আমার প্রিয় পোস্ট
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- আসুন আরব বর্বরদের ঘৃণ্য থাবা হতে বাকীদের মাথা বাঁচাতে তিনটি দাবীতে সোচ্চার হই - ও.জামান
- বিডিং রাউন্ড ২০১১: গ্যাস লুটের নতুন ধান্দা - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে পিএসসি চুক্তি: প্রথম আলোয় ম.তামিমের সহজ পাঠের প্রতিক্রিয়া - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর সাথে চুক্তি নিয়ে ডেইলিস্টারের মিথ্যাচারের জবাবে - দিনমজুর
- কনোকোফিলিপস এর কাছ থেকে কত টাকা খেয়ে প্রথম আলো এইরকম মিথ্যা রিপোর্ট করেছে? - দিনমজুর
- দুর্ঘটনার রাজা কনোকোফিলিপস ও বঙ্গোপসাগরের আসন্ন বিপদ: যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিপি-ব্লোআউটের আলোকে - দিনমজুর
- কনোকো-ফিলিপস এর হাতে তুলে দেয়া হলো সাগরের গ্যাস ব্লক ১০ ও ১১ - দিনমজুর
- টেলিকম বহুজাতিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রথম আলোর অস্থিরতা - দিনমজুর
- নাস্তিক নির্ধর্মী কাফেরগন - হুশিয়ার সাবধান! - দাঁড়িপাল্লা
- অবিশ্বাসী কেউ ইসলামের সমালোচনা করলে মুসলমান ভাই-ব্রেদেরণদের উত্তেজিত হওয়ার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। - হোরাস্
- বিমান বন্দরের নামে আড়িয়াল বিলে রাষ্ট্রীয় ভূমি আগ্রাসন! - দিনমজুর
- ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবি হত্যার ইতিবৃত্ত - পিডিএফ সংস্করণ - নাঈম
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- হামীম গার্মেন্টস এ আগুন: গার্মেন্টস না লাশের কারখানা? - দিনমজুর
- হে রক্তমাংসহীন মেহনত! আল্লার দোহাই, পুড়ে পুড়ে কয়লা হও!! আমাদের অনেক উন্নয়ন দরকার - একজন নাগরিক
- দোহারের গান এবং আমাদের ধনী পিতার ফকির সন্তানদের গল্প - অনার্য তাপস
- কোরান কি অলৌকিক গ্রন্থ? - ১ - সজীব আকিব
- সংশোধিত ড্যাপ আবশ্যক - সচল জাহিদ
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- মানালি থেকে লাদাখের পথে: (তৃতীয় পর্ব- দ্বিতীয় ভাগ) - আহাদিল
- নূন্যতম মজুরী নিয়ে সমঝোতার সাজানো নাটক - দিনমজুর
- জিয়া কর্তৃক তাহের হত্যাকান্ড নিয়া পি মুন্সী’র ‘অবজেবক্টিভ’ ত্যানা প্যাচাপ্যাচি প্রসঙ্গে একখান রি-অ্যাকশান পোষ্ট! - মাদারি
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- ভাষার জন্য একটি প্রান্তিক জাতিসত্তার সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস: বাংলাদেশে কি সকল জাতির সকল ভাষা সমান স্বীকৃতি ও মর্যাদা পাবে ? - কুঙ্গ থাঙ
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- একটু আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে আমার ধারনাটুকু বদলে দিলেন আমার বাবা - শ।মসীর
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্”... - মুনশিয়ানা
- দেশে 'সন্ত্রাস' বিরোধী অভিযান ও চলমান 'ক্রসফায়ার' প্রসঙ্গ- (চতুর্থ অংশ) - মাহাদি হাসান
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস: দ্রুত সকল বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড বন্ধ করুন। - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- একাত্তরে নারীর বিরুদ্ধে অপরাধ - একরামুল হক শামীম
- বাংলা ব্লগ দিবস নিয়ে ২ পয়সার ভাবনা - বিডি আইডল
- বাংলা ব্লগ দিবসের গরম গরম ছবি... (লাইভ স্ট্রীম থেকে নেওয়া) !!! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- পার্বত্য জনগনঃ উদ্বাস্তু হতে হতে ক্রমশঃ আলাদা হয়ে যাওয়া... জেগে ওঠা বিচ্ছিন্নতার বোধ... - মুনশিয়ানা
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (৮) - পি মুন্সী
- পাশ্চাত্য সংগীত যারা ভালবাসেন তাদের জন্য অসাধারণ কিছু গানের লিস্ট (না শুনলে মিস করবেন) - নগর সংগীত
- আইন ভেংঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার বিপজ্জনক রাজনীতি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- নির্যাতন-৬ বেআইনী টিএফআই সেল, জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন - সায়েমুজজ্জামান
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- বেড়িবাঁধ দখল করে তৈরী হচ্ছে ৯টি শিপইয়ার্ড - আিক
