আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগিং ও ব্যান বিষয়ে কিছু কথা (উৎসর্গ: নাহিদ) - উম্মু আবদুল্লাহ
- "সানস্ক্রিন ব্যবহার করো" - মেরি শ্মিক এর বিখ্যাত কল্পিত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- সর্বকালের সেরা ফানপোস্ট বাঁচিয়ে তুলল আসিফ মুভি পাগলা চোখ বন্ধ করে প্রিয়তে রাখার মত পোস্ট - আসিফ মুভি পাগলা
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
- ওহে সামী মিয়াদাদ - আমার সঙ্গে দ্বন্দ যুদ্ধ!! - তবে তাই হোক - রাজামশাই
আবার দেখা হবে বস্। কোন এক কবিতার আসরে বা যুদ্ধক্ষেত্রে ।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৪
আসলে স্বাধীনভাবে মন্তব্য করার এই জগতে মান-অভিমান থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। কারন এত মানুষ এখানে, মত পার্থক্য থাকাটা স্বাভাবিক। আর এ কারনে মান-অভিমান থাকাটাও খুব স্বাভাবিক।
আমার জীবনের যে থিম, সেই থিমে চলাতেই না আমার সার্থকতা। যদি কবি হই তো কবিতা লেখাতে, যদি নেট বিশারদ বা মোবাইল বিশারদ হই তো তার প্রকাশেই না "আমার আমি" কে প্রকাশ করা। আর তাই তো দেখা মেলে একজন রাগিব ভাই এর বা একজন সাজি আপুর।
আর তাই তো একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে কখনো আমরা ব্লগীয় মুক্তিযোদ্ধা। আবার ঢালাও রাজাকারের খেতাব পেয়ে এই আমরাই করি প্রতিবাদ। নিজের আদর্শ কে যখন দেখি অসন্মানিত তুমুলভাবে ঝাপিয়ে পড়ি কী-বোর্ডের উপর। নিজের জীবনের আদর্শেরই যদি সন্মান না রাখতে পারলাম তো এই লেখালেখির কি মূল্য?
তাই চলে তীক্ষ্ণ মন্তব্য। ব্লগীয় কাটাছেড়া। চলে কবিতার বিপরীতে কবিতা।পোস্টের বিপরীতে পোস্ট। বন্ধুর ব্যানে চলে হরতাল। প্রথমে মডারেটরদের অনুরোধ। কাজ না হলে হাতে তুলে নেই কী-বোর্ড। আবারো চলে তীক্ষ্ণ মন্তব্য। চলে ব্লগীয় কাটাছেড়া। আর এবারের উদ্দেশ্য মহামান্য মডারেটররা (মাথায় যে তাদের কিছুই নেই এটা প্রমান হওয়ার পর থামাথামি!! এই ব্যাপারে মহামান্য মডারেটররা অবশ্য আজীবনই চুপচাপ থেকে আমাদের স্বীয় প্রমানিত ধারনাকেই মেনে নিয়েছেন)। চলে কেপি টেস্ট , দালাল টেস্ট । টেস্টে পজিটিভ হয়ে কেউ হন ছাগু কেউ বা হন আলু।
খিস্তি-খেউর ও যে চলে না তা না। তবে সেইটাকে কে কিভাবে দেখেন জানি না, আমি কিন্তু পজিটিভলি দেখি। কারন গালাগালিটা তখনই চলে
