আমার প্রিয় পোস্ট
- ডিগ্রী, পদক ও সম্মাননা অর্জনে শেখ হাসিনার বিশ্বরেকর্ড সম্ভব হবে কি? - আবুল হাসান নূরী
- ওজন কমানোর এক জাদুকরি ফর্মুলাঃ সপ্তাহে ৭ থেকে ১০ পাউন্ড ওজন কমান - আমি নকশাল
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- Youtube থেকে Video ফাইলকে Audio আকারে ডাউনলোড করা - শাহাদাত রুয়েট
- একজন গওহর রিজভী - োমসতাক
- জেনে নিন আপনি সামহোয়্যারের কত নাম্বার ব্লগার {(যারা জানেনা তাদের জন্য) সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট} - অণুজীব
- গুগল ট্রান্সলেট এখন বাংলায় - ফয়জুল ...
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- ইতিহাসের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল(শুধুমাত্র দলিলের সত্যতা ও অসত্যতা নিয়ে মতামত দিবেন,কোনো রাজনৈতিক মতামত নয়) - পর্ব ০১ - তারেক০০০
- ছবি ব্লগঃ ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলাদেশ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- এডভেঞ্চার পুবের পাহাড়। সবচেয়ে উচু পর্বত শিখরে। - সৌম্য
- ঘুরে এলাম বাংলার স্বর্গ তিন্দু, নাফাখুম - রাতুল রেজা
- আমার যত ভ্রমণ ও ছবিব্লগ - কাঊসার রুশো
- ছবি ব্লগঃ হিমালয় কন্যা নেপাল – পোখারা (শেষ পর্ব) - ত্রিনিত্রি
- সৌদি প্রবাসীঃ অনলাইনে জেনে নিন আপনার রেসিডেন্ট পারমিট(ইকামা) সংক্রান্ত সব তথ্য - পারাবত
- গুগল আর্থ আপডেটঃ রংপুর বিভাগ - কর্ণেল সামুরাই
- মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) - এখুনি করিয়ে নিন! - ডিসকো বান্দর
- বি ডি আর হত্যাকান্ডের সেই গোপনীয় অধ্যায়গুলো-৩য় খন্ড - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- কর ফাঁকি দিয়ে এয়ারটেলের যাত্রা শুরু : ভারতকে বাজার ও টেলিকরিডোর দেয়ার নীলনকশা - মারজান
- জাগরণের গান-২ : মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিঙ্ক (৬টি ডিস্ক-১০১টি গান) - সপ্রতিভ
- “Kaspersky Internet Security 2011″ কে হ্যাক করে ৫ বছরের জন্য নিজের করে নিতে চান?? তাহলে দেরি না করে এখানে ঢুকে পড়ুন। পরে সুযোগ নাও পেতে পারেন। - দা ডার্ক নাইট
- Dial Up Modem এর Supported Speed বৃদ্ধি। - sparkle24
- শারফুর সাথে একদিন.... - নাজিরুল হক
- গ্রামীন মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুন প্লাগইনস - হা...হা...হা...
- ৩০ হাজার জাসদকর্মী হত্যা রহস্যের সন্ধানে - এম. রহমান
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- কালীপদ সাহা: বিহারিদের পৈশাচিক নির্যাতনের জীবন্ত সাক্ষী - এম. রহমান
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের[একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ, টেলিটক] ইন্টারনেট ব্যাবহার করাযায় খুব সহজেই ...
- মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন
- বিডিআর বিদ্রহ সেনা হত্যা ৩২ টি প্রশ্ন । - প্রিন্সেস ঢাকা
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট মাত্র ৩৩৩ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ আগে ও পরে - এরশাদুর রহমানা
- প্রথম আলোচিত ক্রসফায়ার সিরাজ সিকদার হত্যা : এই হত্যা ইতিহাসের বর্বরতম ঘটনা : মাহমুদুর রহমান মান্না - কবুতর মিয়া
- সরকারের একবছর : মাসে গড় খুন ৩৫৫, ধর্ষণ ২৫৫ - সায়েমুজজ্জামান
- 'বিফল কোপেনহেগেন জলবায়ূ সম্মেলন' - মোঃ রফিকুল ইসলাম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- [আপডেটেড] গুগল ওয়েভের চোখ ধাধানো রিভিউ! ~ সাথে ফ্রি ইনভাইটেশন!