- আগুনের রেস (উৎসর্গ: মনজুরুল হক) - প্রশ্নোত্তর
- রাষ্ট্রের হাতে যদি নাগরিক নিরাপত্তা না পায় তবে সেই রাষ্ট্র ব্যর্থ - প্রশ্নোত্তর
- সাগর বক্ষে গ্যাস ব্লক ইজারার উদ্দেশ্য গ্যাস সংকট মোকাবেল না রফতানি? - ভিন্ন চিন্তা
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - জোবাইর
- বাংলাদেশে তেল/গ্যাস অনুসন্দ্ধানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং গ্যাস সংকটের প্রেক্ষিত। - মনোয়ার আহমদ
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- যানজটে জীবনজট-২: সম্ভাব্য সমাধান - ফারহান দাউদ
- পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব) - পড়ুয়া_পড়ুয়া
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১ - অমি রহমান পিয়াল
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই (দ্বিতীয় ও শেষ অংশ) - পি মুন্সী
- রাষ্ট্র ভাবনা: একাত্তরে চীন কেন আমাদের সমর্থন করতে পারে নাই - পি মুন্সী
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ২ - লাশ
- সেনাবাহিনীর আকাম কুকাম সমগ্র পর্ব ১ - লাশ
- সামহোয়ারইনের মডারেশন নীতিমালা: একটি ভিন্ন পর্যবেক্ষণ - রিফাত হাসান
- মধ্যযুগীয় মোল্লাবাদ বনাম সুফীবাদ - লাশ
- তিয়ান'আনমেন রক্তক্ষয়ের ২০ বছর : কি ঘটেছিল তখন ? - মেহরাব শাহরিয়ার
- আমার প্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতের অ আ ক খ - অপ্সরা
- প্রভাকরণের মৃত্যু ও তামিল ইলম - ফিরে দেখা ইতিহাস - দিগন্ত
- আসবেন আরজ আলী? - তনুজা
- আইনস্তাইন বললেই হল! সমাজতন্ত্রের মরা ভূত আর জাগবে না (উৎসর্গ ব্লগার ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান) - ভালো-মানুষ
- ডিম্বের সন্ধানে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একটি বিদ্রোহ পরবর্তী বিশ্লেষন শ্রেণী সংঘাতই কি বিডিআর বিদ্রোহের মূল কারন? - জামাল ভাস্কর
- বিডিআর নৈরাজ্য: লাশের মাপকাঠিতে বিদ্রোহের পরিসীমা - দিনমজুর
- লাশ উৎসব - ঊশৃংখল ঝড়কন্যা
- একটা পুরানো দালান : ইষ্ট পাকিস্তান : আমাদের আর্মির জবাবদিহিতা - শূন্য আরণ্যক
- বিডিআরের জওয়ানদের যৌক্তিক দাবী: ঘটনা,শংকা এবং ভবিষ্যৎ - ফারহান দাউদ
- আর্মির সত্যভাষণে বিডিআর ভিলেন??!! - নিকো৮১২৩
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- ইজরায়েল কিভাবে গাজায় মহাবিপর্যয় তৈরি করেছে(শেষ পর্ব) - আহসান হাবিব শিমুল
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতন: বাংলাদেশের পুরুষতান্ত্রিক সমাজের পুনপৌনিক ঘটনার নিষিদ্ধ আলোচনা- দ্বিতীয় কিস্তি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি (শেষাংশ) - দিনমজুর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- জনস্বার্থের পোস্ট: ব্লগে আপনার নিজের সেরা লেখা কোনটি? (সবার অংশগ্রহন বাধ্যতামূলক)
- জ্বিনের বাদশা
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- একজন ব্লগারের নিষ্ঠা ও আমাদের নির্লিপ্ততার আক্কেল সেলামি - রাগ ইমন
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আরব-ভূমিতে গ্রীক দর্শনের পঠন-পাঠন, আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, ইসলামের উদ্ভব ও কোরআনঃ ইতিহাসের পাঠ থেকে একটি বিশ্লেষণ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আস্তিক-নাস্তিক সমাচার - চার্বাক দর্শন। (শেষ কিস্তি) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- নেপালে মাওবাদীদের নির্বাচনী বিজয়, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লবের মিথ এবং কিছু জরুরী ভাবনা - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ - দিনমজুর
- আমাদের কৃষি, আমাদের প্রাণ -২ - দিনমজুর
- হায়রে কৃষি!!!!!!!!!! সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও একটি বিশ্লেষণ - দিনমজুর
- প্রাইভেটাইজেশন - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -১ - দিনমজুর
- কিউবার কৃষি অর্থনীতি/ রেবেকা ক্লসন -২ - দিনমজুর
- সাম্প্রতিক খাদ্য সংকট ও আমাদের কৃষি - দিনমজুর