যখন কেউ তার যুক্তির বুদ্ধি হারিয়ে হতভম্ব! চিন্তা করুন প্রতি আক্রমনে ধরাশায়ী কারো সেই প্রানান্ত চেষ্টার কথা। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার, নিজের মাথাকে উচু করে রাখার শেষ প্রচেষ্টাটার কথা!! লড়ব তবু হারব না। এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো, আমি কিন্তু গালাগালিকে ভালো বলছি না। এটা না করাই ভালো। তবে মনে রাখতে হবে এখানে কিন্তু সবাই সমান না। যেমন আছেন ঠান্ডা মাথার মানুষ তেমনি আছেন গরম মাথার মানুষ। যেমন আছেন যুক্তিবাদী তেমনি আছেন যুক্তিকে পরোয়া না করা মানুষ ও। সবাইকে নিয়েই তো পথ চলতে হবে। তাই অনেকের মাথা গরমের সেই মুহুর্ত গুলোকে খারাপ লাগলেও লড়াই করার এই শেষ পন্থার প্রানান্ত প্রচেষ্টাটিকে আমি বেশ উপভোগ করি।
তারপর......... কারো আচরনে কষ্ট পেয়ে হয়তো ভাবি, আর আসব না। জীবনে যদি কখনো আর আসি!! আসিও না কিছুদিন হয়তো। কিন্তু ভুলটা ধরা পরে এক সময়।
একজন "নাহিদ"এর দেয়া কষ্টে যখন চলে যাই তখন মনে থাকেনা একজন "ঝুমি", একজন "শাওন",একজন "স্বপ্ন বিলাসী", বা একজন "কিরিটি রায়" এর কথা।
মনে পড়েই। হয়তো একদিন আগে কি পরে। আর সাসপেন্সের শুরুটাও তখন থেকেই।
কি করা যায়? বিছানায় এপাশ-ওপাশ। তারপর দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে অন্য নিক বা ভিজিটর হিসেবে ব্লগে ঢোকা। আর যেই না চোখের সামনে পড়েছে ত্রিভুজ, এস্কিমো, রাশেদ বা বিবেক সত্যি!! আর যাবি কই!! শুরু হয় ব্লগীয় শত্রু নিধন!! চলে তীক্ষ্ণ মন্তব্য। ব্লগীয় কাটাছেড়া! চলে পোস্টের বিপরীতে পোস্ট!! যুক্তির বদলে যুক্তি!!
একটু আগের রাগ? আমরন অব্লগীয় অনশন?
কই যে গেলো? ধুর ছাতা!! ওইসব পুরান নিয়ে ভাবার টাইম আছে ? তুমুল উৎসাহে আবার ঝাপিয়ে পড়ি কী-বোর্ডের উপর!!
আসলে অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এখানে এসে রাগ করার অনেক উপকরন যেমন পেয়েছি তেমন পেয়েছি ভালবাসাও। সম্ভবত বার বার ফিরে আসি সেই ভালবাসা গুলোর টানেই।
আসলে নিজের অজান্তেই একটা অদৃশ্য অথচ প্রচন্ড ভালবাসা আর ভাল লাগার বন্ধনে আমরা আবদ্ধ হয়ে পড়ছি।
তা না হলে কেন পোস্ট দিয়ে অপেক্ষা করি আপনাদের মন্তব্যের? জানি সবাই সব লেখা পছন্দ করবেন না। জানি কারো কারো মন্তব্যে খুব রাগ হবে, হয়তো আবার চলে যেতেও মন চাইবে আবার।
তবু কেন এই অপেক্ষা?
অপেক্ষা কেন সবার সাথে অনুভুতিগুলো শেয়ার করার জন্য? অপেক্ষা কেন প্রিয় মানুষগুলোর মজার মন্তব্যের জন্য? অপেক্ষা কেন প্রিয় মানুষগুলোর ব্লগে মজার মন্তব্য করার জন্য?
