ধীরে ধীরে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের কৃষক সমাজের পাশে এসে দাঁড়াবার মনস্থির করেন এবং দীর্ঘ একটি সময় তাদের পাশে ছিলেন। ১৯৬৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মুজলুম নেতা মওলানার ভাসানীর কৃষক আন্দোলনে তার জন্মস্থান নরসিংদীর থেকে কৃষকের পক্ষ থেকে জোড় আন্দোলন গড়ে তোলেন। মূলতঃ সেখান থেকেই আসাদের টার্নিং পয়েন্ট। সেই আন্দোলনে নিহত হয় বেশ কয়েকজন। এবং এই আসাদও পুলিশের গুলিতে মারাত্বক ভাবে আহত হন। ঠিক তারপর দিন এই সংবাদটি বেশ গুরুত্ব সহকারে সংবাদ মাধ্যমে আসে। সারা দেশ আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে আবারো ফুঁসতে থাকে। আন্দোলনের প্রেরনা হিসেবে যোগ হয় আরেকটি ঘটনা।
আজ থেকে ৪০ বছর আগে ১৯৬৯ সালের এই দিনে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ তাদের কয়েক দফার আন্দোলনের কর্মসূচী হিসেবে একটি সভা ডাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চত্বরে। যেসভায় যোগদান করে আসাদ। সেখান থেকে সভা শেষে একটি মিছিল এগুতে থাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের দিকে। ঠিক এই মুহুর্তে পুলিশের একটি গুলি আসাদের শরীরে আঘাত হানে এবং মুহুর্তে উনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। অবসান হয় একটি তাজা বিপ্লবীর। আর সাথে সাথে জন্মহয় হাজারো আসাদের। সারাদেশে কয়েকদিন ব্যাপী বিক্ষোভ আর হরতালের ডাক দেয়া হয়।
উত্তাল হয়ে উঠে পুরো দেশ। যোগ হয় স্বৈরাচারী আইয়ুব পতন আন্দোলনের আরেকটি প্রেরনা। পরে আইয়ুব সরকারের পতন হয়। আসাদের নামে নামকরন করা হয় আসাদ গেইট, এভিনিউ, পার্কসহ অনেক কিছু।
আজ ২০শে জানুয়ারী আসাদ দিবস। আজকের এই দিনে আসুন আমরা আসাদের সৃত্মি স্বরণ করি। শ্রদ্ধা জানাই তাঁকে। আসাদের চেতনা বেঁচে থাকুক প্রতিটা বাংলাদেশীর মাঝে। তার দ্যুতি ছড়িয়ে পড়ুক আমাদের বুক থেকে বুকে।
আসাদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আসুন আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একটি অভাব ও দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ আমাদের সকলের প্রত্যাশা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




