আমার প্রিয় পোস্ট
- টাইম সাময়িকীর চোখে ২০১১ সালের সেরা দশ চলচ্চিত্র - কাঊসার রুশো
- বাংলাদেশে কোন ক্যামেরা কোথায় পাবেন এবং ক্যামেরা নিয়ে সকল ধরনের পরামর্শ - ফটো পাগল
- স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো... - আমিই রাকিব
- বুফে : ঢাকায় বুফের হালচাল এবং আমার অভিজ্ঞতা থেকে ঢাকার বিখ্যাত বুফে রেস্টুরেন্ট(বিস্তারিত) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার ব্যাপারে কিছু তথ্য - কুটিমুটি
- যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে হলে... - জাহের ওয়াসিম
- " ঢাকার এবং ঢাকার বাইরের অনেক মজাদার খাবারের নাম ও লোকেশন (বাংলার মিনি ফুড ডিকশনারী) " - নাফিজ মুনতাসির
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- ভিডিও ডাউনলোড করার ৫টি জনপ্রিয় ওয়েবটুলস, সম্পূর্ন ফ্রী… - তারেকবিডি
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- মানুষ - ফারহান দাউদ
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- নটরডেমিয়ানস ঃঃ ডাক দিয়েছে ফাদার পিশোতো - হযবরল
- আজ F-1 ভিসার কনফারমেশন পেলাম..... - ফাজিল
- জ়িম্যাট বই পত্তরের লিঙ্ক - ফিফথ্নিক
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- অদ্ভুতুড়ে: ব্ল্যাক ম্যাজিক - সব্যসাচী প্রসূন
- CCNA সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা - মাহমুদ সিএসই
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
- পছন্দের মুভির তালিকা
- বিডি আইডল
- আমার দেখা সেরা ১০ ছবি - শওকত হোসেন মাসুম
- আসুন নিজের ঘরের জন্য একটা ছোট আইপিএস বানাই (টেকিদের জন্য) - রাব্বি !
- আসুন আমরা Rapidshare থেকে Resume Support সহ Super Speed এ File Download করি... - অতিথি_পথিক_মানুষ
- তিনদিনে পিএইচপি শিখুন (১ম দিন) - মদন
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
- প্রিয় মুভির লিষ্ট - শূন্য আরণ্যক
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ই-লাইব্রেরি - ০০৭৭৭৭৭
- ই-বুক কালেকশনঃ পর্ব-৩ - বিডি আইডল
- যে বইগুলো পড়া দরকার ......সংশোধিত ও পরিবর্ধিত - সপ্নীল
- মুভি: সবার সেরা দশ ছবি দেখে নিন - শওকত হোসেন মাসুম
- সেরা ১০ চলচ্চিত্র: পরিচালকদের পছন্দ - শওকত হোসেন মাসুম
- অল্টারনেটিভ মুভি চয়েজ:: ৫ টি মাস্ট ওয়াচ নন-হলিউড মুভি - মেহরাব শাহরিয়ার
- জনপ্রিয় কিছু ওয়েব সাইট এর ঠিকানা.......... - গিফার
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
প্রকৌশল শিক্ষা গ্রহণ এবং তার পরবর্তী চাকরী বাজারে যেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন...
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
আমার এখনো মনে পড়ে,এম.আই.এস.টির ক্লাস শেষে যখন সবুজ ক্যাম্পাস দিয়ে আমি,রেজোয়ান,ফয়সাল,সজীব ক্লান্ত পায়ে হেঁটে যেতাম প্রায় সময় বিশিষ্ট আতেঁলদের মত করে ভাবতাম কালকের ক্লাস টেস্টে কোন জায়গা থেকে স্যার প্রশ্ন করতে পারে,সামনের মিডটার্মে কি কি পড়বো,আজকের টেস্টে কোথায় কি ভুল হয়েছে।জিপিএ থিসিস প্রজেক্ট এসবের মধ্যেই অনুচ্ছল জীবনের চিন্তাভাবনাগুলো ঘুরপাক খেত।কড়া আইনকানুন আর আটটি টার্মে যে অসহনীয় বাঁশের উপর থাকতাম তার জন্যই হয়তো আমরা অনেকে ভুলেই যেতাম ভার্সিটি জীবন কতটা স্বাধীন ছন্নছাড়া হতে পারে।আমার স্কুল কলেজের বন্ধু-বান্ধব বেশিরভাগ পড়েছিলো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আর মেডিকেলে।তাই ওই এলাকাতে প্রায়ই যাওয়া হতো।সেখানে ওদের দেখে একটা কথা বেশ মনে হতো -কি চমৎকার পাখির মত স্বাধীন জীবন তাদের।পড়াশোনার মাঝেও অনেক সৃষ্টিশীল কাজে এরা চমৎকার ভাবে অংশগ্রহণ করে।আমরা টানা সকাল আটটা থেকে দুপুর আড়াইটা কখনো সাড়ে তিনটা পর্যন্ত(মাঝে একটা ৪০ মিনিটের ব্রেক থাকে
) ক্লাশ করার পর মনে হত কখন বাসায় যাবো একটু বিশ্রামের জন্য।এর মাঝেও কিভাবে যেনো আমরা বেশ অসাধারণ একটা ডিপার্টমেন্টাল ডে আয়োজন করে ফেলেছিলাম ২০০৬ সালে(এর পরে আর এমন জমকালো আয়োজন করার অনুমতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ!!!)।একই সাথে পত্রিকা,কনসার্টের জন্য স্পন্সরশীপের টাকার ব্যবস্থা...বহু ঝামেলা করে অবশেষে মাইলসের সাফিনের সাথে স্টেজে উঠে গান গাওয়া,ছবি তোলা।ওইদিন ভোলার মত নয়।যাই হোক অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা বলে ফেললাম।আসল কথায় আসি।
আমরা বন্ধুবান্ধব সপ্তাহ শেষে যখন হোস্টেলে বা অন্য কোথাও আড্ডা দিতাম তখন প্রায় সময় একে অপরকে জিজ্ঞেস করতাম,পাশ করে কি করবো।আমরা আলোচনা করতাম আমাদের সিনিয়ররা এখন কে কোথায় কি করছে।আমাদের আগে বের হওয়া মাত্র দুটি ব্যাচের এখন প্রায় অনেকে স্কলারশীপ,ওয়েভার নিয়ে দেশের বাহিরে আছে।যারা দেশে আছে তাদের বেশিরভাগ বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াচ্ছেন।কিন্তু আমাদের কারো কাছেই মনে হতোনা ওই পর্যায়ে যাওয়া সম্ভব কারণ খুব ভালো জিপিএ কারো ছিলোনা।আমরা হতাশ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বিষমমাত্রায় চিন্তায় ছিলাম।এক ভাইয়ার সাথে কথা হলো লেভেল থ্রিতে থাকার সময়।উনি ৪-৫ মাস হলো চাকরী বাজারে বিচরণ করছেন।উনার থেকে চাকরী বাজারের বেশ ভয়াবহ কিছু অভিজ্ঞতার কথা শুনতে হলো।স্কলারশীপের রাস্তা শুনলাম প্রায় বন্ধ।ডিপ্রেশন চলছে সবজায়গায়।ইউ.এস.এর আশা করা খুব কঠিন,কানাডা কিছু দিচ্ছে কিন্তু স্কোর ভালো থাকতে হবে আন্ডারগ্র্যাডে।আমার কুখ্যাত ইউনির টিচাররা জিপিএ জিনিসটাকে নিজেদের পকেটের টাকা মনে করেন।তড়িৎ প্রকৌশলে জিপিএ এমনিতেই অন্যান্য বিভাগ থেকে বেশি উঠে বলেই জানি।কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য,বিভাগের শিক্ষকরা এই মতবাদটাকে কিভাবে ভুল প্রমাণ করা যায় সেটা নিয়ে ব্যস্ত থাকতো।তাই সাড়ে তিন জিপিএ নিয়ে বের হওয়া ছাত্র শতকরায় ৩৩ ভাগ মাত্র!অথচ এই ছেলেগুলা এস.এস.সি, এইচ.এস.সিতে ডাবল ফাইভ নিয়ে এইখানে ভর্তি পরীক্ষা দিতে সুযোগ পাইছিলো।স্যাররা একবারও ভাবতেন না আমরা সামনে যেয়ে কি করবো এই খারাপ ফলাফল নিয়ে।তবুও আশার ব্যাপার হলো,কিছু স্যার অনেক লিবারেল ছিলো।একটা ঘটনা না বলে পারছিনা।পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স কোর্স নিয়েছিলেন আমাদের এক কুখ্যাত স্যার।ফাইনালে আমরা দেখতে পাই স্যার তার সেকশনের চার সেটের এক সেট সিলেবাস বহির্ভুত দিয়েছেন।পরে কেউ জিজ্ঞেস করার সাহস না পেলেও আমি একদিন উনাকে ব্যাপারটা মিনমিন করে বললাম, "স্যার ডিসি টু ডিসি কনভার্টারের এই জায়গাতো বাদ দিতে বলছিলেন।"স্যার তার দাড়িতে হাত বুলাতে বুলাতে বলেছিলো, "বইয়ে তো হালকা পাতলা থিওরী দেয়া আছে।পাশ করতে হলে তো পুরা বই পড়তে হবে,নাহলে তো কচুর ইঞ্জিনিয়ার হবা।এইখানকার নাম খারাপ করবা।"দুঃখের ব্যাপার তার পরের টার্মে আমরা আবার উনাকে পেয়েছিলাম এবং উনি একই ভাবে আরো কঠিন করে প্রশ্ন করে পরবর্তীতে আমাদের দুই একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন পরীক্ষা কেমন দিয়েছি।এমন কিছু শিক্ষকের সাথে কোর্স করলে অবশ্যই আপনাকে ভাবতে হবে পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন কি না!বুয়েটের লেকচারার কিছু অসাধারণ শিক্ষক যেমন মাহবুব স্যার,জালাল স্যার এবং আমার অতি প্রিয় মিখাইল ও রেজোয়ান স্যার ছিলো বলে বেঁচে গেছি।তাদের সাথে আনন্দদায়ক কোর্স করে ভালোমানের জিপিএ তুলতে পেরেছিলাম নাহলে অবশ্যই টারজান ভাইয়ের আদর্শ অনুকরণ করতাম
