আমার লেখা পড়া জীবনে কোন মেয়ের সাথে প্রেম করতে পারিনি তার কারন ছিল আমার ভয়। থাক ঐসব কথা লেখাপড়া শেষ করলাম ২০০৪ সালে ২০০৪ এর জুন আমি চাকুরীতে ডুকলাম । পকেটে মাস শেষে কিছু টাকা পরিবারের কোন চাহিদ ছিল না । তাই যা আসতো তাতে নিজেই চলতাম । মাঝে মাঝে গ্রামে যেতাম গ্রামের সবাই , সবাই বলতে আমার বয়সের বন্ধুদের কাছে আমার খুব কদর ছিল । যখনী গ্রামে যেতাম তখনি সবাই মিলে আড্ডা দিতাম আমাদের বাড়ির পাশে বাজারে । আর আমার বাড়ী যাওয়ার দিন থাকতো প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে । একবার অফিস থেকে ৪ দিনের ছুটি নিয়ে বাড়ি গেলাম । আমার এক বন্ধু আমাকে বলল আমাদের কলেেজর এক মেয়ে ভর্তি হয়েছে তার জন্য এলাকার সকল ছেলে পাগল হয়ে আছে কিন্তু কাউকে পাত্তা দেয় না । আমি কথায় কান দিতে চাইলাম না কিন্তু সবার মুখে শুনতে শুনতে মেয়েটিকে দেখার ইচেছ হলো । ঠিক করলাম শনিবার মেয়ের সাথে দেখা করবো । সকাল ঘুম থেকে উঠে সবাইকে নিয়ে দাড়ালাম কলেজ রোডে । মেয়েটি আসলো আিম ও দেখলাম । সাধারনত খুব পরিচিত না হলে আমি কোন লোকের সাথে কথা বলিনা । তা তো আবার মেয়ে বলে কথা । সেই দিন ওকে দেখার পর আমার মুখ থেকে বেরিয়ে পড়লো তোমার সাথে কথা আছে ,তুমি কি আমার কথা শুনবে । মেয়েটি দাড়ালো আপনী কিছু বলছেন আমার সাহস আরও বেড়ে গেল হ্যা আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাই, কেন ? তুমি সময় দিবে কিনা বল ? ঠিক আছে আগামী কাল কলেজ টাইম পরে । বলে মেয়েটি চলে গেল কলেজে আর আমার সব বন্ধুরা আমার দিকে তাকিয়ে রইেলা তুই ? আমি লজ্জা পেলাম কিন্তু আমার মন জীবনের প্রথম যেন সেই ক্ষনে রঙ্গিন হলো । আমি ছিলাম গম্বির টাইপের কিন্তু এখন আমি কেমন যেন হাসি খুশি থাছি । বন্ধুরা সবাই আমাকে বলল তোর সাথে যে ভাবে কথা বলছে আর কারও সাথে বলেনি। রাত কাটলাম স্বপ্নের মধ্যে সকাল খুব ভোরে আমার ঘুম ভাঙ্গনো নাস্তা না করে চলে এলাম বাজারে অপেক্ষা শুধু কলেজ ছুটির । সময় যেন আর কাটছেনা । কিযে কষ্ট হলো আমার । প্রতিক্ষার শেষ মুহুত্বে কলেজ ছুটি হলো আসলে সে আমার চলে গেলাম নিরব এক কক্ষে আর কথা বলতে পারলাম না দু জন দু জনের হয়ে গেলাম । যথন সন্ধা তখন আমারা বের হলাম এর মধ্যে ওর মোবাইল নিলাম । শুরু হলো অস্থিরতা ও মিস দিত আমি কল করতাম । হঠাৎ একদিন ওর মোবাইল বন্ধ আমি তো পাগলের মতো । পরে শুনলাম ওর মোবইল ওর বড় ভাই নিয়ে গেছে । পাগলী এর পর থেকে যার মোবাইল হাতের কাছে থাকতো তার মোবইল আমাকে মিস দিত আর আমিও কল করতাম ওর কলেজে আসা বন্ধ হলো তখন আমার সাথে ওর যোগাযোগ হতো ১ মাস বা তার ও অধিক সময়ের পর । একদিন ও চলে আসলো আমার কাছে সব কিছু চেয়ে কিন্তু আমি তাকে রাখতে পারলাম না আমার পরিবাবে নাকি এভাবে কোন মেয়েকে বিয়ে করা যায় না । আর আমার ও সহস ছিল না বাবা - মা ছাড়া অন্যকিছু চিন্তা করা । আবার ফিরে গেল সে বিয়ে করলো এক ৪০ বছর বয়সের এক মাষ্টারকে । সেই থেকে আমি মিস কল ফেলেই কল করি ।
অনুরুধঃ-
১। কোন মন্তব্য করবেনা।
২। আমি আর কোন দিন এসব লেখা লিখি নাই।
৩।এই লেখাটা আমি শুধু লেখে গেছি একবার পড়িন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



