somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার সর্বশেষ রাঙামাটি ভ্রমনের কিছু অভিজ্ঞতা ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা ( শেষ কিস্তি)

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২ জুন। সকাল ৭টার দিকে রনেল আর রিপন হোটেলে চলে এলো। তিনজন একসাথে নাস্তা সারলাম রিজার্ভ বাজারেই এক রেস্টুরেন্টে। গতকাল বিকেলেই আমরা ঠিক করে রেখেছিলাম আজ সারাদিন ঘুরে বেড়াব উদ্দেহীনভাবে। রুট ঠিক হয়েছিল শুভলং এর দিকে। না, কোন নৌকা রিজার্ভ করব না। ঐ ধরনের বিলাসিতা যে আমাদের মানায় না তাতে রিপন ও রনেলও সহমত পোষণ করল। রিজার্ভ বাজার থেকে হাটতে হাটতে লঞ্চঘাট চলে এলাম। দেখি একটা লঞ্চ নোঙর তুলে দিয়েছে- এখনি ছেড়ে যাবে বলে। আমরা কিছু জিজ্ঞেস না করেই হুড়োহুড়ি করে তাতে উঠে পড়লাম। লঞ্চের টিকিটম্যানের সাথে রিপন কথা বলার পরপরই আবার তাড়াতাড়ি নেমে যাওয়া। এটা ছিল অন্য রুটের। রিপনকে একটা ফোড়ন কাটলাম- কী মিয়া এলাকার পোলা, কোনটা কোন রুটের লঞ্চ তাও জানো না ? রিপনের মুখে সদা বিনয়ী হাসি। যাই হোক, আমরা আবার মাইনীমুখের লঞ্চে উঠে পড়লাম। এটা শুভলং হয়ে যাবে। ছাড়বে আরো আধঘন্টা পরে। লঞ্চের একটা কিশোর ছেলে সমানে 'মাইনী..মাইনী... ' চেঁচিয়ে যাত্রী টানার মতলবে আছে। প্রথমে ছোট দোতলা লঞ্চের উপর তলায় বসলেও ঠিক স্বস্তি বোধ করছিলাম না। আয়েশী ভ্রমণের জন্যতো আমরা বের হইনি। তিনজনই আবার চলে এলাম নিচতলায়-যেখানে ইঞ্জিন থাকে। ৫/৬টা বড় তেলের ড্রাম, বেশ কয়েক বস্তা চাল, সস্তা বিস্কুটের প্যাকেট সহ অন্যান্য মালামালে নিচতলা বোঝাই। নিচতলার টিকিটের দাম কিছুটা কম থাকায় নিম্নআয়ের লোকজনের ভিড়ও মন্দ নয়। বেশ চাপাচাপিই বলা চলে। পাহাড়ী-বাঙালি লোকজন প্রায় সমানে সমান। একসময় লঞ্চ চলতে আরম্ভ করল। রিজার্ভ বাজারের ঘাট পার হয়ে একটু ডান দিকে আসতেই রিপন দূরের কয়েকটা মরা গাছের গোড়া দেখাল। জানাল ঐখানেই ছিল মাওরুম নামের গ্রামটি। ছিল চাকমা রাজবাড়ি। কয়েকমাস আগে ওখানেই ভেসে উঠেছিল রাজবাড়ির ধ্বংসস্তুপের কিছু নিদর্শন। পত্রিকায় ছবি দেখেছিলাম, দলে দলে পর্যটকেরা সেখানে সেই ধ্বংস স্তুপে নেমে ছবির পোজ দিচ্ছে। মানুষের আনন্দ করার উপায়গুলো কখনো কখনো কত নির্মম হয়ে ওঠে! লঞ্চ আরেকটু সামনে যেতেই ডানপাশে একটা পাহাড় উপরে চোখে পড়ল, সেই নামকরা পেদাটিংটিং। জনসংহতি সমিতির নেতা বাবু গৌতম দেওয়ান এটির মালিক। যারা সরকারের নিষিদ্ধ করা কর্ণফূলির কান্না দেখেছেন তাদের হয়ত মনে আছে, গৌতম দেওয়ান এক মাচাং-এ বসে তার কথাগুলো বলেছিলেন। সেটা এই পেদাটিংটিংয়েই ধারণ করা হয়েছিল। লাখ লাখ পার্বত্যবাসীদের চোখের জল কেটে কেটে লঞ্চ এগিয়ে চলেছে তার গন্তব্যে।