আমার প্রিয় পোস্ট

যখন আমি হবো শুধুই স্মৃতি, আমার এই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা গুলো সবার সামনে আমাকে আরো স্মৃতিময় করে তুলবে।

এপ্রিল ফুলঃ আহা!‍ আমরা সত্যিই বোকা!

০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৯

শেয়ারঃ
0 2 0

প্রতিবছরের পহেলা এপ্রিল তারিখে আমাদের মাঝে উৎসবের আমেজ পড়ে যায়। একে অপরকে বোকা বানিয়েঅআমরা হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠি। আমরা একটু পিছন ফিরে যাই।

সেদিন যা হয়েছিল

নবম থেকে পঞ্চদশ শতক খ্রিষ্টানদের মধ্য যুগের শেষ পর্যায়। স্পেনের গ্রানাডার মুসলিম রাষ্ট্র তীব্র গতিতে ছুটছিল ধ্বংসের দিকে। রাজা পঞ্চম ফার্ডিনান্ডের সাথে পর্তুগিজ রানী ইসাবেলার বিয়ের মাধ্যমে গড়ে ওঠা খ্রিষ্টান শক্তির ঐক্য স্পেনে মিটমিট করে জ্বলতে থাকা মুসলমানদের প্রদীপে বাতাসের প্রবল ঝাপটা দিলো। ফার্ডিনান্ডের শক্তির সামনে ছোট ছোট খ্রিষ্টান শাসকরা ছিল দূর্বল, বলা যেতে পারে প্রায় ক্ষমতাহীন। মুসলমানদের ধর্মচ্যূত করার পায়তারা চলে ফার্ডিনান্ডের আমলে। মুসলমানদের আরবি পড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। আরবীয় পোশাক পড়া ছিল আইন পরিপন্থী। অনেক মুসলমানদের বাধ্য করা হয় খ্রিষ্টান স্কুলে ভর্তি হতে। এতে যারা খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করত, তাদের জন্য ছিল বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা। মুসলমানদের জন্য ছিল আলাদা পোশাকের ব্যবস্থা । যেখানে সেখানে অপদস্থ করা হতো মুসলমানদের।

১ এপ্রিল, ১৪৯২ সাল।

অনেক আগেই রাজা ফার্ডিনান্ড ও রানী ইসাবেলা মুসলমানদের হাত থেকে কর্ডোভাসহ অনেক অঞ্চল দখল করে নিয়েছিলেন। বাকি ছিল গ্রানাডা। এখানকার শাসনকর্তা ছিলেন আবুল হাসান। তার পুত্র আবু আব্দুল্লাহর বিশ্বাসঘাতকতার জন্য তিনি তার শাসন ক্ষমতা হারান। মসনদে বসেন বিশ্বাসঘাতক আবু আব্দুল্লাহ। কিন্তু বেশি দিন টিকে থাকতে পারেননি। নিজের জীবন বাঁচাতে ফার্ডিনান্ডের সাথে সন্ধি করেন।

আবু আব্দুল্লাহ খ্রিষ্টানদের কাছে আত্মসমর্পণ করে প্রাণে রক্ষা পাবেন বলে যে ধারণা করেছিলেন, সেটা ভুল প্রমাণিত হয়। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে ফার্ডিনান্ড বাহিনী শহর অবরোধ করে রাখে। বিচ্ছিন্নভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যান কিছু মুসলমান। এ সময় রাজা ফার্ডিনান্ডের একটি ঘোষণাপত্র প্রচার করা হয়­ যেসব মুসলমান নিরস্ত্র হয়ে গ্রানাডার মসজিদগুলোতে আশ্রয় নেবে তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া হবে। আর যারা খ্রিষ্টান জাহাজগুলোতে আশ্রয় নেবে, তাদের অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অন্যথায় আমাদের হাতে তোমাদের প্রাণ হারাতে হবে।

অসহায় মুসলমানরা সরল বিশ্বাসে বন্ধ করেন যুদ্ধ। অনেকে জাহাজে করে পালিয়ে যান, আবার অনেকে আশ্রয় নেন মসজিদে। কিন্তু মিথ্যাবাদী প্রতারক ফার্ডিনান্ড মসজিদে আশ্রয় গ্রহণকারী নিরস্ত্র মুসলিম শিশু-বৃদ্ধ নরনারীকে পুড়িয়ে এবং জাহাজে আরোহণকারী মুসলমানদের জাহাজ ডুবিয়ে হত্যা করে।

