ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে একরাত
০৮ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
বৃহস্পতিবার দুপুর। অফিসে বসে কাজের ফাঁকে মনে হল, রাতের বাসে চট্টগ্রাম যাব, অথচ কী সর্বনাশ, টিকেট করা হয়নি। তখন সিলেট-ঢাকা নতুন হাইওয়ে সবে চালু হয়েছে, চট্টগ্রামের দিকেও দু-একটা নামীদামী বাস নেমেছে। আগে থেকে না করলে টিকেট পাওয়া মুশকিল। পাশাপাশি দুটো সিটের টিকেট পাওয়া গেলনা। মনকে সান্ত্বনা দিই। যা বেতন, ভলভোর একটা টিকেটও আমার জন্য বেশ দামী। ঘন্টা সাতেকেরই তো মামলা।
আমার জীবনে, বিশেষ করে চাকরীজীবনে করা ভ্রমণের বেশীরভাগই হয়েছে রাতের বেলায়। কারণটা আর কিছুই না, সময় বাঁচানোর চেষ্টা। হয়তো ঈদের ছুটিতে বাড়ী যাব, দিনের জার্নি হলে মাঝে মোটে একটা দিন পাওয়া যায়। অথচ জার্নিটা রাতে হলে মাঝে আস্ত তিন তিনটে দিন। সময়ের চেয়ে দামী আর কী আছে? সংসারী হবার পর নিজের পোস্টিং, ট্রেনিং-ট্যুর, স্বামীর কর্মক্ষেত্র, বাপের বাড়ী, শ্বশুরবাড়ী- এসবের শিডিউল মেলানো বিষম জটিল ব্যাপার। এই জট হাল্কা করতে গিয়ে ভয়াবহ কান্তিকর নির্ঘুম নৈশভ্রমণের অসংখ্য অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে।
যা বলছিলাম। সেবারের যাত্রা সিলেট থেকে চট্টগ্রাম। বাচ্চার বাবা গেছে বিদেশে। বাসায় বাচ্চাকে রাখত যে মেয়েটা- সুযোগ বুঝে পাড়ার মাস্তানের সঙ্গে হাওয়া। ঠিকা বুয়া চান্সমতো গায়েব। আড়াই বছরের বাচ্চাকে নিরুপায় হয়ে চট্টগ্রামে রেখে এসেছি মা-বোনের কাছে। সপ্তাহান্তে একদিনের জন্য তাকে দেখতে যাওয়া। বাসের সুরত দেখে স্বস্তি পাই। আমার সীট ডানদিকের এক জানালার ধারে। এমন যাত্রায় প্রথম প্রথম পয়সা বাঁচাতে পাশের সীটে মহিলা যাত্রী দিতে বলতাম। একবার এক মহিলা সারা রাত ধরে মাথা থেকে একটার পর একটা উকুন টেনে এনে নখে ফোটাচ্ছিলেন। বমি আসার মতো দৃশ্য। এরপর থেকে নিজে টিকেট কাটলে পাশাপাশি দুটোই কাটি, নিশ্চিন্ত আরাম। এযাত্রা তা হলো না; কেমন হবে সহযাত্রী, কে জানে!
