নামাযের সময় ঢোল বাদ্য সহকারী র্যালী এবং স্থানীয় মুসল্লিদের বাধা। ঘটনাটি এখানেই শেষ হতে পারত।
কিন্তু রেলি থেকে একটি ঢিল ছোড়া হয়েছে বলে রব উঠে আর তখনই জেগে উঠে ঈমানী জোশ। দুর্বলদের উপর সবলদের চিরায়ত হুংকার। হামলা করল হিন্দুদের রেলিতে মুসল্লীরা।
সমঝোতা বৈঠকের প্রস্তাব দেয়া হয়। এবং বৈঠকে ক্ষতিপুরনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এখানেও শেষ হতে পারত ব্যাপারটা।
কিন্তু স্থানীয় জনতা ঈমানী জোশে হামলা চালিয়ে লোকনাথ মন্দির ভাংচুর করে।
আর হিন্দুদের ও ভিতর দুর্গা জেগে উঠৈ। তারা একটি মসজিদের দেয়াল ভেংগে ফেলে।
আর এতেই শুরু হয় সংঘর্ষ।
এটাতো সাম্প্রদায়িক দাংগা নয়।
কিন্তু এতে উস্কানি দিচ্ছে কারা।
বর্ডারে বিএসএফ এর হত্যাযজ্ঞ
দেশে হিন্দু মুসলিম সংঘাতে উস্কানী
ভারতের করিডর ট্রানজিট
তিস্তা চুক্তি ব্যাহত।
সবমিলিয়ে একটি ভারতীয় আগ্রাসনের ইংগিত নয়কি?
ভারতকে হামলার সুযোগ দিতে কি ক্ষেত্র তৈরী করা হচ্ছেনা?
আমাদের উচিত ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