১৯৬২ সালে ততকালীন পাকিস্তান সরকারের বিজলি সন্ত্রাস শুরু হলে ৫৪ হাজার একর কৃষি জমি তলিয়ে তৈরি হয় পর্যটকদের প্রিয় এই কাপ্তাই হ্রদে। মাওরুমসহ অনেক গ্রামই তখন তলিয়ে যায় এই উন্নয়ন বানে। প্রায় সোয়া এক লাখ আদিবাসী মানুষকে সেদিন নি:স্ব হতে হয়েছিল-দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল। পরবর্তীতে ভারত থেকে শরনার্থীদের অনেকেই ফিরে এলেও তারা তাদের বসতভিটা-জায়গাজমির অনেক কিছুই ফিরে পাননি। সব দখল হয়ে গেছে। লাখো মানুষের কোটি কোটি স্বপ্নের সমাধি এই হ্রদ। বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটনস্থল। পেদাটিংটিং পেছনে ফেলে একটা বাঁক নিতেই শুরু হলো দু'পাশের উঁচু পাহাড়ের ফাঁক দিয়ে এগিয়ে চলা। মাঝে মাঝে রাঙামাটি থেকে ছেড়ে আসা ইঞ্জিন চালিত নৌকাগুলো পর্যটকদের মুগ্ধতার সীমা বাড়াতে বাড়াতে আমাদের লঞ্চকে পেছনে ফেলে চলে যাচ্ছে। বিপরীত দিক থেকেও আসছে সমানে। একসময় পাহাড়ের গাঁয়ে 'স্বাগতম বরকল উপজেলা' লেখা চোখে পড়ল। এদিককার পাহাড়গুলো যেন আরো বেশি করে অলঙ্কার পড়েছে গাঁয়ে। পাহাড়ী শিলার স্তর বিন্যাস সতি্যই মুগ্ধ করার মত। নিচতলা থেকে আমরা আরো আগেই খা খা রোদের মধে্যও ছাদে উঠে বসেছিলাম। আমাদের সঙ্গী ছিল আরো তিন/চার জন পাহাড়ী ছেলে। রাঙামাটি কলেজে পড়ে। ছুটিতে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। লঞ্চ উঠে আমরা একটা 'দৈনিক পূর্বকোণ' কিনেছিলাম; এখানকার বহুল প্রচারিত দৈনিক। সেটা দিয়ে কোনমতে রোদের তেজে বাগড়া দিচ্ছিলাম। টিকিট কিলনাম তিনটা ৪৮ টাকা দিয়ে। দেখতে দেখতে শুভলং ঝরণা স্পটের কাছাকাছি। তাড়াতাড়ি চলে গেলাম লঞ্চের একেবারে মাথায়। না, একফোটা পানিও পড়ছে না। রিপনরা জানালো আর কয়দিন পর বৃষ্টির ছোঁয়া পেয়েই ষোড়শী তরুনীর ন্যায় খিলখিল হেসে উঠবে এই পাহাড়ী জলধারাটি। ঝরণা পার হয়ে লঞ্চ যেতে লাগলো শুভলং বাজারের দিকে। সামনেই একটা বাঁক। বাঁকের ঠিক মুখেই সুউচ্চ পাহাড়ের উপর জলপাই ক্যাম্প। ক্যাম্পের সামনের জলপথে ডিঙ্গি নৌকা থেকে শুরু করে যে কোন জলযানকেই জলপাই চৌকির সামনে দিয়ে পার হতে হয় -পতাকা দিয়ে পথনির্দেশ দেয়া আছে। সন্দেহ হলেই পাড়ে ভিড়াও আরকি। শুভলং বাজারে এসে লঞ্চ কিছুক্ষণের জন্য থামল যাত্রী ও মালামাল ওঠানামা করার জন্য। সেই পাহাড়ী তরুনদের বিদায় জানিয়ে আমরা নেমে গেলাম শুভলং বাজার। পাহাড়ের ধাপ বেঁয়ে একেবারে উপরে ওঠে গেলাম। বাজারের ভেতর এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করতে লাগলাম। বাজারের প্রায় সব ব্যবসায়ীই বাঙালি। রাঙ্গুনিয়ার লোকজনই বেশী মনে হলো। বাজারের দক্ষিণ দিকে আছে বনবিভাগের একটা বিট অফিস। বিট অফিসের পাশে খোলা জায়গায় কিছুক্ষণ জিড়িয়ে নিলাম। বাজারে একটা প্রাইমারি স্কুলও চোখে পড়ল। ছোট ছোট আদিবাসী ছেলে মেয়েরা (৮/১০জন হবে) সবাইবাইরে খেলাধুলা করছে। স্কুলে কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা ছিলেন না। রনেল ক্ষেদ প্রকাশ করে বলল- এই হলো আমাদের এখানকার লেখাপড়ার অবস্থা। চা খাওয়ার জন্য আমরা বিট অফিসের সামনে একটা মাচাং দোকানে গেলাম। দোকান মালিক একজন ৫০/৫৫ বছর বয়সী, অন্য