কিছুক্ষণের মধ্যেই বান্দা হাজির। দীর্ঘদেহী যুবক, শাহরুখ-কাট চুল, আমার সমবয়সী বা একটু জুনিয়রও হতে পারে, পোশাক-আশাকে স্বচ্ছলতার ছাপ যতটা, রুচির ততটা নয়। পাশের আসনে আমাকে দেখে অবাক হয়েছে, আর সেই বিস্ময় গোপন করার কোন চেষ্টাও করছেনা। কোণাকুণি বেঁকে বসে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকিয়ে আছে। "লেডিজ" এইখানে কেন- এমন একটা ভঙ্গিতে। আমি তাকিয়ে আছি জানালার বাইরে; একটা অ্যাঙ্গেলে কাঁচে তার প্রতিবিম্ব দেখতে পাচ্ছি । কন্ডাক্টর ছেলেটা মিনারেল ওয়াটারের বোতল দিয়ে গেল। সামনের সীটের পকেটে রাখতে যাব; দেখি ওটা ব্লেডজাতীয় কিছু দিয়ে কাটা। ওস্তাদ লোকের হাতে পড়েছিল বোধহয়। অমনি গলা পাই পাশ্ববর্তীর- "আমারটাতে রাখেন"। চোখাচোখি হয়, ধন্যবাদ দিই। "আপনি দেখি একা যাচ্ছেন, আমিও কিন্তু একা, আমার নাম ইলিয়াস কাঞ্চন", হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এবার আমি অবাক হই। আমার পেশায় বহুরকম লোকজনের সঙ্গে দেখা হয়; অফিসে কাজ সেরে চলে যাবার সময় অভ্যাসবশত অনেকেই হ্যান্ডশেকের জন্য হাত বাড়ান। কেউ কেউ খুব স্মার্টলি তাৎক্ষণিকভাবে নিজেই হাত ফিরিয়ে নেন, বাকীদের বেলায় আমি নিজেই হাত তুলে সালাম দিয়ে ফেলি (তা সামাজিক বাস্তবতায় হোক, বা ব্যক্তিগত ইচ্ছায়ই হোক)। নেহাত উজবুক না হলে লোকে ঈঙ্গিতটা বুঝে নিতে পারে। এই ব্যাটাকে তো আর সালাম দিয়ে বিদায় করার কিছু নেই, কি বলব একে? ইটস ওকে, নাইস টু মীট ইউ... বিড়বিড়িয়ে এমন কিছু বলে ঘাড় সোজা করে বসি। বাস চলতে শুরু করে।
"আপনার মোবাইলে মনে হয় ভাইব্রেশন হচ্ছে"- ইলিয়াস কাঞ্চনের কথায় একটু চমকে উঠি। বিকেলে কোর্ট করেছিলাম রিংগার বন্ধ করে, তারপর ভুলে গেছি। ধন্যবাদ দিয়ে মুঠোফোন বের করি। আমার বন্ধুভাগ্য কখনো কখনো বিস্ময়কর রকম ভাল। যখনই রাতে একা জার্নি করেছি, কেউ না কেউ নিয়মিত বিরতিতে কল বা মেসেজ দিয়ে যাত্রাপথের বিরক্তিকর সময়টা সংক্ষিপ্ত ও উপভোগ্য করে তুলেছে। আর নিরাপত্তাহীনতার স্বাভাবিক দুশ্চিন্তাটাও এতে কমেছে বৈকি। সেই বন্ধুরা- কলি, সিগমা, রেজা- আবার আমার সহকর্মীও। প্রত্যেকের একই প্রশ্নের জবাব দিই। কখন ছাড়ল, এখন কোথায়, কখন পৌঁছাবে এসব। এরপর আর কল না, নিঃশব্দে শুধু মেসেজ চলবে, সেটাও ওদের জানিয়ে দিই। কথা শেষ হতে না হতেই পাশ থেকে ইলিয়াস কাঞ্চন ঝুঁকে পড়ে- "আপনি কষ্ট করে মেসেজ লিখবেন কেন, কথা বলেন, আমার কোনো অসুবিধা হবে না"। আরে কী জ্বালা, ওভারহিয়ার করে আবার সেটা জানানও দিচ্ছে! "আর আপনার যদি ক্রেডিটের বা চার্জের চিন্তা থাকে তাহলে আমার মোবাইল নিবেন, আমার তিনটা মোবাইল, পোস্টপেইড আইএসডি... ... ..."। কালো লেদার জ্যাকেটের খাপখোপ থেকে সত্যিই তিনটে দামী চেহারার মুঠোফোন বের করে এগিয়ে ধরে সে। ধন্যবাদ দিয়ে না করি। তার মুখের অবস্থা দেখে মনে হয় কেউ মাথায় বাড়ি দিয়েছে। কোলের ওপর তিনখানা মোবাইল নিয়েই বসে থাকে সে।
কিছুক্ষণ চুপচাপ। তারপর আবার মুখ খোলে ইলিয়াস কাঞ্চন।
-আমি কিন্তু ছাত্র না; আমাদের ব্যবসা আছে। ইন্ডিয়ার সাথে, মিডল ইস্টের সাথে। আগারের, পাথরের। আগার বুঝছেন? পারফিউম বানায় একটা গাছ থেকে... ... ... আচ্ছা আপনার প্রিয় পারফিউম কোনটা?
-আগার গাছ দেখেছি। পাথর কোনটা আনেন, কোন্ রুটে?
-বোল্ডার পাথর আনি। মেঘালয় থেকে। কোম্পানীগঞ্জ দিয়ে।
-আপনি ঠিক জানেন?
-অফ কোর্স, আমার নিজের ব্যবসা, যদিও স্টাফ আছে...
-আমার মনে হয়না। কারণ ঐ রুটে বোল্ডার আনার পারমিশন নেই। শুধু চুনাপাথর আসে।
-আপনি জানেন, মানে, কেমন করে, এইসব...
-আপনার এজেন্টের মাঝিরা পাসপোর্ট নিয়ে ওপারে যায়না। যায় পারমিট-কার্ড নিয়ে। ওখানে আমার সই করতে হয়।
-আ আ আপনি ডিসি অফিসে...
-হ্যাঁ।
আলাপটা ইচ্ছে করেই ওদিকে গড়িয়ে নিয়েছিলাম, যাতে তার মুখটা বন্ধ হয়। জেলাশহরে এই কায়দা সাধারণত খুব ফলপ্রসূ হয়। ইলিয়াস কাঞ্চনের বেলায় উল্টোটা ঘটল। তার কৌতূহল আরো বেড়ে গেল। সিলেটে কোথায় থাকি, বাবামা কোথায়, লাগেজ কোথায়, খুব ভোরে পৌঁছাবো তখন আপত্তি না থাকলে সে একটা লিফট দেবে, গান শুনতে চাই কিনা- তার আইপড সঙ্গে আছে... ... ...। টানা বকবক করে যাচ্ছে। তার জন্য ফ্যামিলি থেকে পাত্রী দেখছে, ঐরকম আনস্মার্ট হাবাগোবা ইন্টার পাশ মেয়েদের তার পছন্দ হয়না, বাপচাচারা বলছে নিজেই খুঁজে নাও, মনমতো পাওয়া যায়না... ... ... । এতক্ষণে ঘটনা বুঝি। মনে মনে বলি, বাপধন, আমার বর-বাচ্চার কথা একটু জানতে চাও, তারপর চুপ করে যাও। কিন্তু তার ফ্লো আর বন্ধ হয়না। হঠাৎ মোবাইলে একটা মেসেজ এসে আমাকে উদ্ধার করে। সেটা পড়ার ছলে ঘুরে বসি। উত্তর লিখি, আবার মেসেজ পাই, তার জবাব দিই, এভাবে চালাই অনেকক্ষণ। সহযাত্রীর দিকে আর ফিরিনা।
কুমিল্লায় সুন্দর একটা রিসোর্টমতো জায়গায় এসে বাস থামে। আধঘন্টা সময়; ফ্রেশ হও, ঝকঝকে রেস্টুরেন্টে খাও, কুমিল্লার খাদি বা রসমালাই কিনে নাও। কে বলবে এখন রাত দুটো বাজে! নামার ইচ্ছে ছিলনা, কিন্তু ভেবে দেখলাম বাসে বসে থাকলে ইলিয়াস কাঞ্চন ঠিক হাজির হয়ে খেজুরে আলাপ জুড়বে। অগত্যা নামি। দোকানে গিয়ে বাচ্চার জন্য চকোলেট দেখি। ভয়াবহ দাম; আবার রেখে দিই। দোকানি হাসে, বিদেশি জিনিস আপা। নেসক্যাফে বুথে গিয়ে কফি নিই। ভয়ংকর মিষ্টি ট্যালটেলে তরল। ডিসপোজেবল কাপটা সিংকে উপুড় করে ঢালি; দেখি ওপাশে আরেকজনও একই কাজ করছে। ইলিয়াস কাঞ্চন। কাপটা বিনে ফেলে খাদির দোকানে যাই। কিছুক্ষণ উইন্ডো শপিং করব। দোকানজোড়া আয়না, তার মধ্য দিয়ে হঠাৎ দেখি কাঁচের ওপাশে আবার নায়কমশাই। আমি যেদিকে যাই, সমান্তরালে সেদিকেই যায়। বিরক্তির পাশাপাশি বিয়ের আগে এমন ইন্টারেস্টিং একটা ঘটনা ঘটল না, সেজন্য একটু আফসোসও হয়। রসমালাইয়ের কথা মনে পড়ে। কিনে বাসে ফিরি। ওঠার মুখে মনে হয়, মা এতক্ষণে তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে গেছে। একটা ফোন দিয়ে বলি ভোরে গেইট খোলা রাখতে, এক বন্ধু যাবে। মা ঠিক বুঝে ফেলে, আমিই যাচ্ছি। বাবু কেমন আছে, কখন উঠবে- এসব কথাবার্তা শেষ করে বাসে উঠে পড়ি।
বাকী পথটায় ইলিয়াস কাঞ্চনের তেমন সাড়াশব্দ পাওয়া যায়না। চট্টগ্রামে ঢোকার মুখে তার কথা শুনি। "আপনি তো আপনার মোবাইল নাম্বারটা আমাকে দিবেন না, আমারটা একটু রাখবেন? জানি, কখনোই কল দিবেননা... কিন্তু আমার ভাল লাগবে যে আপনার কাছে আমার একটা নাম্বার আছে... ... ... আচ্ছা, ধরেন আপনি যদি কখনো কোনো গন্ডগোলের সময় পাথর কোয়ারীর ডিউটিতে যান, আমার লোকজন আছে... ... ... আমি আসলে চুনাপাথরই আনি; আসলে আপনার কাছে একটু স্মার্টভাব দেখানোর জন্য বোল্ডার বলছিলাম... "। তার কন্ঠ ক্ষীণ হয়ে আসে। হঠাৎ মনে হল, ছেলেটার কথায় কোথাও একটা সরলতা আছে। আমি তাকে খারাপ ভাবছি কেন? একটা নাম্বার রাখি তার। সে হাসে, "এখন থেকে অচেনা কোন নাম্বার থেকে রিং আসলে প্রথমেই মনে করব আপনি। যদিও আপনি করবেন না"।
আমি নামব শেষ স্টপের আগেই, ফয়'জ লেইকের কাছে। বাইরে তখনও শেষরাতের আঁধার। বাসের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে দুহাতে মালপত্র ধরে গতিজড়তা সামলাচ্ছি; ইলিয়াস কাঞ্চন দেখি এগিয়ে আসছে। মিনারেল ওয়াটারের বোতল দিতে কি? ওটা তো নেবনা। না, সে কিছু দিতেই আসছে, তবে বোতল না, কীসের যেন প্যাকেট। সর্বনাশ, ঐ আগুন-দামের চকোলেট! ফেরো রোশের না কী নাম, চার অংকবিশিষ্ট মূল্য। আমার আপত্তি অগ্রাহ্য করে হাতে ধরা রসমালাইয়ের হাঁড়ির উপর রাখল পিরামিড আকৃতির সাদা সোনালী প্যাকেট। আমার দু'হাতই জোড়া, ফিরিয়ে দিই কেমন করে! কন্ডাক্টরের তাড়ায় নেমে যাই; বাস ছেড়ে দেয়। রাস্তার একপাশে সরে যেতে যেতে শুনতে পাই, বাসের দরজায় দাঁড়ানো ইলিয়াস কাঞ্চন গলা তুলে বলছে, "চকলেট আপনার বাবুর জন্য...!"
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ভ্রমণ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ভ্রমণ, স্মৃতিচারণ বিভাগে ।
অন্যআনন বলেছেন:
বর্ণনা চমৎকার কিন্তু শিরোনামটা কি চটকরে পাঠককে কাছে টানার জন্য!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শিরোনামই আপনাকে টানল বুঝি?
আমার মনে হয়েছিল এটাই যথাযথ হবে... "জার্নি বাই বাস" টাইপ কিছু না হয়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
অন্যআনন বলেছেন:
দারুণ অভিনব চিন্তাশীলতা নুশেরা তাজরীন!! আমাকে শিরোনামই যদি টানতো তাহলে বর্ণনার চমৎকারিত্বে অভিভূত হয়ে বোধহয় মন্তব্য দেয়া হতো না। তবে, কাছে টানাও তো এক প্রকার সার্থকতা, তাই না!! গদ্য নিয়ে আপনার আগ্রহ ও অভিমান বেশি মনে হচ্ছে!! শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ। ঠাট্টা করে বলেছিলাম। সিরিয়াসলি না নিলে স্বস্তি পাই।
শুভ কামনা আপনাকেও।
(ঘটনাটা সত্যি; আর ঐ সহযাত্রীর নাম আসলেই ওটা ছিল)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
ভাল লিখেন৷ এখনকার বাংলা কথা সাহিত্যদের লেখা আমি পরি না ৷ রিজিয়া রহমানের লেখা ভাল লাগত৷ কেও জানে এখন কেন লেখেননা?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আমিও রিজিয়া রহমানের লেখা খুব পছন্দ করি। অনেকদিন তাঁর নতুন লেখা পড়িনি, সত্যিই।
লেখক বলেছেন: করে কিনা জানি না।
অন্য আননকে দেওয়া দুটো জবাবে মানেটা পাওয়া যাবে।
ধন্যবাদ।
প্রান্তজাকির বলেছেন:
নুশেরাদের কাছে এমন অনেক ইলিয়াস তৈরি হয়!!!! কখনো তারা কাঞ্চনও(?) হয়ে যায় বটে। তবে তা ঢের কম। গল্প বলার ঢং বেশ আরামদায়ক, নরম স্রোতেরমত। টলেনি। ভালো লেগেছে ।
অন্যআনন বলেছেন:
"নরম স্রোতেরমত"...ভালো বলেছেন প্রান্তজাকির।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
মজার ব্যপার হল যারা হেডলাইনটা দেখে পরা হতাশ হয়েচে তাদের নিজেদের বোকামিটা ধরার মত বুদ্ধিও এদের নাই আর উলটো পালটা মন্তব্য করে৷ এরা professional না৷
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের সেরা দিকটি হল কারো নাম উল্লেখ না করা।
ধন্যবাদ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
চমৎকার লেখনি আপনার । বেশ ভালো লাগলো । একটু কৌতুহল, ইলিয়াস কাঞ্চন তো আপনার বর-বাচ্চার কথা জানতে চায়নি । চকলেটের ব্যাপারটা সে কিভাবে বুঝলো ?
লেখক বলেছেন: সম্ভবত মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় শুনেছে। আমার অনুমান।
লেখক বলেছেন: ধুরররর!!!
লাল পিপড়া বলেছেন:
হ । তপন চৌধুরি অনেক চালাক লুক । তবে নিজের মনে মনে .........
লাল পিপড়া বলেছেন:
আপনার ওয়েবসাইটটা দেখলাম । এক কথায় চমৎকার । বুকমারক করলাম ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পারভেজ বলেছেন:
শিরোনামটা আসলেই গোলমেলে! নায়কের কথা মনে করে পড়া শুরু করেছিলাম যদিও! ভেবেছিলাম কোথাও হয়তো যোগসূত্রতা খুঁজে পেয়েছিলেন! লেখা ঝরঝরে! পড়ে ভালই লাগলো। একটু মনে হয় নিরাশ হয়েছি প্রথম পোস্টের সাথে তুলনা করে! ভাল থাকবেন!
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ময়ুরবাহন বলেছেন:
তপন চৌধুরীর ব্রেনটা স্ক্যান করে দেখতে চাই। এত বুদ্ধি যে মাথাতে সেটা ভেতর কী আছে? উনি জাতির জনক। দেশের ভবিষ্যত প্রধান মন্ত্রী। সেটা উনার শেষ পোস্টটা দেখলেই বুঝতে পারবেন।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
শিরোনাম পইড়া নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন মনে করছি। তবে নাম দেইখা পড়ার শখ হয়নাই। ইদানিং নায়ক-গো নাম শুনলেই পোস্টে মাইনাস দিতে মন চায়। কিন্তু যা লিখছেন। তাতে মাইনাস দিমু কেমবায়? লেখক বলেছেন: হা হা হা, ধন্যবাদ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
লেখাটা চমৎকার হয়েছে ।ইলিয়াস কাঞ্চনরে একটা ফোন দিয়েছিলেন নাকি পরে ?
( হায় , বিয়ের পরেই দেখি সবার জীবনে রোমান্টিক ঘটনাগুলো বেশি হয় । )
লেখক বলেছেন: না রে ভাই, ঐকালে গ্রামীনের কলরেট ৭টাকা! যদিও ধন্যবাদ দেয়ার ইচ্ছা আসলেই ছিল।
(খালি বিয়ের পরেই না, বাচ্চা হওয়ার পর সেরকম আফসোসের ঘটনা আরও বাড়ে। আপনারও খবর আছে, হে হে)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনার লেখার হাত চমৎকার... গল্প উপন্যাস লিখেন নাকি?
লেখক বলেছেন: হাহাহা, সুদূর অতীতে ছাত্রজীবনে দুএকবার গল্প লেখার অপচেষ্টা চলেছিল।
ধন্যবাদ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ঝরঝরে লেখা । লিখতে থাকুন ।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আইরিন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
আপনার সাইটটা দেখলাম... আপনার লেখার মতই চমৎকার.. ঝরঝরে... ড্রুপালের এই থিমটা আগে দেখিনি... ওদের ওয়েবও দেখলাম ডাউন। তবে সবচেয়ে ভাল লাগলো আপনার আগ্রহ দেখে। এদেশে নিজে ওয়েব হোস্টিং কিনে নিজের বাংলা সাইট করে লেখালেখি করা মানুষের সংখ্যা নিতান্তই হাতে গোনা।
নুশেরা বলেছেন:
অজস্র ধন্যবাদ, ত্রিভুজ।বিশেষ উদ্দেশ্যে (অটিজম নিয়ে) একটা সাইট শুরু করার আগে একটু দেখে নিলাম কীভাবে কী করা যায়।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ, বিবর্তনবাদী।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
পড়ে মজা পেলাম।
লেখক বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
সুন্দর লাগল...ভাষা দারুন
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
না বলা কথা বলেছেন:
ভাব ভালো না।
মাঈনুদ্দীন বলেছেন:
খুব চমৎকার। আপনি আরও বেশী বেশী লিখুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
জুলিয়ান সিদ্দিকী বলেছেন:
"আসলে আপনার কাছে একটু স্মার্টভাব দেখানোর জন্য বোল্ডার বলছিলাম... "ও ব্যাটা তো এমনিতেই যথেষ্ঠ ইসমাট! মাইয়াগোরে দেখেলে ক্যান যে পুলারা আরো ইসমাঠ হইতে চায় বুঝি না। আবার মাইয়ারাও মনে মনে পাত্তা না দিলে উপরে উপরে আরো বেশি পাত্তা না দেওয়ার ভাব দেখায়।
তবে ভালো হইসে। শিরোনাম দেইখ্যা কালকে ভাবসিলাম অন্য কারো লেখা বুঝি। নাম খেয়াল করি নাই। দৌড়ের উপরে আসি তো!
লেখক বলেছেন: মাশাল্লাহ, দৌড়ের উপরেও এতো লিখতে পারেন!
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
~টক্স~ বলেছেন:
তোমার নতুন লেখা পড়লাম আপুনি, ফেরো রোশের আসলেই আগুনের মতন দামী চকলেট, অস্ট্রেলিয়ান ডলারে খরচ করতেও গায়ে লাগে এমন অবস্থা। সামহোয়ারিনে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত মন্তব্যও পেতে পারো, তার মধ্যে যদি কিছু কিছু পড়ে তোমার মানবিক বুদ্ধিহীন কেউ লিখেছে বলে মনেহয় তাহলেও অবাক হবার কিছু নেই। ইলিয়াস কাঞ্চনের মতন অনেক মানুষই আছে যারা কোনও ললনা দেখলেই কথা বলার জন্য উৎসুক হয়ে ওঠে। আরো কি কি যেন বলব বলব ভাবছিলাম, মনে নেই। পরে কোনো সময় মনে আসলে বলব। আর তোমার লেখা পড়ে কেমন লাগে আমার কাছে সেই ব্যাপারে মনেহয় নতুন করে না বললেও চলবে। ভাল থেকো।
লেখক বলেছেন: যাক, ভাইটা এতক্ষণে পড়ল!
(কিছু "ক্ষমতা" হাতে পেলে খুব সাধারণ মানুষও নাকি সেটা অ্যাবিউজ করার প্রবণতা দেখায়- কোন মনীষী বলেছিলেন। সবখানেই তেমন কেউ না কেউ থাকবে, এতে অবাক হবার কী আছে!)
হনলুলু বলেছেন:
আপনার হাতের লেখা অসাধারন ........ অনেক সাবলীল ...... নতুন লেখার অপেক্ষায় রইলাম ......
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আপনার খুব ভাল কটা লেখা পড়ে আপনার ব্লগ ট্র্যাকে রেখেছিলাম। পড়ে আর নতুন কোন লেখা পাই নি। অবশ্য আমার যাওয়াও হয় না ওদিকটায় বেশী।এখানে আপনাকে পেয়ে অনেক ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, রন্টি।
সুদীপ্ত সরকার বলেছেন:
দারুণ লেখার হাত! পাঠে তৃপ্তি হইল অনেক। দিল খুলে প্লাস!
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ, দিল খুলেই!
দূরন্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন:
সাড়াক্ষণই মনে হল এই বোধহয় বলে বসেন, আরে এ যে আমাদের নায়ক সাহেব...........।আপনার বর্নণাশৈলী চমৎকার। কিছুটা শ্লেষ আছে যা পাঠককে অবশ্যই আনন্দ দিবে। বাট ওই দুই ভদ্রেলোক ই কা এন্ড ই কা মাইন্ড করবেনাতো.......।
চি না 'মৌসুমী' কে একরাতে স্বপ্নে দেখলাম। ভাবছি আপনার অনুকরনে "মৌসুমীর সঙ্গে একরাত" লিখে ফেলবো.....।
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নিজের মতো করেই লিখবেন, উপভোগ্য হবে নিশ্চয়ই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অপূর্ব।
মুহিব বলেছেন:
অতঃপর
লেখক বলেছেন: কী???
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কৌশিক বলেছেন:
স্ক্রল করতে করতে হাত ব্যাথা হয়ে গেল, হেভি হইছে।
লেখক বলেছেন: হাহাহা, অনেক ধন্যবাদ।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
দুর্দান্ত লেখনী!
লেখক বলেছেন: ![]()
ধন্যবাদ, অমিত।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
খুবই ভালো লেখার স্টাইল আপনার.....অত্যন্ত ঘটনাবহুল ঘটনার ছোট ছোট পর্বগুলোকে আপনি বাদ দেননি....কিন্তু লেখাটাকে বোরিংও হতে দেননি....দারুন উপভোগ্য.....দারুন সাবলীল.....
লেখক বলেছেন: অধমের পরম সৌভাগ্য...
আপনার জন্মদিনে আমাকেই উপহার দিয়ে ফেললেন দেখি!
ভাল থাকুন।
(আজ কিন্তু সত্যি সত্যিই একটা কেক বানিয়েছি; আমার ৫বছর বয়সী মেয়েটা "হ্যাপী বার্থডে" বলতে ভালবাসে- আমরা মেলবোর্নে বসে তার নাফিস মামার জন্মদিন করে ফেলব
)
লেখক বলেছেন: বাপরে!!!
শিরোনামহীন বলেছেন:
প্রিয়তে...................
লেখক বলেছেন: ধন্য করলেন। কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
অনবদ্য লেখনী। চমৎকার উপস্থাপন। সাবলীল বর্ণনা। পাঠককে পাঠে নিমগ্ন রাখার নিপূণ দক্ষতা।
লেখক বলেছেন: ওরে বাবা, এটা কার ব্লগ, ঠিক দেখছি তো!?!
লেখক বলেছেন: ![]()
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সহজ করে লেখা পড়তে ভাল লাগে, আপনারটাও ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এটা দেখুন, হিন্টস আছে।
http://www.sachalayatan.com/alamgir/17590
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হুমম, যাবেন মাঝেমধ্যে সময় করে।
লেখক বলেছেন: কন্টেন্ট পড়ে হতাশ না হলেই হল।
লেখক বলেছেন: ![]()
পাগল রাজা বলেছেন:
আপ্নার লেকার হাথ ভালো
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু
রাশেদ বলেছেন:
স্বাগতম আপনাকে। ঐ পাড়ায় দেখছিলাম মনে হয় আপনার নাম, সিউর না অবশ্য!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, রাশেদ। সচলায়তনেও দেখে থাকতে পারেন।
লেখক বলেছেন: হ, আমিও তো সেই কতাই কই। আপনেই শুধু বোঝলেন।
লেখক বলেছেন: আপনার স্মরণশক্তি ভাল ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
সৌন্দর্য্য
লেখক বলেছেন: শুকরিয়া ![]()
যীশূ বলেছেন:
দারুন! ভাগ্য ভালো এমন একটা শিরনাম দেয়ার জন্য, না















