সভ্য এ পৃথিবীর অসভ্য দংশন ছিঁড়ে ফেলে আমাদের এবং আমায়

আমার দেখা পূজা: ছোটবেলা বনাম বড়বেলা (অনুপ্রেরণায়: সহব্লগার কৌশিক)

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার ছোটবেলা মানেই আশির দশক। যান্ত্রিক বিনোদনের স্বল্পতার জন্যই কিনা কে জানে, তখন মানুষের হাতে মানুষের জন্য কিছুটা বাড়তি সময় ছিল। মানবিক সম্পর্কের সুতোগুলো এতটা জটিলতায় পাক খায়নি তখনও। ঈদ আর গরমের ছুটিটা বোধহয় একসঙ্গে পড়ত। পূজাতেও বেশ লম্বা একটা ছুটি পেতাম। এসব ছুটিছাটায় বাবামায়ের শাসনমুক্ত পরিবেশে নানাবাড়ীতে দীর্ঘদিন কাটানোর সৌভাগ্য হতো আমার।

আমার নানাবাড়ী নোয়াখালীতে; একটুর জন্য পৌরসভার সীমারেখার ঠিক বাইরে পড়া একটা গ্রামে। সেটা যে হিন্দুপ্রধান; তা তার হরিনারায়ণপুর নামেই স্পষ্ট। সেখানকার এক জমিদার রায়বাহাদুর উপাধি পেয়েছিলেন বৃটিশরাজের দাক্ষিণ্যে। তার বাহাদুরিতে একটা রেলস্টেশনও হয় সেই গ্রামে; অথচ এর কাছেই মাইজদী কোর্ট স্টেশনটা বেশী হলে তিনচারশ গজ দূরে। চট্টগ্রাম থেকে কোন চড়নদারের হাওলায় লাকসামে ট্রেন বদল করে সেই ছোট্ট স্টেশনে এসে নামতেই দেখতাম নানার সঙ্গে আমার স্থানীয় বন্ধুকুল কয়েকঘন্টা ধরে অপেক্ষায়। ক্লান্ত মুখগুলোতে উপচে পড়া হাসি। এদের দুএকজন আমার লতা-পাতা কাজিন; বাকীরা অনাত্মীয় প্রতিবেশী, যাদের বেশীরভাগই হিন্দু পরিবারের।

প্রতিবছর দুর্গাপূজার বেশ কিছুদিন আগে থেকে ঐ বন্ধুদের প্রস্তুতি চলত বাজী ফোটানোর। ভাবতে অবাক লাগে আমরা মুসলমান বন্ধুরাও উৎসবটাকে কত অনায়াসে নিজেদের বলে ভেবে নিয়ে প্রস্তুতিতে অংশ নিতাম। আমার সঙ্গে থাকত চট্টগ্রামের বিহারি কলোনী থেকে শবে-বরাত মৌসুমে কেনা বাজী (সৌজন্যে মা, মামা)। গ্রামের পালপাড়াটি ছিল নানাবাড়ীর খুব কাছে। সারাদিনই কাটত মূর্তি গড়া দেখতে। পাটখড়ি আর খড়ের অদ্ভুতদর্শন কাঠামোর গায়ে একটু একটু করে মাটি থুপ থুপ করে বসিয়ে রাঁদার মতো কী একটা দিয়ে চেঁছে মসৃণ করে বারবার কাদামাটির লেপ দেয়া হতো। সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব ছিল রঙের প্রলেপ দেয়া। কাদামাটি আর রঙ পাতলা করার সস্তা "মাটিয়া" তেলের গন্ধটা পালবাড়ীর উঠানে পা দিলেই পাওয়া যেত। এখানে বলে রাখি, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার নানাবাড়ী ছিল কয়েকটি হিন্দু পরিবারের মেয়েদের আশ্রয়স্থল। এক ভদ্রমহিলার স্বামীর অগস্ত্যযাত্রা আর ছেলের জন্ম দুটোই ঘটেছিল সেখানে। তাই ঐবাড়ীসহ আশেপাশের কিছু হিন্দু বাড়ীতে আমাদের খুবই খাতির ছিল। আর আমার মা তো তাদের অতি প্রিয় গর্বের ধন। কাজেই চাওয়া মাত্র মূর্তির গায়ে রঙতুলি বোলানোর সুযোগ দিতেন হারুমামা (হারাধন পাল)।

