আপনারাই বলেন আচার, চকলেট, ড্রিংকা, বিস্কুট, পেষ্ট্রি, লাড্ডু, সন্দেশ রেখে কি কলা, কমলা,আংগুর, আপেল বেশী মজা! মোটেও না। কিন্তু আমার আম্মীজান সেটা বুঝতে চাইতেন না
দোকানে যাওয়ার নেশ উঠলেই আম্মাকে বলতাম দুই টাকা দাও, যদি বলতেন ভাংতি নেই বলতাম, পাঁচশ টাকার নোট ই দাও সাথে একটা ছোট ব্যাগ দিও যাতে ভাংতি টাকা গুলো আনতে পারি। কাধে একটা জামা ঝুলিয়ে চলে যেতাম দোকানে
বাসার গেইটের সাথেই দোকান হওয়াতে বেশ সুবিধা ছিল, আর আমিও সব সময় সে সুযোগ-সুবিধার সদ্ব্য ব্যবহার করতে চাইতাম। একবার একা দোকানে গিয়ে বাকীতে বিস্কুট আনলে দোকানীকে বলে আমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করে।
এইতো গেল দোকান কাহিনী। আমি যে আয়নার সামনে দাড়িয়ে কাঁদতাম সে গল্পত বলিই নি
আমার কান্না শুরু হলে নাকি দৌড়ে গিয়ে আলমারীর আয়নার সামনে দাড়াতাম। খুব ছোট থাকায় নাগাল পেতাম না বলে আম্মা/আব্বা টুল এনে তার উপর দাড়ানোর বুদ্ধি শিখিয়ে দিয়েছিলেন। দেখে দেখে কাঁদতাম
আমি আসলে গুড গার্ল ছিলাম। কোন শাস্তিকেই শাস্তি মনে না করে মজা হিসেবে নিতাম
আম্মা নামাজে দাড়ালেই পাশে থাকতাম। যেই না সেজদায় যেতেন অমনি ঘাড়ের উপর উঠে বসে থাকতাম
এইতো গেল একটা। আরেকটা কাহিনী শুনবেন না
আগে শীতকালেও আমাদের গ্রামের বাড়ীর আশে পাশের ডোবাতে পানি থাকত। গ্রামে গিয়ে বাড়ী চুপচাপ থাকার মত কুমড়া পটাশ আমি ছিলাম না। ওসব মাম্মী মাম্মী টাইপ কুমড়া পটাশদের ই মানায়।
=>বু তোমারে এমন আটকায় রাখসে ক্য?
=> আমি পানিতে যামু তাই
=> তুমি তো ব্যাক বুজো, যাইয়ো না তাইলে
=> আমি যাই নাতো
দেখসেন, প্রমান পাইলেন তো আমি কত্তঅঅঅ ভাল আছিলাম।
(নীল জামা পরা ফুডুর মাইয়াডারে আবার নীলু ভাইবেন্না, তয় এইরাম কইরা অহন ও ভেংগাইতে ভালা ফাই
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




