আমার প্রিয় পোস্ট
- সুশীল বলে কাউকে চিহ্নিত করলে কী মানে দাঁড়ায় - পি মুন্সী
- দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু শৈশব হারিয়ে গেছে: ১১ বছরের মুক্তিযোদ্ধা মনজু - পি মুন্সী
- বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন: একটি জরিপ প্রশ্নমালা, সকলের অংশগ্রহণ একান্ত কাম্য - অন্যমনস্ক শরৎ
- ক্লাইমেট-ড্রাগন পৃথিবীর চিরপরিচিত প্রাকৃতিক শৃঙ্খলা গুড়িয়ে দিচ্ছে - কৌশিক
- নিষ্পাপ শিশুটির কামড়ে দেওয়ার দৃশ্যটিই এ পর্যন্ত সবেচয়ে বেশি বার দেখা ইউটিউব ভিডিও - সন্ধা তাঁরা
- সেদিন দুজনে দুলে ছিনু---- - সামছা আকিদা জাহান
- অন্যরকম বিদ্যালয়ে একদিন - রুখসানা তাজীন
- আজ মুনশিয়ানার জন্মদিন - সামছা আকিদা জাহান
- মুনশিয়ানা - বর্ন অফ এ্যা রেয়ার ব্রিড! - কৌশিক
- এলেঝেলে - রুখসানা তাজীন
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ২১ > সেই রাতে যেন কেয়ামত নেমে এসেছিল - মনজুরুল হক
- মাত্র ২৫ টাকায় ৩দিন আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন - জন ঢাকা
- প্যারানয়েডের ডিফেন্স মেকানিজম - হাসান মাহবুব
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < ৫ > অচেনা আঁধারে বাবার তালাশ - মনজুরুল হক
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি< ১ >আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!! - মনজুরুল হক
- জীবনে যা পড়েছি-৬ (শীর্ষেন্দুর দূরবীন) - তায়েফ আহমাদ
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- অবশেষে... আপনার মূল্যবান ব্লগের ব্যাকাপ রাখুন নিরাপদেই!
- রোবোটিক্স
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৯ --[শুধুমাত্র ১৮+ দের জন্য] - বিডি আইডল
- গানে গানে প্রতিশোধ : এয়ারলাইন্স কোম্পানি বিপাকে - দূরন্ত
- গল্প: আডানা - গৌতম রায়
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- আমার মন খারাপের কারণগুলো... - ইশতিয়াক অাহমেদ
- কেককাহন - নুশেরা
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- একটি ছেলের গল্প (ছোট গল্প) - রফিক এরশাদ
- বিশ্বব্যাঙ্ক ও আইএমএফ - গ্লোবাল অর্থনীতি (১) - পি মুন্সী
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- ওর্য়াডপ্রেস ব্লগ ইনস্টল এবং অত:পর - হাসান
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- সুপ্ত অক্ষমতা: শিশু ও আমরা - ৬ - নুশেরা
- মনির হাসানের পোস্টের কাউন্টার পোস্ট - মোহাইমেন
- সামহোয়্যারনামা ৪ - সুমন রহমান
- সামহোয়ারনামা ১ - সুমন রহমান
- বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, এর নীতিমালা... - নোটিশবোর্ড
- মনোবিজ্ঞানি অধ্যাপক জেমস ম্যাস, আমাদের ছানোয়ার হোসেন ও যৌন হয়রানি: প্রয়োজন নীতিমালা - শওকত হোসেন মাসুম
- কোরবানীর গরু ও তার মালিক হাশিম - পাভেল করচাগিন
- চিন্তার ইতিহাসে: ধর্ম কী - ভূপর্যটক
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- সুপ্ত অক্ষমতা : শিশু ও আমরা -৩ - নুশেরা
- যুদ্ধ শিশু বলছি--কে আছ শুনবার?? - নিবিড়
- অন্য অলিম্পিক - নুশেরা
- আকর্ষণীয়া, সুন্দরী আর চঞ্চলার গল্প - শওকত হোসেন মাসুম
- হোকনা মিছে-মিথ্যে সে ভোর - বরুণা
আমি সূর্যের হয়ে, তোমাকেই যাব ছুঁয়ে...
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯
[আমার সহ ব্লগার নিবিড় এর একটা পোষ্ট Click This Link আমার এই গল্পের অনুপ্রেরণা হিসাবে কাজ করেছে। এই পোষ্টটি তাই নিবিড় কে উৎসর্গ করা হলো]
আমার মা সবার চেয়ে আলাদা, একদম অন্যরকম। এ কথাটা সুযোগ পেলেই আমি বলি।
ফাদার বেঞ্জামিন অবশ্য হাসেন, হাত দিয়ে আমার চুল গুলো এলোমেলো করে দিতে দিতে বলেন-রাইট য়্যু আর। অল দ্য মাদারর্স আর ভেরি স্পেশাল টু দেয়ার সান। স্পেশাল শব্দটার উপর একটু জোর, চোখটা কুচকে একটু ছোট করা, কথাটা প্রতিবার বলার সময় ফাদারের সাদা দাঁতে হাসির একটা ঝিলিক দেখা যায়। পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে আসা ফাদার বেঞ্জামিন এর ইংরেজি উচ্চারন আমার কছে মজা লাগে, এটা অন্য ফাদারদের মত নয়।
রাজেন্দ্রপুরের এই হাসপাতাল আর সাথে যুক্ত চিলড্রেন হোম, আমার একদল খেলার সাথী এই তো আমার দুনিয়া। আজ থেকে ঠিক ৮ বছর ৯মাস আগের এক ভোরবেলায় অভুক্ত, পরিশ্রান্ত, প্রচন্ড জ্বরে আর ততোধিক মৃত্যুর ভয়ে আক্রান্ত এক তরুণী এসে আশ্রয় নিয়েছিল এই হাসপাতালে। সেদিনের সেই ভীত অসহায় তরুণীটি ছিলেন আমার মা। সালটা ১৯৭১, পুরা দেশ জুড়ে মরন পণ লড়াই, পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। চারদিকে লড়াইএর স্ফুলিঙ্গ, প্রতিরোধের আগুন—প্রতিক্রিয়ায় নেমে আসছে জুলুম, অত্যাচার আর নৃশংসতা।
নভেম্বরের এক পড়ন্ত বিকালের ঘটনা সেটা। শহর জুড়ে পাকবাহিনী তখন প্রায় কোনঠাসা, দিশাহারা হানাদার বাহিনী তার আস্তানা গুটিয়ে, যতদুর সম্ভব ক্ষয়ক্ষতি করে পাশের শহরের দিকে পিছু হটছে। পড়ন্ত সেই বিকালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর এক লরি এসে দাড়িয়েছিল বড় রাস্তাটার ধারে, বোঝাই লরী থেকে বন্দুকের গুতায় রাস্তায় নামানো হয়েছিল একদল ভীত সন্ত্রস্ত মানুষকে, দীর্ঘ দিনের অত্যাচার ক্লিষ্ট- এক দঙ্গল বিধ্বস্ত নারী- যন্ত্রের মতো তারা সৈন্যদের হুকুম তামিল করছিলো। তার পর তাদের সার বেধে এক লাইনে দাড় করিয়ে......
আমার মা সম্ভবত এতই দুর্বল ছিলেন যে, শরীরে গুলি লাগার আগেই উনি মাটিতে পড়ে যান, চাপা পড়েন এক গাদা মৃত লাশের নীচে। সেখান থেকে আমার মাকে এই হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে পৌছতে কে সাহায্য করেছিল, আদৌ কেউ করেছিল কিনা--এক সপ্তাহ পরে জ্ঞান ফিরে পাওয়া মা অবশ্য তা মনে করতে পারেন না। চিকিৎসা শুরু করতে গিয়ে ডাক্তাররা শুধু টের পেয়েছিলেন, আমার মা প্রায় আট সপ্তাহের গর্ভবতী...... বিস্মিত ডাক্তাররা আবিস্কার করেন--মা’এর প্রায় মুমুর্ষ অবস্থা, শারিরীক প্রতিরোধের শেষ সীমায়, অথচ গর্ভস্থ শিশুটি রীতিমত সুস্থ এবং সবল। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আমার মা প্রতি মুহুর্তে মরে যেতে চাইতেন, না ওষুধ- না পথ্য। সব বিষয়ে ডাক্তারদের সাথে চুড়ান্ত অসহযোগিতা- ইচ্ছামৃত্যুর এক নিষ্ঠুর প্রতিযোগিতা।
অথচ আমি বেড়ে উঠছিলাম পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য আর পুষ্টির সাথে-- মার শরীরকে শুষে নিয়ে। লড়ছিলাম আমিও- আমার মাতৃজঠরের হক্ক আদায় করতে, আমাকে শেষ করে দেবার আমার মায়ের যাবতীয় তৎপরতার বিরুদ্ধে। আমি চিৎকার করে মাকে বলতাম--চারিদিকে এত রক্ত, এত হত্যা, আমার ভয় করে মাগো। তোমরা সব কিছুকে ধ্বংস করে দেওয়ার নিষ্ঠুর খেলায় মেতে উঠেছো। তবুও দেখ-এরপরেও আমি জীবন হয়ে বেঁচে থাকতে চাই, আমি জন্ম নিতে চাই......। তোমার প্রিয়জনের হত্যা, তোমার নারীত্বের অপমান, তোমার শারিরীক লাঞ্ছনার পরেও আমি ভুমিষ্ঠ হতে চাই- বেচে থাকতে চাই তোমার সন্তান হিসাবে......
আমাকে শারিরীক অবয়ব আর কাঠামোর মাঝে প্রতিস্থাপিত করো মা, তোমার প্রতি যাবতীয় অমানবিকতার বদলা যাতে নিতে পারি।
বিস্তর রক্তপাত, কাটাছেঁড়া, ক্ষত চিহ্ন আর অবর্ণনীয় কষ্টের ভেতর দিয়ে আমার জন্ম হলো, দিনটা ছিল মে মাসের ১৮ তারিখ, ১৯৭২ সাল... পুনরাবৃত্তি হলো যেন কয়েক মাস আগে ডিসেম্বরের ১৬তারিখে যেভাবে পৃথিবীর বুকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ-- বিস্তর রক্তপাত, কাটাছেঁড়া, ক্ষত চিহ্ন আর অবর্ণনীয় কষ্টের ভেতর দিয়ে......
জন্মের পরে আমার মুখের দিকে মা কখনও তাকান নি। আমাকে কখনও ছুঁয়েও দেখেন নি, আমি কেদে উঠলে সে আওয়াজে তার মনে কোন ভাবান্তর তৈরি হত না... আমি অবশ্য এ জন্য কিছু মনে করিনি- নার্সদের কোলে কোলেই বেড়ে উঠছিলাম, হাসিখুশি এক শিশু হিসাবে।
ততদিনে দেশের পরিস্থিতি শান্ত হয়ে আসছিল-স্বাভাবিক জীবন যাত্রার প্রস্তুতি- নতুন ভাবে সবকিছু গড়ার উদ্যোগ শুরু হচ্ছিল। কারন জীবনের দাবীই হলো সামনে এগিয়ে চলা, থেমে থাকা নয়। একদিন আমার মায়ের পরিবারের লোক জনও এসে হাজির হলো, মাকে বাড়ী ফিরিয়ে নিয়ে যাবে বলে। আমি রয়ে গেলাম ফাদার বেঞ্জামিনের হেফাজতে।
বেশ কয়েক বছর পার হয়ে গেছে- আমি স্কুলে যাওয়া শুরু করেছি- বেড়ে উঠছি সেই হোমের চার দেয়ালের মাঝে-আমার অন্যান্য খেলার সাথীদের মাঝে-ফাদার বেঞ্জামিনের তত্ত্বাবধানে।
এর মধ্যে আবার দেখা হয়ে গেলো আমার মায়ের সাথে। সেদিনটার কথা আমার বেশ মনে আছে-- আমাদের হাউস মাদার আমাকে সকাল সকাল গোসল করিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে দিয়েছিল, সবাই জানতো আমার জন্য এটা একটা বিশেষ দিন। সেদিন সকাল থেকেই আমার খেলার সাথীদের সবার মাঝে চাঞ্চল্য, ঈর্ষা কাতর দৃষ্টিতে আমাকে দেখছি্ল সবাই। দুপুরের দিকে আমার ডাক পড়ল ফাদার বেঞ্জামিনের রুমে।
ফাদারের রুমের বিশাল টেবিলটার এক কোনে মা বসে ছিলেন। পরণে হালকা রঙ্গের শাড়ী, হাত দুইটা মুঠো করে টেবিলে রাখা। চোখে মুখে এক ধরনের বিহবলতা। আমার চিনতে একটুও কষ্ট হয়নি। যদিও এতদিন দেয়ালের ছবিতে, বইয়ের পৃষ্ঠায় যে সব মায়েদের ছবি দেখেছি, আমার মা দেখতে একটুও তাদের মতো নয়। আমি শুধু মিলিয়ে দেখতে চাইছিলাম দ্য ভিঞ্চির ম্যডোনার সাথে আমার মায়ের মিল কতটুকু, বইয়ের পৃষ্ঠায় যে পেইন্টিংস এর সাথে আমি দিনের পর দিন কথামালা বুনে গিয়েছি—পড়ার অবসরে, গ্রীস্মের একলা দুপুরে কিংবা ঘুম আসতে না চাওয়া কোন কোন তীব্র পূর্ণিমার রাতে।
আমাকে দেখে মা উঠে এসে আমার হাত ধরলেন, তারপর মাটিতে হাটু গেড়ে বসে আমাকে বুকের সাথে মিশিয়ে নিলেন। এক নীরব যন্ত্রনা মাখা কান্নায় তার শরীরটা কেঁপে কেঁপে উঠছিল। বড়রা কেন যে বোঝে না- কান্না জিনিষটা এত ছোঁয়াছে। মনটা এত স্যাঁতসেতে করে দেয়। আমি আজ কিছুতেই কাঁদতে চাইনা যে।
দিনের পর দিন আমি কি এই দিনটার অপেক্ষায় থাকিনি? কবে আমি ফিরে যাবো আমার মায়ের কাছে- আমার ছোট্ট হাতে তার আঙ্গুল চেপে ধরে হাঁটব পৃথিবীর রাস্তায়! আনাচে কানাচে সহ চিনে নিবো দুনিয়ার সব ঘোর প্যাঁচ।
আমাকে দীক্ষা দাও মা, যাতে করে হতে পারি পিতৃ হন্তারক।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সমীরণ বলেছেন:
ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: সমীরণ, অনেক ধন্যবাদ, ভাল লাগার জন্য।
লেখক বলেছেন: সুরভিছায়া- কি হয়েছে? মন কেন মানছে না রে ভাই?
শুভকামনা আপনার জন্যও। ভাল থাকবেন।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
কিছু বলার ভাষা নাই। একটানে পড়লাম। দারুন লিখেছেন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই, উৎসাহিত বোধ করছি।
নিবিড় বলেছেন:
মুক্টিযুদ্ধের হাজরো অব্যক্ত কাহিনী গল্প ,কবিতা হয়ে যায় ।পরাবাস্তব জগত আর ক্রমাগত দ্বিধায় বেড়ে ওঠা শিশুরা আমাদেরই গর্ব ।এরা জাতীয় জীবনের অংশ...আর ইতিহাস এর জ্বালানী। স্পর্শ করে যাওয়া অথচ অবিরাম দাপিয়ে বেড়ানোএকটা লিখা...।
অসাধারন লিখেছেন ।গ্রেট জব। এরকম একটা লিখার অনুপ্রেরনা হতে পেরে নিজেকে তুষ্ট মনে করছি...ভাল থাকবেন ।বিজয়ের শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: নিবিড় ভাইয়া, যুদ্ধ শিশু নিয়ে তোমার লিখাটা মগজের মাঝখানে যেন গেথে থাকে, থাকবে বহুদিন। বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা নাও তুমিও।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
দারুণ লিখেছেন। প্রিয়তে নিলাম। আজকের সেরা গল্প...যদিও আজকে কোনো গল্প পোস্ট হয়েছে কিনা কে জানে!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাঙ্গা পেন্সিল, আপনার মন্তব্যে উৎসাহ বোধ করছি।
অপ্সরা বলেছেন:
মন খারাপ হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: কেমন আছেন অপ্সরা, বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা নিবেন।
পাভেল করচাগিন বলেছেন:
আজ বিজয়ের দিন। শুধু আজকের না, অনেক দিনের সেরা লেখা।
এটা গল্প না, এ লেখাকে ছোয়া যায়, মনে হয় এ লেখাকে আমি প্রতিদিন দেখি। বোধ হয় ততদিন পর্যন্ত দেখবো যতদিন হতে না পারি পিতৃ হন্তারক।
চমৎকার।
লেখক বলেছেন: পাভেল করচাগিনকে বিজয়ের দিবসের শুভেচ্ছা। অনেক ধন্যবাদ, চমৎকার মন্তব্যের জন্য।
পারভেজ বলেছেন:
মন ছুঁয়ে গেলো।
লেখক বলেছেন: উৎসাহিত বোধ করছি, আপনার মন্তব্য পেয়ে। অনেক ধন্যবাদ,
দিগন্ত রেখা বলেছেন:
ভালো লাগলো পড়ে... দ্যা ভিঞ্চি নন, ম্যাডোনার জন্য বিখ্যাত রাফায়েল। অবশ্য আমাদের মায়েরা তার থেকে সুন্দরী
লেখক বলেছেন: হুমম, তাই নাকি, রাফায়েলের ম্যাডোনা দেখি নাই তো!
আনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।
সুরভিছায়া বলেছেন:
মন মানছে না ,আরেকটু ভদ্র ভাষায় --মনকে প্রবোধ দিতে পারছিনা এমন একটা লেখা পড়ে ;যেটা অন্তরের অন্ত:স্থল নাড়া দিয়েছে । আর লিখো নাতো তুমি ,নিবিড় তোমরা এমন করে ।
নিজেকে বড় অসহায় মনে হয় ।
বিজয় দিবসেও কাদের যেন উদ্ধত চলার শব্দ শোনা যায় আশে পাশেই ।ভাল থেকো ।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
নিবিড়ের লিখাটা পড়ার পরে আমারো একই অনুভুতি হয়েছিলো, সুরভিছায়া, গোটা বিষয়টা আমার মাথার মধ্যে যেন গেঁথে ছিল। কিছুতেই ঝেড়ে ফেলতে পারছিলাম না।নিজকে একটুও অসহায় ভাববেন না, বাঙ্গালী তার বাহুতে অনেক শক্তি ধরে, যুদ্ধ হবে আরও একটা, হবেই।
কঁাকন বলেছেন:
অসাধারন ! অসাধারন ! অসাধারন !
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! অনেক ধন্যবাদ! অনেক ধন্যবাদ!
নুশেরা বলেছেন:
খুব ভাল লাগল। এর সিক্যুয়েল লেখার অনুরোধ রইল।
নুশেরা বলেছেন:
সূর্য, অনুপ্রেরণা, পণ, পূর্ণ, তরুণী, দূর, পূর্ণিমা, গুছিয়ে, কাটাছেঁড়া, অবর্ণনীয়, পরণে, লাঞ্ছনা-- এমন কিছু বানান ঠিক করে দেয়ার অনুরোধ রইল।আর একটা কথা। এই লেখাটা আমি বর্ষসেরা লেখার তালিকায় মনোনীত করতে চাই। কিন্তু ফিকশন বলে গল্প ক্যাটাগরিতেই করা যুক্তিসঙ্গত মনে করছি। আপনার মত কী? তাড়াতাড়ি জানান।
লেখক বলেছেন: গল্প ক্যাটাগরিতে যেতেই পারে। আপনার প্রস্তাবে আমি সম্মানিত বোধ করছি। অনেক ধন্যবাদ নুশেরা।
একটু সময় দিলে বানান গুলো ঠিক করে দিতাম। ভাল থাকবেন।
ইরতেজা বলেছেন:
এক মুহুর্তের জন্য ভেবে ছিলাম কোন অনুবাদ পড়ছি। অসাধারন আপনার লেখার মান।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশংশায় আমি উৎসাহিত বোধ করছি। অনেক ধন্যবাদ।
অক্ষর বলেছেন:
ভাল লাগলো
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, অক্ষর, ভালো থাকবেন।
সহেলী বলেছেন:
অদ্ভুত ! মন কাঁড়া লেখায় ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশংশায় আমি উৎসাহিত বোধ করছি, সহেলী। অনেক ধন্যবাদ।
রিফাত হাসান বলেছেন:
মুনশিয়ানা আপনার ভাষাতো বেশ ভাল, পড়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশংশা আমি মাথা পেতে নিলাম, রিফাত ভাই। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, আশরাফ ভাই, প্রশংসা মাথা পেতে নিলাম।
খালেদ সময় বলেছেন:
ছবিগুলো চমৎকার ছিল
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
আমার ব্লগে স্বাগতম েজবীন, অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে। ভালো থাকবেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















