পুরোনাম খন্দকার ওয়াহিদ-উল আসিফ।
সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ। তার বাড়ী গাইবান্ধা জেলায় । ১২ ভাই বোনের মধ্যে আসিফ সবার ছোট। এই মেধাবী শিক্ষার্থী দুরারোগ্য থায়মোমা ক্যান্সার আক্রান্ত। যে ছেলেটি ক্লাস পরীক্ষার জন্য ক্যাম্পাসে ছুটাছুটি করত সে এখন সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালের সাদা বিছানায় মৃত্যর পথযাত্রী হয়ে শুয়ে আছে। তিলে তিলে মরণব্যাধী ক্যান্সার ধ্বংস করে দিচ্ছে তার পরমায়ুকে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে পরিবারের হাল ধরবে। এমন রঙ্গিন স্বপ্নের জাল বুনছিল যখন ঠিক তখনই তার শরীরে বাসা বেধেছে ক্যান্সার নামক ঘাতক এই অক্টোপাস। কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে তার স্বপ্ন। প্রতিক্ষন মৃতু্র প্রহর গুনছে সে। সবার চোখের সামনে টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসা মারা যাবে আসিফ! এটা মনে নিতে পারছে না তার সহপাঠীরা কেউই। তাই তারা নেমেছে ফান্ড সংগ্রহে। তাদের এই আহবানে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছে বিশ্ববিদ্যায়ের সকল ছাত্র শিক্ষক কমর্কতা কমর্চারী। সহানুভূতির হাত বাড়িয়েছেন র্সামথ্য অনুযায়ী। দেশে ও ভারতে চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে গেছে অনেক টাকা।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৩০ লক্ষ টাকা। সহায় সম্বল বিক্রি করে পরিবার যোগাড় করেছে ১৫ লক্ষ টাকা। সহপাঠীরা সংগ্রহ করেছে ৫ লক্ষ টাকা। এখনও প্রয়োজন ১০ লক্ষ টাকা। বর্তমানে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আসিফ। তাকে দ্রুত সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।
আসিফের পরিবারের জন্য এই টাকা যোগার করা সম্ভব নয়। তাহলে আসিফ কি বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে। আমরা কি আসিফকে বাঁচতে পারব না! । তার সহপাঠীরা কান্না জড়িত কন্ঠে বলল, না আসিফকে বাঁচতেই হবে। তাই আসিফের সহপাঠীরা দেশবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছে, আসিফকে বাঁচাতে,সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসার। আপনার একটু সহানুভূতি বা ভালোবাসা বাঁচাতে পারে একটি জীবন, একটি পারিবারের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। আসিফ সুস্থ হয়ে আবার ক্লাসে ফিরে আসুক। এটাই চায় তার সহপাঠীরা । বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে আট হাজার ছাত্রছাত্রী। একহাজার (আনুমানিক) শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবাই এগিয়ে এসেছে আসিফকে বাঁচাতে। এরই মাঝে সংগ্রহ করা হয়েছে পাঁচ লক্ষ টাকা। তার সহপাঠির আরো জানায়, আসিফকে বাঁচাতে ফান্ড সংগ্রহে সিলেট শহরের প্রতিটি বাড়ীতে যাবে তারা। আসিফকে বাঁচাতেই হবে।
আসিফকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা
সঞ্চয়ী হিসাব নং ৭৯৫৬।
সোনালী ব্যাংক, শাবিপ্রবি শাখা,
সিলেট।
অথবা
যোগাযোগ করতে পারেন,
ড.জহির বিন আলম
বিভাগীয় প্রধান,
পুর ও পরিবেশ কৌশল বিভাগ
শাবিপ্রবি, সিলেট। মোবাইল ০১৭১০৪৪৫৪৪২
অথবা http://www.sareasif.co.cc
( মূল লেখাটি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাইয়ের লেখা প্রথম আলোব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। লেখায় সামান্য পরিতর্নন আনা হয়েছে।)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



