আমার প্রিয় পোস্ট

সভ্যতার প্রান্তে দাঁড়িয়ে পিছু ফিরে চলেছি

ফিউশন ফাইভ - অন্যর পিঠে কাঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছেন কেন?

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

যেদিন থেকে জব্বার সাহেব তার ঐতিহাইক লেখাটি পোস্ট করলেন সেদিন থেকেই বাংলা কমুনিটি বল্গ সাইট গুলোতে একরকমের আলোড়ন তৈরি হলো। হওয়াটাই খুব স্বাভাবিক। বাংলা কমিউনিটি ব্লগ সাইটের সংখ্যা এখন নেহায়েত কম না, এবং ইউজারের সঙ্খাও বেশ। বেশ কিছুদিন পুর্বে একটা লেখায় পরেছিলাম বাংলাদেশে বিকল্প মিডিয়া হিসাবে ব্লগ সাইটগুলোর প্রভাব দিঙ্কে দিন দিন বাড়বে এবং এই মুহুর্তে তারা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার উপরে একরকমের পর্যবেক্ষকের ভুমিকা পালন করছে। কথাগুলো যে সর্বাংশে সত্য বিভিন্ন ঘটনাতেই টের পাওযা যায়। মিডিয়া এখন যা খুশি তাই লিখতে পারেনা। জব্বার সাহেবের ঘটনাটি হল সর্বশেষ উদাহরন।

আমাদের এই বল্গের প্রভাবশালী ব্লগার ফিউশন ফাইভ জব্বার সাহেবের এই অশ্লীল মিথ্যাচারকে প্রথমেই অভিহিত করলেন 'ফ্যাসিজম হিসাবে'। তারপরে যে সব ব্লগার জব্বার সাহেবের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বললেন তাদের লেখাকে উনি বললেন 'নারকীয় উল্লাশ'। কিছু কোটেশন তুলে দিলে ব্যাপারটি আরো পরিস্কার হবে।

'মূলধারার গণমাধ্যম- না সংবাদপত্র, না টেলিভিশন, না রেডিও কোথাও কোনো আলোচনা নেই। অথচ শ্রেফ একটা হুজুগে পড়ে আমরা এখন দিনরাত কাটিয়ে দিচ্ছি একটা সাধারণ সফটওয়্যারের পক্ষে ছেলেমানুষি করে। অভ্র নিয়ে বর্তমানে ব্লগে যা কিছু হচ্ছে, তা হচ্ছে শ্রেফ ফ্যাসিজম, জোর করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা, ধরে বেঁধে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের পক্ষে প্রচারণা। ব্লগে গতকাল জোর করে করে প্রোফাইল পিক পরিবর্তন করার একটা চেষ্টা দেখেছি। সেটা সফল হয়নি। এরপর দেখলাম, ব্লগের ব্যানার পরিবর্তনের জন্য কেঁদে কেটে গা ভাসানোর হাস্যকর প্রদর্শনী। সামহোয়্যারকে ধন্যবাদ এই কারণে, তারা চলতি হুজুগে গা ভাসায়নি। কোথাকার কোন্ পাঠকবিহীন ব্লগ বা ফোরাম তাদের ব্যানার পরিবর্তন করেছে কি করেনি, সেটাই কেন সামহোয়্যারকে করতে হবে? বিজয়ের মতো একটি মেধাসম্পদের বিরুদ্ধে ব্লগে যে হারে কুৎসা, যে পরিমাণ অপপ্রচার করা হচ্ছে, এককথায় সেটা খুবই বেদনাদায়ক। অভ্র শেষপর্যন্ত একটি সফটওয়্যারই। কম্পিউটারে বাংলা লেখার ক্ষেত্রে সত্যিকারের বিপ্লব এনেছে বিজয়ই- ব্লগে হাজার হাউকাউ করলেও এই কৃতিত্ব এতোটুকু ম্লান হবে না। আর ব্লগে আমরা ইউনিকোডে যে লিখতে পারছি, তার জন্য সিংহভাগ কৃতিত্ব পাবেন হাসিন। আসলে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, অভ্রের বিপক্ষে কথা বললেই তাকে বোধহয় রাজাকার কিংবা ছাগু সাব্যস্ত করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র' এই কমেন্ট তিনি করেছেন ব্লগার গুরুভাই এর একটি লেখায়। ওই লেখায় তিনি আরো বলেছেন ' ব্লগে হাউকাউ করে, প্রোফাইল পিক চেঞ্জ করে, ব্যানার-ট্যানার লাগিয়ে কি পাইরেসির অভিযোগ খণ্ডন করা যায়? এইগুলো একধরনের অসুস্থতার বহিঃপ্রকাশ। স্রোতের বিপরীতে থাকাই ভালো। স্রোতের পক্ষে থাকার প্রবণতা, যেদিকে বৃষ্টি সেদিকে ছাতা ধরার অভ্যাস ভালো নয়, ওটা সুবিধাবাদিতা এবং স্পষ্টতই প্রতিক্রিয়াশীলতা। '

এর আগের দিন যখন সবাই একে একে অভ্র এর পাশে দাড়াচ্ছিল তখন উনি লেখাজোকা শামীম ভাই এর পোস্টে বলছেন 'শামীম, আপনি একটা ব্যাপার খেয়াল করছেন কিনা জানি না, অভ্রের প্রতি এই হুজুগ ফ্যাসিজমের দিকে টার্ন নিচ্ছে। মোস্তফা জব্বার যতো খারাপই হোন না কেন, বিজয়ের মতো একটি মেধাসম্পদ, যা ৯৮ ভাগ বাঙালিকে কম্পিউটারে বাংলা লেখার সুযোগ করে দিয়েছিল এবং দিচ্ছে, তাকে তুচ্ছ ও হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আমাদের কী নারকীয় উল্লাস! অদ্ভূত লাগে, যখন দেখি ব্লগাররাই এসব করছেন। ব্লগারদের আমি অগ্রসর মানুষ হিসেবে বিবেচনা করি।'

