বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মৃত্যু যেন খুব সস্তা হয়ে গেছে। লাশ বিকৃত ছবি থাকে প্রতিদিনের পত্রিকা জুড়ে। স্বাভাবিক মৃত্যুর কোন গ্যারান্টি নেই।
সরকারের সবচেয়ে অযোগ্য মন্ত্রালয়ে পরিনত হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রালয়। তথাকথিত যুদ্ধপরাধী মামলা নিয়ে তারা অতিশয় ব্যস্ত।
আজ মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার এবং তার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি খুন হয়েছেন।
এরকম খুন প্রতি দিনই হয়। গতকালও শিবিরের দুই কর্মি খুন হয়েছে। সরকারের আজ একটু বেশি দৌড়ঝাপ লক্ষ করছি কেননা খুন হওয়া দম্পতি সরকার পন্থি মিডিয়ার সাংবাদিক ছিলেন।
খুন হয়ে যাওয়ার পর আর কি করার থাকে? এভাবে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া পরিবার গুলোকে শান্তনা দেবার ক্ষমতা আমার নেই। আমি শুধু চোখের জ্বল ফেলছি নিহত দম্পতির একমাত্র পুত্রের জন্য কি হবে তার?
আমার সন্তানের মতই ওর বয়স। এত অল্প বয়েসে এই পৃথিবী থেকে ওর বাবা মা চলে যাওয়ার শোক ওকি বইতে পারবে?
কে দিবে তাকে বাবা মায়ের ভালবাসা?
স্বর্গ থেকে নরকে এসে পড়লো শিশুটি।
এর দায় কে নিবে?
সাহারা খাতুন এর কোন সন্তান আছে বলে আমার জানা নেই। আমি একজন বাবা বলেই সন্তানের দরদ বুঝতে পারছি। আর যেন কাউকে এভাবে অকালে এতিম হতে না হয় তার ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবী করছি।
খুন করে সহযেই পার পাওয়া যাওয়ার পরিবেশের কারনেই এত খুন চারদিকে হচ্ছে। একটি রাষ্ট্রের এতটা নাজুক পুলিসি ব্যবস্থা কিছুতেই গ্রহন যোগ্য নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



