আজকে কেন যেন কৌতুক পোস্ট দিতে ইচ্ছে হল।
১।
এক জাপানি, এক চিনা আর এক বাংলাদেশি ভদ্রলোক প্লেনে চড়ে কোথাও যাচ্ছে। তাদের মধ্যে কথার একপর্যায়ে জাপানি বলল যে সে জানালা দিয়ে হাত বের করে বলে দিতে পারবে তারা এখন কোথায় আছে। শুনে চিনা আর বাংলাদেশি ভদ্রলোক ও বলল যে তারাও পারবে। এইটা আর এমন কী!!
প্রথমে জাপানি ভদ্রলোক হাত বের করলেন। তারপর বল্লেন,যেহেতু বাইরে খুব থান্দা,হাত জমে যাচ্ছে, তাই এইটা অবশ্যই মেরু অঞ্চল!!
এরপর এলেন চিনা ভদ্রলোক। তিনি হাত বের করে বললেন যে এইটা মরু অঞ্চল। কারণ বাতাস খুব গরম, হাতে ফোস্কা পড়ে গেছে!!!
তারপর বাংলাদেশি ভদ্রলোকের পালা। তিনি হাত বের করে কিছুক্ষন পর মুখ গম্ভির করে বললেন, আমরা ঢাকার গুলিস্থান পার হলাম। অন্য দুই ভদ্রলোক তো অবাক-“তুমি এত নির্দিষ্ট করে বললে কিভাবে???”
-“বুঝলাম, কারণ জানালা দিয়ে হাত বের করার সময় আমার হাতে ঘড়িটা ছিল।ওটা এখন আর দেখতে পাচ্ছি না”।
২।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, বাংলাদেশে ফকিরদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। বিশ্বাস হল না?? কীভাবে??
হুম, আগে তারা ফুটপাথে ভিক্ষা করত, আর এখন করে ফ্লাইওভারে!!!
৩।
একজন বাংলাদেশি পুরুষ ১৮ বছর বয়সে ভোটাধিকার পান, কিন্তু বিয়ের বয়স ২২ বছর। তার মানে কি দাঁড়াচ্ছে???
- দেশ চালানোর চাইতে বউ চালাতে বেশী অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়(দেশ চালানোর চেয়ে বউ চালানো কঠিন!!!)
৪।
এক অতীব সুন্দরী ললনাকে কতগুলো বদমাশ তাড়া করেছে। সম্মান বাঁচাতে মেয়েটি একটা বিল্ডিং –এ উঠতে শুরু করলো। দুর্ভাগ্যক্রমে সেটা ছিল একটা পাচতারা হোটেল। মেয়েটা ছাদে চলে আসে, কিন্তু বদমাশ গুলা পিছু ছাড়ে না। একপর্যায়ে মেয়েটা ২০তলার ছাদ থেকে পড়ে যায়।
তার চিৎকারে এক আমেরিকান তাকে ১৫তলার জানালা দিয়ে ধরে ফেলে। মেয়েটা তাকে বাঁচাতে অনুরোধ করলে লোকটা শর্ত জুড়ে দেয় যে মেয়েটাকে তার সাথে শুতে হবে। একথা শুনে মেয়েটা বলে- জীবনের চাইতে ইজ্জত বড়। আমেরিকান লোকটা মেয়েটাকে ছেড়ে দেয়।মেয়েটা চিৎকার করতে করতে পড়তে থাকে।
১০ তলায় মেয়েটাকে ধরে এক কানাডিয়ান ভদ্রলোক। একি রকম বাক্য বিনিময় হয় এখানেও। তারপর মেয়েটা আবার পড়তে থাকে।
৫ম তলায় মেয়েটাকে বাঁচায় এক আরবিয়ান ভদ্রলোক। তবে এইবার মেয়েটাই প্রথম কথা বলে-“দোহাই লাগে, আপনি আমাকে বাঁচান। আপনি যা চাইবেন আমি তাই দেব। আমি আপনার সাথে শুতেও রাজি!!!”
এই কথা শুনে ভদ্রলোক “নাউজুবিল্লাহ!!এমন কথা শোনাও পাপ!!!”বলে কানে আঙ্গুল দিলেন। আর হাত ছুটে মেয়েটা পড়ে গেলো নিচে!
৫।
খুব হাসি পাইতেছে, তাই না?? অত হাইসেন না। জি , আপ্নাকেই বলছি!!
আপনি কি জানেন, আপনি যখন হাসেন, তখন আমার খুব বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে যে মানুষ আসলেই একসময় বান্দর ছিল!!
এই কথা শুনে মুখ অন্ধকার হয়ে গেলো!! প্লিজ, মুখ ব্যাজার কইরেন না। আপনার ব্যাজার মুখ দেখে মনে হইতেছে মানুষ এখনো বান্দর-ই আছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