।
যাই হোক বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কথামালা শেষ করে চাকরীর ব্যাপারে আসি।পাশ করে টানা দুইমাস থিসিস নিয়ে কুকুরপাগলের মত খেটে সিরিয়াসলি ভাবতে শুরু করলাম কি করবো।বন্ধুরা অনেকেই IELTS,GRE এর জন্য কোচিং করছে।বড়ভাই যারা বাহিরে পড়ছেন তাদের সাথে কথা বললাম।ইউকের কুইন মেরীর এক ভাই বললেন,আর যাই করো ইউকেতে ফান্ডিং আশা করোনা।কানাডা,ইউএসএ ভাইয়েরাও একই কথা বললো,স্কলারশীপ এখন শুধু স্বপ্নে পাওয়া যায়।তাদের কথাবার্তা শুনে ভাবলাম আপাতত বাদ দেই।পরে একেবারে না পাইলে আরব দেশের কিং ফয়সাল ইউনির কথা ভাবা যাবে
।শুনেছিলাম বার্কলির মত জায়গার প্রফেসররা নাকি ক্লাস নেয়।এখন আপাতত একটি চাকরীর কথাই নাহয় ভাবা যাক।তাই বড় ভাইদের থেকে সাহায্য নিয়ে একটা সুন্দর(?!) জীবন বৃত্তান্ত বানিয়ে ফেললাম।ঘাটাঘাটি শুরু করলাম বিডিজবস,প্রথম আলোজবস।অনেকের থেকে জানলাম এইসব সাইট ভুয়া,এখান থেকে কোন চাকরী হবেনা(উল্লেখ্য আমি চাকরী কিন্তু সেখান থেকেই পেয়েছি)।পারলে লিঙ্ক ধরো।এই একটা ব্যাপারে আমার একটু এলার্জী আছে।আমার আম্মা আমাকে পাশ করার পর লজ্জা দিয়ে একদিন বলেছিলেন,পাশ করার পর নিজের যোগ্যতা থাকলে যেন ওটা দেখায় চাকরী নেই।তাই লিঙ্কচিন্তা বাদ দিয়ে আমি একের পর এক চাকরীর জন্য সিভি পাঠানো শুরু করি।ফলাফল প্রায় শূন্য।বন্ধুবান্ধবের অবস্থায়ও একইরকম।তবে ক্লাসের তিন পোলাপাইন কিভাবে যেন ইউকের একটা স্কলারশীপ ম্যানেজ করে ফেলে।আমার এক কাছের বন্ধু পোল্যান্ডে চলে যায় ট্রেনিং নিতে।জিপিএ খুব ভালো ছেলেপেলে সাউথইস্ট,প্রাইম এশিয়া এমন আরো কিছু জায়গায় পড়াতে চলে যায়।কিন্তু বেশিরভাগ পোলাপাইনের অবস্থা আমার মত।লিঙ্ক নাই,মামা চাচার জোর নাই।এর মধ্যেও দুই একজনের টেলিকমে কিভাবে যেন হয়ে যায়(লিঙ্ক ছাড়া ওইখানে আজকাল শুনছি ডাকটাও দেয়না)।আমি এবং আমার কাছের বন্ধুবান্ধব চাকরী তো দূরের কথা,ডাকটাও পাইনা।যারা গত এক দুই বছরের মধ্যে প্রকৌশল পাশ করেছে তারা বেশ ভালো করেই জানেন চাকরী বাজার কতটা জঘন্য এবং করুণ।এই মন্দার সময়েও আমি ফেব্রুয়ারীতে পাশ করার পর থেকে এখনো পর্যন্ত্ গুণে গুণে সাতটি জায়াগায় ডাক পেয়েছিলাম(একটিতে আমি ইনশাল্লাহ চাকরী করতে যাচ্ছি সামনে)।সৌভাগ্যক্রমে সাতটি ছিলো বেশ ভালো প্রতিষ্ঠান,কিন্তু সেখানে যে অভিজ্ঞতাগুলো হয়েছে তা নিতান্তই দুঃখজনক।কয়েকটির অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করা দরকার।ফারহান ভাইয়ের এই সংক্রান্ত একটি লিখা দেখেই মূলতঃ এই ব্লগটি আমার লিখা হলো।আসুন দু একটা শুনা যাক।
প্রথমবারে ডাক পেয়েছিলাম একটি বিখ্যাত ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কোম্পানিতে যাদের IPS আমরা প্রায়ই ব্যবহার করি।জানলাম আমার একটা লিখিত পরীক্ষা নেবেন তারা।গেলাম পরীক্ষা দিতে।আগেরদিন বেশ কিছু পড়াশোনা করে গেছিলাম।তারপরো আমি বেশ দ্বন্দে ছিলাম কারণ আমাদের একেবারে পাশাপাশি বুয়েটের একটি ব্যাচ বের হয়েছে যারা আবার আমাদের থেকে এক বছর সিনিয়র।উনাদের সাথে কম্পিট করে চাকরী পাওয়াটা খুব সহজ ছিলোনা।এছাড়াও আই.ইউ.টি,কুয়েটের ছিলো যারা আমাদের কিছুদিন আগে বের হয়েছিলো।জীবনে প্রথম চাকরী বাজারে পদক্ষেপ এবং সেখানে গিয়ে দেখলাম সব ইউনির থেকেই কম বেশি এসেছে।বুয়েটের এক ভাইয়ার সাথে বসে পরীক্ষা দিলাম,বেশ খাতির হলো।কিন্তু আমি পরীক্ষাটি দিয়েছিলাম MBA Admission Test এর অনুরুপ একটি প্রশ্নে।আমি জানিনা কোম্পানীগুলো ইঞ্জিনিয়ার চাইলে সেই যোগ্যতা না দেখে ইংরেজী ভাষার পরীক্ষা নেন কেন?আমি সেখান থেকে ডাক পাই আবার ১০ দিন পর।মোট দশজনকে ডাকা হয় ভাইভাতে এবং আমার সাথের যারা তারা সবাই আমার থেকে কমপক্ষে এক বছরের সিনিয়র ব্যাচ।আমি অবশ্যই ঘাবড়ে গেছিলাম এবং ভাইভা খুব সুবিধার না হলেও খারাপ দেয়নি হয়তো।তবুও ভাইভা দিয়ে বেশ মন খারাপ,কারণ আশানুরুপ হয়নাই।এর আরো ১০ দিন পর বুয়েটের সেই ভাই আমাকে ফোন করে জানায়,কোম্পানী নাকি সেকেন্ড ইন্টারভিউ কল করছে এবং এইবার সে ডাক পেয়েছে।আমি বুঝে নিলাম ফাস্ট ব্যাচের থেকে মনে হয় কাউকেই পছন্দ হয়নাই।কিন্তু না!ধারনা ভুল,পরে জানতে পাই যাদের প্রথম বার ডাকা হয়েছিলো তাদের থেকেই শুধু দুইজন নেয়া হয়।একজন ছিলো চুয়েটের আরেকজন আহসানুল্লাহর।আসল ব্যাপারটি এখন বলা দরকার।চাকরী বাজারে কতটা দুর্নীতি হয় তা আগে শুনে এসেছিলাম।হাতে নাতে ভাইভা দেয়ার পর বুঝেছিলাম।আমি যখন ভাইভার জন্য ডাক পাই তখন চুয়েটের যিনি সিলেক্ট হয়েছিলেন উনি ভাইভা দেয়ার আগে হাতে শুধু মাত্র একটি বই নিয়ে অত্যন্ত হাসিমুখে পড়ছিলেন।বইটি ছিলো হারুনুর রশীদ স্যারের পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস।উল্লেখ্য যে ভাইভাতে যিনি প্রধান প্রশ্নকর্তা ছিলেন তিনি আমাকে ইন্টারভিউতে সরাসরি বলেছিলেন,"আপনাকে আমি হারুনুর রশীদের পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস থেকে প্রশ্ন করছি,সব উত্তর তো পারা উচিত।"হয়তো ব্যাপারটা একটি কাকতাল মাত্র।
এরপর আরেকটি বিখ্যাত কোম্পানীতে ডাক পেলাম।ভাইভাতে আমাকে যিনি প্রশ্ন করছিলেন উনি আমার সামনেই দেখলাম উনার অধস্তন এক কর্মচারীতে গাধা,গরু বলে গালি দিচ্ছেন।পরে জানলাম সেই কোম্পানীতে ১২-১৪ ঘন্টা গরুর মত খাটতে হবে আর বেতন দেবে ১০হাজার টাকা।দুই ব্যাচে ভাগ করে পরে উনারা লিখিত পরীক্ষা নিয়েছিলো যার একটি ব্যাচে আমার ইউনির বন্ধু ছিলো তিনজন।আর একটি ব্যাচে ছিলেন আমি আর আমার খুব ক্লোজ এক বড় ভাই যিনি আমাদের সাথেই বুয়েট থেকে পাশ করেছিলেন।আমার বন্ধুরা বললো তাদের পরীক্ষা খারাপ হয়নাই।প্রশ্ন ভালোই হয়েছে।কিন্তু আমাদের প্রশ্ন অত্যন্ত বাজে হয়েছিলো।তড়িৎ প্রকৌশলী নেয়ার জন্য উনারা যে প্রশ্ন বানিয়েছিলেন তাতে যন্ত্রকৌশলের উপাদান ছিলো বেশি।আমার ওই বড় ভাই পরে বলেছিলেন উনি ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং করে এসেছেন বলে উত্তর করতে পেরেছেন।আমি কষ্ট পাইনি পরীক্ষা ভালো হয়নি বলে কারন এখানে বেতন আর খাটুনির কথা শুনে সিরিয়াসলি পরীক্ষাই দেয়নি।আর তাছাড়া তখন কোম্পানী বলেছিলো ১০০ জন নাকি ইঞ্জিনিয়ার লাগবে।এজন্য আমি ভেবেছিলাম কোথাও না হলে এখানে তো হচ্ছেই।মজার ব্যাপার কোম্পানী পরে পরীক্ষা দিতে আসা ৫০-৬০ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জন নিয়েছিলো,যার তিনজন আমার বন্ধুরা ছিলো আর একজন ওই বড় ভাই।আরো মজার হলো ওই পরীক্ষায় সর্বাধিক নম্বর পেয়েছিলো আমার এক বন্ধু যার জিপিএ ছিলো সবচেয়ে কম ক্লাসে।মারহাবা! চাকরীক্ষেত্র আসলেও অনেক বিচিত্র এবং কঠিন এক জায়গা।
এর বহুদিন পরে একটি বায়োমেডিকেল কোম্পানীতে ডাক পাই।সেখানে লিখিত পরীক্ষায় বেশ ভালো ভাবেই টিকে যাই।এরপর যখন ভাইভাতে ডাকা হয় তখন আমাকে নিম্নোক্ত শর্তসমূহ দেয়া হয়ঃ
