মুক্তগদ্য: শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়
০১ লা জুলাই, ২০০৯ রাত ২:২৭
০১.
আমার জন্ম হয়েছিলো শ্রাবণ শেষে। হয়তো ঝিরিঝির ঝরছিলো বাদল। আর দূর থেকে সাঁতরে আসছিলো শরতের শাদামেঘ। অনেক দিন ভেবেছি মাকে শুধাবো, মা, আমার জন্মের সময় বৃষ্টি হচ্ছিলো...? কিন্তু মায়ের কাছে গেলে, অনেকদিন পর মায়ের কাছে গেলে এইসব জিজ্ঞেস করতে ভুলে যাই, মা আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদেন; আমার মায়ের চোখেই তখন বর্ষা। আমার জন্ম ৯ ভাদর। শরৎকাল। কিন্তু বৃষ্টি ছিলো অবশ্যই।
আমি জানি, আমি জানি...
০২.
আমার কখনো কোনো ছাতা ছিলো না। যেনো আমি বাদল থেকেই এসেছি। সারা বর্ষা বৃষ্টিতে ভিজেছি। প্রথমদিকে কেনো ছাতা নিতাম না, এখন আর মনে পড়ে না। হয়তো ঘরে সবার জন্যে ছাতা ছিলো না। পরে অভ্যেস হয়ে গেছে।
ছাতা পৃথিবীর অশ্লীলতম জিনিশের একটি।
০৩.
একদিন বৃষ্টিতে কথা ছিলো সে কথাটি বলবে; প্রতীায় ভিজেছে নিয়মিত দুপুরের আলো। মৃন্ময়ী বলেছিলো, চিঠি দিও। চিঠি লিখেছি কবে! পোস্ট অফিসে ডাকবাকশো ভর্তি আমার চিঠি। কখন খুলবে বাকশো? কী জানি, তার বালিশের নিচে হয়তো কাঁদছে আমার পত্রাবলি। না, প্রত্যুত্তর পাই নি।
সেও কি মরে গেছে বর্ষায়, নিবিড় বৃষ্টির ভিতর?
০৪.
বৃষ্টিদগ্ধ গাছ ডাক দেয়। গিয়ে দেখি সে হাত পেতেছে আমার কাছে।
কী চাই?
আমার তৃষ্ণা।
আমার হাসি পায়।
সে বলে, জল দাও।
অবশেষে আমি বলেই ফেলি, আমিই সেই বৃষ্টি, যে তোমাকে দগ্ধ করেছে...
ততণে সে সরিয়ে ফেলে মুখোশ।
বলে, আমার জল নয়, আগুনের তৃষ্ণা...
০৫.
আমার ছোট্টো একটা বোন ছিলো। পাখির মতো। পাখির সাথে বিভেদ শুধু-- তার ডানা ছিলো না দুপাটি। নাম ছিলো দোয়েল। বেঁচে থাকলে ১৩ জুলাই উনিশবছর হতো। এক বর্ষায় জন্ম হলো, অনেকদিন পর এই বর্ষায় দুপাটি ডানা পেলো। এবং উড়ে চলে গেলো। সে চলে গেলো ১৭ জুন সকালবেলায়। এখন আষাঢ় চলছে। কিন্তু কতারিখ দেখতে মন চাইছে না সেদিন। তার মৃতদেহ আমি দেখতে যাই নি। যাক, সে চলে গিয়ে ভালোই করেছে। সবসময় তার মৃত্যু কামনা করতাম। কেননা তার যন্ত্রণা সহ্য হতো না; কী যে যন্ত্রণায় থাকতো সে! তাকে দেখলেই কান্না পেতো। ভালো। এখন আর কান্না পাবেনা।
সে প্রতিবন্ধি ছিলো।
০৬.
যে চাইলে অনায়াসে বৃষ্টি হতে পারে-- সে যদি বৃষ্টিতে ভিজে... কার জন্যে এ চাতকজন্ম রাতভর দিনভর? শেষবেলা মরা-জল নিভু নিভু; বৃষ্টিবাতি আর ভেজাতে পারে না নরোম আলোর দংশনে। যে রাতে বন্ধ্যা-েেত শস্যের বীজ ছড়িয়ে এসেছি, যে দিন সূর্যকে করে নি নমস্কার...
আর কালগুচ্ছ হাতে ধরে বয়ে চলেছি খরাপ্রাণ...
০৭.
সেদিন বিষ্যুদবার ছিলো। চিত্রাঙ্গদা এসে বললো, সে মারা গেছে।
যাহ্! দুষ্টুমি করছো।
না, সে মারা গেছে।
আমি কেমন করে বিশ্বাস করি কথাটা? আমার নীল মারা গেছে।
তার নাম ছিলো নীলা। আমি তাকে নীল নামে ডাকতাম। তার একটা বন্ধু ছিলো সুন্দর, এখন বিষণ্ন-সুন্দর। সেদিন খুব বৃষ্টি হয়েছিলো। সে আমার কাছে যে বর্ষায় এসেছিলো সে বর্ষাতেই চলে গেলো। তাকে আমি কখনো দেখি নি। তার একটা পায়ে সমস্যা ছিলো। সে আমার হাত ধরে পাহাড়ে উঠার স্বপ্ন দেখতো।
নীল, তোমাকে কে নিয়ে গেলো?
শেষবার আমার বন্ধু নীল আমাকে যে চিঠিটি পাঠিয়েছিলো, তার সাথে অনেক চকোলেট ছিলো। তার চারটা চিঠি আমার কাছে আছে। প্রথম চিঠিটা সে ডাকে পাঠিয়েছিলো, তাই পাইনি। ডাকঘর উঠে গেছে। তাই সুধা এসে অমলকে পায় নি। সেদিন ছিলো ৩১ আগস্ট ২০০৬.
নীল, তুমি কি মাটি হয়ে গেছো?
০৮.
তারা পলাশবন পার হয়ে বকুল বনে ঢুকছিলো। ঘোরসন্ধ্যা, আর ঝুমঝুম ঝুমঝুম বৃষ্টি নামছে, একাকার। বকুলবনের দরজায় পা রেখেই একজন কবি তার প্রিয়তম নারীর চোখের পাতায় এঁকে দিলো বর্ষাস্নাত চুম্বন... এবং
বকুলবন আলোকিত হলো বাদলের রঙে।
০৯.
পঞ্জিকার হিশেবে বাঙলাদেশে বর্ষাকাল দুইমাস, আষাঢ়-শ্রাবণ। কিন্তু বৃষ্টি শুরু হয় বৈশাখ থেকে; আর সেটা থামতে থামতে ভাদ্রের শেষ। শিরোনামহীনের বর্ষা গানটা মনে পড়ছে। কে যেনো শুনতে বলেছিলো, কে যেনো শুনতে বলেছিলো?
সে হারিয়ে গেছে।
১০.
জীবনানন্দ হয়তো ঠিক করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ যা লিখেছিলেন তিনি তা লিখবেন না; তিনি লিখেন নি। কিন্তু তারপরও বৃষ্টি নিয়ে তার দুইতিনটা কবিতা আছেই। জীবনানন্দ দাশ বর্ষাকে উপলব্ধি করেছিলেন সকল ঋতু এবং অস্ফুট শূন্যতার ভিতর দিয়ে।
কোনো বাঙালির পে কি বর্ষাকে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব?
১১.
হিজলের বনে বর্ষা নামলে তুমি আসো। আমরা পরস্পর হাত ধরে হাত ছেড়ে দিই। হয়ে যাই হিজলের ফুল।
বকুলবন সগন্ধ তাকিয়ে থাকে।
১২.
অভিমান কখনো আমার সাথে বৃষ্টিতে ভিজতে চায় নি। অথচ আমি কেবল তার সাথেই বৃষ্টিতে ভিজতে চেয়েছি চিরদিন।
অভিমান ইদানীং বকুলের বনে বৃষ্টি হয়ে গেছে।
১৩.