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- জিএম শস্যের ভালো মন্দ - দিনমজুর
- কিভাবে অভ্র ব্যবহার করে বাংলা লিখতে হয় (বিস্তারিত) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- পলিটিক্যাল ইসলাম কয় কারে? - সাধক শঙ্কু
- "হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি মৃগীরোগী ছিলেন" এর মূল লেখার জবাব - জামালiiuc
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস - একরামুল হক শামীম
- অভিজিৎ এর "মার্ক্সবাদ কি বিজ্ঞান" শীর্ষক প্রবন্ধের প্রতিক্রিয়ায়- ২ - দিনমজুর
- কার্ল মার্কস ও তথাকথিত প্রকৃতি বিজ্ঞান (Natural Science) - পি মুন্সী
- ইহুদি ও খ্রিস্টান ধর্মের একমেবাদ্্বিতীয়ম ঈশ্বর চেতনা - শোহেইল মতাহির চৌধুরী
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- এন্টি গল্প > শেষরাতের একফালি চাঁদ > - মনজুরুল হক
এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ১৯ > কেঁপে ওঠা মাটিতে-বাতাসে বারুদের গন্ধ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩০
একের পর এক এইসব মৃত্যুর খবর শুনতে শুনতে আমার আর কোন বিকার হতো না! আগে যেমন একটা মৃত্যু সংবাদ শুনলে আঁতকে উঠতাম, এখন আর তেমন হয়না! এনে মনে মৃত্যুকেও যেন খুব স্বাভাবিক ভাবে মেনে নিতে শিখে গেলাম! পাড়ায় যে বড় জমিদারদের পুকুর ছিল তার পাশেই একটি হিন্দু পরিবার থাকত। ভাঙ্গা জমিদার বাড়ির এক কোণায় ছাপড়া মত তুলে সেখানেই থাকত তারা। সেই বাড়ির বুড়ো মানুষটি হঠাৎ কয়েকদিনের জ্বরে মারা গেল। এটা কোন যুদ্ধের মরা নয়। এমনিই মরে যাওয়া। এই মৃত্যুও খুব স্বাভাবিক মনে হলো। আমরা এখানে আসার পর কোন হিন্দুর মৃত্যু দেখিনি। ওই বুড়ো মরে যাওয়ার পর আমরা দলবেধে মড়া ঘাড়ে শ্মশানে গেলাম। গ্রামের শেষ মাথায় একটা মরা খাল যেখানে বিলে মিশেছে সেখানে শ্মশান। আমি আগে কখনো লাশ পোড়ানো দেখি বলে খুব আগ্রহ করেই লাশের সাথে গেলাম। লোকজন বেশি না, মাত্র দশ-বার জন খাটিয়ায় করে লাশ ঘাড়ে নিয়ে যাচ্ছে, আর অনবরত বলে চলেছে –‘বলো হরি, হরি বোল’! আমি প্রথম প্রথম কিছুই বলছিলাম না, তারপর মনে হলো বললে ক্ষতি কি? প্রথমে লজ্জায় একটু আস্তে আস্তে, পরে ওদের সাথেই গলা মিলিয়ে বলতে থাকলাম-‘বলো হরি, হরি বোল‘! প্রথম দিককার একজন বলে-‘বলো হরি’...সাথে সাথে আমরা সবাই বলে উঠি-‘হরি বোল’! সাজানো চ্যালাকাঠের উপর লাশ শুইয়ে দেওয়ার পর তেল ঢেলে আগুণ ধরিয়ে দিল! আমি ভীষণ ভাবে চমকে উঠলাম! এভাবে মানুষকে পোড়ায়! চড় চড় করে চামড়া পোড়ার শব্দ হচ্ছে, আর কেমন যেন অচেনা গন্ধ বেরুচ্ছে। আমি ভয়ে ভয়ে দেখছি...... লাশ পুড়ে কয়লা হওয়া পর্যন্ত অকেকেই দাঁড়াল না, কিন্তু আমি অবাক হয়ে দাঁড়িয়েই থাকলাম। অশ্ব-বিশ্ব দুই ভাই আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে এলো। এর আগে আমাদের গ্রামের নদী দিয়ে মাটির হাড়ি আর আধাপোড়া কাঠ ভেসে যাওয়ার সময় বড়রা বলত-‘শ্মশানের কাঠ, শ্মশানের হাড়ি’।
নভেম্বরের শীত এখন ভাল ভাবেই পড়তে শুরু করেছে। বিকেল হতেই টুপ করে সূর্যটা ডুবে যায়। বোনদের জন্য উল কিনে এনে মা সুয়েটার বুনে দিলেন। আমার একটা ফ্লানেলের সার্ট ছিল তাই আমার দরকার হলো না। মায়ের সেলাই করা টাকা থেকে আমি মা’র জন্য একটা শাল কিনে আনলাম। গাঢ় রঙের। মা বললেন-ভেড়ার লোম দিয়ে নাকি এই শাল বানানো হয়।
এই সময় আমাদের ক্যাম্পের পাশে আর্মিদের ক্যাম্পে আরো অনেক গাড়ি ভরে ভরে অস্ত্রপাতি আর সৈন্যরা এলো। পাক সেনারা ওপারে যত বেশি বেশি বাড়িতে আগুন দিচ্ছিল ততই মুক্তিযোদ্ধারা আক্রমন জোরদার করছিল। এর মধ্যে আমাদের ক্যাম্পে আশপাশের ছোট ছোট কোম্পানি আর গ্রুপকে আনা হলো। বড় কিছু হবে এমন শুনছিলাম প্রায় রোজই। ভারতীয় আর্মির কাছ থেকে যে ফোর ইঞ্চ মর্টার পাওয়া গেছিল সেই মর্টার একটা নিয়ে ফিট করা হলো ফ্রন্টে। মর্টারের জন্য যে চার-পাঁচ জনকে দেওয়া হলো তারা সবাই ইপিআর। তাদের আগেকার সেই খাকি পোশাক পরেই তারা মর্টারের কাছে ডিউটি করত। মূল ফ্রন্ট আরো একটু ভেতরে। একদিন জিপটিপ ছাড়াই আমরা কয়েকজন সেই মর্টার ফিট করা জায়গা দেখতে চলে গেলাম। এদিন আমাদের কারো কাছেই কোন অস্ত্র নেই। আমি যাদের সাথে গেলাম তারা সবাই পাবলিক। কারো বয়স কুড়ির উপরে আবার কেউ পঁচিশ-ত্রিশ মত। চেনা পরিচিত পথে হেঁটে আমরা মর্টার পাতার জায়গায় গিয়ে খামোখাই বসে থাকলাম। একটা তেরপল দিয়ে বিরাট নলটা ঢেকে রাখা হয়েছে। আমরা অনুরোধ কারার পর এক ইপিআর হাসতে হাসতেই তেরপর তুলে আমাদের দেখাতে গিয়ে বলল- ‘উস্তাদের চেহারা দেখতে আইছ, দেখো’! আমি মর্টারের গায়ে হাত দিয়ে দেখলাম ঠান্ডা! চকচকে নলটা একটু কোণাকুণি আকাশের দিকে তাক করা। কোন কিছু না ভেবেই আমি ফস করে জিজ্ঞেস করে বসলাম-‘কাকা কবে বোমা ছোঁড়া হবে’? ইপিআরটা আমার মাথায় চাটি দিয়ে বলল-‘খারাও না, কয়দিন পরেই দেখবা’।
শীত এলে দেশে থাকতে আমরা এসডিও সাহেবের বাডির সামনে একটা পাকা করা টেনিস কোর্টের পাশে আর একটা নতুন কোট বানাতে দেখতাম। সেখানে ওরা র্যাকেট খেলত। আমাদের পাড়ায় কেউ তেমন একটা খেলত না। আমরা ওদের সেই পুরোনো হয়ে যাওয়া কর্ক কুড়িয়ে এনে দড়ি টাঙ্গিয়ে র্যাকেট খেলতাম। এখানে আমাদের এই গ্রামে বা পাড়ায় কোথাও কাউকে র্যাকেট খেলতে দেখিনি। কিন্তু কি আশ্চর্য! আমাদের ক্যাম্পে ক্যাপ্টেন সাহেবের তাবুর পাশে যে বাঁশঝাড় সেখানে একদিন দেখলাম বড় করে কোট বানানো হচ্ছে! এখানে নাকি ভলিবল খেলা হবে! সৈন্যরা দেখি মহা ধুমধামে দড়ি ফেলে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে কোট বানালো। যথাসময়ে নেট আর বল এলো। এবং মুক্তিযোদ্ধারা দুই দলে ভাগ হয়ে ভলিবল খেলতে শুরু করল! এটা আমি কোন ভাবেই মেলাতে পারছিলাম না। আমার নিজেরও খুব খেলার সখ হতো, কিন্তু আমাকে নিত না। বাবা যে দিকে থাকত আমি নিজেই সেই দিকে দাঁড়িয়ে গেলে আমাকে দুর দুর করে সরিয়ে দেওয়া হতো! মেজাজ খারাপ করে পাশে বসে থাকতাম। জোরে মারা বল বাইরে চলে গেলে কুড়িয়ে আনতাম, তবুও আমাকে খেলতে নিত না। এ নিয়ে একদিন বাড়িতে মা’র কাছে নালিশও করলাম। মা’ বাবাকে সে কথা বলতেই বাবা বললেন-‘ও ছোট মানুষ ও পারবে কেন? হাতে ব্যথা পাবে না’? আমি জীবনে কোন দিন বাবার সামনে মাথা উঁচু করে কথা বলিনি, তর্ক তো করিইনি। হঠাৎ সেদিন বাবার সামনে বলে দিলাম-‘ব্যাথা পেলে পাব, মরে তো যাব না! আমি যে গোলাগুলির মধ্যে যুদ্ধে যাই, তখন’? বাবা অনেকক্ষণ একভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর নিজে নিজেই বললেন-‘উচিৎ না, তারপরও পাঠাই, তাই তো মরে যাওয়ার চেয়ে ব্যথা তো বেশি না’! তার পর দিন বাবার দলে একেবারে লাস্ট লাইনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেলাম। ওদের এই ভলিবল খেলা দেখে আমি যেমন অবাক হয়েছিলাম, তেমনি পাড়ার লোকেরাও অনেক কিছু বলাবলি করত। চা-দোকানের পাশে বসে বলত-‘যুদ্ধ কইরে মরচে, আবার খেলতি সখ হয়েচে দেকো’? বাবাকেও একদিন ওই দোকানের পাশের লোকরা বলেছিল-‘ও হক সায়েব, আপনাদের খেলাধুলো দেইকে তো মনে হচ্চেনা যে আপনারা যুদ্ধ করচেন’? বাবা দেখলাম কি কি বলে যেন বোঝালেন- শরীর ঠিক রাখার জন্য নাকি করতে হয়, ক্যাপ্টেন সাহেবের আব্দার।
এর পর নিয়ম করে খেলা চলতে থাকল। সন্ধ্যে হলেই দলে দলে ফ্রন্টে চলে যাচ্ছে। এদিকে আর একদল বিকেল থেকেই চিৎকার চেচামেচি করে ভলি খেলছে। এ নিয়ে পাবলিক মুক্তিযোদ্ধা আর ইপিআরদের মধ্যে কথা চালাচালিও হতো। একদিন রুস্তম নামের এক মুক্তিযোদ্ধা মেহেরপুরের ভাষায় গালিও দিয়েছিল। রুস্তম দেখতে পাঞ্জাবীদের মত বিশাল ছিল। লুঙ্গি পরে খালি গায়ে ঘুরে বেড়াত। বুক ভর্তি কালো কালো লোম। আমাকে মাঝে মাঝে এক হাতে উঁচু করে তুলে বলত-‘আমার বাপে রুস্তম নাম রেইকেচে ক্যানো জানিস? আমি হ’লাম পালোয়ান’! রুস্তম কখনো খেলত না। সে-ই গালি দিয়ে বলেছিল-‘তুমাগের পুঙ্গায় ম্যালা ত্যাল, তাই তুমরা খেলচ, আমরা মরতি মরতি যুদ্দ করচি, আমাগের খেলা আসে না, শালার সুমুন্দির ছেইলেরা....’ এই কথা কি ভাবে যেন ইপিআররা শুনে তারাও রুস্তমকে গালাগালি করেছিল। আমি মনে মনে রুস্তমের পক্ষেই ছিলাম, কিন্তু কাউকে কোন কিছু বলিনি। কেন যেন মনে হয়েছিল রুস্তম তো ঠিকই বলেছে।
আরো কয়েকদিন পর যথারীতি বিকেলে সবাই খেলছে। সন্ধ্যেয় যাদের ফ্রন্টে যাবার কথা তারা তৈরি হচ্ছে। আমিও বাড়ি ফেরার জন্য হাঁটা ধরেছি। হঠাৎ গুড়ুম গুড়ুম শব্দে চারপাশ কেঁপে উঠল। এই শব্দটা আগের সেই মেশিনগানের গুলির মত না। মনে হচেছ কামান দাগার শব্দ। ক্যাম্পে সাথে সাথে শোরগোল পড়ে গেল। যারা খেলছিল তারাও তাড়াতাড়ি নেটটেট গুছিয়ে তাবুতে ফিরেই তৈরি হতে লাগল। ওদেরই একজন আমাকে হা করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলে উঠল-‘দাঁড়ায়া আছ ক্যান, হয় বাড়ি চলে যাও, না হয় রেডি হও’। বাবা তার টিম নিয়ে দৌড়ে যাবার সময় আমার পাশে এসে বাড়ি চলে যেতে বলে গেলেন। আমি কি করব তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। একবার মনে হলো যাব না। কি হবে যেয়ে? আমি তো কিছুই করতে পারিনা! পরক্ষণেই যুদ্ধ দেখার কথা ভেবে রেডি হয়ে গেলাম। ‘কোথ’-এ আমার নামে কোন এসএলআর ছিল না। যেটা খুশি নিলেই হয়। আমি মাতব্বরি করে এসএলআর না নিয়ে একটা এসএমজি কাঁধে ঝুলিয়ে হাঁটা দিতেই একজন অচেনা লোক ছোঁ মেরে কেড়ে নিল। এসএমজি খুব কম ছিল। সেটা শুধু কমান্ডাররাই নিত। আমি মন মরা হয়ে আবার এসএলআরই নিয়ে দৌড় শুরু করলাম। ক্রমাগত গুড়ুম গুড়ুম করে বোমা ফাঁটছে। আমরা যখন বিএসএফ ক্যাম্প পার হবো সেই সময় ক্যাম্পের পুব পাশে জমির মধ্যে একটা গোলা ফাঁটল। এখন আর জিপ নেই। যে যার মত শুধু দৌড়াচ্ছে। আমি ওদের সাথে তাল মেলাতে না পেরে কেবলই পিছিয়ে পড়ছি। তখন আবার কেউ একজন আমার হাত ধরে কিছুদূর টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এই রাস্তায় আগে বহুবার আমি হেঁটে গেছি, জিপে গেছি, কিন্তু কখনো এমন তাড়াহুড়োয় দৌড়ে যাইনি। হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়াচ্ছি আর মনে হচ্ছে পড়ে যাব! এসএলআরটা না থাকলে মেন হয় এত কষ্ট হতো না। একেবারে যখন আমাদের নতুন ফ্রন্টলাইনের কাছে চলে এসেছি, তখন কে যেন আমার মাথা থেকে হেলমেটটা খুলে নিয়ে বলল-‘আমার সাথে সাথে দৌড়াও ভাতিজা’। আমরা যতই ফ্রন্টের কাছে আসছি ততই আমাদের পাল্টা গুলির শব্দও শুনতে পাচ্ছি। এলএমজির ব্রাশ ফায়ার, আর তার সাথে রাইফেল এবং এসএলআরের সিঙ্গেল। কিছুক্ষণ পর পরই আমাদের সেই মর্টারের ফায়ার। আমরা যেয়ে ধপাধপ উপুড় হয়ে শুয়ে পড়লাম।
আমি কেবল কাক করে ফায়ার শুরু করব তখনই আমাকে ধমক দিয়ে থামিয়ে দিল একজন। আমি বোকার মত পেছনের লাইনে শুয়েই গুলি করতে যাচ্ছিলাম। খেয়ালই নেই আমার সামনে আমাদেরই আর একটা লাইন। আমি মনে হয় নিজেদের লোককেই গুলি করে দিচ্ছিলাম আর একটু হলে! ক্রল করে আবার সামনে গেলাম। অন্ধকারে কার পাশে আমি বা আমার পাশে কে চিনতে পারছিলাম না। কিন্তু আমাকে দেখেই সেই পাশের লোকটা চিনে সেই অন্ধকারেই কেমন করে যেন হাসার চেষ্টা করল। মাথা ঝাঁকি দিল। পিঠে হাত রাখল। আমি মুখ ঘুরিয়ে তাকালাম। আবার পিঠে হাত রেখে একটু জোরে চাপ দিল। আমার ঘাড়ে একটা ধাক্কা দিয়ে এসএলআর থেকে গুলি বেরিয়ে যেতে থাকল.....সামনে কে আছে, কি আছে জানিনা। অন্ধকারে গুলি করছি। পনের বিশ মিনিট বা আর একটু পরে তিনি কনুই দিয়ে গুঁতো দিয়ে বললেন- এ্যাডভান্স। আবার ক্রল করে এগোচ্ছি.....এতক্ষণ পরে খেয়াল হলো মাথায় হেলমেট নেই! যে খুলে নিয়েছিল সে কোথায় তাও জানিনা! আমি চিৎকার করে উঠলাম-‘কাকা হেলমেট নেই’! লোকটি সাথে সাথে তার হেলমেট খুলে আমার মাথায় পরিয়ে দিল! আমি অবাক হলাম, কাকার মাথা খালি! যদি মাথায় গুলি লাগে! গুড়ুম গুড়ুম অবিরাম গোলা এসে পড়ছে কখনো আমাদের সামনে কখনো পেছনে। যে কোন মুহুর্তে মাঝখানে পড়লে কি হবে সেটা ভাবারও সময় নেই! আরও একটু পরে আমাদের কমান্ড এলো ‘মুভ’! এবার ক্রল না, উঠেই কুঁজো হয়ে সামনে ছুটছি.....ছুঁটতে ছুঁটতে আমাদেরই একটা বাঙ্কার দেখলাম। ওই লোকটি সেই বাঙ্কারের পাশ দিয়ে যাবার সময় আমাকে ধাক্কা দিয়ে বাঙ্কারের ভেতর ঠেলে দিল। আমি গড়াতে গড়াতে বাঙ্কারে ঢুকে গেলাম.....লোকটা দৌড়াতে দৌড়াতেই চিৎকার করে বলছেন ‘বের হবা না ওখানেই থাকো"।
ঘুটঘুটে অন্ধকার বাঙ্কারে আমি একা! ভয়ে কেঁপে উঠলাম! আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে টানা গুড়ুম গুড়ুম আর কটকট শব্দে থেকে থেকে বুক কেঁপে উঠছে.....ক্লান্ত আমি বাঙ্কারের কোণায় মনে মনে পানি খুঁজে চলেছি.....ভীষণ তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাবে যেন.......একটু পানি......
চলবে...........
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি, কিশোর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালী, বাংলাদেশী, বাংলাদেশ, ১৯৭১, ৭১, '৭১, মনজুরুল হক, স্মৃতিকথা, গেরিলা, পাকিস্তান, পূর্ব বাংলা, বিহারী, 1971, 71, '71, bangladesh, freedom fighter, liberation war, bangladeshi, bangla, east pakistan, west pakistan, .... ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ, স্মৃতিকথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ মনসুর।
ভাল আছেন তো?
শয়তান বলেছেন:
বুঝলাম না । সেপ্টেমর অক্টোবর মাস অথচ আপনাদের ক্যাম্পের অবস্থান এখনও স্থির রয়ে গেছে যে ?
লেখক বলেছেন:
৫/৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থির ছিল।
শয়তান বলেছেন:
আমি বুঝতে চাইছিলাম এরই মধ্যে যেসব মুক্তাঞ্চল ছিল সেগুলির দখলে তাহলে কারা ছিল ? স্থলযুদ্ধের নিয়মইতো দখল বজায় রাখা ।
লেখক বলেছেন:
মুক্তাঞ্চল ছিলনা। সীমান্ত থেকে কয়েক মাইল ভেতর পর্যন্ত যে অঞ্চল ছিল সেখানে অস্থায়ী ক্যাম্প ছিল। মূল ক্যাম্প মেহেরপর মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত ওখানেই ছিল। ওরা মেহেরপুরের আশপাশ থেকে আস্তে আস্তে মেহেরপুরে জড়ো হচ্ছিল।
ক্যালিপসো বলেছেন:
প্রায় দুই ঘন্টা যাবত আপনার পোস্ট পড়ছি। পড়ছি তো পড়ছিই।আজ শুধু মন্ত্রমুগ্ধের মত পড়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ক্যালিপসো।
আপনার নিকটা বেশ সুন্দর! আগে দেখিনি।
ভ্যানগার্ড বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ফিরোজ-২, ভাল থাকুন।
অজানা আমি বলেছেন:
++++++++++++++
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
"‘ব্যাথা পেলে পাব, মরে তো যাব না! আমি যে গোলাগুলির মধ্যে যুদ্ধে যাই, তখন’? বাবা অনেকক্ষণ একভাবে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর নিজে নিজেই বললেন-‘উচিৎ না, তারপরও পাঠাই, তাই তো মরে যাওয়ার চেয়ে ব্যথা তো বেশি না’"-অপূর্ব।
লেখক বলেছেন:
কি বলব? শুধুই কৃতজ্ঞতা।
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ যুদ্ধ অভিজ্ঞতা আপনার!!!! আপনাকে সত্যি হিংসা হয়!!!
লেখক বলেছেন:
তার চেয়ে বেশী কষ্টের ঠিকুঁজি।
েতজপাতা বলেছেন:
মঞ্জু ভাই জানিনা কেন ত্রিশোনকু আমাকে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে বলেছেন...আপনি একটু এই ব্লগটা পড়ে দেখবেন...
Click This Link
অন্যদের ও বলছি আমার এই লিঙ্কটি পড়ুন...আলিফাকে বাচাতে এগিয়ে আসুন...
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
অনেক দেরী হয়ে গেছে ভাই, তবুও দেখি কি করা যায়.....
পল্লী বাউল বলেছেন:
আবারো মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পড়লাম ++
লেখক বলেছেন:
আবারো কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ হলাম....
লেখক বলেছেন:
বাঁচার জন্য মানুষ দুরন্ত সাহসী হয়ে ওঠে..
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
মঙ্গল হোক আপনার।
লেখক বলেছেন:
মঙ্গলে যাপিত জীবন
তবুও যেন কিসের আঁধারে ঢাকে....
ত্রিশোনকু বলেছেন:
সবার অবগতির জন্য:গত রাতে মন্জুরুল হকের মামী ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পরলোক গমন করেছেন (ইন্না নিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন), যে মামীর কাছে তার জীবনের বড় একটা অংশ কেটেছিল। মরদেহের সাথে তিনি গত রাতেই ঢাকা ত্যাগ করেন। আগামীকাল তার ঢাকা ফেরার সম্ভাবনা আছে।
তিনি সবার কাছে দু:খ প্রকাশ করেছেন আজকের কিস্তি না দিতে পারার জন্যে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ত্রিশোনকু।
৬ দিন পর আজ ফিরেছি। ২৪ তারিখে রাতে আপনার ফোন পেলাম যখন, তখন আমি আরিচার কাছাকাছি। টানা টেনশন আর যাত্রার ক্লান্তিতে লেখার চেষ্টা করেও পারলাম না আজ।
আশা করছি কাল ২০ তম পর্বটা লিখতে পারব। আপনাকে ফোনে কিছুটা বলেছি, এই মানুষটি আমার জীবনের অনেকটা জায়গাজুড়ে ছিল।
এখন খুব খালি খালি লাগছে.......
ম্যাকানিক বলেছেন:
ত্রিশোনকু আপনাকে ধন্যবাদ খবরটা দেয়ার জন্য। মঞ্জু ভাই এই সিরিজের সবগুলোই বেস্ট তারপরেও আপনার এই পর্বটা বেস্ট অব দ্যা বেস্ট বলে মনে হচ্ছে।
তিনি সবার কাছে দু:খ প্রকাশ করেছেন আজকের কিস্তি না দিতে পারার জন্যে
আপনি যে কষ্ট করে বাংলাদেশ জন্মের সময়ের অজানা কিছু অধ্যায় তুলে ধরছেন সেজন্য রইলো অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান আমরা সমস্টিগত ভাবে দিতে পারিনি কিন্তু ব্যাক্তিগতভাবে শ্রদ্ধা সম্মান সহোযোগিতা করতে কখনই কার্পন্য করিনি এবং করবো না।
আপনি সব সামলে আসেন আমরা অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন:
আপনার মন্তব্যের উত্তর লেখার সময় প্রতিবারই এমন হয়, অপ্রস্তুত হই। কিছু অসামান্য কথা আপনি বলে যান, যার উত্তর ঠিক করা যায়না, হয়না!
কি বলব? ভাল থাকুন।
জাতেমাতাল বলেছেন:
সম্মুখ সমরের এ রকম প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা এর আগে আপনার লেখায় আসে নাই। এই প্রথম আমরা মুখোমুখি হচ্ছি, যুদ্ধের এ ধরনের ভয়াল বর্ণনার সাথে।আগামী পর্বের জন্য উৎকন্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করছি...
লেখক বলেছেন:
অনেকটা সময় গ্যাপ হয়ে গেল। আজ আবার লিখতে পারলাম।
এই লেখা নিয়ে আপনাদের অকৃত্তিম আগ্রহ আর প্রেরণা এখনো এই লেখাটির প্রাণভমরা হয়ে আছে। লিখে যাচ্ছি....
দীপান্বিতা বলেছেন:
অপেক্ষা ...
লেখক বলেছেন:
সাত দিন পর আজ আবার পোস্ট করতে পারলাম।
ভাল থাকুন দীপান্বিতা।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
নিরবে পড়ে যাচ্ছি, দাদা।
লেখক বলেছেন:
আমি কৃতজ্ঞ আশরাফ।
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
মামীর আত্মার মাগফেরতা কামনা করছি....সব বিপদ সমাধান করে ধীরে সুস্থ্যে আসেন আমরা অপেক্ষায় থাকবো।
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ নাজমুল সাত দিন পরে আজ আবার লেখা শুরু করতে পারলাম। একটা ঝড় বয়ে গেল এই কয়দিন। ভয় পাচ্ছিলাম আবার শুরু করতে পারব তো! যাহোক ২০ তম পর্বটা পোস্ট করতে পেরেছি।
খারেজি বলেছেন:
মনজু ভাই দোয়া করি পরের পর্বের জন্য বেঁচে বর্তে থাকুন!
(পুরাটার একটা সংকলিত ইবুক টিবুক না, বই চাই। এই বৈমেলাতেই। নাইলে বয়কট।)
লেখক বলেছেন:
বেঁচেবর্তেই আছি খারেজি।
জানিনা আপনি নিজে কতটা খুশী, তবে আমি আপনার প্রত্যাবর্তণে ভীষণ খুশী। আবার আমাদের পদচারণায় ব্লগের রাতগুলো আগের মতই প্রাণময় হয়ে উঠবে খারেজি।
বইয়ের চেষ্টা চলছে। হয়ে যাবে হয়ত।
লেখক বলেছেন:
মামীকে বাঁচাতে পারলাম না! ২৩ তারিখে সিএমএইচ এ এনে ২৪ তারিখ সারা দিন শত চেষ্টার পরও বাঁচাতে পারলাম না! মাত্র ৫৭/৫৮ বছর বয়সে মামী চলে গেলেন। ক্যান্সার ধরা পড়ল একেবারে শেষ সময়ে! ওই দিনই সন্ধ্যায় মারা যাবার পর রাত দশটায় লাশ নিয়ে খুলনা চলে গেলাম।
সারা রাত এ্যাম্বুলেন্সে লাশের পাশে বসে জীবনকে অন্যভাবে চিনলাম ভাইয়া!
সব আনুষ্ঠানিকতা সেরে আজ ফিরলাম। কোন কিছুই ভাল লাগছে না। এই মানুষটাকে নিয়ে আমার শত শত দিনের স্মৃতি সারাক্ষণ তাড়া করে ফিরছে.....
শয়তান বলেছেন:
কয়েকটা দিন রেস্ট নেন হকভাই ।
লেখক বলেছেন:
সেটা হলে তো ভালই হতো, কিন্তু এখনই সিরিজটা শেষ করতে না পারলে ফেব্রুয়ারী মেলা ধরা যাবে না। বাংলাদেশে সারা বছর বই প্রকাশ হয় না!
যীশূ বলেছেন:
পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি...........
লেখক বলেছেন:
টানা সাত দিন অপেক্ষা করাতে হলো!
বাস্তবতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।
ধন্যবাদ যীশূ।
লেখক বলেছেন:
পড়লাম।
খুবই অসাধারণ কাজ হয়েছে।
দীপান্বিতা বলেছেন:
মামীর আত্মার শান্তি কামনা করি......আপনি একটু স্থির হয়ে আবার লেখা শুরু করুন...আমরা সবাই অপেক্ষা করবো
লেখক বলেছেন:
স্থির হয়ে কোন কিছু ভাবার, করার কোন সময়ই আমাকে বরাদ্দ করেনি প্রভু!
এ বড় বিমাতাসুলভ আচরণ!
সেই একাত্তরে যে লড়াইয়ের সূচনা হয়েছিল আজও তা চলছে, চলছে ভীষণ অসম পরিনতিতে! সেই লড়াইয়ে পাহাড়-পর্ব্বত চষে ফেলেও আমি সমুদ্র দেখিনি! আজও সমুদ্র দেখিনি!!
লেখক বলেছেন:
দেখি কি করা যায়।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
বেশ কটা দিন নেটবিহীন থাকার দরুন ভেবেছিলাম আজ এসে আপনার সিরিজটার শেষটুকু পুরোটাই একবারে পড়ে ফেলতে পারবো...কিন্তু এসে একটা দুঃসংবাদ পেলাম...
আপনার মামীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি...
লেখক বলেছেন:
এটা আমার জন্য খুব বড় একটা ধাক্কা!
চার-পাঁচ দিন লেগে গেছে ধাতস্থ হতে!
মনির হাসান বলেছেন:
ব্লগে সময় দিতে পারছিনা ... বেশ ব্যাস্ত ... আপনার খবরাখবর শয়তান ভাই দিয়েছিল ... ভালো থাকুন মনজু ভাই এবং অতি অবশ্যই
অনটপিকঃ পোস্ট পড়িনি ।
লেখক বলেছেন:
হ্যাপী নিউ ইয়ার।
এই লেখাটা না থাকলে হয়ত আগামী ১০/১৫ দিন ব্লগেও আসতে মন চাইত না।
আপসেট! ভীষণ আপসেট!!
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আপনার মামীর জন্য অনেক দোয়া....।
মনে হচ্ছিল এমন কিছু একটা হয়েছে।
এই পর্বটারশেষটুকুতে দম আটকে আসছিলো।
শুভকামনা রইলো।
নতুন বছর ভালো কাটুক.....
লেখক বলেছেন:
অনেক শুভকামনা সাজি।
চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদসংকুল দশাকেই "ভাল কাটছে" ধরে নিয়ে
এক একটা বছর পার করে যাচ্ছি...চলছে....একসময় আর চলবেনা....
তখন বলা হবে- ডট। সিম্পলি ডট!!
দীপান্বিতা বলেছেন:
আপসেট হবেন না, প্লিজ্! ঈশ্বর মঙ্গলময়......সব ঠিক হয়ে যাবে...
অবশ্যই একদিন এমন প্রভাত আসবে...
লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন। ঈশ্বর হয়ত মঙ্গলময়, কিন্তু তার পৃথিবীতে ছোট ছোট ঈশ্বররা(ডাক্তার) দিনের পর দিন ভুল চিকিৎসা করে শেষে যা ডেকে আনল তা নিরেট অমঙ্গল।
প্রভাত তো রোজই আসে দীপান্বিতা!
তবে কোনটা আমাদের আর কোনটা তাদের সেটাই বিবেচ্য।
আমি অকুল পাথারে দুচোখ মেলে থাকি
নতুন প্রভাত দেখব বলে,
প্রভাত পেরিয়ে সন্ধ্যে নামে, নামে রাত
দেখা আমার শেষ হয়না
কেবলই চেয়ে থাকা!!
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই পর্বটা জোশ লাগলো যুদ্ধের জোশের কারণে ।
বিশেষ করে আপনার সম্মুখ যুদ্ধের বর্ণনায় ।
লেখক বলেছেন:
চূড়ান্ত আঘাতের প্রস্তুতি....
দীপান্বিতা বলেছেন:
তা ঠিক! সব অর্থের পিছে দৌড়াচ্ছে!পাপার সময়তো ঠিক ভাবে বুঝলামই না কি হয়েছিলো! ২দিনেই সব শেষ!
.........ডাক্তারদের কথা বললে মাঝে মাঝেই বনফুলের কথা মনে পরে।
লেখক বলেছেন:
বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায় বাবুদের আমলে তাও মানুষ বিকিকিনির হাটে ওঠেনি এমন ভাবে। এখন তো নিজেকে কে কত চটকদার কমোডিটিজ বানাবে তারই কসরৎ চলছে!
নববর্ষ শুভ হোক দীপান্বিতা।
লেখক বলেছেন:
অনেক দিন পরে ফিরলেন। এর মধ্যে আমারও অনেক দুর্ঘটনা ঘটে গেছে।
যাহোক, এসেছেন যখন তাহলে একবারে শেষ পর্ব পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















