আমার প্রিয় পোস্ট
- VLC PLAYER দিয়ে ৭ টি কাজ করা যায় যা হয়ত আপনি জানেনই না ! - ইভা লুসি সেন
- কোরআন কিভাবে পড়েবন Lesley Hazleton: On reading the Koran - মেলবোর্ন
- ১০টি ফ্রী ওয়েব এপ্লিকেশন যা আপনার ডেস্কটপ এপ্লিকেশনকেও হার মানাবে!(না দেখলে মিস করবেন) - খুজে ফিরি অজানা কে?
- USB দিয়ে ভাইরাস ঢুকার রাস্তাটা বন্ধ করে দিন আপনার উইন্ডোস কম্পিউটারে - মঈনউদ্দিন
- Zekr : শক্তিশালী কুরআন সফটওয়্যার ও তার বাংলা এক্সটেনশন : ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি - ইঊসুফ সুলতান
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- আল্লাহকে পেতে মাধ্যম গ্রহণ - mamun
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- সুপার গ্লু - ডা. শাহরিয়ার
- সুফিয়ার কবর চাঁদার টাকায়ঃ ইউনূসের হাতে নোবেল - বিডি আইডল
- বাংলা অনুবাদক - অপেক্ষমান
- গড: আছে কি নেই ? - মাইদেশ
- উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার শুরু করলাম--চমৎকার! - বিডি আইডল
- আওয়ামী স্বর্ণযুগ : কিছু নমুনা - অভ্র
- বারবার windows install করার ঝামেলা থেকে মুক্তি চান?
- সপ্নচারী_
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- বাংগালীর রান্নাঘর (অবাংগালীর)- হালিম। - ত্রিশোনকু
- প্রবাসের পথে... (৫) ফসলের ছবি... - নতুন রাজা
- ইসলাম ও কোরআনে বিশ্বাসের ভিত্তি - এস. এম. রায়হান
- বাংলা ই-বুকের সন্ধানে - মহসিন০৮
- যাকাত নির্দেশিকা - গোল্ডেন বাংলাদেশ
- রাশাদ খলিফা ২ : নবীত্বের দাবি - মাসুদুল হক
- ব্লগারদের নিজ নিজ জেলা (সর্বশেষ আপডেট) - পুরাতন
- ছফা'র বর্ণনায় হুমায়ূন আজাদ-১: হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - সাদাত হাসান
- অনলাইনে আয় করুন টুইটারের মাধ্যমে - হাসমত০০৯
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- নাস্তিক ভাইদের প্রতি.......একটু লক্ষ করুন তো......... - আব্দুর রহমান
- আলু গ্রুপের মিথ্যাচার... - ফেরারী...
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
***আসুন জেনে নিইঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কতগুলো বিশ্বাস এবং কর্ম যা বাস্তবে শিরক***
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
শিরকের শিকর আমাদের মাঝে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে শিরক করাটাকেই স্বাভাবিক মনে হয়!!! দৈনন্দিন জীবনে আমরা এমন কতগুলো কাজ করি বা এমন কতগুলো বিষয়ে বিশ্বাস করি যার কোন ভিত্তি নেই। এই সব ভিত্তিহীন কাজ এবং বিশ্বাস আমাদের জীবনকে কঠিন করে দেয় যদিও অনেক সময় আমরা এই বিষয়টি বুঝতেই পারি না। আজকে যে দুইটি বিষয় নিয়ে লিখব তাহলো: ভাগ্যগণনা, রাশিফল,গণক এবং কুলক্ষণ।
ভাগ্যগণনা, রাশিফল, গণক এতই জনপ্রিয় যে আমাদের জাতীয় দৈনিকগুলোতে এগুলো নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে থাকে। এই রাশিফলগুলোতে অনেক বিষয় উল্লেখ থাকে যেমন: সপ্তাহে আপনার কোনদিনটি ভাল যাবে, কোন দিনটি শুভ প্রভৃতি। রাশিফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন কাজের সিদ্ধান্ত নেওয়া, অনেকে বলে থাকেন কি করব রাশির দোষ! রাশিফল বিষয়টি বেশী কাজ করে তরুন প্রজন্মের মাঝে বিশেষ করে যারা জোড় করে সমাজ স্বীকৃত প্রেম-ভালবাসায় জড়িত থাকেন। ভাগ্যগণনা এবং গণকের কাছে যেয়ে ভবিষ্যত কর্মপন্থা ঠিক করতে দেখা যায় অনেককেই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে আসল, তারপর তাকে [ভাগ্য সম্পর্কে]
কিছু জিজ্ঞাসা করলো, অতঃপর গণকের কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল,
তাহলে চলি−শ দিন পর্যন্ত তার নামাজ কবুল হবে না। (মুসলিম)
“যে ব্যাক্তি গণকের কাছে আসলো, অতঃপর গণক যা বললো তা সত্য
বলে বিশ্বাস করলো, সে মূলতঃ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর যা নাযিল করা হয়েছে তা অস্বীকার করলো। (সহীহ বুখারি ও মুসলিম)
“যে ব্যক্তি পাখি উড়িয়ে ভাগ্যের ভাল-মন্দ যাচাই করলো, অথবা যার
ভাগ্যের ভাল-মন্দ যাচাই করার জন্য পাখি উড়ানো হল, অথবা যে ব্যক্তি
ভাগ্য গণনা করলো, অথবা যার ভাগ্য গণনা করা হলো, অথবা যে ব্যক্তি যাদু করলো অথবা যার জন্য যাদু করা হলো অথবা যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে আসলো অতঃপর সে (গণক) যা বললো তা বিশ্বাস করলো সে ব্যক্তি মূলতঃ মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর যা নাযিল করা হয়েছে তা (কুরআন) অস্বীকার করল। (বায্যার)
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে ‘মারফু’ হাদীসে বর্ণিত আছে, পাখি
উড়িয়ে ভাগ্য গণনা করা শেরেকী কাজ, পাখি উড়িয়ে লক্ষণ নির্ধারণ করা
শেরেকী কাজ, একাজ আমাদের নয়। আল্লাহ তাআলা তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মুসলিমের দুশ্চিন্তাকে দূর করে দেন। (আবু দাউদ, তিরমিজী)
অনেকেই তার ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য, ব্যবসায় উন্নতির জন্য, কোন রোগ থেকে বাঁচার জন্য পাথরের উপর বিশ্বাস করতে শুরু করে এবং বিভিন্ন প্রকার পাথর পরিধান করা শুরু করে যেমন: রক্ত প্রবাল, ক্যাটস আই প্রভৃতি। রহস্য পত্রিকা, অনেকের নিকটেই হয়তো পরিচিত; এই পত্রিকার প্রতি মাসের সংখ্যায় এই পাথর বিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হয়! এই ব্যাপারটি অনেকটা এই পাথরগুলোকে পূজা করার সামিল। অর্থাৎ পাথরের উপর এমনভাবে বিশ্বাস করা হয় যেমনটি করা উচিত ছিল একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য।
“তোমরা যদি মুমিন হয়ে থাকো, তাহলে একমাত্র আল্লাহর উপরই ভরসা করো।” (মায়েদা : ২৩)
“ যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে তার জন্য আল্লাহ তাআলাই
যথেষ্ট।” (সূরা তালাক . ৩)
জ্যোতির্বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করে তারা গণনা করে ভাগ্য গণনা করা হয় যা স্পষ্ট শিরক।
“তোমরা (নক্ষত্রের মধ্যে তোমাদের) রিজিক নিহত আছে মনে করে
আল্লাহর নেয়ামতকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছো।” (ওয়াকেয়া . ৮২)
এরপর আসি কুলক্ষণের কথায়, আমাদের মাঝে অনেকেই বলে থাকেন আজকে সকালে যে কার মুখ দেখে উঠেছি! দিনটাই মাটি হয়ে গেল। আবার অনেকে বলে থাকেন আমার নিকট সপ্তাহের অমুক দিনটি কুফা, অমুক রংটি আমার জন্য কুফা, অমুক কাজের পর তমুক কাজ অমঙ্গল বয়ে আনে, অমুক কথাটি বললে আমার কাজটি সফল হয় না, অমুকের সাথে চললে আমার বিপদ হয়, অমুক খাবারের পর তমুক খাবার খেলে অমঙ্গল হয় প্রভৃতি। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হচ্ছে বাচ্চাদের কুলক্ষণ থেকে বাঁচানোর জন্য কপালে বেশ বড়করে একটা কালো টিপ দিয়ে রাখা হয়, এই টিপ তাদের বিভিন্ন প্রকার কু-থেকে রক্ষা করবে! (স্পষ্ট শিরক)।
“মনে রেখো, আল্লাহর কাছেই রয়েছে তাদের কুলক্ষণসমূহের চাবিকাঠি। কিন্তু তাদের অধিকাংশ লোকই তা বুঝে না। (আরাফ: ১৩১)
অর্থাৎ পৃথিবীর কোন জিনিসই কুলক্ষণের কারণ নয়, এই এখতিয়ার একমাত্র আল্লাহর কাছে সংরক্ষিত। কাজেই কেউ যদি বিশ্বাস করে অমুক জিনিস কুলক্ষণ বয়ে আনে সে স্পষ্টতই শিরক করবে।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, “দ্বীন ইসলামে সংক্রামক ব্যাধি, কুলক্ষণ বা দুর্ভাগ্য, কথার কুলক্ষণ বলতে কিছুই নেই।” (বুখারি ও মুসলিম)
বুখারি ও মুসলিমে আনাস (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত আছে, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন, “ইসলামে সংক্রামক ব্যাধি আর কুলক্ষণ বলতে কিছুই নেই।
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, ‘কুলক্ষণ বা দুর্ভাগ্যের ধারণা যে ব্যক্তিকে তার স্বীয় প্রয়োজন, দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে
দূরে রাখলো, সে মূলতঃ শিরক করলো।
ফজল বিন আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে طيرة (তিয়ারাহ) অর্থাৎ
কুলক্ষণ হচ্ছে এমন জিনিস যা তোমাকে কোন অন্যায় কাজের দিকে ধাবিত করে অথবা কোন ন্যায় কাজ থেকে তোমাকে বিরত রাখে।” (আহমাদ)
এই বিষয়গুলোর কোন ভিত্তি নেই, একত্ববাদে বিশ্বাসী একজন মুসলিমের কোনভাবেই উপরোক্ত বিষয়গুলোতে বিশ্বাস বা কাজগুলো করা উচিত নয়।
এই বিষয়গুলো থেকে আমরা যে বিষয়গুলো শিখলামঃ
*** গণনাকারীকে সত্য বলে বিশ্বাস করা এবং কুরআনের প্রতি ঈমান
রাখা, এ দুটি বিষয় একই ব্যক্তির অন্তরে এক সাথে অবস্থান করতে পারে
না।
***জ্যোতির্বিজ্ঞান তথা তারা গণনা করে ভাগ্য রচনা স্পষ্ট শিরক।
*** দুর্ভাগ্যের ব্যাপারে অস্বীকৃতি (অর্থাৎ দুর্ভাগ্য বলতে ইসলামে কোন
কিছু নেই)
***কুলক্ষণের কারণে কোন ভাল কাজ থেকে বিরত থাকা মোটেই উচিত নয়, এমনটি করতে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দেননি।
*** কুলক্ষণে বিশ্বাস স্থাপন স্পষ্টত শিরক এবং এথেকে বেঁচে থাকা আমাদের অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ আমাদের শিরকপূর্ণ কথা, কাজ ও চিন্তা থেকে হিফাজত করুন। আমীন।
***শিরক এবং তার ভয়াবহ পরিণাম***
***আসুন জেনে নিইঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কতগুলো কথা যা বাস্তবে শিরক***
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম নিরব হাসি ভাই,
জ্বী এটা শিরক।
"যে ব্যক্তি তাবিজ-কবজ লটকাল সে শিরক করল।" (আহমদ ৪/১৫৬, সিলসিলা সহীহা, নম্বর ৪৯২)
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,
“আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে একথা বলতে শুনেছি,
“ঝাড়-ফুঁক ও তাবিক- কবজ হচ্ছে শিরক” (আহমাদ, আবু দাউদ)
আবদুল্লাহ বিন উকাইম থেকে মারফু’ হাদীসে বর্ণিত আছে,
“যে ব্যক্তি কোন জিনিস (অর্থাৎ তাবিজ- কবজ) লটকায় সে উক্ত
জিনিসের দিকেই সমর্পিত হয়”। (অর্থাৎ এর কুফল তার উপরই বর্তায়) (আহমাদ, তিরমিজি)
সাহাবী রুআইফি থেকে ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেন,
তিনি (রুআইফি) বলেছেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন,
“হে রুআইফি, তোমার হায়াত সম্ভবত দীর্ঘ হবে। তুমি লোকজনকে
জানিয়ে দিও, “যে ব্যক্তি দাড়িতে গিরা দিবে, অথবা গলায় তাবিজ- কবজ ঝুলাবে অথবা পশুর মল কিংবা হাড় দ্বারা এস্তেঞ্জা করবে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার জিম্মাদারী থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত।”
সাঈদ বিন জুবাইর থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন,
“যে ব্যক্তি কোন মানুষের তাবিজ- কবজ ছিড়ে ফেলবে বা কেটে ফেলবে
সে ব্যক্তি একটি গোলাম আযাদ করার মত কাজ করলো।” (ওয়াকী)
সাহবীরা সব ধরণের তাবীজ অপছন্দ করতেন।
ইবরাহীম থেকে বর্নিত হাদীসে তিনি বলেন, তাঁরা সব ধরনের তাবীজকবজঅপছন্দ করতেন, চাই তার উৎস কুরআন হোক বা অন্য কিছু হোক।
তাবীজের উপর এমন বিশ্বাস স্থাপন করা যে এই তাবীজ অমুক অমুক বিপদ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু যাবতীয় বিপদ থেকে রক্ষা করেন একমাত্র আল্লাহ তাআলা:
“আল্লাহ ছাড়া এমন কোন সত্তাকে ডেকোনা, যা তোমার কোন উপকার করতে পারবে না এবং ক্ষতিও করতে পারবে না। যদি তুমি এমন কারো তাহলে নিশ্চয়ই তুমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত। আর আল্লাহ যদি তোমাকে কোন বিপদে ফেলেন, তাহলে একমাত্র তিনি ব্যতীত আর কেউ তা থেকে তোমাকে উদ্ধার করতে পারবে না।” (ইউনুসঃ ১০৬, ১০৭)
ভাল থাকবেন ভাই। মহান আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
১. সাকিব আল হাসান বাচালেন বাংলাদেশ দলকে।২. কাল রাতে ঔষধটা খেলে সকালে আমার জ্বর আসতোনা।
৩. আবুল মিয়া আমাকে সাহায্য না করলে সেদিন আমি হেরে যেতাম।
৪. টেন্ডুলকারের উপর নির্ভর করছে ভারতের জয়-পরাজয়।
লেখক বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম সাঈদ শেরিফ ভাই,
মাশাল্রাহ চমৎকার বলেছেন। আমি এই বিষয়ে গতকাল একটা পোস্ট দিয়েছিলাম পড়ে দেখবেন।
***আসুন জেনে নিইঃ আমাদের সমাজে প্রচলিত কতগুলো কথা যা বাস্তবে শিরক***
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
জ্যোতির্বিজ্ঞান তথা তারা গণনা করে ভাগ্য রচনা স্পষ্ট শিরক।এটা জ্যোতির্বিজ্ঞান নয়, জ্যোতিষবিদ্যা। প্রথম আলোর মত পত্রিকাতে নামাযের সময়সূচী বা ধর্মের জন্য যতটুকু জায়গা বরাদ্দ রাখা হয় তার দ্বিগুণ রাথে এই জ্যোতিষশ্রাস্ত্রের গল্প শোনানোর জন্য। অপবিজ্ঞান হলেও এটিও একটি বিজ্ঞান বটে।
লেখক বলেছেন: জ্বী ভাই আপনি ঠিক বলেছেন।
দূরবীনের ধ্রুব বলেছেন:
প্লাস..........
আমিই রূপক বলেছেন:
প্লাস..........
আমিই রূপক বলেছেন:
ভাই, পোস্টটা প্রিয়তে নিয়ে গেলাম। যদিও আমার পরিবারের কেউ তাবিজ কবজ ঝুলান না, তারপরও আপনার এই পোস্টের দ্বারা মানুষকে দুই একটি কথা বলতে পারবো, যদি আল্লাহ্ চান।
লেখক বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম ভাই রূপক,
আলহামদুলিল্লাহ, জেনে খুশি হলাম যে আপনার পরিবার তাবিজ-কবজ শিরক থেকে নিরাপদে রয়েছে। এই তাবিজ-কবজ বিষয়টি যে শিরক সে সম্পর্কে অনেকেরই পরিস্কার ধারণা নেই। কাজেই আপনি যখন অন্য ভাইদের জানাবেন তখন বিনয়ের সাথে পরিস্কার করে তাদের বিষয়টি বুঝিয়ে দিবেন, কোন ভাবেই উত্তেজিত হবেন না বা তাদের সাথে রাগান্বিত হবেন না বা কটু কথা বলে হেয় করবেন না। মহান আল্লাহ তাআলা হিদায়াতের মালিক, তিনি যাকে চান তাকে হিদায়াত করেন।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
একবার মজা করার জন্য টিয়াপাখি দিয়ে ভাগ্য গণনা করিয়েছিলাম।আমি কি শিরক করলাম নাকি?
লেখক বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম,
আমি পোস্টের শুরুতেই লিখেছিলাম
//শিরকের শিকর আমাদের মাঝে এমনভাবে ঢুকে গেছে যে শিরক করাটাকেই স্বাভাবিক মনে হয়!!! //
আপনি যেহেতু না জেনে করেছেন এখন আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করুন, আল্লাহ তাআলা নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের হিফাজত করুন। আমীন।
ম্যাকানিক বলেছেন:
ধন্যবাদ উমর ভাই
তানজিম বলেছেন:
ছোট্ট ছোট্ট সারিবদ্ধ পিপিলিকার সরু লাইন যেভাবে ঘরে প্রবেশ করে, শিরক মানুষের অন্তরে ঠিক সেইভাবে প্রবেশ করে। কিছু কিছু চিকন শিরক আছে যা আমরা বুঝতে পারি না। যেমন, কোন কাজে আল্লাহর দেওয়া পদ্ধতি অনুসরন না করে অন্য কোন/কারো পদ্ধতি অনুসরন করা।
এম রাসেল বলেছেন:
ভাইজান...........! আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই অতি গুরুত্বপূর্ণ পোস্টটি দেওয়ার জন্য। আমরা (মুসলমানরা) ধর্মীয় বিষয়ে কতটুকুইবা জানি? না জেনে মহা পাপের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছি। অথচ আমরা তাও জানি না। আপনার উপর আল্লাহর রহমত, বরকত ও মাগফেরাত নাযিল হোক।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