আসলে ইন্টারনেটের এই ভার্চুয়াল জগতটা আমাদের দিয়েছে অনেক ধরনের মানুষ দেখার সুযোগ। আমরা যেমন পেয়েছি সমমনা, তেমনি পেয়েছি বিপরীতমনা মানুষও। পেয়েছি যেমন প্রতিপক্ষের চাছাছোলা তীক্ষ্ণ মন্তব্য তেমনি পেয়েছি অনেক অনেক ভালবাসাও। সবচাইতে বড় কথা, পেয়েছি নিজের চিন্তা-ভাবনাকে যাচাই করার সুযোগ, প্রকাশ করার সুযোগ। যেমন দেখেছি মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তিবাদী পোস্ট তেমনি দেখেছি পাল্টাপাল্টি যৌক্তিক-অযৌক্তিক মন্তব্যও। আবার কেউবা চান ভারতের সাথে মিশে যেতে!! Click This Link তাতেও সমান প্রতিবাদ। তাই স্বীকার করে নিতেই হয় কেউ কারো চাইতে এই দেশ কে কম ভালোবাসেন না। তাই স্যালুট না করে পারি না তখন এইসব ঝগড়ুদের (নিজেকে সহ বলছি)।
শুধু যে সিরিয়াস আলোচনাই চলে তা না, দেখেছি ছড়ায় ছড়ায় যুদ্ধও। একবার তো রাজামশাই এর সাথে সামীর সে কি যুদ্ধ!! যদিও যে মুকুট এর জন্য যুদ্ধ চামে চামে তা নিয়ে গেছে কৌশিক। Click This Link আর এদিকে আমাদের মত নিরিহ পাঠকদের হাসতে হাসতে জান শেষ ।
মোটামুটি এই রকম টক-ঝাল-মিষ্টিতে চলছে আমাদের ব্লগীয় জীবন। প্রায় ২ মাস কাটালাম ব্লগে। ব্লগীয় বয়স হিসেবে দেখলে নবজাতকই বলা যায়। অনেক অভিজ্ঞ ব্লগাররা আছেন এখানে। আছেন অনেক সফল আর সিনিয়ররা। যাদের সমান হতে গেলে এখনো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। কারো সাথে চলে তুমুল ঝগড়া
। কারো সাথে তুমুল ঠাট্টা
। ২/১ জায়গায় যে মান-অভিমান চলে না তাও না
। সব কিছু মিলে ভালোই চলছে।
আজ একটা সহজ স্বীকারক্তি করতে আসা এখানে। অনেক অনেক যুদ্ধে জড়িয়েছি। অনেক অনেক প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করেছি। অহেতুক তীক্ষ্ণ শব্দবাণে যেমন নিজে হয়েছি জর্জরিত, তেমনি সুযোগে অন্যকে আহত-নিহত করার সুযোগও হাতছাড়া করিনি। তবে এতে কারো প্রতি সন্মান আর ভালবাসা বিন্দুমাত্র কমেনি। কোনদিন কমবেও না আশা করি। হয়তো জবাব দিতে গিয়ে নিজের মাত্রাকে ছাড়িয়ে যাই অধিকাংশ সময়ই। ক্ষমা করবেন সবাই। এটাই তো যুদ্ধের নিয়ম। না? যাদেরকে সব সময় কুশল জিজ্ঞাসা করা হয় তাদের তো বটেই, তারা সহ যাদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য তলোয়ার টা সব সময় খাপ থেকে বের করাই তাদের সব্বাইকে আমার স্যালুট ।
আবার দেখা হবে বস্। কোন এক কবিতার আসরে বা যুদ্ধক্ষেত্রে ।
সেই পর্যন্ত সবাইকে স্যালুট।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হ্যারি সেলডন বলেছেন:
খুদাহাফেজ।
লেখক বলেছেন: কই যান বস?
অইজ থেইকা আপনি আমার এলাকায় নিরাপদ
।
বুঝছেন তো?
মাইনুল বলেছেন:
এই চমতকার লেখার জন্য ব্লগীয় অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাইনুল বস
।
চিকনমিয়া বলেছেন:
লেকাডা ভালাই হইচে, হাচাভালা লেকা
তয় তুমি কোবরেজের লগে ক্যাচাল করচিলা
হেরে ভালা পাই
মাইনাচ
লেখক বলেছেন: মাইনাচ দিছো বস?
থ্যাংক ইউ। থ্যাংক ইউ।
লেকাটা তুমার ভালো লাগচে এইডাই বড় কতা।
কোবরেজ বসরে ছালাম দিও।
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন:
হুমমম.....ডাবল মাইনাচ=পেলাচ 
আসলেই ভাল লাগল।এখন যদিও তাড়াহুড়ো করে পড়েছি,পরে সময় করে আবার পড়ার ইচ্ছে থাকল।
লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম নিশা বস
।
লেখক বলেছেন: বস! গালি ডা ভলো দিছো।
সপ্নচারী বলেছেন:
সুন্দর সরলীকরন!!ঠিক যেন মনের কথাগুলো।পড়তে পড়তে গলা ভারী হয়ে যাওয়া একটা পোষ্ট।যত যা ই হোক,অনেক দূর থেকে এই ব্লগে এসে পাই আমার চিরচেনা মাটির গন্ধ।কিছু সময়ের জন্যে মনেই থাকেনা কতদূরে পড়ে আছি।ধন্যবাদ।প্রিয় তে যোগ হলো।
লেখক বলেছেন: বস, অনেক দূরে থাকেন বুঝি, না ভাই?
ব্লগে অসাধারন কিছু মানুষকে বন্ধু হিসেবে পান, এই প্রত্যাশা করছি।
![]()
বিবেক সত্যি বলেছেন:
পোষ্টটা জটিল লিখছেন বস
+ দিলাম...
আমার নাম-ও দেখি নিছেন ..
কেমনে কি ...
......ডট ডট ডট...বিবেক সত্যি!! আর যাবি কই!! শুরু হয় ব্লগীয় শত্রু নিধন!!..
বস, আমি কোন কোন শত্রুরে নিধন করসি, বলবেন একটু ...
লেখক বলেছেন: আপনি না করুন, আপনাকে অনেকেই করে তো ভাই।
নাকি ভুল দেখছি বস?
ত্রিভুজ বলেছেন:
তোমার ব্লগীয় ভবিষ্যত উজ্জ্বল দেখতে পাইতেসি। লাইগ্যা থাকলে বহুত বড় হইতে পারবা (ভার্চুয়াল নায়ক)। হা হাযাই হোক, ব্লগিং থেকে পড়ালেখা বেশী গুরুত্বপূর্ন... (উপদেশ না!)
তবে ব্লগ ছেড়ে দেয়া কোন কাজের কথা না। মাঝে মাঝে হটাৎ হটাৎ নদী বা গ্রাম দেখতে যাওয়ার মত ব্লগও দেখতে আসা যায়। হাজার ব্যস্ততার মাঝেও আমি যেমন এখন আসি... (আজকে অবশ্য শুধু এই পোস্টে মন্তব্য করতে ঢুকেছি...) কাজকর্ম, ব্যস্ততা, পড়ালেখা ইত্যাদি ইত্যাদি থাকবেই... তাই বলে ব্লগ সন্যাসী হওয়া লাগে না...
গুডিশ পোস্ট.... আরো গুডিশের অপেক্ষা থাকলাম....
স্টার প্লাস!
লেখক বলেছেন: শিক্ষক একটা। ![]()
জাহান৮২ বলেছেন:
খুব ভাল লাগল...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস।
েক আিম বলেছেন:
খুব সুন্দর। +
লেখক বলেছেন: বস, থ্যাংক ইউ
।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
নাহিদ মাহমুদ, আপনার সম্পর্কে একটা মিশ্র ধারণা নিয়ে চলছিলাম; আপনার পোস্টগুলো ভালো বেশ, কিন্তু আপনার করা বেশিরভাগ মন্তব্য অশ্লীলতার চূড়ান্ত। এই দ্বৈত সত্তা কীভাবে বয়ে চলেছেন জানিনা, তবে আপনার এই পোস্টটি পড়ে মনে হলো এখন থেকে আপনাকে একক সত্তায়ই হয়তো দেখবো, এবং সেটা আমাদের সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আপনার লেখার ভাষা অনেকই ভালো।
আমার ব্লগে বেড়িয়ে যাবার আমন্ত্রণ জানাই; যদিও আমার পোস্টগুলো পড়তে আপনার একেবারেই ভালো লাগবেনা, কারণ কিছু ক্ষেত্রে আমি একেবারে আপনার পুরো বিপরীত চেতনা ধারণ করি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমন্ত্রন করার জন্য ধন্যবাদ। আর অবশ্যই আমন্ত্রন রক্ষা করা হবে। পোস্টগুলোর ব্যাপারে ভালো মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। আর আমার করা কমেন্টস গুলো ক্ষেত্রে বলব হয়তো আমার পজেটিভ মন্তব্য গুলো খেয়াল করেননি। অবশ্য এটাও স্বাভাবিক। অনেক ব্লগার এখানে। আর অশ্লীলতার ক্ষেত্রে বলব, ভাই আমি এমনই। আমি আগে কাউকে গালি দেই না।তবে কেউ শুরু করলে তাকে তো ছাড় দেয়ার প্রশ্ন ওঠেনা ভাই।
অবশ্যই ভালোর সাথেই আমার সখ্যতা। কিন্তু তাই বলে যখন কঠোর হতে হবে, যখন এমন কিছু করতে হবে যা আমার ভালো মন-মানসিকতার সাথে কন্ট্রাডিকটরী তা যে করবো না তা না।
শত্রুকে সন্মান করব ঠিকই। কিন্তু তাকে বন্ধুও ভাববো না। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বিন্দুমাত্র হাত কাপবে না আমার। তবে যোগ্য শত্রু হয়ে থাকলে তার উপযুক্ত সন্মান তাকে দিতেও কখনো কুন্ঠিত হব না।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এবার নিশ্চিত হলাম যে আপনি নতুন এসেছেন । এই হাহাকারটা নতুনদের মাঝেই থাকে , তারপর কিছুদিন পরে এই পক্ষে নয়তো ঐপক্ষে দাড়িয়ে নিজেই এদের একজন হয়ে যায় ।স্বাগতম ।
লেখক বলেছেন: নতুন আমি এটা ঠিক। স্বীকার করেছি আমি নিজেই। মাত্র ২ মাস। তবে আমার মাঝে কোন হাহাকার নেই। আসলে ব্লগে এসবকিছু দেখে মজা পাচ্ছি বেশ। যা হোক, ধন্যবাদ স্বাগতম দেয়ার জন্য। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: এই তো। আপনার কি খবর?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: খুনের বদলে খুন (চুমুর বদলে চুমু)।
![]()
লেখক বলেছেন: খেক! খেক!
ফিরি দিসিলো।
পচন্দ ওইচে?
লেখক বলেছেন: খুনের বদলে খুন ।
বুইঝা শুইনা কতা কইয়ো মামু।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
দারুন লিখেছেন তো যাহোক আমার ক্ষুদ্র ব্লগে আমন্ত্রণ রইল।
লেখক বলেছেন: আমন্ত্রন গ্রহন করে খাইলাম বস।
অচিরেই আপনার ব্লগে বগবগ করতে যাওয়া হবে। ![]()
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
শুধু জানতে চাইলাম আর চেইতা গেলা মামু। মামু তাউলকা এত গরম কর কেনো ??? বি কুল ম্যান
লেখক বলেছেন: আমার এ.সি. ডা বন্ধ মামু।
তুমারে স্টিকি করলাম।
বিয়া করসো মামু? সত্যি কইরা কইবা।
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
মামু,, আমার মাইয়্যারে না বলে তুমি বিয়া করবা, হবু শাশুররে মান রাইখা কইয়ো কিন্তুক
লেখক বলেছেন: আব্বা আ - আ - আ - আ - আ - আ - আ - আ - আ।
লেখক বলেছেন: একটা মেয়েরে বিয়া দিলে একপায়ে কদমবুসি করুম।
তার বেশী না। ![]()
লেখক বলেছেন: হোক তবে দেখা।
কৌশিক বলেছেন:
এদের মানুষ করার জন্য আবার র্যাগিং চালু করতে হবে।
লেখক বলেছেন: র্যাগিং কি? আমি এগ্গুলার কিসুই বুজি নঅ।
রাজামশাই বলেছেন:
তাশরিফ রাখিয়া গেলামযুদ্ধটা হইয়াছিল মহাকবির ভালবাসাকে কেন্দ্র করিয়া।
আর কৌশিক - সে কোন ছাড় যে রাজার মুকুট লইয়া যাইবে। হা হা হা
লেখক বলেছেন: রাজা(মশা)ই, এর আগমন,
চুভেচ্চা - চাগতম।
লেখক বলেছেন: এপিস্যিউটমি কি বস?
লেখক বলেছেন:
মামুরে-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ-এ...........
চুপ!! চুপ!! ![]()
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
কুদাপেজ
লেখক বলেছেন: মাইনাস দেয়ার জন্য ধুণ্যোবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: ডানাওয়ালা পরী ধন্যবাদ
।
লেখক বলেছেন: রাতে কি খাইছেন?
লেখক বলেছেন: কোন দ্যাশে থাকেন? কি করেন?
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
এতো কিছু জানার দরকার কি ??? এভাবেই চলুক !!!
তাইলে এখনো এপিস্যিওটমি দেওনাই ????? দারুন এক্সপেরিয়েন্স !!!!!!
লেখক বলেছেন: হালকা পাতলা পরিচিত হওয়া যাইতে পারে না?
আপনার ব্যাপার।
লেখক বলেছেন: পড়াশুনা না করা।
ব্লগিং করা।
লেখক বলেছেন: কি শুনবার চাও?
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
তামিম রে মাইনাস দেয়ার লাইগা ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ইকজাম চলে বস।
দুয়া কইরেন।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত ভাই।
ওভারকন্ফিডেন্টলী মিসটেকেন।
আর হইবেক না।![]()
লেখক বলেছেন: পোলার পাংখা গজাইছে - এইডা সত্য।
কিন্তুক আপনার রিমান্ডে কাজ হইবেক না।
কারন, ঘাড় টা ত্যাড়া। ![]()
একখান ছোড ইকজামপল দেই, মেডিকেলে কোন এক ক্লাসে ভাইস প্রিন্সিপালের কোন একডা আচরন ভালো লাগেনি।
সেই থেইক্কা আইজ পর্যন্ত ভাইস প্রিন্সিপালের একটা কিলাসও করিনি।
ক্লাস পার্সেন্টেজের হিসেবে এ যাবৎ ২৩টা ক্লাস মিসকলড।
আমি ন্যায় এর পক্ষে। ইহাতে আমার কিছু হইতে পারে। কিন্তু সেইটা কোনো ব্যাপার না। আমি রাজাকারের বিচার চাই। তাই বইলা যে, চোখ-কান শাট ডাউন কইরা হাসিনারে সাপোর্ট দিমু তাও না।
আমি আমার দেশের জন্য নিজের অবস্থানে থেকে কিছু করতে চাই। নিজে সৎ থেকে আমার নিজের চাইতে আমার দেশের কথা আগে ভাবতে চাই। কিন্তু তাই বলে কোনো অন্ধ বিশ্বাস নিয়েও পথ চলতে চাইনা।
ভালো কে ভালো বলে বলাই শিখেছি। আর অন্যায়কে "না" বলা। আমার সরকারী চাকরী করা বাবা-মা আমাকে তাদের শত ব্যাস্ততার মাঝেও অন্তত এই শিক্ষাটা দিতে ভুল করেন নাই।
আমি অনেক অনেক গান শুনি। উপন্যাস পড়ি। ঘরের চিপায় ঢুইকা সারাদিন খালি লেখাপড়া করার মত গুডবয় আমি কোনো কালেই ছিলাম না। আমার বাবা ছাত্রমৈত্রির জি.এস. ছিলেন। উনার সুবাদেই কার্ল মার্কস-লেনিন মতবাদের অনেকটাই জানা। আমার ২চাচা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আমার এক চাচা মারা গেছেন যুদ্ধের সময় (উনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না, কিন্তু যুদ্ধের সময় আমাদের পরিবার কে লুকিয়ে এখানে সেখানে থাকতে হয়েছে স্বাভাবিক কারনেই। তখন বিনা চিকিৎসায় মারা যান আমার এই চাচা)। সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমার মধ্যে নাই- এমন টা ভাবার কোনোই কারন নেই। আর আমার চাচাত ভাই এখনো শাহজালাল ইউনিভার্সিটির শিবিরের দায়িত্বশীল। আমি শিবিরকেও জানি।
আর আমার নিজেরই পলিটিকাল মারামারিতে ইনজুরড হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে। খুব বেশীদিন হয়নি। নিজেও দলের প্রয়োজনের তাগিদে যোগ্যতা না থাকাও সত্ত্বেও ছোট-বড় দায়িত্ব পালন করেছি বা করছি। শুধু বাবা-চাচাদের কাছে থেকে শুনেই না, নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই সব পলিটিক্যাল দলকে কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। কখনো আনন্দঘন পরিবেশে। কখনো বা সম্পুর্ণ বিপরীত ধরনের পরিবেশে।
৭১ এর রাজাকারদের অবশ্যই ঘৃণা করি। যারা ৭১ এর আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধকে "গৃহ যুদ্ধ" বলেন তাদেরকে "থু" দেই। প্রাণভরে "থু" দেই। ৭১ এ নির্য়াতিতাদের সংখ্যা কত এই টা নিয়ে যে যে পরিসংখ্যানবিদরা পরিসংখ্যানের ধারের কাছেও যান। তাদেরকেও আমি 'থু' দেই। বুক ভরে 'থু' দেই। পরিসংখ্যানের সংখ্যা দিয়ে কথা বলতে গিয়ে আমরা নিজেদের জাতি হিসেবে কতটা ছোট করে ফেলছি, তা কি আমরা একবারো ভেবেছি?
