আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

একাডেমিক রিস্ক অথবা একটা কনসপিরেশন থিওরীর গল্প

১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

                       

১.
বুয়েট থেকে প্রথম ডিগ্রিটা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। যন্ত্রপাতি খুব যে একটা ভালো লাগে তা না, তারপরেও ডাক্তারীতে চান্স পাওয়ার পরেও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যাওয়ার পেছনের ডিসিশন নেওয়াটার পেছনের গল্পটায় পারিবারিক ডাক্তার মানুষটা জড়িত। দেখতাম ডাক্তারদের পার্সোনাল জীবনের স্পেস একেবারেই থাকে না। রাত তিনটায় রোগীর ফোন কল। আট ঘন্টার অপারেশন। নিজের জন্য কোন সময় নাই। হাসপাতাল করে বিকাল থেকে রাত অব্দি দোকানখুলে রোগী দ্যাখো। এসব দেখে মনে হলো না থাক, ডাক্তারী ডাক্তারদের জন্যই থাকুক। আমি ইঞ্জিনিয়ারিংটাই পড়ি, যদিও বায়োলজী পছন্দের বিষয়ের একেবারে শীর্ষেই ছিলো।

মেকানিকালে সেই বায়োলজীর প্রতি ভালো লাগাটা একটা মাত্র কোর্সে দেখানো সম্ভব ছিলো। বায়োইঞ্জিনিয়ারিং। এমনিতে সাবজেক্টটা ভালো লাগতো। ন্যাচার আগামীর ফ্রন্টিয়ার তখন সম্ভাবনার জগতটাও সেইখানে। সেই হিসাবে একটু একটু মনে হতো বায়োইঞ্জিনিয়ারিংটা পড়তে পারলে বেশ হতো।

বুয়েট পর্ব শেষ হলো। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী নিয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিংগাপুর (এনইউএস, সংক্ষেপে) এ্যাপ্লাই করেছিলাম বায়োতে (বায়োইঞ্জিনিয়ারিং) এবং ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে। হলো ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে। আবারও যন্ত্রপাতি।

দু'বছর ঘুরে মাস্টার্স শেষ হলো অবশেষে। এইবার কোন দিকে যাবা বাছাধন?

২.
সাধারনত পিএইচি মানে যে এ্যাকাডেমিক লাইন সেইটা ধরে সিধে চলে যাওয়াই অর্থোডক্স প্র্যাক্টিস। অন্তত আমাদের এশিয়ান মাইন্ডসেটে আমরা সেইটাই করে থাকি সাধারনত। এছাড়া টেকনিক্যাল সমস্যা হলো, খুব বিশেষ পরিস্থিতি না হলে ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকলে অন্য একটা সাবজেক্টে পিএইচডি এ্যাডমিশন পাওয়া অনেকটাই অসম্ভব। ভালো ইউনিতেতো ব্যাকগ্রাউন্ডই শুধু না, খুব ভালো ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলেই তবে এ্যাডমিশন কমিটির বৈতরণী পার হওয়া যায়।

সুতরাং মাস্টার্স শেষ করার দিকে যখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়, পিএইচি কোন বিষয়ে তখন একটা বড়সবড় একাডেমিক রিস্কই ছিলো বায়োইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এ্যাপ্লাই করার জন্য। প্রথমত সর্বসাকুল্যে বুয়েটের ঐ একখানা বায়োইঞ্জিনয়ারিং কোর্স, যা আবার তিন ক্রেডিটের মাত্র, দ্বিতীয়ত আমার মাস্টার্স পুরা ভিন্ন লাইনের, তৃতীয়ত আহামরী কোন জিআরই স্কোর সঙ্গী না এবং চতুর্থত আমি এ্যাপ্লাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমেরিকার সেরা কিছু ভার্সিটিতে।

পাওলো কোয়েলহোর দি আলকেমিস্ট বইটার কথা মনে পড়ে। প্রিয় একটা লাইন ছিলো এরকম:
Whoever you are, or whatever it is that you do, when you really want something, that desire originated in the Soul of the Universe.