জমিদার রায়বাহাদুর এর উত্তরপুরুষ বঙ্গভঙ্গ আর দেশবিভাগের সময় দু'দফায় কলকাতায় চলে যাবার পর পরিত্যক্ত বাড়ীটা শরিক আর দখলদারদের টানাটানিতে পড়ে যায়। তারপরও ঐতিহ্য বজায় রেখে ঐবাড়ীর ঠাকুরদালানের উঠানেই গ্রামের মন্ডপ করা হত। হারুমামার বাবা-দাদারা মূর্তি গড়তেন জমিদারের অবিভক্ত পরিবারের; তারা নাকি যৌথ পরিবারের প্রতীক হিসেবে একচালার ঠাকুর গড়তেন। একচালা মানে হল এক মঞ্চের ওপর আর একই কাঠামো-ছাদের নীচে দুর্গা আর তার পুত্রকন্যার অবস্থান। পরে বারোয়ারি পূজায় সেই চলটা আর থাকেনি। তখন ছোট ছোট আলাদা বেদীর ওপর একেকটা মূর্তি। মূর্তির গহনা নাকি আগে সোনার হতো; অঙ্গাবরণ হিসেবে কলকাতা থেকে স্পেশাল গরদের শাড়ী আনাতেন জমিদার। ক্ষুদ্র পেশাজীবিদের চাঁদায় আর তা কুলোয়নি; বিকল্পায়নের অর্থনীতির স্বত:প্রয়োগ ঘটেছিল। মাটি দিয়েই শাড়ী আর ধুতির কুচির ভাঁজ তৈরিতে বিশেষ দক্ষতা দেখাতেন পালবাড়ীর একজন। সর্বশেষ সংযোজন ছিল কচুরিপানার শেকড়ের চুল আর মাটির ওপর সোনালী রং করা গহনা।

পূজামন্ডপে আমাদের আকর্ষণ ছিল সন্ধ্যার পরপর বাজী পোড়ানো; মূলত তারাবাজি আর রকেটবাজি। শব্দদূষণের আগ্রহ তেমন ছিলনা কারো। আরতির সময় ঢাক-কাঁসরের তালে তালে ধূপদানি হাতে নাচের দক্ষতা তো বিরাট বড় গুণ। আমরা কাঁসা বা এলুমিনিয়ামের দুটো থালা হাতে নিয়ে ঘুরিয়ে আনা প্র্যাকটিস করতাম, সে পর্যন্তই। ঢাকের বিরতির সময় টেপ রেকর্ডারের সর্বোচ্চ ভলিউমে কলকাতার (তখনকার) আধুনিক গান। সন্ধ্যা-হেমন্তদের মিষ্টি রোম্যান্টিকতার ভীড়ে আশা ভোঁসলের চটুল গানও উঁকিঝুকি দিত। বাপী লাহিড়ীর "বৌদি গো" ছিল ছোকরাদের হিটলিস্টে। একবার মিতালী মুখার্জির (তখনও দেশান্তরী হননি) "কেউ কোনদিন আমারে তো কথা দিলনা" আর আবদুল হাদীর "একবার যদি কেউ ভালবাসতো" বাজিয়ে ফাটিয়ে দিল এক কট্টর দেশপ্রেমিক।

আরেকটা আকর্ষণ ছিল পূজার সন্দেশ-নাড়ু। হিন্দুবাড়ীগুলো থেকে তা প্রচুর বিলানো হত। তাছাড়া এটা একটা ছোঁয়াচে ব্যাপারের মতোই ছিল; ঐ সময়টায় মুসলমান বাড়ীর উঠানেও নারকেল কোরানো আর গুড়ের চাক ভাঙার ধুম পড়ে যেত। আমার নানীকেই দেখতাম, সন্দেশ জমছে না, ভেঙে যাচ্ছে-- এমন জটিল সমস্যায় পড়ে পাশের বাড়ীর বাসনা দিদিমা কিংবা আমার বন্ধু রিক্তার ঠাম্মাকে ডেকে আনাতেন।

শেষবার নানাবাড়ী গিয়েছি বছর তিনেক আগে। বাড়ীর পোর্চেই গাড়ী থেকে নামি; কেউ অপেক্ষায় নেই। "খেলার সাথীরা কোথায় আজ তারা"! মন্ডপের পিছনের দীঘিটি ভরাট হয়ে হাউজিং টাইপের কিছু হয়েছে; ঐ দীঘিতে ঠাকুরের বিসর্জন শুধুই স্মৃতি। দিনরাত উচ্চশব্দের পটকাবাজিতে কান ঝালাপালা। ত্রুটিপূর্ণ সাউন্ড সিস্টেমের মাইক থেকে ঢাক-ঢোল-কাঁসরের এক বিকট কম্পোজিশন নির্গত হচ্ছে। তারা ক্লান্ত হলে পরে বোল চুড়িয়া-জাতীয় হিন্দি গানের তান্ডব। নাড়ুসন্দেশের সেই ট্রাবলশুটাররা আর বেঁচে নেই। এসব ঝামেলায় পারতপক্ষে কেউ আর যায়ইনা আজকাল। যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো; বিশাল উঠানের বদলে যত্রতত্র জোড়াতালির বেড়া আর গেইট বসিয়ে অপ্রবেশ্য সীমানার নির্ধারণ। রায়বাহাদুরদের সুউচ্চ ত্রিশূলচূড় ত্রিশ্মশানে শবদেহ সৎকারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন উড়ে এসে জুড়ে বসা বিস্কুট ফ্যাক্টরির মালিক। সেখানে দেয়ালের প্রাচীন কারুকার্য ঢেকে দিয়েছে সিমেন্টের বিশ্রী পলেস্তারা; বসেছে সাবান-শ্যাম্পুর মিনিপ্যাক ঝোলানো গ্রাম্য পসারির দোকান। হিন্দুবাড়ীগুলোর কোন কোন শরিক প্রতিবেশী দেশের শরণ নিয়েছেন; যাদের অনেকেই প্রভাবশালী কোনও কালো হাতের ঝাপটায় রীতিমত বিতাড়িত। যারা রয়ে গেছেন; তাদের বাড়ী থেকে টিনভর্তি মুড়ির মধ্যে করে সন্দেশ আসেনা আর। কাঁধের কাছে হাতের তালুর ওপর বিশাল কাঁসার রেকাবি কায়দা করে ধরে ভোগের ফলমিষ্টি বয়ে আনেননা মাসীমারা। বড়জোর মেলামাইনের প্লেটে কিছু নমুনা এসে পড়ে থাকে টেবিলে। খালা-মামীদের আলাপে চলে আসে স্যাটেলাইট টিভিতে মাওলানার বয়ান; বিসমিল্লাহ বলা ছাড়া তৈরি খাবারের বিপদ এড়াতে ঠিকা বুয়ার জন্য বরাদ্দ হয় সেগুলো। কোলে-কাঁখে জুলজুলে দৃষ্টির সন্তান সামলানো বুয়াও সন্দিগ্ধ, কোতুন গো আইছে, ইন্দু বাইত্তুন নি?

