আগেই তোমাকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল,
ভালোবাসার আন্দোলনে জড়িয়ে না পড়ার জন্য। সমস্ত পৃথিবী জেনে গেছে আমাদের ভালবাসার খবর।আমার হৃদপিন্ডের ট্রান্সমিশন যন্ত্রটি ইথার ছড়িয়ে দিচ্ছে সর্বত্র। তোমার বিছানা,বালিশ,জানালা,কড়িকাঠের রোয়াক ওত পেতে আছে চুড়ান্ত প্রেমনোটের অপেক্ষায়। আগেই তোমাকে সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল- এখানে নিত্য খুন খারাবী হয়ে যায় অহঃরহঃ ; হৃদ-পিন্ডের আসে পাশে বোমা ককটেলফাটে প্রতিনিয়ত। কখনও কখনও কার্ফুর গুমোট অন্ধকার।কখনও কারাগারের অজস্র সীমবদ্বতা-আর গৃহবন্দির ন্যায় হৃদপিন্ডের কোনে নিশ্চুশ বসবাস। কখনও এখানে ভালবাসার স্বাধীনতার জন্য নেতিয়ে দেওয়া বুকে রক্ত রাঙানো রাজপথ। গতকাল তোমার ছাদের কার্নিশে,তোমার ড্রইংরুমে,এমনকি অযাচিত তোমার বেড রুমে দেখনি একদঙ্গল কাক--কাক ও কবি হচ্ছে আজ পাইকারী হারে।তোমাকে ক্রমাগত ঠোকর দিচ্ছিল;তোমাকে তওবা করিয়ে নিতে।তোমার মুখ থেকে জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় করে নিতে।আন্দোলন থেকে পিছু হঠে যেতে।দাঁড় কাঁকটা তার চঞ্চু দিয়ে বিষাক্ত নখর দিয়ে তোমার সবুজ জমিনটাকে রক্তে রাঙিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিল--তারপরেও কি এক ঐশ্বরিক শব্দে তুমি চিৎকার করে ওদের জানিয়ে দিয়েছিলে-ঐ ভালভাষা বাসি বিজাতীয় ভাষকদের কাছ থেকে-মুক্তি চাই,স্বাধীনতা চাই,আমার মনের মত একটি ভাষা চাই।যেখানে থাকবে অফুরন্ত ভালবাসা-ভালবাসার স্বাধীনতা।
তোমার আরশফাঁটা চিৎকাের পাতিকাকগুলো, করে উঠেছিল শীৎকার।
পড়ন্ত বিকেলে,বিনুনি চুলে,নীচে গড়িয়ে যাওয়া বড় সড়কের দিকে উত্সুক তাকিয়েছিলে।
কাকস্বরের অসংখ্য প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে অতিষ্ঠ হয়ে দরজায় খিল এটেছিলে।
সন্ধ্যের ঠিক একটু আগেই,একটু আগেই মেঘেরা হুড়হুড় করে জানালা গড়িয়ে বিদ্যুতের অসংখ্য ফ্লাশ জেলে,আকাশের গায়ে বড় করে কভার পেজ করেছিল।
সাদা কালতে তোমার আড়াল হতে চাওয়া আরও প্রাণবন্ত হয়েছে।।।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



