আমার প্রিয় পোস্ট

যে ঘড়ি তৈয়ার করে - সে - লুকায় ঘড়ির ভিতরে

একজন ভ্যালেরী টেলর

২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০২

শেয়ারঃ
0 0 0

ইংল্যান্ডের বাকিংহামশায়ার থেকে প্রথম স্বেচ্ছাসেবী কাজে বাংলাদেশে আসে সেই ১৯৬৯ সালে। তখন এসেছিলেন ভলান্টারী সার্ভিস ওভারসিজ (ভিএসও)এর সাথে এবং একজন ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে। কাজ শুরু করেন চট্রগ্রামের কাছে চন্দ্রঘোনা হাসপাতালে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে স্বাভাবিকভাবেই তার কাজ ব্যহত হয়। একসময় বিদেশীরা দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ পেলে তিনিও চলে যেতে বাধ্য হন। মানুষের জন্য সত্যিকারের প্রেম ধারন করে যে হৃদয় ঠিক সেইরকম এক হৃদয় আছে ভ্যালেরীর বুকের ভিতরে। তাই যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগেই, সেপ্টেম্বর ১৯৭১ -এই আবার ফিরে আসেন বাংলাদেশে। আমি কল্পনা করি তার সাহস, তার উদ্দীপনা, তার তীব্র প্রেমকে। আমি অভিভূত হই।

যুদ্ধে পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রয়োজনসহ বাংলাদেশের মতো গরীব এক দেশের হাজার হাজার পঙ্গু মানুষের, নি:স্ব মানুষের পাশে এসে দাড়ানোর মতো কাজটা করার প্রয়োজনীয়তা আমরা বুঝি না, আমাদের সরকার বোঝেন না, বোঝেন একজন ভ্যালেরী টেলর।

১৯৭৩ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে গিয়ে পঙ্গুদের জন্য ফান্ড তোলার কাজে হাত দেন তিনি। ২ বছর থেকে আবার ৭৫ এ ফিরে আসেন। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সিআরপি এবং তার যাত্রা। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে শুরু হয় তার কার্যক্রম। দুটো সিমেন্ট রাখার গুদাম জুটেছিলো ভ্যালেরীর কপালে তার সেবার জন্য।

তাতে কি? চকচকে টিনটেড গ্লাস আর সুরম্য মার্বেল পাথর থোরাই কেয়ার করেন ভ্যালেরীর মতো হৃদয়ের মানুষেরা।

আজও ভ্যালেরীর অফিসের কামরায় অনেক রাত অবধি আলো জ্বলে। তিনি কাজ করছেন।

জ্যোতি আর পপি - এই দুইজন পঙ্গু মেয়েক কোলে টেনে নেন ভ্যালেরী কাজের ফাকে ফাকে। ওরা এই দেশের প্রতি ওর তীব্র ভালোবাসা আর মায়ার স্মারক। ওর দততক সন্তান।

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছন ভ্যালেরী।

হয়তো (?) তারই পুরুস্কার স্বরূপ ভ্যালেরীকে তারই হাতে, ঘামে, রক্তে গড়া প্রতিষ্ঠানের এক অগুরুত্বপূর্ণ পদে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। অথবা টাকা হাতানোর লোভে। হায় বাংলাদেশ!