- আমড়া কাঠের ঢেকি
- বিটিসিএলের ব্রডব্যান্ড সার্ভিসটা কেমন? - বিডি আইডল
- সহজেই ব্যবহার করুন আমেরিকা, ইল্যান্ড এর IP adress আর লুকান বর্তমান Ip Adress - সজীব রহমান
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ৪) - মাহমুদ সিএসই
- ব্লগার মাহবুব মতিনের মৃত্যু; ও বন্ধু আমার! - ফয়সল নোই
- বৃহত্তর রাজশাহীর ব্লগারদের লিস্টঃ রাজশাহীয়ানরা আওয়াজ দেন - ধ্রুবমেঘ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ব্লগারদের নিজ নিজ জেলা (সর্বশেষ আপডেট) - পুরাতন
- ফিরে দেখা ১/১১: প্রথম পর্ব [রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম] - স্পাইডার
- আজ মিলটনের জন্মদিন - মুহিব
- যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer - মেঘবালক অর্ভনীড়
- মা দিবস ব্লগ সঙ্কলন - ২০০৯ - ~স্বপ্নজয়~
- উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারকারীরা: ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ বাড়ান ২০% - বিডি আইডল
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- অনলাইন বাংলা ডেট কনভার্টার - পাগল কবি
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- পিসির আইপি পরিবর্তন করবেন কিভাবে? - বিডি আইডল
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যঃ মোট ১৯০ জন (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- সেনাবাহিনীর কুকীর্তির লিষ্ট : আমাদের গোল্ড ফিশ মেমরীকে ব্লগে সংরক্ষন - শূন্য আরণ্যক
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়ে জেনারেল এমএজি ওসমানীর বক্তব্য - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল
কিস্তি -১ - চোরকাঁটা
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- অভ্র বাংলা ফ্রি সফটওয়ারে বিজয় কীবোর্ড লেআউট দিয়ে টাইপিং - মোঃ শরিফুল ইসলাম সবুজ
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- মিলটন নামের মানুষটি - মুহিব
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের টাইটেলবারে নিজের নাম যোগ করা - মশিউর রহমান মেহেদী
মইন ক্ষমতা নিতে চেয়েছিলেন তিনবার - মতিউর রহমান চৌধুরী
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০
জেনারেল মইন ইউ আহমেদ। এই নামটি আমাদের কাছে সকলেরই ভালো করে চেনা ও জানা। তাকে নিয়ে লেখা একটি আর্টিকেল নীচে তুলে ধরলাম। লিখেছেন, মতিউর রহমান চৌধুরী।
=====================*****=====================
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতা দখল করতে চাননি জেনারেল মইন উ আহমেদ এটা সত্যি নয়। জাতির সামনে তিনি বারবার অসত্য বলেছেন। বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, জেনারেল মইন ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন অন্তত তিন বার। সফল হননি নানা ঘটনায়, নানা চাপে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ভেতরকার প্রতিরোধ অন্যতম। বিদেশি প্রতিক্রিয়াও ছিল নেতিবাচক। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র চায়নি জেনারেল মইন ক্ষমতা গ্রহণ করেন। মইনের পক্ষ থেকে একাধিকবার হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা হয়। কনভিন্স করার চেষ্টা চলে, ক্ষমতা না নিলে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ এর আগে তেমন জোরালো লবি ছিল না। লবি শুরু হয় জানুয়ারির শেষ দিকে। হোয়াইট হাউস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। জেনারেল মইন নিজে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া বিউটেনিসকে জানান, এভাবে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলে না। সেনাবাহিনী যদি ক্ষমতা না নেয় তাহলে রাজনৈতিক চাপ বাড়বে। কাজের কাজ কিছুই হবে না। ক্ষমতা আসলে কোথায় জনগণ জানে না। বিউটেনিস মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে বিষয়টি জানান এক বার্তায় ফেব্র“য়ারির শেষ ভাগে। তার পর অপেক্ষার পালা মইনের। ১৮ মার্চ আবার যোগাযোগ করেন দূতাবাসের সঙ্গে। এবার যোগাযোগ করেন একজন প্রভাবশালী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। বলেন, মাইনাস-টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হলে একটি তৃতীয় ফ্রন্ট খোলা দরকার। আর এই ফ্রন্ট হতে পারে জেনারেল মইনের নেতৃত্বে। দুটি দলে যে সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে তা এগিয়ে নিতে হলেও প্রয়োজন একটি ফ্রন্টের। এবার কিছুু জবাব আসে বুশ প্রশাসন থেকে। পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় আরেকজন মোশাররফ তৈরি করতে চাই না। কথা শুনে মইনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। সব পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে!
জেনারেল মইন দমবার পাত্র নন। রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করতে থাকলেন। দুই নেত্রীকে গ্রেফতার করে তাদের নামে মামলা দেয়া হলো দুর্নীতির। আওয়ামীলীগ-বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নামেও দুর্নীতির মামলা রুজু হলো। অনেককেই গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হলো। দুই দলের সংস্কারবাদিরা তখন সক্রিয়। জেনারেল মইনকে ঘন ঘন সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে টেলিভিশনের পর্দায়। মে মাসের গোড়ার দিকে ফরমেশন কমান্ডরদের এক বৈঠকে একজন জেনারেল বলেন, আমাদের বেশি বেশি টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে। এতে জনগণ ভুল বুঝতে পারে। সেনা ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যেই ওই জেনারেলকে বদলি করা হলো অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে। বর্তমানে ওই জেনারেল অবশ্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ এক পদে বহাল হয়েছেন। ২০০৭ এর মে মাসের এক সকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বারীকে ডেকে পাঠালেন মইন। একটি তালিকা হাতে দিয়ে বলেলেন, ওদের সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগাযোগ করতে হবে। একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাই। জেনারেল এরশাদ যেভাবে জাতীয় পার্টি গঠন করেছিলেন ঠিক সে আদলে একটি দল গঠন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করাই তার উদ্দেশ্য। বারী যোগাযোগ স্থাপন করলেন। গুলশানে একাধিক বৈঠক করলেন রাজনীতিকদের সঙ্গে। আওয়ামীলীগের এক সাবেক এমপির বাসায় বৈঠক বসলো। ২৬ জন সাবেক এমপির উপস্থিতিতে ব্রিগেডিয়ার বারী তাদের পরিকল্পনার কথা জানালেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ঠিক হলো নয়া দলে তারা শরীক হবেন। এরপর অবশ্য ওই বৈঠকে হাজির এমপিদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিল। কারণ, তারা জানতেন না কেন ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। নেত্রীকে মাইনাস করার প্রস্তাব সম্পর্কে তারা আগেভাগে কিছুই জানতেন না। এই বৈঠকের খবর চাউর হয়ে গেল সর্বত্র। নেত্রীর কানেও পৌঁছে দিলেন কেউ কেউ। শেষ পর্যন্ত এমন হলো বিগত নির্বাচনে মনোনয়নই পেলেন না বৈঠক আয়োজনকারী, যিনি এক সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। ব্রিগেডিয়ার বারীর মিশন যখন এগিয়ে চলছে তখনই আরকবার মইন তার নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানালেন। এবার ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীকে নিয়ে দল করতে হবে। কোরেশী মত দিলেন। কাজ শুরু করলেন কোরেশী। একপর্যায়ে মইনের আগ্রহে ভাটা পড়ল। ফের বারীকে ডেকে বলেলেন, আপাতত দল নয়। অন্যভাবে এগিয়ে যেতে হবে। এরই মধ্যে চলে গেলেন ভারত সফরে। সেখান থেকে ফিরে এসে নয়া পরিকল্পনার কথা জানালেন সহকর্মীদের কাছে। বললেন, এভাবে নয়। রাজনীতিকদের সঙ্গেই বোঝাপড়া করতে হবে। কোন দলের সঙ্গে সমঝোতা করা যায় তা নিয়েই এখন কাজ করতে হবে। বলে রাখা ভালো, যে ক’জন জেনারল মইনের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে প্রধান অন্তরায় ছিলেন তাদের অন্যতম জেনারেল মাসুদ উদ্দিন। নবম পদাতিক ডিভিশন থেকে তাকে সরিয়ে পিএসও করা হলো মাসুদের অজান্তে। অবশ্য তাকে পদোন্নতি দিয়ে লে. জেনারেল করা হলো। একজন লে. জেনারেল তো জিওসি থাকতে পারেন না। মাসুদ টের পেয়েছিলেন। কিন্তু তার করার ছিল না কিছুই। বরং তাকে অনেকটা নজরবন্দিই করে রাখা হয়েছিল। জেনারেল মইন যেদিন তার চাকরির মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ান সেদিন পিএসও’র দায়িত্বে থেকেও টের পাননি। মইনর পক্ষে সোজা ফাইল নিয়ে বঙ্গভবন গিয়েছিলেন একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। যিনি পর মেজর জেনারেল হন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন অন্য অভিযোগে। বলাবলি আছে, এই মেজর জেনারেলই নির্বাচনের আগে রাজনীতিকদের সঙ্গে দর কষাকষি করেছিলেন। সমঝোতা হয়েছিল তারই নেতৃত্বে। সেটা এখন অতীত।
জেনারেল মইন রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য একটি কমিশনও গঠন করেন। আটজন ব্রিগেডিয়ারকে দায়িত্ব দেন, যারা তুরস্কসহ নানা দেশের সংবিধান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি রিপোর্ট জমা দেন। তারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষমতার ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা যায় তারও একটি ফর্মুলা দেন। মইন রাষ্ট্রপতি হলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী এটা নিয়েও পর্দার আড়ালে সংলাপ চলে। মইনের প্রথম পছন্দ ছিল বিএনপি থেকে কাউকে নেয়া। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ এস্কান্দারের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন অন্তত দু’দফা। এই সাঈদ এস্কান্দারই তাকে সেনাপ্রধান নিয়োগে ভূমিকা পালন করেছিলেন। জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দারকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করা হয়েছিল। সাঈদ এস্কান্দারসহ আরো তিনজনের চাপে খালেদা জিয়া তার সিদ্ধান্ত বদল করেন। সাঈদ এস্কান্দার যাতে খালেদার অবর্তমানে বিএনপির নেতৃত্ব কব্জা করতে পারেন সে জন্য এক সন্ধ্যায় তাকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। সিদ্ধান্ত ছিল খালেদা জিয়াকে নির্বাসনে পাঠানো হবে। এই সময় দল চলবে কীভাবে? তারেক রহমানও জেলখানায়। এই পটভূমিতে খালেদাকে অনেকটা বাধ্য করে এই সিদ্ধান্ত আদায় করা হয়। এখানেও গোয়েন্দা চাপ ছিল প্রবল। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব বেঁকে বসায় খালেদাকে নির্বাসনে যেতে হয়নি। ওদিকে শেখ হাসিনাকেও দেশে আসতে দিতে বাধ্য হন সেনাশাসকরা।
দৃশ্যপট পাল্টে যেতে শুরু করে। ২০০৭-এর সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের কার্যকলাপ যখন শেষ হতে চলেছে তখন জেনারেল মইন আবার তৎপর হন। ইয়াজউদ্দিনকে আর এক্সটেনশন নয়। তাকে বিদায় জানিয়ে সর্বময় ক্ষমতার মালিক হবেন তিনি। তার পছন্দের দুই জেনারেলের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হলেন। পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেল যেকোনো কারণে। সংবাদ মাধ্যমেও খবর আসতে শুরু করলো। এই যখন অবস্থা তখন ঢাকাস্থ একজন পশ্চিমা কূটনীতিক (যিনি ডেপুটি চিফ অব মিশন ছিলেন) সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান, রাষ্ট্রপতি হওয়ার চেষ্টা করবেন না। এটা আপনার কাজ নয়। নির্বাচনের পথেই যেতে হবে। গত জুলাই মাসে এই প্রভাবশালী কূটনীতিক দেশে ফিরে গেছেন অন্য এক অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে। যখন তিনি মইনের সঙ্গে বৈঠক করেন তখন তিনি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত। তার কথা শুনে মইন রীতিমতো হতবাক। কারণ তাকে ইউরোপীয় কয়েকজন কূটনীতিক আশ্বাস দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নয়, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখে দায়িত্ব পেলে তাদের আপত্তি থাকবে না। একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ নাকি একটি ফর্মুলাও বের করেছিলেন। যে ফর্মুলায় সেনাশাসন জারি না করেও মইনের রাষ্ট্রপতি হতে আইনগত অসুবিধা ছিল না। কিন্তু সেই পশ্চিমা কূটনীতিক সব ওলটপালট করে দেন। মইন তখনও বসে নেই। তার পক্ষে একজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যর্থ হচ্ছে পদে পদে। যে কোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
দুই নেত্রীর মধ্যে ফোনে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে এই খবরও দেয়া হয় কূটনীতিকদের। বোঝানো হয় দুই নেত্রী এক হয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। মানুষ রাস্তায় নেমে পড়বে। তখন সত্যিই সমস্যা হবে। জেনারেল মইনের সঙ্গে একজন কূটনীতিক সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি নিজেই বলেন, এভাবে আর পারা যাচ্ছে না। তোমাদের পরামর্শে সেদিন আমরা ক্ষমতা নিয়েছিলাম ভিন্ন কৌশলে। এখন সে কৌশল অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সামনে রেখে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। বোধ করি এটাই ছিল মইনের শেষ ইচ্ছা। তার কথাবার্তা শুনে বিদেশি কূটনীতিকরা কম-বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন। এদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি কূটনীতিকদের প্রত্যক্ষভাবে নাক গলানো নিয়ে সমাজে তখন বিরূপ আলোচনা চলছে প্রকাশ্যে। তারা বৈঠকে মিলিত হন কয়েক দফা। এরপর সিদ্ধান্ত হয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তারা চাপ দেবেন তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনকে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতেই ইন্টান্যাশনাল ক্রাইসিস গ্র“প ২০০৮ সালে ২৮ এপ্রিল ব্রাসেলস থেকে এক দীর্ঘ বিবৃতি ইস্যু করে। যাতে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়, চালাকির সুযোগ নেই। নির্বাচন দিতে হবে যতো দ্রুত সম্ভব। বলা হয়, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করতে হবে নির্বাচনের অন্তত দুইমাস আগে। রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ২০০৮-এর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। এ নিয়ে কোনো সময়ক্ষেপণ চলবে না। এমনকি সুনির্দিষ্ট তারিখের কথাও বলা হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা চলবে না। দুর্নীতির নামে নয়, সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। মাইনাস টু থিওরি থেকে সরে আসতে হবে। হাসিনা-খালেদা ট্রায়াল হতে হবে উচ্চ আদালতে। সেখানে কোনোরূপ হস্তক্ষেপ চলবে না। হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগকে সঠিকভাবে কাজ করতে দিতে হবে। নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক আসতে উৎসাহিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কারের জন্য আর চাপ দেয়া যাবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, ভারত, জাপান, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্র“প অন্তত দশটি বিষয়ে তাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর মধ্যে রয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য চাপ দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পদস্থ কর্মকর্তারা যাতে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন সে কথাও বলা হয়। সব রাজনৈতিক দল যাতে নির্বাচনে অংশ নেয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের আগে বা পরে সহিংসতা যাতে না হয় সেদিকেও বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থীরা যাতে তদারকি প্রশাসন কিংবা সেনাদের হয়রানির শিকার না হয় সেদিকটার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্র“প তাদের মূল্যায়নে জানায়, নির্বাচন দেরি হলে মিলিটারিরা যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তাতে যে কোনো সময় সংঘাত শুরু হয়ে যেতে পারে। এতে দেশটার অস্তিত্বই হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এই লাল নোটিস পাওয়ার পর জেনারেল মইনের সব ইচ্ছাই ভণ্ডুল হয়ে যায়। অনেকটা অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয় রাজনীতিবিদদের কাছে। নির্বাচনে পথে যায় দেশ। ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। জেনারেল মইনদের ভাগ্য লেখা হয়ে যায়।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বিরাট একটা ভুল ধরে ফেলেছেন। তাইনা? আবার লিংকে যান এবং পড়ে দেখেন আপনার ভুল ভাঙতেও পারে।
জুল ভার্ন বলেছেন:
মঈন গং কিন্তু মতিউর রহমান চৌধুরীদেরই সৃস্টি!
লেখক বলেছেন: হুম সেটা জানি, কিন্তু ভেবে আর্শ্চয হই তাদের কথা, যারা এই মইনকে আদর্শ ভাবে।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
তাইলে ত দেখি দেশে গণতন্ত্রের পিছে বিদেশী হাত আছে। আম্রিকা আর সৌদীর। মারহাবা।
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
মইন রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ এনেছিলেন.. তার প্রায় সবই উনি নিজেও করেছেন পরে...আর আমাদের মতো সাধারন মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়ে পরে মিথ্যার ভন্ডামিতো উনি করেছেনই... সবচেয়ে বড় কথা তার কর্মকান্ডের কারনে দেশ আজ স্মরনকালের সবচেয়ে বেশি বিদেশী শক্তির থাবার নিচে চলে গেছে, এত নতজানু পররাষ্ট্রনীতিকি কখনও ছিল আমাদের?সবই মইন ভাইয়ের অবদান। দেশের সর্বানাশ করা সেনাপতি মীরজাফরের সংগে সেনাপতি মইন ইউ আহমেদের পার্থ্ক্য কি?
মিতামারিয়া বলেছেন:
সবই খেলা
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
আমাদের কি কিছুই করার নেই..):
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন:
যত দিন অসৎ সাংবাদিকরা সৎ না হবে আর যেই সময়ের খবর সেই সময় প্রকাশ না হবে ততদিন আমাদের কিছুই করার নেই।
শুধু অপেক্ষা আর অপেক্ষা......................................
সুমিন শাওন বলেছেন:
নো কমেন্টস!
অলস ছেলে বলেছেন:
সইত্য কথা বলছে কেন প্রথম আলোর সম্পাদক এইটা নিয়া বিরাট টেনশনে পড়ে গেছিলাম, পরে দেখি না চৌধুরী আছে। আবার লিংকে গিয়ে দেখি দুলাল আহমেদ চৌধুরী। বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন: এই খবরটা আগে অন্য একটা জায়গায় ছাপা হয়েছিল সেটার পরে আমাদের সময়ের দুলাল সাহেব আবার এডিটিং করে ওটাতে ছাপিয়েছে। ঐ লিঙকের খবরটার প্রথম প্যারাটা পড়ুন তবে সব ক্লিয়ার হয়ে যাবে।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
দুঃখিত, আমার প্রথম কমেন্টটা মুছে ফেলবেন প্লিজ।
(সাপ্তাহিক বুধবারের চলতি সংখ্যায় ‘মইন ক্ষমতা নিতে চেয়েছিলেন তিনবার’ শিরোনামে মতিউর রহমান চৌধুরীর লেখা প্রতিবেদনটি আমাদের সময়ের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।)
লেখক বলেছেন: হুম ঠিক আছে, কিন্তু আপনার মাইনাসটা শীতের দিনে রোদ পোহানোর মতই আরাম লাগলো।
অবলা নারী বলেছেন:
পরিশ্রমী লেখা। অনেক কষ্ট করেছেন বুঝা যায়।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
ঘটনা যে কম-বেশি এরকম ঘটেছিল, তা সবাই আন্দাজ করতে পারে। যে যায় লংকায় সেই হয় রাবণ--এইটাই মোদ্দা কথা।
লেখক বলেছেন: কিন্তু রাবণের লংকায় যাওয়া আর মইনের কুচিন্তা একজিনিস না।
জুল ভার্ন বলেছেন:
@লেখক, মঈন কে আদর্শ ভাবে কিছু ছাগলে!
লেখক বলেছেন: এইসব ছাগল দেখতে বেশী দুরে যাওয়া লাগবে না। এই ব্লগেই এমন অনেক আছে যারা মইনকে মহান ব্যাক্তিত্ব মনে করে।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
সেই মঈনই নাকি আমেরিকাতে আওয়ামীলিগের সভায় প্রধান অতিথি হয়ে যোগ দিছে!!!!!!!!!!!তাহলেই কি???????????
@ লেখকের এই কথামতই সব আগে থেকেই ঠিক করা......... যার বাস্তবায়ন এখন ধীরে ধীরে হচেছ???????????
# এরই মধ্যে চলে গেলেন ভারত সফরে। সেখান থেকে ফিরে এসে নয়া পরিকল্পনার কথা জানালেন সহকর্মীদের কাছে। বললেন, এভাবে নয়। রাজনীতিকদের সঙ্গেই বোঝাপড়া করতে হবে। কোন দলের সঙ্গে সমঝোতা করা যায় তা নিয়েই এখন কাজ করতে হবে। #
লেখক বলেছেন: তার মানে এই মইন আওয়ামীলীগের লোক। উনি তবে আগে এত ভালোমানুষ সাজলো কেন?
অশ্ব ডিম্ব বলেছেন:
এই পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য রাজনৈতিক দল গুলোই দায়ী। তাদের ব্যর্থতার কারনেই ১/১১ এর জন্ম।
মঈন কে আদর্শ মনে করি না।
দয়া করে, আদর্শ মনে করা যায় এমন কয়েকজন রাজনীতিবিদের নাম প্রস্তাব করেন।
আর যদি প্রস্তাব করতে না পারেন তাহলে নতুন করে আরেকটা লেখা দিন যেখানে সামরিক জান্তা আর রাজনৈতিক জান্তা দের চরিত্রের মধ্যকার পার্থক্যগুলো দেখা যাবে।
লেখক বলেছেন: রাজনৈতিক ব্যর্থতাই একমাত্র ১/১১ জন্ম দিয়েছে এটা আমি বিশ্বাস করি না। বলা যায় দুটোই দুটোর পরিপুরক। মনে করে দেখেন, ১/১১ এর আগে দিনগুলো রাজনৈতিক অস্থিরতাগুলো। সেগুলো সৃষ্টির পিছনে বিদেশী কুটনৈতিকবৃন্দ যথেষ্ট সক্রিয় ছিল। (যেটার প্রচেষ্টা সব সময়ই থাকে)। অনেক মহলই চায় না এখানে সুস্থ একটা পরিবেশ বজায় থাক। কিন্তু তাদের সেই কু-মনবাসনায় যখন আমার নিজের দেশের লোক ইন্ধন যোগায় বা তাদের সেই কু-মনবাসনা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, তখনই ১/১১ এর জন্ম হয়।
আর সৎ রাজনীতিবিদের নাম বলতে বলছেন? এযাবত কালে এমন কোন রাজনীতি বিদ তৈরী হয়েছে কিনা আমার জানা নাই। কোন রাজনীতিবিদই বিতর্কের উর্দ্ধে নয়। কেউ কম কেউ বেশী।
আর এই পোষ্টটা মূলতঃ আরেকজনের লেখাকে এখানে কোট করা হয়েছে। তাই সেই আলোকে খুব বেশী কথা বলার সুযোগ নেই। যদি কোন দিন প্রয়োজন মনে করি, তবে সামরিক জান্তা আর রাজনৈতিক নেতাদের পার্থক্য দিবো।
তবে এমন লেখা, মইন সমর্থকদের কষ্টই বাড়বে এটা বোঝা যায়।
তাজা কলম বলেছেন:
আর্ন্তজাতিক সম্প্রদায় বাধা হয়ে দাড়াতেই সম্ভব হয়নি ক্ষমতা দখল করা। প্রবন্ধটি পোষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
রশিক রশীদ বলেছেন:
এই ধরনের লোককে সনা প্রধান করার অপরাধের শাস্তি থাকা উচিৎ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"রাজনৈতিক ব্যর্থতাই একমাত্র ১/১১ জন্ম দিয়েছে এটা আমি বিশ্বাস করি না। বলা যায় দুটোই দুটোর পরিপুরক। মনে করে দেখেন, ১/১১ এর আগে দিনগুলো রাজনৈতিক অস্থিরতাগুলো। সেগুলো সৃষ্টির পিছনে বিদেশী কুটনৈতিকবৃন্দ যথেষ্ট সক্রিয় ছিল"আমরা যদি সেদিনগুলোর কথা মনে করি, ঘটনা পরাম্পরা লক্ষ করি তাহ'লেই দেখতে পাব ক্ষমতাশীন দলের ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার লোভই ১/১১এর জন্ম দিয়েছিল। আমি আশঙ্কা করছি যে অদুর ভবিষ্যতেও বতর্মান ক্ষমতাশীন দল একই কাজ করবে। অন্যান্য নিয়ামকগুলো অত্যন্ত গৌন।
দূর্ভাষী বলেছেন:
সংগ্রহে রাখলাম ভবিষ্যতে রেফারেন্স হিসাবে কাজে লাগবে।
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন:
যত যাই বলেন, যতদিন পরিবারতন্ত্র দূর না হবে, দেশের উন্নয়নের কোন সম্ভাবনা দেখি না। মাইনাস টু-র দরকার কি, একটা আইন কি করা যায় না, এক ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। তাহলে অন্তত একবার প্রধানমন্ত্রী হবার আশায় নেতারা নিজেরাই ভাল কাজ করার প্রতিযোগিতায় নামবে।
ভদ্র বলেছেন:
লেখকের পরিচয় কি?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














