কুমার, গ্রামাঞ্চলে অতি পরিচিত একটি শব্দ। যারা মাটি দিয়ে হাড়ি-পাতিল সহ আরও বহুবিদ তৈজসপত্র বানায় তাদেরকেই কুমার বলা হয়। কুমার শিল্প, শুদ্ধ করে বললে মৃৎশিল্প উপমহাদেশের অতি পুরাতন একটি শিল্প।
এক সময় গ্রামে গ্রামে, এমনকি শহরেও ঝুড়িতে ফেরি করে মাটির তৈরি জিনিসপত্র বিক্রি করা হতো। এখন এ দৃশ্য কালেভদ্রেও চোখে পড়ে না।
গ্রামের হাটবাজারে এখন আলাদা করে মাটির জিনিস বিক্রির দৃশ্য অনেকটাই বিলীন। এ অবস্থায় মৃৎশিল্প এসে দাঁড়ায় বিলুপ্তির দারপ্রানত্মে। কিন্তু মৃৎশিল্পের শৈল্পিক পরিবর্তন এনে রং তুলির কারিশমায় তা এখন উঠে এসেছে অভিজাতের দুয়ার পর্যনত্ম। তবে তা এখন আর ব্যবহারিক হিসেবে নয়, শোপিস হিসেবে শোভা পায় সবখানে।
এখনতো ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় মৃৎশিল্পের বাহারি সম্ভার। অনেক সৌখিন মানুষের ঘরে ঘরে দৈনন্দিন কাজে মাটির তৈরি তৈজসপত্রের ব্যবহার বেশ ভালো ভাবেই শুরু হয়ে গেছে। এইতো সেদিন এক বড় ভাইয়ের বাসায় গেলাম। কিছুক্ষণ গল্প করার পর চা এল। আমিতো অবাক মাটির কাপে চা, জীবনে এই প্রথম। এর আগে অবশ্য মাটির প্লেটে ভাত খেয়েছি অনেকবারই, কিন্তু মাটির কাপে চা, আশ্চর্য হয়ে রইলাম কিছুক্ষণ। তারপর একটু পানি চাইলাম..... ওমা একি, মাটির গেলাসে পানি নিয়ে এল। আমি থ মেরে রইলাম অনেকক্ষণ।
যাই হোক, মাটির তৈরি জিনিসগুলোতে কেমন যেন একটা টান আছে, বাঙালিয়ানার টান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