১.ছয় বছরের কন্ট্রাক্ট করতে হবে।
২.তাদের নিকট আমাকে ৫ লাখ টাকার একটি চেক লিখে দিতে হবে।যদি কোম্পানী ছেড়ে যাই তাহলে তারা সেই চেক দেখায় আমাকে আদর করে ফেরত নিয়ে আসবে অথবা শ্বশুরবাড়ি পাঠাবে।
৩.বেতন বেশি না।৮-১০ দিতে পারি।আরো কমও দিতে পারি।বছর শেষে ১০০০ টাকা বেড়ে যাবে।
এই বায়োমেডিকেল কোম্পানীতে ডাকার আগে আমার আরেকটি জায়গায় ইন্টারভিউ হয়েছিলো যেখানে কোম্পানীর ভিপি একজন চাইনিজ আমার ইন্টারভিউ নিয়েছিলো।ওখান থেকে আমি বেশ ভালো ইন্টারভিউ দিয়ে আশাবাদী হয়েছিলাম আবার ডাক পাবো।কিন্তু আমি মে মাসে দেয়া ইন্টারভিউতে দুই মাস কেটে গেলেও আর ডাক পাইনি।পরে আমাকে ডাকা হয় বায়োমেডিকেল আর চাইনিজ কোম্পানী দুটো থেকেই একসাথে।চাইনিজে যখন ডাক পাই তখন মনে হচ্ছিলো হয়তো আমার ওখানে হয়ে গেছে।তাই ভাবলাম বায়োমেডিকেল কোম্পানীতে একটু মজা করা যায়।সেখানে আমি সহ ফাইনালী সিলেক্টেড তিনজন মিলে লাস্ট ইন্টারভিউতে বেশ মজা করে সালাম দিয়ে চলে এসেছিলাম।এই কোম্পানী আমাদের প্রতিবার ইন্টারভিউতে ডাক দিয়ে ২-৩ ঘন্টা বসিয়ে রাখতো(আমাদেরকে অবশ্য এনার্জী বিস্কিট খাওয়ানো হয়েছিলো)।
যাই হোক,ইতোমধ্যে চাইনিজ কোম্পানীর ইন্টারভিউ দুইবার পেছালো,কারণ চায়না ভিপি খুব ব্যস্ত।তবে শেষে ঠিকই হয় এবং জানতে পারি আমি তাদের সাথে কাজ করার জন্য নির্বাচিত হয়েছি।কোম্পানীর ভিপি আমার সাথে কিছুক্ষন চমৎকার ইংরেজীতে(অনেকে বলেন চাইনীজরা ইংরেজী ভালো বলতে পারেন না,কিন্তু উনি এবং কোম্পানীর বাকী চাইনীজরা কিন্তু বেশ শুদ্ধভাবে বলতে পারেন আমার দেখা অনুযায়ী) তার কোম্পানীর কথা বললেন।দেরী করে ডেকেছেন বলে দুঃখিত বললেন।করমর্দন করে বিদায় নেওয়ার পর যখন গুলশানের রাস্তায় তখন তেমন কোন আনন্দ অনুভূতি হচ্ছিলোনা।হয়তো এম.আই.এস.টির যান্ত্রিক জীবনের সাথে মিশতে গিয়ে নিজেও তেমন হয়ে গেছি,অথবা পাশ করার পর জীবনের আসল ও বাস্তব রুপ দেখে আমি এখন অনুভূতিহীন।
আমি চাকরীক্ষেত্রে আসার পর যে জিনিসটি খুব ভালো ভাবে শিখতে পাই তা হলো,কে কোথায় কোন ইউনিতে পড়েছে তা হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানী ছাড়া কোথাও গুরুত্ব পায়না।লিখিত পরীক্ষাগুলো আপনার নিজের যোগ্যতা দিয়ে দিতে হবে।এই ব্লগে অনেক সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্ক এসেছে।কিন্তু বাস্তবে চাকরী জীবনে এসব কিন্তু খুব একটা প্রভাব পায়না।সবচেয়ে বড় ব্যাপার চাচা-মামা।তারপরও যেসব প্রতিষ্ঠান সৎভাবে কর্মী নেয় তারা নীতিবোধ জিনিসটা বেশ প্রাধান্য দেয়।আমাদের এই ছোট্ট দেশে অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়।আমরা তাই যারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখন পাশ করছি তারা যদি সেই দুর্নীতি আর দুর্নীতিবাজদের মুখে লাথি মেরে সৎ উপায়ে চাকরী করতে নামি তাহলে মনে করতে পারেন আপনি দেশকে এক পা এগিয়ে নিয়ে গেলেন।আমি আজ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি,আমি কোন দুই নাম্বারী করে,বন্ধুবান্ধব অথবা মামা চাচা দিয়ে চাকরী পাইনি,নিজের যোগ্যতা দিয়ে পেয়েছি।আমাদের সবার মনে যদি এই প্রতিজ্ঞা থাকে অবশ্যই দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাবে।এই ব্লগ থেকে একটি জিনিস আমি শিখতে পেরেছি,যে যাই বলুক,আমাদের বেশিরভাগের মনে দেশপ্রেম ভালোভাবে বিদ্যমান।তাই আমরা যারা ভবিষ্যতে চাকরী ক্ষেত্রে যাবো তারা নিজেদের কাছে নিজেরাই প্রতিজ্ঞা করি,অন্তত এক্ষেত্রে আমরা এক নাম্বার হয়ে থাকবো।আগে নিজেকে বদলাতে হবে,তাই না?
[লিখা বড় হয়ে গেছে বেশ।আমি সেজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।আমি সব লিখাতেই বলি,লেখক হওয়ার মত গুণ আমার নেই।তাই গুছিয়ে ছোট করে লিখা সম্ভব হয়নি।তবে বিশ্বাস করতে পারেন যা অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে তার সামান্যই লিখেছি।লিখায় আঘাত প্রাপ্ত হলে অগ্রিম দুঃখ প্রকাশ করছি।]
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কে নয় ভাই?
আজকাল অনেকে পাশ করার পর চাকরী খোঁজার কথা না বলে মামা চাচা খুজতে যাই বলে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অভিনন্দন।
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। ভয় ধরায়ে দিলেন তো!
লেখক বলেছেন: ভয়ের কিছু নাই ভাই।সৎ থাকেন,ইনশাল্লাহ ভালো ভাবেই চাকরী পাবেন।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বিশাল লেখা , কিন্তু একটানে পড়লাম, কারণ এই সময়টা আমিও পার করে এসেছি তিনবছর আগে।প্রথমেই অভিবাদন ও অভিনন্দন, নিজের চেষ্টায় কর্মজীবন শুরু করার জন্য। আমার প্রথম ভাইভা দেবার আমন্ত্রণটি পাই এক ব্যাংকের আইটি থেকে, ্রিটেন বা আবেদনপত্র না দিয়েই। বুঝতেই পেরেছেন। কিন্তু ব্যক্তিগত এথিক্সের সাথে যুঝে সেটা প্রত্যাখান করি।
দু মাস নিথর যায়। কিন্তু তারপর বলবো সৃষ্টিকর্তার কৃপা অনেক ছিলো আমার উপর।
একাডেমিয়াতে ৪টির মাঝে দুটিতেই পেয়ে যাই, তার একটি ছিলো পাবলিক ইউনি। ইন্ড্রাস্ট্রীতে নয়টা এপ্লইকেশানের তিনটাতে পেয়ে মধুর সমস্যা।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলি, চাচা-মামা ছাড়া কিচ্ছু হবে না এই ধারণা পুরোপরি সত্য নয়, তবে অনেকখানি সত্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকে আমি আরো বেশি অভিনন্দন জানালাম।এই যে আপনি একটি অন্যায় থেকে নিজেকে বিরত রাখলেন সেটা কয়জন পারে?আপনাকে সালাম জানাচ্ছি।
চাচা মামা ছাড়া চাকরী হয়,কিন্তু ভালো চাকরী হয়না এটা বেশ সত্য কথা।
আমি মনে করি সৎ থাকলে তার মূল্য একদিন আপনি পাবেন।এটা আপনি মনে হয় আমার থেকে ভালো এখন বুঝেন।আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।
আট আনা বলেছেন:
ভাল লাগল লেখা। যা বলেছেন তা কম-বেশী সত্য। তবে রেফারেন্স ছাড়াও চাকরি হয়। আপনি যে ৫ লক্ষ টাকার কথা বলেছেন, অনেকক্ষেত্রেই কিন্তু ঐজন্যই রেফারেন্স থেকে নেয়। পরিচিতদের মধ্যে থেকে নিলে আরো সুবিধা আছে।আপনার তুলনায় আমার প্রথম চাকরি পাওয়া অনেক সহজ হয়েছিল। হয়ত তার একটা কারন আমি বেতনের দিকে তাকাইনি। সংক্ষেপে বলি। পাশ করার পর বেশ কিছু জায়গায় আ্যপ্লাই করেছিলাম, ২/১ টা জায়গা থেকে ফোন করেছিল, তারপর আর কোন যোগাযোগ করেনাই। এক ফ্রেন্ডের বাবা মারা গেছে শুনে ওদের বাসায় গেসি বনানি তে। তখন ফোন আসলো একটা। আমাকে বলে আপডেটেড রিজিউমে নিয়ে দেখা করতে ওদের বনানি অফিসে। আমি বললাম আমি বনানিতেই আছি তবে ফরম্যাল ড্রেসে নাই। বললো সমস্যা নাই চলে আসেন, রিজিউমে লাগবে না, আমরা কথা বলি সরাসরি। ওখান থেকেই গেলাম গায়ে টি শার্ট, পায়ে স্যান্ডাল। প্রোগ্রামিং নিয়ে দুইএকটা কথা বলার পর আমাকে ২ টা প্রোজেক্ট করতে দিলো। ওগুলা দেখে নিয়ে নিল।
লেখক বলেছেন: আপনি বলার আগেই বুঝে ফেলেছিলাম আপনি সি.এস.ইর।ফরমাল পোশাকে দেখা করতে মত ক্যাজুয়ালিটি এই ফিল্ড ছাড়া অন্য কোথাও আছে নাকি জানিনা।সি.এস.ইর সবচেয়ে বড় সুবিধা আমি মনে করি আপনি কাজ জানলে আলগা স্মার্টনেসের বেল দেয়া হয়না।বাংলাদেশে এখন আপনাদের জন্য চাকরীবাজার বেশ প্রশস্ত।
অমিত০৯৭ বলেছেন:
কোথায় জব করছো এখন?
