আমরা আস্ত আস্তে শিক্ষিত হচ্ছি। এবার এসএসসিতে শুধু এ প্লাস ই বায়ান্ন হাজার। এইচ এসসিতে উনিশ হাজার। অন্যান্য গ্রেড এর কথা বাদ ই দিলাম। এরা সবাই মেধবী। ভবিষ্যতে জাতির কর্নধার। কিন্তু কি হবে শিক্ষিত হয়ে(!) আমরা যদি আমাদের মানসিকতাই চেন্জ করতে না পারলাম!! লাখ লাখ টাকা খরচ করে, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা সময় ব্যায় করে পড়া-শুনা করে কি লাভ(?) যদি মূর্খদের মতই আচরন করি(!)
===============
মিনা(ছদ্ম নাম), নম্র, ভদ্র, সুন্দর, শিক্ষিতা ও একজন আদর্শ গৃহিনী। বিয়ে হয়েছিল শিক্ষিতও ভদ্র ছেলে বাবুর( ছদ্ম নাম) সাথে। কিন্তু তার ভদ্রতার আড়ালে লুকিয়ে ছিল কুৎসিত একটা চেহারা যা চরম আকার ধারন করে প্রকাশ পেয়েছে বিয়ের নয়-দশ বছর পরে। মিনা বিয়ের পরেই টের পেয়েছে বাবু তাকে এড়িয়ে চলছে। কিন্তু ও কাউকে কিছু বলেনি। ওর জেদ ছিল মনুষ কিভাবে মানুষকে খারাপ বলে আমি দেখে ছাড়ব। দেখেছিলও। শাশুড়ি, ননদ, দেবর সবার প্রিয় ছিল তাদের ভাবী। লক্ষী মেয়েটি সবার মন জয় করে নিয়ে ছিল। তিল তিল করে গড়ে তুলেছিল তার সংসার। বানিয়ে ছিল তার স্বপ্নপূরী। কিন্তু না, পারেনি সে জয়ী হতে। তর দোষ ছিল সে মা হতে পারবেনা। চিকিৎসা করে জানতে পারলেও বাবু এতদিন দেরী করে ছিল তার ছোট ভাই বোনের বিয়ের জন্য। ওদের বিয়ের আগে বউকে ডিভোর্স দিলে ওদের হয়ত ভাল বিয়ে হবেনা। কি মহা....ন!!!! ভাই বোনদের বিয়ের পরে সিদ্ধান্ত নেয় মিনাকে ডিভোর্স দিয়ে আরেকটি বিয়ে করবে। বাবুর ভাই, ভাবী ভাইয়া দুই জনের পক্ষেই কথা বলেছিল কিন্তু ওর মা এবং ছোট বোন শেষ পর্যন্ত মিনার পক্ষে কথা বলেছি। বোনটা বলেছিল সন্তান ই কি সব???? এত বছর তোমার সংসার আগলে রাখল এর কি কোনই মূল্য নেই? বাচ্চা হবেনা তো কি হয়েছে??? দত্তক নাও। তাতে বাবু রাজি না। বোনটা বলেছিল ভাইয়া আমার বাচ্চা হলে প্রথম বাচ্চাটা তোমাকে দিয়ে দিব তার পর ও তুমি একটু ভেবে দেখ। আত্নীয় স্বজনরাও অনেক রিকোয়েস্ট করেছিল। কিন্তু না কিছুতেই কিছু হয়নি। সে ডিভির্স দিয়ে দিয়েছে মিনাকে। একবার ও মেয়েটার কথা চিন্তা করল না। একই সমস্যা যদি বাবুর হত তাহলে কি মিনা যেত??? কক্ষনই না। তার মানে কি দাড়াল মেয়েরা শুধুই সন্তান জন্ম দেওয়ার মেশিন!!! আসলেই কি তাই????????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

