somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২০০তম পোস্টের পথে পথে : পুরানো সেই দিনের কথা শুনবি কে রে আয় আয়... :)

১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রবীন্দ্র বুড়োর গান আর এই পোস্ট

রবীন্দ্র বুড়ো প্রায় সব পরিস্থিতির জন্য গান লিখে গেছেন । খুঁজে পেতে এই পোস্টের জন্যও রেখে যাওয়া তাঁর গানটি পেয়ে আমি বর্তে গেলাম :) ! গানটি হলো - 'পুরানো সেই দিনের কথা বলবি কে রে আয়--ও সে চোখের দেখা প্রাণের কথা সে কি ভোলা যায় !' বলা বাহুল্য বুড়ো জটিল জিনিস । গান লিখেছেন আর চামে হেসেছেন । হেসেছেন এজন্যে যে, এই গানে তিনি আমাদের দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেছেন একটি পরীক্ষার সামনে । পরীক্ষাটি হলো, গানটিকে নিজের মতন করে সাজিয়ে নেয়া । খুব কঠিন কোন কাজ না । স্থান কাল ভেদে দু'একটা শব্দের এদিক-সেদিক শুধু (কপিরাইট বিষয়ে এ-অধম দায়ী নহে :) ।পুরানো সেই দিনের কথা বলবি কে রে আয়... 'বলবি কে রে' --এ জায়গায় বসাতে হবে 'শুনবি কে রে ' ! রূপপরিগ্রহ করে গানটি তখন হবে এরকম--পুরানো সেই দিনের কথা শুনবি কে রে আয়-- ও সে চোখের দেখা প্রাণের কথা সে কি ভোলা যায় ! ভোলা যায়নাতো আসলে । পুরানো স্মৃতির পাতা ধূলোয় ধূসরীত হয় । ধূলো ঝেরে সযতনে স্মৃতির পাতা উল্টে -পাল্টে দেখলে উজ্জ্বল অক্ষরের মতন কিছু উজ্জ্বল স্মৃতির সন্ধান মেলে । নানারঙ্গা স্মৃতিরা প্রোথিত থাকে হৃদয়ে ।

প্রসঙ্গ: ২০০তম পোস্টের পথে পথে
শিরোনামে পথে শব্দটা দু'বার এসেছে । শব্দটা এভাবে একবারেও লেখা যেতো-- ২০০তম পোস্টের পথে ! সেক্ষেত্রে শিরোনামটি অসুম্পূর্ণ থেকে যেতে পারতো । পথ এখানে একটাতো নয় আসলে । পথ থেকে শাখা পথে গেছি । আবার পথে হেঁটেছি । জীবন বাবুর ভাষায়-- হাজার বছর ধরে পথ আমি হাঁটিয়াছি পৃথিবীর পথে... ভদ্রলোক রসিক মানুষ । কি মনে করে , হাজার বছর ধরে পৃথিবীর পথে হেঁটেছেন বলে জানিয়েছেন,তিনিই ভালো বলতে পারবেন ! আমি অধম । হাজার বছর ধারে হাঁটার সাধ বা সাধ্য কোনোটাই আমার নেই । তবে, বছর দুই ধরে এই ব্লগের পথে হাঁটছি এটুক বলতে পারি । দু'বছরের প্রাপ্তি অম্ল-মধুর (তড়িৎ মনে পড়া) কিছু অভিজ্ঞতা এখন আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করার খায়েশ করছি , আপনাদের বিরক্তির উদ্রেক করে ।

প্রথম পোস্ট এবং আরো কিছু...
সুবাসিত ফুলের কাননপাশ ! প্রথম এই পোস্টটি দেই ৯আগষ্ট ২০০৬ । সেদিনই রেজিঃ করে ছিলাম মনে পড়ে । এখানে একটা মজার বিষয় আছে । দ্বিতীয় পোস্টটিও আমি দিয়েছিলাম সেদিনই মাত্র দুই ঘন্টার ব্যবধানে ! পোস্টটি ছিল এই-- ভালবাসা প্রেম নয় ! এখানে মজার বিষয়টা কি ,--ধরার চেষ্টায় যারা আছেন, তাদের জন্য বলি, একদিনে এতো অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি পোস্ট আমি আর দেইনি; ফ্লাডিং-এর দিনটিতে ছাড়া (ফ্লাডিং বিষয়ে বিস্তারিত পরে আসছে )! তো এই দু'টি পোস্টের পর ব্লগ থেকে আমি হাপিস হয়ে গেলাম ! হাপিস অবস্থায় ছিলাম পুরা দুই মাস ! নভেম্বরের শুরুতে আবার দু'টি পোস্ট দিলাম । দুই পোস্ট দিয়ে আবার দুই মাসের ছুটিতে (ব্লগ থেকে ছুটি :) গেলাম ! মার্চের শেষ সপ্তাহে এসে এইবার নিয়মিত হলাম ! সেই থেকে আছি । মাঝের এ'কয়মাস যদি নিয়মিত থাকতাম আরো কিছু অখাদ্য পোস্টের ভারে বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ ভরাক্রান্ত হতে পারতো । হয় নাই , সেজন্যে আসেন সবাই বলি , আলহামদুলিল্লাহ ।:)

আমার প্রথম বান খাওয়া আর প্রথম বান মারা ;)

আশ্চর্যজনকভাবে আমার খুব প্রিয় একজন ব্লগারের পোস্টে আমি প্রথম ব্যান খায় । আমার সেই প্রিয় ব্লগার আরিফ জেবতিক ভাই । সামহ্যোয়ারইনের প্রথম পাঁচজন সেরা লেখকের মধ্যে অবশ্যই আরিফ ভাইয়ের নাম থাকবে এটা আমার বিশ্বাস । আরিফ ভাইকে আমার পছন্দ তাঁর অসামান্য লেখনী শক্তির জন্য । তো, সেই ঘটনাটি ছিল ভুলবুঝাবুঝির । গোলাম আযমের ছবি অশ্লীল লাগে, তাই এ-ছবি যেন ব্লগে প্রকাশ করা না হয়-আরিলের প্রতি এই দাবী নিয়ে ছিলো সেই পোস্ট । আরিফ ভাইয়ের দাবীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে মন্তব্যের ঘরে আমি বলেছিলাম,' ব্লগের অশ্লীল ভাষার ব্যাপারে যদি কিছু বলতেন ।' আমার এই মন্তব্যে অনেকের গায়ে জ্বালা ধরে । আরিফ ভাইকে ওনারা উস্কে দেন আমাকে ব্যান করার জন্য । কাজটা করতে ওনাদের সুবিধা হয় কারণ, ওই পোস্টে প্রথম মন্তব্যটিই ছিল ত্রিভুজের । ত্রিভুজের মন্তব্য নিয়ে এমনিতেই পোস্টটি তখন উত্তপ্ত ছিল । আরিফ ভাই একসময় আরাশির মানসিক পরিপক্কতা নিয়ে সন্দিহান হয়ে তাকে বান মারেন । সেই সন্দেহ ওনার একদিন পরই কেটে যায় এটা ভাবলে এখনও আমার ভালো লাগে । সম্ভবত একদিন পরই ওনার ব্লগে তিনি আমার শেকল খুলে দিয়েছিলেন । প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, তারও অনেক অনেকদিনপর দ্বিতীয় বানটি আমি খেয়েছিলাম আমাদের বিখ্যাত নূরে আলম ইরানী ভাইয়ের ব্লগে । আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনিও আমাকে প্রায় এক বছরের মাথায় মুক্ত করিয়া দেন !

আরিফ ভাইয়ের ব্লগে আমার বান খাওয়ার সেই তারিখটি ছিল ২৬ এপ্রিল ২০০৭ । এর মাত্র ১৯ দিন পরই আমি প্রথম বান মারতে সমর্থ হই ! আমার প্রথম বান খাওয়া সেই মহা সৌভাগ্যবান লোকটি আর কেউ নন, আমাদের বিখ্যাত ডাক্তার আইজুদ্দিন B-)! রূপার পালকি শিরোনামে আমার একটা গল্পের পোস্টে গিয়ে এই ভদ্রলোক আর শমশের আমাকে ত্যাক্ত করতেছিলেন । আইজুদা তখন ব্লগাইতেন আইজুদ্দিন চৌধূরী নিকে । আমি দেখতাম সবার ব্লগে গিয়ে এই লোক খোঁচাতে থাকে । ওনাকে বিরক্তিকর হিসেবেই নিছিলাম তখন । এই জন্যেই বিসমিল্লাহ বইলা বান মারছিলাম । যদিও তার ক্ষণিক পরেই এই প্রতিভাবান ব্যক্তি উটুল নিক নিয়ে সেই পোস্টে পুনাঃগমন করে পোস্টের সৌন্দর্য বর্ধন করেন !:P

কতো বিনিদ্র রাত আমি করে গেছি পার
লেখালেখির একদম শুরুতে রাত জাগার ভূতটা আমাকে দখল করে নেয় । রাত না জাগলে লেখতে পারিনা । দিনে লেখার সময় পাই না । রাতে ঘুমুতে গেলে লেখার বিষয় মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে । ঘুমের বিরানী পাক হয় তখন । ওঠে গিয়ে কাগজ - কলম নিয়ে বাধ্য হয়ে আমার বাসার সামনে খোলা জায়গাটাই বসতে হয় । আমি জাগি রাত, আর জাগে চাঁদ । সে অনেক আগের কথা । ব্লগে আসারও ছয় বছর আগের রাতগুলো এরকম কাটতো । পত্রিকার স্যাটায়ার ম্যগাজিন, ফান পাতা বা প্রবাস পাতায় নিজের একটা লেখা দেখার জন্য তখন তীর্থের কাকের মতন কতোইনা অপেক্ষা । মাঝে-সাঝে ছাপার অক্ষরে নিজের নাম দেখে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ানোর মতো অবস্থা । তো আমার সেই অপেক্ষাকে একদম প্রথম যিনি সত্যে রূপান্তরিত করলেন তিনি আমার প্রিয় সম্পাদক শফিক রেহমান । অনেককেই যখন দেখি শফিক রেহমানের সমালোচনায় মুখর , বিষয়টি আমি উপভোগ করি । উপভোগ করি এজন্য যে, সমালোচনার দরকার আছে । কোনো মানুষইয় সমালোচনার উর্ধ্বে নন । শফিক রেহমানেরে গোয়ার্তুমি আছে সেটাও ঠিক । তবে দুঃখ লাগে, সমালোচকরা নানারকম নীতিবাক্য কপচান,কিন্তু কখনই তারা বলেন না, বাংলাদেশের অন্য সম্পাদকদের সঙ্গে শফিক রেহমানের তফাৎটা কোথায় । তারা বলেন না, শফিক রেহমানের মতন করে তরুণদের কেউ স্বপ্ন দেখাতে পারেন না । উজ্জিবিত করতে পারেন না । প্রশ্ন আসতে পারে, স্বপ্ন কি ভেজে খাওয়া যায় ? উত্তর হলো, না । স্বপ্নকে ভেজে খাওয়া যায় না । তবে স্বপ্ন থাকলে স্বপ্নের বাস্তব রূপদান করা যায় । যদি সেরকম স্পৃহা থাকে ।

যাই হোক, যা বলছিলাম, ব্লগে এসে সেই রাত জাগার ভূত আবার আছর করলো । আমি সেইসব নিশাচর ব্লগারদের একজন যার বেশীর ভাগ পোস্ট-ই মধ্যরাতের । যার বেশীরভাগ পোস্ট-ই তাৎক্ষণিক । কম্পিউটারের সামনে বসে লেখা । যেমন এই দুইশতম বিশাল পোস্টটিও ।

বিবিধ :
ব্লগে সিরিয়াস লেখক অনেক, কিন্তু সিরিয়াস পাঠক কম এটা আমার ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষণ । অভিমতও বলতে পারেন । খুব সৌভাগ্যবান কিছু ব্লাগার আর পোস্ট ছাড়া
বেশীর ভাগ ভালো লেখাই খুব দ্রুত পাঠকের দৃষ্টির আড়ালে চলে যায় । এমনকি সেটা হতে পারে কোন মন্তব্য ছাড়াই । মনে পড়ে, একবার মোসতাকিম রাহী ভাই একটি গল্পের পোস্ট দিলেন । গি দ্যাঁ মোপাসার গল্পের অনুবাদ । তৃতীয় পৃষ্ঠায় গিয়ে সেটির দেখা পেলাম । একটিও মন্তব্য নেই । আক্ষেপ করে আমি প্রথম মন্তব্যটি দিলাম, এই বলে যে, এতো ভালো পোস্টের পাঠক এই ব্লগে কেন নেই ! এরপর সেই পোস্টটিতে প্রায় ৭০টির মতন মন্তব্য পড়েছিল যদ্দুর মনে পড়ে । দীর্ঘ লেখার পাঠকও অনেক কম । এই লেখা নিয়া তাই ভীত হইলাম :D !

আরিফ ভাইয়ের পোস্টে আমি ব্যান খেয়েছিলাম ব্লগের অশ্লীলতার বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে ভুল বুঝাবুঝির শিকার হয়ে । আর আজ এতোদিন পর কেউ কেউ হয়তো আমাকেই অশ্লীল ব্লগার মনে করছেন । এতোদিনের ব্লগিং-এর অর্জন হয়তো এটুকুই । আমার দুঃখ নেই । ব্লগের ভার্চুয়াল রাজাকারদের ছাগল বলতে, তারা সারমেয় সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত এটুকু বলতে আমার দ্বিধা নেই । এই দু'বছরে বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজে তাদের স্পর্ধা কমতো দেখিনি । তাই তাদের সারমেয় সম্প্রদায় বলতে আমার মুখে আটকায় না । তাই তাদের বর্জ্যসম দুর্গন্ধযুক্ত গোলাম আযম, নিজামীর পা চাটা পোস্টের বিরুদ্ধে ফ্লাডিং করতে আমার কুন্ঠা হয়না । ব্লগাধিপতির লর্ড-এর মতন আচরণের শিকার দলবদ্ধ অথবা বিচ্ছিন্ন হয়ে ব্যান হতেও তাই ভয় হয় না । সুযোগ পেলে, সেরকম পরিস্থিতি যদি সৃষ্টি হয়, জানুয়ারী ২০০৮-এর মতো আরো একবার ফ্লাডিং করতে রাজি আছি ।

তবে, বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজকে এই সুযোগে আমি অবশ্যই ধন্যবাদ জানাবো, কৃতজ্ঞতা জানাবো বাংলা ব্লগিং এর সুন্দর একটা সুযোগ করে দেবার জন্য ।


মৃত্যুর হাত থেকে কয়েক ইঞ্চি দূরে
২০০তম এই পোস্টটি হয়তো আর কখনই দেয়া হতো না । আর কখনই হয়তো ব্লগে নিশ্বাস ফেলা হতো না । ব্লগের ভার্চুয়াল জগতে নয়, বাস্তবের জগতের আর কোথাও হয়তো আমার পদচিহ্ন থাকতো না । এক নিমেষেই উড়ে গিয়ে আকাশের তারা হয়ে যেতে পারতাম । ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিক ভাবে বেচে গেছি । চারদিন আগে নিজে ড্রাইভ করছিলাম হাইওয়েতে । গাড়ীর স্পিডোমিটার তখান ১২০ এর ঘরে । রং সাইট থেকে অন্য একটা গাড়ী সাঁ করে পাশের রাস্তায় ওঠে গেল আমার একদম সামনে দিয়ে । ব্রেক কষতেই বিদ্যুৎ গতীতে আমার গাড়ি ঘুরে গেল । তেরচা হয়ে চল্লিশ হাতের মতো সামনে এগিয়ে গেলো গাড়ি । রোড ডিভাইডারে আঘাত করে , ডিভাইডারের উপর দিয়ে পাশের রাস্তায় গিয়ে পড়লো । বিপরীত দিক থেকে আসা যে কোন একটি গাড়ির তীব্র আঘাতই আমাকে তুলোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারতো । কোন ভাগ্যে জানিনা, আমার থেকে ইঞ্চি তিনেক দূরে এসে গাড়ি গুলো থামলো । আঘাত থেকে বেঁচে গেলাম । প্রাণে বেঁচে গেলাম । আবার সব প্রিয়জনের , প্রিয় বন্ধুদের প্রাণের আড্ডায় শামিল হতে পারলাম । বিধাতার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ।


সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
৫৪টি মন্তব্য ৫৩টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×