আমার প্রিয় পোস্ট

তবে সন্ত্রাসীদের শাস্তি দিবেন কিভাবে?

২৮ শে জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

                       

আজ ও গত কয়েকদিনের কয়েকটি পোষ্টের পরিপ্রেক্ষিতে আজকে আমি এই পোষ্টটি দিচ্ছি। যেটা পুরোটাই আমার ব্যাক্তিগত মতামত।

র‌্যাব ক্রসফায়ারে করে সন্ত্রাসী মারছে। আমরা পত্র পত্রিকায় পড়ি সন্ত্রাসীদের সাথে বন্দুক যুদ্ধে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে পড়ে সন্ত্রাসী মারা যায়। কিছু অস্ত্র উদ্ধার হয় পরিত্যাক্ত অবস্থায়। এই গল্প আমরা সবাই জানি। পেপারে পড়তে পড়তে সবারই মুখস্ত হয়ে গেছে বলা যায়।

র‌্যাবের জন্ম গত জোট সরকারের আমলে। আমি কোন সরকারের পক্ষ নিয়ে কথা বলবো না, শুধু বলবো সেই সময়ে এই ডিপার্টমেন্টের সৃষ্টিটা সত্যিই খুব প্রয়োজন ছিল। আপনাদের নিশ্চই মনে আছে তখন খুবই খারাপ একটা অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিদিন পত্রিকার হেডলাইন, "ওমুক ব্যাবসায়ী নিহত, ওমুক ছাত্র নিহত, ওমুক জায়গায় ছিনতাই" ইত্যাদি ইত্যাদি। এই গুলো নিশ্চই কারো ভুলে যাবার কথা নয়। যেগুলো ভুক্তভুগী কেউ কেউ আমরাও নিজেরাও। একথা অস্বীকার করতে বাঁধা নেই এই র‌্যাবের সৃষ্টির পর এবং তাদের গৃহীত এক্শনের পর পরিস্থিতি কিছুটা হলেও ঠান্ডা হয়েছে। দেশের বৃহত একটা জনগোষ্ঠী এটার সমর্থন জানিয়েছে মৌন ভাবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক প্রেক্ষাপটে চলমান বিচার ব্যাবস্থা আমাদের কিছুই দিতে পারেনি। এ কথা স্বীকার করতেই হবে। কেউ আমাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে পারবেন? ওমুক সন্ত্রাসীর ওমুক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে যার জন্য সে ভাল জীবনে ফিরে এসেছে, আর ভুক্তভুগী সুবিচার পেয়েছে।

মানবাধিকার? একটা সন্ত্রাসী যখন একজন নীরিহ মানুষকে মেরে ফেলছে, তখন মানবাধিকার গেল কোথায়? নিহতের স্বজনের কান্না শুধু শহরের দালানে বাড়ি খেয়ে প্রতিধ্বনী হয়। কোন বিচার হয় না। হয়েছে কি কখনও? কোন আইনেই সেই কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে শাস্তি দিতে পারে না প্রসাশন। সে বের হয়ে আসে আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠে আইনের অপব্যাবহারের ফলে। বাংলাদেশের চলমান আইনের অপব্যাবহার করে, এই সন্ত্রাসীরা কি ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে না?

আমি ব্যারের ক্রসফায়ারের সমর্থন করি, একটি কারণেই যে, তারা সন্ত্রাসীকে মারছে।

তবে হ্যাঁ, অভিযোগ আসতে পারে, কোন কোন ডাকসাইটেরা এই ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাকে অপব্যাবহার করতে পারেন। তাই যদি হয় তবে সেটা খুবই দুঃখজনক। সেটার জন্য আলাদা ভাবে কথা বলা প্রয়োজন। ব্যাক্তিকেন্দ্রিক আক্রোশ এর জন্য প্রশাসনকে ব্যাবহার করা খুবই খারাপ। সেটার সাথে সন্ত্রাসীকে মেরে মানবাধিকার লংঘনের ব্যাপারটার কোন মিল নেই।

সমাজের যারা কীট তাদেরকে ধ্বংশ করেই ফেলা ভাল। বাংলাদেশের আইন দিয়ে আর আমলা তান্ত্রিক তোষামোদী দিয়ে এদের শাস্তি দিতে পারা যাবে না। ঠিক তেমনি এদের পূর্নবাসনও করা যাবে না। সুতরাং সমাধান একটাই।

আমরা কথা বলতে পারি, এই ডিপার্টমেন্টের জন্য কেউ ভুল বিচার পাচ্ছে কিনা বা নিরিহ মানুষ মারা পড়ছে কিনা? আমার খুব মনে আছে, একটি মাত্র কেইস ঘটেছিল, একবার র‌্যাবের ক্রসফায়ারে একটা নির্দোষ শিক্ষক মারা গিয়েছিল। সেটা নিয়ে অনেক কথাই হয়েছে তখন। এমন ঘটনার পুরোনাবৃত্তি হওয়া উচিত নয়।

সন্ত্রাসীরা তো অমানুষ। ওদের জন্য কান্না কিসের? ওদের জন্য আইন কিসের? ওদের জন্য মানবাধিকার কিসের? এই তৃতীয় বিশ্বের দেশে আপনি বা আমরা সব কিছু আইন দিয়ে বিচার করতে পারবো না।

তাই চাই সন্ত্রাসী নির্মূল হোক, সেটা যে উপায়েই হোক না কেন? আমরা শান্তি চাই।

[এই পোষ্টের কিছু অংশ একজন ব্লগারের একটি পোষ্টের কমেন্টে আমি লিখেছিলাম]

 

 

  • ৫৫ টি মন্তব্য
  • ৩২১বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
আমি কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছি আপনার কথার। সন্ত্রাসীদের শাস্তি হিসাবে না মেরে বরং এই সব মহান মহান বুলি কপচানো লোকেদের বাসায় পাঠানো হোক, এদের যা চাপার জোর, অচিরেই সন্ত্রাসীগুলো নিজেদের বহুল বুঝতে পারবে, তওবা করে এক এক জন মহাপুরুষ বনে যাবে।
২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
আমি কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছি আপনার কথার। সন্ত্রাসীদের শাস্তি হিসাবে না মেরে বরং এই সব মহান মহান বুলি কপচানো লোকেদের বাসায় পাঠানো হোক, এদের যা চাপার জোর, অচিরেই সন্ত্রাসীগুলো নিজেদের ভুল বুঝতে পারবে, তওবা করে এক এক জন মহাপুরুষ বনে যাবে।

আগেরটাতে বানান ভুল ছিল।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ তাই করতে হবে বলে মনে হচ্ছে আশেপাশের পরিবেশ দেখে।

৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: মিলটন বলেছেন: এটা আমার ব্যাক্তিগত মতামত। এই মাত্র আমার মতামতের সাথে অমিল থাকতে পারে এমন কেউ একজন মাইনাস দিলেন। আমি তাকে মনে হয় চিনি। "সাম্প্রতিক যারা ব্লগ দেখেছেন" এই লিষ্ট দেখেই বলছি।

আমি তাকে অনুরোধ করছি, আপনি অনুগ্রহ করে আপনার মতামতটি সংক্ষিপ্ত করে কমেন্ট আকারে বলুন। আপনার মতামতের উপর ১০০% সন্মান রয়েছে।
৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: এরকম সন্ত্রাসীরা মানুষ মারবে, সন্ত্রাসীদেরকে র‌্যাব খুন করবে, একম চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্থা কি হয় ভেবে দেখেছেন?

এভাবে শান্তি আনা যায় না। এভাবে সন্ত্রাসীদের গডফাদাররা ধরাছোয়ার বাইরে থেকে যায়। সরকার যদি আইনশৃঙ্খলারক্ষকারী বাহিনীর মাধ্যমে সন্ত্রাসীদেরকে পাকড়াও করতে পারে, তাহলে সরকারের অবশ্যই ক্ষমতা আছে, সন্ত্রাসীদের কার্যকলাপ প্রতিহত করার। সরকার সেটা কেন করছে না?

দলীয় শাসনামলে বিচারব্যবস্থা প্রভাবিত করার অজুহাত দেয়া হতো। এখন কিসের ভয় এই সরকারের?

War for peace is like fucking for virginity. বিনাবিচারে মানুষ মারা হচ্ছে আবার সেটাকে শান্তিরক্ষার মাধ্যম হিসেবে ভাবছি। আমরা অসুস্থই হয়ে গেছি।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন: ইয়র্কার,

তবে আপনিই বলুন এই অবস্থা থেকে এখন আমাদের পরিত্রানের উপায় কি? আপনি কি বাংলাভাই এর ছবি দেখতে চান, আপনি সেই কলেজের অধ্যক্ষ্যে ছবি দেখতে চান, যার মাথায় গুলি করে পুরো মাথাকে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল, যে ছবি দেখে অনেক মানুষ জ্ঞান হারিয়েছিল?

আমি বলতে চাইছি হ্যাঁ, প্রত্যেকটি মানুষেরই বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। কিন্তু এই রকম একটা তৃতীয় বিশ্বের দেখে যেখানে মানুষ খাবারের সাথে যুদ্ধ করে এখনও, সেখানে আপনি কিভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবেন?

আবার এ কথাও ঠিক আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়নি বলেই তো আজ এই অবস্থা। কিন্তু যেহেতু আপনি আর গোড়া থেকে শুরু করতে পারছেন না, তাই এমন কোন ষ্টেপ নিতে হবে যেটা, ডু অর ডাই। মানে ড্রাষ্টিক একশন।

সবসময় তত্বকথা আর পুথিগত বিদ্যা দিয়ে সমাজ চলে না। সেখানে কিছু আবেগ থাকে। যেটার মূল্য ঐ আইন আর পুথি দিতে পারে না।

৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: মিলটন, আপনার অসুস্থ চিন্তাকে মাইনাস দিয়ে উপরের মন্তব্য লিখলাম। আপনার কষ্ট করে চিনার দরকার নেই।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার সুস্থ্য চিন্তার প্রতি আমার সন্মান আছে।

না আপনাকে কষ্ট করে চিনতে হবে না কাউকে।

৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
comment by: মুহিব বলেছেন: সন্ত্রাসী বলে হয়ত কেউ বিরোধীতা করছি না। তবে সবারই তো বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আমার এই ব্যাপারে নীরব সমর্থন আছে।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ সবারই বিচার পাওয়ার অধিকার আছে, এটা আপনার ঐ ভদ্র পাড়ার ভদ্র দেশের কথা। বলেন আপনার আশে পাশের কয়জন ন্যায় বিচার পায়? বলেন, কয় জন দুবেলা পেট ভরে খেতে পায়? কোন স্ত্রী তার নিরপরাধ স্বামী হারানোর বিচার পেয়েছে?

আর কত উদাহরন চান?

৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
comment by: ইউনুস খান বলেছেন: প্রথম যখন র‌্যাব এসেছিল তখন কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা অনেক ভাল হয়ে গিয়েছিল। ঐ সময় অনেক ক্রসফায়ারের ঘটনাও ঘটত। আমি কিন্তু ক্রসফায়ারের পক্ষেই দুর্বলতা অনুভব করতাম। কেননা যাদের ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে তাদের অনেককেই বিচার শাস্তি দেওয়া যেতনা। কেননা তখন অনেক এম.পি - মন্ত্রী তাদের মুক্তির জন্য লবিং শুরু করত।

সন্ত্রাসীরা তো অমানুষ। ওদের জন্য কান্না কিসের? ওদের জন্য আইন কিসের? ওদের জন্য মানবাধিকার কিসের? এই তৃতীয় বিশ্বের দেশে আপনি বা আমরা সব কিছু আইন দিয়ে বিচার করতে পারবো না।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: একটা সলিউশন দেন।

৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
comment by: শাহবাজ বলেছেন: মানবাধিকারের কপচানিটা ৩৬৫ দিন কপচানো হউক , আপত্তি নাই । কিন্তু অমানুষ মরলেই এখই মুরগীমাথাগুলো ধরফর শুরু করে ক্যান ?
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭

লেখক বলেছেন: অধিকার হারা মানুষের অভিধানে মানবাধিকার বলে কিছু নাই।

৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: সন্ত্রাসীরা যাতে মানুষ না মারতে পারে, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর।

সন্ত্রাসীরা বিনাবিচারে মানুষ খুন করে বলেই তো তারা সন্ত্রাসী। অপরাধীদেরকে শাস্তি দেওয়ার জন্যই আইন, সে আইনের বাস্তবায়ন করাও সরকারের দায়িত্ব। সরকার সেই আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সন্ত্রাসীদের কায়দায় খুন শুরু করলে সরকারকে কেন সন্ত্রাসী বলা হবে না?
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি মূল প্রসঙ্গ থেকে দুরে সরে যাচ্ছেন।
আপনি আমাকে বলুন, খুনের আসামী কিভাবে জামিনে বাহিরে ঘুরে বেড়ায়? সেই আসামী কিন্তু আইনেরই একটা দুর্বল যুক্তিকে পূঁজি করে জামিন পেয়েছে নিশ্চই? তাইনা?

তাহলে আপনি কিভাবে বলবেন, এই পরিস্থিতিতে কিভাবে আপনি সিউরিটি দিবেন যাতে সে বের হয়ে আবারো খারাপ কাজ না করে?

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩০
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: শাহবাজ, মানবাধিকার বলে কথা নয়। অনেক দেশের অনেক 'কালা' আইনই মানবাধিকারের সাথে যায় না। কিন্তু সরকারের দায়িত্ব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। না হলে দেশে আইন দরকার কেন? সরকারই বা দরকার কেন? সরকারকে তো জনগণ গুন্ডা হিসেবে ভাড়া খাটায় না।
১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
মিলটনভাই, একটা জিনিষ খেয়াল করেন, যারা মহান মহান ডায়লগ মারছে, হয় ভার্চুয়াল, কারন এদের কোন পরিচিতি পাবেন না কোথাও রিয়েল দুনিয়াতে, এরা আপনার-আমার-আরো অনেকের মত বাস্তব চরিত্র না, যেন বেচেই থাকে ভার্চুয়াল দুনিয়াতে।

নয়তো, আছে বড়লোকদেশে, বাইরে বইসা বুলি কপচানো সহজ।

আর একদল, মিডিয়ার লোক, কারন আলোচনা-সমালোচনা আসলে তাদের নামের চর্চাটাই বাড়ায়।

কোন ভালো কাজটায় এদের পান? খালি যদি আসে কোন নাম ফুটানোর সুজোগ, তখন শেষ টাইমে আইসা হাজিরা মাইরা যায়।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: আসলে মানুষ দুর থেকে অনেক কিছুই বলতে পারে। কিন্তু বাস্তবে অনেক কিছুই কঠিন।

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

১২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: মিলটন ভাই, পরিত্রাণের উপায় খুব সোজা। সন্ত্রাসী খুন করতে র‌্যাব যে তৎপরটা দেখায়, এই তৎপরতা দরকার সন্ত্রাস প্রতিরোধ করতে। দেশের অধিকাংশ সন্ত্রাসই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর নাকের ডগায় হয়। এক একজন টপ সন্ত্রাসীকে ধরার সামর্থ্য যেখানে এদের আছে, সেখানে সন্ত্রাস প্রতিরোধের সামর্থ্যও এদের আছে। সামর্থ্য না থাকলে সরকার লোকবল বাড়াক।

আইনের শাসনের জন্য আইনের প্রতি সরকারকেই শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। আর সরকারকে শ্রদ্ধাশীল করতে দরকার জনমত। আজ সরকার নির্বিচারে একের পর এক 'সন্ত্রাসী' ট্যাগ লাগিয়ে মানুষ খুন করতে থাকে, তাহলে আমাদের উচিত সেইটার প্রতিবাদ করা, সেইটার পক্ষে সাফাই গেয়ে অরাজকতাকে উষ্কে দেয়া নয়।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার প্রথম প্যারাটা আমার ভাল লেগেছে, সেখানে আপনি একটা সলিউশন দিয়েছেন। এজন্য ধন্যবাদ।

(কিন্তু দ্বিতীয় প্যারা সম্মন্ধে)
আমি স্বীকার করছি অবিচারে মানুষ মারার অধিকার কারো নেই। কিন্তু আপনি যে বললেন,

"আজ সরকার নির্বিচারে একের পর এক 'সন্ত্রাসী' ট্যাগ লাগিয়ে মানুষ খুন করতে থাকে, তাহলে আমাদের উচিত সেইটার প্রতিবাদ করা, সেইটার পক্ষে সাফাই গেয়ে অরাজকতাকে উষ্কে দেয়া নয়।"

সরকার কোন ভাল মানুষের গায়ে ট্যাগ লাগিয়ে মেরে ফেললো? আপনি কোন সন্ত্রাসীকে ভাল মানুষ বলছেন? অথবা আজ পর্যন্ত র‌্যাবের ক্রসফায়ারে যতজন মারা গেছে তার মধ্যে একজন বাদে কেউ তো কারো ব্যাপারে কোনদিন অভিযোগ তোলেনি। আর ঐ একজন ভালো মানুষ মারা পড়ার জন্য সে সময় অনেক কথা, প্রতিবাদ হয়েছিল।

মানছি আপনি অনেক জ্ঞানী। সেটা আপনার লেখার ধার দেখলেই বোঝা যায়। অনেক যুক্তিনির্ভর লেখা। কিন্তু আমার বাস সমাজের একেবারে নীচু স্তরে যেখানকার মানুষ সুবিচার পায় না। যাদের মহল্লায় কোন মানুষকে খুন করে কোন সন্ত্রাসী পার পেয়ে যায়।

১৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: হাসান বিপুল বলেছেন: মানবাধিকার, আইনের শাসন এসব শব্দ ভালো, প্রয়োগ করতে পারলে অনেক ভালো। যখন এসব প্রয়োগ করা সম্ভব হবে তখন ক্রস ফায়ার অবশ্যই মানবাধিকারের লঙ্ঘন। কিন্তু কথা হচ্ছে বর্তমান নিয়ে, নিকট অতীত নিয়ে।

চাইলে আমি বা আপনি যেমন বলতে পারবো না কে বেশি ভালো, বিএনপি নাকি আওয়ামী লীগ, আমাদের বেছে নিতে হয় কে কম খারাপ। এখানে বৃটিশ লেবার পার্টি বা টোরির সঙ্গে বিএনপির তুলনা সম্ভব নয়। যেমন আমেরিকান ডেমোক্রেট বা রিপাবলিকানদের সঙ্গে লীগের তুলনা করা। আমাদের বেছে নিতে হয় হাতের নাগালে যা আছে তার মধ্যে থেকে হাসিনা বা খালেদাকে। অন্তত এইটুকু জানি, তথাকথিত সংস্কার আর সাধু-সৎ পলিটিশিয়ান আমাদের কপালে নেই।

ঠিক একই লাইনে আমাদের বাস্তবতায় মেনে নিতে হয়, হয় একদিকে নিয়মতান্ত্রিক বিচার প্রকৃয়ায় ১০০ অপরাধীর মধ্যে ১ বা ২ জনের বিচার হবে (এরশাদ শিকদারের মতো) আর বাকীরা আইনের ফাকে জামিন পেয়ে রিভলভার হাতে ফিরে আসবে বিচারপ্রর্থির বাড়িতে।

একদিকে মানবাধিকার বিরোধী ক্রসফায়ার অন্যদিকে সন্ত্রাসীর হাতে আরো কিছু নিরীহ ব্যবসায়ী, সংসারী মানুষের লাশ হয়ে বাড়ি ফেরা। আমাকে জিজ্ঞেস করলে বলবো দুটোই খারাপ, কিন্তু ক্রসফায়ার অপেকাকৃত কম খারাপ।
১৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আপনি মূল প্রসঙ্গ থেকে দুরে সরে যাচ্ছেন।
আপনি আমাকে বলুন, খুনের আসামী কিভাবে জামিনে বাহিরে ঘুরে বেড়ায়? সেই আসামী কিন্তু আইনেরই একটা দুর্বল যুক্তিকে পূঁজি করে জামিন পেয়েছে নিশ্চই? তাইনা?

তাহলে আপনি কিভাবে বলবেন, এই পরিস্থিতিতে কিভাবে আপনি সিউরিটি দিবেন যাতে সে বের হয়ে আবারো খারাপ কাজ না করে?

------
আইনের দুর্বল যুক্তি থাকলে সেটাকে সবল করা হোক, সবল করার জন্য জনমত চাপ প্রয়োগ করুক।

সিকিউরিটি না দেয়া গেলে দেশে পুলিশবাহিনী পুষে লাভ কি?

র‌্যাব সন্ত্রাসীদেরকে ধরতে পারলে তাদেরকে প্রতিরোধ করতে পারবে না কেন?

এভাবে বিনাবিচারে একজনকে সন্ত্রাসী বলে হত্যা করে লাভ কি হচ্ছে? সাধারণ মানুষ একদফায় খুন হচ্ছে, সন্ত্রাসীরা তাদের প্রয়োজন ফুরালেই পরের দফায় খুন হচ্ছে। গডফাদারেরা নতুন সন্ত্রাসী আমদানী করছে। চেইন শেষ হচ্ছে না, গডফাদারেরা ধরাছোয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে।

সন্ত্রাস প্রতিরোধ দরকার, সন্ত্রাস না থাকলে সন্ত্রাসীও থাকে না। আর সন্ত্র প্রতিরোধের জন্যই পুলিশকে জনগণ টাকা দেয়, সন্ত্রাস হয়ে যাওয়ার পরে সন্ত্রাসীকে খুন করার জন কার্তুজ কিনতে না।
১৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১
comment by: কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "সন্ত্রাসীরা তো অমানুষ।" কিন্তু সন্ত্রাসী কে?
কে বিচার করবে একজন মানুষ সন্ত্রাসী কি না?
আমেরিকার দৃস্টিতে সাদ্দাম সন্ত্রাসী, লাদেন সন্ত্রাসী আবার পৃথীবির বহু মানুষ মনে করে বুশ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী - তাহলে কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে একটা লোক সন্ত্রাসী কি না?
আমরা যখন মুক্তি যুদ্ধ করছিলাম তখন সব মুক্তি যোদ্ধা পাকিস্তান সরকারের দৃস্টিতে সন্ত্রাসী ছিল। এখন যেমন - আওয়ামী লীগের দৃস্টিতে যে সন্ত্রাসী বি.এন.পির দৃস্টিতে সে হয়ত যোগ্য নেতা আবার বি.এন.পি যাকে সন্ত্রাসী হিসেবে ক্রস ফায়ারে দিয়েছে আওয়ামী লীগ দাবী করেছে সে নির্দোষ এবং তাদের দলীয় নেতা। তাহলে কোন নিরপেক্ষ বিচার ব্যাবস্থা ছাড়া আপনি কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন যাকে ক্রসফায়ারে দেয়াহচ্ছে সে আসলেই সন্ত্রাসী?
হ্যা, প্রাথমিক ভাবে সন্ত্রাসীদের মনে ভয় ঢুকানোর জন্য দুই চারজন অতি পরিচিত, ১০-১৫টা খুনের মামলার আসমী এবং স্বঘোষিত সন্ত্রাসীকে ক্রস ফায়ারে দেয়া জনগন পছন্দ করেছিল ঠিকই - কিন্তু সেই ব্যাবস্থাতো অনির্দিস্ট কাল ধরে চলতে পারে না। তাতে র‌্যাবের প্রতি সন্ত্রাসীদের ভয় ক্রমে কমে যাবে - এবং তাদের অপব্যাবহৃত হবার সম্ভাবনাও বাড়বে।
সুতরাং বিবেকবান মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্বই বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড বন্ধের ব্যাপারে সচেস্ট হতে হবে। বিশ্বের প্রায় সব বিচার ব্যাবস্থার একটি মুল নীতি হচ্ছে - "বহু সংখ্যক অপরাধী বেঁচে যাক কিন্তু কোন নিরপরাধ যেন কিছুতেই শাস্তি না পায়"। কারণ কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে সবচেয়ে বড় অপরাধ - এতে বিচার ব্যাবস্থা এবং প্রশাষনের উপর মানুষের বিশ্বাস নস্ট হয়ে যায় যা কোন দেশের প্রশাষন এবং বিচার ব্যাবস্থাকে সম্পুর্ণ ধ্বংস করে দিতে পারে।
১৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: রাতমজুর ভাই, পারসোনাল অ্যাটাকে যাইয়েন না। ভার্চুয়াল-নন ভার্চুয়াল এগুলা মজিদের দাড়ি নাই ক্যানজাতীয় আলাপ। কথা নিয়ে কথা বলেন।
১৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
comment by: মাতব্বর বলেছেন: সন্ত্রাসী রা নির্দোষ মানুষদের খুন করে,
আর সরকার সন্ত্রাসীদের (দোষী) খুন করে।

তাইলে সরকার সন্ত্রাসী হইল ক্যামবাই X((

আর এই গদ্যময় পৃথিবী তে মানবাধীকারের কথা নাই বা বলি
১৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: মাইনাস
১৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
@ইয়র্কার

"সন্ত্রাস প্রতিরোধ দরকার, সন্ত্রাস না থাকলে সন্ত্রাসীও থাকে না। আর সন্ত্র প্রতিরোধের জন্যই পুলিশকে জনগণ টাকা দেয়।"

দারুন!! তাহলে পুলিশ ঘুষ খেয়ে যে সন্ত্রাসীদের সুজোগ করে দ্যায়, এটা জানেন না? নাকি মিথ্যে বলছি?
২০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: রাতমজুর, পুলিশকে সরকার টাইট দিক, যাতে ঘুষ খেতে না পারে। ঘুষ খাওয়াকে হালাল ধরে নিয়ে আগালে পুলিশ পুষে জনগণের লাভ কি? আপনি কি জনগণের কথা বলবেন, না পুলিশের ঘুষ খাওয়া হালাল, তারা সন্ত্রাসীদেরকে ঘুষ খেয়ে সুযোগ করে দিবে, এটাই স্বাভাবিক হিসেবে আঁকড়ে ধরবেন?
২১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫০
comment by: সাজুভাই বলেছেন: ইয়র্কার বলেছেন: এরকম সন্ত্রাসীরা মানুষ মারবে, সন্ত্রাসীদেরকে র‌্যাব খুন করবে, একম চলতে থাকলে দেশের আইনের অবস্থা কি হয় ভেবে দেখেছেন?

এভাবে শান্তি আনা যায় না।

ভাই, আমার সামনে জেদিন আমার ভাই কে সন্ত্রাসীরা মারলো, পুলিস কোনো সাহাজজো কোরলোনা, তখন আপনার "আইন" কই ছিলো?
আপনে তখন কোন বালডা ছিরছেন? আপনাগো মতো মানুসের জন্য দেসের আজ এ অবস্থা। সন্ত্রাসীদের বিচার একটাই। ধরো আর মারো।

আমাদের নবী কি শান্তী প্রতিষ্ঠার জন্য যুদ্ধ করেননি? তার মতো মহা মানবকেও যুদ্ধ করতে হয়েছিলো শান্তীর জন্য। আমরা এত কস্ট করি কেনো?একটু শান্তীতে থাকার জন্য। প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করি সমাজের সাথে,একটু শান্তীতে থাকার জন্য।
২২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫১
comment by: মাতব্বর বলেছেন: আর আমার কাছে মানবাধীকার কথাটা শুনলেই কেন জানি সেইসব বগল কাটা ব্লাউজ পরিহীতা নারী নেত্রীদের :P কথা মনে হয় যাদের অনেকেই নিজ বাসাতে কাজের মেয়েদের অত্যাচার করে।X(
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: সহমত।

২৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: রাতমজুর, পুলিশকে সরকার টাইট দিক, যাতে ঘুষ খেতে না পারে। ঘুষ খাওয়াকে হালাল ধরে নিয়ে আগালে পুলিশ পুষে জনগণের লাভ কি? আপনি কি জনগণের কথা বলবেন, না পুলিশের ঘুষ খাওয়া হালাল, তারা সন্ত্রাসীদেরকে ঘুষ খেয়ে সুযোগ করে দিবে, এটাই স্বাভাবিক হিসেবে আঁকড়ে ধরবেন?

কেন দেশে থাকেন ভাই?
২৪. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: লেখক বলেছেন:

সরকার কোন ভাল মানুষের গায়ে ট্যাগ লাগিয়ে মেরে ফেললো? আপনি কোন সন্ত্রাসীকে ভাল মানুষ বলছেন? অথবা আজ পর্যন্ত র‌্যাবের ক্রসফায়ারে যতজন মারা গেছে তার মধ্যে একজন বাদে কেউ তো কারো ব্যাপারে কোনদিন অভিযোগ তোলেনি। আর ঐ একজন ভালো মানুষ মারা পড়ার জন্য সে সময় অনেক কথা, প্রতিবাদ হয়েছিল।

-----
মিলটন ভাই, প্রত্যেক সভ্য দেশের আইন অনুসারে প্রত্যেক অপরাধের বিভিন্ন মাত্রায় শাস্তি আছে। সেটা নিশ্চিত করার জন্যই একটা সভ্য দেশের সরকার এবং তার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনির প্রয়োজন। যদি ওই শালা সন্ত্রাসী, অতএব ধর-মার-গুলি সিস্টেম হয়, তাহলে আইনেরও দরকার নেই, সরকার পোষারও দরকার নেই।

কেউ যে কারো ব্যাপারে অভিযোগ তোলেনি, আপনার এই কথাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন যতবড় দাগী আসামিই হোক, আইন তাকে আপিলের সুযোগ দেয়, তার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের একটা সুযোগ দেয়। এক্ষেত্রে একজনকে বিচার ব্যবস্থায় না গিয়েই খুন করা হচ্ছে, তারপরও তার পক্ষে কেউ বলতে আসছে না, এটা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর ব্যর্থতাকেই নির্দেশ করে। তারা এমন ভয়ের রাজত্ব কায়েম করেছে যে, আজ কাউকে তারা নির্বিচারে খুন করলেও কিছু বলতে মানুষ ভয় পায়। অথচ আইনরক্ষাকারী বাহিনীর হওয়া উচিত জনগণের ভরসার স্থল, তাদেরকে ভয় পেতে হবে কেন?

যা হওয়া উচিত, তাই বলাই জনমানুষের দায়িত্ব। না হলে একটা পঁচা সিস্টেম চেঞ্জ হবে কিভাবে?
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারটা তো আইনেই আছে। কিন্তু সেই আইনের ফাঁক গলে যে সন্ত্রাসীরা বাহিরে এসে আবারো ক্রাইম করছে সেটা বাধা দিবেন কিভাবে, আমাদের এই ঘুন ধরা সমাজে?

সিস্টেম চেইঞ্জ তো আপনি রাতারাতি করতে পারবেন না, এর জন্য কিছু মৌলিক জিনিসের প্রয়োজন আছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে শিক্ষা। যেদেশের মানুষকে এখনও ক্ষুধা বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হয়, যেই দেশের সরকার ও জনগন কেউই নূন্যতম শিক্ষঅর্জন নিশ্চিত করতে পারে না জনগনের সেই দেশে রাতারাতি সবকিছু ঠিক হওয়াটা আশ্চর্যের ব্যাপার।

আমরা সবাই সুন্দর সমাজ চাই, কিন্তু সেই ট্র্যানজিশনটা কখন শুরু হবে তা কেউ বলতে পারছি না। কোনদিন সবাই শিক্ষিত হবে আর কোন দিন দেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে এই নিয়ে বসে থাকলে তো মানুষের দুঃখ র্দুদশা কাটবে না।

২৫. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: রাতমজুর,

যা হওয়া উচিত, তার পক্ষে বলুন। যা হওয়া উচিত না, তা মেনে নিতে নিতেই দেশের এই অবস্থা।
২৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: সাজু ভাই, আপনার ঘটনায় সহমর্মি।
কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবেন, ব্যর্থতাটা কার। সন্ত্রাসীরা আপনার আমার ভাইকে খুন করার আগেই তাদেরকে প্রতিরোধ করার জন্য আমরা পুলিশ পুষি। খুন হয়ে যাওয়ার পরে আরেকটা খুন করার জন্য পুলিশকে বাহবা দেয়ার জন্য নয়।

পুলিশের ব্যর্থতায়ই আপনার ভাই খুন হয়, আবার সেই পুলিশই খুনিকে বিনাবিচারে খুন করে বাহবা নেয়।
২৭. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
ইয়র্কার বলেছেন: রাতমজুর,

যা হওয়া উচিত, তার পক্ষে বলুন। যা হওয়া উচিত না, তা মেনে নিতে নিতেই দেশের এই অবস্থা।

কেন দেশে থাকেন ভাই?
২৮. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
comment by: যীশূ বলেছেন: পছন্দ হয় নাই।
২৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
যাই গা, এই সব বই আর মানবাধিকার কপচানি গলাবাজ পাবলিকেরে বাস্তবতা বুঝানোর চেষ্টা নির্থক।
এখন থিকা "ইগনোর পলিসি" নিমু।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: রামু,

হারলে তো চলবে না। এই ইগনোর করেন বলেই তো সমাজের সন্ত্রাসীরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে।

৩০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
মিলটন ভাই, পরিবারে ৩ টা খুন দেখেছি, ছোট ভাইটা সহ। হালাল কামাই, নিজে বাঁচি, আরো কটা পরিবার নিয়ে বাঁচি। বিপদে ঠিকই পান আমাকে, নাম গোপন করে, তাই না?

আর এরা আছে দেশের টাকায় বাইরে বসে বড় বড় বুলি কপচাতে, না হলে শস্তা জনপ্রিয়তা কামাতে মানবিকতাকে পুঁজি করে।

ভুল বলছি কিছু? আমাদের কিছুদিনের উদ্যোগ, একটা অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে, ভোলেন নি নিশ্চই? যারা বড়বড় বুলি কপচাচ্ছে, কে কে ছিলেন প্রথম সারিতে? কারা গোলযোগ টা বাধিয়েছিলেন? কেন?

উত্তর গুলো দিতে হবে না। এটাই আমার জবাব।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: না উত্তর দেবো না।

আপনার পরিবারের সব কথাই আমার জানা।

হ্যাঁ রাতমজুর, আপনার সব কথাগুলোই ঠিক। আমরা চিনি কে কে কখন কখন কথা বলে এবং কি কি কারণে। কার উদ্দেশ্য কি। মাঠে না থেকে অনেক কিছুই বলা যায়।

৩১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩
comment by: এমিল বলেছেন: @ইয়র্কার- আমি আপনার কথা সমর্থন করি ঠিক যেমনিভাবে সমর্থন করি মিলটনের কথার মুল সুরের সাথে।
আমার মতে সবার আগে ক্রসফায়ারে ফেলা উচিত গডফাদারগোরে। আমরা কইলাম হগ্গলতে জানি কোন বেডায় গডফাদারি করে কিন্তুক হেরা যেহেতু রাজনৈতিক ফান্ডে চান্দা দেয় হের লিগা আম্গো রাজনীতিবিদ সমাজ হেগোরে পোটেকশন দেয়।হেগোর নাম আইতে দেয়না কোন মিডিয়াতেই। ফুল সিসটেমটা একটা সার্কেলের মইদ্যে পইড়া আছে জেডি ভাঙ্গতে গেলে বহুত দিকই নইড়া যাইবো।ইভেন দেশের সার্বভৌমত্ব লইয়াও প্রশ্ন উইঠা যওয়ার পারে তইলে জিনিসটা আমরা আপাততঃ এমনে কেন দেখিনা, যে একটা সিস্টেম রে ভাঙ্গনের সিস্টেম আউগাইতাছে সেইটার ভাল যেরাম আমরা কমু সেরাম এডির মন্দ গুলান ঠিক করনের দ্বায়িত্বও আম্গোই।
৩২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: অদুর ভবিষ্যতে আম্লীগ আর বিএনপির সন্ত্রসীগো গডফাদাররা যখন রেব চালাইবো তখন বুঝবেন ক্রশফায়ারের মজা। গোখরা সাপ পুইষা ক্ষেতের ইদুর মারা কার্যকর পদ্ধতি না। X(
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: তখনকার ব্যাপার তখনই দেখা যাবে। বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তা করুন।

একটা ব্যাপার কোন রাজনীতি, কোন মতবাদ, কোন ধারনাই কন্সটেন্ট না। আপেক্ষিক।

৩৩. ২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
comment by: অপ বাক বলেছেন: মিলটন
আপনার বক্তব্য এবং এখানে ক্রসফায়ারের সমর্থক কারো বক্তবই মানতে পারছি না।

সন্ত্রাসী সৃষ্টি হয় কিভাবে, সন্ত্রাস আদতে কি, কোন কোন অপরাধ সন্ত্রাসের পর্যায়ে পড়ে?

একজন মানুষ সমাজবিরোধী হয়ে উঠতে পারে, সামাজিক সনদ অনুসারে যেসব কাজকে আমরা অপরাধ স্বীকৃতি দেই সেসব কাজ করতে পারে, তবে তারা যখন আদালতের কাঠগরা থেকে বের হয়ে আসে জামিন নিয়ে তখন সমস্যাটা আদালতের নয়। বরং আমাদের পুলিশ প্রশাসনের।

তারা কেস সাজায় দুর্বল ভাবে। অপরাধী অপরাধ করেছে কি না, অভিযুক্ত আসলেই উল্লেখিত অপরাধের মূল হোতা কি না এইসব উপাত্ত এবং তথ্য পরিবেশনের কাজটা করে পুলিশ।

আদালতের সাহায্য করবার জন্য পুলিশ প্রশাসন, যেনো আদালত ন্যায় বিচার করতে পারে। ন্যায় বিচার করবার জন্য কর্মঠ পুলিশ বাহিনী প্রয়োজন। তাদের নানা রকম ভর্তুকি আর শুল্ক কর দিয়ে আমরা আমাদের নিজেদের সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রাখবার জন্য পুষছি।

এটা মনে রাখতে হবে যে আমাদের দেশের পুলিশেরা সবাই আমাদের শুল্কের টাকায় পোষা আমাদের নিরাপত্তা কর্মী। তারা যখন ঠিক মতো তদন্ত করে না, তখন দায়িত্বের বরখেলাপ করে তারা।

এই প্রথাটাকে বদলান। আদালতের হাতে উপাত্ত থাকলে আদালত কাউকে জামিন দেয় না। আদালত জামিন দেয় যখন আদালতের সংশয় থাকে আদতেই অভুযুক্ত অপরাধ করেছে কি না তখন।

বদলান সেইসব বিচারকদের যারা নিয়মিত মাসোহারা গ্রহন করে অপরাধীদের কাছে, ম্যাজিস্ট্রেটদের ঘুষের প্রবনতা রদ করেন। প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে ডিসি যখন বিচারকদের নির্দেশনা দেয় কারা কারা জামিন পাবে কারা পাবে না, সেখানে আসলে আমাদের অধঃস্তন বিচারকদের দায় থাকে কম'

বিচার বিভাগকে স্বাধীন ও সার্বভৌম করেন। আইনসম্মত অনেক উপায় আছে। সেসব না করে একটা অপরাধকে ঢাকতে আরও গুরুতর অপরাধ করে যাওয়াকে মৌন এবং সবাক সমর্থন দেওয়াটা আলোচনার জায়গা নয়।

প্রশ্ন যদি হয় এই প্রথাটা ভাঙবে কে? কারা এই পূনর্গঠনের কাজটা করবে, কাজটা প্রশাসনের। আমাদের নির্বাচিত সরকার কোন ক্ষমতাবলে প্রশাসনের উপরে খবরদারি করে? তাদের নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে দিলেই হয়। পুলিশ শক্তিশালী হোক, উমোদারি করা এমপি কিংবা মন্ত্রী কিংবা এমন যেকোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নির্বাচিত হওয়ার অধিকার বাতিল করা হোক যদি তারা এমন অন্যায় আব্দার করে প্রশাসনের কাছে।

করবার অনেক কিছু আছে। অনেক ভাবে প্রশাসনকে সঠিক পথে আনা যায়। ফি সাবালিল্লাহ আর আল্লাহ মালিক বলে আল্লার মাল আল্লায় নিছে বলে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

কার্যকর পদক্ষেপগুলো এবং প্রস্তাবনাগুলো সামনে আছে, তবে বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায় না কারণ আপনার মতো কতিপয় মানুষ এই জঘন্য কর্মকান্ডকে একধরনের সাময়িক নিরাময় হিসেবে দেখছেন। ভাবছেন এতে সন্ত্রাস কমবে।

গত ১ বছরের উপাত্ত বিচার করে দেখেন, র‌্যাব গঠিত হওয়ার পরের উপাত্ত সংগ্রহ করে দেখেন আদতেই কি গুরুতর অপরাধ, চাঁদাবাজি কিংবা সন্ত্রাস কমেছে?

র‌্যাবের ক্রস ফায়ার দিয়ে আসলে তেমন আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হয় নি। ছিনতাই , ডাকাতি, খুন, চাঁদাবাজি, সবই চলছে, আজ ১০ জনকে মারছে র‌্যাব, ৪০ জনকে মারবে পরের দিন, এইভাবে সব সন্ত্রাসীকে নির্মুল করা সম্ভব না। পরবর্তীতে র‌্যাব চাঁদাবাজি করবে, যেমনটা এখন করছে দুদকের কর্মচারীরা কিংবা গুরুতর অপরাধ দমন কমিটির সদস্যরা।

সম্পূর্ন প্রক্রিয়াটাকে ঢেলে সাজানো যায়, প্রশাসন সামান্য তৎপর হলেই এটা সম্ভব। প্রশাসন তৎপর হচ্ছে না কারণ বর্তমানের অরাজকতাকে নীরবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে অনেকেই। যদি ঠেকার কাজ চলে তবে ভালো জীবনের প্রত্যাশা করবে কেনো মানুষ, কেনো পুলিশ কিংবা আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ঠরা অন্য রকম কিছু ভাববে, এখানে সবারই কিছু না কিছু লাভ আছে।

পুলিশ টাকা পায়, ঘুষ পায়, বিচারক টাকা পায় ঘুষ পায়, সন্ত্রাসীকে অমানবিক ভাবে মারা হয়, মানুষ খুশী, সবাই খুশী, অনেকগুলো অপরাধ করেও কোনো রকম দায়ব্ধতা নেই।

আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাদের নিরব এবং সরব সমর্থনের জন্য, বসবাসযোগ্য সভ্য একটা দেশের জন্য আমাদের অপেক্ষা শেষ হবে না।
২৮ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: @ অপ বাক

আপনার কথাগুলো আমার খুব ভাল লেগেছে। বাস্তবিক পক্ষে সব মানুষই আপনার মত করে ভাবে বা চায়। কিন্তু একটি কথা আমি আবারো বলছি, হঠাৎ করেই এসবকিছু পরিবর্তন হবে না। তার জন্য দরকার অনেক কতগুলো ধাপ। যেগুলো পেরোনোর আগে আমাদের মৌলিক জিনিস দরকার।

আপনার কমেন্টের ৩য় প্যারায় বলেছেন, সন্ত্রাসীরা জামিন নিয়ে আদালত থেকে বের হয়ে আসে, সেটার জন্য পুলিশ প্রশাসন দায়ী। আমি আপনার এই মন্তব্যের সাথে দ্বিমত পোষন করছি। আমি মনে করি তারা আদালত থেকে জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে আইনের ফাঁক গলে।

যদিও এই ব্যাপারটি এই টপিকের অর্ন্তভুক্ত না তবুও বলছি, আপনি একজায়গায় বলেছেন, "আল্লাহর মাল আল্লায় নিয়ে গেছে" এই রকম একটা কথা। আসলে কথাটি মিডিয়ার প্রচারের ফলে খুব মার্কেট পেয়েছিল। এটাও আমাদের হলুদ সাংবাদিকতার একটা অংশ। ঐ তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন এই উক্তিটি করেছিলেন তখন ওখানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের ব্যাপারটা আপনি জিজ্ঞাসা করলে প্রকৃত ঘটনাটা জানতে পারবেন।

ওখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহত ছেলেটির বাবাকে সান্তনা দিচ্ছিলেন এই বলে," আমারও একটা ছেলে কয়েকদিন আগে মারা গেছে, আমি জানি একজন বাবার পুত্র হারানোর শোক কতটুকু, একজন বাবার কাছে ছেলের লাশ সবচেয়ে ভারী। আপনাকে সান্তনা দেবার ভাষা আমার নেই, শুধু এই বলে শান্ত হোন যেন, আল্লাহর মাল আল্লাহই হেফাজত করবেন।"

আপনি আপনার কমেন্টের একজায়গায় বলেছেন যে, গত এক বছরের উপাত্ত দেখতে যে র‌্যাব একশান নেওয়ার ফলে কি কি হয়েছে?
আমি আপনাকে আপনার আবাসের আশে পাশের পরিবেশ দেখার অনুরোধ করছি, তবেই উত্তরটা পেয়ে যাবেন। তবে আর উপাত্ত দেখতে হবে না।


আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ।