somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাবলিনের ডায়েরী - নয় (১৬ অগাস্ট ২০০৮)

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত দুদিন রীতিমত হুটহাট করে বেশ কিছু ঘটনা ঘটে গেলো। অনেকটা মিরাকলের মতই মনে হচ্ছে, যেন হঠাৎ শুন্য থেকে হাতের মুঠোয় একটা বেড়ানোর সুবর্ন-সুযোগ চলে এসেছে। ভণিতা না করে খুলেই বলছি। পরশু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে মেইল চেক করে দেখি আমাদের ইন্টারনাল চেইনে একটা ওয়ার্কশপ কাম সামার স্কুলের ইনভাইটেশন এসেছে, নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের অলস্টার বিশ্ববিদ্যালয় (ডেরী ক্যাম্পাস) থেকে। প্রথমে খুব একটা গুরুত্ব দেইনি; এরকম বহু আমন্ত্রন প্রতিদিনই আসে। অতএব এটাকে বিশেষ ভাবে দেখার তেমন কোন কারন নেই। কিন্তু মেইলটা দৃষ্টি আকর্ষন করতে বাধ্য হলো সাবজেক্টের কারনে। সেখানে লেখা আছে খুব অল্প কিছু ছাত্রদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফিস মউকুফ করা হবে। আসন যেহেতু সীমিত, যারা আগে আবেদন করবে তারাই সুযোগ পাবে। দ্রুত যোগাযোগের ঠিকানায় চোখ বুলিয়ে নিলাম এবং প্রথম ধাক্কাটা তখনই খেলাম। জনৈক ড. এন এইচ সিদ্দিকী'র সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এই নামটা আমার খুব পরিচিত লাগলো। মনে করার চেষ্টা করলাম নামটা আমি কোথায় দেখেছি। পুরোপুরি মনে না পড়লেও অনুমান করতে সক্ষম হলাম। আমি যখন রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড (এই পোস্টে পরবর্তিতে এই নামটাকে সংক্ষেপে রিপাবলিক লেখা হবে) আসি তখন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড থেকে একজন স্যার আমাকে মেইল করে কনগ্রাচুলেট করেছিলেন। বলাইবাহুল্য তিনি বাংলাদেশী। আমিও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পাল্টা মেইল করেছিলাম। তবে এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। আমার কেন যেন মনে হচ্ছিল তিনিই ড. এন এইচ সিদ্দিকী। জিমেইলের আর্কাইভ মেইলে সার্চ দেয়ার সাথে সাথে বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে গেলো; আমার অনুমান শতভাগ সঠিক। চিন্তাটা তখনই মাথায় আসলো। একবার নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড থেকে ঘুরে আসলে কেমন হয়? রিপাবলিকের আইরিশদেরতো গত নয় মাস দেখলাম, এবার একটু পাশের দেশের আইরিশদের দেখে আসলে মন্দ হয় না।

যেমন ভাবা তেমন কাজ - দ্রুত স্যারকে মেইল করলাম। জানালাম আমি অংশগ্রহনে আগ্রহী। স্যারও প্রায় সাথে সাথে আমাকে পাল্টা মেইল করে জানালেন কোন সমস্যা নেই। খুবই সীমিত কিছু ফ্রি রেজিস্ট্রেশন তাঁরা দেবেন যার ভেতরে আমারটা গ্যারান্টেড! যদিও তাদের দেশের কুইনস ইউনিভার্সিটি অব বেলফার্স্ট এবং রিপাবলিকের ইউ. সি. ডি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু অনুরোধ চলে এসেছে তবে সেগুলোর সবার উপরে আমার প্রায়োরিটি কারন আমি বাংলাদেশি এবং এই ইভেন্ট অয়োজনের মূলভার স্যারের উপরে। অতএব আমি পরে আবেদন করেও ২৫০ পাউন্ডের রেজিস্ট্রেশন উয়েভার পেয়ে গেলাম।

অবধারিত ভাবে এর পর আলোচনার বিষয়ে এলো ভিসা। যেহেতু নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড যুক্তরাজ্যের একটা সাংবিধানিক রাষ্ট্র, অতএব এখানে প্রবেশ করতে হলে আমাকে ব্রিটিশ ভিসা নিতে হবে। দ্রুত গুগলে সার্চ দিলাম আরো পরিষ্কার হবার জন্য এবং বিস্মিত হয়ে জানতে পারলাম বিভিন্ন পরষ্পর বিরোধী তথ্য। রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের মাঝে যে বর্ডার রয়েছে (বিস্তারিত) সেটায় কোন কাস্টমস, ইমিগ্রেশন অথবা পাসপোর্ট কন্ট্রোল নেই। যদিও আকাশ এবং পানি পথে রিপাবলিক থেকে নর্দার্নে গেলে ভিসা স্ট্যাম্পিং করাতে হয় কিন্তু স্থল যাত্রা পথে কিছুই করতে হয়না। একটা ফোরামে এক ছেলে এভাবে লিখেছে যে যদি ওদিক থেকে এদিকে আসতে চাও তবে বাসে, ট্রেনে, সাইকেলে, ঘোড়ার পিঠে, কুকুরে টানা গাড়িতে বা হেটে আসো - কোন পাসপোর্ট কন্ট্রোল নেই। কিন্তু প্লেনে বা ফেরীতে আসলেই তারা ঘ্যান ঘ্যান শুরু করবে। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। তাই স্যারকে মেইল করে মতামত জানতে চাইলাম। স্যার আমাকে তার ফোন নাম্বার দিয়ে বললেন কল দিতে। যেহেতু মোবাইল থেকে করলে অনেক খরচ পড়ে, তাই আমি দ্রুত বাসায় এসে ভিওআইপি দিয়ে স্যারকে ফোন দিলাম। স্যার জানালেন ওদিক থেকে এদিকে অথবা এদিক থেকে ওদিকে নিয়মিত স্থল পথে যাওয়া আসা করে মানুষ। তবে ইদানিং থাকার মতলবে কিছু এশিয়ান নর্দার্নে ঢুকে আর রিপাবলিকে ফেরত যাচ্ছে না যেটা ব্রিটিশ সরকারকে চিন্তিত করে তুলেছে। এ জন্য মাঝে মাঝে বাসে পুলিশ দিয়ে চেক করানো হচ্ছে। তবে ট্রেনে এই সমস্যাটা নেই তাই স্যার ট্রেনে করে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিলেন। সাথে কাগজপত্রও রাখতে বললেন যাতে কোথাও চেক করা হলে যেন দেখাতে পারি যে আমি এখানকার ছাত্র এবং একটা ইভেন্টে অংশগ্রহনের জন্য নর্দার্নে ঢুকেছি। সত্য কথা বলতে কি, তবুও একটা ভয় মনের মাঝে রয়েই গেলো। আসলে ইমিগ্রেশনের লোক দেখলেই আমার কেমন যেন অসস্থি লাগে; যদিও দুই আয়ারল্যান্ডের মাঝে ইমিগ্রেশন শব্দটারই অস্তিত্ব নেই!

সবকিছু গুছিয়ে এনে কাল আমার সুপারভাইজারের সাথে দেখা করলাম বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে শুনলেন স্টিফান, তারপর বললেন যেহেতু রেজিস্ট্রেশনের কোন ঝামেলা নেই, অতএব আমার যাওয়ার ব্যপারে তার কোন আপত্তি নেই। ধন্যবাদ দিয়ে বের হয়ে আসার সময় স্টিফান ডেকে বললেন আমি যেন যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া এবং আর যা যা খরচ হয় সব ভাউচার রেখে দেই। সেটা পরে আমি ক্লেইম করে তুলে নিতে পারবো। এই বেলায় আমার মনে পড়লো অতিরিক্ত ৮,০০০ ইউরোর কথা যেটা আমাকে স্কলারশীপের সাথে দেয়া হয়েছিল। প্রায় হাজার ইউরো দিয়ে কম্পিউটার আর দুই দফা অপনেটের লাইসেঞ্জ কেনা ছাড়া বাকিটা সব একাউন্টেই পড়ে আছে। আমি এটা নিয়ে কোন দিন কথাও তুলিনি। আগামী অক্টোবরে এটা ফিরিয়ে দিতে হবে যদি খরচ করে শেষ করতে না পারি। স্টিফান তাই আবারও মনে করিয়ে দিলেন, যদি এক বোতল পানিও কিনি, সেটার রিসিট যেনো সংগ্রহ করি এবং সব কিছুতে নিয়মের মধ্যে থেকে যেনো সর্বোচ্চ খরচ করে ফিরি!

স্টিফানের রুম থেকে যখন আমি বের হলাম তখন প্রায় সপ্তম আকাশে আমার পা। আগের দিন ওয়েব থেকে ট্রেনের টিকেটের দাম দেখছিলাম, বেছে বেছে সবচেয়ে কম দামী ক্যাটাগরির - রিপাবলিকের রাজধানী ডাবলিন থেকে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্ট পর্যন্ত ১৯ ইউরো। আজ আবার নিজের ডেস্কে ফিরে এসে দাম দেখলাম। সবচেয়ে দামী ক্যাটাগরি, প্রিমিয়ারের। ৪৯ ইউরো। ব্যাপার না। এখন আমার কাছে দাম কোন বিষয়ই না! স্টিফানের গ্রিন সিগনাল সব কিছু বদলে দিয়েছে। কি আছে জীবনে, একটু না হয় পশ ভাবেই ভ্রমনটা করলাম।

আজ সারাদিন টুকটাক কেনাকাটা করলাম। একটা বড় টুরিস্ট ব্যাগ কিনেছি। ওটা কাধে ঝোলানোর পর নিজেকে ইবনে বতুতার ছোট ভাই মনে হচ্ছিল। ইশ যদি জীবনটা এমনই হতো। দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়াতে পারতাম। আমার ঘুরতে খুব ভালো লাগে - ইতিমধ্যে এশিয়ার বেশ কিছু এলাকা ঘোরা হয়েছে তবে ইউরোপে নিতান্তই নব্য পর্যটক। আয়ারল্যান্ড (রিপাবলিক) আর ইংল্যান্ড ছাড়া আর কোন দেশের বাতাসের গন্ধ পর্যন্ত নেয়া হয়নি। তবে এবার হবে ইনশাআল্লাহ। নর্দার্ন দিয়ে শুরু করি, এর পর একে একে ঘোরার পালা আসবে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, ফ্রান্স, ইটালী, সুইডেন, জার্মানী এবং সুইজারল্যান্ড। আপাতত এটা হিট লিস্ট। দেখা যাক কয়টা দেশ ঘোরার সৌভাগ্য ঈশ্বর কপালে রেখেছেন।

গোছানোর কাজ এখনো শুরু করিনি। কাল পুরো দিনটাইতো হাতে আছে। তাছাড়া আমি সব সময় এগারতম ঘন্টায় গোছানোর মানুষ। এখানে আসার আগের দিন রাতে আম্মু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল আমার ফ্লাইট ভোরে অথচ আমি কেন কিছুই গোছাইনি। আমি হেসে বলেছিলাম ভোরে ফ্লাইট, অতএব ভোরেই স্যুটকেস গোছাবো! জানি এবারও তাই হবে আসলে। সোমবার নয়টা ত্রিশের ট্রেন ধরার চিন্তা করছি। বেলফাস্ট পর্যন্ত দুইঘন্টা দশ মিনিটের যাত্রা; এর পর বেলফাস্ট থেকে ডেরী যেতে কতক্ষন লাগবে সেটা ঠিক জানি না। স্টেশন থেকেই বাস ছাড়ে। সোজা বাসে চেপে বসার পরিকল্পনা। তারপর যা আছে কপালে দেখা যাবে।

এখানে গত কয়েক সপ্তাহ খুব বৃষ্টি হচ্ছে। রীতিমত ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া বৃষ্টি। সাথে তুমুল বাতাস। বাসা থেকে বের হওয়াটা অনেকটা অত্যাচারের পর্যায়ে পৌছে গিয়েছে। ছাতা ছিড়েছে, জুতারও দশা ছেড়ার কাছাকাছি। তার উপর হালকা বৃষ্টিতে ভিজলেই আমার জ্বরজ্বর করে। তবু্ও ভিজতে খুব ভালো লাগে। মনে মনে বলি, হোক না জ্বর কয়েকদিনের জন্য। তবুও এই যে ভেজার আনন্দ, এটাতো অন্য কিছুতে নেই। একটাই জীবন; সেটাও যদি ছাতার নিচে কাটিয়ে দেই তাহলে শারীরিক মৃত্ত্বুর আগেই হৃদয়ের ছোট ছোট আবেগগুলোর অপমৃত্ত্বু ঘটবে। আর আবেগ ছাড়া শরীর মৃত্ত্বুর থেকেও যন্ত্রনাময়। আর যাই করি না কেন, একটা কাজ আমি সব সময় করার চেষ্টা করি, জীবনের প্রতিটা মুহুর্তকে উপভোগ করা। মূহুর্তটা সুসময় নাকি দুঃসময়, সেটা আমার কাছে বিচার্য বিষয় নয়, উপভোগ করাটাই মূখ্য!

১৬ অগাস্ট ২০০৮
ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×