And, when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.

৩.
ঘটনাটাও সেরকমই ছিলো। অনেকগুলো টপ রেংকিং (বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ১ থেকে ৫) ইউনিসহ কিছু মাঝারী দিকের ইউনিভার্সিটিতে এ্যাপ্লাই করেছিলাম। ইচ্ছা ছিলো ক্যালিফোর্নিয়ার কোন ভার্সিটিতে সুযোগ পাওয়ার। ওদিকে বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রিসার্চের কাজ খুব ভালো হয়। প্রতিটা ইউনিতে এ্যাপ্লাই করতে যা খরচ! রিস্ক ফিস্ক নিয়ে জন হপকিন্স থেকে শুরু করে অনেকগুলোতে এ্যাপ্লাই করলাম। প্রথমে মাঝারী সারির ইউনি থেকে সারি দিয়ে রিজেকশন আসা শুরু হলো।

আমি মনে মনে বলি, কাম সারছে! মাঝারিগুলাই এই দশা, উপরের গুলো শিওর বাদ। অবাক করে দিয়ে ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এ্যাডমিশন পাঠালো প্রথমে। রেংকিংয়ে ৭ম। অনেক বাঘা ইউনিকে পিছনে রেখে এই অসম্ভব খুরুচে ইউনির জায়গা বেশ উপরে, প্রাইভেট স্কুল বলে ভাবও বেশি।

বাকিদের রিজেকশন তখনও আসিতেছে অব্যহত। দ্বিতীয় এ্যাডমিশন অফার আসলো ইউসিএলএ থেকে।

৪.
কিন্তু গরীব দেশের গরীব মানুষ আমরা। ইউনিভার্সিটি যদি খরচ না দেয় তবে সাধ্য কি হায়ার এডুকেশনের স্বপ্ন দেখার। ক্যালিফোর্নিয়ার এ্যাকাডেমিক খরচ তো মাথা ঘুরায়ে দেওয়ার মতোন। সুতরাং এ্যাডমিশন পাওয়ার আনন্দ কয়েকদিনেই চুপসে যায় যখন দেখি ফান্ডিং ছাড়া সব বিফল।

আবারও পাওলো কোয়েলহো:
People are capable, at any time in their lives of doing what they dream of.

সুতরাং অসম্ভব অবাক করা কাজটাই হলো, সান ফ্রান্সিসকো, যেখানে ভাবগুরু লুয়ালেন ভন লি'র কুঠি (যেইখানে যাওয়ার খায়েশ বহুদিনের) সেই সান ফ্রান্সিসকো থেকে খানিকটা দূরের শহর লস এ্যাঞ্জেলেসের ইউসিএলএ (ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস এ্যাঞ্জেলেস) থেকে ফেলোশিপের অফার আসলো।

হেজিপেজি ফান্ডিং না, বেশ সন্মানের ফান্ডিং এবং একাডেমিক এ্যাডমিশন কমিটি আলাদা করে প্রফেসরের ফান্ডিং ছাড়াও গ্রাজুয়েট ফেলোশিপে সন্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গরীবকে।

আমি গরীব মানুষ। গরীব মানুষ সহজেই মুদ্ধ হয়। আমিও সেই গরীব মুদ্ধদের দলে সামিল হই। আমার এক আমেরিকান বন্ধু কলেট লিখে পাঠায়, সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার স্বামী যোগানন্দের সেলফ রিয়ালাইজেশন ফেলোশিপরে কম্পাউন্ডের বিশাল লেকটা তোমার দেখতেই হবে সাদিক। জানা যায় বার্কলেতে থাকলেও দক্ষিন ক্যালিফোর্নিয়ার ঐ জায়গা কলেটের খুব পছন্দের জায়গা। স্বামী যোগানন্দের স্মৃতি বিজড়িত সেলফ রিয়ালাইজেশন ফেলোশিপ দেখতে হবে, শুনতে হবে লুয়ালেন ভন লি'র কথা। পিলগ্রিমেজ টু গোলডেন সুফি লজ এ্যাওয়েটস গড উইলিং।

কোয়েলহো ভুল বলে নাই,
And, when you want something, all the universe conspires in helping you to achieve it.

আমিও কনসপিরেশন থিওরীর গন্ধ পাই। নাইলে আমি কেন?!

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পগল্পগল্প গল্পগল্প গল্প গল্প গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ২৫ টি মন্তব্য
  • ৩৯৯বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৬
comment by: তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন: অভিনন্দন, সাদিক ভাই
২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৭
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: শুকরিয়া, সজীব ভাই।
৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২২
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সেটাই।
৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২৭
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: অভিনন্দন।
৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: কনগ্রাটস্‌!
৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:২১
comment by: স্বরহীন বলেছেন: কন গ্রেটস মেন!!!
আমি ও এই বিষয় গুলো খুব বিশ্বাস করি।
৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:০৫
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: থ্যাংকস সবাইকে।
৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১১
comment by: এস এম মাহবুব মুর্শেদ বলেছেন: কনগ্র্যাটজ। রাঙ্কিং কোনটার ভালো, ইউসিএলে নাকি সাউদার্ন? পারলে ভালোটাতে যাইস। ফল থেকে শুরু করবি নাকি? কবে আসবি জানাইস।
৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:১২
comment by: রাগিব বলেছেন: অভিনন্দন। ইউসিএলএ'র ক্যাম্পাস দেখেছি, বেশ চমৎকার।

তবে, সান ফ্রান্সিস্কো থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস প্রায় ৫ ঘন্টার পথ। বার্কলে সান ফ্রান্সিস্কোর প্রায় ঘন্টা খানেকের পথ।


ফেলোশীপ পেয়েছেন, সেটা ভালো। নইলে নিজের খরচে লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো খরুচে শহরে থাকতে পারতেন না।

লস অ্যাঞ্জেলেসের মজা হলো, আপনার ইউনিভার্সিটির পাশেই হবে বেভারলি হিলস, বেল এয়ার,হলিউড - এই সব অভিজাত জায়গা। আর দেশী খাবার দাবার পাবেন শহরেই।
১০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:২৫
comment by: মানবী বলেছেন: অভিনন্দন সাদিক মোহাম্মদ আলম।
১১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:১২
comment by: সাজেদ বলেছেন: হ, রিমরা গেল গিয়া কানাডাতে। তুমি যাইতাছো এখন ক্যালিফরনিয়াতে। যাই হোক শুভেচ্ছা।
১২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:২০
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ওভারঅল রেংকিং (র এর পরে য ফলা দেওন যায় না!) এ সাউদার্ন এর রেংকিং ৭। ইউসিএল ১৬। কিন্তু বায়োতে এমনিতে ইউসিএলএর সুনাম বেশি। আমি সম্ভবত সেপ্টম্বরের শুরুতে আসবো, সব ঠিকঠাক থাকলে। @ মুর্শেদ।

রাগিব ভাই,
সেইটাই। যে খরুচে, ফেলোশিপে কুলাইলে হয়। হ্যা দরজা খুললেই বাঙ্গলী দেখা যায় জানালো ভেরমন্টে থাকা এক এলএর বন্ধু। দেশী খাবারের খরা তাহলে মিটলো!

সাজেদ,
কপাল! তবে ক্যালিফোর্নিয়ায় থাকলেও তেনারা সেই স্যাক্রামেন্টো, আর আমি এলএ। তফাত বহুতখানি।
১৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:২৯
comment by: মদন বলেছেন: এত লেখা পড়া কইরা কি হইবো?
১৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০১
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: যাক, কনগ্র্যাটস! অনেক অভিনন্দন। সব স্বপ্ন সফল হোক।

আচ্ছা, শুধু শুধু মাস্টার্স করেছিলেন কেন? আমি তো শুনি পিএইচডি করার চিন্তা থাকলে মাস্টার্স করার দরকার নেই। সেরকমই তো প্ল্যান করছি আমি।
১৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:০৯
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: কি জানি? @ মদন। হুদাই মনে হয়।

সন্ধ্যাবাতি,
ধন্যবাদ। শুধু শুধু মাস্টার্স, আবার কইতে পারোস পোস্ট গ্রাজুয়েট পড়াশুনার স্বাদনেওয়া। হঠাৎ কইরা আন্ডারগ্রাজুয়েট কইরা ধুম কইরা পিএইচডি অনেক সময়ে বেশি বেশি হইয়া যাইতে পারে। তবে সময় বাচানোর জন্য ভালো।

তোর জন্য ঠিকাছে, তুই ঐখানে আন্ডারগ্রাজুয়েট করেছিস। আমি তো ফব ছিলাম।
১৬. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৫:৫৪
comment by: রেজওয়ান বলেছেন: অভিনন্দন সাদিক।
১৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৬:০৭
comment by: হযবরল বলেছেন: কারেকশন রাগীব ভায়া রুট ৫ দিয়ে ৮০ মাইল/ঘন্টা চালিয়ে আমার ৬ ঘন্টার উপরে লেগেছে সান ফ্রান্সিসকো থেকে লস এঞ্জেলস।

শুভেচ্ছা সাদিক। ইউসিএলএ গিয়েছিলাম একবার। বেশ অনেকটা সময় ব্যয় করে, দেখেছি। ভীষণ সুন্দর একটা ইউনি। আর্কিটেকচারাল বিউটির দিকে বলা হয় আমেরিকার অন্যতম সুন্দর ক্যাম্পাস।

১৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৬:১৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: অভিনন্দন... (আগেরবার লেখাটা অনেক বড় দেখে পড়া হয়নি...)
১৯. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ ভোর ৬:১৮
comment by: তারেক রহিম বলেছেন: অভিনন্দন সাদিক ভাই।
২০. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: রোবট রাজকন্যা বলেছেন: Academic risk 'ই বলেন অথবা conspiracy, যাহাই বলেন না কেন.... পিজা হাটের পিজা, শর্মা হাউজের শর্মা, এন্ডারসনের আইসক্রিম, বনফুলের মিষ্টি.... ইত্যাদির কোনটাই যেন মাটিতে না পড়ে সেইটা দেখনের দায়িত্ব কিন্তু আপনার


তাড়াতাড়ি আসেন .... আর ব্লগীয় বন্ধুদের জন্য একটা পার্টি দেন

We are awaiting for a celebration party. মু হা হা হা হা
২১. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ রিজওয়ান, ত্রিভুজ, তারেক।

অমানুষ,
আপনে মিয়া পলায়ে থাকেন। মুখ দৃশ্যমান না হইলে খাওন পার্টি ক্যামনে কি? তয় মেনুর লিস্টি বিশাল দিয়া ফেলছেন। প্লেনের টিকিট কাটায় শর্ট পড়লে কে দিবো?!! এমনিতেই গরীব!
২২. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৩৪
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: সাদিক তুমি কিমুন আছ ?
২৩. ১৫ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৩৬
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: লৌকিক আমি ভালো আছুন। আপনে?
২৪. ১৬ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২৩
comment by: অলৌকিক হাসান বলেছেন: আছি তুমরার দুয়ায়। তোমার শইলডা কিমুন ?
২৫. ১৯ শে জুলাই, ২০০৭ সকাল ৮:১৮
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: গ্রেট!!!!! মিস করেছি দেখি খবরটা ...
অসংখ্য অসংখ্য অভিনন্দন ... সকালটা শুরু হলো ভালো খবর দিয়ে

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬০৭৯৭