অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী

আমার প্রিয় পোস্ট

বিয়ার কোস্টারে বাংলায় লিখে দিলেন, ইউনুস

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০ |

শেয়ারঃ
0 0

অধ্যাপক ইউনুস যে খলনায়ক সেটি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত সুশীল সমাজ আমাকে জাতে তুলবে না। ঢাকায় কয়েকজন মানুষ আছেন যারা নির্ধারণ করেন তাদের সঙ্গে কী কী ব্যাপারে একমত পোষণ করলে তারা বন্ধু ভাববেন। অন্যথায় বেজাত বলে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে রিমুভ করে দেবেন। তাদের সঙ্গে একমত হতে হবে ইউনুস সুদ খোর, খুব বাজে লোক। উনি কোন অর্থনীতিবিদি নন, আসল অর্থনীতিবিদেরা ঢাকায় বসে আছেন।

অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় ইউনুস স্যার এইম ইন লাইফ রচনা মুখস্ত করেননি, কুটির শিল্প ছিলো তার পছন্দের রচনা। ফিক্সিং দ্য এইম ইন লাইফ ইজ ভেরী ইমপরট্যান্ট। এ লাইফ উইদাউট এম ইজ লাইক আ শিপ উইদাউট আ রাডার। এইটা না জানার কারণে ইউনুস স্যার চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটি থেকে ক্লাস নিয়ে ফিরে কাঁথা মুড়ি দিয়ে না ঘুমিয়ে জোবরা গ্রামে গিয়েছিলেন কোন কুক্ষণে আচরি।

ঘুম থেকে উঠে টিচার্স ক্লাবে গিয়ে কেরামবোর্ড খেলার পরিবর্তে লোক ঠকাতে জোবরা গ্রামে গিয়েছেন। সওদাগরের ছেলে বলেই কঠিন ব্যবসার পোকা মাথায় ছিল, কিন্তু অলস মধ্যবিত্তের মতো সহজ ব্যবসার বুদ্ধি ছিলো না।

টিচার্স ক্লাবে লাল নীল হলুদ প্যানেলের সঙ্গে কচলাকচলি করার বুদ্ধি উনার ছিলো না। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী স্যারের মতো সবচেয়ে যোগ্য শিক্ষক উপাচার্য হবার সুযোগ পাননি। সেইখানে ইউনুস স্যারের পক্ষে ভিসি হওয়া সম্ভব হতো না। তবে ইউনুস স্যারের যে ব্যবসায়ী বুদ্ধি তাতে আপাকে বা ম্যাডামকে ইমপ্রেস করে অর্থমন্ত্রী উনি হতে পারতেন। সেটা না করে উনি হিলারীকে ইমপ্রেস করেছেন।ফলে খেলাটা মাইক্রো থেকে ম্যাক্রো পলিটিক্সে চলে গেছে। এর কোন কিছু যদি উনি করতে না পারতেন তাহলে এখন উনি চট্টগ্রামে ইউনুস জুয়েলারীর মালিক হতেন। সেটা চট্টগ্রামের লোকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতো। সরকার সালাউদ্দীন কাদের চৌধুরীকে বুদ্ধি দিয়ে বাগে আনতে বারবার ব্যর্থ হলেও ইউনুস স্যার উনার সুদের ব্যবসার ফাঁদে ফেলে সাকার বাংলোর ঝাড়বাতি খুলে নিতেন। অর্থাৎ ইউনুস স্যারকে আটকে রাখা কঠিন হতো যে কোন পেশায়।

অমর্ত্য সেন বিছানায় শুয়ে অর্থনীতির দর্শন চিন্তা করে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে যখন নোবেল পুরস্কার পেলেন, বললেন প্রত্যেক বছরি লোকজন বলে এবার আপনি নোবেল পাচ্ছেন, পরে অন্যলোক পায়। যাক শেষ পর্যন্ত দিলো। এই ছিল তার প্রতিক্রিয়া। আর ইউনুস স্যার দৌড়ঝাঁপ করা লোক। এর আগে কয়েক বছর ইউনুস স্যারের এনজিও সতীর্থরা তার বিরুদ্ধে উড়ো ফ্যাক্স করে ইউনুস স্যারের প্রশংসা করেছে। ফলে নোবেল কমিটি রীতিমত পুলিশ ভেরিকিকেশন করে অবশেষ নোবেল দিয়েছে। অমর্ত্য সেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার মতো মানুষ কলকাতায় নেই। থাকলেও ফ্যাক্স করার লোক নেই। কলকাতার ফ্যাক্সের খরচ বাঁচানোর মিতব্যায়িতা অমর্ত্য স্যারকে দুদন্ড শান্তি দিয়েছে।

নোবেল বিজয়ী আবদুস সালামের মরণেও পাকিস্তানের ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাকে নিষ্কৃতি দেয়নি, উনি জন্মগতভাবে আহমদীয়া সম্প্রদায়ের লোক হিসেবে উতসাহী সুন্নীরা তার কবরের এপিটাফ ভেঙ্গে রেখেছে। ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের গুরু ফৈয়াজখাঁর কবরটি ধুলোমলিন।তবে ভারতে শ্রদ্ধা জানানোর সংস্কৃতি অপেক্ষাকৃত বেশী সচল।

উল্লিখিত ঘটনাবলী থেকে প্রতীয়মান হয় দক্ষিণ এশিয়ার মাজার সংস্কৃতি রাজনৈতিক। এইখানে নোবেল বিজয়ীদের দেহ না রাখাই ভালো।আর কিছু যদি নাও পারে পায়জামা খুলে পড়া রাজনৈতিক সংস্কৃতি অন্তত কবরের এপিটাফ খুলে নেবে।

আর আমরা যারা গবেষণা করে ইউনুস স্যারকে শিকারের চেষ্টা করছি তাদের জেনে রাখা ভালো, লবি না করে আরেকটা নোবেল শান্তি পুরষ্কার না পেলে উনাকে ভুল প্রমাণ করা অসম্ভব।আমাকে গত দুদিন ধরে ইউনুস তোষণ করতে দেখে অবাক হবার কিছু নাই। উনি নোবেল বিজয়ের পর জার্মানীতে এসেছিলেন জার্মান চ্যাঞ্চেলর আঙ্গেলা মেয়ারকেলের আমন্ত্রণে।

উনার সমভিব্যহারে বার্লিনে আর কোলনে বাঙ্গালী রেস্টুরেন্টে ফ্রি লোডিং করেছি। বাঙ্গালীরা বাঙ্গালী আত্মীয়ের কাছে মাছ-ভাতের বিল নেয়না। ইউনুস স্যার তবুও ডয়চেভেলের ফারুক ভাইকে বলেছিলেন, এরা এতো খরচ করছে,এটা ভালো দেখায় না। ফারুক ভাই বিল দিতে চেষ্টা করলে বাঙ্গালী রেস্টুরেন্ট মালিক স্তম্ভিত হয়ে যান।যাই হোক এখন বুঝতে পারছি উনি নরওয়ের পয়সায় বিল দিতে চেয়েছিলেন।রেস্টুরেন্টে জার্মান খাদকরা ইউনুস স্যারকে দেখে দৌড়ে আসলো, কাগজ নাই বিয়ার কোস্টারে বাংলায় লিখে দিলেন, ইউনুস।স্যারকে নিয়ে বিদেশীদের আদিখ্যেতা দেখে খুব বাঙ্গু হিংসায় কয়লা হচ্ছিলাম। কেজানে বছর দশেক শুয়ে শুয়ে ট্র্যাশ ইংজিরি বই লিখে নোবাল কমিটির জুতা মুছেও ব্যর্থ হবার পর আমিই স্যারের এপিটাফ খুলে নেবো। কিন্তু এমেরিকায়,আফ্রিকায়,ইউরোপে ছোট খাটো মানুষের বিয়ার কোস্টারে যে ইউনুস নামটা থেকে যাবে সেইটার কী হবে?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


৩৭টি মন্তব্য

১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৮

সবুজ সাথী বলেছেন: :) ভালই লিখেছেন। আসল কথা হলো অধ্যাপক ইউনুস লীগের কাছে মাথা বিক্রি করেননি এটাই। যখন নতুন দল করার উদ্দোগ নেন তখন থেকেই লীগের লোকজনের রোষানলে তিনি।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: তবে এখন ব্যাপারটা ম্যাক্রো-পলিটিকস, আওয়ামী লীগ খুব সংযত রয়েছে এবিষয়ে। দেশের রোষানল বড় কিছু নয়। অবসর বিনোদন। নরওয়ের খেলাটাই আসল।

২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২

সাদাকালোরঙিন বলেছেন: কাজ করলেই বিপদ। এর চেয়ে টকশোতে বুদ্ধিবৃত্তি কত নিরাপদ! বোকা ইউনুস দুনিয়া জয় করার স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশের মাথামোটাদের মন জয় না করেই । গালাগালিতো তারই প্রাপ্য।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: এদেশের লোক জাতির জনককে খলনায়ক প্রমাণের চেষ্টা করেছে,ফলে অবাক হবার কিছু নাই।

৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫

একজন বাংলার ছেলে বলেছেন: আপনি হয়ত বসে বসে তাই ভাবছেন অথচ আজ সকালে আমাদের একজন ক্লাইন্ট পোলান্ড থেকে টেলিফোনে যে ভাবে উনার এই মানি লন্ডারিং এর খবরটা আমাকে জানাল তাতে লজ্জায় মাথা একেবারেই নিচু হয়ে গিয়েছিলো।উনি যা বল্লেন তা হচ্ছে তোমাদের দেশের সেই বিখ্যাত ব্যক্তি ডঃ ইউনুসের মানি লন্ডারিং এর খবরটা কি শুনেছ,এই রকম নজির কিন্তু ইতিহাসে এটাই প্রথম।কি দরকার ছিলো এটা করার,টাকাটাই কি সব,জবাবে শুধু এতটুকুই বলতে পেরেছিলাম খবরটা শুনেছি তবে এখনো বোধহয় প্রমানিত হবার বাকি আছে।
এখন বসে বসে ভাবছি কি দরকার ছিলো আমাদের নোবেল বিজয়ী হবার,অন্তত এই কথাটুকু আজ শুনতে হত না

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: পোল্যান্ডের শ্রমিক নেতা লেস ওয়ালেসা পোলিশ জনগণকে কতটা খুশী করতে পেরেছিলেন? পোল্যান্ডের ক্লায়েন্টকে একটু জিজ্ঞেস করবেন প্লিজ।

৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

তাসু বলেছেন: আপনার কাছে সবিনয়ে একটা অনুরোধ রাখি। দেশে আসবেন কোন এক সময়। গ্রাম বাঙলায় যেখানে ইউনুছ স্যারদের (সকল এনজিও) ক্ষুদ্র ঋনের তৎপরতা আছে এমন কয়েকটা গ্রাম ঘুরে দেখবেন। আপনি দয়া করে ঋণ বিতরণকারী কোন প্রতিষ্ঠানে যাবেন না। যদি পারেন কষ্ট করে কয়েকটা গ্রাম ঘুরে ঋণগ্রহীতা কিছু সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন। তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাটা দেখেন। আমি জানিনা আপনার উপলদ্ধি কেমন হয়। তবে আমি অতি সাধারণ একজন যা বুঝি, দারিদ্রের বিরুদ্ধে অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে আমরা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেও আমাদের গ্রামগুলোতে দারিদ্র বেড়েই চলছে। দেশের জিডিপি ইতিবাচক হারে বাড়লেও সম্পদ গরীব মানুষের কাছে আসছেনা। ধনীরাই ধনী হচ্ছে। আগে বলত ২২ পরিবার। এখন ২২০০ পরিবার। এই যা... । ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২

লেখক বলেছেন: ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে গাইবান্ধার প্রত্যন্ত গ্রামে লোক প্রশাসন কেন্দ্রের মাঠ সংযুক্তিতে গাইবান্ধার গ্রামে তিন সপ্তাহ গবেষণা করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখেছি গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ কাজে দেয়। কড়া সুদে টাকা আদায়,আদায়ে কড়াকড়ি না থাকলে টার্ণ ওভার কৃষি বা বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো হত। সমাজ রাষ্ট্র সবাই ঋণ খেলাপীর পক্ষে। ইউনুস কাজটা আরো মানবিক ভাবে করতে পারতেন। কিন্তু এর ফলে তার অর্থনীতির দর্শন জিরো হয়ে যায়না। শুভেচ্ছা।

৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬

সুইট টর্চার বলেছেন: লীগার মানে ই চরম বেয়াদব.............লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ যে ধরণের কথা বলে তাকে পাগল ছারা কিছু বলা যায়না।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: আশরাফুল, নাহিদ,সুরঞ্জিত,মুহিত এদের মাথায় রাখলে এটা জেনেরিক কমেন্ট। শুভেচ্ছা।

৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৪

আসক্ত_আমি বলেছেন: ভাই পিলাচ, তয় একটা কথা না বলে পারছি না। পেত্থম আলু কিন্তুক খালি একখান পত্তিকাই না, ওরা একটা বিশাল ফার্ম, লবিং ফার্ম। না না ভুল কইলাম, ওরা হইল নিওকনদের ট্রেইনিং পাওয়া এজেন্ট, দেশটা কে ঠিক মত হারামির বাচ্চা দের হাতে তুলে না দেওয়া পর্যন্ত ওদের মিশান শেষ হবে না। আর মইত্তা-লইত্তা হইল নতুন প্রজন্মের উমিচাঁদ-মীর জাফর। /:) /:)
ইউনূস স্যার রে নিয়া ওদের (----) জ্বলে।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: আমি আদার ব্যাপারী তবুও জাহাজের খবর রাখতে চেষ্টা করি। দেখি ঘটনাটা এরকম কিনা। পরে আবার লিখবো। শুভেচ্ছা।

৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

সপ্রতিভ বলেছেন: তাসু বলেছেন:আমি অতি সাধারণ একজন যা বুঝি, দারিদ্রের বিরুদ্ধে অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে আমরা নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেও আমাদের গ্রামগুলোতে দারিদ্র বেড়েই চলছে। দেশের জিডিপি ইতিবাচক হারে বাড়লেও সম্পদ গরীব মানুষের কাছে আসছেনা। ধনীরাই ধনী হচ্ছে। আগে বলত ২২ পরিবার। এখন ২২০০ পরিবার। এই যা... । ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: গ্রামীণ ব্যাংকের উন্নয়ন আর প্রত্যন্তের দারিদ্র্য দূরীকরণের অগ্রগতি সমানুপাতিক নয়। কিন্তু উনি একটা প্রতিষ্ঠান গড়েছেন। আর ঢাকার টপগানেরা জনমানুষের পয়সা সুইস ব্যাংকে পাঠিয়েছে। তাই আত্মকেন্দ্রিক লোকদের মুখে ইউনুসের গীবত শুনতে চাইনা। আপনি সৎ মানুষ, আপনি বলুন, আমার তাতে সহমত, শুভেচ্ছা।

৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

নেটপোকা বলেছেন: আমরা এক অদ্ভুত জাতি! কাউকে মাথায় তুলতে যেমন দেরি করিনা, তেমনি তাকে লাথি মেরে দূরে ছুড়ে ফেলতেও দেরি করিনা।

ডঃ ইউনুসের অনেক দোষ-ত্রুটি কিংবা সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। দারিদ্র দূরীকরণে তাঁর ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা নিয়েও অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু নোবেল পুরস্কার পেয়ে বিশ্বের দরবারে তিনি জাতির মর্যাদাকে যে উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, সেটি আর কেউ করতে পেরেছে কি?

দাতাদের দেওয়া টাকা সরিয়ে নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তাতে কেবল ডঃ ইউনুসকেই দায়ী করা হচ্ছে। অথচ গ্রামীণ ব্যাঙ্কের একটি বড়সড় পরিচালনা পর্ষদ আছে, যাতে প্রতিনিধিত্ব করেছেন রেহমান সোবহানের মত ব্যক্তিগণও। অর্থ সরানোর দায় তো তাদের সকলেরই হওয়ার কথা!

আর দাতাদের দেওয়া টাকা থেকে এক টাকাও তিনি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করেছেন কি? শুনেছি আজ পর্যন্ত তাঁর নিজের একটি মাথা গোঁজার জায়গও নেই - থাকেন গ্রামীণ ব্যাঙ্ক ভবনের একটি ফ্ল্যাটে। অথচ তাঁকে এখন বলা হচ্ছে দুর্নীতিবাজ।

নরওয়ে এবং টেলিনর কেন ডঃ ইউনুসের পেছনে লেগেছে, তা সবাই জানে। তারপরও আমরা তাঁকেই ভিলেন বানাই। অবশ্য স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যখন তাঁকে দাদনব্যবসায়ী বলে ব্যঙ্গ করেন, তখন অন্যদের আর কী দোষ!

হায়রে আমার দেশ!

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

লেখক বলেছেন: আমরা বোকা জাত কিন্তু অতিশয় চালাক ভাবি নিজেদের। আর নিজেরা সব ঝাঝর কিন্তু সূচের পিছের ছিদ্র খুঁজি। আর একটা ভুল করি, মানুষের মধ্যে দেবতার গুণ খুঁজে অপেক্ষাকৃত ভালো মানুষদের নাজেহাল করি। আর রাক্ষসদের ফুল দিই। ভয় করে দিই। নাহলে রাক্ষসেরা আমাদের ভিটায় ঘুঘু চরাবে।

৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৩

আসকওয়ানমি বলেছেন: মাইক্রো ক্রেডিটের পক্ষে-বিপক্ষে কিছু বললাম না। যেটা বলতে চাই , সেটা হল..... মাইক্রো ক্রেডিটের ধারণাটা পুঁজিবাদীদের বেশ পছন্দ হয়েছিল। সেই জন্য তারা এটাকে কাজে লাগাতে দেরি করেনি। তাদের তো আর টাকার অভাব নেই আবার চাহিদারও অভাব নেই। যেখানে অন্যান্য ব্যবসার চেয়ে এটাই অধিক লাভবান। সেক্ষেত্রে নোবেল তো কোন ব্যাপারই না। ধারণাটা আরো পোক্ত করতে এর চেয়ে ভাল কোন উপাদানই হয় না।

তবে আমি অপেক্ষা করব, তদন্তের ফলাফল পাওয়া পর্যন্ত। আর ফলাফল যাতে ইউনুস সাহেবকে নির্দোষ প্রমাণিত করে , সেটাই আমার চাওয়া । ইউনুস সাহেবের জন্য নয়, আমার দেশের জন্য।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

১০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৫

একজন বাংলার ছেলে বলেছেন: পোল্যান্ডের শ্রমিক নেতা লেস ওয়ালেসা পোলিশ জনগণকে কতটা খুশী করতে পেরেছিলেন?এই উক্তির মাধ্যমে কিন্তু আপনি ডঃ ইউনুসকে পরোক্ষভাবে দোষি পরমানিত করলেন। লেস ওয়ালেসা তার দেশের জনতাকে খুশি করতে পারেননি বলেই হয়ত দ্বিতী্য়বার তিনি আর ক্ষমতা পাননি,কিন্তু তার নোবেল স্বীকৃতি নিয়ে কখনো কোন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি।সে যাই হোক আমি আমার দেশ চিন্তিত।বিদেশে কিন্তু তাকে নিয়ে আমাদের আর গর্ব করার কোন উপায় নেই

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৬

গরম কফি বলেছেন:
দারুন শক্তিশালী ভাষা শৈলি আপনার । পছন্দের তালিকায় স্হান নিলেন ..কিচ্ছু করার নাই ।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

১২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৮

ইশতে আশিক বলেছেন: ডঃ ইউনুস যথেষ্ট মেধাবী। এবং তাকে নিয়ে আমাদের গর্ব করা উচিত। তার মাইক্রো ক্রেডিট বিশ্ব ময় প্রশংশা কুরিয়েছে। কিন্তু তার মাইক্রো ক্রডিটের সুদের পরিমান এবং তা উসোল করা পদ্ধতি যথেষ্ট বিতর্কিত। তবে অর্থের চাইতে সুনাম অনেক বেশী মুল্যবান। ইউনুশ সেই কথাটি মাথায় রাখবে আশা করি।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:১৮

ইশতে আশিক বলেছেন: ডঃ ইউনুস যথেষ্ট মেধাবী। এবং তাকে নিয়ে আমাদের গর্ব করা উচিত। তার মাইক্রো ক্রেডিট বিশ্ব ময় প্রশংশা কুরিয়েছে। কিন্তু তার মাইক্রো ক্রডিটের সুদের পরিমান এবং তা উসোল করা পদ্ধতি যথেষ্ট বিতর্কিত। তবে অর্থের চাইতে সুনাম অনেক বেশী মুল্যবান। ইউনুশ সেই কথাটি মাথায় রাখবে আশা করি।

১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৮

লাল দরজা বলেছেন: এ বিষয়ে ইউনুস সেন্টারের ব্যাক্ষ্যাটা নিশ্চই পড়েছেন
( Click This Link ) এই প্রামান্যচিত্র নতুন কোন গুপ্ত গোমর আবিষ্কার করে নাই। ব্যাপারটা স্রেফ গ্রামীন ফোন মালিকদের ধুরন্দর কামড়াকামড়িরই ফল।

দেশের মানুষের আবেগ/ বিবেকের কথা আর কি বলব! হাসিনা/ খালেদাকে যখন বান্ধে তখনো আনন্দ করে যখন ছেড়ে দেয় তখনো আনন্দ করে। ছোটবেলায় সিরাজদ্দৌলা ছবিতে দেখেছিলাম ইংরেজের হাতে ধরাপরার পর বাংলার মানুষ সিরাজকে নির্মম পরিহাস করে। সিরাজের দোষ গুন জানি না তবে জাতি হিসেবে আমাদের এই পরিহাস প্রিয়তা আর পরিহাস প্রবনতার পরিচয় জীবনে বহু পেয়েছি। আমরা নিজেদের বিআরটিসি'র বাস নিজেরাই প্রবল বিক্রমে পুড়ি আর বিপ্লব করি। :(

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: সমানুভূতি।

১৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১২

মা-নবি০৩ বলেছেন: ক. অনিয়ম (irregularities)
ও অপরাধ (crime ) এর মধ্যে পার্থক্য অাছে
বাংলাদেশের সব গুলো এন জিও অনিয়ম (irregularities)
ও অপরাধ (crime ) করে কারন এছাড়া এন জিও গুলো চলতে পারে না
কারন এন জিও ব্রবসা প্রতিষ্ঠান না (বেশীর ভাগ ই ) তার নিজস্ব আয় নেই সুতরাং এক খাতের টাকা আরেক খাতে নানা ভাবে ব্যবহার করে যতক্ষন এটা সংস্থা বা সাধারন জনগনের কল্যানে হয় ততক্ষন সমস্যা নেই কিন্তু ব্যক্তির স্বার্থে ব্যয় হলে সমস্যা

এখানে ড. ইউনুস কোন খাতে ব্যয় করেছে সেটা দেখতে হবে

খ. মাইক্রোক্রেডিট দারিদ্র দুর করতেপারে কিনা সে ব্যপারে আমি ড. ইউনুস এর সাতে একমত নই কিন্তু ব্যক্তি ড. ইউনুস বা ফজলে হাসান আবেদ রা যে প্রতিষ্টান গুলো গড়ে তুলেছেন তার কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় থাকলে ও তাতদর এ উদ্যোগ কে খাট করার কোন সুযোগ নেই। সমালোচকরা নিজেরা কিছু করেন না কেন?

গ. বিদেশের ঠাকুররা সার্ঠিফিকেট দিলে আমরা কাউকে মাথায় তুলি আবার তাদের সার্ঠিফিকেট এ পদদরিত করি এজন্য হুজুগে বাঙগাল াার হেকমতে চিন

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১০:১৯

মা-নবি০৩ বলেছেন: "একজন বাংলার ছেলে " কে বলছি

"রাজীব গান্ধি বোফোর্স কেলেংকারী "
"ওযাটার গেট কেলেংকারী '
"ক্লিনটন -মনিকা '
ধরন এক না হলেও এগুলো সব রাষ্ট্র ফেস করেছে
তাতে লজ্জায় মাথা অনেকেরই নিচু হয়ে গিয়েছিলো

আর লগি বৈঠা দিয়ে পিটিেয়ে মানুষ মারার ঘটনায়, পিলখানায ৬০ এরমতো অফিসার মরার ঘটনায় কিংবা ৯৬ ঘন্টায় তুরাগে বাস উদ্ধার না করতে পারার ঘটনায় আপনার মাথা লজ্জায় নিচু হয় না কেন একান বিদেশী বলে নাই দেখে এর প্রতিটার সাথেই কোন না কোন মানবিক ব্যথৃটা জড়িত

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১১:২৯

একজন বাংলার ছেলে বলেছেন: দেখেন মানবি০৩ সত্যি কথা বলতে এক স্বাধিনতার গৌরব ছাড়া এই চল্লিশ বছরে আমাদের খুব কিছু একটা অর্জন হয় নাই,আমাদের দেশের আভ্যন্তরিন কোন্দল যে তার মুল কারন তাতে দ্বিমত থাকার কোন অবকাশ নেই।আর তাই দেশের বাহিরে আমাদের ভাল কিছু ভাবমূর্তি উল্লেখ করার মত কিছুই নেই,দেশের বাহিরে যারা আছেন তারা প্রতি মুহুর্তে সটা উপলব্দি করছেন।
আর লগি বৈঠা দিয়ে পিটিেয়ে মানুষ মারার ঘটনায়, পিলখানায ৬০ এরমতো অফিসার মরার ঘটনায় কিংবা ৯৬ ঘন্টায় তুরাগে বাস উদ্ধার না করতে পারার ঘটনায় আপনার মাথা লজ্জায় নিচু হয় না কেন এটা আবার কিভাবে বল্লেন নিরপেক্ষভাবে বললে আমাদের দেশের মত নোংরা রাজনিতি বর্তমান দুনিয়ার আর কোথায় ও আছে বলে আমার জানা নাই,ধর মার খাও এটাই বোধ হয় আমাদের দেশের রাজনিতি,যা কিনা যতেষ্ট দেশের ভাবমূ্র্তি ডুবাবর জন্য তাই এত কিছুর মধ্যেও যখন কিছু সত্যিকারের ভাল কিছু অর্জন হয় তখন সেটা নিয়েই আমরা গর্ব করে দুনিয়রার সামনে বলি এবং বলে দেশের জন্য গর্ববোধ করি।কিন্তু আফসোস

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: সহমত।

১৮. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৫১

মা-নবি০৩ বলেছেন: আফসোস বিদেশের ঠাকুররা সার্ঠিফিকেট দিলে আমরা কাউকে মাথায় তুলি আবার তাদের সার্ঠিফিকেট এ পদদলিত করি

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: আমাদের মন চাকরস্য চাকরের মন।

১৯. ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০

অনিন্দ্য রহমান বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়ে খুব ভালো লাগল। আপনি সত্যিই পারেন বড় ভাই।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন