পশ্চিমবঙ্গের সংবাদজগত : কমিউনিস্ট-বিদ্বেষী সংবাদপত্রগুলি কী বলছে?
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৩
কমিউনিস্ট-বিদ্বেষী সংবাদপত্রগুলি কী বলছে?
হে সুশীল সমাজ, এ রক্তের হলি খেলা আপনাদেরও গ্রাস করবে। জঙ্গলমহলে খুন, সন্ত্রাস, তোলা আদায়ের তৃণমূলী-মাওবাদী নেতা ছত্রধর মাহাতো ও তার কয়েকজন সাথী গ্রেপ্তার হওয়ার পরেই আমাদের রাজ্যে কিছু সুশীল-সুশীলা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সুর মিলিয়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। স্বাভাবিক। কিন্তু গত প্রায় এক বছর ধরে এই জঙ্গলমহলে যে জঙ্গলের রাজত্ব ছত্রধর মাহাতোর নেতৃত্বে চলছিলো তার বিরুদ্ধে, একটি প্রতিবাদী শব্দও এই সুশীল-সুশীলাদের মুখ থেকে শোনা যায়নি।
প্রিয় পাঠক, আসুন আমরা একটু ফিরে দেখি গত বেশ কয়েকমাস ধরে এই তৃণমূলী-মাওবাদীরা কি করেছেন এই জঙ্গলমহলে :
‘‘লালগড় অভিযান তথা মাওবাদী সমস্যা নিয়ে তীব্র চাপানউত্তোর শুধু হলো মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং রাজ্যের প্রধান বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শনিবার নয়াদিল্লিতে বুদ্ধবাবু যা বলেছেন, তার মর্মার্থ : মাওবাদীদের সঙ্গে ‘পরোক্ষ’ তৃণমূলের যোগাযোগ রয়েছে। কলকাতায় বসে যার প্রবল প্রতিবাদ করে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই অভিযোগ ‘প্রত্যাহার’ না করলে তাঁরা আন্দোলনে নামবেন। মমতা-মাওবাদী যোগসাজশের অভিযোগ বুদ্ধবাবু তথা সি পি এম সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম কাণ্ডের সময় থেকেই করে আসছে। লালগড় নিয়ে তা আবার সামনে চলে আসে। এই অভিযোগ আরও দানা বাঁধে যখন মাওবাদী নেতা কিষেনজী বলেন, তাঁরা নন্দীগ্রামে মমতাদের আন্দোলনে ছিলেন।’’ (সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ২১-০৬-২০০৯)। ৪৮ ঘণ্টা বহুদিন পেরিয়ে গেছে কিন্তু তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ সম্পর্কে আজও কোন আন্দোলন শুরু করেননি বা করতে পারেনওনি। আর মুখ্যমন্ত্রীর কথার সত্যতা ঘটনাচক্রে মাওবাদী নেতারাও আজ স্বীকার করছেন। যে কোন শয়তানির এটাই ভবিতব্য হয়। আজ ‘‘Trinamool’s honeymoon with the Maoist began in Nandigram after the carnage in March 2007. Even if the Trinamool leaders would concede to this marriage of convenience, a document of the CPI (Maoist) meeting held between March 26 and April 1, 2008 reveals : “some people are trying to project the struggle in Nandigram as an unarmed mass movement. The fact is that the movement would not have surviced for 11 months without armed resistance by the local militia. Some people are shying away from bringing this fact to the media. “Referring to the villagers driven out of Khejuri by the CPM brigade. The report says : “ Some of the Trinamool supporters gathered two dozens of weapons from outside. Initally, the Trinamool led the Bhumi Uchchhed Pratirodh Committee. But we took over the leadership in the villaes since July.Since then, we worked in tandem with Trinamool congress and challed out programmes.” In fact, the Maoist strategist told about his leading the armed resistance against the CPM marauders during the second attack in Nandigram in 2008. “We were doing fince. But at the end, we fell short of bullets and had to beat a retreat”, Kishanji had told Tol in an interview.” (সূত্র : The times of India, 20-06-2009)
.. তৃণমূল-মাওবাদী প্রত্যক্ষ যোগাযোগ সম্পর্কে এ কথাগুলি লিখছে চরম কমিউনিস্ট-বিদ্বেষী সংবাদপত্র। সি পি আই (এম)-এর নেতৃত্ব বহুদিন ধরেই বলে আসছেন যে পশ্চিমবঙ্গে মাওবাদীদের উত্থান তৃণমূলের প্রচ্ছন্ন মদতেই। ঠিক যেমন সম্প্রদায়িক বি জে পি-র আগমন এ রাজ্যে ঘটেছিলো তৃণমূলীদের হাত ধরেই। আজকে যে সুশীল-বুদ্ধিজীবীরা গলা ফাটিয়ে বা কলম ধরে খুনী-তোলাবাজ ছত্রধরকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ করছেন তারাও সবাই জানেন যে নন্দীগ্রাম থেকে জঙ্গলমহল সর্বত্রই তৃণমূল-মাওবাদী যোগাযোগ কাজ করছে, গরিব মানুষদের অত্যাচার করছে এবং হত্যা করছে।
“LANDMINE BLASTS IN THE MAOIST ZONE, Feb 25, 2004 : Doldoli, Belpahari, 6 cops killed; Oct 14 2004 : Lalgarh Bankshol, 6 jawans killed ; Dec4, 2004 : Belpahari Kakrajhor forest bungalow blown to bits; Aug 10, 2005 : Barikul OC prabal Sengupta killed; Feb 26, 2006 : Hatidoba in Belpahari, 4 cops killed; Sep 21, 2006 : Four bomb squad specialists killed in Jhitka, Lalgarh; Nov 21, 2006 : Belpahari Hatidoba, jawan injured; Dec 2, 2006 : Purulia, Kuchia, 6 landmine blasts; Nov 19, 2007 : Birbhum, Saithia railing blown up; oct 26, 2007 : Domahani, Belpahari, one killed; Oct 22, 2008 : Belpahari, 3 medical staff killed; Nov 2, 2008 : attack on CM convoy in Salboni. CM and steel minister Ram Vilas Paswan escape.” (সূত্র : The Times of India, 19-06-2009)
‘‘অভিযোগ, জনগণের কমিটির লোকজন শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে কাটাশোল, মালপাড়া, শিরিষবনি, দলদলি, নিশ্চিন্দিপুর, কাদাশোল, পিংবনির গ্রামে গিয়ে হুমকি দেয়, প্রতিরোধে সামিল হতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে টাকা এবং চালও দাবি করা হয়। এর পরেই এ দিন ভোর থেকে যে যে অবস্থায় পেরেছেন গ্রাম ছেড়ে গিয়েছেন। তবে, অনেক বাড়ির এক-দু’জন পুরুষকে বাধ্যতামূলকভাবে ‘প্রতিরোধ’-এ সামিল হওয়ার জন্য থেকে যেতে হয়েছে। চন্দ্রকোনার দিকে যাওয়ার পথে অনেকেই আক্ষেপ করেছেন, ‘পুলিস-সি পি এমের অত্যাচারের কথা বলে যারা আন্দোলনের ডাক দিল, তাদের অত্যাচারই এখন মাত্রাছাড়া। গ্রামে থাকলে তাদের জুলুম না হলে পুলিসের মার—এই কি ভবিতব্য!’’ (সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ২১-০৬-২০০৯)।
“We have killed 92 people in these districts in the last five years. Bikash” (সূত্র : The Times of India, 18-06-2009)
“KILLING BY MAOISTS-in two years : 69, since Nov 2, 2008 : 25 (Mostly CPM man), TRAIL OF DESTRUCTION-CPM offices in Lalgarh, Belatikri and Dharampur razed in the last three-four days, Lalgarh zonal committee secretary Anuj Panday’s house demolished, Anuj Panday’s brother Dalim Panday house wrecked, Bhulabheda gram panchayat office and Boika gram panchayat office razed” (সূত্র : The Times of India, 18-06-2009)
.. অবামপন্থী কাগজের পাতা থেকেই কয়েক লক্ষ এরকম নির্মমতা, বর্বরতা ও হিংস্রতার উদাহরণ আমি তুলে ধরতে পারি। স্থানাভাব। আজকের তৃণমূলী-মাওবাদী নেতা ছত্রধর গ্রেপ্তার হওয়ার পরে যে সমস্ত সুশীল-বুদ্ধিজীবী হাত-পা ছুঁড়ে কান্নাকাটি শুরু করেছেন তাদের কাছে কি প্রশ্ন করতে পারি যে জঙ্গলমহলে ঘটে যাওয়া এই নির্মমতার, পৈশাচিকতার দিনগুলিতে আপনাদের ‘চেতনা’, ‘মানবিকতা’, ‘মনুষ্যত্ব’, কি কুম্ভকর্ণের নিদ্রায় ছিলো। এই পৈশাচিক কাজগুলির একটিরও নিন্দা বা প্রতিবাদ আপনাদের অমাওবাদী নেতা ছত্রধর কোন দিন করেছিলেন কি? আপনাদের কি মনে পড়ে সেই দৃশ্যটার কথা যেখানে জঙ্গলমহলের ধরমপুরে একটি খাটে তিনটি মৃতদেহ, যাদের নাম অসিত সামন্ত, প্রবীর মাহাতো ও নাড়ু সামন্ত এবং যারা সকলেই গরিব মানুষ আর এদের একমাত্র অপরাধ ছিলো সি পি আই (এম)-এর রাজনীতি করা। আপনাদের কি মনে পড়ে একটি কিশোর বা কিশোরী বাড়ির আলতা দিয়ে পোস্টার লিখছে ‘‘আমার বাবা আর সি পি আই (এম) দল করবে না।’ যাতে তার বাবাকে মাওবাদীরা হত্যা না করে। এই মর্মস্পর্শী ও চরম বেদনাদায়ক সংবাদগুলি সমস্ত গণমাধ্যমে বেরিয়েছে। সুশীল-বিদ্বজ্জনেরা সেদিন একটি প্রতিবাদও করেছিলেন? না করেননি। কারণ, আপনাদের মনুষ্যত্ব-মানবিকতা-চেতনা আপনারা বন্ধক রেখেছেন মাওবাদীদের মদতকারী তৃণমূলেশ্বরীর পায়ে।
‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম মনে করেন, মাওবাদীদের যাঁরা সমর্থন করেন, বা মানবাধিকারের প্রশ্নে তাদের পাশে দাঁড়ান, মাওবাদীদের হাতে নিরীহ মানুষের হত্যার দায়ও তাঁদের নিতে হবে। ঠিক এমনটাই মত মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের’’। (সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ০৭-১০-২০০৯)। .. আমাদের দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একই সুরে বলছেন যে আপনাদেরই নিতে হবে মাওবাদীদের হাতে নিহত গরিব মানুষের দায়। আপনারা তো অসংখ্যবার নন্দীগ্রাম-জঙ্গলমহলে গিয়েছেন, আর একবার যাবেন জঙ্গলমহলে মাওবাদীদের হাতে নিহত গরিব মানুষকে কোন অর্থ সাহায্য দিতে? ‘‘২০০৪ সালে অন্ধ্র প্রদেশে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী রাজশেখর রেড্ডি মাওবাদী নেতাদের আলোচনায় ডেকেছিলেন। এই কিষেনজীই সেই প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন। অস্ত্র নিয়ে তাঁরা সরকারী নিরাপত্তায় শহরে ঢুকে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। যত দিন আলোচনা চলেছিল ততদিন সরকার অভিযান বন্ধ রাখে। ওই সময়ে মাওবাদীরা দুর্বলতাগুলি কাটিয়ে উঠে সুসংহত করেছিল নিজেদের। নতুন করে জোটবদ্ধ হওয়ার জন্য ওই সময়টাকে ভাল রকম কাজে লাগায় তারা। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই মাওবাদীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে চান না বুদ্ধদেব। অন্ধ্রে সংঘর্ষ বিরতির সুযোগ নিয়ে মাওবাদীরা ফের সন্ত্রাস শুরু করেছিল। পশ্চিমবঙ্গে সেই সুযোগ দিতে চান না বুদ্ধবাবু।’’ (সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা, ২১-০৬-২০০৯)। .. লালগড়ে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হতেই যেরকম করেছিলেন, ঠিক সে রকমই আবার ছত্রধর গ্রেপ্তার হতেই আপনারা চালাকি শুরু করেছেন, রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসতে বলছেন— যাতে তৃণমূলী-মাওবাদীরা আবার গুছিয়ে গরিব মানুষের উপর আক্রমণ শুরু করতে পারে। ধন্য আপনাদের চালাকি।
‘‘শীর্ষ মাওবাদী নেতা কোবাদ গান্ধীর পুলিস হেফাজত আরও তিনদিন বাড়াল আদালত। এদিকে, কোবাদ, শশধর মাহাতো ও ভূষণ যাদবের মুক্তির দাবিতে এবার সরকারকে ‘ব্ল্যাক মেল’ করার রাস্তা ধরলো মাওবাদীরা। ঝাড়খণ্ডে অপহৃত পুলিস ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস ইনদওয়ারের মুক্তির বিনিময়ে তারা ওই দুই শীর্ষ মাওবাদী নেতা ও শশধরের মুক্তি চাইল। ঝাড়খণ্ড পুলিসের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস গত ৩০শে সেপ্টেম্বর খুঁটি জেলার হেমব্রম বাজারে ডিউটিতে থাকা অবস্থায় অপহৃত হন তিনি।’’ (সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন, ০৬-১০-২০০৯)। ‘‘চরম নৃশংসতার পরিচয় দিল ঝাড়খণ্ডের মাওবাদীরা। অন্যতম দলীয় শীর্ষ নেতা কোবাদ গান্ধী, ভূষণ যাদব ও লালগড়ের ‘পুলিসী সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটি’র নেতা ছত্রধর মাহাতোর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে অপহৃত ঝাড়খণ্ড পুলিসের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর ফ্রান্সিস ইন্দু ওয়ারকে (৩৭) গলা কেটে খুন করলো তারা’’। (সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন , ০৭-১০-২০০৯)।
“In a barbaric, Taliban-style execution, Maoists beheaded special branch inspector Francis Indwar and threw his body on a slip road leading to National Highway 33 that links Patna to Jamshedpur”. (সূত্র : The Times of India, 07-10-2009) । .. দূরদর্শনে দেখলাম সদ্য পিতৃহারা দশ বছরের অভিষেক ইনদওয়ার হাঁপুস নয়নে বাবার শোকে কাঁদছে। তৃণমূলী-সুশীল বিদ্বজ্জনের কাছে আমার জিজ্ঞাসা কি কৈফিয়ত দেবেন এ কিশোরটির কাছে? আপনাদের তোলাবাজ ছত্রধরের সাথে মাওবাদীর কোন সম্পর্কই যদি না থাকে তবে কেন মাওবাদীরা অন্যদের সাথে ছত্রধরের মুক্তিও দাবি করল, করছে? .. আপনারা যে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের সঙ্গে শঠতা, শয়তানি আর চালাকি করছেন তা আপনাদের ব্যবহারে/লেখায় প্রতিদিন উলঙ্গভাবে ধরা পড়ছে। যেমন ০৭-১০-২০০৯ তারিখে সংবাদ প্রতিদিন-এ বিভাস চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘শাসকের দুষ্টুবুদ্ধি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পর্যুদস্ত, বিপর্যস্ত, দিশাহারা মরিয়া শাসককুল শেষ কামড় বসানোর জন্য উদ্যত। পশ্চিমবঙ্গকে একটি পুলিসী রাষ্ট্রে পরিণত করার আয়োজন চলছে।’’ তৃণমূলেশ্বরীর লেজুর বৃত্তি করতে গেলে যে জ্ঞানগম্যি রাখতে নেই বিভাসদা দেখলাম সে ব্যাপারে সম্যক সচেতন। তাই পশ্চিমবঙ্গকে ‘রাষ্ট্র’ লিখতেও দ্বিধাবোধ হলো না। আর পশ্চিমবঙ্গে যদি পুলিসরাজই চলে তাহলে আপনারা গত দু’বছর ধরে এতো উলঙ্গ বিরোধিতা বামফ্রন্ট সরকারের করছেন কী করে? আবার গত ০৮-১০-২০০৯ তারিখে সংবাদ প্রতিদিন-এ জয় গোস্বামী লিখেছেন ‘‘শাসকদের কাছের মানুষরাও এখন শাসকদলকে ভয়-ই পান। নইলে চুপ করে থাকবেন কেন! ভয় দেখানোই শাসকদলের কাজ। কিন্তু সাধারণ মানুষ আর ভয় পাচ্ছেন না। তাঁরা বুঝতে পারছেন, গফ্ফর কেলোবাবু, রাজকিশোর মোদির কথা আর উঠছে না কেন?’’ জয় গোস্বামী ঠিকই বলেছেন, মানুষ আর ভয় পাচ্ছেন না তৃণমূল-মাওবাদীদের, রুখে দাঁড়াচ্ছে, দাঁড়াবেই। আমি এ লেখা প্রসঙ্গে জয়ের চাতুরির প্রশংসা না করে পারলাম না। কারণ জয় গফ্ফর, কেলোবাবু, রাজকিশোর মোদির সাথে সাথে ঐ ঘটনার অন্যতম দুষ্কৃতী তৃণমূলী বিধায়কের ভাই খুদের নামটা লেখেননি। সাবাস জয়, এই না হলে তৃণমূলী হবার পরীক্ষায় পাস করে, রেলের ফ্রি পাস পাওয়া যায়!
“Trinamool Congress chief Mamata Benerjee has indirectly benefited from the Maoist onslaught that has helped her, to a large extent, to immobilize the CPM machinery in parts of south Bengal … Even Mamata has naver warned PCPA leader Chhatradhar Mahato with whom she has shared the dais, to disengage himself from the politics of individual killings.” (সূত্র : The Times of India, 09-10-2009) ।.. সুশীল-বিদ্বজ্জনেদের জানাচ্ছি, যে কমিউনিস্টদের হত্যা করার জন্য তৃণমূলেশ্বরী যে মাওবাদীদের ব্যবহার করেছেন তা আজ কমিউনিস্ট বিদ্বেষী কাগজেই প্রকাশিত হচ্ছে। তৃণমূলেশ্বরী-সহ তার অনুচর সুশীল-বিদ্বজ্জনেরা জঙ্গলমহলে ঘটে যাওয়া অসংখ্য গরিব মানুষের হত্যাকাণ্ডের একটিরও কোনদিন, কোনভাবে প্রতিবাদ করেছেন কি? প্রমাণ দিতে পারবেন? না পারবেন না। তৃণমূলী সুশীল-বিদ্বজ্জনদের জানাচ্ছি যে, যে সি পি আই (এম) কর্মীদের রক্তের হোলি খেলায় আপনারা মেতেছেন তা একদিন আপনাদেরও গ্রাস করবে — যার নিদর্শন মাওবাদীদের হাতে তৃণমূল নেতা নিশিকান্ত মণ্ডলের মৃত্যু।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পশ্চিমবঙ্গের সংবাদজগত ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ভারত বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















জালি কুমড়ার হুঙ্গা বেশী দিন টেকে না ......!!!