এ হূদয়বিদারক ও করুণ ঘটনা যে দিন ঘটেছিল সে দিন ছিল পয়লা এপ্রিল।

বর্তমানে ‘এপ্রিল ফুল ডে’ নিয়ে রকম গল্প প্রচলিত আছে। এপ্রিল ফুল বাংলাদেশের বা প্রাচ্যের কোনো উৎসব বা আনন্দের দিন নয়। বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশে দিনটির প্রচলন হয় ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে ইংরেজদের সাথে যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের পরিণামে। ব্রিটিশরা আমাদের প্রায় ২০০ বছর শাসন করেছিল। অন্য অনেক কিছুর মতো ইংরেজরা এ দেশে তাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির নানা বিষয় চালু করে। এর একটি দৃষ্টান্ত, এপ্রিলের ১ তারিখে ‘এপ্রিল ফুল ডে’ চালু করা।

এপ্রিল ফুল ডে উদযাপনের জন্য একে অন্যকে বোকা বানায়। কেউ কেউ বলে থাকেন, বিভিন্ন দেশে একই সময়ে এপ্রিল ফুল ডে’র সূচনা হয় বিশেষ করে বসন্ত বিদায়ের উৎসবকে সামনে রেখে। ইংল্যান্ডে আঠারো শতক থেকে দিনটি ব্যাপকভাবে উদযাপিত হতে থাকে।
স্কটল্যান্ডে ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী এপ্রিল ফুল ডে উদযাপিত হয়। মেক্সিকোতে এ দিবসটি অন্য প্রেক্ষাপটে উদযাপিত হয়ে থাকে। ডিসেম্বরের ২৮ তারিখ খ্রিষ্টানরা এরাডসের হাতে নিষ্পাপ শিশুদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মরণে দিনটি উদযাপন করে। আবার ১৫৬৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত নতুন ক্যালেন্ডারকে সামনে রেখে আধুনিক এপ্রিল ফুল ডে উদযাপিত হয়। তার আগে ইউরোপে একটিমাত্র ক্যালেন্ডার ব্যবহূত হতো। তখন বছরের সূচনা হতো এপ্রিল মাসের ১ তারিখ থেকে। ১৫৬৪ সালে ফ্রান্সের সম্রাট দশম চার্লস এই পুরনো তারিখ পরিবর্তন করেন। তিনি ১ জানুয়ারি থেকে নববর্ষ চালুর ঘোষণা দেন। এটা পৃথিবীর সর্বত্র আজো চালু আছে।

পহেলা এপ্রিল হলো সেই তারিখ, যেখানে পারস্যবাসী ও ইহুদিদের পক্ষ থেকে হজরত ঈসা (আঃ) কে ঠাট্টা-বিদ্রূপের বস্তুতে পরিণত করা হয়েছিল। ইঞ্জিলের মধ্যে (বর্তমানে যা বাইবেল) ঘটনার বিবরণ দেয়া আছে এভাবে-
আর সে ব্যক্তি ঈসা (আঃ) কে বন্দী করে তার সাথে ঠাট্টা-পরিহাস করত এবং তাকে আঘাত করত, আর চোখ বেঁধে তার গালে চড়-থাপ্পড় মারত এবং তাকে এই বলে জিজ্ঞাসা করা হতো, নবুয়তের মাধ্যমে বলো কে তোমাকে মারছে? এভাবে ভৎসনা করে আরো অনেক কথা তার বিরুদ্ধে বলা হয়। (লুক, ২২:৬৩-৬৫)

হজরত ঈসা (আঃ) কে বিচারের নামে পিলাতস থেকে হিরোডস আবার হিরোডস থেকে পিলাতসের আদালতে প্রেরণ করার উদ্দেশ্য হলো ঠাট্টা পরিহাস করে তাকে কষ্ট দেয়া। আর এ ঘটনা ঘটেছিল পয়লা এপ্রিলে। এপ্রিল ফুল ডে বাস্তবিকভাবেই একটি লজ্জাজনক ঘটনার স্মৃতি।

এপ্রিল ফুল উৎসব আজ আমাদের একটি প্রিয় উৎসবে পরিণত করেছি। অথচ এর উৎস মূলত: মুসলমানদের বিরুদ্ধে স্পেনের মাটিতে খ্রিষ্টানদের প্রতারণাপূর্ণ বিজয়ের ইতিহাস। কেননা, পহেলা এপ্রিলের অন্য সব ইতিহাস ১৪৯২ সালের পরে।

আহা! আমরা সত্যিই কতো বোকা!

ইতিহাসের হৃদয়বিদারক ঘটনা ভুলে না গেলে এপ্রিল ফুল কোনো মুসলমানকে আনন্দ দান করতে পারে না। বলতে পারেন,আমরা এখন কি করব? হাসি খুশি মুখে অপরকে বোকা বানিয়ে আনন্দ উৎসব করব? নাকি সেদিনকার অসহায় মুসলমানেদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড মনে করে তাদের জন্য গভীর সমবেদনা জানাবো?


কৃত্জ্ঞতা: সুজন (প্রথম আলো ব্লগ)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কাহিনী ও অন্যান্য  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৮:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১২
জীবন-মৃত্যু বলেছেন: মানবতার সৈনিকরা কোথায়?

এই ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ কি আপনারা করতে পারেন না?
২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৫
ন্যায় পথিক বলেছেন: সহমত। 'এপ্রিল ফুল' মুসলিমদের জন্য বেদনার দিন আর মুসলিমদের শত্রূদের আনন্দের দিন। এই দিনেই স্পেন-এর গ্রেনাডায় কয়েক লক্ষ মুসলিম নারী-পুরুষ-শিশুকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়।

এই লিংক থেকে ইতিহাস পড়ুনhttp://dragonsvamp.wordpress.com/2006/04/05/random-truth-behind-april-fools-day/

এতে লেখা:
In Spain, after centuries of Muslim rule*, the Moors were
overwhelmed by the Christian Army. However, the Moors were
fortified in their homes. The Christian armies wanted to get rid
of the Muslims somehow. They told the Muslims that they could
leave their homes safely and could take only the necessary things
from their homes. They were told they could sail away in the
ships anchored on the quay side. The Muslims did wonder if this
ploy was a trick. The Muslims were requested to go to the quay
side to check the ships. They did so and were convinced. They
then made preparations to leave. The next day, 1st April, they
took their essential belongings and walked towards the quay side.

The Christians looted their homes and then set fire to them.
Before the Muslims got to the ships, the Christians had set fire
to the ships as well. The Christians then attacked the Muslims
and killed them all:

Men, women and children. They then celebrated this carnage. This
then became a ritual that was celebrated every year and that has
been carried on until this day not only in Spain but in other
countries, too. The Muslims celebrate 1st April as well as
playing jokes on others on this day through sheer ignorance of
the story. We should bring out the facts of the story to all in
order to put a stop to the practice of celebrating this bloody
and shameful episode.

০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ইতিহাসের মুসলিমদের হৃদয়বিদারক একটা দিন। আর আমরা একে অপরকে বোকা বানানোর খেলায় মেতে উঠি।

৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২৭
মোহাইমেন বলেছেন: আমরা শোক জ্ঞাপন করি, মাগফেরাত কামনা করি তাদের বিদেহী আত্মার জন্য। আমীন।
৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৪
আশরাফ রহমান বলেছেন:
এপ্রিল ফুল উপলক্ষে আমার একটি পোস্ট ।
Click This Link
৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৭
এন্তার এত্তেলা বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার পোস্ট এর জন্য।
৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৫৯
সোনার বাংলা বলেছেন:

কি আর করা....

দেশের কিছু মানুষ এপ্রিলফুলের দিনের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে......

ভাবতেই অবাক লাগে।
৮. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১০
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: দৈনিক সংগ্রামে এইরকম লেখা প্রতিবছর এপ্রিলের ১ তারিখে ছাপা হয়। পুরা ফাউল কাহিনী। এই গল্পের কোন ভিত্তি বা ঐতিহাসিক সত্যতা নাই। এপ্রিল ফুলের চর্চা ইসলাম ধর্মের আবির্ভাবের অনেক আগে থেকেই ছিল।
৯. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১২
হাসান মাহবুব বলেছেন: নেটে সার্চ দিয়া দেখলাম। কৈ, ভাই এইরকম কুনো কতা তো পাইলামনা। কৈত্থিকা পান এইসব?
১০. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৪
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন:
এপ্রিল পুলের বদৌলতে জামাতি আশরাফ রহমানের আগমনে সু সাগতম।
১১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৩৬
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: এপ্রিল ফুল এর ঘটনা যেখান থেকেই শুরু হোক না কেন, এ সংস্কৃতিটাকে সুস্থ বলে মানতে পারছি না। অন্যকে বোকা বানানোটা কেন আনন্দের বিষয় হবে? আর বোকা বানাতে তো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মিথ্যার আশ্রয় নেয়া হয়। মিথ্যাকে উৎষাহিত করে এমন কোন উৎসব নৈতিক হতে পারে না। ধর্মকে এর মধ্যে না নিয়ে এলেও, এ উৎসবকে ঘৃণাই করতে হয়।
১২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৫
উজায়ের বলেছেন: আমরা শোক জ্ঞাপন করি, মাগফেরাত কামনা করি তাদের বিদেহী আত্মার জন্য। আমীন। আপনি যদি ধরেও নেন এই লেখার কোন ভীত্তিনেই তার পরেও কি আপনি কাউকে ধোকা দেওয়া বা বোকা বানানোর কনসেপ্টর এই এপ্রিল ফুল কে সমর্থন করবেন ?
১৩. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৭
উজায়ের বলেছেন: সহমত @সীমন্ত ইসলাম
১৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
ক-খ-গ বলেছেন: এই সব গান্জা খাওয়া গপসপ না পড়লে দিনটাই মাটি হইতো..... জুক্সের লাইগা ধন্যবাদ।
০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: হু। এই জন্যেই তো ১৩ + আর আপনে মাইনাস , তাই না?
ধন্যবাদ।

১৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
আমিই রূপক বলেছেন: লজ্জার এই ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। সেই সকল বিদেহী আত্মাকে আল্লাহ্‌ শান্তি দান করুন।
১৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
অলস ছেলে বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো লিখেছ।
১৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
ইতর পোলা বলেছেন: ধন্যবাদ চমৎকার পোস্ট এর জন্য।
১৮. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২০
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: @ হাসান মাহবুব : সার্চ দিতে শিখেন নাই বোঝা গেল। আপনারই বা কি দোষ। আপনার কি মনে হয় পশ্চিমা বিশ্ব সেলিব্রেট না কইরা আপনার জন্য আসল কাহিনী সাজায়া রাখছে গুগলে?

সার্চের আগে কি-ওয়ার্ডের সাথে muslim এড কইরা দেন। পাইবেন।

নাস্তিকগুলার ফুটানি দেইখা মজা পাইলাম।

লেখা ভালো হয়েছে। +++
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে ধন্যবাদ ভাইয়া। ওদের জন্য এরকম মন্তব্যের প্রয়োজন ছিল।

১৯. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: গুগল নিজেই প্রতইবছর এপ্রিল ফুল পালন করে। তার কাছ থেইকা আপনি কি আসল কাহিনী আশা করেন?

আর ব্লগের নাস্তিক কতগুলার কমেন্ট দেইখা মজা পাইলাম, এরা নাকি নিজেদের মুক্তমননের অধিকারী ভাবে (আশ্চর্য হইনাই, জানা কথাই আছিল)

তয় এখানে মুসলিমদের দোষও অনেক।

আমার দেখা অনেক মুসলিম জেনেও বিষয়টা সিরিয়াসলি নেয়নি বরং এখনো এই "এপ্রিল-ফুল" পালন করছে। আসল ফুল যে নিজেরাই হচ্ছে সেটা যদি বুঝত।

আর মুসলিম-খ্রীস্টান কথা না, অন্যকে প্রতারিত করে আনন্দ পাবার মত বিকৃত মানসিকতা-ই বা তৈরি হবে কেন?

এটা মিথ্যাচারকে প্রতিষ্ঠাদেবার পশ্চিমাবিশ্বের কৌশলমাত্র। একইসাথে গাধা মুসলমানদের গাধা বানাবার সেলিব্রেশন।
২০. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:০৮
মদনকুমার বলেছেন: পূউড়া চৌউখ্যে কান্দন আই্য়্যা পড়লো :((
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: মাইনাস কেন তাইলে?

২১. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: মদনকুমার বলেছেন: পূউড়া চৌউখ্যে কান্দন আই্য়্যা পড়লো
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: ও।

২২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪
এরিস্টোটল বলেছেন: ঘটনা সম্পর্কে জানসিলাম অনেক আগেই। স্বজাতির এরকম করুন ইতিহাস মানতে অনেক কষ্ট হয়।

যারা বিশ্বাস করতে চাইছেন না নির্মম সত্যটা কে, তাদেরকে বলি, এস ওয়াজেদ আলী'র "গ্রানাডার শেষ বীর" বইটা পইড়া নিয়েন। স্পেনের মুসলিম শাসনের পতন নিয়াই লেখা। অনেক অনেক মর্মস্পর্শী। মনে আছে, ক্লাস সেভেনে যখন প্রথম বইটা পড়ছিলাম, তখন অঝোরে কাঁদতেছিলাম।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: খুবই দু:খজনক ঘটনাটা।


আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ার জন্য।।।

১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু।।।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
Sun will forget to shine,
Stars will forger to bright,
But I will not forget you..


মোহাম্মদ রীফাজ রহমান
Mohammad Reefaz Rahman...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