আমার জানামতে বাংলা পঞ্জিকার দিন শুরু হয় ভোরে সুর্যোদয়ের সাথে। এটি খ্রীস্টীয় পঞ্জিকার মধ্যরাতে দিন শুরু হওয়া থেকে ভিন্ন। এজন্যই আমরা পহেলা বৈশাখের অনষ্ঠান এ পর্যন্ত দেখে আসছি সকাল বেলা। তবে এবার দেখতে পাচ্ছি আমাদের বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা মধ্যরাতে নববর্ষ বরণ করেছেন। সেক্ষেত্রে তিনি চৈত্রসংক্রান্তি পালন করলেন নাকি নববর্ষ পালন করলেন তা আমার কাছে স্পষ্ট নয়। নাকি তিনি এ সব বিষয়ে নতুন ধারা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। সাম্প্রতিক কালে বিএনপি নিজেদের মতো করে বিভিন্ন ঘটনা ও অনুষ্ঠানাদির দিন তারিখ ও সময় নির্ধারন করছেন -- যেমন খালেদা জিয়ার জন্মদিবস, তারেকের কারাবরন দিবস, ও স্বাধীনতার ঘোষনা/পাঠ দিবস। তবে একটা বিষয় এখানে বলে নিতে হয়, বেসরকারী পঞ্জিকা থেকে আলাদা করে সরকারী পঞ্জিকা প্রবর্তনের সময় দিন যদি মধ্যরাত থেকে গণনার ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে তা আমার জানা নেই।
উল্লেখ্য, আগে একসময় ২১শে ফেব্রুয়ারীর প্রভাত ফেরীর অনুষ্ঠান গুলোও সকাল বেলা শুরু হত, আর সকালবেলার আবহের সাথে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটর আবেদন আরো বেড়ে যায়। তবে একুশে ফেব্রয়ারীর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের উপস্থিতির রেওয়াজের কারনে এটি এখন মধ্যরাতে নেয়া হয়েছে, এতে অবশ্য সকাল বেলাটা জনসাধারণের জন্য অনুষ্ঠানস্থল মুক্ত হয়। তারপরেও আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি আমাদের সংস্কৃতি ধরে রাখতে আমাদের সকাল বেলায়ই এই রকম অনুষ্ঠান করা উচিৎ। আর পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে তো রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাধারীদের উপস্থিতির অনুষঙ্গ নেই।
তথ্যসুত্র
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