তারও আগে সিউল রায়হানের একটি পোষ্টে আপনি জানিয়েছেন আপনার কিছু কনফিউশনের কথা। তামাম বান্দাদের কোন কনফিউশন না থাক্লেও আপনার থাকল যেটির উত্তর রাগিব ভাই সুন্দর করে দিয়েছেন 'আমার মতে বিজয় নিয়ে যে ব্যবসা মোস্তফা জব্বার গড়ে তুলেছেন, তাতে সমস্যার কিছু নেই। বরং সফল বাংলাদেশী সফটওয়ার প্রতিষ্ঠান হিসাবে সেটা বেশ ভালো কাজ করেছে। বিজয় এর প্রোগ্রামিং অন্যরা করলেও তার অর্থায়ন ও বাজারজাতকরণ মোস্তফা জব্বার করেছেন, ব্যবসায়ী হিসাবে তিনি সফল। কিন্তু সমস্যাটা হলো মোস্তফা জব্বার যখন তার মনোপলি ধরে রাখার জন্য অন্য সব ডেভেলপারদের হুমকি দিতে থাকেন। বিজয়ের দাম ১০০ না ৫০০ টাকা সেটা এখানে বিষয় না। বিষয় হলো মোস্তফা জব্বার মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে অভ্রকে পাইরেটেড বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, কপিরাইট/প্যাটেন্টের জুজুবুড়ি দেখিয়ে ইউনিজয় লেআউটের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন। এটা নতুন না। এর আগেও তিনি মাঞ্চুমাহারা ও বিপ্রর আমাদেরপ্রযুক্তি ফোরামকে সম্ভবত হুমকি দিয়েছেন। বাংলা কম্পিউটিং এর উপরে রিপোর্টে অভ্রর কথা লেখায় সাংবাদিক বিপ্লব রহমান ভাইকে ঝাড়ি দিয়েছেন। এই আচরণগুলো মোস্তফা জব্বারের অন্য সব অবদানকে ছাড়িয়ে গেছে। আর সেই সাথে তিনি নিজেকে বাংলা কম্পিউটিং এর প্রবক্তা বলে দাবি করেন, অথচ বাংলা কীবোর্ডের দিক থেকে বিজয় ৪ নম্বর মাত্র (তাও বাংলাদেশেরটা হিসাব করলে)। ব্যবসায়িক স্বার্থে মোস্তফা জব্বার এর আগে ইউনিকোডের বিরোধিতাও করেছিলেন (সম্ভবত কম্পিউটার জগতে তার সেই "ভারতীয় বাংলা" ঢুকে যাবার ভয় দেখানো লেখা পড়েছিলাম)। যে যার ইচ্ছা সেটা ব্যবহার করবেন, এটা আমারও মত। বিজয় আর অভ্র -- দুটোই সফটওয়ার, একটা ফ্রি আরেকটা পয়সা লাগে বলে কোনোটা কারো চেয়ে মহৎ, এমন না। কিন্তু মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার গ্রাম্য রাজনীতি কৌশল -- জব্বার সাহেবের সাম্প্রতিক লেখা ও অনলাইনের আচরণে সেটাই প্রকাশ পাচ্ছে।'। প্রকারন্তরে ওগুলা আপনার কনফিউশন না, আপনি নতুনের উত্থান কে মেনে নিতে নে পারার কস্ট। আমি জানিনা এই কস্টের উতস যদি হয় বিজয়ের প্রতি আপনার ভালোবাসা কারন ওটা দিয়ে আপনি শুরু করেছেন, তাহলে বলতে হবে আমরা তামাম আমজনতা আসলে মহা বেকুব ছাড়া আর কিছু না। কারন আমরা শুরু করেছিলাম হটমেইল থেকে, সবাই অথবা বেশীরভাগ এখন জিমেইল অথবা ইয়াহু এর ইউসার। মোদ্দা কথা যে বেশি ব্যাবহার বান্ধব সুবিধা দিতে পারবে তার কাছেই সবাই যাবে। অভ্র আর বিজয়ের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে।

- আপনি বলেছেন ৯০ ভাগ ইউসারের বাংলায় হাতেখড়ি হয়েছে বিজয় দিয়ে। কই পেয়েছেন এই উদ্ভট তথ্য। বিজয়ের ভয়ে বাংলা টাচ করেনি এমন ইউজার ৯০ ভাগ হতে পারে।

- আপনি বলেছেন আমরা নারকীয় উল্লাশ করছি। নারকীয় উল্লাশের মানেটা কি একটু জানাবেন জনাব?

- আপনার কাছে মনে হয়েছে আমরা ফ্যাসিবাদি আচরন করছি। ফ্যাসিবাদের মানে জানেন তো? না জানা থাকলে একটু সার্চ দিয়ে জেনে নিন তারপরে আপনার পার্বত্য চট্টগ্রামের উপরে পোস্টটা নিজে আরেকবার পরেন। ফ্যাসিজম কি মনে হয় পরিস্কার হবে মাথায় যদি গ্রে ম্যাটার বলতে কিছু থাকে। উপরন্তু অন্যান্য ব্লগ সাইট নিয়ে বলেছেন 'কোথাকার কোন পাঠকবিহিন সাইট'। এতটা দম্ভ ভালোনা ফিফা। আপনাদের এই দম্ভের কারনেই আজ এতগুলো সাইট। তাদের পাঠকও আছে। আপনার কথা যেনো একজন ফ্যাসিবাদি শাষকের কন্ঠ, যেমনটা আমরা শুনতাম পাকিস্তান আমলে। এইরকম কথা বলেছিলেন প্রয়াত অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান সাহেব বাংলাদেশের প্রথম রাস্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল সাহেব কে উদ্দেশ্য করে 'কোথাকার কোন নজরুল?' ।

- আপনি বলেছেন প্রফাইল পিকচার পাল্টানোর জন্য নাকি জোর করা হচ্ছে। আগের প্যারাতে গ্রে ম্যাটার এর কথা এই জন্য বলেছি, কারু মাথায় যদি মাগুর মাছের সমান ঘিলু থাকে সে জানে একজনের পিকচার আরেকজন চেঞ্জ করতে পারেনা। জব্বার সাহেবের অবৈধ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে, বাংলা ভাষাকে সবার কাছে পৌছে দেবার জন্য যেসব তরুন তুর্কিরা খেটে জাচ্ছে তাদের সাথে ব্লগারগন একাত্ম হয়েছে। কেউ কাউকে জোর করতে পারেনা।

অভ্র এর কারনেই বাংলাভাশায় গত দুইবছরে ইন্টারনেট জগতে নীরব বিপ্লব ঘতে গেছে। সেটা কি আপনি টের পাননি ফীফা? ব্লগার রাগ ইমন এর একটা কথা টেনে দিলে ভালো হয় 'অভ্রের অবদান যে কি আর কতখানি সেইটা নিয়ে অভ্র টিম কোন রিসার্চ করার দরকার বোধ করে নাই কিন্তু আমার মনে হয় করা উচিত । একটা বিনামূল্যের সফট ওয়্যার নিরবে , একেবারেই মূল্যায়নহীন কেমন করে বদলে দিয়েছে ওয়েবে বাংলার , বাংলাদেশের জগৎ , সেইটা যারা অভ্র ব্যবহার করেন তারা জানেন , ভাষা ব্যবসায়ীর মোজোর পক্ষে সেইটা বুঝা সম্ভব না । আমি দেখেছি , হয়ত অনেকেই নিজ নিজ পরিবারে দেখেছেন, আমার পরিচিত জনদের বিজয় লে আউট শিখতে আর মনে রাখতে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করেছেন। আবার বিপরীতে দেখেছি আমার অফিসের ৫০০ স্টাফ কি সহজে আর কত দ্রুত অভ্রকে আপন করে নিয়েছেন।' http://www.somewhereinblog.net/blog/ronybest/29138634

