আমার প্রিয় পোস্ট
- আরাশি'র চন্দ্রাবতীঃ পাঠ-প্রতিক্রিয়া - ভাঙ্গন
- ‘মেহেরজান’ ছবির প্রদর্শনী অব্যাহত থাকুক ও সেইসঙ্গে ‘মেহেরজান’ ছবির পরিচালক রুবাইয়াৎ হোসেনকে কিছু বেদনাবিদ্ধ জিজ্ঞাসা : - বাকী বিল্লাহ
- হুইস্কি অন রক্ এবং অনাকাঙ্খিত ফেলানী ব্যবচ্ছেদ । - স্তব্ধতা'
- প্রিয় পনেরটি দেশের গান [লিরিক্স ও ইউটিউব ভিডিও] - কবি রাজ
- বন্ধু নাচো, বন্ধু নাচো, উষ্টা খাইয়া পোইরো না - পারভেজ আলম
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- সে বৃষ্টি হতে চেয়েছিলো! - শফিউল আলম ইমন
- রামানুজন—গণিতের মহত্তম এক শিল্পী - ম্যাভেরিক
- শিল্পের দ্বায়বদ্ধতা, শিল্পীর দ্বায়বদ্ধতা।উৎসর্গ: হাসান মাহবুব। - স্তব্ধতা'
- (কল্পগল্প)----প্রজেক্ট নস্ট্রাডমাস - শান্তির দেবদূত
- সেক্যুলার বিপ্লবে বাংলাদেশ ও ধার্মিক হাতির পিঠে মাতাল আমেরিকা - বাঙ্গাল
- ক্ষুধার্ত থেকো, বোকা থেকো। - ডজ
- চোরের স্রষ্টার পক্ষ থেকে কৈফিয়ত - চোর
- অপরবাস্তব-৪ এবং একজন পাঠক, কিছু কথা... [শেষ পর্ব] - অনুপম হাসান
- ছোটগল্পঃ কাঠকয়লায় আঁকা - মোস্তাফিজ রিপন
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি < শেষ পর্ব > চিৎকার করে বলতে পারছিনা যে আমি আমার শৈশব হারিয়ে ফেলেছি..... - মনজুরুল হক
- সেলিব্রিটি সিনড্রোম - ফারহান দাউদ
- ছোটগল্পঃ আমাদের এক বন্ধু পাহাড় বিক্রি করতো - মোস্তাফিজ রিপন
- স্মৃতি হন্তারক বৃস্টিতে থ্যাঁতলানো কয়েকজন আর উড়াল সেতু জুড়ে ধাবমান কদম - আকাশচুরি
- বাজেয়াপ্ত নজরুল কাব্যগ্রন্থ এবং তাঁর কারাজীবন এর কথা/আদনান সৈয়দ - স্ট্যানলি কুবরিক
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- ইসলাম শান্তির/অশান্তির ধর্ম নিয়ে ব্লগার আরিফুর রহমানের সাথে আলোচনা। - হ্যারি সেলডন
- একাত্তরের গণহত্যা ও নারী নির্যাতনঃ কিছু সাক্ষীর বয়ান - রাশেদ
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- অভিশপ্ত এই খুনীদেরও চিনতে হবে ঘৃণাভরে... - অমি রহমান পিয়াল
- আমি অপার হয়ে বসে আছি ----- (লালন ফকির) - বিষাক্ত মানুষ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- স্বাধীনতার পরিক্রমা - বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - রাগিব
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- পাঁচ বঙ্গসন্তানের কমনওয়েলথ জয় (এক অন্য রকমের বিজয় উদযাপন) - মিরাজ
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- হিন্দু না ওরা মুসলিম। কাজী নজরুলের এ লিখাটি পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। - বিহংগ
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি
১৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
যে শহরে আমি নেই আমি থাকবোনা সে শহরে যুদ্ধ শেষের
ভাঙ্গা - পোড়ো একটা এয়ারপোর্টের মতো বেঁচে থাকবে তুমি !
আবিদ আজাদের এ কবিতাটি যখন তোমার তুমুল প্রিয় হয়ে ওঠেছে, সেই সময়ে, নিস্তব্ধ দুপুরের খাঁ খাঁ নির্জনতায়, কিম্বা তারও ক্ষণিক পরে সূর্যটা যখন পশ্চিমে হেলে পড়ে হলুদ আভা ছড়াতে ছড়াতে অকস্মাৎ লাল বৃত্তে রূপপরিগ্রহ করে, যখন টুপ করে অন্য আকাশে ডুব দেয়, ডুবন্ত সূর্য আর আকাশসীমা যখন দৃষ্টির অন্তরালে থাকে শহুরে দালানাবদ্ধতায়, আমাদের সুবিদ লেইনের বুক বরাবর ফালি করে যে রাস্তাটা তেমাথায় গিয়ে মেশে যেখানে অনন্যাদের বাড়ি, তার পাশের মসজিদ থেকে যখন চারপাশে ছড়িয়ে যায় সন্ধ্যার আযান, ঠিক একই সময়ে আমাদের শৈশবের গ্রাম সুন্দরপুরের কৃষক রমিজ মিয়ার বেঁচে থাকা একমাত্র কিশোর সন্তান সুরুজ মিয়া যখন তার গো-বাচুরের পাল সমেত গোবেচারা চোহারায় মাঠ থেকে ফিরতে ফিরতে নিমেষেই নবিন মাষ্টারের পেয়ারা বাগানে নিঃশব্দে নিজেকে গলিয়ে নেয়, যখন দু'খানা ঢাউস পেয়ারা সুরুজ মিয়ার লুঙ্গির কোঁচড়ে সযত্নে আসন লাভ করে আর সুরুজ মিয়ার মাতা কুলসুম বেগম যিনি চারটি সন্তানের জন্মদাত্রী , ইতোমধ্যে যিনি তিন সন্তানের অর্ধাহার আনাহার আর বিনা চিকিৎসার মৃত্যু দেখে দেখে চোয়ালের মাংস হারিয়েছেন, তিনি যখন সন্ধ্যাবাতি জ্বালাতে গিয়ে আবিস্কার করেন, চিৎপটাং কেরোসিনের টিনে একখানা মৃত টিকটিকি, স্বভাবতই যখন রমিজ মিয়ার খনখনে কন্ঠ শুনা যায়,-'বান্ধি ! বাত্তি জ্বালায়তে এতক্ষণ লাগে; তখনও যখন কেরোসিনের শোক কাটাতে না পারা কুলসুম বেগমের তব্দা ভাব বর্তমান, তখন যখন সুন্দরপুর নিবাসী জনতারা ছেড়া ছেড়া বিচ্ছিন্ন দলে সন্ধ্যাকালের বাজারে যায়, তাদের হাতে থাকে 'এক ছটাক' ওজনের ভোজ্য তেলের শিষি, আধা লিটার ওজনের কেরোসিনের টিন, আঁশটে গন্ধযুক্ত তেল চিটচিটে চট বা কাপড়ের থলে, তখন যখন ডুং ডাং ঘন্টা ধ্বনীতে সন্ধ্যার বাজারে নামে এক মিনিট নীরবতা, একজন ঘোষক ঘোষণা করেন একটি বিশেষ ঘোষণা; বিশাল বপু মহিষের লম্বা শিং থেকে তৈরী এক প্রকার নিজস্ব প্রযুক্তির মাইক হয়ে সে ঘোষণা যখন ছড়িয়ে যায় জনতার কর্ণে,- "ভাইসব ! ভাইসব ! একটি বিশেষ ঘেষণা ! একটি বিশেষ ঘোষণা !! আগামীকল্য রোজ বৃহস্প্রতিবার বৈকাল পঞ্চঘটিকায় চর সুমাত্রার উত্তরে কৃষ্ণ ষাঁড়ের লড়াই অনুষ্ঠিত হইবে ! আপনারা আমন্ত্রিত ! আপনারা আমন্ত্রিত !"
