আরেকটু বয়সে শুনলাম যত বেশী মসজিদে নামায় পড়া হয় তত ভাল। তাই আমরা বন্ধুরা দল বেধে সারা রাত হাটাহাটি করতাম আর যে মসজিদ সামনে পড়ত সে মসজিদেই নামায পড়তাম। আমার টার্গেট ছিল প্রতি মসজিদে ১০ রাকাত নামায পড়া আর ৫ টাকা দান করা। এভাবে পড়তে পড়তে দেখা যেত ১০০ রাকাত নামাযও পড়া হয়ে যেত।
এ বেলায় এসে শুনলাম শবে বরাত বলে কিছুই নেই। কোথাও কোথাও কিছু হয়ত লেখা আছে কিন্তু পরিষ্কারবাবে কোন কিছুই নেই। টিভিতে এমনকি মসজিদে ওয়াজে এমন কথা শোনা যাচ্ছে। এই কথা শোনার পর থেকে শবে বরাতে নামায আর পড়ি না। নফল নামায তো পড়া যায়ই। কিন্তু উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোন নামায নেই।
তাই এবার আর নামাযের কোন প্রস্তুতি নেয়া হয় নাই। তজবীহ বা টুপি কেনা হয় নাই। নেয়ামূল কোরান খুজে বের করি নাই। মেহেদী পাতাও খুজে আনি নাই। পাজ্ঞাবী আয়রন করাই নাই। বন্ধুরা কে কখন আসবে তারও খবর নেই নাই। তবে......আগোরা আর কাচা বাজার থেকে শবে বরাতের বাজার করেছি। গরুর গোশত, রুটি, হালুয়া সবকিছুই কেনা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ সব আয়োজন শেষ। এখন শুধু রাতের জন্য অপেক্ষা।
যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে। সাধারনত বিশ্বাসীরাই জয়ী হয়। আজকে রাতে যে যেভাবে পালন করতে চায় সে সেভাবে যেন পালন করতে পারে। আর ছেলেরা যারা নামায পড়বেন তারা ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন মসজিদে পড়তে পারেন। এতে ঘুরে ঘুরে আড্ডা দেয়াও হবে আবার নামায পড়াও হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




