নাম শুনেই যার প্রেমে পড়ি

আত্মকথন...
২০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
গারো পাহাড়ের গায়ে চুমু খেয়ে মেঘ নামছে কলকলিয়ে। চিকমাং আচিক থেকে পূণ্যবাণ আত্মারা নেমে আসছে বাগবা-বরম্বিদের সাথে। হাবা নেই, হাবাহুয়া নেই, জুম চাষীদের সাগল আমা রিব্বক মিচিক থেকে বৃষ্টি নামানোর বিশ্বাসী খ্রিতা নেই...তবু তারা আসবেন; হাবিমা-হাপালের সবখানে। আমি দেখি আর না দেখি, শুনি আর না শুনি...।
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৫৬বার পঠিত
ঢাকা-চেংগ্নী-নাদেংকল-বিরিশিরি-ঢাকাঃ বাউণ্ডুলের তীর্থযাত্রা - শেষ কিস্তির আগে
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
সকালে নাস্তা সেরে বের হয়েই দেখি একজন মধ্য বয়স্ক লোক বারান্দায় বসে পাতার বিড়ি টানতে টানতে সুপ্তির মা-বাবার সাথে আলাপ করছে। সাথে আরেকজন। সোহেল বিড়ি টানেওয়ালার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল, এটাই সুপ্তির মামা তুদিন চিসিম। মামার বাড়ি গারো হিলসে। সকাল বেলায় সীমান্ত পাড়ি দিয়েই বাংলাদেশে বোনের বাড়িতে চলে এসেছেন। মামার...
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১১৯বার পঠিত
ঢাকা-চেংগ্নী-নাদেংকল-বিরিশিরি-ঢাকাঃ বাউণ্ডুলের তীর্থযাত্রা - দ্বিতীয় কিস্তি
২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৮
শেরেনজিং -ওয়ালজানদের খপ্পর থেকে বেরুতে বেরুতে সকালে একটু বেশিই সময় লাগল। পরাগ আমার অনেক আগে ওঠেই বারান্দায় বসে বসে বাড়ির লোকজনদের সাথে আলাপ জমিয়ে ফেলেছে। বিছানা ছেড়ে আমরা তিনজন চলে গেলাম চেংগ্নী গাঙে। উহ! নো ম্যানস ল্যান্ডে পা রাখতেই উত্তরের বিশাল পাহাড়রাজির সুপ্রভাত সম্ভাষণ ভাষায় প্রকাশ করবার মতন নয়। মুগ্ধতার...
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৫২বার পঠিত
ঢাকা-চেংগ্নী-নাদেংকল-বিরিশিরি-ঢাকা : বাউণ্ডুলের তীর্থযাত্রা - পয়লা কিস্তি
২২ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৯
চুনিয়ার সোহেল মৃ'র লগে বন্ধুত্ব বেশ কয়েক বছরের। মান্দি রীতি মেনে মধুপুরের চুনিয়া গ্রামের পান্থি (যুবক) সোহেল মৃ এখন গারো পাহাড়ের পাদদেশে নেত্রকোনার চেংগ্নী গ্রামের জামাই। গারো হিলসের স্বাধীনতাকামী সংগঠন-আচিক ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার কাউন্সিল- এএনভিসি' র সক্রিয় ক্যাডার ছিল এই সোহেল। সংগঠনের কাজ করতে গিয়েই সীমান্তবর্তী চেংগ্নীর সুপ্তি রাকসামের সাথে ভালবাসার...
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৪৮বার পঠিত
ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো...
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
"ছাং ক্রেংছাদা ইক্হংগো
দালা প্রেংয়াগা আচাক মারেং কলা
নি নি ঞা ঞা লিকহো তুংহে..."
(চাক গানের অংশ বিশেষ; ভাবানুবাদঃ চৈত্র মাসে জুম কাটি/দালা গ্রামের চাক,মারমা,মুসলমান/আমরা সবাই সমান কাজ করি/জ্যৈষ্ঠ মাসে ধান রোপন করি/ চারা বড় হলে/ আমরা সবাই খুশিতে আত্মহারা...।)
......................................................................................................
"ওন্টে পাচ্চো পাইরি পুদবাকী
ওন গাল্লে কাড়কা চাব্-ই" ...
- ২২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৫৫৪বার পঠিত
তবু বেঁচে থাকা...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
ঘাটবাঁধা নৌকোর গলুইতে বসা মাছরাঙা। কাঁচস্বচ্ছ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে জলের পানে। কাঠফাটা রোদে এক প্রেমিকের দীর্ঘ অপেক্ষা যেন! ক্ষাণিক পরে অব্যর্থ নিশানায় ঠোটের নির্মম চুমু শিকার করা প্রাণের ঘাড়ে। উহ! বেঁচে থাকার এমন মিছেমিছি প্রণয়ে তবু ফিরি বারেবার...।
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৪০বার পঠিত
ডুব যাত্রা
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১১
আমাদের গাঁয়ের পাশের ছোট্ট যে খালটা তাকে আমরা ছোট গাঙ বলেই জানতাম শৈশবে। যৌবনে এসে তা হয়ে গেছে শুধুই খাল; কলকারখানার আবর্জনাবাহী নালাও বলা যেতে পারে। অথচ এই আমাদের এই ছোট্ট খালেই আমরা আর অসংখ্য বালিহাঁসেরা পালা করে পানিতে লুকোতাম। লুকোনোর পর চোখ খুলে তাকাতাম পানির তলদেশে। কেমন যেন ফ্যাঁকাশে...
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৯৪বার পঠিত
সবকিছুই লুট হয়ে যায়...
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪০
চাল-ডাল, সাদা কাফন বা চু এর দিখ্যা ভর্তি খক মাথায় বয়ে বয়ে দকমান্দা পড়া বিভিন্ন বয়সী নারীরা চলেছেন বন-বাইদ পেরিয়ে। মাঝে মাঝে পুরুষদের কাঁধে চ্যাদোলা পোষমানানো বন্যশুকর। বিভিন্ন বয়সী বাচ্চা-কাচ্চার দল একেকটা লেজ তৈরি করে এগিয়ে চলছে পিছু পিছু। আর কাঁধে আঁচলে বাঁধা পুটুলির চোখদুটো হেলেপড়া সূর্যের আলোয় বিষ্মিত চাহনিতে।...
- ১৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৪৮বার পঠিত
বিপন্ন বনের বিপন্ন মানুষদের উষ্ণতায় (শেষ কিস্তি)
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২০
আচ্চুর বাড়িতে সঞ্জয়সহ আমরা প্রথম যখন এলাম সেদিন কোন চু ছিল না। কিন্তু সকালে যখন দিখ্যা নামাতে চেয়েছিল তখনই বুঝেছি পাড়া-প্রতিবেশি কারো কাছ থেকে হয়ত যোগাড় করেছে। যতই কষ্ট হোক আমরা এলে চু এর ব্যবস্থা করবেই করবে। অনেকবার মানা করা সত্বেও তা রোধ করতে পারিনি। আমরা জানি তাদের সংসার কিভাবে...
- ২টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২০৩বার পঠিত
২৪তম মৃত্যূবার্ষিকীতে খোলা চিঠি: বাবু লারমা প্লিজ আপনি আমাদের ক্ষমা করবেন না, কারণ ক্ষমা পাবার যোগ্য আমরা হয়ে উঠিনি আজও
১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৪৭
মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
শ্রদ্ধেয় মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা,
আপনার সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, কথাও হয়নি। কিন্তু তারপরেও আপনাকে খুব করে মনে পড়ছে। না, এটা কোনো ভণিতা নয়, বা কথার কোনো চাতুর্য্যতাও নয়, আমার হৃদয়ের খুব গভীরের এক উপলব্ধি। আপনার চোখ জোড়ার দিকে তাকালে কখনোই মনে হয় না আপনি আমার অপরিচিত কেউ। কেমন...
- ৯টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৮৬বার পঠিত




