আমার প্রিয় পোস্ট
- পাহাড় ঘেরা ভুটান-শেষ পর্ব - নাহিদ
- বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন - মঈনউদ্দিন
- সাজেক ট্যুর! কিছু ছবি, কিছু তথ্য! - নীল ভোমরা
- কেওকারাডং অভিযানের গল্প... .......ছবি সহ.............. - সত্যাশ্রয়ী
- ভিডিও সম্পাদনা - কিভাবে ঘরে বসে এ্যামেচার এডিটর হবেন, আর হোম ভিডিও বানাবেন - ফারিহান মাহমুদ
- কুয়াকাটা ভ্রমন,,,,,,,অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ৯৯ ভাগ সফল এক সফর....(কুয়াকাটা পর্ব)আনাড়ী হাতে তোলা কিছু ছবি সহ রি-পোস্ট - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- নীলগিরি বান্দরবানঃ শেষ পর্ব - মুনশিয়ানা
- ✿জার্নি টু মাদ্রিদ~স্পেন✿ - হাশেম
- প্যারিস ভ্রমনকারী'দের জন্য একটি গাইড পোস্ট - শাওন
- চিম্বুক, নীলগীরি, বগা লেক - নীল ভোমরা
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্য : পর্ব ২ - জুহো.
-
বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের জন্য
- নিরব হাসি
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- বান্দরবান-থানচি, তিন্দুর, বড়পাথরের বাকে- বাকে - ধূসর মানচিত্র
- পাহাড়ের বুকে শ্রাবনের ডাক১ - সৌম্য
- পাহাড় আমায় ডাকে রে.....!! - মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ
- থাইল্যান্ডের ভিসা তথ্যঃ - জুল ভার্ন
- চিটির রান্নাঘর থেকে: শিরোনামহীন বীফ - চিটি (হামিদা আখতার)
- টেকনাফ ও কক্সবাজার মুহূর্ত - আকাশ অম্বর
- প্রবাল দ্বীপে ভরা পূর্নিমায় বর্ষা যাপন... - রাব্বি !
- "ম্যাজিক সফটওয়্যার"-২#ছবির Dimension Resize করুন/DiGitaL Camera ব্যবহারকারীরা আরামসে হাজারো ছবি Save করুন... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- আপনার একুরিয়াম- শেষপর্ব - মিলটন
- শূন্যে ভাসায়া দিলাম তিন ভাগ জীবন - শওকত হোসেন মাসুম
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- ডিজিটাল ফটোগ্রাফির প্রাথমিক শিক্ষা (২য় ও শেষ পর্ব) - পারভেজ রবিন
- মেঘের রাজ্য শিলং - অন্ধ দাঁড়কাক
- ভ্রমনকালীন স্বাস্থ্য সতর্কতা - জুল ভার্ন
- স্বপ্নের চুড়া কেউক্রাড়াডং - "নিরব"
- টাইগার হিলে একদিন। - তারার হাসি
- সেদিনের দরবার হলের কিছু ছবি - তারিক টুকু
- সিয়াম রিপ অ্যাংকর ওয়াট - আরিয়ানা
- ফটোগ্রাফির কিছু কথা - বিবর্তনবাদী
- সিভি লেখার কৌশল - ০০৭৭৭৭৭
- শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে জানুন-১ - কিবয়াল
- ছবিব্লগ: সোমেশ্বরীর বিরিশিরি - যীশূ
- কাপ্তাই এর রুপ - স্বপ্নশিকারী
- পিসির পারফরমেন্স কিভাবে বাড়াবেন - আফরোজ_জাহান
- হৃদরোগীদের জন্য সুখবর , এক ওষুধেই সেরে যাবে হৃদরোগ! - গফরগাঁওফোরাম
- ভার্জিনিয়ার পথে - শাহরিয়ার নির্জন
- মেঘের রাজ্য দার্জিলিং ঘুরে এসে... - মেসবাহ য়াযাদ
- কানাডায় উচ্চশিক্ষা- কিছু তথ্য - _তানজীর_
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১০০ ব্লগারের তথ্য - ভবঘুরে
- বারবণিতার জবানবন্দী - মানব মানিক
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটা ছবি। - রাগিব
- সাতদিনের নাম কিভাবে এলো - িনরুপমা.কম
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- আজ মুহিবের জন্মদিন - মিলটন
- অসাধারণ কিছু ঘর বাড়ি... - মিয়াভাই সিলটী
- ইউটিউব ওয়েবসাইট থেকেই ভিডিও ডাউনলোড - স্বপ্নশিকারী
- কার পায়ে নূপুর বাজে....... - বালুকাবেলা
- বুটের তলায় দেখি ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল - সামী মিয়াদাদ
মেঘের দেশে পাহাড়ের দেশে (দার্জিলিং) - ৩
০৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২১
পর্ব - ২
Click This Link
সকালে ঘুম থেকে উঠে জানালার পর্দা সরালাম। ইয়া আল্লাহ। এ কি দেখলাম। এ কি বিষ্ময়। এ কোন দুনিয়া!
