somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

থু থু..................

০৯ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উৎসর্গঃ লেবফিউম ও তাদের কে যারা মনে করে বা বিশ্বাস করে যে ১৯৭১ সালে রাজাকারেরা কোন ভুল করেনি ।


সাইদ বুঝতে পারে না, তার বাবা এত বড় বোকামি করতে পারল কিভাবে । তার বড় চাচা কত টাকার মালিক সেই সাথে কত্ত ক্ষমতবান । সেই চাচার বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেল !! তার চাচা অন্যায় তো কিছু করেনি, তার ক্ষমতা বেশী, তার পরিবারে লোক ও বেশি তাই একটু তার নিজের পরিবারের জন্য খরচ ও বেশি করে । এতে তো তেমন ক্ষতি হচ্ছে না , এখন যদি চাচা চায় তাহলে তো সে তাদের পরিবারকে পুরোটাই নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারবেন । এত বড় বোকামি কি কেউ জেনে শুনে করতে পারে, মনে মনে সাইদ তার বাবাকে একটা গালি দিল । সে আরো বেশি অবাক হয়েছে তার ভাইবোনদের পাগলামি দেখে, তারা কিভাবে এই পাগলামিকে সমর্থন দিল ভেবে পায়না সে । তবে তার সবচেয়ে বেশি রাগ হয়েছে লুবনার প্রতি , দুই দিনের পিচ্চি মেয়ে সে তাকে এত বড় কথা শুনায় দিল । সে বলে কিনা আমি তাদেরকে ভাইবোন বলে স্বীকার না করলেই বেশি খুশি হবে । যতবড় মুখ নয় ততবড় কথা । এর একটা বিহিত করতেই হবে । সে শুধুই বুঝাতে চেয়েছিল এত বড় শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ালে তাদের না খেয়ে মরে যেতে হবে । হ্যা তারা কিছু ভুল করেছিল, তাই বলে তাদের বিরুদ্ধাচরন এটা অনেক বড় আহাম্মকি । তারা বড় তারা দুই একটা চড় থাপ্পড় মারতেই পারে, এটা যদি তোমারা নাই মানতে চাও তাহলে তো তোমাদের না খেয়ে মরা ছাড়া আমি আর কোন পথ দেখছিনা বলেছিল পারিবারিক আলোচনায় । সে এও জানিয়ে দিয়েছিল যে সে তার বড় চাচার সাথে বেইমানি করতে পারবেনা । এই কথার জন্য লুবনা বলে বসল সে তার বোন না এবং তাকে দূর হয়ে যেতে বলল । এই বাড়ি কি তার না ? তার রাগ ক্রমে ক্রমে বাড়ছে । আসুক বড় চাচা এর একটা বিহিত হতেই হবে ।

কিরে কালা ঘুর ঘুর করছিস ক্যান, রেগে উঠল সাইদ । বাড়ি আগের থেকেই ফাঁকা ফাঁকা হয়ে গেছে সবাই কোথায় যেন লুকাচ্ছে । সে সব দেখে রেখেছে, এত বড় বাড়ির কোথায় কোথায় লুকানো যায় । সে আগেই সতর্ক করে দিছিল তার বড় চাচার বিরুদ্ধে না দাঁড়ানোর জন্য । এখন মজা বোঝ, লুকিয়ে লুকিয়ে থাক । আপন মনে বিড় বিড় করল সাইদ । আচ্ছা ভাইজান কোনটা ঠিক হবে অন্যান্য ভাইজানদের সাথে পালাই যাওয়া না আপনার সাথে এখানে থাকা বলল কালা, সে এ বাড়ির চাকর তার ক্ষুদ্র মাথায় কিছু ঢুকছিল না । আচ্ছা বল যে তোকে খাওয়াই পরাই তার সাথে বেইমানি করা কি ঠিক ? না ভাইজান উত্তর করল কালা । তাহলে তুই বল ওরা কতদিন লুকিয়ে থাকতে পারবে, এসব সম্পত্তি তো বড় চাচার তাই না । তিনি যা ইচ্ছা করবেন, তুই যদি তোর চাকরী নিয়ে খেয়ে পরে এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চাস তাহলে আমার সাথে থেকে যা । তোর কিচ্ছু হবে না। কালার বিভ্রান্তি বাড়লেও সে তার লাভ বুঝতে পারে, তাই লোভে চকচক করে উঠে তার জীহ্বা । সাইদ তার যুক্তিতে নিজেই খুশি হয়ে উঠে । ভাবে পৃথিবীতে বেঁচে থাকাটা মন্দ নয় । দুই একদিনের মাঝে তার বড় চাচা ও তার চাচাত ভাইয়েরা আসবে । তখন সে এই পরিবারে কতৃত্ব চাবে, হুমম তার কথায় উঠবে বসবে তার পরিবারের সদস্যরা যারা তাকে বলেছিল এই পরিবারের সে কেঊ না । ভবিষ্যৎ চিন্তায় তার চোখমুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠে । কালা কিছু বুঝতে না পারলেও সাইদ ভাইয়ের উজ্জ্বল মুখ দেখে সেও আশান্বিত হয়ে উঠে ।

আরে বড় ভাইজান মেঝ ভাইজান আপনারা, পথে আসতে কষ্ট হয়নিতো খুশিতে গদগদ হয়ে বলে সাইদ । ওরে কালা বড় গাছের ডাব পেড়ে নিয়ে আয়ত, আর ইঞ্জিনয়ালা পাখাটা আনতে ভুলিস না যেন । ভাইজানরা চাচা যে আসলেন না, উনি সুস্থ আছেন তো, তার ভক্তি চুয়ে চুয়ে পড়ে হাজার হলেও তাদের আশির্বাদে তারা বেঁচে আছে ভাবে সাইদ । কিরে বাড়ি ফাঁকা ফাঁকা দেখছি কেন, কই সেইসব বীরপুরুষরা যারা নাকি আর আমাদের সাথে চলবে না তাচ্ছিল্য সহকারে বলল বড় ভাইজান । আর বলেন না ভাইজান এত বড় অপদার্থ আর জীবনে দেখি নাই, আমি তাদের কত বুঝানোর চেষ্টা করলাম তবু শুনল না । অথচ এখন লুকিয়ে আছে আহাম্মক কাপুরুষের দল নুঁইয়ে থেকে বলল সাইদ । হমম তোদের গাছের ডাব তো দেখি বেশ মিষ্টি, আর এইটা কে রে কালাকে দেখিয়ে বলল বড় ভাইজান । ও আমার মত আপনাদের একজন খিদমতগার খুশিতে গদগদ হয়ে বলল সাইদ । তোদের বিশ্রামাগারে নিয়ে চলতো অনেক ধকল গেছে আজ, আর ওই বেইমানদের দেখলেই খবর দিস । আজ বিকালে অবশ্য একবার খুজে দেখতে হবে ওদের, বলে বিশ্রামাগারের দিকে পা বাড়ালেন ভাইজানেরা । আহ ভাইজান্দের কি অমায়িক ব্যবহার খুশি হয়ে উঠল সাইদ । আসলে আজকাল এমনিতেই খুশি হয়ে উঠে সে ভবিষ্যতের আলো দেখে । আরো খুশি করতে হবে ভাইজানদের তাহলে তাকে হয়ত আরো ক্ষমতাবান করে দেবে তার ক্ষমতাধর ভাইজানেরা ভাবে সাইদ ।

কিরে এত যায়গা ঘুরালি কিন্তু কাউকে তো দেখাতে পারলি না কিছুটা রাগান্বিত কন্ঠে বলল বড় ভাইজান । তার ধামকিতে মিয়ম্রান সাইদ বলল ভাইজান তাহলে আর একটা উপায় আছে, একজন জানে ওইসব কাপুরুষীর দল কোথায় লুকিয়ে আছে । তার কাছ থেকে কথা বের করে মিতে হবে । বড় এবং মেঝ একসাথে হেসে উঠল বলল এইটা কোন ব্যাপার, তুই এতক্ষন বলিসনি কেন হতচ্ছাড়া । সাইদ খুশি হয়ে উঠে তার প্রভুদের হাস্যজ্জল মুখ দেখে । সে তাদেরকে নিয়ে যায় লুবনা যেখানে লুকিয়ে আছে সেই দিকে । মনে মনে প্রশান্তি অনুভব করে হতচ্ছাড়ি খুব বেড়ে গিয়েছিল এইবার একটা উচিৎ শিক্ষা হবে ।

কোন সাড়াশব্দ নেই দেখছি, অনেক্ষন কড়া নেড়ে বলল সাইদ । ভাইজান এইটা ভেঙ্গে ফেলি বলল উৎসাহিত কালা । কালার বুদ্ধি দেখে সাইদ খুশি হয়ে উঠল, হ্যা হ্যা ভেঙ্গে ফেল । কিরে কাউকে তো দেখিনা বলল ভাইজানেরা । আমি নিশ্চিত ও এখানেই লুকিয়ে আছে, ভাল করে খুজে দেখতো কালা । খাটের তলা দেখে খুশিতে উদ্ভাসিত হয় কালার মুখ বলে পায়ছি ভাইজান লুকিয়ে আছে হারামজাদী । সাইদ কিছু মনে করেনা বরং কালার গালী শুনে খুশি হয়ে উঠে । বের করে নিয়ে আয় হারামজাদীকে, কত্ত বড় সাহস বড় চাচার বিরুদ্ধে যায় । কালা হিংস্রতার সাথে লুবনাকে টেনে নিয়ে আসে । লুবনার যৌবন দেখে ভাইজানদের আদিম রিপু জেগে উঠে, কি সুন্দর সুঢৌল দেহ যা বেরিয়ে পড়েছে ধস্তাধস্তির সময় । কাপুরুষগুলো কোথায় বল চুলের মুঠি ধরে জিজ্ঞাসা করে সাইদ । হঠাৎ সে মুখে অনুভব করে স্যাতস্যাতে দুর্ঘন্ধ যুক্ত কিছু এসে পড়েছে, হাত দিয়েই বুঝতে পারে সে লুবনা থুথু মেরেছে তার মুখে । রাগে কাঁপতে থাকে সাইদ, সে কিছু বলার আগেই বড় ভাইজান তাকে থেমে যেতে বলে আর বলে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে । তারা নাকি জানে কিভাবে মুখ থেক কথা বের করতে হয় । বাইরে বের হওয়ার সাথে সাথেই ধস্তধস্তির শব্দ শুনতে পায় কালা আর সাইদ আর শুনতে পাইয় লুবনার আর্তচিৎকার । খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠে সাইদের সেই মুখ, যে মুখে একটু আগে সে দুর্ঘন্ধ যুক্ত থু থু উপহার পেয়েছিল । সে ভুলে যায় থু থু এর কথা, তৃপ্তি নেয় সে লুবনার আর্তচিৎকার থেকে । কালা বলে ভাইজান এটা পাপ না, লুবনার চিৎকার তাকে কিছুটা বিভ্রান্ত করে । তুই বল যে অন্যায় করে তার কি শাস্তি হওয়া উচিৎ না জিজ্ঞাসা করে সাইদ কালাকে । জ্বী ভাইজান, সমর্থন জানিয়ে সে আবার জিজ্ঞাসা করে ভাইজান আমিও যদি তাকে শাস্তি দিতে চাই সেটা কি অন্যায় হবে । সাইদ এবার যেন আগের থেকে বেশি খুশি হয়, তাহলে লুবনাকে আরো বড় শাস্তি দেওয়া যাবে ভেবে বলে, না । আজ সবকিছু ন্যায় কারন তুই ন্যায়ের পথে আছিস, ভুল ব্যাখ্যা দিয়েও সাইদ চরম তৃপ্তি লাভ করে এই ভেবে যে লুবনাকে অনেক বড় শাস্তি দেওয়া গেল । কিছুক্ষন পরে বের হয়ে চলে যায় ভাইজানেরা, কালা তারপর ঢুকে রক্তাক্ত লুওবনাকে আরো রক্তাক্ত করে তোলে আদিম হিংস্রতার সাথে । সাইদ লুবনার আর্তচিৎকার শোনার জন্য থেকে যায়, কারন ওটা তাকে চরম আনন্দ দিচ্ছে ।


আহ সকালটা দেখে সাইদের মনটা ভাল হয়ে যায় । এত সুন্দর সকাল হতে পারে, জীবনটা নিয়ে আরো আশাবাদি হয়ে উঠে সাইদ । আজ দুইসপ্তাহ ওইসব কাপুরুষদের কোন ছায়া দেখা যায়নি, এটা ভাল লক্ষন তারা যদি আর না আসে তাহলে সে একাই রাজত্ব করতে পারবে ভাবতে ভাবতে ভাইজানদের ঘরের দিকে আগায় সাইদ ।

বুকের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় সাইদের, মেঝ ভাইজান আর কালা শুয়ে আছে পাশাপাশি তাদের চোখ পাথরের মত সাদা যেন তার দিকেই তাকিয়ে আছে । প্রাণ ভয়ে ভো দৌড় দেয় সাইদ এখনি তাকে লুকাতে হবে, সে এতটা ভাবতে পারেনি তবুও ও ওর আপন ভাইদের জানে তাই একটা লুকাবার স্থান খুঁজে রেখেছিল । সে অনেক কিছু জমিয়েও রেখেছিল সেখানে অনায়াসে কয়েক সপ্তাহ লুকিয়ে থাকতে পারবে সে ।

**************************************************

ধড়মড় করে জেগে উঠে সাইদ, ঘামে পুরোই ভিজে গেছে সে । বুকের বাম দিকটা চিনচিন করে ব্যাথা করে উঠে । বাবা কি হয়েছে তোমার জিজ্ঞাসা করল সাইদের ছোট ছেলে । না বাবা কিছু হয় নাই বলে সে, এড়িয়ে যায়, সে আসলে স্বপ্নে কালাকে দেখেছিল যে সাদা পাথরের মত চোখ নিয়ে তার সামনে বার বার দাঁড়াই আর বলে ভাইজান কষ্ট বড় কষ্ট, আপনিই তো বলেছিলেন আমি কোন অন্যায় করিনি তাহলে এত কষ্ট কেন । তার কোন দোষ নেয়, কালার লোভ তাকে ধ্বংস করেছে বলে নিজের মনকে প্রভোদ দেয় সাইদ ।
কি ব্যাপার বোরখা বাদ দিয়ে কোথায় যাচ্ছ বলে সে তার বড় মেয়েকে, বাবা আমিতো পাশের বাসায় যাচ্ছি এতে কি বোরখার দরকার আছে । হ্যা অবশ্যই আছে যাও বোরখা পরে বের হও বলে সে এড়িয়ে যায় যে সে মেয়েদের দেখেলেই কেন জানি তার মুখ থেকে আজকাল থু থু এর দুর্ঘন্ধ ছড়াই, সেটা সে যত উন্নতমানেরই সেন্ট বা আঁতর মাখুক । আর মুখটা সারাক্ষনই ঘিন ঘিন করে উঠে, কেন জানি মনে হয় প্রতিটা মেয়েই তার মুখে থু থু ছিটাচ্ছে যেমনটা ছিটিয়েছিল তীব্র ঘৃণা নিয়ে তার ছোটবোন......
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১২ রাত ১২:২৩
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×