আমরা কে কোথা থেকে এসেছি, কোথায় যাব?... ... ...

সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পূজাস্মৃতিচারণসমাজ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উৎসব-পার্বণসমাজ-ভাবনাস্মৃতিচারণ  বিভাগে ।

 

  • ১৩৮ টি মন্তব্য
  • ৮৭৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩০ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: আপু যে স্মৃতির আগুনে আর আঙ্গার কইরেন না..............

আমি অনেক বিটলামি করছি............... তয় ভুইলা থাকতে চাই

শুভেচ্ছা রইল ...............
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: তাহলে স্মৃতি শুধু আমার একারই নেই :)

২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
comment by: রাজামশাই বলেছেন:
পূজার সন্দেশ-নাড়ু।

চুপি চুপি কই ভাঙ্গের লাড়ুও খাওয়া হইছে একবার।


০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: সব্বোনা--শ!!!

৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮
comment by: জেরী বলেছেন: ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দিলেন,আপু।

এখনো পূজা দেখার জন্য বাড়ীতে যাই।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: এইসব উপলক্ষ আমরা যেন কখনো না ভুলি।

৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০
comment by: প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: ভাল লাগলো পূজার স্মৃতিচারণ....আমি একবার দূর্গা পূজার সময় কলকাতা ছিলাম...আপনার লেখা পড়ে তার কথা মনে পড়ে গেল...লিখে ফেলবো নাকি আমার স্মৃতিচারণটাও, দেখি...:)

ভাল থাকবেন।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই লিখুন। শুভেচ্ছা।

৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০১
comment by: মুহিব বলেছেন: রঙীন শৈশব! আহা শৈশব!!
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: শৈশব মানেই স্মৃতিকাতরতা...

৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০২
comment by: সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: ছোটবেলা পুজা মানেই ছিল মামার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ...
এখন আর সেই আনন্দ টা পাই না ...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আমাদের আনন্দ করার ইচ্ছা, আনন্দ পাবার ক্ষমতা-- সব ক্রমশ কমছে

৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৫
comment by: রুধীণ বলেছেন: শারদীয় শুভেচ্ছা।

পূজার সন্দেশ-নাড়ু ..... কত যে খেয়েছি।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন: বাহ্ রুধীন, এই বুঝি তোমার অনন্য? তাকে অনেক অনেক আদর। তোমাদেরকেও শুভেচ্ছা।

৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
comment by: পারভেজ বলেছেন: শেষটা যেন সব গ্রামের জন্য একরকম না হয়- এই আশাই করতে পারি। মনে আছে জামালখানের অদুরে দেওয়ানজী পুকুরে বিসর্জন দেখতে যেতাম। ঐ পুকুর ভরাট করে এখন বস্তির মতো ৬/৭ তালা বিল্ডিং হয়ে গেছে!
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: সবকিছুর নির্বিচার দখল হয়ে যাচ্ছে, পারভেজভাই। তবু আশাবাদী হতে ইচ্ছে করে...

৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১১
comment by: শিক কাবাব বলেছেন: বাইছা। আন্নে এংগা কন্ডে থাকেন?
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: বাইছা আঁই অন অষ্টেলিয়াত্থাই :)
আন্নে কোনাই?

১০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: খুব ভালো লাগলো লেখাটা।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ... (এইসব নিক যে ক্যান নেন!)

১১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
comment by: মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এ পোস্টটির জন্য। যথারীতি ভাল এবং একনিমিষে পড়া................
এটি শুধু স্মৃতি-কথা নয়। সমাজবিশ্লেষণও। কিন্তু গল্পে ছলে এবং সেটাই এ লেখার আকর্ষণ। নগরায়ন, পণ্যায়ণ, এবং যোগাযোগ মিডিয়ার (প্রধানত স্যাটেলাইট চ্যানেল) বিকাশের পথ ধরে আমাদের গ্রামগুলোর ক্রমাগত হেরে যাওয়া এবং আমাদের সামাজিক পুঁজির ( নির্মল বন্ধুত্ব, অসাম্প্রদায়িক চেতনাবোধ, সামাজিক সহযোগিতা, সু-প্রতিবেশিসূলভ আচরণ, ইত্যাদি, ইত্যাদি) নিরন্তর ক্ষয়টা উঠে এসেছে খুব সুন্দরভাবে। বাউল আব্দুল করীমের একটি বিখ্যাত গান আছে ( গ্রামের নওজোয়ান, হিন্দু মুসলমান........আগে কী সুন্দর দিন কাটাইটাম) যা আপনার শৈশবের পূজার স্মৃতির সাথে মিলে যায়।
কর্পোরেট পুঁজির আয়োজনে পূজা হয়। ঈদ হয়। পহেলা বৈশাখও হয়। সবই হয় তার নিজস্ব পণ্য বিক্রির আশায়। ফলে টিন ভরে ওসব আসার সুযোগ কই........তাতেতো তার লাভ নেই।
.....................................................................................
আবারও ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মুনীর ভাই। আমাদের তো তবু স্মৃতি হলেও আছে; পরের প্রজন্মের তো কিছুই থাকলোনা...

১২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:১৮
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে নুশেরা। খুবই চমৎকার লিখেছেন, খুবই।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় শরৎ, এটুকুই বলি, আপনার মন্তব্য আমার জন্য বিশাল বড় প্রাপ্তি।

১৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
comment by: কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ভাল্লাগ্লো
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
comment by: যীশূ বলেছেন: দারুন লেখা। আপনাকেও শারদীয় শুভেচ্ছা।

(কৌশিকের নাম নেওয়ায় মাইনাচ)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, যীশূ।
(কৌশিক না বললে এটা লেখার চিন্তাও আসতোনা, সত্যিই)

১৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
comment by: কৌশিক বলেছেন: শক্তিশালী গদ্যের জননী, আপনার চোখের ভূয়ষী প্রশংসা করছি।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: কৌশিক, আপনাকে ধন্যবাদ দিলে পোষাবে না। পোস্টটা দিতে পেরে খুবই ভাল লাগছে; অথচ আপনি না বললে এই পোস্টের চিন্তাও করতামনা।

১৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮
comment by: বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: ভাল্লাগ্লো...............

'কৌশিকের নাম নেওয়ায় মাইনাচ' কিয়েল্লিগা @ যীশূ........????
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, পান্না।
যীশূ মাইনাসটা কাকে দিলেন, এটাই চিন্তার বিষয় :)

১৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: যীশূ বলেছেন: "যেখানে কৌশিক, সেখানে মাইনাচ" আন্দোলন চলতাছে। :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: আন্দোলনের সাফল্য কামনা করছি :)

১৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: "যেখানে কৌশিক, সেখানে মাইনাচ" ---- চাচ্চুর নাম নেয়াতে মাইনাস :P
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: আন্দোলন তো দেখি ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় জমে উঠল বলে :)

১৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: বাবুয়া বলেছেন: চমতকার সৃতি চারণ!!!
ভালো লেগেছে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, বাবুয়াদা।

২০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। পুরোনো কিছু স্মৃতি বিজড়িত ইতিহাস জানতে পেলাম। নিজের স্মৃতিতেও পুরোনো অনেক ঘটনা চোখের সামনে ভেসে এলো। আপনার সুন্দর বর্ণনায় লেখাটিতে প্রাণের ছোঁয়া পেলাম। খুব ভাল লাগলো।

আমার বেশ কিছু বন্ধু-বান্ধবী (লীনা, প্রদ্যুৎ, দীপক, স্মৃতিকণা মজুমদার, প্রতীমা কুন্ডু ও আরো অনেকে) যারা হিন্দু ছিল। আসলে ওদের কখনো আলাদা করে হিন্দু ভাবতাম না। একমাত্র পূজো আর কোরবানী ঈদেই আমাদের ধর্মীয় তফাৎটা টের পেতাম। স্কুল থেকে ভার্সিটি জীবন পর্যন্ত প্রতিটি পূজোয় ওদের অনেকের বাসায় আমাদের জন্য বিশেষ কিছু মিষ্টি খাবার নিয়মিত বরাদ্দ ছিল। কোন কারণ বশতঃ কারো বাসায় যাওয়া না হলে সেটা তুলে রাখা হতো পরে খাওয়াবে বলে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: আমাদের স্মৃতিগুলো কী বিশাল সম্পদ, প্রতিযোগিতার জীবনে ছুটন্ত এই প্রজন্মকে দেখলে বেশী অনুভব করি। মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, কালপুরুষদা।

২১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
comment by: দূরন্ত বলেছেন: আমার ছোটবেলা ঢাকার যে এলাকায় কেটেছে সেখানে এভাবে পুজার অনুষ্ঠান দেখা হয়নি। তবে আমার মায়ের মুখে মজার স্মৃতিচারণ শুনেছি। এখনতো পরিস্থিতি আরো অনেকখানি বদলে গেছে।
স্মৃতিচারণ খুব ভালো লাগলো।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, দূরন্ত। শারদীয় শুভেচ্ছা।

২২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ... (এইসব নিক যে ক্যান নেন!)


আমার কমেন্ট খারাপ লেগে থাকলে মুছে দিবেন। আর নিক খারাপ লাগলে ব্যান করে দিবেন। ধন্যবাদ। এখানে আর কমেন্টস করব না।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: সেকি কথা, কমেন্ট কেন খারাপ লাগবে!!! আপনার কমেন্ট আগেও পেয়েছি, খুবই ভাল লেগেছে বলাই বাহুল্য।
ব্যাপারটা হল, কাউকে "অনেক ধন্যবাদ, উন্মাদ..." বা "অনেক ধন্যবাদ, ...পাপী"--- এই রকম কথা বলতে অস্বস্তি লাগে... এত ভাল কমেন্ট যিনি করলেন তাকে উন্মাদ ডাকতে কি মন চায় বা ভাল লাগে বলুন?
আপনার নিক আপনার খুবই প্রিয়; সেই সম্মান দেখিয়ে বলি, দু:খ দিয়ে থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী।

২৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:

দারুন লিখেছেন....প্রিয়তে নিয়ে নিলাম...
আপনার স্বৃতিচারন...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, সালেহ। ভাল থাকুন।

২৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮
comment by: বাইত যামু বলেছেন: একটা জটিল মন্তব্য লিখমু ভাবলাম বস ফোন দিল জলদি আহ সর্বনাশ। কি হইচ্ছে দেইখাই তারপর উত্তর দিমু
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন: বাইত যাওনের আগেই পইড়েন কিন্তু :)

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: দশমীও তো চইলা গেল, বাইত থেইকা আসেন নাই এখনো!?!

২৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: আচ্ছা....দু:খিত আমারই ভুল হয়েছে....কথায় কথায় মাইন্ড করি:(....আমার এই নিকটা আসলে কেউই পছন্দ করেনা:(
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: আহ্ নিশ্চিন্ত করলেন। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ, উন্মাদ ছেলে :)

২৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫
comment by: মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: গত পুজায় ছিলাম নেত্রকোনায়। বন্ধু বিপুল শাহ (চেনার কথা, প্রআরোতে কার্টুন করে)-এর বিয়েতে। শিপলু, গিয়াসসহ অনেকে। অনেক রাত অব্দি ঘুরে ঘুরে পুজা মন্ডপ দেখেছিলাম...
হিন্দু-মুসলমানের কী চমৎকার সহাবস্থান দেখেছি...
লেখার জন্য ধন্যবাদ দেবোনা। আপনি সবসময়ই ভাল লেখেন...

"যেখানে কৌশিক, সেখানে মাইনাচ" যারা বলে তাদের মাইনাস
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: দারুণ একটা ভোজ সেরেছিলেন বুঝতেই পারছি। আমি সেরা বিয়ের খাবার খেয়েছিলাম এক হিন্দু পরিবারের আয়োজনে। বরের ছাত্রী ছিল; আমাদের খাতির কে দ্যাখে! (গফরগাঁওয়ের) বেগুন ভাজা থেকে শুরু করে ডাল তড়কা, লুচি-নিরামিষ... স্রেফ অমৃত। কে আর বিরিয়ানী খায়! শেষপাতে দই-ক্ষীর... আহ্!

কিছু এলাকা এখনো সম্প্রীতির চিত্রটা অক্ষত রাখার চেষ্টা করছে, এটাই আশার কথা।

২৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: লাস্ট পূজো দেখেছিলাম কোলকাতায়। অসাধারন অনূভূতি ছিলো আপু। আপনার লেখা পড়ে আবার যেতে ইচ্ছে করছে। আমাদের বাড়িতে এমন একটা পরিবেশ পেয়েছি সবসময় যেখানে কখনোই ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি হয় না! আমার বড় চাচা প্রতি পূজোতে আমাদের সব সাইজের ভাতিজা-ভাইঝি ভাগ্নে-ভাগ্নী নিয়ে প্রতি বছর ঢাকেশ্বরী মন্দির যেতেন। সারাদিন ধরে পূজো দেখতাম। মেলায় ঘুরতাম। কীর্তন শুনতাম। কখনো ঢাকার অদূরে বিরুলিয়া আবার কখন গাজীপুর চলে যেতাম সবাই। একবার তো পূজোতে সব খুলনা পর্যন্ত চলে গেছিলাম। অনেক স্মৃতি আছে সেসব নিয়ে। ২০০১ হঠাৎ বড় চাচা মারা যাবার পর এই আনন্দটা আর হয়না। :) খুব ভালো লাগলো আপু লেখাটা পড়ে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: ইস, কত বিচিত্র স্মৃতি তোমার। লিখে ফেল তাড়াতাড়ি!

২৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: আসতে বারণ করেছিল কে? @ পুতুল
২৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: হাহাাহ ইনশাল্লাহ নেক্সট ইয়ার মৈথুদা :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: দারুণ হয়েছে শারদীয়া প্রোফাইল!

৩০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
comment by: দূর্ভাষী বলেছেন: আর পূজা দেখব না। কারণ কাজের চাপ!

সত্যিই দিন দিন রোবট হয়ে যাচ্ছি!
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: ব্যস্ততা কমুক; নির্মল আনন্দ আর সুস্থ সুন্দর সামাজিক সম্পর্কের চর্চায় কিছু সময় থাকুক।

৩১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: মেহবুবা বলেছেন: খুব ভাল লাগল।শুভেচ্ছা নেবেন।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মেহবুবা। ভাল থাকবেন।

৩২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: কঁাকন বলেছেন: পুজোর শুভেচ্ছা আপু

আর স্মৃতি তুমি বেদনা

ভালো থাকুন
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: তোমাকেও শুভেচ্ছা, কাঁকন।

৩৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


(বাউরে এতারা এগিন কিয়া গো কয় ;) )

শারদীয় শুভেচ্ছা ।

আহারে...দিনগুলো মোর...নানারঙ্গের দিনগুলো ...
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: এঁইচ্চা কইরলে কেঁইচ্চা লাগে ;)

শারদীয় শুভেচ্ছা।

৩৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: বরুণা বলেছেন: নুশেরা আপু এত্ত মজার ছিলো তোমার ছোটোবেলা!!!!!!!

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: তখনকার সময়টা সত্যিই আমরা খুব উপভোগ করেছি, বরুণা। আমাদের বাবামায়েরা হয়তো আরেকটু বেশী।
ভাল থেক।

৩৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: প্রিয়জন বলতেই নুশেরা আর নুশেরা মানেই স্বস্তি......


দেখেনতো দিদি, কপিরাইটার হিসাবে কোন ফুটুরি আছে কিনা :)
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: ঘটনা কি তাজীন, কী কও কিছু বুঝি না তো...

৩৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আহা। সুস্বাদু লেখা। পড়ে মজা, আবার নষ্টালজিকও হওয়া যায়। আমরাও প্রতি ছুটিতে যেতাম নানাবাড়ি, অভিজ্ঞতাও অনেকটা একরকম।

কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না গানটা সাবিনার, মিতালির না। সম্ভবত সুন্দরী ছবির গান।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: মাসুমভাই, আপনার স্মৃতিশক্তি দারুণ। আমি বলতে চেয়েছি মিতালীরই একটা গানের কথা। সেটা কি তবে "এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই..."? আমজাদ হোসেন- আলাউদ্দীন আলী জুটির গান। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছিল।

৩৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪০
comment by: শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ঠিক বলছেন। এটা মিতালির। দুই মাস আগে চীন মৈত্রীতে একটা অনুষ্ঠানে তার গান শুনলাম। সুখ পাখীরে গাইলো......................এখনো চোখে লেগে আছে, কানে বাজছে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: গানটা এমপিথ্রি থেকে আবার শুনলাম। মুখড়া হিসেবে ঐ দুলাইন (কেউ কোনদিন) আগে গাওয়া হয়। এই আমজাদ হোসেন ভদ্রলোক কয়েকটা দারুণ গান তার কিছু ছবির জন্য লিখে ফেলেছিলেন। সিক্যুয়ালের মতো সদ্ব্যবহারও করেছেন। মিতালী কিন্তু কলকাতাতেও ঘুরেফিরে ঐ বাংলাদেশের '৮০ দশকের গানগুলোই গেয়ে থাকে। ব্যতিক্রমী একটা কণ্ঠ। আরতি-লতা এদের কিছু রিমেক অসাধারণ বিশ্বস্ততায় গেয়েছে; এই প্রথম কারো রিমেক শুনে তৃপ্তি পেলাম।
ও আচ্ছা, সুখ পাখীরে তে যেভাবে চড়ায় গায়, আহ্ দারু-ণ...

৩৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
comment by: আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন।
ছোটবেলায় পূজার সময় আমরাও বাজি পোড়ানোতে অংশ নিতাম। প্রায় সারাদিন মন্ডপে আশেপাশে ঘুরাঘুরি করতাম। দশমীর দিন সবাই মনু নদীর ব্রিজের কাছে ভিড় করত দেখার জন্য। সেই মফস্বল শহরে (মৌলভিবাজার জেলা শহর) একমাত্র পূঁজোতেই বাজি পোড়ানো হত। পরে ঢাকায় এসে দেখি বাজি পোড়ানো উৎসব হচ্ছে শবে বরাত
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক বলেছেন। কালীপূজায় বাজি পোড়ানোর চল মফস্বল বা গ্রামে শবে বরাতের বাজির চেয়ে পুরনো। আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে।

৩৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: খুব মন ছোয়াঁ লেখা ।ধন্যবাদ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, সুরভিছায়া। শারদীয় শুভেচ্ছা।

৪০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৮
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন: বিজ্ঞাপনের সংলাপ হিসেবে কেমন হইল, তাই কইলাম।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: অ অ। বহুদ্দিন এইসব উচ্চমার্গীয় জিনিস দেখা হয়না তো...
বহুত খুব হইছে।

৪১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩
comment by: নাসিমূল আহসান বলেছেন:
আপু; আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়া একটা গ্রুপ করছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নামে।
আমরা যারা বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আছি ; তারা জানতে চাই আমাদের উত্তরসূরীদের আর জানাতে চাই নিজেদেরকে।
নিজেদের ভাবনা আর আদর্শিক অবস্থান ভাগ করে নিতে চাই নিজেদের মধ্যে । তাই আপনার অন্থভুক্তি খুব করে কামনা করছি।

ভালোবাসা ভালো লেখার জন্য। আমরা চাই আপনি আমাদের গ্রুপে যোগ দিবেন এবং এই লেখা গুলো ব্লগ পোষ্টের গ্রুপ সেটিং এ গিয়া আমাদের গ্রুপে সংরক্ষন করবেন; শেয়ার করবেন আমাদের সাথে।

শারদীয় শুভেচ্ছা।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, নাসিমূল। আমি তো পূর্বসূরী :)
শুধু শিক্ষার্থীদের গ্রুপ হলে এক্ষুণি যোগ দিতাম। সঙ্গে শিক্ষকরাও আছেন কিনা তাই একটু ভাবছি ভাই।

ভাল থাকবেন।

৪২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
comment by: সাইফুল আকবর খান বলেছেন: চমৎকার লেখা, চমৎকার গল্প বলা, চমৎকার ছবি আঁকা, চমৎকার ইতিহাস বয়ান, চমৎকার ডকুমেন্টেশন- বরাবরিক দক্ষতায়।
কোথায় যেন একটু প্রপাগ্যান্ডিস্ট (ইতিবাচক অর্থেই)! সমাজ বা অন্যবিধ ইউনিটির দায়িত্বে না হোক, নিজের প্রতি, নিজের বোধ-বুদ্ধির প্রতি বেশ সুচারু দায়িত্বশীল মনে হয়েছে আমার কাছে এই লেখাটিকে। জানি না আমার ইতস্তত বক্তব্যটি বুঝাতে পারলাম কি না, তবে আপনি কিন্ত সর্বৈব সফল।
মোদ্দাকথা, অনেক দিক দিয়েই অনেক ভালো লেগেছে পড়তে।
ধন্যবাদ নুশেরা আপু। আর শুভেচ্ছাও। :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: কৌশিকের কথায় অতি উৎসাহে একটানে টাইপ করা নিছক একটা স্মৃতিকথা; তার এত সুন্দর বিশ্লেষণ! মাথা পেতে নিলাম।
শুভেচ্ছা, সাইফুল।

৪৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:২০
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা, ভাস্কর চৌধুরী

৪৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৪০
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, বিবর্তনবাদী।

৪৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০
comment by: অচেনা সৈকত বলেছেন: আমার একটা জীবন্ত দূর্গা ছিল, শুধুই আমার। তখন আমি ১৮,পুজোমন্ডপে ঘুরে ঘুরে আমার দূর্গার সাথে মাটির প্রতিমার মিল খুঁজে বেড়াতাম। আর সেই পাগল করা আরতি, ধূপের গন্ধ আর ঢাকের বাদ্যি...আমি যে জীবন পেছনে ফেলে এসেছি আর চাইলেও সেখানে ফিরে যেতে পারব না। কেন আজ আমাকে মনে পড়িয়ে দিলেন?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন: না জেনে দু:খ দিয়ে ফেলেছি... ... অপ্রাপ্তির বেদনার সঙ্গে জড়িত স্মৃতি সততই কষ্টের...

৪৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
comment by: রাত বলেছেন: আপনি সত্যিই স্মৃতিচারন গুলা খুব সুন্দর করে আর সহজ ভাষায় লেখেন। পড়া শুরু করলে আশেপাশের কোন কিছুর আর খেয়াল থেকে না, পড়া শেষ হলে হুশ ফিরে পাই।

হিন্দুদের কোন উৎসবই আমি কোন দিন দেখার সুযোগ পায় নি, একমাত্র টিভির খবরে কাটিং ছারা। এইবার ব্লগে অনেকের লেখা পড়ে বেশ অনেক কিছুই জানতে পারলাম।

আর গ্রামের বর্তমান অবস্থার যে বর্ননা দিলেন বোধ করি এখন প্রায় সব গ্রামেরই একই অবস্থা।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, রাত। গ্রামশহর নির্বিশেষে বদল ঘটে গেছে... আমরা নাগরিক জীবনে অভ্যস্ত হয়ে গেছি বলে গ্রামেরটা চোখে পড়ে বেশী।

৪৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১১
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ!! ভালো লাগলো।
আমাদের হাইস্কুল ছিলো হিন্দু পাড়ার সাথে........।
প্রতি বছর পূজা আসলে........
চুপি চুপি চলে যেতাম......
মনে পরে গেলো সেসব দিনের কথা

ভালো থাকুন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, হামিদা। লিখুন না স্মৃতিচারণ কিছু।

৪৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
comment by: নাসিমূল আহসান বলেছেন: আপু ; আপনাকে পাশে চাইছি আমরা!
৪৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
comment by: ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: ছোট্ট ছোট্ট ডিটেইল গুলো দারুণ লেখেছেন, তবে আজকে কিছু ঝগড়াও করবো।

স্মৃতিগুলোর মহত্ব সময় দিয়ে ভাগ করলেন কেন? এইটা ভালো লাগে না, আমার বাবা-মা মনে করে কি দারুণ শৈশব তারা পেয়েছিলেন, আমরা নাকি যার কিছুই পাই নাই। আপনারাও মনে করেন যে আমরা কিছু পাই নাই। আবার আমরাও যদি মনে করি পরের প্রজন্মটা টেলিভিশন ছাড়া কিছুই পায়নাই তাহলে কিন্তু প্রজন্ম প্রজন্ম তর্কাতর্কি লেগেই থাকবে।

একটা বয়সে চোখে সব ভালো লাগে...মনে পড়ে, গুলশান লেকে মামার সাথে নৌকা চড়তে গিয়েছিলাম, মামা দুষ্টোমী করে নৌকা দুলালেন, নৌকা উলটে আমরা তিন ভাই-বোন পানিতে হাবুডুবু, তারপর মামা আর মাঝি মিলে আমাদের বাঁচালেন। তীরে আসার পর মামাকে মামির কি সে ঝাড়ি...এখন সেই গুলশান লেকে গেলে স্মৃতিকাতর হওয়ার সাথে মনে হয়, নষ্ট হয়ে গেল লেকটা, পরের প্রজন্ম হয়তো কিছু পেল না। ব্যাপারটা আসলেই তা না...ওই বয়সে অনেক কিছু সুন্দর, বড় হবার পর সুন্দরের ত্রুটিটা ধরা পড়ে শুধু, আর কিছু না।
গুলশান লেকে ডোবা, সংসদের লেকে নৌকা চড়া, হিন্দু বাড়ির বিয়ে খাওয়া উপলক্ষে সিরাজগঞ্জ যাওয়া, নাড়া ক্ষেতে ফুটবল খেলা, গ্রামের পুকুরে সাঁতার শিখতে গিয়ে ডুবে যাওয়া, পাটকাঠির পোড়া গন্ধে শীতের পিঠার স্বাদ এরকম আরো অনেকই কিন্তু আমাদের স্মৃতিতেও থাকে...পরের প্রজন্মের স্মৃতিতে অন্য কিছু আরো অন্যরকম সুন্দর হয়ে থাকবে, সে সুন্দর হয়তো আমাদের চোখে সইবে না।

ওই জন্যই আমি স্মৃতিকথা পড়তে পছন্দ করি, সব প্রজন্মের...সবসময়ের।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: ওরে বাবা, নামে ভাঙ্গা পেন্সিল হলে কি হবে, এর যুক্তির ধার তো সাংঘাতিক!

মানলাম, সব প্রজন্মেরই নিজস্ব স্মৃতি আছে, থাকবে। তবে বিশেষ করে আমাদের মতো ভয়াবহ ঘনবসতির দেশে সময়ের সাথে সাথে কী ভয়ংকর বদলগুলো হচ্ছে শৈশবের, ভেবে দেখুন তো। বেশীরভাগ স্কুলে মাঠ নেই। আমি এমন ছেলেমেয়েদের চিনি যারা স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে যাচ্ছে, অথচ স্কুল শুরুর আগের অ্যাসেম্বলি আর জাতীয় পতাকা- জাতীয় সঙ্গীতের কোন অভিজ্ঞতা তাদের নেই। স্কুলের গেমস মানে দাবা আর টিটি।

প্রকৃতি এক জিনিস, পূবাইলে শূট করা সালাউদ্দিন লাভলুর নাটকেই কেবল তারা দেখতে পায়। তবে হ্যাঁ, কম্পিউটার গেমসকে যদি "স্মৃতিদায়ক কোন উপাদান" ভেবে নিতে পারি তবে এযুগের বাচ্চারা বিরাট ধনী বটে।

দেখি, আগামীতে কী কন্টেন্টের স্মৃতিকথা আমরা পাই নাগরিক জীবনে বেড়ে ওঠাদের কাছ থেকে।

৫০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০