কিন্তু তাই বলে চোখ-কান বন্ধ করে ধর্ষনের সেঞ্চুরী করা নেতাকে আমি আমার নেতা বলে মেনে নেব? যদি সে প্রগতিশীল ছাত্র সমাজ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহনকারী দল থেকে নির্বাচিত হয়, তারপরও কি আমি তাকে নেতা বলে মাথায় তুলে নাচব? জামাত খারাপ। তাদের কিছু নেতা আমাদের স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থানে ছিলেন ৭১ এ। কিন্তু এই জামাত এর সাথেই তো ১৯৯১,১৯৯৬,২০০১ এ আওয়ামী লীগ বি.এন.পি. জোট বেধেছে। এখন বলুন আমি কোন যুক্তিতে আওয়ামী লীগ বা বি.এন.পি. কে বিশ্বাস করব? সুতরাং দল না। ব্যক্তিকে দেখতে চাই।
চাই যোগ্য ও সঠিক নেতৃত্ব। চাই সততা। চাই ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার সৎসাহস। সেইটা যেখান থেকে আসবে আমি তার নেতৃত্বেই কাজ করতে চাই। নেতা যদি সাবের হোসেন চৌধুরীর মত হন তো আমি কেন আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট দেব না? নেতা যদি হন মাহবুবুর রহমান এর মত(যদিও তিনি নানা কারনে এখন বিতর্কিত কিন্তু মানুষ হিসেবে সৎ, ব্যক্তিগত পরিচয় থেকে বলছি) কেন আমি বি.এন.পি. কে সাপোর্ট দিব না? কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য একজন মাহবুবুর রহমান বা একজন সাবের হোসেন চৌধুরীর মত নেতৃত্বকে আমরা দলীয় ভুল অবস্থানের জন্য ঠিক সেইভাবে কখনোই পাইনি যেভাবে আমরা তাদের পেতে পারতাম বা তারা আমাদের দিতে পারতেন।
আর তাই তো একজন হাসান মশহুদ চৌধুরীকে (আমার এটা ভাবতে খুবই গর্ব লাগে যে এই অসাধারন মানুষটির কাছে থেকে ক্যাডেটকলেজে আমার ২বার পুরস্কার নেয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল) দেখে আমাদের আফসোস হয় এট ভেবে যে, "ইশ!! আমাদের নেতারা যদি এমন হতেন!!"
আজ এত কথা বললাম, নিজের অবস্থান পরিস্কার করার জন্য। রাজনৈতিক অন্ধত্ব আমার পছন্দ না। আবারো বলছি,
চাই যোগ্য ও সঠিক নেতৃত্ব। চাই সততা। চাই ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার সৎসাহস। সেইটা যেখান থেকে আসবে আমি তার নেতৃত্বেই কাজ করতে চাই।
চিকনমিয়া বলেছেন:
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন : +
লেখক বলেছেন: ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২৫ চিকনমিয়া বলেছেন: লেকাডা ভালাই হইচে, হাচা
ভালা লেকা
তয় তুমি কোবরেজের লগে ক্যাচাল করচিলা
হেরে ভালা পাই
মাইনাচ
..................................................................................................
০১ লা মে, ২০০৮ রাত ৩:২০ চিকনমিয়া বলেছেন: সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন : +
..................................................................................................
নাটক কম করেন। দ্বিমুখী আচরনকে ঘৃনা করি আমি।
চিকনমিয়া বলেছেন:
না পুলাডা ভালা,
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মাইনাসের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভালো করছো। রাতের ঘুমডা ভালো হইবো তো?
লেখক বলেছেন: দিতে থাকেন। স্টকে মাইনাসের আকাল পড়লে বলবেন। আপনার হয়ে আমিও দিয়ে দেব।
অন্ধকার বলেছেন:
চমৎকার...! গো এহেড ম্যান...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: এইতো। আপনার কি খবর?
লেখক বলেছেন: ব্যানাইছে কেন?
অনেকদিন সেই নিকে দেখি না।
লেখক বলেছেন: আমার কোন গরূ
রে নিয়া লোল ফালাইচো?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তামিম ইরফান বলেছেন:
তুমারে একটা জানোয়ারের নাম শিখামু..।ঠিকাছে....।রাজাকার....।
মুখস্থ কইরা প্রতিদিন ১০ বার লেখবা.....
আলো বলেছেন:
তাই
বিবেক সত্যি বলেছেন:
কি খবর ? আবার দেখা করার সময় কি হলোনা ? আসেন, কবিতার আসর বসাই ..
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
গেলেন কোথায়? আপনের দোস্তরা তো আছে... চইলা আসেন ভাই।
ত্রিভুজের সাথে কিছুটা একমত। বলা উচিত ছিল "লেখক ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।"
শত ব্যস্ততার মাঝেও লেখা লেখি চালানোর অনুরোধ রইল। অসম্ভব গতিশীল লেখার হাত। আবিষ্ট করে রাখে পাঠকদের।
ত্রিভুজ বলেছেন:
নাহিদ, অনেকদির পরে অনলাইন দেখতাছি.... নতুন পোস্ট দিয়া ফেলো একটা...উম্মু আবদুল্লাহর সাথে একমত... শত ব্যস্ততার মাঝেও লেখা লেখি চালানোর অনুরোধ রইল। অসম্ভব গতিশীল লেখার হাত। আবিষ্ট করে রাখে পাঠকদের।
লেখক বলেছেন: শিখছি।
এখনো শিখছি।
লেখক বলেছেন: যেখানে মেধার ব্যবহার আছে সেখানেই আমাকে পাবেন ব্রাদার।
মাঝেমাঝে অনিয়মিত হয়ে পড়ি নিজের প্রয়োজনে।Specificly বলতে গেলে, নিজেকে প্রস্তুত করার প্রয়োজনে।
সাইফুর বলেছেন:
কি খবর?
লেখক বলেছেন: এই তো। আপনার কি অবস্থা?
সাইফুর বলেছেন:
ভালোই..আপনি পোষ্ট লিখুন..
লেখক বলেছেন: হুমম। চিন্তা ভাবনা আছে। টপিক খুজছি। ব্যাটে-বলে লাগার প্রতিক্ষায় আছি।
আপনার সাথে আগে পরিচয় হয়েছিল?
সাইফুর বলেছেন:
না
লেখক বলেছেন: হ ভাই। আইসা পড়লাম আবার।
কেমন আছেন?
বিবেক সত্যি বলেছেন:
স্বাগতম ভাইজান.. একটা পোষ্ট লিখ্যা তারপর কমেন্টাইতে শুরু করেন..
ত্রিভুজ বলেছেন:
ওয়েলকাম ব্যাক নাহিদ....
৩৯ নং মন্তব্যের জবাব'টা একটা পোস্ট হওয়ার যোগ্যতা রাখে.. ঐটারে আলাদা পোস্ট হিসেবে প্রকাশ করে ফেলো.... থাম্বস আপ!
অ্যামাটার বলেছেন:
বাহ্!এই মহাকাব্যিক লেখাটা আমি দেখলাম দেড় বছর পর?!! (ঠিক মনে পড়ছে না, আগে দেখেছি কি-না, দেখলে তো মন্তব্য না করে যাওয়ার কথা না)।
ঠিক এইরকম একটা মাষ্টারপিস ব্লগনামা লেখার ইচ্ছা ছিল অনেকদিনের, কেন যেন পেরে উঠি না।
প্রতিটা লাইনই মনেহচ্ছে নিজের কথা!
১৭মাস পার হয়ে গেলেও লেখাটা আবেদন হারায়নি একটুও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