একটি কান্না ছড়িয়ে রেখেছি মেঘে। মেঘের ভিতর কী? একটি কান্না ভুলে গিয়ে দিয়েছি বৃষ্টির কাছে। এই সব শুনে বললাম, তোর তবে নাম কী?
শ্রাবণ।
শ্রাবণ তো চলে গেছে।
শ্রাবণ বারবার আসে। সিমেন্টক্রসিং এ রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজে যায়।
শ্রাবণ! তুই কেমন আছিস রে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তগদ্য ;
প্রকাশ করা হয়েছে: মুক্তগদ্য বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
একলব্যের প্রত্যাবর্তনে ভাঙা সুর জোড়া লাগুক।
শুভ বর্ষা।
* লেখাটা এখানকার একটা দৈনিকের বর্ষা পাতার জন্যে একঘণ্টার নোটিশে লিখে দেয়া।
আহসান জামান বলেছেন:
খুব সুন্দর কথামালা; ভীষণ ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা, জামান।
পাখিরপাখি বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা
সবগুলো অসম্ভব রকম সুন্দর।সাথে নিয়ে যাই।
লেখক বলেছেন:
মম,
সবগুলি মিলে আসলে একটাই গদ্য। আমি নিজে বিচ্ছিন্ন আর এলোমেলো তো, তাই আলাদা মনে হচ্ছে। কিংবা অংকে ভাগ করেছি বলে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। শুভবর্ষা।
টুশকি বলেছেন:
আবার আসছিঅসাধারণ লাগসে। ছোট ছোট করে দিয়ে ভালো করসেন, একসাথে দিলে সবটা পড়তামনা।
৬ নাম্বার কি সত্যি সত্যি? নাকি গল্প?
লেখক বলেছেন:
টুশকিমণি,
এইখানে একবর্ণও গল্প নাই। সবটাই সত্যি।
অনেক শুভেচ্ছা।
শুভবৃষ্টি।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, শিপন।
বাঙলাদেশ এইভাবে লেখার কারণ আমি বাঙালি এইভাবে লিখি।
বাংলাদেশ যেমন শুদ্ধ,
একাডেমির নিয়ম অনুযায়ী বাঙলাদেশও শুদ্ধ।
এই বানানটা প্রথম ব্যবহার করেন জ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ।
জীবনানন্দ যেমন প্রথম সাদাকে শাদা লিখেছিলেন।
শুভবর্ষা।
লেখক বলেছেন:
বাঙলা আকাদেমিতে কিছু বুড়ো এবং অলস লোক ছিলো, এবং থাকবে।
যেমন এইযে আমি আকাদেমি লিখলাম, এদের নিয়মে এটাই শুদ্ধ। অথচ ওরা নিজেরাই লিখে 'একাডেমী'।
ওদের কথা হলো এই বানানটা অভিধানের মলাট থেকে পাল্টাতে হলে সংসদে আইন পাশ করতে হবে।
সংসদে কতো বড় আইন পাল্টে যাচ্ছে-- আর এইটুকু তারা করতে পারে না।
আমি মনে করি হুমায়ুন আজাদ দেশের সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ব্যাকরণবিদ, তিনি লিখতেন 'বাঙলাদেশ' এই বানান।
বাঙলা আকাদেমির অভিধানে 'বাঙলা' এই বানানটি আছে। কিন্তু 'বাঙলাদেশ' বানানটি নেই।
বাঙলা শব্দের সাথে দেশ জুড়ে দিলে 'ঙ' হয়ে যাবে 'ং' এমন যুক্তি ঠিক হবে কেনো?
সুতরাং আমি মনে করি 'বাংলাদেশ' বানানটি যেমন শুদ্ধ আবার 'বাঙলাদেশ' বানানও শুদ্ধ।
আমি বাঙলাদেশ লেখার পক্ষে। যেহেতু 'বাংগালি/বাঙ্গালী' বানান অশুদ্ধ, 'বাংলি' বানানও হবার নয়, শুদ্ধ হচ্ছে বাঙালি।
সিকোয়েন্সটা এই রকম, বাঙালি-বাঙলা-বাঙলাদেশ। এইটা আমার মত।
ঙ বর্ণে হলন্তের দরকার হয় না। যেমন রঙ সঙ ব্যাঙ লিখলে রঙ্গ সঙ্গ কিংবা ব্যাঙ্গ উচ্চারিত হয় না।
আর ঙ দিয়ে বাঙলাদেশ লিখলেই শুদ্ধ।
শুধু সংবিধান সহ অন্যান্য নথিপত্রে বানানটা ঠিক করতে হবে বলেই ভুল বানানটা মানে বাংলাদেশ বানান অভিধানে রাখা হয়েছে।
বাঙলা বানান কিন্তু ঠিকই আছে।
বঙ্গ তৎসম শব্দ, এটা থেকে বঙ্গীয়, বাঙ্গাল, বাঙ্গালী, বাঙ্গলাদেশ এইসব শব্দ হয়, আর বাঙালি সেইখান থেকেই মানে তৎসমজাত।
আর তৎসমজাত যেসব শব্দ সন্ধিযুক্ত নয় সেইসব শব্দে অনুস্বার ং হবে না।
'বাঙলা' শব্দটির সন্ধি নাই। তাই বাঙলা শব্দটি ং দিয়ে হবে না।
সংবাদ=সম+বাদ, এটি তৎসম, এটার সন্ধি হয় বলেই এটাতে অনুস্বার হবে।
আমি আরো যথার্থ হয়তো বলতে পারতাম যদি হাতের কাছে বই পত্র থাকতো। বইপত্র সব বাড়িতে। যা মনে আছে বললাম।
এই কথা যদি আপনার মূর্খ তার্কিকরা না মানেন তবে তাদের বলবেন বাঙলা আকাদেমিতে গিয়ে জেনে আসতে।
আর হুমায়ুন আজাদ ফ্যাশান এর জন্যে বাঙলাদেশ লিখেন নাই। এইভাবে লিখলে শুদ্ধ তাই লিখতেন।
পুনশ্চ: বাঙলা আর বাংলার মধ্যে ধ্বনিগত মানে উচ্চরণগত কোনো পার্থক্য বা কোমলতার বিষয় নাই।
দুটোই একই শোনায়। এবং আকাদেমির অলসতার কারণে বাঙলাদেশ শব্দটি এখনো বাংলাদেশ আছে।
নম্রতা বলেছেন:
বৃষ্টির মতই এলোমেলো লেখা ....যা ভাসিয়ে নিয়ে যায় অসময়ে, কাঁদায় অকারনে...!---------
~~ ছাতা পৃথিবীর অশ্লীলতম জিনিশের একটি ~~
কেন এমন মনে হয় ? কেন ?
ছাতা পৃথিবীর মধুরতম জিনিষের একটি..
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি, কবি?
হতে পারে।
আমার শাওয়ার হলো বৃষ্টি।
লেখক বলেছেন: অনেক শুভেচ্ছ। শুভবর্ষা, নম্রকবি।
কঁাকন বলেছেন:
মন বিষন্ন করা লেখাঠিক যেন রিমঝিম রিমঝিম আরাধ্য বৃষ্টি নয় গুমোট বর্ষা
ভালো থাকুন
০৬ টা সত্য হলে আপনাকে সহমর্মিতা জানানোর ভাষা আমার নেই
ভালো থাকুন; ভুলে থাকুন
লেখক বলেছেন:
এইখানে একবর্ণও মিথ্যে নেই, কঁাকন।
মানুষ ভুলে থাকতে পারে না।
সাথে থাকার জন্যে কৃতজ্ঞ।
শুভবর্ষা।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
মন খারাপ করা সুন্দর...
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া
লেখক বলেছেন:
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
কান্নার অনুরণন মেশানো লেখা.....কান্নার অনুরণন মেশানো বর্ষা......অসাধারণ।+++
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা
বিভিন্নরকম লাগলো যেন। এটাই হতে পারে ভালো লাগার অন্যতম কারন। তবে ৮-১১ এর চৌম্বকত্ব তুলনামূলক কম মনে হলো।
আপনিও হয়তো ভাবছেন রবীন্দ্রনাথ যা লিখেছেন তা এড়িয়ে যাবেন।
তাছাড়া, আপনার কবিতা যখন পড়ছি তখন তিনতলার জানালা দিয়ে রাস্তার আইল্যান্ডের উপর একজন ফুলবিক্রেতাকে দেখা যাচ্ছে। তার হাতে কিছু ফুল রয়েছে বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু সেগুলোর ভেতর একটাও কদম রয়েছে কিনা ঠিক ঠাহর করা যাচ্ছে না।
শুভ বর্ষা।
লেখক বলেছেন:
কবি,
নিবিড় পঠন এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
রবীন্দ্রনাথকে এড়ানো সম্ভব কিনা জানি না। তবে এই লেখায় সচেতনভাবে তাকে এড়ানোর চেষ্টা ছিলো না। হিজলের সাথে আমার দুঃখজনক স্মৃতি আছে। আমার একবন্ধুকে হিজল চেনাবো বলেছিলাম। কিন্তু সে হিজল না চিনেই মরে গেছে। তাই হিজল বন। আর আমাদের ক্যাম্পাসে অজস্র কদমগাছ আছে। আর আছে হিজলের পাঁচটি মাত্র গাছ। আপনার স্মৃতিতে যদি হিজল থাকে তবে একবার হিজলবনে বর্ষার কথা ভাবুনতো। হিজলগাছের সাথে অন্যান্য গাছের একটা পার্থক্য আছে। কী সেটা বলবো না। আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন।
লেখাটা এখানকার একটা দৈনিকের বর্ষা পাতার জন্যে একঘণ্টার নোটিশে লিখে দেয়া। একটু এলোমেলো।
শুভবর্ষা।
আকাশচুরি বলেছেন:
খুব বিবশ করা লেখা!
লেখক বলেছেন: আকাশচুরি, শুভবর্ষা।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
প্রথম ৬-৭টায় ঘোর লেগে গিয়েছিল!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
রিফাত হাসান বলেছেন:
হাঃ নির্ঝর, নীল আমারো বন্ধুর নাম। শেষ পোষ্টটির শুরুতে একটু সংযোজন করলাম। নির্ঝরের কবিতা পড়তে এসে এই গদ্য। ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া রিফাত ভাই
লেখক বলেছেন: আমি কি আপনারে ছাতা মাথায় দেখি নাই কখনো?
লেখক বলেছেন: একজন কবি...
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
কালই পড়েছিলাম। কিন্তু ঘোরই তো কাটেনি। মন্তব্য করবো কি? এখনও ঘোরে।চোখে ঝাপসা দেখছি, বন্ধু।
লেখক বলেছেন: আমার চোখও ঝাপসা।
১৫ তারিখ এলে কদিন থাকবেন?
নীলতারা বলেছেন:
নাম ও ভাবের অসাধারণ মিলবন্ধন...
লেখক বলেছেন: নীলতারা
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা।
বকুলবন আলোকিত হলো বাদলের রঙে।
এমন সরব চুম্বনের শব্দ কানে শুনা যায়, বোধকরি চোখেও দেখা যায়...
ভালো থাকুন
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকুন, মিল্টন দা।
টুশকি বলেছেন:
দোয়েল আমার দুইমাসের বড়, আমার জন্মতারিখও ১৩। আরো কিছুটা মিল আছে, সেটা না বলি।চলে যেয়ে ভালো হয়েছে, আশা করি এখন অনেক শান্তিতে আছে।
লেখক বলেছেন:
টুশকিমণি,
হ্যাঁ, সে চলে গিয়ে ভালো করেছে।
তুমি অনেক বড় হও।
শুভ বৃষ্টি। শুভ ভোর।
এখন অনেক পাখি ডাকছে।
লেখক বলেছেন: তুমিও ভালো থেকো।
শুভভোর, দাদা
নীলতারা বলেছেন:
আমার কখনো কোনো ছাতা ছিলো না। যেনো আমি বাদল থেকেই এসেছি। সারা বর্ষা বৃষ্টিতে ভিজেছি। প্রথমদিকে কেনো ছাতা নিতাম না, এখন আর মনে পড়ে না। হয়তো ঘরে সবার জন্যে ছাতা ছিলো না। পরে অভ্যেস হয়ে গেছে। ছাতা পৃথিবীর অশ্লীলতম জিনিশের একটি।
আবার পড়ে এইটুকু ভীষণ ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: ছাতা পৃথিবীর অশ্লীলতম জিনিশের একটি
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
আমি জানতাম --- আমি জানতাম ৬ আর ১৪ নিখাদ সত্য -- তাই চুপচাপ চলে গিয়েছিলাম । সমব্যথী হওয়ার শক্তি আমার ছিলো না ।
-----------------------------------------------------------
থাক , ভালো -মন্দের বিচার করার আমি কে ! কিন্তু কারো তো সন্তান , তিনি জানেন কি হারিয়েছে ---
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা।
অহনা কে শুভেচ্ছা।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
লেখাটা পড়কে কিন্তু মিস করলাম না!!!??? অসাধারণ, অসাধারণ আপনার প্রকাশের ব্যাপ্তি!!!" আসে যদি বর্ষা
সব হয় ফর্সা,
কোমলতার পরশে
মন জেগে উঠে হর্ষে।"
ধন্যবাদ হে ...................
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা, অভ্র।
ভালো থেকো।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
১৫ এ এলে থাকবো ৩ মাস।
লেখক বলেছেন: সি য়্যু, ডিয়ার
আকাশ অম্বর বলেছেন:
এইরকম লেখা না লিখলেও পারেন মাঝে মাঝে, নির্ঝর !! হ্যাঁ, এক ঘন্টার নোটিশে কুঁড়ে কুঁড়ে খাওয়া এইরকম লেখা না লিখলেও পারেন !!
অভাবনীয়।
লেখক বলেছেন:
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
আপনার চিন্তা ও চেতনার আপাদমস্তক শিল্প। বড় ভাল লাগলো- বর্ষার কাব্য মাখা জীবন কথা। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা
কখনোই না। বর্ষা বাঙলাদেশের একান্ত নিজের। তা ভৌগলিকই হোক বা কাব্যিকই হোক না কেন।
আবেগময় কয়েক ছত্রের জন্য আন্তরিক অভিবাদন।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা
পাথুরে বলেছেন:
আপনার লেখা আমি খুব ভয় নিয়ে পড়ি। ভেতরটাকে নাড়া দেয়। +
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা
লেখক বলেছেন: শুভ বর্ষা।
অদৃশ্য বলেছেন:
নির্ঝর দা.................. লিখাগুলো বেশ ভালো লাগলো........আর ছাতার ব্যাপারটা নিয়ে আমিও সমস্যায় আছি........আমি নিজেও ছাতা ব্যবহার করতে পছন্দ করিনা.....ভালো লাগেনা। তার চেয়ে একটু বৃষ্টিতে ভিজতেই ভালো লাগে।
শুভকামনা......
লেখক বলেছেন: শুভকামনা
অদৃশ্য বলেছেন:
নির্ঝর দা.................. লিখাগুলো বেশ ভালো লাগলো........আর ছাতার ব্যাপারটা নিয়ে আমিও সমস্যায় আছি........আমি নিজেও ছাতা ব্যবহার করতে পছন্দ করিনা.....ভালো লাগেনা। তার চেয়ে একটু বৃষ্টিতে ভিজতেই ভালো লাগে।
শুভকামনা......
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা।
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন:
আকাশ অম্বর বলেছেন: এইরকম লেখা না লিখলেও পারেন মাঝে মাঝে, নির্ঝর !! হ্যাঁ, এক ঘন্টার নোটিশে কুঁড়ে কুঁড়ে খাওয়া এইরকম লেখা না লিখলেও পারেন !!
অভাবনী।
হুম। একমত ।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত।
শুভবর্ষা।
প্রাকৃত বলেছেন:
ভাবনার কতটুকু গভীরে তলাতে হয়েছিল নির্জরদা?
লেখক বলেছেন: কী জানি।
শুভবর্ষা।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
দারুন লেখছেন বস। তয় কিছু থিম নিয়া আলাপ করা যাইতো। কালিদাসের মেঘ নিয়াও সময় কই। বৃষ্টি দেখাই ভালো। আপনার লিখাটা সেই বৃষ্টির মতোই। এদিকে আসলে আওয়াজ টাওয়াজ দিয়েন।
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা।
এলে অবশ্যই জানতে পারবেন, বস্।
টোনা বলেছেন:
অসাধারন ভালোলাগা আর অনেকগুলান কষ্ট রেখে দিয়ে গেলাম ... আর কিছু বলার নেই .......
লেখক বলেছেন: শুভবর্ষা।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, দিদি।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ছাতা পৃথিবীর অশ্লীলতম জিনিশের একটি।
লেখক বলেছেন: জি, জনাব।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
লয়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা
প্রিয়তে..........
লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন
বিষুন বলেছেন:
উৎসবের সময় মানুষ যেমন আমিও এখানে তেমন বাড়ী বাড়ী যাই আর নানান গল্প জুড়ি, ভাল-মন্দ খাই, আজ এক বাড়ী এসে ভিজলাম খুব। আহা ! আমারও ছাতা নেই নির্ঝর । ভিজতে ভিজতে আবার জানলাম , ' পঞ্চম ' নিজেই পূর্ণ তার শুদ্ধ নেই কোমল নেই। সব শেষে পঞ্চমে এসে দাঁড়িয়েছি আর একবার ।আরো কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকি ।
লেখক বলেছেন: আপনি কি আমার হারিয়ে যাওয়া সকল বৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পারেন, বিষুন?
বিষুন বলেছেন:
তাঁকে স্মরণ করি ।" পুরবে নিরব ইশারাতে একদা নিদ্রাহীন রাতে
হাওয়াতে কি পথে দিলি খেয়া -
আষাঢ়ের খেয়ালের কোন্ খেয়া । "
ভাল থাকুন নির্ঝর । ভাল থাকতে হয় । চারপাশে অনেক মানুষ আছে । অনেক মানুষ
লেখক বলেছেন: দেখি কী হয়। ধন্যবাদ, বিষুন।
অপ্সরা বলেছেন:
নতুন করে পড়লাম তোমার পুরনো লেখাটা। অসাধারন হয়েছে কবি।
লেখক বলেছেন: তুমি চিরদিন এমনই সুন্দর থেকো, মিনার্ভা। পৃথিবীর কোনো বিষাদ যেনো তোমাকে স্পর্শ না করে।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
এক ক্ষুদ্র পাঠকের অভিবাদন জানুন, কবি!
লেখক বলেছেন: রাত বলেছে যাই
হাসান মাহবুব বলেছেন:
শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় একটু ভিজতে আসলাম ফ্রেন্ডো। আজকে খুব ইচ্ছা করতেসিলো বৃষ্টির শব্দ শুনতে।
লেখক বলেছেন: প্রথমফাল্গুনে চট্টগ্রাম বৃষ্টি হয়েছে, ফ্রেন্ডো!
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
আমি বৃষ্টিভেজা মানুষ ভালোবাসিযারা বর্ষাতি ছাতা ছাড়া
না হয়ে দিশেহারা
হাঁটে অনন্ত পথে
তারা মহাপথিক আর্যপথের।
লেখক বলেছেন:
আমিতো কেবলই বৃষ্টিদগ্ধ কাদাপথ
পথিকের পদচিহ্ন বুকে ধরে স্বপ্নরথ
তৃণ বলেছেন:
বিষন্ন বর্ষা!
লেখক বলেছেন: তৃণ
হাসান মাহবুব বলেছেন:
শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয়
লেখক বলেছেন: শুভ বিকেল
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















(১০ আর ১১ একটু সুরটা ভেঙে দিলো , আমার কানের দোষও হতে পারে । )