রাজনীতির প্রতি কেমন যেন বিরক্ত লাগছে এবং দিনে দিনে এই বিরক্তি চরমে উঠছে। আমাদের দেশে রাজনীতির ইতিহাস বড়ই বিনোদনমূলক। নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে ৯৪, ৯৫, এবং ৯৬ সালে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ ৯৬টি হরতাল করেছিল। তখন, খালেদা জিয়ার বিএনপি বলেছিল, এটা অসংবিধানিক। ২০১১ সালে এই দুই নেত্রী এখন অবস্থান সম্পূর্ণ ১৮০ ডিগ্রি বদলেছেন। এখন, হাসিনা বলছে, এটা বেআইনি, আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে খালেদার সিরিজ হরতাল আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এই রকম নাটক পৃথিবীর অন্যান্য দেশের রাজনৈতিক ময়দানে কমই দেখা যায়। হানা-হানি, মারা-মারি, আর খুনো-খুনি তো লেগেই আছে। অতীতের মত আজও কুত্তায়-কুত্তায় কামড়া-কামড়ি হবে। আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি কখন একটা কুকুর মারা যাওয়ার খবর শুনবো!! কোন পশু মারা গেলে আমার খারাপ লাগে না। কোন জীবকে হত্যা করা হলে অবশ্যই খারাপ লাগে। তবে এই খারাপ লাগাটা আমার মধ্যে পশু-প্রীতি জাগ্রত করে না বা পশুরক্ষা আন্দোলনে নিয়ে যেতে পারে না, আর পশুপ্রীতি দেখানোটা কেমন যেন ন্যাকামো মনে হয়। কারণ, আমি তো মাংস খাই, পশমী কাপড়-চোপড় পরি, আর মাঝে মাঝে (ধার করে) লেদার জ্যাকেটও গায়ে দেই। মাংস, পশম, আর লেদার তো পশু থেকেই আসে। কাজেই পশু-প্রীতি দেখানোটা আমার কাছে কেমন যেন লোক দেখানো ন্যাকামো আর স্ব-বিরোধীতা বলেই মনে হয়। নিজের সাথে (এবং অবশ্যই অন্যের সাথেও) প্রতারনা বলেই মনে হয়। আর তাছাড়া কুকুর এসবের কিছুই (মাংস, পশম, আর লেদার) যোগান দেয় না, তাই কুকুর মারা গেলে আমার কোন মাথা ব্যথাও নাই। তবে যারা মানুষ আছেন তারা একটু সাবধানে থাকবেন। মনে রাখবেন, ১৮টা ইনজেকশন অথবা মৃত্যু। মানুষের জন্য আমার বড় মায়া হয়।
বিঃদ্রঃ কুকুর বলতে শুধু আওয়ামী লীগকে না বুঝার জন্য অনুরোধ করা গেল, যেকোন রাজনৈতিক দলের যেকোন সদস্য কুকুরের সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০১১ দুপুর ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