আমার নতুন করে অভ্র নিয়ে কিছু বলার নেই। যেটুকু আছে তা হোল আপনার বুজতে হবে আমরা আজ যারা অভ্র এর গুনগান গাচ্ছি, ভালো কোন সফটয্যার পেলে আমরা আবার সুইচ করব। এটাই স্বাভাবিক। আপনি এই সহজ সত্যতাকে কেনো মেনে নিতে পারছেন না? কেউ জব্বার সাহেবের বিজয়ের অবদানকে আস্বিকার করছেনা। বিজয়ের হাজারো ত্রুটির পরেও পথপ্রদর্শক হিসাবে তার আলাদা সন্মান ছিল। কিন্তু ইউজাররা তার ভাষা নিয়ে তার দাদন ব্যাবসার নিন্দা করছে আর স্বাগতম জানিয়েছে নতুনকে। আর স্রোতের বিরুদ্ধে থাকতে গিয়ে সেই দাদন ব্যবসাকে তাল দিচ্ছেন আপনি সাধারন ব্লগারদের বিরুদ্ধে বিষেদ্গার করে। আপনারও নিম্ন রুচীর মানসিকতা পরিস্কার করে দিয়েছেন সবার সামনে। আমার তো মনে হয় ইলেকশন কমিশনের ৫ কোটি টাকা হারানো নিয়ে জব্বার সাহেবের থেকে আপনার দুক্ষটাই বেশী।

শিরোনামে বলেছিলাম অন্যোর পিঠে কাঠাল ভাংছেন কেন? মানে নিজে কোন পোস্ট না দিয়ে বারবনিতার মত এর পোস্টে ওর পোস্ট গিয়ে বিশাল সব মন্ত্যব্য করে আসছেন। আমি জানি অসহ্য বেদনায় আপনি ছটফট করছেন [কমেন্ট পরলেই পরিস্কার হয়], তো নিজে কিছু লিখুন না এই ব্যপারে।

আপনার শুভবুদ্ধির উদয় হোক এই আশা করা মনে হয় বৃথা। তাই করতে পারলাম না বলে দুক্ষিত।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: হক বেহক জানিনা ভাই। আদ্যপান্ত ওনার আচরন ছিল লক্ষনীয় রকমের ব্যাতিক্রম।

২. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১০
আমি এবং আঁধার বলেছেন: উনি মূলত এটেনশন সীকার। কাজেই অবাক হইনি। পোস্টে প্লাস।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১৮

লেখক বলেছেন: উনি যে রোগেরই স্বিকার হোন না কেন একটা পোস্টে উনাকে বলসেছিলাম যা বুঝেন না তা নিয়ে ম্যাতকার না করাই ভালো। কিন্তু উনি করাই যাবেন। এখন পাইরেসি, অপেন সোর্স, ফ্রী সফটওয়ার নিয়ে কথা বলছেন। আমরা যে যা বুঝিনা সেটা নিয়া কথা না বলাই ভালো। তবে বিরক্তি তৈরিতে ইদানিং তুলনাহীন হয়ে জাচ্ছেন।

৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১৬
টেকি মামুন বলেছেন: যদি এই ধরনের কথা বলে থাকেন তাহলে তিনি অজ্ঞাতার বশত বলেছেন বলেই মনে হয়।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: এতা অজ্ঞতার কোন বিষয় না। খুব সোজা জিনিস। ভাষা হোক উন্মুক্ত - এটা একটা অধিকারের স্লোগান। এতা কাউকে প্রমোট করার জন্য নয়। অথত সেই সহজ কথাটা উনি বুজছেন না। আর উপরের কমেন্তে বলাই আছে উনি মুলত এটেনশন সীকার।

৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৬
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন: আমি একটা বেফাস কথা বলি ? না থাক....

শুধু একটু বলি

এই ভদ্রলোক টের পাইসে যে কাগুর পক্ষে পোস্ট দিলে তার উপর গদাম পরবে । এমনিতেই বেচারা পঞ্চ সাহেব একটু ঠান্ডা state এ থাকার চেস্টা করতেসে , কিন্তু ব্লগার দের এই অভুতপুর্ব ঐক্য দেইখ্যা কাগুর জন্য কিছু না বলেও থাকতে পারতেসে না। বেচারা ......

তবে এইবার কোন লাভ নাই, একটা কথা তাকে বুঝতে হবে, আমি এবং আমরা অভ্র এর পক্ষে , আমাকে কেউ জ়োর করে বলে নাই, কাউকেই বলে নাই, আমার বাংলা লেখার জন্য যার কাছে চিরঋনী ,আমি তার পাশে আছি, সবাই আসবে, আমার উদ্দেশ্য অভ্র এর পাশে দাঁড়ানো , তার জন্যি কাগুর ভুল এর বিরোধীতা
ফিফা পোস্ট দিলে গদাম খাবে , আমি নিজে পোস্ট কম দেই , অনেক ঝামেলা, কিন্তু অভ্র নিয়ে কিছু হলে জ্বলবে আগুন কাগুর ঘরে
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: প্রথম দিনে যেখানে রাগিব ভাইয়ের উদাহরন তা দিলাম অখানে উনি বেশ চুপচাপ। ধারনা করতে পারেন নি মানুষ আসলে শৃঙ্খল্মুক্ত থাকতে চায়। সেই রাতেই যখন এক রকম ব্লগিয় বিপ্লব ঘটে গেল, ৪/৫ বছরের পুরনো ব্লগাররা পর্জন্ত তাদের পিক চেঞ্জ করে একাত্মতা প্রকাশ করলো তখন আর মাথা ঠিক রাখতে পারলেন না। আমরা হয়ে গেলাম ফ্যাসিবাদি আচরনের প্রতিক, নারকিয় উল্লাশের প্রতিক। অথচ সব জায়গায় বলেছি বিজয় পথপ্রদশক হিসাবে তার জায়গায় থাকুক। যদি সে নিজেকে উপডেট না করে অন্যরা এসে তার জায়গা নিবে। হয়ত কিছুদিন পরে অভ্র এর এই সম্যস্যা হবে। তখন আমরা অন্য দিকে যাব। আম্রাতো এটও স্বকার করছি অভ্র ফ্রি সফটওয়ার কিন্তু এর কোড উন্মুক্ত না। য়াজকে ইন্তারনেটে বাংলার যে প্রসার সেটা আজীবন স্বপ্নই থেকে জেত বা ২৫ বছর পরে সম্ভব হত যদি অভ্র না থাকত। আমি নিজে কোন্দিন বাংলা লিখব এই আশা করিনি। ৯০ ভাগ ইউসার যারা এখন বাংলা লেখেন এটা অভ্র এর অবদান এইটুকু স্বিকার করতে এতো হীনমন্যতা কেন?

৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৭
রাতপ্রহরী বলেছেন: অতীব সত্য ।।
কিছু মানুষ অােছ বুঝুক অার না বুঝুক জ্ঞানগর্ভ মার্কা কথা বইলা অারেকজনের সমালোচনায় উস্তাদ, এরা নিজেরাও অাসলে জানে না কোন/কিসের পক্ষে কথা বলতােছ।

পোষ্টে বিশাল প্লাস............
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: ঠিক

৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৮
অদ্ভুত বলেছেন: হায় ঈশ্বর! বলেছেন: হক কথা
৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩০
রাজিবুল ইসলাম বলেছেন: আমি ভাই সেই মুনির থেকে শুরু করেছি। তারপর বিজয় শিখলাম এখন অভ্র এর পরে আরো কিছু এলে সেটা শিখবো। এখনও তিনটাই সমান তালে হাত চালাতে পারি। এইক্ষেত্রে আমার বিজয়ের প্রতি কিছুটা দূর্বলতা আছে কারণ অনলাইনে লেখালেখি ছাড়া আমার অধিকাংশ কাজ আমি এখনও বিজয়েই করি। কই তার পরেও তো মোস্তফা জব্বারের প্রতি সমর্থন মন থেকে এলো না। কেননা এটা বাংলা ভাষার বিষয় যেখানে মোস্তফা সাহেব মানবতার বিষয়টি ভুলে গিয়ে শুধু ব্যবসায়ি দৃষ্টি ভঙ্গি দেখিয়ে তার পরের প্রজন্ম কে অনদ্ধকারে রাখতে চাচ্ছে। যা কে কখনই সমর্থন করা যায় না। ফ্যাসিবাদ ট্যাসিবাদ এত কিছু বুঝি না। তবে কয়েকদিন যাবত বগ্ল গুলিতে যে হারে এ বিজয়ে মোস্তফা জব্বারের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে তাতে আমার ভয় হচ্ছে লোকজন আমাদের সবাইকে আবার মোস্তফা জব্বারের মত সার্থবাদী না মনে করে। তাই মনে হচেছ এ বিষয়টি এখন থামা দরকার।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাই সবার ই স্বপ্ন থাকে নিজের ভাষায় লেখার। আমরা যারা প্রফেশনালী বাংলা লেখার উপরে নির্ভরশীল না, তাদের জন্য অভ্র জাস্ট একটা বিপ্লব। জব্বার সাহেব ৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন পরিচয়পত্র প্রদানের প্রকল্পতে। সরকার বিনামুল্যো অই কাজ সেরেছে অভ্র দিয়ে। সেখানে মেহেদির সাফ কথা 'দেশের ৫ কোটি টাকা অন্য কোথাও লাগুক'। জ়ব্বার সাহেবের ভাষার প্রতি এতো দরদ থাকলে দিত একবারে জন্য ফ্রি, স্কুল, কলেজ, উনিভার্সিটিগুলোতে একটা করে ফ্রি ভার্সন। কখোনও ত শুনলাম না। উনি ভাষাকে নিয়ে ব্যাবসা করেছেন।

৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৪
সাধারণমানুষ বলেছেন: ব্যাপারটা হল আমাদের মাঝে অনেকে আছেন যারা অনেক কষ্ট করে বিজয় শিখেছেন এবং শুধু তাতেই লিখতে পারেন যেহেতু কষ্ট করে শিখেছেন তাই বিজয়ের প্রতি তাদের ভালোবাসা অন্যরকম। এরা স্বাভাবিক ভাবেই অভ্র কে দেখতে পারবেন না কারণ অভ্র আমাদের মত পাবলিক যারা বিজয় এর লেআউট দেখলেই দৌড় মারতাম তাদের কে সাচ্ছ্যন্দে বাংলা লেখার সুযোগ করে দিয়েছে। অতএব বিষয়টা আশা করি এইখানে পরিস্কার । আর মোস্তফা জব্বারকে পচানোর ব্যাপারে বলব তিনি নিজেই তাকে পচানোর সুযোগ দিয়েছেন আমরা সেই সুযোগ কেন ছাড়বো ???

ফিফার প্রতি আমার আলাদা সন্মান ছিলো,যাই হোক যে যা খুশি বলুক আমরা এক ভাবে অভ্র এর সমর্থনে থাকলেই হল।

আমি চাই ভাষা হোক উন্মুক্ত।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ভাষা হোক উন্মুক্ত এটাই মোদ্দা কথা।

পৃথীবির সবাই কিনে টাইপ করতে পারে, আমরা করবোনা।ব্যাবসা আর আবেগ এক না। মেহেদীদের আবেগ আজ আমাকে বাংলায় মনের কথা লিখতে সিখিয়েছে। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবনা তো কার কাছে থাকব? তেম্নী কৃতজ্ঞ জব্বার সাহেবের কাছেও শুরুটা করানোর জন্য। কিন্তু সেই সন্মান্টুকু উনি রাখতে পারলেন কই?

৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫০
শ্বেত সওদাগর বলেছেন: উনি মনে হয় স্রোতের বিপরীতে থাকতে পছন্দ করেন।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: স্রোতের বিপরীত জিনিস কী উনি সেটা বুঝেন তো? বুঝলে তো বিজয়ের ম্যাতকার শুনতে হোতনা।

১০. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৫৬
ক্ষেতমজুর বলেছেন: ফিউশন ফাইভের কমেন্টগুলো পড়ে তাকেও মুস্তাফা জব্বারের মতই বিকারগ্রস্থ মনে হচ্ছে।

সেই জন্যেই বুঝি বলা হয়, রতনে রতনে চিনে।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: ঈই ব্লগে উনি জব্বারের মতই আচরন করেন। আর এই ইস্যুতে উনি জব্বার যেভাবে অভ্রকে এগিয়ে নিতে সাহাজ্য করেছে, উনিও জাস্ট ওইভাবে সবার কাছে অভ্র এর নাম পৈছে দিছেন। ওনাকে ধন্যবাদ দিতেই হয়

১১. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০২
রাজিবুল ইসলাম বলেছেন: আমার কিন্তু তার এই ভাষা নিয়ে ব্যবসায়িক দৃষ্টি ভঙ্গিটাই চরম আঘাত দিয়েছে। আর আমার আগের মন্তব্যের শেষে আমি কথাটি বলেছি তার একটি ব্যাখা দেই। আজ সকাল থেকে বাংলাদেশে প্রকৃত কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুজে বের করার অনেক চেষ্টা করলাম কোথায় এই তথ্যটা পেলাম না পেলে হয়ত ব্যখাটা ভালো দিতে পারতাম। যাই হোক আমার দেখার দৃষ্টি থেকে যদি বলি বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের ৩০% লোক ইন্টারনেট ইউজ করে। আবার এই ৩০% এর ধরে নিলাম ২৫% লোক সামাজিক ওয়েবগুলো ভিজিট করে কিংবা এগুলো লেখালেখি করে, এদের মধ্যে আবার সাবাই মনে হয় না অভ্র ব্যবহার করে। ধরে নিলাম ১% লোক অভ্র ব্যবহার করে না। তাহলে ২৪% থাকলো। আর বাকী ৭০% মধ্যে ধরে নিলাম ৩০% বাংলায় লেখা লেখি করে না। বাকী যে ৫০% রইল এদের কিন্তু অভ্র সম্বন্ধে তেমন কোন ধারনা নেই এরা বিজয়ের উপর নির্ভরশীল। আমার এই বিশ্লেষন টা জব্বার সাহেব কিন্তু আরো ভালো জানেন এবং তিনি এই ৫০% টার্গের করে এই কথা বুঝাতে চাচ্ছেন অভ্র একটি পাইরোয়েট সফওয়ার।

এখন চিন্তা করে দেখুন আমরা যদি শুধূ কমিউনিটি ব্লগ গুলোতে এ নিয়ে চিল্লা চিল্লি করতে থাকি তাহলে এই ৫০% কাছে কোন ভাবেই কিন্তু পৌছতে পারবোনা তারা কিন্তু পত্রিকায় পড়ে ধরেই নিবে জব্বার সাহেব যা বলেছেন তা সঠিক।

তাই আমার মতামতা কম্পিনিটি ব্লগগুলো যারা ভিজিট করে তারা এ বিষয়ে সব সময় সচেতন এবং জানে ফিফার মত হয়ত দুএকজন ছাড়া এখন আমাদের এই ব্লগ গুলো তে চিল্লা চিল্লি না করে এই ৫০% টার্গেট কার কি উচিত নয়।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: কমুনীটি ব্লগের প্রভাব এখন বেশ শক্ত। গত এলেকশনের আগে সচল এ প্রবেশ করা যেতনা দেশ থেকে। ব্লগারদের অব্যহত দাবীর মুখে সরকার সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়। সারা বিশ্বেই ব্লগ গুলো বিকল্প মিডীয়া হিসাবে কায করছে। বাংলাদেশেও করছে। যারা এগুলোতে লেখেন তাদের মধ্য কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক্ম সাংবাদিক সবাই আছে।

আর ভাই মানুষ এতো বোকা না জব্বার বলল অইটা পাইরেটেড আর সবাই বিশ্বাস করল। ১০-১৫ আগে হলে হয়ত করত। এখন বাংলাদেশে সাবমেরিন কেবলের অফার ফিরিয়ে দেয়া জায়না। জনগন জুতাবে। মাত্র ১৭ বছর আগে এই ঘটনায় কেউ কিছু বলেনি। আজ জব্বারের এই লেখা নিয়ে এতো প্রতিক্রিয়া সেটা কেন? সময় চেঞ্জ হচ্ছে। এখানে আজ ঢু মারছে কলেজ ভার্সিটির ছেলেরা, তারা ব্যাপারটা জাঞ্ছে, কিছুদিন পরে তারাই এগুলা ছড়িয়ে দিবে সবার মধ্য। এভাবেই পরিবর্তন হয়। একদিনে না।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৩
পর্যবেক্ষক বলেছেন: দারুণ বিশ্লেষণ।

অভ্রের পক্ষে আমাদের সোচ্চার হওয়ার কয়েকটি কারণের একটি হচ্ছে, মোস্তফা জব্বারের ষড়যন্ত্রমূলক অভিসন্ধি লক্ষ্য করেছি। সফটঅয়্যার পাইরেসি এবং হ্যাকিং-এর মিথ্যা অভিযোগ তুলে মেহ্‌দী হাসান খান ও তাঁর টিমকে চরম হয়রানি করা। মোস্তফা জব্বার বাংলাদেশের আইটিতে মোড়লের ভূমিকায় আছেন, ক্ষমতাসীনদের সাথে তাঁর সম্পর্কও জোরালো। তাই মেহ্‌দীদের বিপদে ফেলা মোস্তফা জব্বারের পক্ষে অসম্ভব নয়।

সেক্ষেত্রে আমরা প্রতিবাদী হবো, সোচ্চার হবো, মোস্তফা জব্বারের অবস্থান কোন পর্যায়ে তা বুঝিয়ে দেবো- এটাই স্বাভাবিক নয় কি?
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: খুব ই স্বাভাবিক। এবং আমরা সেটা করার চেস্টাও করেছি। কিন্ত যখন কেউ এই সতস্ফুর্ত চেস্টাকে বাকা চোখে দেখতে চায় তখন সেটার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হতে হবে।

১৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৪৫
নষ্ট ছেলে বলেছেন: রক্ত দিয়ে অর্জিত প্রতিটি অক্ষর, যেই হালায় এই অক্ষর নিয়ে ব্যবসা করতে চায় ওরেই গদাম।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ভাষা নিয়ে কোন ব্যাবসা কোঙ্কালেই বরদাস্ত্‌ করা হবেনা।

১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:২২
অরণ্যচারী বলেছেন: আজকের প্রথম আলোতে অভ্র বনাম বিজয়ের নিউজ এসেছে। এবারে ফিফা কি বলবে?
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন: উনি নীচে বলেছেন।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৪
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: আপনার ভিন্নমতকে সম্মান করি। যদিও লেখাটায় ব্যক্তিগত আক্রমণ উপেক্ষা করতে পারেননি। তবে গুগণত মানে উত্তীর্ণ নয়- এমন একটি ক্ষুদ্র সফটওয়্যারের পক্ষে অন্ধের মতো জেহাদে যাওয়ার আগে কিছু বিষয় ভাবা দরকার। বিজয়-অভ্র বিতর্কে মু আ হাকিম নিউটনের লেখাটি এই বিষয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখা বলে আমি মনে করি। তার পর্যবেক্ষণে ভাবনার খোরাক আছে অনেক। দু একটির কথা বলা যাক অতঃপর-

■ অভ্রের যা নিজস্ব তার মধ্যে ইউনিবিজয় হল কপি আর ফোনেটিক টা অন্যান্য ফোনেটিক থেকে ভাল নয়। যে কোন ম্যাপ ইচ্ছেমত করে নেয়া যায়, এটা বলার ছলে একটা শক্তি বলে মনে হলেও এরকম কোন কিছু আসলে অবদান হিসাবে গণ্য হবে না। অবদান হবে প্রস্তাবিত ও নির্দেশিত লে-আউট যদি অন্যান্যগুলোর থেকে ভাল হয়। কাজেই এটা নিয়ে মাতামাতি করা একটা ব্যবসায়িক ম্যানিপুলেশন বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ আছে। আর ব্যবসা তো শুধু অভ্র দিয়েই করতে হবে তা নয়, অভ্র তার 'ব্যবসায়িক সুনাম' বাড়িয়ে নিচ্ছে।

■ অভ্র বিনামূল্যের, কিন্তু এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়। কাজেই এটাকে উন্নয়নের সুযোগ নেই। এ পর্যন্ত ফ্রি দিয়েছে বলে অভ্র চিরজীবন ফ্রি দিয়ে যাবে এরকম অগাধ বিশ্বাস পোষণ করা একটু কঠিন। সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকলে তাও ধরে নেওয়া যেতো অন্য কেউ না কেউ তো সেটা চালিয়ে যাবে।

■ আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে, আমরা আর একটা মোস্তফা জব্বার তৈরির দিকে যেন না এগোই। এ ব্যাপারে সতর্ক হওয়া দরকার। সবারই ভাবা দরকার, আমরা কি একটি বিশেষ সফটওয়্যারকে বিনা পরীক্ষায় সনদ দিয়ে দিচ্ছি কিনা। গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়'- এমন একটি সফটওয়্যারের পিছনে জিহাদের মতো করে ঝাঁপিয়ে পড়াটা ঠিক হচ্ছে কিনা।
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: লেখাটা আপনাকে উদ্দেশ্য করেই লেখা। আপনার কথা শুনে পুরোন সেই গল্পই মনে পরলো যেটার শেষ লাইল ছিল 'গরীবের পোলা চাক্রি পাইলে কি হবে, ও বেতন পাবেনা'।

পৌনপৌনিক ভাবে যে কথাটি আমরা বলছি সেটি হ্ল ভাষা নিয়ে কোন ব্যবসা বাঙ্গালী সহ্য করবেনা। সেটা জব্বার সাহেব ই হোক আর মেহেদী খান হোক। আর এই ব্যাপারটি নিয়ে তোল্পাড়ের পিছনে যাবতীয় জ্বালানী জব্বার সাহেবের লোভ লেখেই তৈরী। মাতামাতি কাকে বছেন আপনি? এটা যদি ম্যানিপুলেটেড মাতামাতি হত অবস্থা তো এরকম হতনা। খুব ভাল মতই জানেন এটা ম্যানিপুলেটেড মাতামাতি নয়। আমাদের কি ঠেকা পরেছে যে অভ্র এর ব্যবসায়িক সুনাম বাড়ানোর জন্য খাটতে হবে?

আবার খুব অফেন্সিভ একটা কথা বললেন ' গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়''। বাংলাদেশ এর ইলেকশন কমিশন, ইউএনডিপি কে তো অভ্র পয়সা দিছিল তাদের মানহীন সফটওয়ার ব্যবহারের জন্য তাই না?

১৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:১২
আমি এবং আঁধার বলেছেন: ১।
ব্যবসা তো শুধু অভ্র দিয়েই করতে হবে তা নয়, অভ্র তার 'ব্যবসায়িক সুনাম' বাড়িয়ে নিচ্ছে।

আপনি সব জেনে এবং মেহদীর লেখা পড়ে তারপরেও এসব প্রলাপ বকছেন?? B:-)

২।
অভ্র বিনামূল্যের, কিন্তু এর সোর্স কোড উন্মুক্ত নয়। কাজেই এটাকে উন্নয়নের সুযোগ নেই।

ননটেকিরা যখন টেকি বিষয়ে বিদ্যা ফলাতে আসে তখন এরকম ভাসাভাসা, আবোলতাবোল তথ্য দেয়। আবারও বলছি, আপনি সচলে মেহদীর লেখাগুলো পড়ে আসুন। অভ্রের কিছু ফিচার ওপেন সোর্স হলে তা অপব্যবহার হতে পারে বলে একটু দেরী করা হচ্ছে। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই সেগুলো সংশোধন করে সোর্স কোড উন্মুক্ত করা হবে। আরো জানতে হলে পড়ুন- ওপেন সোর্সে অভ্র : মতামত প্রয়োজন

৩।
গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়'- এমন একটি সফটওয়্যারের পিছনে জিহাদের মতো করে ঝাঁপিয়ে পড়াটা ঠিক হচ্ছে কিনা।

ফোনেটিক ট্রান্সলিটারেশন সম্পর্কে কোনো আইডিয়া আছে??? অভ্র কি আপনার কাগুর বিজয়ের মত স্ট্যাটিক বলে মনে হয়?? এইটার আপডেট বিষয়ে কোনো ধারণা আছে?? সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন ফেজ সম্পর্কে ধারণা আছে? যদি না থাকে তবে এইসব হাবিজাবি বলছেন কেন? আর যদি জানা থাকে তবে পয়েন্ট করে, রেফারেন্স পেপার দিয়ে, থিসিস পেপার দিয়ে দেখান যে কোথায় কোথায় গুণগত মানে অনুন্নত?? গুণগত মানের ফ্রেম অফ রেফারেন্স দিতেও ভুলবেন না। না পারলে স্রেফ অফ যান।

সবশেষে বলি, এখন নিশ্চিতভাবেই মনে হচ্ছে আপনি মোস্তফা জব্বারের কাছ থেকে বিশেষ কোনো কন্ট্রাক্ট পেয়েছেন!! =p~ =p~ =p~
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চমতকার বলেছেন। আমি আসলে এতো গুছিয়ে বলতে পারিনা।