ঠিক সেই সময়ে, যখন আমাদের সুবিদ লেইনের এক তলা বাড়ির বারান্ধায় নিঃসঙ্গ দোল কেদারাকে তুমি সঙ্গ দিতে থাকো, কিম্বা দোল কেদারা তোমাকে সঙ্গ দেয়, তোমার পাশে অযত্নে পড়ে থাকে অপঠিত খবরের কাগজ, দু'বাটি শিতল চা, অভ্যাসবশত যা তুমি তৈরী করো প্রতি সন্ধ্যায়, যাতে উড়ে বসে দু'জোড়া কালোমাছি, আমাদের মৌমিতা মা মণি যখন শিশুতোষ পাঠ্য পুস্তক বন্ধ রেখে টম এ্যন্ড জেরী টিভি কার্টুনে মনোযোগ দিতে বেশী পছন্দ করে, সেই সময়ে, বারান্ধার গ্রিলের শূণ্যতা ভেদ করে যখন তোমার দৃষ্টি সারি সারি বাড়িগুলোর একদম শেষে দেখে অনন্যাদের বাড়ি, যখন ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোয় নেমে আসে ছাই রঙ্গা বিষাদ, তখন তোমার মনে পড়ে এরকম আধো আলো আধো অন্ধকারের খেলাকে সঙ্গী করে এখানটাতেই আমরা পাশাপাশি বসতাম, আমরা হাত ধরতাম, পরস্পরের চুলে বিলি কাটতাম, কখনওবা আমাদের দু'জোড়া ঠোঁট তৃষ্ণার্ত হয়ে ওঠলে, অগত্যা ঠোঁটগুলোকে আমারা একজোড় করতাম..তখন, বারান্ধার এক কোণে খাঁচাবন্ধী ময়নাটি হি হি হি হাসতো নিখুঁত মেয়েলী স্বরে, তখন তোমার কাঁচের চুড়ি ভাঙ্গতো রিনঝিন, তোমার নুপুর বাজতো ঝুনঝুন, তখন ঘোর লাগা সেইসব সন্ধ্যায় কখনও সখনও তোমার ব্যক্তিগত প্রশ্নের ঝাঁপিটির মুখ আলগা হয়ে গেলে, সংঘবদ্ধ প্রশ্নরা ঝাঁপিয়ে পড়তো, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতো, তুমি বলতে -
- মৌমির আব্বু !
- বলো, শুনছি !
- একটা সময় অনন্যাদের বাড়ি তুমি খুব যেতে, না ?
- আমি যেতাম ?
- হুঁ, তুমি ?
- একটু ভুল, শুদ্ধটা হবে আমরা যেতাম !
- তোমরা কারা ?
- বন্ধুরা !
- দলবদ্ধ অভিসার ?
- সেরকম না মোটেই !
- কি রকম তবে ?
- অনন্যাদের একটা গাছ ছিল, আমলকি গাছ, আমরা ওটাকে যাদুকরী গাছ বলতাম !
- যাদুকরী কেন ?
- ওই গাছের আমলকি খাবার পরও আমরা দীর্ঘক্ষণ মুখে স্বাদ জমিয়ে রাখতে পারতাম ! লবণে গুঁড়ো মরিচ ছিটিয়ে আমরা আমলকি খেতাম, গাছের নীচের নলকূপ থেকে আঁজলা ভরে পাতালপূরীর শীতল পানি পান করতাম এবং মুখে মিষ্টি স্বাদ নিয়ে বাড়ি ফিরতাম !
- আর ?
- আর কি !
- হৃদয়ে মিষ্টি অনুভূতি নিয়ে ফিরতে না ?
- যেমন ?
- অনন্যাকে দেখার মিষ্টি সুখের অনুভূতি !
- তোমার যা কথা...!
এরকম আমতা আমতা করে পরক্ষণেই যখন দিনের মনোঃমুগ্ধকর প্রকৃতি এবং তার পূর্ণ বৈচিত্রতা বিষয়ে আলাপ পাড়ার প্রয়াস নিতাম, সে প্রয়াসকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়ে যখন তোমাতে ভর করতো গাম্ভীর্য রোগ, আর আমার আঙ্গুলেরা তোমার কপালের চুল সরিয়ে দেবার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তো, আমার তর্জনী মেপে নিতো তোমার সরু ঠোঁটের সঠিক পরিমাপ, সেই সময়ে এইসব প্রথাসিদ্ধ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রচলিত সবক পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে, কন্ঠস্বরে পর্যাপ্ত শ্লেষ মিশিয়ে তুমি বলতে,
- একটা তথ্য দিতে পারো ?
- কি তথ্য, জ্বনাবা ?
- তোমার প্রেমের সঠিক পরিসংখ্যান কতো ?
প্রশ্নটি বুঝে ওঠবার মুহূর্ত পর্যন্ত নীরবতা, এবং তারপরই সঙ্গে সঙ্গে যখন আমার শেষ অস্ত্রের যথার্থ প্রয়োগ ঘটাতাম, তোমার অব্যর্থ অস্ত্র কান্নার মতো, আমার অব্যর্থ অস্ত্র হাসি, কোমল হাসি সযত্ন পটুতায় অকৃপণ প্রাণে পরিবেশন করতাম, আমার কোমল হাসি তোমার কোমলতায় হানা দিতো, তুমি দ্রবীভূত হলে, তোমার নরম ওষ্ঠাধর ততোধিক নরম আর গাঢ় হয়ে সঠিক জায়গায় বসে গেলে, আমি তখন মুখ খুলতে চেয়েও ব্যর্থ হতাম, আমি তখন বলতে চাইতাম,- 'শুনো; শিশু পার্কের বেঞ্চিতে আমরা বুড়োরা, বুড়োরা না, বরং বলি আমরা বড়রা দু'জন, তুমি আর আমি যখন নিয়মিত বাদামের খোসা ছড়াতাম, যখন টিউশনির টাকায় তোমার জন্য প্রতিদিন একটি করে গোলাপ কিনতাম, সেই সময়ে, যখন আমরা নগ্ন পা ভেজাতাম ভোরের দুর্বায়, আমাদের দু'টি মন পাখি হয়ে যেতো, যুগল পা'কে পাখনা মনে হতো, তারও অনেক আগে, তোমাকে যখন জানতাম না, তখন অনন্যাকে জানতাম, তখন অনন্যা পরীর চে' সুন্দর কিনা, এ- বিষয়ক তুমুল বিতর্ক জমতো আমাদের বেকার আড্ডায়, তখন, আমাদের বন্ধুদের কার হৃদয়ের কতো ইঞ্চি বিস্তৃত জায়গার কতোখানিতে অনন্যার জন্য বিশেষ বরাদ্ধ ছিল সেই হিসেব না কষেও বলা যায়, আলতা রাঙ্গা লাল পায়, লাল শাড়ি আর লাল জামায় আবৃত্ত অনন্যা যখন অবিরাম ক্রন্দনে চোখ লাল করে কোন সুদূরে চলে গেল, আমাদের বিদগ্ধ হৃদয় সেদিন আমাদেরকে 'নিঃস্ব' হয়ে যাবার খবর দিয়ে গেল !
এইসব অম্ল-মধুর স্মৃতির রোমন্থনে এখন যখন দূরের এক ঝাপটা হাওয়া এসে তোমার দেহ-মনে উদাস রঙ্গের প্রলেপ দিয়ে যায়, যখন দোল কেদারার দোল থেমে যায়, ভীষণ শ্রান্ত মানুষের মতো খুব ধীরে তুমি গ্রিলের ধারে উঠে এলে, লোহার গ্রিল তোমার কপোল ছুঁয়ে দেয়, তখন যখন বারান্ধার কাছাকাছি হাসনাহেনা গাছেরা পরম যত্নে হাসনাহেনাদের ফুটাতে থাকে, সেই সৌরভ বয়ে এনে বাতাস তোমাতে মাখায়, চোখ মুদে তুমি নিঃশ্বাসে ভরে নাও বিশুদ্ধ সৌরভ, তখন তোমার মনে হয়, ঘাঁড়ের 'পরে চিরচেনা পরিচিত নিঃশ্বাস, তখন তুমি চমকে ওঠলে, হুট করে নাগরিক বিদ্যুৎ পতন ঘটায়, অন্ধকার বারান্ধা গাঢ় অন্ধকার হয়, ভেতরের ঘর থেকে আসে মেয়ের কান্না স্বর- 'মামণি; ভয় করে !'
যে শহরে আমি নেই আমি থাকবোনা সে শহরে জনহীন কোন
পেট্রোল পাম্পের দেয়াল ঘেঁষে
একটা মরা শিউলি গাছের মতো বেঁচে থাকবে তুমি...
তোমার ঘুমের ঘোরে মধ্যরাতের ডাক পিয়নে ডাক দিয়ে গেলে, তুমি নিয়ম করে প্রতি রাতে একটি দুঃস্বপ্ন দেখো, যখন সুন্দরপুরের মজা পুকুর পারের প্রাচীন অশ্বথ গাছে জেগে ওঠে পেঁচার উৎসব, যখন চোয়ালের মাংস হারা কুলসুম বেগমের গায়ে পড়ে রমিজ মিয়ার হাত, সারাদিনের 'বান্ধি' সম্বোধনে ডাকার লজ্জার কথা ভুলে যাবার মতো নির্লজ্জ হতে যখন রমিজ মিয়ার বাঁধা থাকেনা কোন, তখন গাঁয়ের সিধেল চোর, প্রকাশ 'মুকিত চোরা' সর্বাঙ্গে তৈল মেখে চৌর্য কর্মের পূর্ব প্রস্তুতি সম্পন্ন করলে, তার বউ হাত চেপে ধরে বলে,-
'আইজ যায়েন না !'
'চোপ ! একদম কথা না !' জবাব পায় মুকিতের বউ ।
তখন তুমি স্বপ্নে দেখো একটি কূপ, গভীর কূপ, নিকষ কালো জল-টলমল, কূপের জল শব্দ তোলে ছলাৎছল, তখন তুমি অনেকখানি ঝুঁকে পড়ে জল ছুঁতে গেলে, টুপ করে গভীর কূপে হারিয়ে যায় তোমার গা থেকে খসে পড়া প্রিয় অলঙ্কার, তোমার প্রিয়- নাকফুল !
তখন, ছটফট করতে করতে তোমার ঘুম ভাঙ্গলে, বাম পাশ ফিরে শুতে গেলে তোমার খেয়াল হয়,- তোমার বামপাশটা খালি হয়ে গেছে বহুদিন ! তোমার বাম হাতে মাথা রেখে শিশুর সারল্যে ঘুমুতো যে লোক, সফেদ কফিন তাকে নিয়ে গেছে গোরস্থান ! তখন তোমার বুকের ভিতর হু হু শূণ্যতা জাগলে, তুমি ডান পাশ ফিরে শোও, আমাদের আম্মুটাকে বুকের ভিতর লুকিয়ে নেবার মতো নিবিড় করে বুকে জড়িয়ে নাও, ওর ঘুমন্ত চোখে, মুখে নরম নরম আদর খাও, তখন যখন, মেয়েটার মুখ চেয়ে চেয়ে দেখো তুমি, দেখতেই থাকো, তোমার কোন অভিযোগ থাকেনা, বরং ভালোই লাগে যে, মেয়ের মুখটা দেখতে অবিকল তার বাবার মতো !
খেতে বসে রোজ মেয়েটা বায়না করে;-
- মামণি ! বাপি আসবেনা ?
- আসবেতো !
- আমি বাপির হাতে খাবো !
- এখন আমার হাতে খেয়ে নাও, বাপি এলে পরে তার হাতে খেও !
- মামণি ! বাপি কবে আসবে ?
- তুমি আরেকটু বড়ো হও, তখন !
- আমি কবে বড়ো হবো, মামণি !
- তুমি ঠিকঠাক মতন খেলে, বেশী বেশী খেলে দ্রুত বড়ো হবে !-
- আচ্ছা, আমি বেশী বেশী খাবো ! বাপি আসবেতো ?
- আসবে !
বলতে বলতে তোমার চোখ জ্বালা করে ওঠলে, যখন তুমি মেয়ের কাছ থেকে অন্য দিকে মুখ ঘুরাও, তখন তোমার কানে কানে ফিসফিস করে আমি বলতে চাই,-
মৌমিতার আম্মু !; খুব জোছনা হলে, তোমরা মা-মেয়ে যখন ছাদে যাও, আকাশ দ্যাখো, তারা গুনো, আমাকেও সঙ্গে নিও; আমিও সঙ্গে আছি জেনো ! অঝর ধারায় বৃষ্টি নামলে মৌমির একটা হাত তুমি ধরো, অন্যটা আমি, আমরা তিনজন বৃষ্টিতে ভিজবো, আমরা তিনজন সুখে কাঁদবো, কেমন ?'
* * * * * * * *
উৎসর্গ : ছেলেটি কি হবার স্বপ্ন দেখতেন মা; মা বেঁচে থাকলে জানা যেতো ! জানা যায়নি, সেই সৌভাগ্য হয়নি, মা যখন চলে গেলেন কিশোর ছেলের তখন স্বপ্ন বুঝবার বয়স হয়নি । লেখা দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নেবার একটা স্বপ্ন ছেলেটির গোপন কুঠুরিতে আশ্রিত আছে, যদিও সামর্থ নাই তার ! আজ ১৭ আগষ্ট, মায়ের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী ! 'মা! মাগো ! তোমায় বড়ো মনে পড়ো গো, মা !
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, ছোটগল্প, জন্ম, মৃত্যু, চিঠি, এপার, ওপার, Shipon, Abdur razzak shipon, ুটগপচ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অল্প স্বল্প গল্প বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
জেরী বলেছেন:
আগে মা-কে নিয়ে এমন করেই লেখা দিয়েছিলেন ভাইয়া.................মা যদি ও না বলার দেশে চলে গেছে তবু সব সময় আপনার সাথেই আছে.....।
লেখক বলেছেন: হৃদয়ছোঁয়া মন্তব্যের জন্য, কৃতজ্ঞতা গো জেরী বোনডি !
লেখক বলেছেন: প্রিয় সাইফুর, গ্রেট মানুষদের আমি পাহাড়ের মতো উঁচু দেখি, তাদের প্রতি আমার অকৃত্রিম শ্রদ্ধা সবসময় । আমি অতি নগণ্য, পথের ধূলো-কণার মতো ছোট, এমনে যে কখনও সখনও নিজেকেই নিজে খুঁজে পাই না ।
গল্পকে সম্মানীত করবার জন্য , ধন্যবাদ সাইফুর ।
কালপুরুষ বলেছেন:
আপনার দরদভরা মনে মায়ের ছবিটা যেভাবে গাঁথা হয়ে আছে সেই ছবিটা আপনার মন থেকে মুছে দিতে পারে এমন কোন কালি বা তুলি এই পৃথিবীতে নেই। আপনার স্মৃতিতে মা চির ভাস্বর হয়ে থাকুন। আপনার মা সহ যাঁরা এই দিনে মারা গেছেন (কবি শামসুর রাহমান ও অন্যান্য) তাঁদের সকলের আত্মার প্রতি রইলো গভীর ও আন্তরিক শ্রদ্ধা। আপনার লেখা মানেই অন্যরকম এক ভাললাগা অনুভূতির খোরাক। লেখাটা মন ছুঁয়ে গেল। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
কবি শামসুর রহমান ও অন্যান্য সবার প্রতি শ্রদ্ধা ।
আপনাকে ধন্যবাদ জানাই ।
শফিক আসাদ বলেছেন:
আরাশি ভাইয়া, ক্ষনিক জীবনের ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু নিয়ে আমাদের বেঁচে থাকা পোড়ায় যখন, প্রিয়জনের ভালোবাসা আর স্মৃতি তখন রসদ জোগায় নতুন করে ভোরের আলো ছোঁবার, নতুন আলোয় নতুন করে বাঁচবার।আপনার মা, শামসুর রাহমান সহ সমস্ত চোখের আড়ালে থাকা পূণ্যাত্মাদের জন্য শ্রদ্ধা।
গল্পটা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: চোখের আড়ালে থাকা সমস্ত পূণ্যাত্মাদের জন্য শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ।
ধন্যবাদ, শফিক আসাদ ।
লেখক বলেছেন:
মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা ।
ধন্যবাদ পারভেজ ।
মা এর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা প্রকাশে তাঁদের কিছু আসে যায়না, তারপরেও জানাই অসীম ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা, তারার হাসি ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
কিছু বলার পাচ্ছিনা। তিনবার পড়লাম আবারো পড়তে হবে,তাই প্রিয়তে নিলাম।
লেখক বলেছেন: হাসান মাহবুব নামের ব্লগারটি ইতোমধ্যে তার লেখনীতে উজ্জ্বল ।
তিনি প্রিয়তে স্থান দিয়েছেন বলে সম্মানীত বোধ করলাম ।
লেখক বলেছেন: সেটা হয়তো সম্ভব না, তবে, জীবিত মানুষ তার জীবদ্দশাতেই তার মৃত্যুপরবর্তী সময় কল্পণা করে চিঠি লিখে রেখে যেতে পারে, পারে না ?
লেখক বলেছেন: এরচে' ভালো যে আমি পারিনা, ভাইডু !
ভালো আছেন ?
লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন বিচ্ছিরি...
তাই ধন্যবাদ ![]()
অপ্সরা বলেছেন:
মন খারাপের লেখা
লেখক বলেছেন: মন খারাপ হইছে..দুঃখিত ।
আবু সালেহ বলেছেন:
মা যেখানেই থাকুক না কেন ...চিরদিন সন্তানের হৃদয় জুড়ে থাকবে সবসময়...
মন খারাপ করা লিখা...
লেখক বলেছেন: সত্যি বলতে কি, লেখাটার শেষ প্যারা লিখতে গিয়ে লেখকের চোখ হঠাৎ ভিজে ওঠেছিল !
সকল মায়েদের শ্রদ্ধা ।
আল্লাহ আপনার মা'কে জান্নাতবাসী করুন।
লেখক বলেছেন:
"প্রশংসা করার অভ্যাস আমার কম"--এইটাতে একমত !
![]()
লেখক বলেছেন: ফারহান, একজন মাত্র মানুষের অভাবে একটা সংসারের কি হাল হতে পারে, কতোজন মানুষ এলোমেলো হয়ে যেতে পারে, তা আমি নিজেকে দিয়ে খুব গভীর করে বুঝি ।
ধন্যবাদ, সহমর্মী হবার জন্য ।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম ভাইয়া.. দুইবার প্ড়লাম। আবার পড়ব, বার বার পড়ব। আন্টির আত্মার জন্য শান্তি কামনা।
লেখক বলেছেন: প্রিয়তে যুক্ত হতে পেরে সম্মানীতবোধ করছি ।
সকল মায়েরা সুখী হোক ।
আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ, মুক্ত বয়ান ।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
অসাধারন চমৎকার দারুনআর কি বলবো!
প্রিয়তে রেখে ধন্য হলাম
ভালো থাকেন ভাইয়া
শুভেচ্ছা নিরন্তর
লেখক বলেছেন:
শান্তশিষ্ট ছেলেটাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ।
ভাইয়া ডাক শুনলে নিজেরে বুইড়া লাগে ![]()
লেখক বলেছেন: একটা সবাক চলচ্চিত্র কি এরকম কাহিনীতে হতে পারে !
আপনি মুভি বোদ্ধা হিসেবে হঠাৎ প্রশ্নটা মাথায় এলো ।
আপনার বিজ্ঞাপন বিষয়ক পোস্টে বারবার ঢুঁ মারছিলাম, মন্তব্যের জবাব দেখার জন্য । ১০১ দোররার কথা পড়ে হাসলাম ।
লেফাফাদুরস্ত বলেছেন:
Click This Link কেন জানি কয়েকদিন ধরে এই গানটা মাথায় ঘুরছিল...আপ্নার লেখা দেখে একটু থেমে গেলাম...একেই বোধহয় বলে অনুরনণ
লেখক বলেছেন: এরকম কাকতালীয় মিলগুলো অদ্ভুত !
আন্তরিক ধন্যবাদ, লেফাফাদুরস্ত ।
লেখক বলেছেন: আর হ্যাঁ, লিঙ্কটি তখন খুলতে পারিনি । গানও শুনা হয়েছিল না ।
এখন শুনলাম, বেশ লাগলো । আগে শুনিনি । কৃতজ্ঞতা । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: এতোবড়ো দিল খুশ করা প্লাসের জন্য ধন্যবাদ ।
তবে, ভাইডি, না পড়েই প্রিয়তে যুক্ত করলে, পরে খারাপ লাগলে লেখক দায়ী না ![]()
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন:
মায়েদের জন্য ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ।
লেখক বলেছেন:
মুগ্ধতার প্রকাশ ভালো লাগছে ।
ধন্যবাদ, সবাক ।
লেখক বলেছেন: লিখিস ...!
পাথুরে বলেছেন:
একদমে পড়লাম। আবার দম নিয়ে আবার.....পড়ে পড়ে নিঃস্ব হলাম। মা, দ্যাখো তোমার ছেলে কেমন সবার মাঝে জায়গা করে নিচ্ছে।
লেখক বলেছেন: "মা, দ্যাখো তোমার ছেলে কেমন সবার মাঝে জায়গা করে নিচ্ছে।" - সেরকম হলে মা'র আত্মা নিশ্চয়ই সুখী হবে ।
আপনার কমপ্লিমেন্ট যেন সত্যি হয়, পাথুরে ।
আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা ।
অবশ্যই সম্ভব । কোন ইরানি বা জাপানি পরিচালকের সুনিপুণ ছাঁচে ঢেলে দিলে এই গল্পটি দিয়েও অসাধারণ চলচ্চিত্রের জন্ম দেয়া সম্ভব ।
তবে , বাংলাদেশে খুবই অসম্ভব । কারণটা আলাদাভাবে পোস্ট দেব একসময়
লেখক বলেছেন: মেহরাব, পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম ।
ধন্যবাদ আন্তরিকতার জন্য ।
লেখক বলেছেন: কুল আ-ম ও আনতুম বিখাইর !
জোস হইছে দোস্ত !
ধইন্যা ।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আপনার মাকে শ্রদ্ধা। সকল মাকে শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা ।
ধন্যবাদ, আশরাফ ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
মন ছুঁয়ে গেলো।চোখ ভেসে গেলো।
অসাধারন হয়েছে লেখাটা............
আপনার মায়ের জন্য শ্রদ্ধা.....
শুভেচ্ছা আপনাকে।
লেখক বলেছেন: সাজি'পু ! এ লেখা আপনার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে, চোখ ভিজিয়েছে, এ আমার প্রাপ্তির খাতায় জমা হয়ে গেল সবসময়ের জন্য ।
সব মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা ।
সুস্থ এবং সুন্দর থাকুন, আপু ।
লেখক বলেছেন: প্রিয়, সীমান্ত আপনার মতো, আমার মতো খুব কাছের সবচে' কাছের প্রিয়জন হারানোর ব্যথা নিত্য বুকে বয়ে যারা চলে, তাদের বুকে এরকম লেখা একটু বেশী বাজবেই...বাজবেই !
আকাশচুরি বলেছেন:
নির্বাক!!
লেখক বলেছেন: আমি চাই, সবাক হোন । ![]()
ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন:
আপনাকে নিয়মিত ব্লগে পাইনা ।
আপনার কবিতাও পাইনা ।
কিম্বা আমি যখন অনলাইনে আসতে পারি তখন আপনি থাকেন না, আপনার কবিতা পড়া আনন্দপূর্ণ অভিজ্ঞতা ।
প্রিয়তে স্থান দেয়ায় সম্মানীত বোধ করছি । ভাল থাকুন ।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অসাধারণ। শিপন ভাই নির্বাক করে দিলেন। কিছু বলার জন্য খুঁজে পাচ্ছি না।প্রিয়তে তুলে নিলাম।
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: ভালো ইমন ।
তোমার লাস্ট পোস্টটা পড়লাম, তুমিও ভালো আছো জানলাম ।
পোস্টের কথাগুলো খুব মনে ধরেছে । মানুষ নিজেকে উজ্জীবিত রাখার জন্য ওই কথাগুলো মস্তিস্কে জীবন্ত রাখা উচিত সবসময় ।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আসবেন, যখনি সুযোগ করতে পারেন । আর লিখবেন, লিখবেন সবসময় ।
আমার উপস্থিতিও খুব কম ।
ভালো থাকুন অনুক্ষণ ।
কঁাকন বলেছেন:
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন:
"ভালো থাকুন" শব্দ দুটা বহুল ব্যবহারে জীর্ণ মনে হলেও,
এর অন্তর আত্মার আন্তরিকতাটুকু মনে দাগ কাটে ।
ধন্যবাদ, কাঁকন চুড়ির কনকন !
প্রিয়া বলেছেন:
প্রিয় আবদুর রাজ্জাক শিপন ভাই,
আপনার লিখা আমাকে আকৃষ্ট করে তবে আমি মন্তব্যের চেয়ে পড়তে পছন্দ করি হয়তো অলস বলেই । তবে নিভৃতে ভালো লাগা জানতে কার্পন্য করিনা।
যাক আপনার একটি "কমেন্ট" দেখে হতচকিত সোজা কথায় হোচট খেলাম, !!!
ব্যাক্তি'কে পছন্দ একান্তই ব্যাক্তি কেন্দ্রিক কিন্তু তার কাজ'টা সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করেই মূল্যায়ন করা উচিত বোধহয়। জ্ঞাতে অজ্ঞাতে ভ্রান্তি হলে ক্ষমা পাবার আশায়- ধন্যবাদ।( কপি'র জন্য দুঃখিত)
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রিয়া, অপরাধ বা ক্ষমার প্রসঙ্গটি পড়ে, তার আগে বলুনতো,--
এই মন্তব্যটা কি নিয়া ?
আপনি দেখছি, অনেক ব্লগে গিয়েই এই একই মন্তব্য দিয়ে আসছেন !
আপনার সমস্যা কি ?
লেখক বলেছেন: তারপরও আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ যে, অন্তত সবজায়গায় আপনি একই নাম, মানে পোস্টদাতার একই নাম কপি পেস্ট করেন নাই । ঈশ্বর আপনার সহায় হোন ।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
মন ছুঁয়ে যাওয়া একটা গল্প। দারুণ!
লেখক বলেছেন: গল্প আপনার হৃদয় ছুঁয়েছে, এটা গল্পকারের জন্য আনন্দের ।
সুস্থ, সুন্দর থাকুন । ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা আমিও বুঝলাম না ঠিক !
যাই হোক, তিনি কি শহীদ হয়েছেন ইতোমধ্যে, নাকি বহাল তবিয়ত ?
নুশেরা বলেছেন:
শিপন, গল্পটা শিপনের আর সব গল্পের মতোই, সেরকম ছুঁয়ে যাওয়া। ঘোরের মধ্যে পাঠ এগিয়ে নেয়ার অভিজ্ঞতা পাওয়া। শিরোনামটা সে তুলনায় দুর্বল মনে হলো। আরেকবার ভাবার অনুরোধ করি।সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের পেয়ালা-পিরিচ গল্পগ্রন্থে অসামান্য একটি গল্প আছে এধরণের থিম নিয়ে, পড়েছেন কি? না পড়লে পড়ে নেয়ার অনুরোধ রইলো। বউবাচ্চার প্রাত্যহিক অভ্যস্ততার জীবন শুরু হয়েছে ভোরবেলায়; সদ্যমৃত গৃহকর্তা মৃত্যুর ওপার থেকে প্রত্যক্ষ করছেন... । সঞ্জীব কোথায় যেন বলেছিলেন কোন বিদেশী গল্পের ছায়া থেকে গল্পটি লেখা।
লেখক বলেছেন: নুশেরাবু,সঞ্জীবের পেয়ালা পিরিচ পড়া হয়নি । তবে, আপনার বর্ণনা থেকে মনে হচ্ছে কোন এক ব্লগারের পোস্টে সে গল্পটি পড়েছিলাম । মৃত গৃহকর্তা কার্ণিশে, আরো এখানে সেখানে বসে বসে বউ -বাচ্চাকে লক্ষ্য করছেন, বর্ণনা খুবই মজার ছিল গল্পটির । সেটিই সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের গল্প হয়ে থাকবে ।
নিকট অতীতকে জাগিয়ে দিলেন । সেই ব্লগারটিকে এখন আর দেখিনা ।তার নিকও ভুলে গেছি । এইভাবে কতোজন হারিয়ে যায় আমাদের মিছিল থেকে..! কিছু কিছু ভালো গল্প তিনি ব্লগে তুলে দিচ্ছিলেন, প্রয়াসটি ভালো লেগেছিল ।
শিরোনামের বিষয়ে বলি, ফাস্র্ট থটে যে লাইনটি মাথায় এসেছে,সেটিকেই শিরোনাম করেছি । সেকেন্ড থট দেইনি ইচ্ছে করেই । শিরোনামেই একটা মেসেজ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেবার প্রতিই আমার মনোযোগ ছিলো বেশী ।
যাই হোক, আপনি যখন বলছেন...আপনাকেই দু'একটি শিরোনাম সাজেস্ট করার অনুরোধ করি । কৃতজ্ঞ থাকবো ।
আন্তরিক ধন্যবাদ, নুশেরাবু' !
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কেমন আছেন শিপন সাহেব?(ভাইয়া ডাকলে তো আবার আপনে মাইন্ড খান)
লেখক বলেছেন: ভালো আছি,স্যার ।
শান্ত স্যার, আপনি ভালো ?
নুশেরা বলেছেন:
আমি নাম প্রস্তাব করবো... এটা ঠিক হবেনা আমার মনে হয়েছে গল্পটা যে একটা চিঠি সেটা নামে থাকতেও পারে; তবে মৃত্যু-পরবর্তী কথাটা গল্প পড়েই না হয় পাঠক বুঝে নিক...
আরেকটা কথা বলতে চেয়েও বলা হয়নি... ছেপে বেরুলে হয়তো শেষের কথাগুলো থাকতোনা, ব্লগে এমন কথাগুলো জানার সুযোগ হয়ে যায়... মা যেখানেই থাকুন, শান্তিতে থাকুন, সন্তানের জন্য গর্ব অনুভব করুন...
লেখক বলেছেন:
আসলে এখানে একটা সমস্যা আছে আমার , কোন কোন লাইনকে খুব বেশী কাব্যিক আদল দিতে ইচ্ছে করেনা ।
তারপরও, ভবিষ্যতে কখনো এ গল্প ছাপাখানায় গেলে তখন নাম নিয়ে আরো একবার ভাববো, কারণ ভাবনাটি আপনি মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন । ![]()
থ্যাঙ্কুস !
লেখক বলেছেন: মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা ।
ধন্যবাদ যীশূ !
ভাঙ্গন বলেছেন:
হৃদয়ের জানালায় চোখ মেলে রাখি...এত আবেগ আর এত সাবলীলতা
আরাশিকেই বোধহয় মানায়।
গল্পতো অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: ভাঙ্গন, আপনি একদিন উপহার প্রসঙ্গে বলছিলেন, আপনি সেখানে কি নামে লিখতেন, সমস্যা না থাকলে বলা যাবে ?
প্রশংসা বেশী হয়ে গেছে, এতো প্রশংসায় আবার ফুলে যাবো ![]()
ধন্যবাদ ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
শিপন ভাই কি বলবো? নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে, দেরিতে পড়ার জন্য। আপনার হাতে উর্বর গল্পের প্রসব হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেক ভালো থাকুন
আপনার মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা।
লেখক বলেছেন: আমার একটা মা মারা গেছে !
আরেকটা মা'এর মা এখনও কোথায় আছে জানিনা, আপু ! ![]()
ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি নারু । তুমি কেমন ?
তোমার লেখাও পড়লাম ।
পরবর্তী পর্ব ছাড়ো ।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
আরেকটা মা'এর মা এখনও কোথায় আছে জানিনা, আপু ! .........সেই মা'এর মা পৃথিবীর কোথাও না কোথাও না আছেন। সময় হলে আসবে
দোয়া করি তাড়াতাড়ি মা'এর মা এসে দরজার কড়া নাড়ুক......
লেখক বলেছেন: একটা ভালো দোয়ার জন্য আপুরে থ্যাঙ্কস
![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
ভাঙ্গন বলেছেন:
ভাইয়া, লেখক হিসাবে ছিলামনা বলাই ভাল।তবে পাঠক হিসাবে আপনার এবং অয়েজুল হকের গুনমুগ্ধ ছিলাম।
.........হায় অতীত!
লেখক বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো, সত্যি ! ![]()
অয়েজুল এর লেখা, হিমুর লেখা, মাসুদ রানা, এবং অন্তরের লেখা খুবই ভালো ।
আরো কিছু ভালো লেখক ছিলেন, যাদের নাম মনে করতে পারছি না ।
ভাঙ্গন বলেছেন:
মহিউদ্দিন মোল্লা ভাল চুটকি লেখতো!এস এম জাভেদ আনোয়ার
জোবায়েদা নাসরীন বর্ণা
ফারুখ রানা
আরো আরো...
লেখক বলেছেন: তানভির হাসান শিবলী
রীতা, এবং ঋতা.. আরো আরো.. ![]()
লেখক বলেছেন: সব মায়েদের জন্য শ্রদ্ধা ।
আপনিও ভালো থাকুন অনুক্ষণ ।
লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লাগায় আপ্লুত হলাম ।
আরো দু'একটি গল্প আছে নীচে পড়ে দেখতে পারেন (দাওয়াত) ![]()
সুস্থ সুন্দরের সঙ্গে থাকুন ।
ত্রেয়া বলেছেন:
মন্তব্যের ঘরে নাম দেখে ক্লিক করলাম।ঘড়িতে আর অল্পক্ষণ বাকী আমার সেহরীর।আচ্ছা দেখেই যাই কি লেখা চিঠিতে।পড়লাম।আরেকবার পড়লাম।তারপর আবার.....প্রতিবারই বোধগুলো আরেকটু বেশি তীব্র হচ্ছে।প্রতিবারই মন খারাপটা গেথে বসছে আরও ভেতরে।
কখনো কখনো অনেক কিছু লিখেও পড়ার সময়কার অনুভূতিটা ঠিক প্রকাশ করা যায় না।কখনো আবার বেশি আবেগী হতে মন সাড়া দেয় না।
নিজের মায়ের প্রতি অদ্ভুত রকমের বেশি ভালোবাসা থেকে বুঝতে পারি মাকে মনের মধ্যে নিয়ে বেরানোয় যে কি কষ্ট।মায়ের জন্যে সবসময় দোয়া করবেন।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: এতো সুন্দর মন্তব্য দিয়েছেন আপনি, কি বলে ধন্যবাদ জানাই ভেবে পাই না !
ত্রেয়া, শুধু জানুন, আপনার পঠ অভিজ্ঞতা, আপনার অনুভূতি আমার হৃদয় স্পর্শ করে গেছে !
আর হ্যা, আরাশির ব্লগে আপনাকে স্বাগতম !
![]()
সব মায়েরা ভালো থাকুক ।
দোলাহাসান বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো গল্পটা, শেষে এসে চোখের পানি আটকাতে পারলাম না.......একজনের অভাবে পুরো সংসার কেমন উলটপালট হয়ে যায়.......ভীষনভাবে সত্যি.......আমার আব্বা মারা গেছেন তেরো বছর........আপনার মায়ের জন্য শ্রদ্ধা রইল.........
শিপন আপনি যে আমাকে একটা পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাতে পাস না ফেল করলাম তাতো বুঝলাম না.........
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন:
'একজনের অভাবে হতে পারে একটি যুদ্ধের পরাজয় !'
প্রিয় দোলাহাসান, আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি, ভুলে গিয়েছিলাম ।
আপনি কিন্তু পাশ করেছেন । ভাল থাকুন , অনুক্ষণ । ধন্যবাদ ।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: প্রাণীত হলাম ।
ধন্যবাদ, আকাশ...!
সুমিন শাওন বলেছেন:
চোখ ভিজে গেলো,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
লেখক বলেছেন: হৃদয় দিয়ে অনুভব করবার জন্য, পাঠের গভীরে যাবার জন্য কৃতজ্ঞতা , সুমিন শাওন ।
সুস্থ এবং সুন্দর থাকুন ।
মেহবুবা বলেছেন:
মৃত প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা ঈশ্বর রাখেননি, রাখলে ভালো করতেন, প্রিয়জন হারানোর কষ্ট লাঘব হতো !অনেক অনেকবার এই কআটা মনে এসেছে । তারপরেও সব বাদ , চাই মহান আল্লাহর কাছে যে বা যারা চলে গেছে , তাদের আত্মার শান্তি দিক ।
আপনার এই লেখাটা পড়েছি তবে পরে আবার পড়ব ; ঠিক ভেতরে ঢুকতে পারছিনা , নিজের অপারগতায় ।
লেখক বলেছেন:
আপনার উপর দিয়ে মনোঃকষ্টের ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটুকু বয়েও যে আপনি ব্লগে আমাদের সময় দিচ্ছেন, তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।
হু, মন শান্ত করে, সময় করতে পারলে আরেকবার পড়ুন ।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
গল্পটা পোস্ট আকারে দেবার সময়ই প্রিয় পোস্টে নিয়েছিলাম, না পড়েই। জানতাম, এটি কিছু একটা! --- আজ পড়লাম। আসলেই। ধন্যবাদ। পড়ার সময় বারে বারে একটি ছবি ভাসছিলো মনে, গল্প লেখার সময় আপনার অনভূতি। সে সময় যদি কোন চিত্রশিল্পী আপনাকে তার ক্যানভাসে ধারণ করতো, সেটাও হত একটা মাস্টারপিস!----------- ঈদ মোবারক!
লেখক বলেছেন:
ঈদ মোবারক আরাফাত !
ভাই, এরকম মন্তব্য পেলে মনে হয়, নিজের লেখার প্রতি আরো বেশী যত্নশীল হবার সময় হয়েছে, আরো বেশী দায়িত্বশীল... !
ভালো লাগা মন্তব্যের আন্তরিকতাটুকু হৃদয়ে পুড়ে নিলাম । কৃতজ্ঞতা ।
লেখক বলেছেন: প্রথমে একবার ড্রাপট থেইকা ফিরায়া আইনা দেখি, কোন মন্তব্য নাই..হেল্লেগাই... ![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
kemon achen vaiya?
লেখক বলেছেন: Shanto vaiata, santo ache ? valo ache ?
![]()
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
কই হারাইলেন ওস্তাদ?
লেখক বলেছেন: হারাতে গিয়েও পথের খুঁজে ফিরি
সিগারেট না পেয়ে টানি আকিজ বিড়ি (আমি ধুমপান করিনা) ![]()
সায়েম মুন বলেছেন:
(Bangla aschena)kabitar mato pare gache 1 nissase.
prothomato, anek darite parar jonno dukkho prokas korchi
R ditiyoto monta kharap hoye galo
Post a 1t tara r 1 + button chaplam
লেখক বলেছেন:
আপনার আন্তরিক অভিমতের জন্য কৃতজ্ঞতা, সায়ম মুন !
*বাংলা না আসাটা এখানে তেমন বড়ো কোন ঘটনা নয়, হরহামেশাই ঘটে থাকে, রিফ্রেশ বাটন টিপে দ্বিতীয়বার চেষ্টায় সুফল পাওয়া যায় বলে জনশ্রুতি আছে ![]()
*বেটার লেট দেন নেভার !
* হলুদ তারায় দ্বিতীয়বার টিপে দেখতে পারেন, প্রথম টিপি ঠিকঠাকমতন ছিলো কিনা ![]()
অশেষ ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন:
![]()
আন্তরিক ধন্যবাদ গল্পকে সম্মানীত করবার জন্য ।
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
যাহঃ আপনার লেখা টা তো ট্র্যাজেডী!!
লেখক বলেছেন: যাহ্ ! এইটা কি শুনাইলৈন !!!
ভাঙ্গন বলেছেন:
আরাশি ভাইয়াকে খুঁজে ফিরি!
লেখক বলেছেন:
প্রিয় ভাঙ্গন, আছিতো রে ভাই ।
এখন দেখা যাবে মাঝে সাঝে ।
ভালো থাকুন ।
লেখক বলেছেন: এইভাবে গোস্বায় লাল হইয়েন না , ভাইডি !
লেখা আসবে ! আসবে !
লেখক বলেছেন: বেশ !
লেখক বলেছেন:
মা সবসময় বেঁচে থাকেন না, এই বাস্তবতটা নির্মম ।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
পড়িনা, এখন পড়তে ইচ্ছে করেনা। মৃত্যু শব্দটির প্রতি দারুন অ্যালার্জি ছিলো। মরতে হবে, এই চিরন্তন সত্যটি কোনদিনই মনে জায়গা করে নিতে পারেনি। ইদানিং কেন যেন মনে হয়, যখন মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী তখন তাড়াতাড়িই ঘটে গেলে ভালো হয়। মাথার উপর ছায়ার মতো হয়ে থাকেন যারা, চলে যাওয়ার সময় তাদের কি একবারও মনে হয়না, বাচা রোদ বৃষ্টিতে কষ্ট পাবে না তো?এরকম লেখাগুলো এড়িয়ে চলা ভালো, যে লেখায় মৃত্যুর ইচ্ছা ঘনীভূত হয়..
আরাশি ভাইয়া...স্পিচলেচ...
লেখক বলেছেন: অনেক সুন্দর মন্তব্য এরশাদ ! মন খারাপ ভাবটা ছড়িয়ে যায় ।
এরশাদ ভাইয়াটাকে , এতো কম দেখা যায় কেন ?
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
ইচ্ছে করেনা আসতে...তবু আসতে হয়...ভালো থাইকেন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন:
ভালো থাকো, সারাবেলা ।
লেখক বলেছেন: না , আছিতো ফারহান ! লেখাও আছে তৈরী, তবে এখনই দিতে পারছিনা, সম্পুর্ণ ভিন্ন একটি কারণে ।
খোঁজ নেবার আন্তরিকতাটুকুর জন্য ধন্যবাদ । ভালো থাকুন ।
লেখক বলেছেন:
গল্প ছাড়া আর কিছু লিখতে ভাল্লাগেনা । গল্প লেখা আছে, ব্লগে দিতে পারছিনা অন্য একটি কারণে । চেষ্টা করছি, নতুন কিছু লেখার ।
ভালো আছি ।
কেমন আছেন, আপু ? আপনাকেওতো দেখা যায় না ।
ভাঙ্গন বলেছেন:
আরাশি ভাই, এক্টা গল্প লেখার হীন প্রচেষ্টা চালাইছি(এহেন হীন প্রচেষ্টা রুখা দর্কার)।দাওয়াত।
লেখক বলেছেন:
এহেন হীন প্রয়াস মাঝে সাঝে চললে পাঠকরা উপকৃত হয় ![]()
ডঃ হাইডস বলেছেন:
এইটা প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকিতে ছাপানো হইছিলো মাস কযেকআগে। লেখক ছিলেন একজন বিখ্যাত হিন্দু ধর্মাবলাম্বী। এইটা নিজের নামে চালায় দিলেন? দিনে দুপুরে যে এত্ত বড় জোচ্চুরী করা যায়, আপনারে না দেখলে বিশ্বাস কর্তাম না! মাইনাস!
লেখক বলেছেন: হাইডস সাহেব রংবাজ হইলে, হাইড হইয়া আসতে হয়না । স্বনামেই রংবাজী করতে হয় । আর হাইড হইয়া বকওয়াজ করলে মূত্রের ফেনার মতো সেগুলা বিবেচ্য হয় ।
তবে, যদি প্রথম আলোর সেই কপি থাকে তো স্ক্যান কইরা দিয়া দেন, আমার জোচ্চুরীর মুখোশ খুইলা দেন ।
প্রমাণ ছাড়া কথা কইলে, কিক আউট করুম ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সকাল রাত্রী !
মাঝখানে খাঁ খাঁ দুপুরের বিষন্নতা আমার থাক ![]()
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ফাহাদ ।
আপনিতো একসময়, নিয়মিত হয়ে উঠছিলেন , এখন একদমই দেখা যায়না কেন ?
লেখক বলেছেন:
হোক দেরি, তবুতো পড়লেন ![]()
আরো কিছু গল্প আছে , পড়ে দেখতে পারেন ।
আপনার মুগ্ধতা, আমায় মুগ্ধ করলো ।
লেখক বলেছেন:
হুম,মন খারাপ করা-ই !
লেখতে লেখতে লেখকেরও মন খারাপ করেছিলো ।
গল্পটি (গতবছরের) অপরবাস্তব-৪ এ সংকলিত হয়েছিলো, বইটি সংগ্রহ করতে পারেন ।
ধন্যবাদ ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























.gif)



মৃত প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা ঈশ্বর রাখেননি, রাখলে ভালো করতেন, প্রিয়জন হারানোর কষ্ট লাঘব হতো !
মৃত মানুষ চিঠি লিখতে পারেনা, তবে, যদি লিখতে পারতো, যদি মৃত্যুর আগে মৃত্যুর পরে পঠিত হবে এমন শর্ত দিয়ে চিঠি লিখে রেখে যেতো কেউ, কেম হতে পারে সে চিঠি ?
এটি একটি এক্সপেরিমেন্টাল গল্প । থিম এবং লেখাতে প্রচুর এক্সপেরিমেন্ট করা হয়েছে , প্রচুর দুর্বলতাও আছে এ গল্পের ।
যাদের ভালো লাগবে না, তাদের কাছে অগ্রীম ক্ষমাপ্রার্থী ।
যাদের ভালো লাগবে তাদের প্রতি এখনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাখছি । ধন্যবাদ ।