রেফারেন্স:
আরিফ জেবতিকের মূল পোস্ট

এই পোস্টের ছবি ও তথ্য
Click This Link

সিআরপি বাংলাদেশ
http://www.crp-bangladesh.org

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্যালেরীভ্যালেরীভ্যালেরী ভ্যালেরীভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরীভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরীভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ্যালেরী ভ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:০৯
কনফুসিয়াস বলেছেন: এই শফি সামি কি সি এম শফি সামি? আমাদের মাননীয় উপদেষ্টা?
আশ্চর্য!
২. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:১২
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: জানালার একটি !@@!780528 !@@!780529 ভ্যালরী টেলরকে নিয়ে, যদি মিস করে থাকেন...
৩. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:১৮
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ঠিক জানি না কনফুসিয়াস। শুধু জানি বিচ্ছিরি গালি গলার কাছে দলা পাকায়ে যায়।
৪. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:১৯
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: জানালার লেখাটা পড়িনি। অনেক ধন্যবাদ।
৫. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হ্যাঁ এই সেই শফি সামি ... তিনি সি.আর.পি তে দেড়বছরকাল ভ্যালেরীর অগোচরে মাসে আড়াই লাখ করে সন্মানী (বেতনও না) পেয়েছেন ...
ভ্যালেরী যখন তা জানতে পারেন তখন প্রতিবাদ করেন ... এরকম সন্মানী প্রদান বন্ধ করান ... এরপর বল যায় শফি সামির কোর্টে ... তিনি র‌্যাকেট দিয়ে এত জোরে বাড়ি দিলেন যে দিয়েছেনই ভ্যালেরীকে আউট করে ...
তবে এটা বাংলাদেশে টিপিক্যাল ঘটনা ... এই দেশে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে যে কত সমস্যা সেই গল্প পরে একদিন করব সময় পেলে

উল্লেখ্য শফি সামির ভাই কয়েস সামিও ওরিয়েন্টাল ব্যাংক কেলেঙ্কারীতে এখন হাজতে (নাকি জামিন পাইছে!!)...
তবে এর চেয়েও বড় রাঘব বোয়াল আছেন ... ট্রান্সকমের মালিক লতিফুর রহমানরা ... তারা কয়েস সামির মাথায় চেপে রমনায় বিঘার পর বিঘা জমি নামমাত্রমূল্যে নিলামে কিনে নেন ... কিন্তু এদের নিয়া কেউ টুঁ শব্দও করেনা ...এরা আবার দেশের সুশীল সমাজ ... খিয়াল কইরা।

সাদিক খুব ভাল লিখেছেন
৬. ২৫ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫৯
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা, কৃতজ্ঞতা তথ্যের জন্য।

বাগ:
লেখা এডিট করতে গিয়া ছবি গায়েব হয়ে যায়।
৭. ২৫ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
বিপ্লব রহমান বলেছেন: সাদিক@আপনার এই লেখাটি সুন্দর। আপনার জন্য পাঁচ।
৮. ২৫ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬
ফাহা বলেছেন: সাদিক ভাই,
ভাল একটি পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
আরিফ জেবতিকের পোষ্টের সাথে যদি আপনার এই পোষ্টও ফোলোআপ হিসাবে সবার কাছে, গ্রুপ গ্রুপ এ পাঠাই তাহলে কি আপনার আপত্তি আছে?
আমার মনে সেটা ভাল হয়।
৯. ২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ বিপ্লব।

ফাহা, নো আপততি। আপনি আমন্ত্রিত ।
১০. ২৫ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: এর মধ্যে আরিফ ভাইএর টা এনেক জায়গায় পোষ্ট কইরা দিছি... ঠিকাছে বন্ধু তোমারটাও ফলোআপ পাঠাই..

ধন্যবাদ.. এত্তো চমৎকার করে উপস্থাপন এর জন্য
১২. ২৬ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:২৭
সোনার বাংলা বলেছেন: সহমত@জ্বিনের বাদশাহ।
এবং ধন্যবাদ সাদিক ভাই।

১৪. ২৬ শে মে, ২০০৭ ভোর ৬:২০
তারেক রহিম বলেছেন: ধন্যবাদ সাদিক ভাই। খুব ভাল লাগলো পড়ে।
১৫. ৩০ শে মে, ২০০৭ রাত ১০:৪৮
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: একটানে পড়লাম।
শ্রোদ্ধাবোধের কারনেই হয়েতো সুন্দর এই লেখাটা সুন্দরতম লেগেছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৭৮০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রথমত: সময় নাই। দ্বিতীয়ত এখনই সময়। তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমাকেই চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