আমার প্রিয় পোস্ট

কৌশিকের উত্তরসূরী

১৪ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:২৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

কবিতা: তার কষ্টে বুক জলে
২০০৭-০৮-১৪ ১৭:৩৩:০৯


কতটুকু মানুষই বা সে।
এইটুকু অল্প বয়সে সারাদিন বায়োকেমেস্ট্রি ক্লাস করে করে মাথায় চাপ পড়ে।
ব্লগে এসেও দুদন্ড অবসর পায় না।
সারাক্ষণ নাস্তিকেরা তার পাছায় লেগে আছে জিয়লের আঠার মতো।
এক আকামের সুফি আবার ওরনা টানাটানি করে।
সে প্রেম করতে চায় না। তাকে বোইন বলে বুকে চাপতে চায়।
বেশরিয়তী কারবারে সে মন খারাপ করে।
ক'দিন হল টিউশনি শুরু করেছে।
বাবা বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আসন্ন।
স্কলারশীপের ভাতা কমবে। খেটেখুটে খেতে শিখো।
সে বাধ্য মেয়ে।
সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে তাকে শেকড়বাকড় আকড়ে ধরে কতগুলো ব্লগ চালাতে হয়।
নাহলে স্কলারশীপ বন্ধ হয়ে যাবে।
আমার যদি টাকা থাকতো তাকে ব্লগ করতে দিতাম না।
টিউশনিও করতো না।
শুধু পরাশুনা। তা ও কোন মাথায় চাপ পড়া সাবজেক্ট না।
আমার টাকা নাই।
তার কষ্টে তাই বুক জলে।


কবিতা: শামি ইউসুপের গানে সে
২০০৭-০৮-১৩ ১৭:২৩:৩৯


গরম পড়েছে কয়েকদিন।
এসি নাই। ফ্যান নষ্ট। কারেন্ট এই আছে, সেই নাই।
তালের পাখা ঘুরাতে ইচ্ছা করে না।
শুধু তাকে মনে পড়ে।
কত দক্ষিনে আর কত দক্ষিনে সাগর পেরিয়ে?
সে এখন কি করছে?
বান্ধবীদের সাথে মিলেমিশে গল্প?
উচু স্বরে হট্টগোল করবে না জানি;
ধর্মে নিশেধ আছে।
নাকি প্রেম করছে সে?
শুনেছি ইদানিংকালের শামি ইউসুফের ভক্তরা বয় ফ্রেন্ড না থাকলে অসম্মানে ভোগে।
দুর ছাই!
কি সব যে ভাবি!
আমি এখানে; সে প্রেম করবে কার সাথে?
সে আমার হবেই।
ঠিকই তালের পাখা দিয়ে বাতাস করবে।
গামছায় ঘাম মুছে দিয়ে ওযুর পানি এগিয়ে দেবে।
তাকে নিয়ে শুয়ে শুয়ে শামি ইউসুপের গান শুনবো।

কবিতা: তার সাথে হাসিখুশী দিন
২০০৭-০৮-১২ ২২:২৭:৪০


প্রতিওয়াক্ত সালাত শেষে তার জন্য দু'আ করি,
সে যেন কামেয়াব হয় নবীরাসূলের পথে।
তার ছোট মাথায় কত বড় বড় চিন্তা,
তার ওপরে হেযাবের গরম। আমি দুশ্চিন্তায় তাকি,
তার চুলগুলো উঠে গেলে আমি কি নিয়ে থাকবো?
তার যখন হায়েযের সময়,
আমি আরো দুশ্চিন্তায় তাকি।
ইবাদাত করতে বিঘ্ন হওয়ায় মাথা যদি আরো গরম হয়ে যায়।
আবার যকন সে সুস্ত হয়,
আবার আমাদের হাসিখুশি দিন।
সে সারাদিন শুদু জায়নামাজের উপরে থাকে।
আমি খুশী হই।

কবিতা: তার সাথে হাসিখুশী দিন
২০০৭-০৮-১২ ২২:২৭:৪০


প্রতিওয়াক্ত সালাত শেষে তার জন্য দু'আ করি,
সে যেন কামেয়াব হয় নবীরাসূলের পথে।
তার ছোট মাথায় কত বড় বড় চিন্তা,
তার ওপরে হেযাবের গরম। আমি দুশ্চিন্তায় তাকি,
তার চুলগুলো উঠে গেলে আমি কি নিয়ে থাকবো?
তার যখন হায়েযের সময়,
আমি আরো দুশ্চিন্তায় তাকি।
ইবাদাত করতে বিঘ্ন হওয়ায় মাথা যদি আরো গরম হয়ে যায়।
আবার যকন সে সুস্ত হয়,
আবার আমাদের হাসিখুশি দিন।
সে সারাদিন শুদু জায়নামাজের উপরে থাকে।
আমি খুশী হই।

কবিতা: আদর সোহাগের অধিকার
২০০৭-০৮-১২ ১১:২২:৪৭


সে নারী অধিকার নিয়ে রাতের ঘুম হারাম করে,
ছোট এইটুকু দেহে সে স্বামীর হাতে ধোলাই খাবে;
এটাই তার কাছে নারী অধিকার।
আমি তারে নিয়া কত কিছু ভাবি।
পুতু পুতু সোনা, কুতু কুতু কুটু মনি
আদরে আদরে মাখামাখি করে সিক্ত করে দেবোখন।
সে চাইনিজ মার্কা নাক কুচকায় সন্দেহ নিয়া।
আদর খাওয়া ঠিক হবে কিনা জায়েজ না নাজায়েজ,
দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জিজ্ঞেস করে।
আমি হাবা হইয়া বইসা থাকি।
বাবা তাকে একটা লাল মলাটের বই ধরাইয়া দেয়,
বিখ্যাত মনীষী মওদুদীর নাম স্নর্নাক্ষরে লেখা তার ওপর।
আমি ভেবে ভেবে মন খারাপ হই,
আমাদের আদর সোহাগের সাথে ওই লাল মলাটের বইয়ের কি সম্পর্ক।

কবিতা: তার সাথে প্রথম দেখা
২০০৭-০৮-১১ ১৯:৩৯:৫২


বছর দেড়েক আগে,
শীত আসি আসি একদিন বিকেলে।
রোকেয়া হলের মোড়ে,
বাবার হাত ধরে সে তাকিয়েছিল;
উকিঝুকি মারছিল হেযাবের ফাক দিয়ে।
আমি একটা রিপোর্টিং শেষ করে বাইকে ফিরছি নীলক্সেত হয়ে।
তার একজোড়া চোরা চাহনী এর মাঝেই ঘায়েল করে ফেলে।
পরদিন পত্রিকার পাতায় দেখি সে বিখ্যাত মানুষী,
দেশান্তর হতে প্রাইজ নিতে এসেছে বাবার হাত ধরে।
ক্লিক ক্লিক আমার হাতের ক্যামেরায়
হেযাবের ফাক গলে তার সরূচাহনীর মুখ সেলুলয়েডে ধরে রাখি।

 

 

  • ২ টি মন্তব্য
  • ২৫৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৪৭
comment by: মনিটর বলেছেন: কালজয়ী কবিতা সমগ্র!!!
২. ২৯ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:১৬
comment by: নীল-লোহিত বলেছেন: নতুন কোন কবিতা আসেনাই

 



 

comment by:
সাদাসিদা মানুষ
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৪১০৬