২০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪১
আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন বলেছেন: @ফিউশন ফাইভ, আপনি হলেন সেই মুরগী যে চারকোণা ডিম পাড়তেছে, পাড়তে গেলে ডিম্বাকৃতির ডিমই পাড়ুন না!!
আপনার মত ইউজারদের জন্যই সফটওয়্যার ডেভেলপিং নারকীয় যন্ত্রণা পাইতেছে।
গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়'- এমন একটি সফটওয়্যারের পিছনে জিহাদের মতো করে ঝাঁপিয়ে পড়াটা ঠিক হচ্ছে কিনা। -তা করেন না একটা সফটওয়্যার ডেভেলপ, একটা টীম এসেম্বল করে ফ্যালেন, মাসের পর মাস খেটে সেটাকে ফ্রি রিলিজ দ্যান না কেন, রেগুলার আপডেটও দিয়েন ভাই?! তারপর যদি আপনার সফটওয়্যার গুণগত মানে ভালো হয় তাইলে আমরাও অভ্র ইউজ করা ছেড়ে দিব, কসম!
তা না করেন যদি তাহলে ডকুমেন্ট দিয়া বলেন অভ্র কোন কোন সাইডে বিজয় অপেক্ষা ইনফেরিয়র............তাহলেও হবে।
প্রায় সবাই অভ্ররে সাপোর্ট দিতেছে............ক্যানো বোঝেন না?
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: আমি আসলে গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়' কথাটার মানেই বুঝলাম না। আমার সীমিত ভাষাজ্ঞানের উপরে তীব্র ধিক্কার দিচ্ছি নিজেই !!!!!

@আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন: আপনি অযথাই সময়ক্ষেপন করলেন। একটা সফটওয়ার বানানোর আগে আগে তার ডেমো রিলিজ, ফিডব্যাক ইনকর্পোরেশন এইসব জিনিশ কাকে বুজাচ্ছেন? মন উনুক্ত না থাকলে প্রডাক্ট কি উনুক্ত হয়? জব্বার এন্ড গংরা তো অই পাকেই ঘুরপাক খাবে সারাজীবন।

২১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
কোর আই সেভেন বলেছেন: আমি এবং আঁধার এর কথাটির সাথে সম্পূর্ণ একমত। ননটেকিরা যখন টেকি বিষয়ে বিদ্যা ফলাতে আসে তখন এরকম ভাসাভাসা, আবোলতাবোল তথ্য দেয়। ফিফা'র কথাগুলো কেবলি পাবলিসিটি বা মনোযোগ কাড়ার চেষ্টা। আর কিছু নয়।
২২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৫
রাগ ইমন বলেছেন: আমি এই পোস্টে লিখিত দুইটা বক্তব্যের ব্যাপারে সুস্পষ্ট প্রমান চাই - নাইলে খায়ালামু !
---------
১। প্রভাবশালী ব্লগার ফিউশন ফাইভ ------ কেমনে?

এই পোস্ট সংশ্লিষ্ট কোন ব্যাপারে , কতজন ব্লগারকে , কি ভাবে , কখন , কতখানি প্রভাবিত করতে পেরেছেন ?
মানুষ তো উলটা চরম বিরক্ত হচ্ছে ফিফার প্রলাপে । অবশ্য বিরক্ত হওয়াটা যদি প্রভাবের মানদন্ড হয় তাহলে ফিফা পীর ফকিরের মান সম্পন্ন উচ্চ প্রভাবশালী ।
------
২। গুণগত মানে 'তেমন ভাল নয়'- এমন একটি সফটওয়্যারের পিছনে জিহাদের মতো করে ঝাঁপিয়ে পড়াটা ঠিক হচ্ছে কিনা। ---

অভ্র মান সম্পন্ন নয় কেমনে? মানটা মাপলো কে? কি সের ভিত্তিতে ?
সেই মাপকাঠি বা ইন্ডিকেটর গুলা কি কি?

ফিফার ব্লগও তো মান সম্পন্ন নয় , নিজেই বলেন । তারপরেও তো পুরস্কার পায় । ফিফা নিজের পুরস্কারের বিরুদ্ধে , " জিহাদী ও ফ্যাসিবাদী জনতার ভোটের " বিরুদ্ধে কেন লেখে না?
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:২২

লেখক বলেছেন: ২৯ নং কমেন্টে প্রভাবশালীতার একটা ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। তদুপরি অবিশ্রান্ত প্রলাপের কারনে আমি মনে করি উনি একজন পীর, যিনি দুনিয়াতে আসেনাই এমনসব প্রশ্নের উত্তরও জানেন :) :)

তার উপরে ওনার বিশাল ভক্তকুলের কাছেও উনি একজন পীর। তার এই জনপ্রিয়তাকে সন্মান জানাতে হয়। এটা ওনার অর্জন।

২৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৯
'লেনিন' বলেছেন: ফিফা আমার ধারণা মু আ হাকিমের লেখাটি পড়েই রসদ পেয়ে গেছেন বিপক্ষ স্রোতে থেকে চাঞ্চল্য সৃষ্টির জন্য। তিনি চাঞ্চল্যের মাঝেই থাকতে পছন্দ করেন এবং মজা নেন। মু আ হাকিম নিউটন সাহেব একজন গবেষক তবে তিনিও একজন কুযুক্তিসম্পন্ন বন্ধু দ্বারা প্ররোচিত Click This Link

এখানে একটি উপলব্ধি আমাদের সবার করা প্রয়োজন:
১. অভ্র কিন্তু ডিটিপি'র সমাধান আনেনি।
২. অভ্র পাড়ায় পাড়ায় প্রিন্টিংয়ের দোকানে ব্যবহার হয়না।
৩. প্রিন্ট অপটিমাইজড ইউনিকোড ফন্ট নেই।
৪. সফটওয়্যারগুলো বিশেষ করে ওপেনসোর্স সফটওয়্যারগুলো প্রিন্টিং বা প্রি-প্রেস প্রিপারেশনের উপযোগী নয় পুরোপুরি।
৫. প্রফেশনাল টাইপিং যেমন: ডাটা এন্ট্রি, পত্রিকার নিউজ ইত্যাদি টাইপিং বা উইকিপিডিয়া ইত্যাদির মতো প্রজেক্টে গুণগত মানসম্পন্ন দ্রুততর ডাটা এন্ট্রি করার জন্য ফোনেটিক উপযুক্ত নয়। এর জন্য ফিক্সড লেআউট প্রয়োজন, বিজয় এই কাজটি করে যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত।
বিজয়কে এই কারণে ডিটিপি পর্যায়ে বয়কট করা অসম্ভব। আপনারা যারা অনলাইনে লিখছেন, ফোনেটিকেই হাতে খড়ি তারা প্রিন্টিংয়ের খবর হয়তো রাখেন না। সুতরাং অভ্র-বিজয় বিতর্ক না করে লেআউট বিতর্কে মনোযোগ দিন।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি অভ্র এর গুনগান গাইনাই এই লেখায়। যা বলেছি সব ই এমন একটা সফটওয়ারের জন্য যেটি আমাদের হবে সবার জন্য [দুর্ভাগ্যক্রমে বিজয়ে সেটি নাই, ঠেকায় না পরলে অই মাল কেউ ছুয়েও দেখেনা]। এই পর্যায়ে এসে কিছু বলি:

১। সচলে মেহেদির ব্লগটি পরলেই আপনার অনেক অস্পস্টতা পরিস্কার হবে। ডিটীপি তে এখন অভ্র চলে আসছে, শুধু মুদ্রনশিল্পে আসেনি।
২। অভ্র এখনো নতুন। এটিকে প্রচার হতে দিন। পাড়ার দোকানগূলো ব্যবহার শুরু করবে। বিজয় ব্যবহারে মানুষ সাচ্ছন্দ্য না এটির একটি বড় প্রমান পাড়ায় পাড়ায় প্রিন্তিং এর দোকান
৩। ১ নং উত্তর দ্রস্টব্য
৪। ওপেন্সোর্স কে বিকাশের সময় দিন। একদিনে সব হয়না।
৫। উইকিপিডিয়ার ৯০ ভাগ বাংলা ভুক্তি অভ্র দিয়ে।

২৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৫০
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: এতকিছু বুজিনা রাস্ট্রভাষা বানলা চাই।
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে

২৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৪৬
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: ২৩ নম্বরে লেনিনের মন্তব্যে অভ্রের সীমাবদ্ধতাগুলো মোটামুটি উঠে এসেছে।

----
উইকিপিডিয়ার ৯০ ভাগ বাংলা ভুক্তি অভ্র দিয়ে।

এটা পুরোপুরি মিথ্যা একটি প্রচারণা। এই পোস্টের ১৬ নম্বরে বেলায়েতের মন্তব্যটি পড়ুন। বেলায়েত বাংলা উইকিপিডিয়ার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।
২৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৫
রাগিব বলেছেন: @ফিফা

বাংলা উইকির বিল্ট ইন কিবোর্ডে অভ্র লে-আউট ব্যবহার করা হয়েছে। আমি সহ অধিকাংশ অন্য ইউজার এটাই ব্যবহার করেছি। কাজেই বাংলা উইকির কাজে অভ্র বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়নি, এটা পুরোপুরি ঠিক নয়।

শেহাবের দাবীর মতো ৯০% হবে কি না জানিনা। তবে বিভিন্নজনের সাথে অতীতে যা কথা হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে অধিকাংশই অভ্র ব্যবহার করেন। সেটাই স্বাভাবিক -- কারণ ওখানে অধিকাংশ ইউজারই নতুন করে বাংলা লিখতে শিখেছেন উইকিতে আসার সময়েই।
২৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৮
রাগিব বলেছেন: তবে এর মানে অবশ্য এই নয় যে বাংলা উইকিতে বিশেষ কোনো কিবোর্ড লেআউটকে প্রাধান্য দেয়া হয়। তা নয়, বরং সব কিবোর্ড লেআউটই সমানভাবে সমাদৃত। আর বিল্ট ইন কিবোর্ডে অভ্র লেআউট ব্যবহারও করা হয়েছিলো ইউজারদের কাছে পরিচিত লেআউট হিসাবেই।
২৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৪
'লেনিন' বলেছেন: ২৩নং এর উত্তরে লেখক যা যা বলেছেন তা আমি জানি। আমার পোস্টে আরো বিস্তারিত লেখা আছে। আর মেহেদী, শেহাব তাদের পোস্টও আমি পড়েছি। আরো যুক্ত করতে চাই আমি বাংলা কীবোর্ড এবং সফটওয়্যার প্রতিটির ইতিহাস কমবেশি৯০% এর মতো হলেও জানি। তার প্রেক্ষিতেই আমার মন্তব্য। আর আমি প্রিন্টিং তথা প্রিপ্রেস প্রিপারেশনের টেকনিক্যাল কাজের সাথে বেশ ক'বছর জড়িত ছিলাম একটি গ্রুপ অফ পাবলিকেশনে। ইদানিং দু-তিন বছর ডিটিপির খবর রাখিনা তেমন তবে পরোক্ষভাবে হলেও আইডিয়া আছে।
২৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৭
'লেনিন' বলেছেন: @রাগইমন: ফিফা প্রভাবশালি এই কারণে যে ফিফা কিছু ব্লগারকে 'হাফ প‌্যান্ট' অভিহিত করার পর তার সাথে বাদানুবাদে একের পর এক ব্লগার ব্যান খেয়েছিলো। বিতর্কিত বিষয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে ফিফা বিখ্যাত/কুখ্যাত দুটোই। আর তার সাথে টক্কর দিয়ে আমব্লগার ব্যান-জেনারেল হয়ে কাবু হয়েছে এমনটা অনেকেই দেখেছে। আমিও প্রত্যক্ষ করেছি। :)
৩০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫৮
নার্ডী বয় বলেছেন: আমি দেখেছি , হয়ত অনেকেই নিজ নিজ পরিবারে দেখেছেন, আমার পরিচিত জনদের বিজয় লে আউট শিখতে আর মনে রাখতে কিভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করেছেন। আবার বিপরীতে দেখেছি আমার অফিসের ৫০০ স্টাফ কি সহজে আর কত দ্রুত অভ্রকে আপন করে নিয়েছেন।' Click This Link

একেবারে সত্য কথা।

আমি নিজেই অনেক কে দেখেছি যারা বিজয়ের লেআওট প্রিন্ট করে কম্পিউটারের সামনে রেখে তা থেকে দেখে দেখে লিখত আর মুখস্থ করতে চাইত।পরে আমি নিজের পেন ড্রাইভ দিয়ে তাদের অভ্র দিলাম,তারা ব্যবহার করে কি পরিমান যে খুশি হয়েছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।তারা ভাবতেই পারেনি যে এত সহজে কোনরকম মুখস্থ করা,মনে রাখার ঝামেলা ছাড়া তারা কখনো বাংলা লিখতে পারবে।
অভ্র র ধার দিয়েও বিজয় যায় না।
চমৎকার একটা পোস্ট,যদিও অনেক বড় লেখাটা তবুও পুরোটা একটানে পড়েছি।
অনেক ধন্যবাদ
৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।। মন্তব্যর জন্য ডাবল ধন্যবাদ :)

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫১৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সর্বস্বত্ত সংরক্ষিত তবে সুত্র উল্লেখপুর্বক ব্যাবহার করা যাবে
nazmulhuqrussell@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই