somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিরশ্ছেদের কারণে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না: সৌদি রাষ্ট্রদূত

১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিজস্ব প্রতিবেদক :প্রথম আলো
ছবি : ২০০৯ এর ডিসেম্বর, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ডক্টর আবদুল্লাহ বিন নাসের আল বুশাইরির সাথে আলাপরত 'আমি'।



বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বুশাইরি বলেছেন, সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। সৌদি আইন অনুযায়ী খুন হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা খুনিদের ক্ষমা না করলে সরকারের কিছুই করার থাকে না। আজ সোমবার ঢাকায় সৌদি দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে আবদুল্লাহ এ কথা বলেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অনেক পুরোনো, গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশিরা সৌদিতে বসবাস করছেন। খুনের বদলে খুন, এ আইনটি তাঁরা সবাই জানেন। আর এটা মেনেই তাঁরা বসবাস করছেন। আল্লাহর এ আইন বাস্তবায়নে মানুষের কোনো হস্তক্ষেপ খাটে না।’
গত শুক্রবার রিয়াদে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই একই দিনে একজন আফগান নাগরিককে হত্যার দায়ে একজন সৌদি নাগরিককেও শিরশ্ছেদ করা হয়। ওই আফগান নাগরিকের পরিবার খুনিকে ক্ষমা না করায় সৌদি সরকারও তার নাগরিককে বাঁচাতে পারেনি। আটক ওই বাংলাদেশি নাগরিকদের বিচারের প্রক্রিয়া ২০০৭ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশের দূতাবাস এ ক্ষেত্রে তার দেশের নাগরিকদের বাঁচানোর চেষ্টাও করেছিল। খুন হওয়া মিসরীয় ওই নাগরিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও কথা বলেছিল। বাংলাদেশ ওমিসরের রাষ্ট্রদূত এ নিয়ে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ওই মিসরীয় পরিবার আট বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেনি। অভিযুক্ত ১১ বাংলাদেশির মধ্যে আটজনকে শিরশ্ছেদ ও তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয় বিচারিক প্রক্রিয়া আরবি ভাষায় হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগসহ আইনি লড়াই চালানো সম্ভব হয়নি। উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, এটা ঠিক নয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় দ্বৈতভাষী যুক্ত ছিলেন। এ ঘটনায় সৌদি সরকার দুঃখিত হলেও তাদের কিছু করার ছিল না। কেননা, তারা আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে।
উল্লেখ্য, আসন্ন হজ উপলক্ষে সৌদি দূতাবাসরে পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জানানো হয়, এ বছর প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি সৌদি আরবে হজ পালন করতে যাবেন। ইতিমধ্যে ৩০ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ৫৮ হাজার হাজির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। অন্যদের ক্রমানুসারে হবে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ বুশাইরি বলেছেন, সৌদি আরবে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। সৌদি আইন অনুযায়ী খুন হওয়া ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা খুনিদের ক্ষমা না করলে সরকারের কিছুই করার থাকে না। আজ সোমবার ঢাকায় সৌদি দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে আবদুল্লাহ এ কথা বলেন।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অনেক পুরোনো, গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশিরা সৌদিতে বসবাস করছেন। খুনের বদলে খুন, এ আইনটি তাঁরা সবাই জানেন। আর এটা মেনেই তাঁরা বসবাস করছেন। আল্লাহর এ আইন বাস্তবায়নে মানুষের কোনো হস্তক্ষেপ খাটে না।’
গত শুক্রবার রিয়াদে আট বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ওই একই দিনে একজন আফগান নাগরিককে হত্যার দায়ে একজন সৌদি নাগরিককেও শিরশ্ছেদ করা হয়। ওই আফগান নাগরিকের পরিবার খুনিকে ক্ষমা না করায় সৌদি সরকারও তার নাগরিককে বাঁচাতে পারেনি। আটক ওই বাংলাদেশি নাগরিকদের বিচারের প্রক্রিয়া ২০০৭ সাল থেকেই শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশের দূতাবাস এ ক্ষেত্রে তার দেশের নাগরিকদের বাঁচানোর চেষ্টাও করেছিল। খুন হওয়া মিসরীয় ওই নাগরিকের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও কথা বলেছিল। বাংলাদেশ ও মিসরের রাষ্ট্রদূত এ নিয়ে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ওই মিসরীয় পরিবার আট বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেনি। অভিযুক্ত ১১ বাংলাদেশির মধ্যে আটজনকে শিরশ্ছেদ ও তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেওয়া হয়।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয় বিচারিক প্রক্রিয়া আরবি ভাষায় হওয়ায় বাংলাদেশি নাগরিকদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগসহ আইনি লড়াই চালানো সম্ভব হয়নি। উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, এটা ঠিক নয়। বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিচারিক প্রক্রিয়ায় দ্বৈতভাষী যুক্ত ছিলেন। এ ঘটনায় সৌদি সরকার দুঃখিত হলেও তাদের কিছু করার ছিল না। কেননা, তারা আল্লাহর আইন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে।
উল্লেখ্য, আসন্ন হজ উপলক্ষে সৌদি দূতাবাসরে পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জানানো হয়, এ বছর প্রায় এক লাখ বাংলাদেশি সৌদি আরবে হজ পালন করতে যাবেন। ইতিমধ্যে ৩০ হাজার বাংলাদেশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ৫৮ হাজার হাজির ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। অন্যদের ক্রমানুসারে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৯:২৭
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×