সামনে ভোট। দেশ জুড়ে একটা জোয়ার এসেছে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই" এবং "আসন্ন নির্বাচনে মনোনীত যুদ্ধাপরাধী প্রার্থীকে নাকচ করে আপনার ভোটাধিকার পবিত্র রাখুন" এই দুটি ব্যাপারে। মূলতঃ তরুন সমাজের প্রতি এ আবেদন বেশী।
সঙ্গত কারনে আমি এই দুটি উক্তির সাথে সহমত পোষন করি এবং মনে প্রাণে লালন করি। আমাদের যাদের জন্ম একটি স্বাধীন বাংলাদেশে। আমরা নিজে চোখে, স্বশরীরের স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখার ভাগ্য হয়নি। তারা হাতড়িয়ে বেড়াই মুক্তিযুদ্ধের আসল ইতিহাস জানার জন্য। বই পড়ে, অভিভাবকের কাছ থেকে, সিনেমা দেখে, গান শুনে, কবিতা পড়ে এবং সর্বোপরি নিজের জ্ঞান থেকে একটি মতবাদ দাঁড় করাই নিজের মনের আড়ালে। নয় মাস যু্দ্ধের দৃশ্যগুলো কল্পনা করি নিজের মনে মাঝে।
আমার মতে, যুদ্ধপরাধী ও রাজাকাররা এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে বা অন্যকোন অরাজনৈতিক ব্যানারে অথবা অন্যকোথাও ঘাপটি মেরে আছে।
আমাকে কেউ কি বলবেন, যুদ্ধপরাধী এবং রাজাকারের সংজ্ঞা কি? কি কি কাজ করলে তাদের যুদ্ধপরাধী বা রাজাকার বলা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



