আমার প্রিয় পোস্ট

শাশ্বত'র জন্য রাজশাহী যাওয়া অত:পর আমার দালাল উপাধি...

১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

                       

ভূমিকা...
কাল ১২ জুলাই সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা অবদি আমি অনলাইনে ছিলাম। শুধু একবার সামান্য সময়ের জন্য লগ-ইন করেছিলাম। শাশ্বত’র বাড়ীতে তোলা ছবিগুলো সবাইকে শেয়ার করার জন্য। তারপর আর লগ-ইন করিনি। সারাদিন দেশ বিদেশ থেকে ২৭ টি ফোন আর ৩ টি মেইল পেয়েছি। অনেকে আসল ঘটনাটা জানতে চেয়েছেন। এরমধ্যে বেশ কয়েকজন সাধুবাদ জানিয়েছেন, কোন মন্তব্য না করার জন্য। আমি মনে করি এ ৩৬ জন ছাড়াও (ফোন করা ২৭ জন, মেইল করা ৩ জন, পোস্ট দেয়া ২ জন, কলকাঠি নাড়া ২ জন, কাঠগড়ার আমরা ২ জন) । আরো অনেকেই পোস্টগুলো পড়েছেন। সুতরাং একটা ব্যাক্ষা দেয়া প্রয়োজন।

কীভাবে আমি দালাল হলাম...
পাবলিক লাইব্রেরিতে শাশ্বত’র জন্য ফান্ড কালেকশনের প্রস্তুতি মিটিং থেকে অনেক ব্লগারের সাথে পরিচিত হই। এরপর বসুন্ধরায় টাকা তুলতে যেয়ে ৪ দিনে আরো কাছ থেকে দেখেছি ব্লগারদের। রাজশাহীর সুজন, সুমন, উজ্জ্বল আর মামুন সাহেবদের পোস্ট নিয়ে প্রতিক্রিয়াও দেখেছি। দেখেছি, সভ্য আমরা কতোটা অসভ্য ভাবে একে অপরকে লেখায়, মন্তব্যে, এসএমএস এবং মোবাইল ফোনে আক্রমন করেছি! ঢাকার সবাইকে (যারা শাশ্বত ফান্ড বিষয়ে সরাসরি জড়িত ছিল) তো দেখলাম, জানলাম, চিনলাম ! কিন্তু রাজশাহীর সুজন, সুমন বা মামুন সাহেব কে দেখিনি। তাই তাদের দেখার প্রচন্ড আগ্রহ ছিল। ইতোমধ্যে মি: মামুন সম্পর্কে আমার ঘনিষ্ট একজন (প্রথম আলোর সংবাদ কর্মী, তবে শ.হো.মাসুম নন)- এর কাছ থেকে জানলাম। আমি যা বুঝার বুঝলাম। নিজের আগ্রহ আর বন্ধুর অনুরোধে মামুন সাহেবের সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত নিলাম। অবশেষে আমি হয়ে গেলাম ‘দালাল’।

শাহবাগের আলোচনা এবং পোস্টে মিথ্যাচারীতা...
৭ জুলাই সোমবার শাহবাগে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা শেষে উপস্থিত সব ব্লগাররা (কালপুরুষ, ক্যামেরাম্যান, দীপু, উজ্জ্বল, রাহা, মহারাজা, রাতমজুর, রাসেল, টুটুল, আমি এবং আরো ২/১ জনের নাম মনে পড়ছে না) মিলে ৩ টি বিষয়ে একমত হই।
১.শাশ্বত ফান্ডের চেক প্রেস কনফারেন্সে নয়, তার বাড়ীতে গিয়ে দিয়ে আসা হবে।
২.আমরা প্রেস কনফারেন্সে যাবো। যদি আমাদের কাউকে বলতে দেয়া হয়, আমরা শুধু টোটাল টাকার হিসেবটা (কারা কারা দিয়েছেন) বলবো এবং লিখিত আকারে তা দিয়ে আসবো। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কোন প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে রিপ্রেজেন্ট করবো না। কোন অবস্থাতেই রাজশাহীর কারো সাথে ব্যক্তিগত বিরোধে জড়াবো না।
৩.রাজশাহীতে আমরা নিজের খরচে ৪ জন যাবো। কালপুরুষ, উজ্জ্বল, টুটুল আর আমি। টিকেটের দায়িত্ব নিলেন- কালপুরুষ।
পরবর্তীতে দীপু, ক্যামেরাম্যান এবং নেমেসিস আমাকে ফোন করে যাবার ইচ্ছে জানালে আমি তাদের কে টিকেট নিশ্চিত করতে কালপুরুষের সাথে যোগাযোগের কথা বলি।
অথচ গতকাল শ্রদ্ধেয় ২ ব্লগার তাদের ২ পোস্টে লিখেছেন- শাহবাগের আলোচনায় প্রেস কনফারেন্সে যাবার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি... কী মিথ্যাচারীতা !!!!

স্ববিরোধীতা...
প্রিয় ব্লগার, যে পোস্টে আমাকে দালাল বলা হয়েছে- তার মূল লেখায় লেখক লিখেছেন :
‘ ব্লগাররা ২ টা বিষয়ে একমত হয়েছিলেন- ১.টাকাটা শাশ্বত বা তার বাবার একাউন্টে দেয়া হবে, ইউনির ফান্ডে না। ২.ব্লগাররা কেউ প্রেস কনফারেন্সে যাবে না ’
অর্থাৎ লেখকের ভাষ্যমতে শাহবাগের আলোচনায় রাজশাহীতে প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত থাকার বিষয়ে একমত হয়নি উপস্থিত ব্লগাররা।
একই পোস্টে আনিসুজ্জামান উজ্জ্বলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে লেখকের মন্তব্য দেখুন :
‘ সোমবারে ডিসিশন হয়েছিল প্রেস কনফারেন্সে যাওয়া হবে। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য দেয়া হবে না।’
একই লেখকের একই লেখায় মন্তব্য দুটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার অনুরোধ জানাই আপনাদের... এ ক্ষেত্রে আমার মন্তব্য নি®েপ্রয়োজন !!
(স্যরি, আমি লিংক দিতে জানি না। তবে হুবহু লেখাটা লিখে দিয়েছি)

রাজশাহী অধ্যায়...
রাজশাহীতে নেমে প্রথমে নাস্তা সেরে নেই (এ জন্য আমার কোন খরচ হয়নি)। তারপর মি: কালপুরুষের বাড়ীতে যাই। ফ্রেশ হয়ে নাটোরে শাশ্বতদের বাড়ীতে যাই এবং শাশ্বত’র বাবার হাতে সংগৃহিত ৪ লক্ষ ৮২ হাজার ১৯৩ টাকার চেক তুলে দেয়া হয়। ৩ টা নাগাদ রাজশাহীতে পৌঁছে ব্লগার বন্ধুর নিজেদের হোটেলে দুপুরের খাবার খাই (এ বাবদ আমাকে কোনো টাকা দিতে হয়নি)। সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে আমি টুটুলসহ মামুন সাহেবের সাথে দেখা করার জন্য তার বাসায় যাই। তাকে পেতে পেতে আমাদের প্রায় ৯ টা বেজে যায়। ঘন্টা খানেক আলাপ শেষে (উপস্থিত ছিলেন- মামুন সাহেব, শিবলী, সুজন, উজ্জ্বলসহ আরো ৪/৫ জন) আমি আর টুটুল ফিরে আসি।
ইতোমধ্যে দীপু ২ বার আমার মোবাইলে ফোন করেছে। আলোচনায় ছিলাম বলে আমি লাইন কেটে দিয়েছি। আলাপ শেষে দীপুকে ফোন করে আমার আর টুটুলের ব্যাগ নিয়ে হোটেলে চলে আসার জন্য অনুরোধ করি। দুপুরের সেই হোটেলে আমরা সবাই রাতের খাবার খেয়ে নেই (কী সোভাগ্য ! হে ঈশ্বর, আবার বিনামূল্যে আমি খেতে পেরেছি)। এরপর থেকেই শুরু হয় নাটকের (অবশ্যই নতুন ধরণের প্যাকেজ নাটক এটি ??!!)।
তারা ৪ জন এক টেবিলে। আমরা ২ জন অন্য টেবিলে। বাস কাউন্টারে এসেও তাদের ৪ জনের ফিসফাস ?? আমরা আলাদা !! ২/১ টি বিচ্ছিন্ন কথা ছাড়া কোনো কথা নেই ওদের সাথে...!!
বাসে উঠার পর একজন ব্লগার বন্ধু বললেন- ‘ শেষ পর্যন্ত নিজেদের লোকেরাই আমাদের জুতা মারলো। আমার মুখে থুতু মেরে দিলো...।’ বাস ছাড়ার মিনিট দশেক পর ৪ জনের একজন আমাকে ডেকে নিলেন বাসের পেছনের দিকে। পেছনের অনেকগুলো সিট খালী ছিলো। তারপর ?? তারপর আমার সাথে যা হয়েছে, তার নাম দিতে পারি- ‘ দু:স্বপ্নের ৩০ মিনিট ’। তিনি আমাকে যা বল্লেন- তার চুম্বক অংশ :
১. কেন (গালী.....) মামুনের সাথে দেখা করতে গেলাম ??
২. আমি রাজশাহীর ব্লগারদের (গালী...) উসকে দিয়েছি, তার মাকে গালী দেবার জন্য (এর স্বপক্ষে তার যুক্তি হচ্ছে- ব্লগে রাজশাহী এবং ঢাকার ব্লগারদের মধ্যে যখন গালাগালীর প্রতিযোগিতা হচ্ছিল তখন তাকে উদ্দেশ্য করে কেন আমি মন্তব্য করেছি- ‘ বস, প্লিজ থামেন / চুপ করেন ’)
৩. রাজশাহী যাবার বিষয়ে শাহবাগে ব্লগাররা একমত হয়েছে যারা, সেসব ব্লগার (গালী...) কারা ? তাদের কী অধিকার ? যেহেতু সে একটা ব্লগের রিপ্রেজেন্ট করছে সুতরাং তাকে কেনো ফোন করে তার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি ? আমি এত কিছু করার কে (গালী...) ??
৪. আমাকে এ জন্য চরম মূল্য দিতে হবে !! (এ প্রসংগে আমি বলেছি- আপনি আমাকে শারীরিকভাবে মারতে পারবেন। যেহেতু আপনারা সব সময় বলেন, আপনাদের অনেকগুলো নিক আছে- সেহেতু আগামীকাল ঢাকায় ফিরে ব্লগে আপনি আমাকে পঁচাতে পারবেন, বাবা-মা তুলে গালী দিতে পারবেন)
সম্মানীয় ভদ্রলোক তার কথা রেখেছেন। তবে নিজে নয়, অন্যকে দিয়ে (বয়স ৪০ হলে মানুষের ভিমরতি হয়- জানতাম। হে ঈশ্বর, আগামী সেপ্টেম্বরে তো আমারও ৪০ হবে। তাহলে কি আমারও ভিমরতি হবে ? রক্ষা করো প্রভু !!!!!)।

আমার আর কিছু বলার নেই......

 

 

  • ২২ টি মন্তব্য
  • ৩৯৮বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১০ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: আমাদেরও বলা কিছু নেই! :(
২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
comment by: নাইম বলেছেন: হুমমম...মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন
৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: আচ্ছা ওদের এত মাথা ব্যথা কেন?
ওরা কি চাই আমরা সবই ওদের কে বাহ বাহ দিব ----
যা দিলাম তোরা বাহ বাহ নিয়ে থাক -------- আমার বাহ বাহ জন্য কাজ করছিনা এটা ওদের বুঝিয়ে দেননা কেন ?

আমরা কাজ করছি আমাদের শাশ্বত’কে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে আনার জন্য ---------

শুভেচ্ছা থাকল
৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
comment by: আনিসুজ্জামান উজ্জল বলেছেন: মেজবাহ ভাই, এত যারা বাহাদুরি দেখাতে চান তাদের এত মানবতাবাদী হবার তো দরকার নেই। আর সামহোয়্যার ইন কর্তৃপক্ষরও এতে হাত আছে বলে আমার মনে হয়। কারণটা তারাই ভালো বলতে পারবেন।

আমি কয়েকটা বিষয় নিয়ে বলতে চাই...

সুমন লিখেছে দীপু নাকি বলেছেন কোন এক ব্লগারের নাম উল্লেখ করে তার ক্যারিয়ার শেষ। আমি দীপুকে বলতে চাই, আপনি এত বাঘা পুরুষ তো জাতীয় দৈনিকে আপনার স্থান হয় না কেন? আর আপনি তো ছিলেন আমার দেশ'র কনন্ট্রিবিউটার। আপনার এত সাহস আসে কোথা থেকে? আপনি যদি মনে করেন রাজশাহীর লোকজন হাত বগলে নিয়ে বসে থাকে, তাইলে ভুল করবেন।

আমি আবাল, আমি মামুন স্যারের দালাল... হতেই পারি। কারণ আমি শিক্ষকদের সম্মান করার কথাই শিখে এসেছি। কিন্তু রাজশাহীতে গিয়ে আপনারা যা করেছেন তাতে কি এটা প্রমাণিত হয় না কোন এক বা দুই পক্ষের দালালি করার জন্যই প্রেস কনফারেন্স যান নি।

রঞ্জু বলেছেন, কানা আমার নিক। রঞ্জু সেটা কোন মারফতে শিউর হলেন বলবেন কি?

আর নাম নিয়ে এতই যদি কান্নাকাটি, তবে আপনাদের সাথেই তো বড় এবং ক্ষমতাবান সাংবাদিকরা ছিলেন, তারা কেন নাম সহকারে নিউজ করলেন না?
৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: অনেক কমেন্ট করসি...
আর না ...
৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: অনেক কমেন্ট করসি...
আর না ...
৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: মেজবাহ ভাই
শুধু মাত্র আপনার পোস্ট এর জন্য লগইন করলাম...

যেহেতু কাজটা শুরু আমি করেছিলাম সেহেতু দায় আমার... আপনাকে অপদস্ত করার কোন অধিকার কারোই নেই। সময় থাকলে রাসেল .... এবং কৌশিকদার কমেন্টস পড়েন (যেটা কালপুরুষদা / রঞ্জু ভাই এর পোস্টে দেয়া আছে)। কার কতটুকু কথা বলার অধিকার সেটা আমরা জানি না... যার করনেই এত কিছু ঘটেছে।

ওকে বস...
শ্বাশ্বত সংক্রান্ত সকল দায় আমার... এই দায় মাথায় নিচ্ছি আমি। কারো কোন গালি দিতে হলে আমাকে দিন, কারো যদি শারীরিক শক্তি প্রদর্শনের ইচ্ছা থাকে ... সেটাও আমি মাথা পেতে নিব। কিন্তু আমার সহযোদ্ধা কাউকে কিছু না বলার জন্য অনুরোধ করছি।

হ্যাপি ব্লগিং...
৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: শফিকুল বলেছেন: ৪০ সে ভিমরতি হয় না এটা নবুয়তি বয়স।
৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
শাশ্বত খুব লজ্জা পাবে এগুলো জানলে । হয়তো ভাববে এর চাইতে ঢের ভালো বেঁচে না থাকা ।
১০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: য়াযাদ ভাই, চিন্তা করেছিলাম শ্বাশত বিষয়ক কোন পোস্টে কোন কমেন্ট করবো না। তবে আপনার কিংবা টুটুল ভাইয়ের কাছ থেকে একটা ব্যাখ্যা আশা করছিলাম। ব্যখ্যাটা পেয়ে ভালো লাগলো।

আমার ব্যক্তিগত মতামত যদি চান তাহলে বলবো যে আপনারা সবাই মিলে মামুন সাহেবের সাথে দেখা করে যদি তার ভুল/হঠকারী সিদ্ধান্তগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে আসতেন তাহলে আরো ভালো হতো।

এতই যদি সমস্যা তাহলে কেন তারা ১১ তারিখেই যাবার জন্য সম্মতি দিলেন? তার পরেও তো আরো শুক্রবার আছে?

আপনারা দুইজন যে গিয়েছিলেন তার জন্য আপনাদের "দালাল" আর "নির্লজ্জ" উপাধি পেতে হলো, তাও এমন একজন ব্লগারের কাছ থেকে যার সম্পর্কে আমার ধারণা খুব ভালো ছিলো, এজন্যই আমি হতাশ, কারণ এর কিছুটা দায়ভার আমাদের উপরও আসে।

পার্সোনালি আপনারা দেখা করায় আমি মনে করি যে এটা খুবই ভালো একটা মনের পরিচয় রেখেছেন আপনারা দুজন।

ভালো থাকবেন।
১১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: মেসবাহ ভাই,
কুত্তা কামড়াইলে কি কুত্তারে কামড় দেওন যায় ? কুন সারমেয় শাবক কি বল্ল সেইটা নিয়া মাথা না ঘামানোই উচিৎ।
যাই হোক, আপনে বড় ভাই; আমার চাইতে ভালো বুঝেন। বলার কিছু নাই। কিছু মানুষ অন্তত চেনাতো গেলো।
১২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১২
comment by: ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: বিষয়টার সাথে আমি কোন পর্যায়েই জড়িত ছিলাম না। কাজেই এ নিয়ে কোন মন্তব্য করাটা ভালো দেখায় না। তবে আপনাদের এই কাঁদা ছুড়াছুড়ি দেখে শেখ সাদীর একটি গল্প মনে পড়ে গেল।

বালক বয়সে সাদী প্রায়ই তার বাবার সাথে সারা রাত মসজিদে ইবাদত করতেন। এই প্রক্রিয়ায় একদিন দেখা গেলো গভীর রাতে মসজিদের বাকি সব ইবাদতকারীরা ঘুমিয়ে গেছে। শুধু সাদী ও তার বাবা জেগে আছেন। এর ফলে সাদীর মনে কিছুটা অহংবোধ জন্ম নিল। সে বললো, "বাবা দেখ এই লোকগুলো কত হতভাগা, মসজিদে ইবাদত করতে এসে ঘুমিয়ে পড়েছে"। সাদীর বাবা উত্তর দিলেন "বৎস অন্যের দোষ ত্রুটি ধরাই যদি তোমার এই জেগে থাকার উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তবে এদের মতো ঘুমিয়ে থাকাটাই ঢেড় ভালো হবে'।

আপনাদের আসল উদ্দেশ্যতো ছিলো শ্বাশতকে সাহায্য করা। সেই পারপাসতো সার্ভ হয়েছে। কাজেই এখন এ কাজে ক্রেডিট নেয়ার চেষ্টা করাটা হীনমন্যতা নয় কি।

আমি সাধারণ মানুষ এতা কিছু বুঝিনা। তারপরেও মন্তব্যে অশালীন কিছু থাকলে ক্ষমা করে দেবেন।আপনাদের প্রচেষ্টাকে সালাম।
১৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: জামালiiuc বলেছেন: সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
শাশ্বত খুব লজ্জা পাবে এগুলো জানলে । হয়তো ভাববে এর চাইতে ঢের ভালো বেঁচে না থাকা ।

আমার ও মনে হয় তাই।

আর প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব আপনি ব্লগ ছেড়ে যাওয়ার কি দরকার। ছেড়ে যাওয়া পরাজয়েরই নামান্তর। ব্লগে থাকেন এবং শ্বাশতর ব্যাপারটা মনে হয় এবার বাদ দেওয়া উচিত।
১৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার বা টুটুলের কাছ থেকে একটা ব্যাখ্যামুলক পোস্টের প্রয়োজন ছিল ।
১৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: আবদেল্লাহ ফাইসাল বলেছেন: য়াযাদ আপনাকে আমি যতদুর জানি, আপনি খারাপ কাজ করতে পারেন না বলে আমার বিশ্বাস । একটা ভালো কাজ করতে গেলে কিছু লোক আছে তারা সমালোচনা করবেই। কিছু লেঅক পাণ্ডিত্য দেখাবে তিনি হেন করেছেন, তেন করেছেন বলে।

আপনাকে দেখতে হবে যে লক্ষে কাজ করছেন সেটা পূরণ হচ্ছে কিনা? শ্বাশ্বত ছেলেটির জন্য আপনারা যা করছেন, কম বেশি সবাইর অবদান আছে। কিণ্তু দলের একে অন্যকে নিয়ে যেভাবে এখানে লেখা হচ্ছে তাতে হীতে বিপলতি হচ্ছে। আগামী দিনে কেউ আর আসবেনা এসব কাজে। আপনার নিজের মাননিকতা থাকবে কিনা তাতে আমারও সন্দেহ হয়। ফলে আবারও বলবো এসব নিজেদের মধ্যে রাখুন। জাতিকে জানারো দরকার কী? লক।ষ ঠিক থাকলে দেখবেন পরিশেণষ আপনার মধ্যে জাগা ক্ষোভ- অপমান থাকবে না।

পরিশেষে বলি ওই ছেলের জন্য কোথাও কি কোন বাক্স রাখা আছে-ঢাকায়? আমি সামান্য সাহাহ্য করতে চাই।
১৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
comment by: নামহীন মানব বলেছেন: আমি আর এইসবের মধ্যে নেই। ইতিমধ্যে হয়তো খেয়াল করেছেন এই বিষয়টাতে আমি কোন কমেন্ট করিনা।

এই ব্যাপারটার এমন নোংরা পরিনতি আশা করিনি। তাই কোন কিছুই বলার নেই।
১৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: আরিফ রেজা খান বলেছেন: য়াযাদ, আপনের লগে আমার পরিচয় নাই। আপনে যখন প্রথম আলো ছাড়ছেন তারপরে আমি কিছু সময় আছিলাম। আপনের কিছু প্রাক্তন কলিগের লগে আলাপে আপনের নাম শুনছি। না দেইখাই পছন্দ করন গেলে আপনারে পছন্দ কইরা ফালাইতাম। 'দালাল' যারা আপনারে কইছে, তাগোর দিকে চাইলেই বুঝবার পারবেন দালাল কি জিনিস।
১৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
comment by: আরিফ রেজা খান বলেছেন: আর দীপুর ব্যাপারে কইতে গেলে অনেক কিছুই কওন যায়। কন্ট্রিবিউট করবার যাইয়া এফডিসির কাটপিসআলাগো কাছ থাইকা টেকা খাওনের রেকর্ডও হের আছে। কাজেই তারে কিছু কওনের নাই। এমনই বাল ফালাইন্যা মরদ, অন্যের সাংবাদিকতার ক্যারিয়ার নিয়া প্রশ্ন তোলে, ঢাকায় হেরই বেল নাই।
১৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
comment by: রাশেদ বলেছেন: জানলাম সব কিছু। ধন্যবাদ আপনাকে।
২০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
comment by: এফ আই দীপু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ২.আমরা প্রেস কনফারেন্সে যাবো। যদি আমাদের কাউকে বলতে দেয়া হয়, আমরা শুধু টোটাল টাকার হিসেবটা (কারা কারা দিয়েছেন) বলবো এবং লিখিত আকারে তা দিয়ে আসবো। ব্যক্তিগতভাবে কেউ কোন প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে রিপ্রেজেন্ট করবো না। কোন অবস্থাতেই রাজশাহীর কারো সাথে ব্যক্তিগত বিরোধে জড়াবো না।

পরবর্তীতে দীপু, ক্যামেরাম্যান এবং নেমেসিস আমাকে ফোন করে যাবার ইচ্ছে জানালে আমি তাদের কে টিকেট নিশ্চিত করতে কালপুরুষের সাথে যোগাযোগের কথা বলি।

অথচ গতকাল শ্রদ্ধেয় ২ ব্লগার তাদের ২ পোস্টে লিখেছেন- শাহবাগের আলোচনায় প্রেস কনফারেন্সে যাবার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি... কী মিথ্যাচারীতা !!!!


আমি আপনাকে কনফারেন্সে এটেন্ড করার ব্যাপারে ফোন করলে এ ব্যাপারে গাড়িতে আলোচনা হবে-এটাই আপনি আমাকে বলেছিলেন।
ক্যামেরাম্যান যেতে চাইছিলেন না, আপনি তাকে রাজি করিয়েছেন-এটাও আপনার মুখ থেকে শোনা এবং সেটা আপনি আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন।
শাহবাগে আলোচনায় একটা বিষয়ে একমত হয়েছিল যা আমার কাছে নোট রয়েছে। একমতের বিষয়টি ছিল-আমরা টাকাটা শাশ্বত বাবা-মার কাছে তাদের বাড়িয়ে গিয়ে তুলে দেব। সেদিন নোট করেছিলাম আপনার কাছ থেকে কলম চেয়ে নিয়ে-নিশ্চয়ই এটা ভুলে যান নি।

তবে একটা কথা ভাইয়া, টিমের বেশিরভাগ সদস্য যখন চাচ্ছিলনা তখন একটা টিম ওয়ার্ক নষ্ট করে কি মামুন সাহেবের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া ঠিক হয়েছে? আমি জানি ব্যক্তিগত ইগো থেকে আপনি এ কাজটা করেছেন। কিন্তু একটা ছেলের জীবন মরন প্রশ্ন যেখানে সেখানে আপনার করা কাজটি কি ঠিক হয়েছে? বন্ধুদের খুশী করতে পরে গেলেওতো পারতেন। অন্তত টিম ওয়ার্কটা নষ্ট হতোনা। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমিও বিরোধিতা করেছি। যদি আপনি মনে করেন, আপনার যাওয়াটাই মুখ্য সেখানে টিম ওয়ার্ক নষ্ট হলে কিংবা কারা কষ্ট পেল সেটা আপনার দেখার বিষয় নয়-এমন যদি আপনার মন্তব্য হয় তাহলে আপনার প্রতি আমার অভিযোগ তুলে নিলাম। তবে এটা সত্যি একটা মানুষের জীবন নিয়ে যদি আমরা জুয়া খেলি তাহলে আপনার গোয়ার্তুমি সেই জুয়া খেলাকে আরো চরম পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। আমি দুঃখিত আপনাকে কটু কথা বলার জন্য। আমি আর আপনাদের সাথে নেই এটা বলবোনা। কারন আপনাদের চেহারা দেখে শাশ্বত'র জন্য যাইনি। গিয়েছি মনের তাগিদে। সেই মনের তাগিদে কেউ যদি না ডাকে তাহলেও যাবো। কারন শাশ্বত'র মায়ের কান্না দেখে আমার মনে হয়েছে যেন আমার মা কাঁদছে। শাশ্বত'র জায়গায় নিজেকে দেখতে পেয়েছি। আপনাদের সঙ্গে বিরোধিতা করে আমার ভাইকে, আমার মাকে কষ্ট দিতে পারবোনা। সঙ্গে না রাখেন কিংবা সঙ্গে না থাকুন-এটা একান্ত আপনাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি আছি-এটাই আমার জন্য পরম সান্ত্বনা।

ধন্যবাদ য়াজাদ ভাই। আপনাদেরকে চিনেচিতো,তাই আপনাদের প্রতি কোনো ক্ষোভ নেই। কোনো ভুল করে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন।

২১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
comment by: মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন: মেসবাহ ভাই, ধন্যবাদ ব্যাখ্যার জন্য। সবার দৌড় তো জানা হইলো। সামান্য সৌজন্যতাবোধ দেখাতে যারা কার্পন্য করেন, তাদের দিলের পরিধি আর চোট আমার জানা। 'সব কথা কইবো সখি, নিশি নামিলে।'
২২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
comment by: মুহিব বলেছেন: কিছুকাল আগে আপনি আমার কমেন্টের এমন উত্তর দিয়ে যা আমার খারাপ লাগছিল। এরপর আপনার ব্লগে আর আসি নাই। অপেক্ষা করছিলাম সুযোগের যেদিন আমিও আপনাকে সেম কিছু বলব।

আজকে সুযোগটা পেলাম কিন্তু টায়ার্ড লাগছে।

 



 


দেশটাকে অনেক ভালবাসি আমি। ভালবাসি বউ আর আমার ছেলে ‌‌'রোদ্দুর'কে।
ঘেন্না করি রাজাকার, কুত্তা আর সাপকে। সারাটা জীবন ভরে যদি ঘুরতে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২৩৩৫৭