২৭ তারিখ সকালের রোদ্দুর আমাদের দূরের কাঞ্চনজঙ্গা দেখাল। হয়ত কাঞ্চনজঙ্গা ছিল না। তবে খুব উচু পাহাড়ের চূড়ায় বরফ এ সবই নজরে আসছিল। দার্জিলিং গিয়ে যে পাহাড়ই দেখি কাঞ্চনজঙ্গা মনে হয়! সকালের নাস্তা করে আমরা গেলাম কাছাকাছি কয়েকটি স্পট দেখতে।
গঙ্গামায়া পার্ক
প্রথমেই গঙ্গামায়া পার্ক। ঘুম পেরিয়ে নিচের দিকে গঙ্গামায়া পার্কে যেতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘন্টা। সবচেয়ে দূরে এই স্পট বলে পাহাড়ী আকাবাকা পথ ধরে আমাদের টাটা সুমোর ড্রাইভার উমেশ আমাদের নিয়ে গেল। পাথুরে এই পার্ক ট্যুরিষ্ট আকর্ষনের জন্য নানাভাবে সাজান হয়েছে। পাথরের উপর দিয়ে ঝর্না বয়ে চলা এক দেখার মত ব্যপার। পাহাড়ের অনেক উপর থেকে বয়ে নামা ঝর্নার অতি ঠান্ডা পানির ধারা পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। পাথরের উপর দিয়েও হাটাহাটি করা যায়। কোথাও কোথাও বাশ বা অন্য কিছু দিয়ে পানির পথ করে দেয়া। এ পার্কের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ট্যুরিষ্টদের জন্য নেপালি ছেলেমেয়েরা নাচ-গান করতে থাকে। আরেকটি হচ্ছে বিশাল এক নেচারাল পাথর। এছাড়া নেপালী পোষাক পড়েও আপনি ছবি তুলতে পারেন।
রক গার্ডেন
গঙ্গামায়া পার্ক থেকে ফেরার পথে থামলাম রক গার্ডেন। আমার মনে হয় গঙ্গামায়া পার্কের আরেকটি এডিশন এই রক গার্ডেন। একই রকম পাথরে সাজান আর ঝর্নার পানির ধারা বয়ে চলা এক অপূর্ব এলাকা এই রক গার্ডেন। হিরন ভাই প্রথমে অনেক উপরে উঠল। তার সাহসে আমরাও উপরে উঠলাম। পাহাড়ের চূড়া থেকে ঝর্নার পানি পড়ার সময় পাহাড়ের অনেক জায়গায় ছোট ছোট ঝর্নার মত হয়েছে। কত রকমভাবে যে ঝর্না তৈরী হয়ে আছে এখানে তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। সুন্দর বাধান রাস্তা আর ফুলের বাগান আপনার ক্লান্তি দূর করে দিবে।
জু ও মাউন্টেইন মিউজিয়াম
দার্জিলিং জু আমাদের ছোট্ট ফাইজার জন্য ছিল অনেক বিষ্ময়। এখানে প্রানীগুলো সব ছেড়ে দেয়া। দার্জিলিং একটি পাহাড়ী শহড়। পাহাড়কে ঠিক রেখেই যেভাবে সম্ভব হয়েছে শহড় বানিয়েছে। পাহাড়ের উপরেই জু। পাহাড়ের ঢালে বাউন্ডারী ওয়ালে ঘেরা খোলা জায়গায় হরিন, চিতা, পান্ডা, মোরগ, বাঘ, নেকড়ে, শিয়াল ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাদের রয়েল বেঙ্গল টাইগার 'ইন্ডিয়ান টাইগার' নামে বন্দী আছে।
হিমালয় জয়ের বিভিন্ন ছবি আর ইতিহাস নিয়ে আছে একটি মিউজিয়াম। সুজন মেহেদী ভাইর (এককালে সা. ইনে নাম লিখিয়েছিল) খুব আগ্রহ এই বিষয়ে। আর তার প্রফেশনের কারনেও যা-ই দেখে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে। তিনি অনেক সময় নিয়ে সবগুলো ঘর দেখল।
তেনজিং রক আর টী গার্ডেন
তেনজিং হিমালয়ের চূড়ায় উঠেছিলেন। ব্যাপারটা এমন না যে তিনি একদিন দড়ি নিয়ে হিমালয়ে হাটা দিয়েছিলেন। তার আগে অনেকদিন প্রাকটিস করেছেন। প্রায় ৫০ ফিট উচু এক পাথর স্তম্ভে চলেছে তার প্রাকটিস। সেই পাথরটিই হচ্ছে 'তেনজিং রক'।
তেনজিং রক পেরিয়ে আমরা গেলাম দার্জিলিং এর প্রথম চা বাগানে। এই বাগানেই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে চা বাগান করা হয়েছিল সেই বৃটিশ আমলে। বাগানের পাশেই ট্যাক্স ফ্রী কিছু দোকান আছে। গাড়ী যে দোকানের সামনে পার্ক করবে আপনাকে সেই দোকান থেকেই চাপাতা কিনতে হবে।
এই দিনে আর কিছু না ঘুরে আমরা 'মহাকাল মার্কেটে' চলে আসলাম। তবে ফেরার পথে 'ম্যায় হু না' সিনেমার স্কুলের শ্যুটিং স্পট দেখলাম। মহাকাল মার্কেটেই আপনি পেয়ে যাবেন শালের এক বিশাল মার্কেট। কলাকেন্দ্র নামে এক দোকানে আপনি ফিক্সড রেটে শাল কিনতে পারবেন। ইনিই বাংলাদেশে শাল রপ্তানী করেন।
রাতে দার্জিলিং এর পথে ঘুরে ঘুরে ঠিক করলাম পরদিনের অনিন্দ সুন্দর এক স্থানে যাওয়ার। যার জন্য আমরা শুধু বাংলাদেশ না বিশ্বের সবচেয়ে দূরদেশের ট্যুরিষ্টরাও আসে।
(দার্জিলিং এর বাকি ইতিহাস আগামীকাল ইনশাল্লাহ)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দার্জিলিং ;
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
নীল-দর্পণ বলেছেন:
খুব ভাল লাগল। বাকীটুকুর অপেক্ষায় রইলাম
যুগান্তকারী বলেছেন:
ইস আমার ছেলেবেলা
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?
মিলটন বলেছেন:
বাহ খুব সুন্দর মজা করেছেন। পরের পর্ব লিখুন প্লিজ।ছবিতে যিনি আছেন ওটা কি আপনি? মানে আপনার ছবি?
লেখক বলেছেন: জ্বীঈঈঈঈ
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আপনার জরিমানা হয়া গেসে ...
জুল ভার্ন বলেছেন:
বাহ! চমতকার বর্ণনা! পড়ে মনে হচ্ছে আমিও লেখকের সাথে দার্জিলিং বেড়াচ্ছি!!পাথর আর ঝর্ণার পাশে দাঁড়ানো ভদ্রলোকের চেহারাটা যেমন সুন্দর, তেমন স্মার্ট!!!
লেখক বলেছেন: বাড়িয়ে বলার জন্য ধন্যবাদ।
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
পড়তে ভালো লাগছে। চালিয়ে যান।
চাচামিঞা বলেছেন:
চমৎকার লিখা.....যেতে মনে চাইছে.....।
হুমায়ুন বলেছেন:
মুহিব ভাই কেমন আছেন। দাজিলিং এর যাওয়ার, বিবরন, খরচ, সুবিধা-অসুবিধা, সময়, মজাদার খাবার, দর্শনীয় স্থান, প্রয়োজনীয় তথ্য ইত্যাদি লেখার সাথে দিলে খুবই উপকৃত হওয়া যাবে।
লেখক বলেছেন: পড়তে থাকুন। হয়ত সব ইনফো পেয়ে যাবেন।
পারভেজ বলেছেন:
জোস। হুমায়ুন বলেছেন: মুহিব ভাই কেমন আছেন।
দাজিলিং এর যাওয়ার, বিবরন, খরচ, সুবিধা-অসুবিধা, সময়, মজাদার খাবার, দর্শনীয় স্থান, প্রয়োজনীয় তথ্য ইত্যাদি লেখার সাথে দিলে খুবই উপকৃত হওয়া যাবে।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: পড়তে থাকুন। হয়ত সব ইনফো পেয়ে যাবেন।
সহেলী বলেছেন:
বাকী অংশের অপেক্ষায় ।
তানভির আহমেদ বলেছেন:
আমি ভাই মোটামুটি সব দেখেছি। ফাটাফাটি এক্সপেরিয়েন্স।
মুহিব বলেছেন:
সবাইকে ধন্যবাদ।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
জীবন যখন শুকায়ে যায় করুনাধারায় এসো।সকল মাধবী লুকায়ে যায়, গীত সুধারসে এসো।।
কর্ম যখন প্রবল-আকার গরজি উঠিয়া ঢাকে চারিধার
হৃদয়প্রান্তে, হে জীবননাথ, শান্ত চরনে এসো।।
আপনারে যবে করিয়া কৃপন কোনে পড়ে থাকে দীনহীন মন
দুয়ার খুলিয়া, হে উদার নাথ, রাজসমারোহে এসো।
বাসনা যখন বিপুল ধুলায় অন্ধ করিয়া অবীধে ভুলায়,
ওহে পবিত্র, ওহে অনিদ্র, রুদ্র আলোকে এসো।।
লেখক বলেছেন: এই প্রথম একটা ভাল কাজ করলা।
তারার হাসি বলেছেন:
আপনার পোস্ট পড়তে ভাল লাগছে, কিছু ছবি আপনার পোস্টগুলিতে শেয়ার করছি।
রক গার্ডেন
কাঞ্ছনজঙ্ঘা ...
লেখক বলেছেন: আমি এত সুন্দর করে ছবি তুলতে পারি নাই। ধন্যবাদ।
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন:
অনেক ভাল লাগছে....তোমার অভিজ্ঞতা।
সুবিদ্ বলেছেন:
আমার আবারো যেতে ইচ্ছা করছে


















