বিচারও হয় না। বিচার হওয়ার কথাও না কারন ঐ (গালি)-রাই দেশের মা-বাপ !

শক্ত জনমত সৃষ্টি করতে হবে (গালি)-দের বিরুদ্ধে।
আর সহ্য করা যায় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।
হয় জয়, নয় মৃত্যু।
১১৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: আসেন ব্রাকের জন্য আরেকটা নোবেল আনার আন্দোলন করি!!!!!!
১১৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০২
কিস্তোয়ার বলেছেন: কাবুলিওয়ালা এসব এনজিওদের তীব্র ঘৃনা।আর আইন সেতো এদেশে মাকড়সার জ্বাল যা ক্ষুদ্র পতঙ্গকে আটকায় আর বড় পতঙ্গ সেই জ্বাল ছিড়ে বেরিয়ে যায়।
১১৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১
নকীবুল বারী বলেছেন: বিচারের বাণী নিভৃতে কি কাদতেই থাকবে..............
১১৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: বার বার শুনি এনজিওদের নিষ্ঠুরতার কাহিনী...
মনে হয় এনজিওদের হাতে বন্দী আইন...
কিন্তু কেনো ,গরীব দেশ বলেই কি?

১২০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৩
রাতেরপথিক বলেছেন: এসব আর শুনতে চাইনে দেখতে চাইনে শুধু পরিত্রানের উপায় জানতে চাই।.............কিছু করতে চাই কিন্তু একা কি কিছু করা সম্ভব......জানি সম্ভব নয় তাই সবাইকে নিয়ে প্রতিবাদ করতে চাই প্রতিবাদী হতে চাই ...........কে কে আছেন আমার সাথে......
১২১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৫
পারভেজ বলেছেন: এই ধরনের স্পর্ধা এরা কোন সাহসে দেখায়?! এই হত্যাকান্ডের উপযুক্ত বিচার হোক। এর যেন আর পূণরাবৃতি না ঘটে।
১২২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

এনজিও আর বিশ্বব্যাংক আমাদের এই দিয়েছে....
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: :-)

১২৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৬
লিপিকার বলেছেন: স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি....
কি বলব বুঝতে পারছিনা.....
মনটা প্রচন্ড রকমের খারাপ হয়ে গেল.......

১২৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩১
লিপিকার বলেছেন: নৃশংসতা আর নির্মমতার এই নারকীয় পাশবিক তান্ডবের অবসনা চাই......
১২৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭
মানবী বলেছেন: প্রশাসনের বিভিন্ন মহলের কার্যালয়ের ফোন নম্বর ও ইমেইল এ্যাড্রেসের জন্য ব্লগারদের সহযোগিতা চাইছি। সম্ভব হলে প্রথক একটি পোস্টে না হলে এই পোস্টে নীচে উল্লেখিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের যোগাযোগের নম্বরগুলো জানাবার বিনীত অনুরোধ রইলো...

১. র‌্যাব কার্যালয় ২. প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়( অথবা অভিযোগ কেন্দ্র) ৩. ডি.সি- কুমিল্লা ৪. টি.এন.ও/ থানা নির্বাহী কর্মকর্তা- চৌদ্দগ্রাম থানা ৫.পুলিশ সুপার ৬. বিভাগীয় প্রধান- ফরেনসিক বিভাগ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল- ৯১৩১৪০৩(শুধু মাত্র এই অফিসের নম্বরটি জানা আছে, অন্য ব্যক্তিদের কার্যালয়ের নম্বর এবং ইমেইল এ্যাড্রেস জরুরী)।

কেউ তথ্যগুলো জানালে কৃতজ্ঞ হবো।


যাঁরা সাংবাদিক, তাঁরা হয়তো এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো সহযোগিতা করতে পারবেন। আপনাদের প্রতিও বিনীত অনুরোধ রইলো।

সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
১২৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
দখিনা বাতাস বলেছেন: ঐ লোকটার সবচে বড় অপরাধ, সে গরীব। গরীব হয় জন্মানো পাপ। গরীব আবার মানুষ নাকি? আমেরিকাতে ১০০জন মানুষ মারা গেলে সারা বিশ্বের সব বড় বড় পত্রিকায় হেড লাইন হয়, আর আমাদের মত গরীব দেশে ঘুর্নিঝড়ে ১লাখ মারা গেলেও ঐ নিউজ ছাপানো হয়, ভেতরের পাতায়।

যত কিছুই বলেন, বেশি কিছু মনে হয়না করা যাবে ব্রাকের বিরুদ্ব। সরকার চাইলেও না। কারন, এনজিও গুলি সরকারের উপরও খবরদারী করে, এইটা জানা ঘটনা। ব্রাক কে বড় একটা শিক্ষা দিতে পারে তার মতই আরেকজন, যেমন- গ্রামীন ব্যাংক। তারা যদি এই ইস্যুটা নিয়ে আগায় তাহলে দেখা যাবে কিছু ঘটনা ঘটছে।

আমরা কিছু না পারি, প্রতিবাদটা তো করতে পারি, একটু জনমত তো গড়তে পারি? আপনাকে ধন্যবাদ প্রতিবাদের শুরু টা করে দেওয়ার জন্য।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ।

এই প্রতিবাদ থেমে থাকবেনা আশা করি। এই ঘৃণ্য অপরাধটির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবাদ পৌঁছে দেবার ব্যাপারে আপনার সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করি।

আপনি এই ইস্যুটিকে সাধ্যমতো এগিয়ে নিয়ে যাবেন, অনুরোধ রইলো।

১২৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২২
আমি সাবের বলেছেন: তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং এর বিচার অতিব জরুরী হওয়া প্রয়োজন।
১২৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
দি বিডি নিউজ বলেছেন: ব্রাক এর গুষ্টি কিলাই ..... আর কিছু বলার ছিল মনে মনে বলে দিলাম ....
১২৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩
মানবী বলেছেন: টিপু, ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

মাহমুদ রহমান, ধন্যবাদ।

নাজিরুল হক, সেবাও হয়তো করে তবে এই অপকর্মগুলো দিয়ে তা পুষিয়ে নেয়।

আসিফ আহমেদ, আব্দুর রশিদদের মতো অসহায়দের পক্ষে একটু চেষ্টা করে দেখি, নিজের মাঝেই খুঁজে পাই কিনা।

আশিক হাসান, আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সাধ্যমতো চেষ্টা করার জন্য। এভাবে আর কয়েকজনের আন্তরিক চেষ্টা হয়তো সুবিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে, আর সময়ের সাথে এই নৃশংস ধারার অবসান ঘটবে।

আহসান মোহাম্মদ ক - ধন্যবাদ।

মাহবুবা আখতার, অন্তত জনমত গড়ে তুলতে পারি আমরা। কিছু না পারার অক্ষমতা মেনে না নিয়ে আর আফসোস না করে, একটু চেষ্টা করে দেখি। ধন্যবাদ।

চিলেকোঠার সেপাই, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


কঁাকন, আপনাকেও ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


তাজুল ইসলাম মুন্না, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


বিবর্তনবাদী, সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

রক্তাক্ত যোদ্ধা, :-)


ইউনুস খান, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


অন্যমনস্ক শরৎ, ধন্যবাদ আপনাকে।


অ্যামাটার, তবু আমরা আমাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সন্মিলিত করে দেখি, যদি এদের অন্যায় শোষন বন্ধ করা যায়। সত্যিকারের প্রতিরোধ গড়ে তুললে পরিবর্তন আসবেই ইনশাহ্আল্লাহ্।

শফিকুল, ধন্যবাদ সাথা থাকার জন্য।


মো: শামসুজজামান, তবু আমাদের কথা বলতে হবে, প্রতিবাদ জানাতে হবে। তা নাহলে এই অসুস্থ ধারার অবসান কিভাবে সম্ভব!

জনৈক- ৩৬০, "রক্তচোষা গুলো আমাদের মাথা গুলোকে কিনে নিয়েছে।
তাই কন্ঠ দিয়ে শুধু ‘হাঁ হুজুর হাঁ হুজুর’ বের হয়..."
- ভালো বলেছেন। "জ্বি হুজুর" যিকির ছেড়ে আমরা যদি নিজেদের প্রতিবাদের কন্ঠটিকে সরব করতে পারি, পরিবর্তন আনা হয়তো সম্ভব। আপনাকেও ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।


পথিক মানিক, ধন্যবাদ আপনাকে।


আব্দুর রাজ্জাক শিপন, "আবদুর রশিদকে যেদিন আবেদের চেলারা ঝুলিয়ে দিলো, সেদিন ক্ষুদ্র ঋণে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত হলেন আবেদ "
- এই রূঢ় বাস্তবতাটা স্বীকার করে নিয়েই আমরা প্রতিবাদী হয়ে দেখি, এদের মুখোশ উন্মোচন করা যায় কিনা, আব্দুর রশিদের মতো হতভাগ্য মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো যায় কিনা। ধন্যবাদ।


অমিত আহমেদ, ধন্যবাদ।


ধীবর, ভালো বলেছেন। কিছুই করা সম্ভব নয় এটা জেনে তবে না মেনে চেষ্টা করে দেখতে যাই, সম্ভব হতেও তো পারে। অন্তত একজন মানুষ হিসেবে নিজের বিবেকের কাছে স্পষ্ট থাকার জন্য হলেও আমাদের প্রচেষ্টা অব্যহত রাখতে হবে।


ভাঙ্গা পেন্সিল, ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ব্লগে যেন না হারায় সে ব্যাপারে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। সুবিচার না হওয়া পর্যন্ত এই দাবীটিকে ব্লগে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করবে আশা করি।


চার-রঙা রঙীন কষ্ট, ভালো লাগলো আপনার মনোভাব। সন্মিলিত ভাবে এই দাবীটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্রিয় ও সচেষ্টা থাকার অনুরোধ রইলো।

মাহিরাহি, ভালো বলেছেন, ধন্যবাদ।


সমকালের গান, ধন্যবাদ।


সৈয়দা তাহমীনা বেগম সীমা, ধন্যবাদ।


নুরুন্নবী হাছিব, ধন্যবাদ।


নাফিস ইফতেখার, শব্দের অভাব নয় এখন প্রতিবাদী শব্দের খুব প্রয়োজন। নিজের মতো প্রতিবাদ জানাবেন আশা করি।

চাঙ্কু, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল, :-)

অরণ্যচারী, ভালো বলেছেন। আমরা সবাই সন্মিলিতভাবে চেষ্টা করলে এই ঘৃণ্য অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া সম্ভব হতেও পারে।

বিডি আইডল, ধন্যবাদ পড়ার জন্য।


অপ্ সরা, ক্ষোভ ও ঘৃণা জাগে সত্য তবে কোন প্রতিবাদ না করে এই ক্ষোভ যেন আমরা প্রশমিত হতে না দেই। সাধ্যমতো চেষ্টা করে দেখতে পারি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায়। ধন্যবাদ আপনাকে।

মুহিবর রহমান, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


সবাক, ধন্যবাদ।

নাজমুল, ধন্যবাদ।


মুকুল, সব কিছু জানার পর ও আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে, হাল ছেড়ে দিলে হবেনা। কে জানে হয়তো সুবিচার সম্ভব হতেও পারে। ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।

আবু সালেহ, ওদের কিছু হয়না কারন আমরা সাধারন মানুষ এসব অপকর্ম মেনে নেই, বিস্মৃত হয়ে পড়ি দ্রুত। তাই তারা অবাধে চালিয়ে চায় এমন অন্যায় নৃশংসতার ঘৃণ্য তান্ডব। ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


প্রবাস কন্ঠ, :-)


ওমর হাসান আল জাহিদ, পুরোটা না পড়েই... :-)

~টক্স~ , ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য। দাবীটি সাধ্যমতো সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেবার অনুরোধ রইলো।


মদন, অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার চেষ্টা অব্যহত থাকবে আশা করি।


ঝড়ো হাওয়া, "শক্ত জনমত সৃষ্টি করতে হবে (গালি)-দের বিরুদ্ধে।
আর সহ্য করা যায় না। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।
হয় জয়, নয় মৃত্যু। "

- মনোভাব নিয়ে আমরা যদি সততার সাথে চেষ্টা করে সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হতে, সাফল্য আসতে বাধ্য। এই প্রচেষ্টায় আপনার সক্রিয় ভূমিকা থাকবে আশা করি। অনেক ধন্যবাদ।


এ.এস.এম.রাহাত খান, :-)


কিস্তোয়ার, ভালো বলেছেন, ধন্যবাদ।


নকীবুল বারী, আমরা আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করলে হয়তো সুবিচার সম্ভব। ধন্যবাদ।


পথিক!!!!!!, আমার মনে হয় আমরা অর্থাৎ সাধারন জনতা এই অন্যায় মেনে নেই বলে।


পারভেজ, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।


লিপিকার, সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ আপু। সাধ্যমতো জনমত গড়ে তুলে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাবার অনুরোধ রইলো।


আমি সাবের, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য।



১৩০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৩
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ঠিক আছে, চেষ্টা করছি...ধন্যবাদ আপনাকে।
১৩১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৯
আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: নিন্দা জানাই।
ঘৃণা জানাই।
---------------------
১৩২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৬
মুনতাসির আলম বলেছেন: We should mail link of this post to everyone

+++++++++++++++
১৩৩. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১২
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
শিক্ষকতাসূত্রে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের সুপারভাইজার হিসেবে এই বিষয়টি নিয়ে অনেক অভিজ্ঞতা জমেছে ঝুলিতে। ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্যতামূলক ভাবে গ্রামে গিয়ে থাকতে হয়। জিও এবং এনজিওদের কার্যক্রম নিয়ে কাজ করতে হয়। এই কাজ করতে গিয়ে এনজিওদের যেসব নৃশংসতার কাহিনী তারা শোনে, সেগুলো কাউকেই বিশ্বাস করাতে পারে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে এনজিও কর্তাদের কাছে খোলাখুলিভাবে এইসব প্রশ্ন উত্থাপন করার জন্য ওদেরকে সাহস ও উৎসাহ দিই। ওরা প্রশ্নবানে জর্জরিত করে ফেলে, সঠিক উত্তর পায় না। কর্তারা আমার ওপর মনোক্ষুণ্ন হন, আমার উপস্থিতিতেই ওরা এমন বেমক্কা প্রশ্ন করতে পারলো কীভাবে বলে অনুযোগ জানান। কিন্তু আমি তবু পদ্ধতিটা চালুই রাখি। এসব নিয়ে বহু লেখালেখিও করেছি। ওদের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার যে প্রায় ৩০% এর ওপরে (যদিও ওরা বলে ১৬%) সেটাও আমি হিসাব কষে দেখিয়েছি। কিন্তু কোনো লাভই হয়নি। এইসব লেখালেখি আদৌ কোনো সাড়া ফেলে বলে মনেও হয় না। ব্র্যাক, প্রশিকা, গ্রামীণ ব্যাংক, আশা - এইসব বড় বড় এনজিও'র ক্ষমতা অনেকদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। আমাদের মতো সামান্য মানুষের সামান্য প্রতিবাদ তাদের গায়ে আঁচড়ও কাটে না।

যে ঘটনাটির কথা বলেছেন, সেটার হয়তো বিচার হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে হয়তো চাকরিচ্যুত করা হবে। এই তো! তাতে কি সমস্যার সমাধান হবে। মূল সিস্টেমের কোনো পরিবর্তন না আনলে একই ঘটনার পূণরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে।

আপনার লেখার মানবিক আবেদনটি গভীরভাবে স্পর্শ করে। তবু, হতাশার কথা বলতে হলো আমাকে। দুঃখিত মানবী।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: সত্য ও বাস্তবতা জেনে ও স্বীকার করেই আমাদের প্রছেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, দুঃখ প্রকাশের কিছু নেই।


"এই কাজ করতে গিয়ে এনজিওদের যেসব নৃশংসতার কাহিনী তারা শোনে, সেগুলো কাউকেই বিশ্বাস করাতে পারে না।"

-যদি কোন নীতিগত সমস্যা না থাকে তাহলে এনজিও বিশেষ করে ব্র্যাক সম্পর্ককে জানা তথ্যগুলো একটি পোস্টে তুলে ধরার বিনীত অনুরোধ রইলো। অন্তত আব্দুর রশিদকে সুবিচার পাইয়ে দেবার স্বার্থে হলেও আমাদের উচিৎ এখন সাধ্যমতোএদের মুখোশ উন্মোচিত করা।


এটা সত্য এদের ক্ষমতা অনেক দূর পর্যন্ত, যার বলে খুব সহজে এরা কিনে নেয় মিডিয়া, প্রশাসন আর রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের। তারপরও , কতো আর দূর বলুন! কোথাও না কোথাও গিয়ে তো তাদের ও জবাবদিহীতা আছে, আর এটাই আমাদের আশার আলো দেখায়(তা যতো অস্পষ্ট আর ক্ষীণ হোক)।

বানান ও ভাষার ভুলে জর্জরিত পোস্টটি কষ্ট করে পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৩৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৩
সন্ধ্যাগীত বলেছেন: বিশ্বাস করুন আর না-ই করুন; এটা সত্য যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আবহাওয়ার একটা বড় অংশ জুড়ে এনজিও।
এরা এমন ভাবে খুঁটি গেড়ে আছে যে, যারা এদেরকে বিস্তার হতে সহায়তা করেছিল তারাই এখন ধরা ওদের কাছে; আর সাধারণ মানুষ তো পরের হিসাব; তাই না?
আর এদের উঠে আসার পেছনে একটা বড় কারণ বাংলাদেশের মানুষের সাথে এদের মূল অংশে আঘাত করা

তবে ভাই এদের বিরুদ্ধেও অনেক তৎপর লোক সংগঠন আছে (নাম অজানাই থাক)কিন্তু সঠিক যোগাযোগের অভাবে এরা খুব সক্রিয় হতে পারে না। তাই দরকার সকলের সহযোগিতা।

আমরা এনজিও সংগঠনগুলোকে বিতাড়িত করতে চাই না কিন্তু আমাদের ভেতরে ওদের যে অদৃশ্য হাতগুলো নাড়াচাড়া করে তা ছেঁটে ফেলতে চাই।

আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশর দূর্নীতির একটা বড় অংশ বন্ধ হয়ে যাবে; একটা বড় জন গোষ্ঠী উদ্যোগী হয়ে উঠবে কৃষিতে;
একটা বড় জন সমাজ পৈশাচিকভাবে বৈদেশিক মেডিসিনের এক্সপেরিমেন্টাল গ্রহণ থেকে বেঁচে যাবে;
একটা বড় জন সমাজ টাকা পাচার রোধে তৎপর হয়ে উঠবে
সবচেয়ে বড় দরিদ্র জন সমাজের শিশুদেরকে আমরা একটা অদৃশ্য ভাগ্যদাতার অদৃষ্টতার শয়তানি থেকে মুক্তি দিতে পারবো।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: "আমরা এনজিও সংগঠনগুলোকে বিতাড়িত করতে চাই না কিন্তু আমাদের ভেতরে ওদের যে অদৃশ্য হাতগুলো নাড়াচাড়া করে তা ছেঁটে ফেলতে চাই।"

- সম্পূর্ণ সহমত। এনজিও গুলো সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই টিকে থাক, মানুষ হত্যা ও হতদরিদ্রের জীবন দুর্বিসহ করার প্রতিষ্ঠান নয়।


ভালো লাগলো আপনার ভাবনা ও আন্তরিক সদিচ্ছা জেনে। এই ঘৃণ্য অপরাধটির প্রতিবাদে আপনার সক্রিয় সহযোগিতা আশা করছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১৩৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪২
সন্ধ্যাগীত বলেছেন: যদি আমরা এনজিও নামের দানবের অদৃশ্য হাত গুলোর নাড়াচাড়া বন্ধ করে দিতে পারি
১৩৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: কি ভয়ঙ্কর !!!!!!! কি জঘন্য !!!!!!!!!!
কিছু একটা করতেই হবে ...............আর কত দিন ?!! ক্ষুদ্রঋণের বিনিময়ে যেন তারা গরীব মানুষদের কিনে নিয়েছে !!!!!
১৩৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৫০
শিট সুজি বলেছেন: হতবাক হয়ে গেলাম । ঘটনাটা এই প্রথম পড়লাম ।

ডঃ ইউনুস এবং গ্রামীন ব্যাংক সম্পর্কে অনেক সমালোচনা শুনেছি। তার উদ্যোগের বাস্তবায়ন বিষয়ক কিছু ত্রুটি থাকলেও ক্ষুদ্রঋনের আইডিয়াটা অনেক ভাল ছিল । অত্যাচারের ঘটনা থাক এর থেকে লাভবান হয়েছে অনেক অনেক মানুষ । ডঃ ইউনুস এর সম্পর্কে আমার তাই যথেষ্ট উচু ধারনা ছিল। ফযলে আবেদ এবং তার ব্র্যাক সম্পর্কে তেমন কিছু জানতাম না ।একটা ভাল পুরষ্কার পেয়েছেন তিনি ।

এই হত্যাকন্ডের দায় ফজলে আবেড সাহেব কোনো ভাবেই এড়াতে পারেন না । রুই কাতলার বিচার নিশ্চিত করা অধিক জরুরী । সেই ব্র্যাক কর্মকর্তা যেমন অন্য ঋনগ্রহীতাদের শিক্ষা দিতে চেয়েছেন তেমন ফজলে আবেডের মাধ্যমে বাকী জালীম দের শিক্ষা দিতে হবে ।

আর সেই পুলিশ কর্মকর্তার উপর মেজাজ এতো গরম যে গালি ও দিতে পারতেছি না।
১৩৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯
মানবী বলেছেন: দি বিডি নিউজ, সংশ্লিষ্ট মহলে সাধ্যমতো প্রতিবাদটি পৌঁছে দিয়ে কিছু একটা তো করা যাবে ইনশাহ্আল্লাহ্।


এরশাদ বাদশা, ধন্যবাদ।


আহমেদ হেলাল ছোটন, ধন্যবাদ।


মুনতাসির আলম, ভালো আইডিয়া, এভাবে জনমত গড়ে তোলা যাবে আশা করি। ধন্যবাদ।


সোহায়লা রিদওয়ান, ভালো বলেছেন। চলুন আমরা সকলে মিলে এই নির্মমতার বিরুদ্ধে একটা কার্যকর কিছু করি। ধন্যবাদ আপনাকে।



শিট সুজি, এই ক্ষোভ আর ঘৃণা মিলিয়ে যাবার আগেই আমরা একটু চেষ্টা করে দেখি। প্রশাসনের কড়া নেড়ে জানিয়ে দিয়ে আসি আমাদের ঘৃণা আর প্রতিবাদ। তাহলে হয়তো ফজলে আবেদের মতো অন্য সব পুরুস্কৃত (!)সমাজ সেবকদের জবাবদিহিতার কাঠগড়ার দাঁড়া করানো সম্ভব হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।
১৪০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৩
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: কি ভয়ংকার !! উন্নত দেশগুলোতে মিলিয়ন মিলিয়ন টাকা ঋণ খেলাপি হয়ে ঘুরে বেড়ায়, আমরা গরীব বলে এই দশা। মাত্র পঁচিশ হাজার টাকার জন্য জীবন দিয়ে হয়।
এসবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে...............।
ঋণ দেওয়ার নামে গরীবের রক্ত চুঁসে খাচ্ছে...............।
১৪১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৫৮
জামালiiuc বলেছেন: ওদের হাতেই আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে।

আমাদের প্রাথমিক শিক্ষাটা ও এভাবে লাশ হয়ে কখন ঝুলবে তা দেখার জন্য হয়তো আর বেশি দিন অপেক্ষায় থাকতে হবে না।
১৪২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৩২
আলাউদ্দীন বলেছেন: আমি মাত্র লাইনে আসলাম।পড়ে খুবই মর্মাহত হলাম।তবে এইসব এনজিওদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।ওরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাদের রক্ত চুষে খাচ্ছে।
১৪৩. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
অণৃণ্য বলেছেন: আগে খেয়াল করিনি আপনার ২য় মন্তব্যটা।আজ হঠাৎ করে খেয়াল হলো, আপনি বলতে চাচ্ছেন আপনি আমার Click This Link

এই পোস্টের ( পোস্টতো নয় অর্ধেক লাইন) লেখা দেখে এই ঘটনা অনুসন্ধান করেছেন!!!!???? আমি স্থানীয় থানা পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে শুনেছি বিদেশ থেকে একজন এই ঘটনার কথা জিঙ্গেস করেছেন কয়েক দফায়। আপনি সে!?

ঘটনাটা ২৩ সেপ্টেম্বরের। ইনকিলাবে আসে ২৫ তারিখ। আজ আমার নিজের ব্লগে গিয়ে আক্কেল গুড়ুম। আমার কি যে ভাল লাগছে ! এতো অবাক বহুদিন হইনি ! দিন দুনিয়া সম্পর্কে ধারণা বদলাইয়া যেতে চাচ্ছে আবার।
অনৃণ্য মানে ঋণগ্রস্ত নয় এমন কেউ। আপনি ঋণগ্রস্ত আব্দুর রশিদকে মৃত্যুর পরে হলেও স্বাধীন করার উদ্যোগ নিয়েছেন দেখে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শ্রদ্ধা।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনি বরাবর গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সবচেয়ে প্রথম ব্লগে জানিয়ে থাকেন, সেজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।


পোস্টটি অর্ধেক লাইন বা এক লাইনের হলেও তা ছিলো অত্যন্ত জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ। অণৃণ্য ব্লগে লিংকটি দেখে পড়ার পর সেদিন থেকে সাধ্যমতো চেষ্টা করতে থাকি, খোঁজখবর জানতে চেষ্টা করি। প্রচন্ড হতাশা আর নৈরাশ্য গ্রাস করে এক সময়, আব্দুর রশিদদের মতো মানুষের জীবন যেন পোকামাকড়ের জীবনের চেয়েও সামন্য আর অর্থহীন! নিজের পরিবার পরিজন পর্যন্ত অসহায়ত্বের কাছে হার মেনে মুখ ফিরিয়ে নেয় এই মানুষগুলোর কাছে থেকে।

আমাকে শ্রদ্ধা বা ধন্যবাদ জানাবার মতো কিছু করতে পারিনি। সংবাদটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করাবার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

এই পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য সামহোয়্যারইন কতৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ :-)


আশা করি, এই নির্মমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে সাধ্যমতো তুলে ধরার চেষ্টা করবেন।

ভালো থাকুন।

১৪৪. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: বিচারের বানী নিরবে কাঁদে!!!
১৪৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯
মানবী বলেছেন: চিটি (হামিদা আখতার), ধন্যবাদ আপনাকে।



জামালiiuc, ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।


আলাউদ্দীন, আমাদের সকলের আন্তরিক ও সন্মিলিত প্রচেষ্টা এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করতে পারে, ধন্যবাদ আপনাকে।


সিটিজি৪বিডি, আপনার আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও প্রতিবাদ এই কান্না বন্ধ করতে পারে আশা করি। ধন্যবাদ।
১৪৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
চন্দন বলেছেন: ধিক এইসব নরপশুদের..

এদের বিরোদ্ধে দ্রুত সরকারী হস্তক্ষেপ কামনা করছি.

ধন্যবাদ পোস্টদাতাকে
১৪৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
জেরী বলেছেন: এইসব নিমর্মতার অবসান ঘটা উচিত।

তারচেয়ে বেশী উচিত আমাদের সবার মধ্যে সচেতনাবোধ জাগ্রত হওয়া।
১৫০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২০
পারভীন রহমান বলেছেন: আদৌ কি বিচার হবে এইসব নরপশুদের?
১৫১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১
প্রাকৃত বলেছেন: aro koek bar NOBLE puroshkar deoa houk eishob birder,jara goriber rokto khub valo chushe khete pare!!

edike takie lav nei karo,erokom koro ABDUR RASHID morchhe karone-okarone.evabe ora morbei.evabe morar jonnei era prithibite ashe........
১৫২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
এহসান হাবীব বলেছেন: আমি পড়ার আগে লিখাটি ২০০৪বার পড়া হয়েছে। আরো হয়তো ৫০০০ বার পড়া হবে। আমার মত অনেকরই চোখ ভিজে উঠবে, কারো চোখ ক্রোধে জ্বলে উঠবে। কিন্তু সবই তো সাময়িক। এক আত্মভোলা জাতি এই আমাদের ক্রোধ, রাগ, শোক কী কখনো দূরস্থায়ী হয়ে কোন সুফল এনে দিতে পেরেছে? আজ মাঝে মাঝে মনে হয় যদি স্বাধীনতা যুদ্ধ ৯মাসে শেষ না হয়ে ৯ বছর লাগত তবে এই জাতী আদৌ ৯ বছর ধরে যুদ্ধ করতো কী না সন্দেহ হয়। যা-ই হউক আপনাকে ধন্যবাদ ক্রোধের সলতেটা উস্কে দেওয়ার জন্যে।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন:
ভালো বলেছেন,ধন্যবাদ আপনাকে।


"এক আত্মভোলা জাতি এই আমাদের ক্রোধ, রাগ, শোক কী কখনো দূরস্থায়ী হয়ে কোন সুফল এনে দিতে পেরেছে?"

- আমরা চেষ্টা করে দেখি আত্মভোলা এই স্বভাব থেকে উক্তি মিলে কিনা! আমাদের ক্রোধের এই সলতেটি নিভে যাবার আগেই যদি প্রশাসনকে বার বার জানিয়ে দেই নিজেদের ক্ষোভ, ঘৃণা আর এই ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কথা, প্রতিরোধের ইচ্ছে... তাহলে হয়তো কোন সুফল হতেও পারে। হাল ছেড়ে না দিয়ে চেষ্টা করে দেখি সবাই মিলে।

১৫৩. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
মামুনহ্যাপী বলেছেন: এখন প্রযান্ত এই পোষ্টে একমাএ মাইনাচ দাতার পরিচয় জানতে চাই। এ পোষ্ট ও মাইনাচ অজব
১৫৪. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
ফয়সল নোই বলেছেন:
যিনি মাইনাস দিয়েছেন তিনি এই হত্যাকাণ্ড বিষয়ে কি মনে করেন জানার কৌতুহল হচ্ছে।তিনি মাইনাসটা গোপনে না দিলে তিনি হয়তো খুনটা হালাল করার কোন যুক্তি দিতে পারতেন !
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস কোন বড় বিষয় নয়।
তবে এই পোস্টে চারদিন পর মাইনাস দেখে অবাক হলাম, অনেক আগেই আশা করেছিলাম। :-)

১৫৫. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
মোহাম্মদ বলেছেন: সাথে আছি।
ধন্যবাদ।
১৫৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: পশ্চিমা পুঁজিবাদে দিক্ষিত আমাদের বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিদদের এই সকল ঋন প্রদানি সংস্থা পরিচালনার সাথে কোন না কোনভাবে জড়িত। তাদেরকেই প্রশ্ন করতে পারেন, গরিবদের কাছ থেকে এই উচু সুদে (১৮% থেকে ২২%) ঋন প্রদান কতটুকু নৈতিক ও যৌক্তিক। ঋন ফেরতে ব্যর্থ হলে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে। যা হয়েছে, তা তো মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়, যারা এটা করেছেন তাদের বিচার হওয়া উচিত।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: " পশ্চিমা পুঁজিবাদে দিক্ষিত আমাদের বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিদদের এই সকল ঋন প্রদানি সংস্থা পরিচালনার সাথে কোন না কোনভাবে জড়িত। তাদেরকেই প্রশ্ন করতে পারেন, গরিবদের কাছ থেকে এই উচু সুদে (১৮% থেকে ২২%) ঋন প্রদান কতটুকু নৈতিক ও যৌক্তিক।"

- চলুন আমরা তাঁদের প্রশ্ন করি। আমাদের এভাবে হত্যা করে যাবে আর আমরা মুখ বুজে সয়ে যাবো, কোন দিন প্রশ্ন করবোনা, জানতে চাইবো না... তাহলে সুবিচার হবে কিভাবে!

সম্ভব হলে এই অর্থনীতিবিদদের যোগাযোগের ঠিকানা, ইমেইল এ্যাড্রেস, ফোন নম্বর জোগাড় করে আমাদের সাথে শেয়ার করুন.. আমরা সকলে মিলে তাদের প্রশ্ন করি।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২০
দেবার্নব রায় বলেছেন: আমারতো মনে হয় ব্র্যাক নোবেল পুরস্কিরের খুব কাছে চলে এসেছে। আচ্ছা উন্নত দেশ আর দরিদ্র দেশে জীবনের মুল্যে এত পার্থক্য কেন? ব্যবধানটা হৃদয় দুমড়ে দেবার মত বেশি......।
১৫৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
মেঘলা মানুষ বলেছেন: এদের এমন আচরণ আমাদের বাকরূদ্ধ করে দেয়। ধিক্কার জানাই আমার ক্ষুদ্র কন্ঠে।
১৫৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫০
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: মাইনাস নিয়ে এতো মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। হয়তো কারো ভুলে চাপ পড়ে গেছে।।।
১৬০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৫
রাস্তার ছেলে বলেছেন: এসব নতুন ঘটনা নয়।
এরা শুরুতেও এরকমই ছিল,
এখনও সেরকমই আছে,
এবং সামনেও থাকবে...................
কারণ এরা সেই প্রশাসনেরই কলকাঠি নাড়ায় যেখানে আপনারা আশ্রয় খুঁজতে চান।

নইলে মাইক্রো ক্রেডিট কি করে শান্তির মেডেল নিয়ে আসে? আর সেই শান্তির মেডেল কি করে রাজনীতিতে খরচ হয়ে যায়?

কিছুদিন পরেই হ্য়তো দেখবেন, কোন পত্রিকার পাতাতেই আর আসবে না এই হতভাগ্যের কথা। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের দাঁতাল হাসি কিন্তু বন্ধ হবে না কোন দিনই।

এরকম আরো অনেক না বলা কথাই আমার জানা আছে যেগুলো কোনটা এর কাছে কিছুই না আবার কোনটার কাছে এটাও কিছুই না। কিন্তু তার পরও একটা ঘটনা আপনি জানালেন বলেই।+++++++

অনেক কমেন্টের ভীড়ে বুঝতে পারলাম না মাইনাসটা নীরব না সরব।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: "কিছুদিন পরেই হ্য়তো দেখবেন, কোন পত্রিকার পাতাতেই আর আসবে না এই হতভাগ্যের কথা। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারদের দাঁতাল হাসি কিন্তু বন্ধ হবে না কোন দিনই।"

- আমরা যদি এসব নীরবে সয়ে যাই তাহলে এই ধারা অব্যাহত থাকবে। আপনি, আমি, আমরা সবাই চেষ্টা করে পত্রিকায় পাতায় এই হতভাগ্যের কথা, তাঁকে হত্যার সুবিচারের দাবীটিকে জিইয়ে রাখতে পারি।

এধরনের না বলা কথাগুলো শেয়ার করুন, আপনার কথা জেনে 'একজন, দুজন' সচেতন হলেওতো কিছুটা সচেতনতা সৃষ্টি হলো। এই একজন দুজন থেকে একদিন হয়তো 'অধিকাংশ' হবে.. সেদিন এই নষ্ট ধারা বন্ধ হতে বাধ্য।

আপনাকেও ধন্যবাদ।

মাইনাস নীরব ছিলো :-)

১৬১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫০
সাঈদ সৌদিআরব বলেছেন: ধিক্কার ও নিন্দা জানাই ব্রাকসহ সকল এনজিও এর সকল অপকর্মের। এবং দেশের সকল নাগরিককে সচেতন থাকা দরকার।
১৬২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
অণৃণ্য বলেছেন: Click This Link

মানবী একটা লেখা আপনার লেখার সূত্র ধরে।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা অণৃণ্য। লিংকটি মূল পোস্টে সংযোজন করে দিচ্ছি।

১৬৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: এত সুন্দর গোছানো লেখা খুব কম পড়েছি। আপনাকে ধন্যবাদ।
১৬৪. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
মানবী বলেছেন: শান্তির দেবদূত, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।


চন্দন, আমরা সবাই যদি চেষ্টা করে হয়তো সরকারকে এবিষয়ে হস্তক্ষেপে বাধ্য করতে সক্ষম হবো। সাধ্যমতো নিজে অবস্থান থেকে চেষ্টা করার অনুরোধ রইলো। আপনাকেও ধন্যয়াদ।


জেরী, চলুন আমরা সাধ্যমতো এই দাবী পরিচিত অপরিচিত জনদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করি। ধন্যবাদ।


বেরসিক, ?


পারভীন রহমান, চলুন আমরা চেষ্টা করে দেখী, যদি বিচার সম্ভব হয়! ধন্যবাদ পড়ার জন্য।


প্রাকৃত, আব্দুর রশিদরা এভাবে মারা যান এটা সত্য। তবে আমরা এই অনাচার মেনে নেই বলেই কিন্ত আব্দুররশিদদের ভবিষ্যত মৃত্যু(হত্যা) নিশ্চিত হয়ে যায়। আপনি, আমি, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করে দেখি এই নৃশংস ধারা যদি রোধ করা সম্ভব হয়!



মামুনহ্যাপী, পরিচয় জেনে কি হবে বলুন! ভালোলাগেনি তাই মাইনাস দিয়েছে।


মোহাম্মদ, ধন্যবাদ।


দেবার্নব রায়, এই পার্থক্য আমরা নেই বলেই হয়তো এমনটীই হয়ে এসেছে। আমরা প্রতিরোধ না করলে এধারার অবসান অসম্ভব।


মেঘলা মানুষ , আমাদের প্রত্যেকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কন্ঠ একত্রিত হয়ে বজ্রকন্ঠ হবে, সেই সন্মিলিত কন্ঠে প্রতিবাদ পৌঁছে দেই সংশ্লিষ্ট মহলে। চলুন সাবি সাধ্যমতো প্রশাসনের কড়া নেড়ে জানিয়ে যাই আমাদের ঘৃণা, প্রতিবাদ।


তাজুল ইসলাম মুন্না, :-)


সাঈদ সৌদিআরব, চলুন আমরা সাধ্যমতো সচেতনতা ছড়িয়ে দেই সকলের মাঝে।


১৬৫. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৬
রাস্তার ছেলে বলেছেন: পত্রিকাগুলো কোন কাজ ব্যাবসা সফল (!) না হলে করেনা। এ ব্যাপারে আমার নিজের কিছু অভিজ্ঞতা আছে। (তাই বলে এই কাজটাকে ছোটোও করছি না।)

একটা ভারতীয় হিন্দী মুভি আছে। নাম Page 3 । না দেখে থাকলে দেখবেন। বাস্তবতার একেবারেই কাছের। দেখলে, আমি আসলে কি বলতে চাইছি তার অনেকটাই পরিষ্কার হবে আপনার কাছে। বাঁকি যেটা বলতে চাই তার মূল কথা হল, এ মুহূর্তে প্রয়োজন প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরোধিতা করে, এমন কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। কারণ ঐ প্রতিষ্ঠানগুলো চলেগেছে নষ্টদের অধিকারে। সিস্টেমের ভেতরে বসবাস করে সিস্টেমকে পাল্টানো যায় না।

আমার শেষ কথাটার সাথে ঐ মুভিটার শেষ কথার পার্থক্য, দেখলেই খুঁজে পাবেন। আর আমার ব্লগেও আমন্ত্রণ রইলো।
১৬৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
ভাইটামিন বদি বলেছেন: শুধু ঘৃনা জানানোর জন্যই আসলাম.....ঘৃনা...ঘৃনা......একরাশ ঘৃনা।
১৬৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:০৭
মানবী বলেছেন: উম্মু আবদুল্লাহ , প্রচন্ডঅসহায়ত্ব, হতাশা আর গ্লানি নিয়ে লেখা এই এলোমেলো পোস্টটি আপনার কাছে "গোছানো" মনে হয়েছে জেনে ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।


রাস্তার ছেলে, "এ মুহূর্তে প্রয়োজন প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরোধিতা করে, এমন কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।"

- ঠিক তাদের বিরোধিতা নয় বরং তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে দ্বিধা করেনা এমন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমর্থন জানাই।
আপনার উল্লেখিত ছবিটি দেখেছি। ছবিরা বাইরেও সৎ সাংবাদিকদের সীমাবদ্ধা বা কিছু ক্ষেত্রে অসহায়ত্বের কথা জানি, পোস্টের মন্তব্যেও তা উল্লেখ করেছি। ধন্যবাদ আপনাকে।


কন্টক, ধন্যবাদ।


ভাইটামিন বদি, এই ঘৃণা কে প্রতিবাদের ভাষায় পরিনত করার অনুরোধ জানাই, যেন এইঘৃণ্য অপরাধের অপরাধীরা সাজা পায়।
১৬৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
_ মিঠু বলেছেন: সম্পূর্ন সহমত।

একটা ক্যালেন্ডারে দেখেছিলাম ।
অনুভূতিগুলো দিন দিন কেমন জানি ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে তবে সম্মিলিত যে কোন উদ্যোগের সাথে আছি।
কারণ এহেন অমানবিকতা আর চরম অন্যায়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। বিশ্বাস করি, একসংগে সোচ্চার হলে বিহিত একটা হবেই; অতীতেও তা প্রমাণ হয়েছে।
১৭০. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫২
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: এই ব্লগে হয়তো অনেকেই আছেন যাঁরা ব্র্যাকে কর্মরত, তাঁরা এই অন্যায়ের প্রতিকারে অনেক বড় ভূমিকা রাখতে পারেন! নিজেদের মধ্য থেকে প্রতিষ্ঠানের কাছে স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা আশা করতে পারেন। এই নৃশংস হত্যাকান্ডটি যদি ব্র্যাকের প্রধান কার্যালয়ের কর্তাব্যক্তিদের নির্দেশে না ঘটে থাকে, তাহলে সত্যিকারের অপরাধীদের ধরিয়ে দেবার দাবী জানাতে পারেন।

..............................................................................................
এ রকম একটি নৃশংস ঘনটনার নিন্দা জানাবার ব্যাকরণ এবং অভিধান কোনটিই সম্ভবত নেই...........একমাত্র সম্মিলিত আন্দোন ছাড়া।
লেখনেক সংশয়ের সাথে একমত হয়ে আমি এখনও বিশ্বাস করতে চাই যে, হত্যা কান্ডের মতো ঘটনা সংস্থাটির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে হয়নি। যদি তাই হয়, ব্রাকের পক্ষ থেকে এর সুস্পষ্ট ব্যাখা আসা প্রয়োজন। রাখঢাক নয়, প্রকাশ্যেই। এর সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের আইনের মুখোমুখি করার উদ্যোগও সংস্থাটির গ্রহণ করা দরকার। ব্রাকের খুব বড় গলায় বলে যে তারা দেশে প্রথম সংস্থা যারা ন্যায়পাল নিয়োগ দিয়েছেন। ন্যায়পাল নিয়োগ দেয়া আর না দেয়ার কোন অর্থনেই। যদি না এ ধরনেরে ঘটনার ক্ষেত্রে স্ব উদ্যোগী হয়ে এগিয়ে আসে। সুতরাং ফজলে হাসান আবেদ সহ ব্রাককে সে প্রমাণ দিতে হবে। অপরাধীদের আইনের মুখোমুকখ দাঁড় করিয়ে। আর না পারলে মানুষ এমনটি ভাবতে এবং বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে যে, এর সাথে সংস্তাটির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
মুকুল ভাই একটি শংকা প্রকাশ করেছেন। বর্তমান সরকারে এনজিও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বর্গ রযেছেন। সুতরাং এটি সরকারেরও দায় দায়িত্ব হবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্তা নিয়ে এ শংকাকে ভুল প্রমাণ করার।
..........................................................................................
মাইক্রোক্রেডিট তার মূল জায়গায় থেকে সরে ইতোমধ্যে নতুন মহাজনী ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে। তার সাতে যদি ক্রমাগত দরিদ্র ক্লায়েন্ট খুন করার উদাহরণ পুনপৌনিকভাবে ঘটতে থাকে......তাহলে একদিন এ ব্যবস্থাটির বিরুদ্ধেও মানুষ দাঁড়াবে। সম্মিলিতভাবে। সময়টা বোধ হয় এখন খুব নিকটবর্তী হয়ে উঠেছে।
১৭১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০০
মনুমনু বলেছেন: প্রতিবাদ হিসাবে ওদের ব্যাংক এর সব একাউন্ট হোল্ডার গন তাদের একাউন্ট অফ করার অনুরোধ জানাই।
আর কেউ যেন একাউন্ট না করে তার প্রচারনা চাই

আমার একাউন্ট আর নাই ঐ ব্রাক ব্যাংক এ।

আমাদের পয়সা দিয়া খাইব আর আমাগো লোক মারব .........চলবে না।
১৭২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
মানবী বলেছেন: মানবী বলেছেন: _ মিঠু, সমর্থনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।



" যদি ক্রমাগত দরিদ্র ক্লায়েন্ট খুন করার উদাহরণ পুনপৌনিকভাবে ঘটতে থাকে......তাহলে একদিন এ ব্যবস্থাটির বিরুদ্ধেও মানুষ দাঁড়াবে। সম্মিলিতভাবে। সময়টা বোধ হয় এখন খুব নিকটবর্তী হয়ে উঠেছে। "
-মুনীর উদ্দীন শামীম, ভালোম বলেছেন। হয়তো শুধু নিকটবর্তী নয় এখনই সেসময় তবে আমাদের ভোঁতা হবে আসা অনুভূতি আর বোধশূণ্যতার জন্য আমরা তা অনুধাবন করতে পারছিনা। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।




"প্রতিবাদ হিসাবে ওদের ব্যাংক এর সব একাউন্ট হোল্ডার গন তাদের একাউন্ট অফ করার অনুরোধ জানাই।
আর কেউ যেন একাউন্ট না করে তার প্রচারনা চাই

আমার একাউন্ট আর নাই ঐ ব্রাক ব্যাংক এ।"

--মনুমনু, ঘৃণ্য এই অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে রুখে দাঁড়াবার জন্য আপনাকে শ্রদ্ধা। আমরা সকলেই যদি এভাবে বর্জন করতে পারি, BRAC বাধ্য হবে তাদের অনাচার বন্ধ করে নিজেদের অবস্থান সুস্পষ্ট করতে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
১৭৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
ভাঙ্গন বলেছেন: এরা নব্য নীলকর। আসুন এদের প্রত্যাখান করি।
১৭৪. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন: ঋণ ব্যবসার নির্মম শিকার দরিদ্র পরিবারটির প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। সভ্যতার তকমাধারী এসব অসভ্য বর্বরদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি না হলে মানবতা বলে কিছু থাকবে না।

অসাধারন একটি লেখার জন্য মানবী'কে অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৭৫. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
সাইফ হাসনাত বলেছেন: বিবেক, আমাকে তুমি ক্ষমা কর....!

আল্লাহ, আর কখনো এমন সংবাদ পড়ার দুর্ভাগ্য আমাকে দিয়ো না।
১৭৬. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
সিক্স স্ট্রিং বলেছেন: এসব শক্ত হাতে প্রতিহত করতে হবে । :(
১৭৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
নামহীনা বলেছেন: এই ঘটনা সম্পর্কে ফজলে হোসেন আবেদ, প্রফেসর মো: ইউনুস, কাজি ফারুক আর শফিকুল হক চৌধুরী- এনাদের অভিমত জানতে চাই।

কিন্তু কে পৌছে দেবে উনাদের কাছে এই আরজি.... কে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে?
১৭৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
আসাদুজজামান বলেছেন: খুব কষ্ট পেলাম। এর অবসান যে কবে হবে তা কেবল ওপর ওয়ালাই জানেন।
ধন্যবাদ এমন একটি লেখা উপহার দেয়ার জন্য।
১৭৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২২
অণৃণ্য বলেছেন:
আপনার স্পষ্ট চেতনা বোধের সাহসী উচ্চারণে উজ্জল এই লেখাটিতে আমার লেখাটির লিংক সংযোজন করায় আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: পোস্টটি এই নৃশংস হত্যা কান্ডের পর আব্দুর রশিদের পরিবার ও গ্রামের বর্তমান চিত্র তুলে ধরেছে, যা এই পোস্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার ব্লগের পোস্ট থেকেই প্রথমে ঘটনা সম্পর্কে অবগত হই।

আপনিও অনেক ভালো থাকুন।

১৮০. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৮
রহমান আতা বলেছেন: তীব্র ঘৃণা কিংবা শ্লেষ কতখানি ধারালো হতে পারে আপনার লেখা তারই প্রমাণ।
আমারাও চাই এর বিচার।
১৮৩. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন: এ ধরণের ঋণদাতারা হচ্ছে আধুনিক জোঁক। রক্ত চুষে চুষে প্রাপ্য পদকের চাকচক্য বাড়ায়।
১৮৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৩
সাইফ সামির বলেছেন:

প্রিয় মানবী, এই পোস্টটা প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে পাঠালাম, বললাম ন্যায় বিচার করেন- এখন দেখি ওনারা কি করেন!

ধন্যবাদ।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: খুব ভালো লাজ করেছেন। এমন আরো কিছু মেইল গেলে হয়তো তাঁরা বিষয়টির প্রতি নজর দিবেন।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সাইফ সামির।

১৮৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৬
মানবী বলেছেন: ভাঙ্গন, সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।

কুঙথাঙ্গ, আমরা সবাই সাধমতো প্রতিবাদ জানালে, প্রতিরোধ গড়ে তুললে অপরাধীদের শাস্তি দেয়া সম্ভব। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।


সাইফ হাসনাত, আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করে দেখি, এধরনের সংবাদের জন্ম বন্ধ সম্ভব হয় কিনা। ধন্যবাদ।


সিক্স স্ট্রিং , সবাই মিলে রুখে দাঁড়ালে প্রতিহত করা সম্ভব, ধন্যবাদ।


নামহীনা, ইমেইল এ্যাড্রেস জোগাড় সম্ভব হলে আমরা সকলে মিলেই পৌঁছে দিতে পারি। আর কেউ না চাইলে আমরা সাধারন মানুষ জবাবদিহীতা চাইতে পারি। ধন্যবাদ আপনাকে।



আসাদুজজামান, উপরওয়ালা আমাদের চেষ্টা করতে বলেছেন। নিজেরা যদি আশা ছেড়ে কোন চেষ্টা না করি, তাহলে কিভাবে সম্ভব!! ধন্যবাদ।


রহমান আতা, ধন্যবাদ সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।


শ খি আ ঈয়ন, ?


কুচ্ছিত হাঁসের ছানা , তেমনটিই তো মনে হয়!

জুলিয়ান সিদ্দিকী , এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করুন, ধন্যবাদ।

১৮৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪
দ্বীপবালক বলেছেন: "আর কেনই বা নয়। যে আন্চলের মাটি উর্বর সেখানে ফসল ভালো ফলবেই, ঠিক তেমনি যে অন্চলের মানুষের বিবেক বোধ, সচেতনতা শূণ্যের কোঠায় সেখানে সন্ত্রাসীরা ত্রাসে রাজত্ব গড়বে এমনটিই তো স্বাভাবিক।"
-------------------------------
ভাল বলেছেন। আমাদের বিবেকবোধ আসলে অনেক আগেই লোপ পেয়েছে। কল্যানের দিকে আহবানের পরিবর্তে বিভেদ, হিংসা আর সংকীর্ণ স্বার্থপরতাতে আকন্ঠ নিমজ্জিত আমাদের সমাজের অনেক মানুষ। আমাদের এই ব্লগেও আমরা অনেক মানুষকে তাদের হিংস্র কদর্য রূপটাকে নিঃসংকোচে ফুটিয়ে তুলতে দেখি।
এদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে সচেতন ভাবে, বিকাশ ঘটাতে হবে মানবিকতার।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১৮৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৭
অচেনা সৈকত বলেছেন: ব্র্যাক আর গ্রামীণ ব্যাংকের মত প্রতিষ্ঠানকে মদদ কি ঢাকা-কেন্দ্রিক সুশীল সমাজই যোগাচ্ছে না?এরাই না ড: ইউনুস নোবেল পেলে খুশীতে গদগদ হয়ে যায়, আবেদ খানদের দিয়ে সমাজ বিপ্লবের স্বপ্ন দেখে?এখানকার বেশীরভাগ ব্লগারও ঢাকার বাইরের বাংলাদেশকে চেনে না।তাহলে? ঢাকায় বসে থেকে গণমানুষের দূর্দশা কখনই দূর করা যাবে না।বাংলাদেশের অকেজো সরকারব্যবস্হা কখনই অর্থনৈতিক মুক্তি এনে দিতে পারবে না।
১৮৮. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১০
রাগ ইমন বলেছেন: যে প্রশ্নটি কেউ তোলে না, ৩৭ বছর ধরে কাজ করার পরেও ব্র্যাকের সমিতি সদস্যরা কেন গরীব?

ঋণ নিয়ে যদি জীবনের মানের উন্নতিই হবে , তাহলে এই এত বছরে ব্র্যাক কিংবা গ্রামীনের ঋণ গ্রহিতাদের সামগ্রিক জীবনের মান বাড়ে না কেন?

সবটাই শুভংকরের ফাকি । নোবেল বিজয়ী ইউনূসের একটাই সফলতা । বিশ্বের ব্যাংকিং সিস্টেমের তেলা মাথায় তেল দেওয়ার স্যাচুরেটেড মার্কেটের বাইরে , গরীব ও অর্ধ গরীব মানুষের রক্ত শোষনের তথাকথিত ব্যাংকিং সিস্টেমটাকে কি করে সফল করা যায়, তাই দেখানো ।

দাদন আর মহাজনী সুদের " ফাঁস" ব্যবস্থার এলিট নাম হইলো মাইক্রো ক্রেডিট ।

বাংলাদেশের অনিয়ন্ত্রিত এন জি ও সেক্টর স্বেচ্ছাচারিতার চুড়ান্ত নমুনা হয়ে আছে । কেউ জানে না , কে কি কেন করছে ।

উন্নয়নের নামে তলে তলে ব্যবসা , গুপ্তচর বৃত্তি , শোষন , জমি দখল --- কি না চলছে!

আর হত্যা ?

সে তো চলছেই । আব্দুর রশিদ তড়িৎ খুন না হলেও ধীর গতিতে ঠিকই হতেন --- ঘাতকের নাম মাইক্রো ক্রেডিট ।
১৮৯. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
বিবিধ বলেছেন: বর্তমান বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট খেলার স্পন্সর তো ব্রাক ব্যাংকই করছে তাই না? আমরা সে খেলা দেখে হাত তালি দিচ্ছি আর বিরতির ফাঁকে ব্লগে বসে ব্রাকের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করছি। হায় সেলুকাস! কি বিচিত্র এই দেশ!
১৯০. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
তপন বাগচী বলেছেন: 'ঘাতকের নাম মাইক্রো ক্রেডিট'। অথচ এই ঘাতকও নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে। বলিহারি!!!
১৯১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
তপন বাগচী বলেছেন: 'ঘাতকের নাম মাইক্রো ক্রেডিট'। অথচ এই ঘাতকই পেল নোবেল শান্তি পুরস্কার। বলিহারি!!!
১৯২. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
মানবী বলেছেন: দ্বীপবালক, এমন ঘৃণ্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলায় আমাদের প্রত্যেকের স্বক্রিয় ভূমিকা জরুরী। ধন্যবাদ আপনাকে।



অচেনা সৈকত, আমরা সাধারন মানুষ, সুশীল সমাজ নই।
ঢাকায় অবস্থানকারী অথবা ঢাকার বাইরে, এই সাধারান মানুষ জোটবদ্ধ হলে অর্থনৈতিক মুক্তি না হোক এধরনের অন্যায় ও নৃশংস অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব।



রাগ ইমন, ভালো প্রশ্ন করেছেন, কোন গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্ন করা হলে তারা হয়তো নাম ঠিকানা দিয়ে একজন দুজন কে দেখিয়েও দিবেন যারা কিছুটা হলেও উন্নতি করেছে। তবে হাজার হাজার উদাহরন দিতে পারবেননা, সে বিষয়ে নিশ্চিত। ভাবনা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।


বিবিধ, সেই খেলা যদিও আমি দেখছিনা, তবে খেলা দেখে হাততালি দিলে তো ব্রাককে সমর্থন করা হলোনা! যে উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন(ব্যাংকটির গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি করা) তা সফল না করলেই হলো। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া এসব অন্যায়, নৃশংসতা, নির্মমতা দেখে আমরা যে নির্বিকার ভাবে এড়িয়ে যাই, তার চেয়ে বিচিত্র বোধহয় আর কিছু নয়। ধন্যবাদ আপনাকে।



তপন বাগচী, ঘাতকের নাম মাইক্রোক্রেডিট অথবা ম্যাক্রোক্রেডিট, শ্যামল কুমার অথবা মুস্তাফিজুর রহমান, ব্রাক অথবা ফজলে হাসান আবেদ- যেই হোক.. আমাদের নির্লিপ্ততায় এরা বার বার বিনা বিচারে পার পেয়ে যায় এবং যাবে। এই বোধ আর ঘৃণা যদি আমরা প্রকাশ করতে পারি, প্রতিবাদ জানাতে পারি, অপরাধীর সাজা হবে, মূল সমস্যারও সমাধান সম্ভব। শুধু প্রয়োজন আমাদের সকলের সচেতনতা ও সন্মিলিত প্রচেষ্টা। ধন্যবাদ।










১৯৩. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০১
ইমন জুবায়ের বলেছেন: রশিদের অপমৃত্যুর খবর শোনার পর থেকে বিকল বোধ করছি।
কে যেন প্রাথর্না করেছিল-বাঙালির আদিমাতা-আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে!
হায় মা ...
আতীব্র ক্ষোভের সঙ্গে লিখছি-আমাদের উত্তরাধিকার যেমন রবীন্দ্রনাথের নরম মেদুর কবিতা, তেমনি লিমপেট মাইন বুকে বেঁধে ট্যাঙ্কের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়াও কিন্তু ...
১৯৪. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১০
এস,আহমেদ বলেছেন: ভয়ংকর!

আমরা আসলে কোন অন্ধকারের দিকে যাচ্ছি তার কিছুটা ইংগিত এই প্রতিবেদন থেকে অনুমান করা যায়।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এইধরনের একটি প্রতিবেদন এখানে প্রকাশ করার জন্য।

আসলেই সময় হয়েছে আমাদের নিজেদের বিবেক(!)কে প্রশ্ন করার। আমার বিস্বাশ এখনও খুব বেশি দেরি হয়ে যায়নি।

রশিদের পরিবারের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল।
১৯৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ৬৮ হাজারের খন্ডচি্ত্র, তবে সবচেয়ে বিভৎস। রোগটা এখন ঢুকে পড়েছে মধ্যবিত্ত সমাজেও, স্ট্যানচার্ট, ব্র্যাক, ইউসিবি। মাধ্যব ক্রেডিট কার্ড ও নানা কিসিমের লোন।
ধন্যবাদ মানবী
১৯৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: একেই বলে জোর যার মুল্লুক তার।
এনজিওরাই এখন দেশের নেপথ্য চালক।
বিদেশী প্রভুদের কৃপায় তারাই দেশের প্রধান শক্তি।
এদেরই একজন প্রশিকা প্রধান আবার রাজনৈতিক দল গড়েছেন প্রকাশ্যে ক্ষমতায় আসার জন্য।
সুতরাং এ'দের এহেন আচরনে দ:খিত হলেও বিস্মিত হবার কিছু নাই।
এদের প্রতিহত করার জন্য চাই প্রতিরোধ যুদ্ধ - যেমন কুকুর তেমন মুগুর না হলে কাজ হবে না।
১৯৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
সারোয়ার হাবিব বলেছেন: মানুষ রক্ত খেতে শিখে গিয়েছে ।
১৯৮. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
ইয়াহইয়া ফজল বলেছেন: অনেকদিন পর সামহোয়্যারে আসলাম। কেমন আছেন মানবী?
আপনাদের সাথে আমিও আছি।
১৯৯. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:০১
মানবী বলেছেন: ইমন জুবায়ের, ভালো বলেছেন, অনেক ধন্যবাদ। এই বিকল, বিবশ বোধ কে আমরা প্রতিবাদের ভাষায় পরিনত করতে পারলে, হয়তো এসবের অবসান একদিন সম্ভব।


এস,আহমেদ, নিজেরে বিবেককে জাগ্রত করে আমরা যদি এসব অন্যাবের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে পারি, আসন্ন অন্ধকার রোধ সম্ভব মনে হয়। অনেক ধন্যবাদ।


অমি রহমান পিয়াল, ৬৮ হাজারের একটি খন্ডচিত্রের প্রতিকারের চেষ্টা একে একে ৬৮ হাজারে ছড়িয়ে দেয়া কি সম্ভব নয়! আমার কেনো যেন মনে হয় সম্ভব যদি আমাদের এই প্রচেষ্টা সৎ ও আন্তরিক হয়। আমি খুব বেশি আশাবাদী অথবা বোকা বলেও এমন হতে পারে!! ভালো বলেছেন, ক্রেডিট কার্ড আসলেই একটি অস্বস্তিকর জিনিস যদি সময়মতো লোন পরিশোধ সম্ভব না হয়। ধন্যবাদ আপনাকেও।


কাঙ্গাল মুরশিদ, ভালো বলেছেন। তবে এই যুদ্ধ হবে রক্তপাত বিহীন, নিজেদের আদর্শ ও বিবেকবোধ দিয়ে এই নীতিবর্জিত বেনিয়াদের দমন! আমরা কোটি কোটি সাধারন মানুষ, আমরা সচেতন হলে, দৃঢ়মনোভাব নিয়ে এগিয়ে গেলে সম্ভব। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।


সারোয়ার হাবিব, কিছু বলার নেই।


ইয়াহইয়া ফজল, নৃশংসতা আর আদর্শহীনতার এই তান্ডব জেনে যতো খানি ভালো থাকা যায়, আল্লাহ্'র রহমতে তেমন আছি। সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।



২০০. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩২
তসলিম আহমেদ বলেছেন: মানবী সহ সকলকে অনুরোধ করছি..........
ব্র্যাক যে এতবড়ো মহৎ!!!!!!!!!! কাজ করেছে তা কি কোনভাবেই আর্ন্তজাতিক মিডিয়ায় যায়নি?

যদি না যায়, তা পৌছেঁ দেয়া কি আপনার আমার দায়িত্ব না?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:২৯

লেখক বলেছেন: তসলিম আহমেদ, আমি যেটুকু জানি যায়নি। নিজের দেশের বিষয় এভাবে জানাতেও দ্বিধা হয়, তবে খুব সূক্ষ ও পরিকল্পিত ভাবে BRAC এই ঘৃণ্য কাজটি করায় এখন যেহেতু মানবতা পাশবিকতার কাছে পরাজিত, .. আমরা আর্ন্তজাতিক মিডিয়া ও সংগঠনের কাছে এই অপর্কমের সংবাদটি পৌঁছে দিতেই পারি, এবং তা আমাদের দায়িত্ব অবশ্য
ই।

আপনি যদি এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারেন, কৃতজ্ঞ হবো।

আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

২০১. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: নগরবালকে পেষ্ট করে দিলাম। প্রচারণার জন্য এইটুকুই করতে পারি। আমার সামর্থ এতটুকুই।।।

Click This Link
২০২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১০
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: দারিদ্রকে একটা মার্জিনাল পর্যায়ে রেখে বাজার সচল রাখার ধান্ধাবাজ এনজিও দের স্বরুপ আরো ভয়াবহ... এদের নিয়ে আসলেই একটা পরিসংখ্যান করা দরকার, ব্যয়িত অর্থ, সাফল্য এবং এদের হোমরা-চোমরাদের সাফল্যের বিশ্লেষণ.।।

২০৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৩
মানবী বলেছেন: তাজুল ইসলাম মুন্না, আমাদের সকলের সামর্থই খুব সীমিত ও ক্ষুদ্র। তবে আমরা ভালো কাজে সেই সামর্থ ব্যবহার করতে চাইনা, আপনি করেছেন। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ভাইয়া।



জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|, কে করবে পরিসংখ্যান? এরা খুব সহজেই হত্যাকে আত্মহত্যা প্রমাণ করতে পারে, কালো টাকার খেলায় কালো কে নিমেষেই সাদা বানিয়ে দেয়- পরিসংখ্যানের সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে কিভাবে!!
আপনাকে ধন্যবাদ।
২০৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৪
রোবোট বলেছেন: পোস্টটি ১১২ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি।
কারা এরা?

শ্যামল কুমার কি এখানে ব্লগিং করে নাকি?

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: দ্বিতীয় জনের নামটা দেখলাম :-)

তবে, কেউ যদি নিজের পরিচয় জানাতে লজ্জিতবোধ করে, তার পরিচয় আমাদের প্রকাশ করার কি প্রয়োজন! :)

২০৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪১
বিবিধ বলেছেন: @ মানবী
আমি আসলে বুঝাতে চেয়েছি আমাদের চেতনা কতটুকু বিকারগ্রস্ত। যখন খেলা দেখি তখন আমাদের মনে একথাটির উদয় হয় না, এ খেলার স্পন্সর করছে এমন একটি প্রতিষ্ঠান যারা আমারই কোন ভাই বা বোনের হত্যাকারী।
২০৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০২
গুপী গায়েন বলেছেন: ঠিক কিভাবে বলা উচিৎ বুঝতে পারছিনা। ঘৃণা যেন একটা দলা পাকিয়ে কন্ঠ রোধ করে রেখেছে। শ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। কষ্টটা আরও বাড়ে যখন এই নির্মম সত্যিটা আরও প্রকট ভাবে অনুভূত হয়; এসবের কোন শেষ নেই, এরাই বিজয়ী আর আমরা বড়ই অসহায়।

পুঁজিবাদের বিষাক্ততার এরচেয়ে বড় বড় নজীর কি হয়?

আফসোস.....
২০৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
মানবী বলেছেন: বিবিধ, আপনার সাথে সহমত। ধন্যবাদ আপনাকে।


গুপী গায়েন, ঘৃণার এই তীব্রতাকে আমরা যেন প্রতিবাদে পরিনত করতে পারি। ঐই ঘৃণা, প্রতিরোধ কে দ্রুত ভুলিয়ে দেবার জন্য এই হত্যাকারীরা সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আমরা এই ক্ষোভ, এই ঘৃণা ভুলে গেলে তারা জয়ী হবে। অনেক ধন্যবাদ।
২০৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: এমন ঘটনাগুলো হঠাৎ করে ঘটছে না , বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিনিয়তই ঘটে আসছে ।যারা ঋণগ্রহীতা তারা জেনেও বাধ্য হন , ভাগ্য যদি পরিবর্তন হয় , এমন আশায় । ঋণের টাকা শোধ করতে না পারায় , ঘরের চাল , বেড়া , ফার্মের খুলে নিয়ে যাবার ঘটনা আমাদের এলাকা(পাবনা) য় অহরহই শুনি ।

ভার্সিটিতে আমার রুমমেটের কাছে শুনেছিলাম তার দুঃসম্পর্কের এক আত্মীয়ের সাজানো কৃষি ফার্মের নামে বিদেশী সাহায্য এনে বিশাল বড়লোক হয়ে উঠার কাহিনী । একটা ব্যাপার কি খেয়াল করেছেন ? দেশে অনেক প্রতিথযশা ব্যক্তিবর্গ(কবি / সাহিত্যিক/সাংবাদিক) এনজিওগুলোর পরিচালনা পর্ষদে থাকেন । কেন সেটা ঘটছে অনুমান কি করতে পারেন ?

আমাদের এমন ভাগ্য মনে হয় পরিবর্তন হওয়ার নয় , যারা আশা দেবেন তাদের অনেকেই তো কলকাঠি নাড়ছেন
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: "একটা ব্যাপার কি খেয়াল করেছেন ? দেশে অনেক প্রতিথযশা ব্যক্তিবর্গ(কবি / সাহিত্যিক/সাংবাদিক) এনজিওগুলোর পরিচালনা পর্ষদে থাকেন । কেন সেটা ঘটছে অনুমান কি করতে পারেন ?

আমাদের এমন ভাগ্য মনে হয় পরিবর্তন হওয়ার নয় , যারা আশা দেবেন তাদের অনেকেই তো কলকাঠি নাড়ছেন "

- আর সে কারনেই কারো কাছেই আমাদের কোন প্রত্যাশা না রেখে নিজেদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যেতে হবে।

আমাদের নষ্ট সমাজের নষ্ট অধিপতি/প্রতিনিধিরা নিজের স্বার্থের বিকৃত লোভে মত্ত আছে, থাকবে। সাধারান হতভাগ্য মানুষদের পাশে আপনার, আমার, আমাদের সকলের মতো অতি সাধারন মানুষদেরই এগিয়ে আসতে হবে, তাঁদের সাথে করা অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে হবে।



অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

২০৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
অণৃণ্য বলেছেন:
'একটা ব্যাপার কি খেয়াল করেছেন ? দেশে অনেক প্রতিথযশা ব্যক্তিবর্গ(কবি / সাহিত্যিক/সাংবাদিক) এনজিওগুলোর পরিচালনা পর্ষদে থাকেন । কেন সেটা ঘটছে অনুমান কি করতে পারেন ?' ... মেহরাব শাহরিয়ার ভাল কথা বলেছেন। শুধু তারাই নয় দেশের সব প্রভাব শালী, ধূর্ত বা বুদ্ধিমান যাই বলি এমন মানুষরাই আছেন এনজিওগুলোর পরিচালনা পর্যদে।তারা তাদের জ্ঞান-যশ দিয়ে গরীব মারা অব্যহত রাখেন।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: "শুধু তারাই নয় দেশের সব প্রভাব শালী, ধূর্ত বা বুদ্ধিমান যাই বলি এমন মানুষরাই আছেন এনজিওগুলোর পরিচালনা পর্যদে।তারা তাদের জ্ঞান-যশ দিয়ে গরীব মারা অব্যহত রাখেন। "

- ভালো বলেছেন।
এই কুচক্রীজাল থেকে মুক্তির একমাত্র পথ বোধহয় এসব নষ্ট প্রতিনিধিদের অগ্রাহ্য করে নিজেদের মতো মানুষ হয়ে বেঁচে থাকতে চেষ্টা করা, বিবেকসম্পন্ন মানুষের মতো আচরন করা।

অনেক ধন্যবাদ অণৃণ্য।

২১০. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
তসলিম আহমেদ বলেছেন: মানবীকে অনুরোধ করছি,
আপনি এই লেখাটার একটি ইংরেজী অনুবাদ করুন। তারপর আমরা এটাকে পৃথিবীর সকল গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনের কাছে মেইল করতে পারি।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: ঠিক এই লেখাটির ইংরেএজী অনুবাদ এই মুহুর্তে নেই বলে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি কয়েকজনকে মেইল করছি, আপনি এই ঠিকানায় যোগাযোগ করলে সেসব মেইলের অংশ বিশেষ জানাতে পারি। জেনারেল মেইলের জন্য একটু সময় করে শীঘ্রই কিছু লেখার ইচ্ছে আছে।

এর মাঝে সম্ভব হলে বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনের যোগাযোগের ঠিকানা সংগ্রহ করার অনুরোধ বিনীত রইলো।

আপনার আন্তরিক সদিচ্ছাকে শ্রদ্ধা জানাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ তসলিম আহমেদ।

২১১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
তারেক হাসান বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ । মানবী।

প্রিয় পোষ্ট। প্রিয়তে নিলাম।
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ব্লগে নতুন এসে দুসপ্তাহের বেশি সময়ের পুরনো এই পোস্টটি পড়েছেন জেনে ভালো লাগলো :-)

আপনাকেও ধন্যবাদ তারেক হাসান।

২১২. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
ফয়সালরকস বলেছেন: আমি নতুন ব্লগার। ভাবতেই পারিনি নতুন এসে আমাকে এই বহুল আলোচিত কন্টেন্টে মন্তব্য লিখতে হবে। আসলে আমি বাধ্য হচ্ছি। গতকাল রেজিষ্ট্রেশন করে আজই মাত্র ফ্রণ্ট পেজ এ্যাকসেস পেয়েছি। এবং এই লিংকে ক্লিক করে হতবাক হয়েছি।

আমি নিজে খুব ছোট চাকরি করতাম। ৮ বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। আমি ব্র্যাকের ব্যাপারে অনেক কিছু শুনতাম। তখন আমি জাতীয় পর্যায়ের একটি NGO তে কাজ করতাম। তখন তেমন পাত্তা দেই নি। এখন বুঝলাম ওরা আসলে দেশকে পিছিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে। আমি এটাও বুঝতে পারছি না সরকার কি করছে? !

আমি যতটুকু বুঝি, কোন না কোন ভাবে ওদের মুখোশ খুলে দিতে হবে। ওদের পন্য বর্জনের আইডিয়াটি ভাল। আমি এই লিংকটি বিতরন করছি। আমার বর্তমান অফিসের সবাইকে বলব।

আমি একটি কথা বিশ্বাস করি...

"If all we can do a little, we can do a lot"
আমি হতাশ, দুঃখিত কিন্তু আশাবাদী
আমি আপনাদের সাথে আছি।
ধন্যবাদ
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: ব্লগে নতুন এসে আমার পোস্টটি পড়েছেন জেনে ভালো লাগলো, আপনাকে স্বাগতম।

"" ৮ বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। আমি ব্র্যাকের ব্যাপারে অনেক কিছু শুনতাম। তখন আমি জাতীয় পর্যায়ের একটি NGO তে কাজ করতাম।""
- সেসময় কি শুনেছেন, আপনার সেই অভিজ্ঞতা সময় করে আমাদের সাথে শেয়ার করলে ভালো লাগবে।

আমাদের সাথে আছেন এবং লিংক বিতরন করে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য কৃতজ্ঞতা।
ভালো থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৯৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই