আমার প্রিয় পোস্ট

আমন্ত্রন রইল http://www.somewhereinblog.net/group/MyRajshahi

ডে-লাইট সেভিং আর ২০৫ মে.ওয়াট বিদ্যুত সাশ্রয়ের মূলা ঝুলিয়ে আর কতদিন?

২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২২

শেয়ারঃ
0 0 0

বিদ্যুত লোডশেডিং সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা একঘন্টা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মহেন্দ্রক্ষণের সেই টিভি উপস্থাপকের ঠোঁটের বাঁকা হাসি দেখে আর বকবকানি শুনে মনে করেছিলাম, যাক এবার আমরা কি না কি পাবো!! হয়ত বিশাল কিছু অর্জন করে ফেলবো। কিন্তু আসল অর্জন কি হলো?

এয়ারকন্ডিশন্ড রুমে বসে, একদিনে বিদ্যুত সাশ্রয়ের হিসাব শুনাতে এবং শুনতে ভালই লাগে। কিন্তু দেশের বাস্তব চিত্র পুরো আলাদা। একঘন্টা পরপর বিদ্যুত লোডশেডিং করে একদিনে ২০৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত সাশ্রয়ের খবর ধুয়ে পানি খেয়ে জনগন কি করবে?

ঢাকা শহরের বেশীভাগ অফিস আদালতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটি বাতি জ্বালিয়ে রাখতে হয়। কারণ অফিসের ভিতরে সূর্যের আলোর অপর্যাপ্ততা এবং কোন কোন অফিসে ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন। সচিবালয়ের কথাই উদাহরন হিসেবে দেখা যায়, সেখানে এমনও রুম রয়েছে যেখানে ভর দুপুরেও বিদ্যুত বাতি না জ্বালালে ঘুটঘুটে অন্ধকার হয়ে থাকে।

এই ঘড়ির কাঁটা আগানো, ডে-লাইট সেভিং আর বিদ্যুত সাশ্রয়ের সাংবাদিক সম্বেলনের মূলা জনগনের সামনে না ঝুলিয়ে সরকারের উচিত ছিল বিদ্যুত অপব্যাবহারের জন্য কঠোর আইন ও তার প্রয়োগ করা।

ঘড়ির কাঁটা আগানোর দিন থেকেই তো রাজধানীতে এক ঘন্টা পর পর বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। তীব্র গরমে মানুষের জীবন হাসফাঁস। কলকারখানার কাজ হচ্ছে ব্যাহত। এই নিয়ে কোন মিডিয়াতে কোন খবর নেই।

ঝুলছে মূলা, আর আমরা জনগন ওটার দিকে তাকিয়ে আছি আর ছুটছি ঐ মূলা ধরার জন্য। দৌড়াচ্ছি আর দৌড়াচ্ছি। আহা কি সুখ!!!

 

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:২৯
জুল ভার্ন বলেছেন: টুকু মিয়াকে ঘাড়ে ধরে জিজ্জাসা করা উচিত-শাস্রয় হওয়া ২০০ মেগা ওয়াট বিদ্যুত ওই বেটা কোথায় লুকিয়ে রাখে! আগে দৈনিক ৫ বার /৫ ঘন্টা লোড শেডিং হতো এখোন হয় ৮ ঘন্টা। সন্ধার পর ৩ বার বিদ্যুত চলে যায় ৩ ঘন্টার জন্য-এর পরো শালারা চিতকার করে বলে ঊনারা অনেক লোম্বা ছিড়ে জমা করেছেন!
২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: এইটা হলো ডে লাইট সেভিঙ এর মূলা।

২. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
তুষার খাঁন বলেছেন: ঘড়ির কাঁটা আগায় নিয়া আমাদের পূর্ব-ধোলাইরপাড় এ যা লাভ হইছে তা হইল, আমাদের এখন আগের চাইতে লোডশেডিং বেশি হইতেছে। আগে আমাদের প্রতি ২ থেকে আড়াই ঘন্টা পরপর লোডশেডিং হত, আর এখন রাত ৩ টার সময় গিয়া আসে রাত ৪।৩০ এ। দিনের আলো বাচানোর উদ্দেশ্য তো ছিল রাতে লোডশেডিং কমানো, তাহলে বিশেষ-অজ্ঞ রা কি গবেষনা করলেন।

শুনলাম ধানমন্ডির মতন কিছু হাই প্রোফাইল এলাকাতে লোডশেডিং কমে আসছে। যেখানে প্রতিদিন ২৪ ঘন্টায় ২ ঘন্টা লোডশেডিং হত সেখানে এখন হার্ডলি লোডশেডিং হয়। ( যারা বলেন ধানমন্ডিতে থেকেও তারা লোডশেডিং এ আছেন, তারা আসলে কোন অভাগা ধানমন্ডিতে থাকেন আল্লাহ মালুম ) ।

তাইলে দিনের আলো বাঁচাইয়া আমার এবং পুর্ব-ধোলাইরপাড়বাসীর কি উপকার হইল?
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: কিন্তু এই কথাগুলো মিডিয়াতে আলোচিত হচ্ছে না। তাহলে কি মিডিয়ার মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে?

২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: এরচেয়ে অনেক ভয়াবহ ছবিও আছে। এত এসি যে দেয়ালই দেখা যায় না।

৪. ২৪ শে জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
অ্যামাটার বলেছেন: ঠিকই বলেছেন, এটা একটা মূলাই। চরম বিস্বাদ মুলা। টুকুকে-ই খাওয়ানো হোক!
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ওনারা মূলা খান না, মূলা খাই আমরা।

৫. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
চাচামিঞা বলেছেন: ঠিকই বলেছেন,
বস আপনেরে কালকে থেকে খুজতেসি........একটু নিচের লিংকে আসেন।

Click This Link
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: মুরুব্বী আমার খুব দুঃখ আমি থাকতে পারছিনা আড্ডাতে। আমার দেহ থাকবে না কিন্তু আমার আত্মাটা আপনাদের সাথে থাকবে।

৬. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
হাসজারু বলেছেন: হায়রে, রাস্তার লাইটগুলো যদি সময়মত নিভান হত.....।
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: এই ব্যাপারে সরকার নিশ্চুপ। সব ঝাল পাবলিক আর বিরোধীদলের উপরে।

৭. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
সাইলেন্সার বলেছেন:

আমার মনে হয় বিদ্যুতের ব্যবহার আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।
Click This Link
৮. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
রাজীব বলেছেন: ছবির মূলাটিতো ঝুলছে না। ছবিটি ১৮০ ডিগ্রি রোটেট করলে মূলাটি ঝুলে থাকতো।

আর লোডশেডিং সম্পর্কে বলতে চাইনা। গতকাল দুবার লোডশেডিং এর মাঝখানে ৩০ মিনিট কারেন্ট ছিল।

কারেন্ট যে মাঝে মাঝে থাকে সেজন্যই ধন্যবাদ জানানো উচিৎ।
২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: হুম ওরকম ঝুলানো মুলা পেলাম না। কিন্তু এই রকম মূলা মানে কিন্তু অন্যও অর্থ বোঝায়। গতকাল কয়বার লোডশেডিং হয়েছে?

৯. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
আমি স্বার্থপর বলেছেন: ক্যান গতকাল বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী না কইলো বৃষ্টি নামলে নাকি সব ঠিক হইয়া যইবো।

আমাগো বলদ মনেকরছে মনেহয়। বৃষ্টি হলে স্বাভাবিক ভাবেই একটু হলেও বিদ্যুতের চাহিদা কমবে, আর তখন সরকার বলবে দেখেন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হইতাছে।
১০. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৯
জানপরী বলেছেন: সারাদিন নেটে থেকে এসির মধ্যে বসে ব্লগিং করলে টুকু মিয়া আপনারে আর কত কারেন্ট দিবে ??????? ভাই টুকুরে মাফ কইরা দেন !
১১. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৩
জুল ভার্ন বলেছেন: @ তুষার খান, ধান্মন্ডিতে আগে দিনের বেলা ৩ বার কারেন্ট যেত তিন ঘন্টার জন্য। এখোন দিনের বেলা যায় ৪ বার আর সন্ধ্যা ৭ টার পর যায় আরো ৩ বার-এই হলো ধানমন্ডির অবস্থা!
১২. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
হুতুমপেঁচা বলেছেন: মুলাটা টুকু মিয়ার ****** দিয়ে দেন। এরা কি খেয়ে যে আজাইরা সব থিওরী সাপ্লায় দেয়! বাসায় ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে :(
১৩. ২৪ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
জেরী বলেছেন: কারেন্ট থাকলেই অবাক লাগে এখন আর না থাকলেই স্বাভাবিক লাগে
১৪. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
একাকী বালক বলেছেন: সবাই যেমনে কথা কয় যেন সব দোষ টুকুর। আরে ভাই নিজেরা একটু কারেন্ট বাচান। চিন্তা করেন নিজের ঘরে কোন কোন জায়গায় আপচয় হয়। একটু রোধ করেন। নিজের এ.সিটা একটু কম চালান। আমাগো কামই গাইল পারা। :)
১৫. ২৪ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:০৮
অচেনা সৈকত বলেছেন: যে দেশের লোকজন দুই পয়সার একটা ম্যাচের কাঠি বাঁচানোর জন্য হাজার কোটি টাকার গ্যাস দিনের পর দিন পুড়িয়ে অপচয় করে তাদের কি এটাই প্রাপ্য না? শিল্প-কারখানায় আর শপিং মলে যে পরিমানে বিদ্যুত চুরি হয় সেটা আগে ঠেকান, লোডশেডিং অনেক কমে যাবে।
১৬. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
দূর্ভাষী বলেছেন: দুই চার ঘন্টা বিদ্যুত না তাকলে আমার কিছু এসে যায় না।
০১ লা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: আর আমার অবস্থা হলো, "এখন দিনে মাত্র দুই চার ঘন্টা বিদ্যুত থাকলে আমার কিছু আসে যায় না। বরং ২৪ ঘন্টা বিদ্যুত হীন হলে আরো ভালো।" :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.৩৩৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আনুমানিক ৩৫ বছর ধরে বহন করে চলছি এই রক্ত মাংসের ক্ষয়িষ্ণু দেহটাকে। পিছনে তাকিয়ে দেখি কোন পাথেয় সংগ্রহ হয়নি। তাই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