একজনের সাথে দাবা খেলায় ব্যস্ত। রিপনসহ আমাদের দেখেই ওনি খেলা বন্ধ করে দিলেন। লোকটির সাথে রিপন চাকমার কথা বলার ঢং দেখে ধরে নিলাম বেশ ভালোই পরিচিত। রনেল ও আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল রিপন। উনি চাকমা ভাষার একজন কবি। বারেন্দ্র লাল চাকমা। জাকসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রকাশনায় উনার কবিতা পড়া হয়েছিল আমার। ওনার নামটা আমার অনেক আগেই পরিচিত। ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাওরুমের বর্তমান সংখ্যায়ও উনার কবিতা আছে। উনি মাওরুম বের করে দেখালেন, সাথে কল্পনা চাকমাকে নিয়ে আমাদের 'মৃত্তিকা'র বুলেটিনটিও। বারেন্দ্র বাবু ব্যস্ত হয়ে পড়লেন আমাদের নিয়ে। সিগারেটের প্যাকেট সামনে রেখে আমাদের সাথে আড্ডায় মেতে উঠলেন। তাঁর দেখা কর্ণফুলি, কাচালং, মাইওনি নদীর গতিপ্রকৃতি-দিকপরিবর্তন নিয়ে বেশ চমৎকার বললেন। ওখানে বেশ কিছুক্ষণ কাটিয়ে বাজারের একেবারে সামনের একটা দোকানে এসে বসলাম। এখানে আবার বসে পড়লাম। আদিবাসী মানুষজনের আসা-যাওয়া দেখছি। কথাবার্তার ফাঁকে ফাঁকে দৃষ্টির সীমা ছড়িয়ে দিচ্ছিলাম দূর পাহাড়ের দিকে। নৌকা ছাড়া এই বাজার থেকে আর কোথাও যাওয়ার পথ নেই। ঘাটের আশে-পাশে কোন ডিঙ্গি নৌকা চোখে পড়ল না। পেলে চলে যেতাম দক্ষিণ-পশ্চিমের দুইটা পাহাড় পরেই রিপন চাকমার দিদির বাড়ি। কী আর করা বসে বসে গ্যাঁজানো ছাড়া। তবে তাও যে খারাপ লেগেছে তা বলব না। এ এক অন্যরকম ব্যাপার। দুপুরের খড়তাপ বেড়েই চলেছে। বাজারে আসা নারী-পুরুষের অনেকেই নদীতে অনেকেই গোসল সেরে নিচ্ছেন। মনে মনে ভাবলাম আমাদের ঢাকা শহরের মারদাঙ্গা ফটোগ্রাফাররা থাকলে এতোক্ষণ নিশ্চয়ই ছবি তুলতে কারাকারি লেগে যেত। তাদের ফ্রেমে হয়তো ঐ আদিবাসী বাচ্চাদের পানিতে উদ্দাম ঝাপাঝাপির দৃশ্য ধরা পড়ত না; পড়ত আদিবাসী নারীর গোসলের কোন দৃশ্য! পরে ঢাকার নামিদামি গ্যালারিগুলোতে সপ্তাহ-মাস ব্যাপী চলত সেগুলোর প্রদশর্ণী। আমাদের নাগরিক বিজ্ঞজনেরা ফটোগ্রাফারের পিঠ চাপড়াতে চাপড়াতে বাহবা দিতেন। আর ঐ ফটোগ্রাফার হয়তো মুচকি হেসে নিজের ব্যাটাগিরির (?) স্বাদ উপভোগ করতেন। হায়রে, কী অদ্ভূত আমাদের দেখার শক্তি! কী অদ্ভূত আমাদের আত্মজানান দেওয়ার পদ্ধতি!! যাই হোক, আরেক দফা চা-সিগারেট শেষে দুপুর ২.৩০ এর দিকে আমরা ঘাটে নেমে এলাম। এবার আর লঞ্চে নয়। উঠে বসলাম ইঞ্জিন চালিত নৌকায়। লাইনের নৌকায়। ভাড়া জনপ্রতি ১৮ টাকা। আমরা তিনজন আর দুইজন বাঙালি পর্যটক (হাতে ক্যামেরা ছিলতো তাই দেখে বললাম আরকি!), একজন কোন কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হবেন- মোট ছয়জন নিয়ে মাঝি হাল ধরল। ঘন্টা দেড়েকের মধে্য রিজার্ভ বাজার পৌঁছে গেলাম। রনেল ক্ষুধায় বেশ কাবু হয়ে পড়েছিল। বনরূপার সেই থ্রি স্টার রেস্টোরেন্টেই সাড়লাম দুপুরের খাওয়া আর পান পর্ব। জাক অফিসে সামান্য বিশ্রাম নিয়ে চলে গেলাম চাকমা ভাষার শক্তিমান কবি শিশির চাকমার বাড়ি। আগে কখনো দেখা হয়নি। ফোনে কথা হয়েছে বেশ কয়কবার। বনরূপা এলাকাতেই উনার বাড়ি। একটু পুবদিকে পাহাড়ের উপরে। ছোট ও বেশ ছিমছাম সুন্দর বাড়ি। উনাকে বাড়িতেই পাওয়া গেল। বসার রুমে রাখা বুক সেলফে বইয়ের সংগ্রহ খুব খারাপ বলা যায় না। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই স্কুল শিক্ষক। শিশিরদা'র ওখানে বেশকিছু বিষয় নিয়েই আলাপ হয়েছিল। রাঙামাটির শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি-রাজনীতি নিয়ে বেশ গুছিয়ে কথা বললেন দাদা। ক্ষোভ প্রকাশ করলেন 'উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট'-র কার্যক্রম নিয়ে। আমাদের মৃত্তিকা'র কাজকর্মের খোঁজখবরও নিলেন, এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ যোগালেন। শিশিরদা'র বাড়িতে ঘন্টা দেড়েক কাটিয়ে আমরা চলে গেলাম বনরূপা ঘাটের ওপারে শশ্মানঘাট এলাকার এক চাকমা আদামে (গ্রামে)। এই গ্রামেরই যুবক নুয়েল চাকমা আমাদের- মানে রিপন-রনেলদের দেখে এগিয়ে এলো। ওর সাথে পরিচিত হলাম। নটরডেমে পড়ত। এখন গ্রামেই একটা মুদির দোকান চালায়। এসএসসি আমার ব্যাচেরই। খোলামাঠে বসে নুয়েলের সাথে কথা বলতে বলতে সূর্য ডোবার প্রস্তুতি টের পেলাম। নুয়েল আমন্ত্রন করল বর্ষায় আসার জন্য, ষোড়শী ঝরণা দেখতে। বিকেল ৫.৩০ এ আমরা রওনা দিলাম ওখান থেকে। হাটতে হাটতে চলে এলাম বনরূপা বাজারের মোড়ে মেইন রাস্তায়। আমার গাড়ি ছাড়বে সন্ধ্যা ছয়টায়। আমরা পেট্রোল পাম্পের সামনে দাঁড়ালে রিপনদের আরো কিছু বন্ধুও যোগ দিল। একসময় দেখি রিপন চাকমার বাবাও এদিকে চলে এসেছেন। আমাকে আবার আসার জন্য এবং হোটেলে না উঠে ওনাদের ওখানেই যেন চলে আসি তা বেশ আন্তরিকতার সাথেই বললেন। মেসোর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমরা রাস্তার উল্টোদিকে চলে এলাম বাসে উঠতে সুবিধে হবে বলে। কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে এলো বাস। সবকিছুর জন্য রিপন-রনেলসহ ওদের বন্ধুদের সবাইর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিদায় নিলাম। বাস চলছে। নিউমার্কেট, জেলা পরিষদ, ঘাগড়া থেকে যাত্রীরা মালপত্র নিয়ে উঠছে। মনে পড়ল আমার বন্ধু ভদ্রার কথা। সময় কম থাকায় এবার ওর শ্বশুড়বাড়ি খিপ্পাপাড়া যাওয়া হলো না। বিয়েতে একমাত্র বাঙালি অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রৈসাবিলি (ভদ্রাদের বাড়ি) ও খিপ্পাপাড়ার মানুষদের আন্তরিকার যে উষ্ণতা পেয়েছিলাম তা সারা জীবন মনে থাকবে। তো, ফার্ষ্ট ইয়ারে এসে ওরিয়েন্টশন ক্লাসে ও চাকমা ভাষায় চমৎকার একটা গান গেয়েছিল। আমার মনে গুনগুনিয়ে উঠল সেই গানটি- নচাং যেবারে জাগান ছাড়ি/ইদু আগং জনমান পুরি/এ জাগাগান রয়েদে/ম মনান গরের ছড়ি...।

পাদটীকা: শেষ কিস্তিটা শব্দসংখ্যায় একটু বড় হয়ে গেল। এজন্য পাঠবিরক্তি ঘটে থাকলে আপনাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×