লেখক বলেছেন: এখনো করছিনা বড় ভাই।ইনশাল্লাহ করতে যাচ্ছি দুমাস পর থেকে।আমার কোম্পানীটা একটি মাল্টিন্যাশনাল টেক্সটাইল কোম্পানী।GAP,Calvin Klein এদের সাথে সম্পর্কিত।আমাকে নেয়া হয়েছে পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে।দোয়া করবেন।
প্রতীক্ষিত বলেছেন:
ভয় পাইতেছি
লেখক বলেছেন: ভয় পাওয়ার কিছু নেই।আপনি বাহিরে পড়াশোনা কিংবা দেশে চাকরী যাই করতে যান না কেন সময় কিছু লাগবেই।কিন্তু হয়ে যাবে এবং সেটা ভালো কিছু বলেই আশা করছি।
লেখক বলেছেন: কাজ জানলে কোন সমস্যা হবেনা।আপনি যেখানে পড়েন সেখান থেকে কতটুকু শিখার পরিবেশ আছে এবং তা থেকে আপনি কতটুকু নিতে পারলেন এটাই পাশ করার আগে আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
একাকী বালক বলেছেন:
এই ব্লগে অনেক সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্ক এসেছে।কিন্তু বাস্তবে চাকরী জীবনে এসব কিন্তু খুব একটা প্রভাব পায়না।>>>> হা হা হা। আমি চাকরীর শুরুতেই একটা মজার কাহিনীতে পড়ছিলাম। আমি প্রাইভেট থেকে পাশ করা। আমি যে টিমে সেই টিমে একজন আছে ডি.ইউ দিয়ে বি.বি.এ, এম.বি.এ পাশ করা। মাস শেষে কে.পি.আই দেইখা টিম লিডারের চিল্লাপাল্লা। বেচারা ডি.ইউয়ের কে.পি.আই খারাপ ছিল। টিম লিডার ভাবছিল সেই প্রাইভেই দিয়ে পাশ করা আর আমি ডি.ইউ। হেরে প্রাইভেট নিয়া কি জানি কইছে। হে কয় আমি প্রাইভেটের না, আমার দিকে আঙ্গুল দিয়া কয় ওই প্রাইভেটের। এরপর দেখি আরও ঝাড়ি, এত ভাল ছাএ, কামের এই অবস্হা কেন? হা হা হা।
আসলে ভাই যা পড়ছেন তার ১ ভাগএ কামে আইব না চাকরীতে। যারা খালি মেধা মেধা করে কিছু আর এন্ড ডি করুক। আমি হাত তালি দিমু। তা আমনাগো তো সত্য প্রসাদ স্যারও পড়াইত। আর দাড়ি আলা ওই স্যার কি রোবট রোবট করে যে উনি নাকি?
লেখক বলেছেন: সত্য প্রসাদ স্যারের একটি তিন ক্রেডিটের কোর্স করেছিলাম।
দাড়িওয়ালা স্যারের কথাটা মনে হয় ঠিক ধরতে পেরেছেন।তবে এবার উনার সাথে যারা থিসিস করেছিলো তারা কেউ রোবট বানায়নি।কনভার্টার নিয়ে কাজ করেছিলো।ইলেক্ট্রনিকসের দুটো গ্রুপ এবার একটি সেন্সিং ক্যাপেবল রোবট বানিয়েছিলো আমাদের ডিপার্টমেন্টে।
আপনার সাথে কেউ আছে আমাদের ইউনির?জানলেন কি করে এসব?
আট আনা বলেছেন:
কে পি আই, এস এল এ, এস ডাবল ইউ এ --- খেক খেক। এরকম বেশ কিছু ভুংভাং টার্ম চালু আছে কর্পোরেট অফিসগুলাতে।
লুথা বলেছেন:
আমি তোমার সাথে পুরাপুরি একমত...নিজের যোগ্যতা থাকলে কোন কিছুই ব্যাপার না, যদিও মামা-চাচা না থাকলে চাকরিতে ঢুকতে একটু সময় লাগে এবং কষ্ট হয়, কিন্তু চাকরি হবেই যদি তোমার নিজের মাথায় কিছু থাকে...
পাবলিক-প্রাইভেট ভার্সিটি নিয়ে কিছু মাথা গরম পোলাপান অযথাই পেচাল করে, এইটা বুঝে না যে জব ফিল্ডে নিজের যোগ্যতাই আসল...
Click This Link
লেখক বলেছেন: নিজের যোগ্যতাই আসল বলে আমিও মনে করি।এই সাথে এটাও বলতে চাই যোগ্যতা অর্জনের জন্য যা দরকার তা যদি সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে পাওয়া যায় তাহলে সেখান থেকেও আমরা অনেক ভালো এবং দক্ষ জনশক্তি পাবো।সবাই শুধু বুয়েট,এম.আই.এস.টি বা আই.ইউ.টিতে পড়েই যে ভালো প্রকৌশলী হয়ে যাবে তা য়ামি মনে করিনা।হয়তো ল্যাব সঙ্কট আছে বেসরকারীতে কিন্তু নিজের যোগ্যতা থাকলে আমার মনে হয়না আর কিছু লাগে।একটা ঘটনা আগে এই ব্লগে একবার বলেছিলাম।আবার বলি।
কোন এক কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ক সেমিনারে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে অনেক ছাত্র ভিজিটে গিয়েছিলো।সেখানে যারা আলোচনায় ছিলেন সবাই মাইক্রোসফট বা এমন কোন ভালো জায়গায় কাজ করছে।তখন ইস্টার্ণ ইউনির এক ছেলে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করেছিলো,"আমি যেখানে পড়ি এইটার নাম এদেশেই কেউ জানেনা তেমন,আমাকে কি মাইক্রোসফটের মত জায়গায় কাজ করতে দেয়া হবে?"...তখন একজন আলোচনাকারী বলেছিলেন,"আমি নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা প্রথম ব্যাচের ছাত্র।আমার ইউনিকে কেউ তখন চিনতোনা।আজকে কিন্তু আমি মাইক্রোসফটে আছি।ভিতরে যদি প্রতিভা থাকে নর্থসাউথ,স্টামফোর্ড যেখান থেকেই হোক ভালো অবস্থানে আসা যায়।"
ঘটনাটি আমার এক বন্ধুর থেকে শোনা যে ওই সেমিনারে উপস্থিত ছিলো।
চাকরির যে অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিলেন তাতে রীতিমত ভয় পাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: আহা!ওই দিন ভোলার মত নয়।আমাদের ইউনিতে নিয়মকানুন অনেক বড় ব্যাপার।তাই অনেক কিছু করার সুযোগ আমরা পাইনা।কিন্তু ডিপার্টমেন্ট ডের মত কিছু উপলক্ষে সবাই প্রাণ উজাড় করে আনন্দ করে।২০০৬ প্রোগামের প্রতিটি ইভেন্ট এখনো চোখে ভাসে।বড় ভাইয়েরা মিলে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করবে,যেটা ছিলো আমাদের জন্য প্রথমবার আমি ভাবতেও পারিনি।
ভয় পাওয়ার কিছু নেই।সৎ থাকুন।আপনার জন্য অবশ্যই ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মামা-চাচা ছাড়া ভাল জব হওয়া কঠিন, তবে হয়না তা কিন্তু না। এমনিতে আমার বন্ধুবান্ধব প্রায় সবাই জব করে, আমি নিজেও ২ জায়গায় বেশ কিছুদিন করেছি। সিভিলের ফিল্ড খারাপ, কিন্তু সিএসই, আইপিই, মেকানিক্যালে আমাদের সাথে যারা বুয়েট থেকে বের হয়েছে সবাই বেশ ভাল জব পেয়েছে মামা ছাড়াই, সত্যি বলতে কি অন্য ইউনির ছেলেদের থেকে ভাল জবই, যোগ্যতা দিয়েই। তবে বাংলাদেশে থাকলে সম্ভবত খচ্চর টাইপ অনেক লোকের সাথে দেখা হয়, চাকরিদাতা ফার্মগুলোও তার ব্যতিক্রম হবে না, স্বাভাবিক। আগে প্রাইভেট সেক্টরে দুর্নীতি কম ছিল, এখন তো শুনি টেলিকমেও মামা-চাচার রেফারেন্স ছাড়া গেলে বেশিরভাগেরই জব হয়না।
লেখক বলেছেন: মামা চাচা ছাড়া ভালো জব আসলেও কঠিন ভাই।আমাদের সরকারী ইউনির পোলাপাইন কেউ তেমন বিত্তশালীর ছেলে মেয়ে না।আপনাদের ইউনির মত অথবা অন্তত বি.আই.টি বা আই.ইউ.টির সময়কালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জবের দিক থেকে অনেক বেশি সুবিধা পেত।খেয়াল করেন,আমাদের কিন্তু বড় ভাইরাও নেই ব্যাকআপ দেয়ার মত যেই সুবিধা আপনাদের অনেকে কিছু হলেও পাবেন।যেমন আমার উল্লেখ্য দ্বিতীয় কোম্পানীর বুয়েটের সেই ক্লোজ বড় ভাই কিন্তু তার সিনিয়র একজনের থ্রোতে একটি মিডিয়ায় ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আছেন বেশ ভালো বেতনে।সেই অপশন আমাদের একেবারে নেই।তারপরো ফারহান ভাই সত্যি কথা বললে,তড়িতের এই দুর্দশার সময়ও পাশ করার তিন চার মাস পর আমাদের ব্যাচের থেকে আমি আর ২-১জন ছাড়া কিভাবে যেন সবার জব হয়ে গিয়েছিলো টেলিকম থেকে ব্যাট সব জায়গায় এবং তা অন্য সব ইউনির থেকেও তুলনামূলক দ্রুত গতিতে।অস্বীকার করার উপায় নেই যে কিছু লিঙ্ক ধরে,কিন্তু বেশিরভাগ নিজের যোগ্যতা দিয়ে,লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে।হয়তো সময় গেলে আমাদের এই পরিচিতি সমস্যা থেকে আমরা উঠে আসতে পারবো।
সিভিলের ভাইয়া প্রচুর চাকরী দেখছি ,বেতন একটু কম।কিন্তু আপনারা বসুনিয়া,রুহুল আমীন স্যারের মত লিজেন্ডারী লোকদের ছাত্র।অবশ্যই উনাদের ছাত্র হিসেবে পুরাকৌশলে আপনারা দেশের সবচেয়ে ভালো অবস্থানে চাকরী পাবার দাবী রাখেন।কিন্তু আপনাদের জন্য এই দেশে আশানুরুপ বেতনে চাকরী পাওয়া খুব কঠিন।তবুও এটা আমি ভালো মতই জানি দুদিন পর আসমান সমান বেতনের চাকরী পেয়ে এই আপনি আমাকে আদর করে পিজাহাটে নিয়া খাওয়াইবেন।
অভিনন্দনের জন্য ধন্যবাদ বড় ভাই।দেশ ছাড়ার আগে আপনি আর মেহরাব ভাইয়ের সাথে দেখা করার খুব ইচ্ছা আছে।
নিলআকাশেরদুঃখ বলেছেন:
vaia apni kon uni te porten??
লেখক বলেছেন: ব্লগ পড়ে কমেন্ট করেছেন?
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আমি প্রিয়তে নিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আকাশ।ভালো থেকো।
আধারের আলো বলেছেন:
রেজাল্টের যে দশা...ভাবছি হয়ত বাইরে যেয়ে একটা গতি হবে।লেখা পরেতো সেই আশাও গেল।
লেখক বলেছেন: আশা হারাবেন না।আপনি যদি স্কলারশীপ নিয়ে দেশের বাহিরে যেতে পারেন তবে সেটা চমৎকার একটি ব্যাপার।যদি দেশে থাকতে চান তাহলেও ভালো চাকরী পাবেন।হয়তো একটু সময় লাগবে।
শুভ কামনা।
দেশী পোলা বলেছেন:
আগের যুগে মিডল ইস্টে হরেদরে বাঙালী ইন্জিনিয়ার নিত, এখন মনে হয় দাম কমে গেছে।চাকরীর জন্য সাবাশ
লেখক বলেছেন: এখনো অনেকে যাচ্ছেন।
আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
হায় হায়, আমার কি হবে?
লেখক বলেছেন: ভালো কিছু হবে।অকারণে চিন্তা করার কিছু নেই।চাকরী বাজার কঠিন কিন্তু টিকে থাকতে পারলেই চলবে।
শুভ কামনা রইলো।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
@লেখক- ধন্যবাদ। অভিনন্দন চাকরীর জন্য।স্টুডেন্ট লাইফ মিস করেন কিরকম?
লেখক বলেছেন: সেই রকম মিস করি!
আপনি যেখানেই পড়ুননা কেন,ভার্সিটি জীবন উপভোগ করুন।ওই জীবন আর ফিরে পাবেননা।
অসমাপ্ত-মহাকাব্য বলেছেন:
এর আরো ১০ দিন পর বুয়েটের সেই ভাই আমাকে ফোন করে জানায়,কোম্পানী নাকি সেকেন্ড ইন্টারভিউ কল করছে এবং এইবার সে ডাক পেয়েছে।আমি বুঝে নিলাম ফাস্ট ব্যাচের থেকে মনে হয় কাউকেই পছন্দ হয়নাই।কিন্তু না!ধারনা ভুল,পরে জানতে পাই যাদের প্রথম বার ডাকা হয়েছিলো তাদের থেকেই শুধু দুইজন নেয়া হয়।একজন ছিলো চুয়েটের আরেকজন আহসানুল্লাহর।---------------------------------------------------
ভাই,আপনার লেখায় বি,আই,টি নিয়ে বেশ নিচু মানের ধারনা দেখতে পাচ্ছি। আমি যদিও বি,আই,টি(বি,আই,টি বলা টা ঠিক হচ্ছে কিনা জানি না) এর ছাত্র না,কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি,আপনাদের এম,আই,এস,টি এর চাইতে বি,আই,টি গুলোতে পড়ার মান এবং ল্যাব ফ্যাসিলিটি অনেক অনেক ভাল।
বি,আই,টি গুলো এখন ভার্সিটি এবং যথেস্ট প্রাচীন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান,অন্তত আপনাদের ভার্সিটির তুলনায়।
এবং আপবাদের ভার্সিটি মোটেও সরকারী না,যেমন টা আপনি আপনার ১ মন্ত্যব্যে দাবি করেছেন।
৩-৪ (সঠিক হিসাব টা মনে আসছে না) লক্ষ টাকা আপনাদের ও দিতে হয় অন্যান্য প্রাইভেট ভার্সিটি গুলোর মত।
যাই হোক,চাকরি পাওয়ায় অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: "ভাই,আপনার লেখায় বি,আই,টি নিয়ে বেশ নিচু মানের ধারনা দেখতে পাচ্ছি। আমি যদিও বি,আই,টি(বি,আই,টি বলা টা ঠিক হচ্ছে কিনা জানি না) এর ছাত্র না,কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি,আপনাদের এম,আই,এস,টি এর চাইতে বি,আই,টি গুলোতে পড়ার মান এবং ল্যাব ফ্যাসিলিটি অনেক অনেক ভাল।"
ভাইসাহেব আমার লিখার ভুল অর্থ কেন ধরে নিছেন জানিনা।আমি নিজেও কিন্তু কুয়েটে ভর্তি হয়েছিলাম।পরে ভর্তি বাতিল করে বর্তমান ইউনিতে আসি।তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে খারাপ কথা বলার মত অবস্থান মনে হয় আমার নেই।তাই না?কোন জায়গা কত ভালো সেটা আমাকে না শিখালেও চলবে।আপনি যাহা দেখেননি,যেখানে পড়েননি তার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলা আপনার মনে হয় অনুচিত।
আপনি বলেছেন আপনি বি.আই.টি এর ছাত্র না,তাহলে আপনি কি করে বললেন বি.আই.টি এর কোয়ালিটি এম.আই.এস.টি থেকে ভালো?কথাবার্তা বলার আগে সংযত হয়ে বলা উচিত।আমার স্কুল কলেজের বন্ধুবান্ধবের একটা অংশ আছে বি.আই.টি তিনটিতে।বেশ ভালো মতই জানি কি অবস্থা কোথায়।আপনি ব্যক্তিগতভাবে যেই ইউনি কে তুলনামূলক মন্দ বলে কথা বলছেন আশ্চর্যের ব্যাপার হলো সেখানে কিন্তু এস.এস.সি আর এইচ.এস.সিতে গোল্ডেন ফাইভ নিয়ে পড়ার চান্স পায়না।আর আমার এক ছোটভাই যে চুয়েটে পড়ছে সে ৪.২ নিয়ে মেকানিক্যালে এখন।অনুগ্রহ পূর্বক মন্তব্য করার আগে জেনে বুঝে শুনে করবেন।কারণ মতটা ব্যক্তিগত হলেও ব্লগে লিখা আপনার মন্তব্যটা কিন্তু ব্যক্তিগত নয়।তাতে আপনি সবার কাছে প্রকাশ্য
"বি,আই,টি গুলো এখন ভার্সিটি এবং যথেস্ট প্রাচীন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান,অন্তত আপনাদের ভার্সিটির তুলনায়।"
এটা অবশ্যই।আমাদের এখনো পর্যন্ত বের হওয়া ব্যাচের সংখ্যা মাত্র তিনটি।বি.আই.টি এর প্রতিষ্ঠাকাল আমাদের তুলনায় অনেক আগের।একারণে এটা অবশ্যই বলতে হবে কুয়েট,রুয়েট বা চুয়েটের ফ্যাকাল্টি এম.আই.এস.টি থেকে হাজার গুণে উত্তম।এইএকটি দিকে এম.আই.এস.টি অনেক পিছিয়ে আছে।সময় গেলে এবং আরো ব্যাচ বের হলে একদিন এম.আই.এস.টিরও একটি উন্নত ফ্যাকাল্টি হবে আশা করা যায়।টাকা দিয়ে কেনার মত সামর্থ আমাদের নেই।তাই কবে আমরা উচ্চশিক্ষা নিয়ে যোগদান করতে পারবো তার উপর ফ্যাকাল্টি নির্ভর করবে।
"এবং আপবাদের ভার্সিটি মোটেও সরকারী না,যেমন টা আপনি আপনার ১ মন্ত্যব্যে দাবি করেছেন।
৩-৪ (সঠিক হিসাব টা মনে আসছে না) লক্ষ টাকা আপনাদের ও দিতে হয় অন্যান্য প্রাইভেট ভার্সিটি গুলোর মত"
ভাই এটাও আপনার আজাইরা ব্যক্তিগত প্রলাপ মনে করে কিছু বলছিনা।ওয়েবসাইটে বেশ ভালো ভাবে লিখা আছে কত খরচ লাগে।তাও আপনার পড়ার অক্ষমতা আছে ধরে নিয়ে বলছি,এখানে মোট খরচ চার বছরে ৯০ হাজার।এই পরিমাণ খরচ দেয়ার প্রতিফলে আমাদের কোন বই কিনতে হয়না চার বছরে,আর থিসিসের জন্য আমাদের সরকার থেকে একটা বেশ বড় অনুদান দেয়া হয় যার পরিমাণ থিসিসের বিষয় ভেদে ৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার।আমাদের প্রতিবছর দুইবার মেডিকেল বাবদ টাকা দেয়া হয়,এবং আরো অনেক কিছু।তাই এইসব ফালতু কথা বলার আগে ভালোমত তথ্য ঘাটুন এবং এর পর মন্তব্য করুন।আমাদের ইউনিটা নতুন এবং তা সরকারী এবং মিলিটারী শাসিত বলে অনেক কিছুতে যোগদান করতে পারেনা।একারণে পরিচিতি যথেষ্ট কম।তবে এ দুর্বলতার কারণে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করার কি হেতু বুঝতে পারলাম না।
আপনার সাথে কোনরুপ তুলনায় গেলামনা কোনটা ভাল কোনটা মন্দ।এটুকু পরামর্শ রাখবো,কোন কিছুর ব্যাপারে বলতে হলে আগে ভালো মত জেনেশুনে নিবেন কি নিয়ে কথা বলছেন,তার পর মন্তব্য করবেন।আমার কোন শব্দে দুঃখ পেলে ক্ষমাপ্রার্থী।
অভিনন্দনের জন্য ধন্যবাদ।আপনাকেও শুভ কামনা।
অসমাপ্ত-মহাকাব্য বলেছেন:
আরো ১ টা ব্যাপার,আপনাদের প্রতিষ্ঠান টি তো এখন ও ভার্সিটি হয়নি আমার জানা মতে,তাই না?
লেখক বলেছেন: আপনি যদি আমার প্রতিষ্ঠানের নাম থেকে এ ধারণা করে থাকেন যে এটি একটি ইন্সটিটিউট তাহলে আপনাকে MIT এবং CalTech নামক দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ নাম জানার অনুরোধ করবো।
আবারও অনুরোধ,কোন কিছু নিয়ে বলার আগে আপনার সেটি নিয়ে কথা বলার মত জ্ঞান আছে নাকি তা জেনে নিবেন।ধন্যবাদ।
অসমাপ্ত-মহাকাব্য বলেছেন:
ভাই,আমি আপনার জায়গা টা বুঝতে পারছি,আপনার নিজের প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা বলায় এমন গাত্র দাহের কারন। নিজে ১ বার ভেবে দেখুন, যখন বি আই টি নিয়ে কথা বলছেন,তখন ওটাও কারো না কারো ভার্সিটি।
------------------------------------------
আপনি ব্যক্তিগতভাবে যেই ইউনি কে তুলনামূলক মন্দ বলে কথা বলছেন আশ্চর্যের ব্যাপার হলো সেখানে কিন্তু এস.এস.সি আর এইচ.এস.সিতে গোল্ডেন ফাইভ নিয়ে পড়ার চান্স পায়না।আর আমার এক ছোটভাই যে চুয়েটে পড়ছে সে ৪.২ নিয়ে মেকানিক্যালে এখন।
---------------------------------------------------------
ভাই,এই ডাবল গোল্ডেন আমাকে শিকায়েন না,এখন আহসানুল্লাহ তে পড়তে গেলেও ডাবল গোল্ডেন চায়। আর আমি তো আমার নিজের অনেক বন্ধু কে দেখেছি,যারা গোল্ডেন তো দূরে থাক,জি পি এ ৫ ও পায় নাই কিন্তু বুয়েট এ পড়ছে,মেডীকেল এ পড়ছে,খালি গোল্ডেন বিচার করে যদি ভার্সিটি ভাল হত তাহলে তো কথাই ছিল না,হাসালেন আপনি।
----------------------------------------
আপনি বলেছেন আপনি বি.আই.টি এর ছাত্র না,তাহলে আপনি কি করে বললেন বি.আই.টি এর কোয়ালিটি এম.আই.এস.টি থেকে ভালো?কথাবার্তা বলার আগে সংযত হয়ে বলা উচিত।আমার স্কুল কলেজের বন্ধুবান্ধবের একটা অংশ আছে বি.আই.টি তিনটিতে।বেশ ভালো মতই জানি কি অবস্থা কোথায়।
-------------------------------------------------
হা হা হা,নিজেই নিজের কথা কন্ট্রাডীক্ট করলেন,আপনি ও পড়েন না বি আই টি তে, তো আপনি কেম্নে অদের অবস্থা জানেন?
আপনি যেভাবে জানেন,আমিও সেভাবেই জানি। প্রাইভেটে না পড়লেও প্রাইভেট কোন ভার্সিটি কেমন,যানা খুব ১টা কঠিন বিশয় না। বুয়েট ভাল কি খারাপ জানার জন্য বুয়েটে পড়া অত্যাবশ্যকীয় না।
----------------------------------------
আমি নিজেও কিন্তু কুয়েটে ভর্তি হয়েছিলাম।পরে ভর্তি বাতিল করে বর্তমান ইউনিতে আসি।তাই এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে খারাপ কথা বলার মত অবস্থান মনে হয় আমার নেই।তাই না?কোন জায়গা কত ভালো সেটা আমাকে না শিখালেও চলবে।আপনি যাহা দেখেননি,যেখানে পড়েননি তার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলা আপনার মনে হয় অনুচিত।
-----------------------------------------------
ভাই,আমার নিজের চেনা অন্তত দশ জন আছে যারা এম,আই,এস,টি তে চান্স পেয়ে চুয়েট আর রুয়েটে গেছে,কুয়েটের কথা বাদ ই দিলাম।কে কোন ভার্সিটি ছেড়ে কোথায় আস্লো এটা দিয়ে ভার্সিটি এর মান জানা দায়। ওই বয়স আম্রাও দেখেছি,কোন স্টুডেণ্ট নিজের ইচ্ছায় খুব কম ই কোথাও ভর্তি হয়,মানুষ জ়নের কথায় প্রভাবিত হয় বেশি।
-----------------------------------------
"বি,আই,টি গুলো এখন ভার্সিটি এবং যথেস্ট প্রাচীন প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান,অন্তত আপনাদের ভার্সিটির তুলনায়।"
এটা অবশ্যই।আমাদের এখনো পর্যন্ত বের হওয়া ব্যাচের সংখ্যা মাত্র তিনটি।বি.আই.টি এর প্রতিষ্ঠাকাল আমাদের তুলনায় অনেক আগের।একারণে এটা অবশ্যই বলতে হবে কুয়েট,রুয়েট বা চুয়েটের ফ্যাকাল্টি এম.আই.এস.টি থেকে হাজার গুণে উত্তম।
----------------------------------------------
ধন্যবাদ সত্য সীকারের জন্য।
আর আমার দেওয়া তথ্য,জা নিয়ে আপ
নার এত আপত্তি,তা আদৌ কোন তথ্য নয়,আমি শুধু জানতে চেয়েছি,আপনার নিজের ভার্সিটী জন্যে আপনার খারাপ লাগছে,তা বুজতে পারছি।
শেষে বলি,এম আই এহ টি কে খারাপ বলার বা প্রমানের জন্যে আমি লিখি নাই,শুধু অন্যের ভার্সিটি নিয়ে অযাচিত মন্ত্যব্য থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছি।
ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: "ভাই,আমি আপনার জায়গা টা বুঝতে পারছি,আপনার নিজের প্রতিষ্ঠান নিয়ে কথা বলায় এমন গাত্র দাহের কারন।
নিজে ১ বার ভেবে দেখুন, যখন বি আই টি নিয়ে কথা বলছেন,তখন ওটাও কারো না কারো ভার্সিটি।"
জনাব আজাইরা ও যুক্তিহীন মন্তব্যকারী,আপনি আমার ব্লগের কোন জায়গায় লিখা আছে দেখান যে আমি বি.আই.টি কে খারাপ বলছি।ওই বাক্যটা একটু আমাকে দেখায় দেন।ওয়েবসাইটে যেয়ে ইংরেজী পড়ার মত শিক্ষা বা জ্ঞান নাই বলে বাংলা পড়তেও সমস্যা হবে এটা জানা ছিলোনা।আমার লিখার কোন জায়গায় বি.আই.টি খারাপ বলছি একটু জানতে মন চায়।নিজের আজাইরা বুদ্ধিহীন মাথা দিয়ে নিজের মত করে বের করে ফেললেন যে বি.আই.টি আমি খারাপ বলছি।আর আমার যদি সত্য বলতে গাত্রদাহ করতো তাহলে তো ফ্যাকাল্টির প্রসংগ তুলতাম না।বি.আই.টি নিয়ে আপনার গাত্রদাহর কারণ কি এটা বরং আমি বুঝতে পারছিনা।মাইন্ড না খাইলে জানতে খুব মন চাচ্ছে আপনি কোন জায়গার ছাত্র(যদি সত্যি বলার সৎ সাহস থাকে)?
"ভাই,এই ডাবল গোল্ডেন আমাকে শিকায়েন না,এখন আহসানুল্লাহ তে পড়তে গেলেও ডাবল গোল্ডেন চায়।আর আমি তো আমার নিজের অনেক বন্ধু কে দেখেছি,যারা গোল্ডেন তো দূরে থাক,জি পি এ ৫ ও পায় নাই কিন্তু বুয়েট এ পড়ছে,মেডীকেল এ পড়ছে,খালি গোল্ডেন বিচার করে যদি ভার্সিটি ভাল হত তাহলে তো কথাই ছিল না,হাসালেন আপনি।"
আপনি কি বুঝতে পারছেন আপনি নিজেকে জোকার প্রমাণ করে এই মন্তব্য করেছেন।বুঝলাম আমার কথা শুনে আপনার গাত্র এবং মগজ দাহ হয়েছে তাই বলে এমন সব হাস্যকর কথা।আপনার এই বাক্য পড়ে আমার অবস্থা হয়েছে "কস কি মমিন!!!" বুয়েটে আমার ছোট ভাই এইবার পরীক্ষা দিচ্ছে।চার সাবজেক্টে চাচ্ছে এখন প্রায় ১৯ পয়েন্ট।আপনি কোন হিসেবে বললেন যে বুয়েটের মত জায়গার ছেলে সেখানে পাঁচ না পেয়ে পড়তে পারে বুঝতে পারছিনা।অনুগ্রহ করে একটু মগজ ঠান্ডা হলে হিসাব করে আসবেন।আর আমি কোন জায়গায় এই মতবাদ দিয়েছি ভাই যে ফাইভ দিয়েই শুধু ভার্সিটির মান হয়?আপনি কি এটা অস্বীকার করেন যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নির্ণয়ে এখানে পড়াশোনা করা ছাত্রের মান একটি ফ্যাক্টর নয়?একজন ছাত্র ভালো ফলাফল নিয়ে কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যায়?আপনি কি বলতে চান ফাইভ নিয়া পড়া এম.আই.এস.টির ছাত্র সব ঘাস খায়া পাশ করে আর বি.আই.টি তে ৪ নিয়াও চান্স পেয়ে পড়তে যাওয়া ছেলেরাই আসল ছাত্র?ফ্যাকাল্টি হিসাব করলে এম.আই.এস.টি বি.আই.টির কাছে শুধুই একটি শিশু এবং এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানের জন্য একটি বেশ বড় ফ্যাক্টর।ফ্যাকাল্টির এই অভাবটাও কিন্তু এম.আই.এস.টির থাকেনা কারণ পার্ট-টাইম শিক্ষক সবই বুয়েটের স্যাররা।যদি এখন বলেন,বুয়েটের শিক্ষক ভালোনা এইজন্য ছাত্র কিছু শিখেনা তাহলে কিছু বলার নাই।আশা করি আপনার বুঝশক্তি থাকলে এখন বেশ ভালো ভাবে বুঝে গেছেন যে এইখানে কেন পোলাপাইন পড়ে,না বুঝলে মাথা ঠান্ডা করে আবার পড়েন।
"হা হা হা,নিজেই নিজের কথা কন্ট্রাডীক্ট করলেন,আপনি ও পড়েন না বি আই টি তে, তো আপনি কেম্নে অদের অবস্থা জানেন?"
অটিজম একটি রোগ আছে।আমার জানা মতে এক প্রকার অটিস্টিক রোগীর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো,এদের সহজে বোঝার ক্ষমতা কম।মানে কিছু বললে তা গ্রহণ করতে দেরী হয়।যাই হোক,আমি কিন্তু আপনাকে আমার প্রথম মন্তব্যে বলেছিলাম আমি কুয়েটে ভর্তি বাতিল করে বর্তমান ইউনিতে পড়া শুরু করেছি।আপনার কি মনে হয়,আমি যেখানে ভর্তি হয়েছিলাম এবং ছেড়ে এসেছি সেখানকার অবস্থা কিছুই না জেনে?খুলনায় ভর্তি হওয়ার পর কি আমি সেখানে কাবাডি খেলছি?এই সামান্য জিনিসটি বোঝার মত বয়স কি আপনার আদৌ হয়নি,আমি সন্দিহান।
"ভাই,আমার নিজের চেনা অন্তত দশ জন আছে যারা এম,আই,এস,টি তে চান্স পেয়ে চুয়েট আর রুয়েটে গেছে,কুয়েটের কথা বাদ ই দিলাম।কে কোন ভার্সিটি ছেড়ে কোথায় আস্লো এটা দিয়ে ভার্সিটি এর মান জানা দায়।ওই বয়স আম্রাও দেখেছি,কোন স্টুডেণ্ট নিজের ইচ্ছায় খুব কম ই কোথাও ভর্তি হয়,মানুষ জ়নের কথায় প্রভাবিত হয় বেশি।"
কথার অতিরিক্ত অর্থ বার করা আপনার একটি বিশাল সমস্যা বলে আমার মনে হচ্ছে।আমার ওই কথা শুনে কেন আপনার মনে হলো যে আমি এই মতবাদ দিছি যেঃ ভার্সিটির মান তা ছেড়ে আসা ছাত্র দিয়ে বোঝায়?আমি এটা জোর গলায় বলতে পারি একটি ভার্সিটি কতটা ভালো খারাপ তা নিরুপনের একটা অন্যতম(একমাত্র নয়) উপায় হলো এখানে পড়া ছাত্রদের কোয়ালিটি।যদিও আপনার কাছে মনে হয় বুয়েট মেডিকেলে পড়া অনেক ছাত্র এমনই কোয়ালিটিহীন যে এই যামানায় একটা ফাইভ তুলতে পারেনা।আপনি দশজনের কথা বলছেন,আমি আমার পুরা ব্যাচের কথা বলতেছি যারা শুধু বি.আই.টি না আমার মত অনেকে ঢাকা ইউনিও ছেড়ে এসেছে।তাতে কি হইলো?আপনি বলছেন অনেকে মানুষের কথায় প্রভাবিত হয়ে কোথাও ভর্তি হয়।আপনার কি মনে হয় যারা এম.আই.এস.টিতে ভর্তি হয় তারা রিকশাওয়ালা,মুড়িওয়ালার থেকে উপদেশ নেয়?যারা বলে এম.আই.এস.টিতে পড়তে তাদেরকে কি মাসিক টাকা দেয়া হয় ছাত্র ভর্তি করাতে?
"আর আমার দেওয়া তথ্য,জা নিয়ে আপ
নার এত আপত্তি,তা আদৌ কোন তথ্য নয়,আমি শুধু জানতে চেয়েছি"
নিচের বাক্যটাতো আপনি বলছেন তাই না?----
"৩-৪ (সঠিক হিসাব টা মনে আসছে না) লক্ষ টাকা আপনাদের ও দিতে হয় অন্যান্য প্রাইভেট ভার্সিটি গুলোর মত"
এইখানে আপনি কোথায় প্রশ্নবোধক অব্যয় ব্যবহারে কিছু জানতে চাইলেন তা আমার একটু জানতে মন চায়?আজাইরা কথা বলেন কেন ভাই?
"শেষে বলি,এম আই এহ টি কে খারাপ বলার বা প্রমানের জন্যে আমি লিখি নাই,শুধু অন্যের ভার্সিটি নিয়ে অযাচিত মন্ত্যব্য থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছি।"
আমি আপনার মত বহু আজাইরা পাবলিক দেখছি ব্লগ থেকে শুরু করে বাস্তব জীবনে যারা কিছু না জেনে অল্প বিদ্যা ভয়ংকর মন্তব্যটিকে সু প্রতিষ্ঠিত করতে মনের কথা বলে বেড়ায়।এম.আই.এস.টি একটি নতুন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।এর সম্পর্কে মানুষের অজ্ঞানতা থাকবে এটা খুব স্বাভাবিক।তাই বলে জ্ঞানী জ্ঞানী ভাব নিয়ে এর সম্পর্কে দূর থেকে নিজস্ব চিন্তাভাবনা জানানোর প্রয়োজন আছে বলে জানিনা।আপনি হয়তো যেই মহাজ্ঞানী লোকদের একজন যারা প্রতিটি কথার সাংকেতিক অর্থ বের করে জ্ঞান দেখাইতে চান।কিন্তু এইসব কোনটা ভালো কোনটা খারাপ ইউনি এমন ছেলেমানুষী বিষয়ে কথা বলার মত রুচিবোধ নাই।কারণ জব মার্কেটে যেয়ে ভালো মতই বুঝতেছি কন জায়গার ছাত্র কেমন।তাই ধন্যবাদ সহ আহবান জানাই আমার ব্লগে এসে আর জ্ঞান দেখায় নিজেকে জোকার বানায়েন না।
আধারের আলো বলেছেন:
যেটা বললেন সেটা আমার ক্ষেত্রেও সত্য।আমি নিজেও বি,আই,টি, বা MIST তে পরি নাই।তবে ফ্রেন্ড এবং army তে থাকা বড়ভাই-দের কাছ থেকে এটা জানি যে MIST তে rules & regulation খুব ভাল।এদিক দিয়ে বুয়েট ও অনেক পিছিয়ে।আর MIST এর স্টুডেন্টসরা বুয়েট এসে অনেকগুলা ল্যাব করেন।এটুকু বলতে পারি বুয়েট এর ল্যাব বাংলাদেশের যেকোন ভার্সিটির তুলনায় উন্নত মানের।আর বুয়েটের আনেক স্যারও MIST তে ক্লাস নেন।so এত খারাপ মনে করার কিছু হয়নাই।
লেখক বলেছেন: নিয়ম কানুন ভালো না ঠিক একটু বেশি কড়া,এটাকে ভাল যায় নাকি জানিনা।অন্তত বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এমনটা একেবারেই আশাপ্রদ না।
বুয়েট হলো প্রকৌশল বিদ্যার সুতিকাগার।আমি আমার চার বছরে একটি ল্যাব আপনাদের ওখানে করেছিলাম(পাওয়ার সিস্টেম)।ওই ল্যাবের জন্য যে সফটওয়্যারগুলো দরকার ছিলো যেমন সিমবেস,সিমফ্লো সেগুলো বাংলাদেশে শুধু আপনাদের ইউনিতেই আছে।যতদূর জানি সেটি শ্রদ্ধেয় মোহাম্মদ আলী স্যারের অবদান।এমন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষকদের জন্য বুয়েটের ল্যাব প্রকৌশল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এবং সমৃদ্ধ।
আর কে কি মনে করলো তাতে কিছু যায় আসেনা।পাশ করার পর ভালো মতোই বোঝা যায় কার যোগ্যতা কতটুকু।যে যে যার ইউনি নিয়ে গর্বিত।আপনার কাছে যেমন আপনার বিশ্ববিদ্যালয় সেরা,আমার কাছে তেমন আমারটি।সমস্যা হলো কিছু আজাইরা পাবলিক আজাইরা মন্তব্য করে কিছু না জেনে বুঝে।
পরে আশায় থাকি- মাগার এমআইএসটি , দেশের এই সমস্যা- ঐ শোক- এসব করতে করতে আর কোন অনুস্ঠান-ই করল না
--- ক্যাচাল মনে হয় শুরু হচ্ছে- উপরের কমেন্টে। জবাব দেয়া না দেয়া সমান কথা। ব্লগে কাউকে তুমি কিছু শিখাতে আস নাই, তাই শিখানোর কোনো দরকার নাই। কোনটা ভাল কোনটা খারাপ এই নিয়া মারামারি যারা করে তারা হীনমন্নতায় ভোগে। নিজে কিছু না হতে পারলে ভার্সিটি আদর করে কোলে করে ভাত খাওয়াবে না।
------আর এটা তো জানা কথাই-
''আমি বাংলাদেশের, যত পচাই হোক বাংলাদেশ আমার কাছে সেরা দেশ।''- আমার জেলা সেরা জেলা। আমার শহর সেরা শহর,
--এইটা যারা মানে না তারা অন্যরে নিয়ে ক্যচাল তো করবেই।
লেখক বলেছেন: "ব্লগে কাউকে তুমি কিছু শিখাতে আস নাই, তাই শিখানোর কোনো দরকার নাই। কোনটা ভাল কোনটা খারাপ এই নিয়া মারামারি যারা করে তারা হীনমন্নতায় ভোগে"---এই দুটা কথা খুব হাইফাই বলছেন।
ড়ৎশড় বলেছেন:
দুঃখিত বোকামানব আপনার করা মন্তব্যটি মুছে যাওয়ার জন্য।আপনি সিজিপিএর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলেন।আমার উল্লেখিত দ্বিতীয় কোম্পানীতে কিন্তু সিজিপিএ তিন এর নিচে পাওয়া বন্ধুটি সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে।আশা হারাবেননা।শুভ কামনা আপনাকে।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
লেখক ভাই, "" অসমাপ্ত-মহাকাব্য "" নামক এই গর্দভের সাথে প্যাচাল পাইরেন না। ওর ভাব দেখলে মনে হয় এইচ এস সি তে বাংলাদেশের সবাই গোল্ডেন পায়। বুয়েটে যেয়ে ল্যাব করলে সমস্যা কী? একই ত মেশিন তাইলে ব্যবহার হল। তাই না? আর বুয়েট কী বাংলাদেশের না? বুয়েটে যেয়ে কেউ ল্যাব ব্যবহার করলে দোষটা কী? এমন ত না যে অন্য দেশের থেকে সাহায্য চাইতেছে। বরং, বাংলাদেশের একটা ইউনি, আরেকটা ইউনিতে "" পড়াশোনার "" কাজে যাইতেছে।
আপনার পোস্ট অনেক ভাল হইছে। হুদাই এই মকছুর সাথে প্যাচালে যাইয়েন না।
এগুলি দেশে থাকে নাকি উগান্ডা বা ঘানায় থাকে, ওরাই জানে। এম আই এস টি এখনকার যুগের পোলাপাইন যথেষ্ট চিনে। আর অনেক গুরুত্ব দেয়। এইসব চটি-মহাকাব্যের কথায় পাত্তা দিয়েন না। কিছু গর্দভ সব খানেই থাকে। ওর উত্তর দেয়া একদম অফ যান। আমিও চুপ মাইরা গেলাম।
ভাল থাইকেন।
লেখক বলেছেন: চটি মহাকাব্য নামটা শুনে বেশ মজা পেয়েছি।
বাংলাদেশের জন্য ৭ বছর ৮ মাস বয়সী একটি ইউনির পক্ষে সবগুলো ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।কিন্তু তবুও যখন সেই ইউনি তার ছাত্রদেরকে সর্বোচ্চ মান দেয়ার চেষ্টা করে,তখন মহাকাব্যের মত অনেকেই এমন মন্তব্য করার সুযোগ পেয়ে যায়।এইসব মানসিক অসুস্থ ব্লগারের জন্য প্রায় মনে হয় ব্লগ ছেড়ে দেই।নিজের ব্লগে নিজের ইউনির কথা বললে তারা কেন ক্ষেপে যায় আমি জানিনা।
ভালো থেকো।
ড়ৎশড় বলেছেন:
অসমাপ্ত ব্লগারের কিছুক্ষণ আগে করা মানসিক রোগীর মত করা মন্তব্যটি মুছে দিলাম।ব্লগ বড়ই বিনোদনের জায়গা।এখানে এতই বিচিত্র কিছু মানসিক রোগী আসে ভাবা যায়না!লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ এবং শুভকামনা।
বো কা মা ন ব বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাইয়া। আমি আমার কমেন্ট খুঁজতেছিলাম। কিন্তু কোথায় গেছে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আপনার সাজেশন খুব ভাল লাগল। আমার জন্য দোয়া করবেন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যি দয়া করবো,ভালো থেকো।
রোহান বলেছেন:
চাকরীর বাজার খুব মজার। একটা গল্প বলি। আমার ডিপার্টমেন্টে পাঁচজন নতুন রিক্রুটমেন্টের কথা জানালাম লাইন ম্যানেজারকে। ফরমালিটিস শেষ হবার পরে এইচ আর পেপার আর ওয়েবে অ্যাড দিলো। সময় শেষের পরে সিভির পরিমান দেখে মাথায় হাত। কম করে হলেও হাজার দুয়েক সিভি (অধিকাংশই হার্ড কপি, ওয়েবের অ্যাপ্লিকেশন অনেক এইচ আরই সর্ট লিষ্ট করেছে)। এখন আমি বাছবো কিসের বেসিসে? সিজিপিএ দিয়ে করলেও চার পাঁচশো ইন্টারভিউ নিতে হয়, এক্সপেরিয়েন্স অ্যাড করলেও শ তিনেক থেকেই যায়। আমার দরকার পাঁচজন ফ্রেশ ইন্জিনিয়ার। তাও সিভি নিয়ে বসছি আমরা ডিপার্টমেন্টের তিনজন, ঘাটাঘাটি করছি আর খারাপ লাগছে কাকে বাদ দিয়ে কাকে ডাকবো। নিজের পরিচিত ছেলে মেয়ে ছিলো কজন, সিজিপিএ যথেষ্ট ভালো (৩.৭৫ এর উপরে) বসের রেফারেন্স ছিলো কিছু আর বিভিন্ন ইউনির কিছু সিভি বাছাই করে পঞ্চাশ জনের মতো কল করালাম। --- সেই পাঁচজনের মাঝে একটা ছেলে খুলনা ভার্সিটির ইলেক্ট্রনিক্সের, আন্দাজে ওর সিভিটা টান দিয়েছিলাম, সিজিও ভালো ছিলো -- মারাত্মক ভাইভা দিলো। এইটাই হলো লাক। চাকরী করতে রেফারেন্সের চেয়েও লাক অনেক বেশী ইম্পর্টেন্ট, আজকাল অফিসের সবারই কমবেশী একগাদা রেফারেন্স ক্যান্ডিডেট থাকে।আমার চাকরী কিন্তু বিনা রেফারেন্সে। কে জানে লাক ফেভার করে কারও হাতে হয়তো সিভিটা উঠেছিলো। আরেকটা কথা হলো স্রেফ সিজিপিএ কিংবা ইউনি জব মার্কেটে কোনো কামের কিছু না। ঐ পাঁচজনের যাদের মারাত্মক সিজিপিএ তারা সবচেয়ে ফ্লপ মেরে সুইচ করেছে ইউনিতে।
কুয়েট-রুয়েট-চুয়েট এদের ট্রিপল ই তে পাওয়ার সেকশান টা অনেক স্ট্রং। আমি আহসানউল্লাহর, বুয়েট- বিআইটি এর অনেক টিচার পেয়েছি। পাওয়ারে বিআইটির ছেলেপেলেদের কনসেপ্ট অনেক ক্লিয়ার। আপনার ইউনির কারো সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়নি তাই কমেন্টে যাচ্ছি না। তবে উপরের বিতর্কতে দু পক্ষের আচরণই ভালো লাগে নি।
হারুনুর রশীদ স্যারের বই পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্সে বহুল পঠিত। এই রিলেটেড ভাইবাতে কেউ হারুনুর রশীদের বই পড়াটাই স্বাভাবিক তাই না? আর ভাইবা বোর্ডে প্রশ্ন করাটার সাথে বই এর নাম বলা শুনে অবাক লাগলো। বিএসসি লেভেলে বই তো ফ্যাক্টর না, এটাতো মুখস্ত বিদ্যা না যে বয়েলস্টেড এর প্রবলেম দশটা সলভ করে গেলাম তো কমন পড়ে গেলো। আপনার থিওরী ক্লিয়ার থাকলে রশীদ থেকে প্রশ্ন করুক কিংবা অন্য কিছু থেকে -- সমস্যা তো একই তাই না?
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
তড়িৎ প্রকৌশল থেকে এখনো পর্যন্ত বের হওয়া আমাদের ছাত্র সংখ্যা ১০০ ছাড়ায়নি হয়তো।অধিকাংশ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক পেশায় অথবা দেশের বাহিরে উচ্চতর শিক্ষায়।তাই কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়তো হয়নি।
সার্কিট কোর্স করার জন্য আমাদের ডর্ফ থেকে থেরেজা,বয়েলস্টেড সবই পড়তে হয়েছিলো।কিন্তু পরীক্ষায় ওখান থেকে কিছুই আসেনা।তাই বেসিক না থাকলে পাশ করা অসম্ভব।একইভাবে পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস কোর্সের জন্য মালভিনো,চার্লস এবং রশীদ স্যারের বইও আমাদের পড়তে হয়েছিলো।তাই ইনভার্টার সম্পর্কে করা প্রশ্নের উত্তর দেয়াটা কঠিন ছিলোনা।কিন্তু এক বছর আগে পড়ে যাওয়া এই কোর্স থেকে যখন সার্কিট ডায়াগ্রাম আঁকতে দেয় তখন আগে থেকে প্রস্তুতি নেয়া লাগে বৈকি।তড়িৎ যন্ত্রের কারখানায় কাজ করতে ইনভার্টার,কনভার্টার নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে তা জানা থাকলে হয়তো আমিও কাকতালবশত(?!) ওই বইটি নিয়ে হাসিমুখে পড়তে পড়তে ভাইভা দিতে যেতাম
।আশা করি এখন ব্যাপারটি বুঝতে পেরেছেন।
সবশেষে আপনি যদি আমার পোস্টটি পড়ে থাকেন তাহলে হয়তো খেয়াল করতে পেরেছেন আমি কোথাও কোন ইউনিকে ছোট করার মানসিকতা দেখাইনি।সরকারী-বেসরকারী নিয়ে যেসব বিতর্ক হয় তাতেও আমার এলার্জী আছে।নিজ থেকে গায়ে পড়ে কোন মানসিক রোগী তার অজ্ঞানতা জাহির করলে কি বলবার থাকে! ভালো থাকবেন।
সালাহউদ্দীন আহমদ বলেছেন:
দেরীতে হলেও আপনার পোষ্টটা পড়ার সুযোগ হলো। মন্তব্য নিস্প্রয়োজন।গতানুগতিক উপদেশ দিচ্ছি। আশা ধরে রাখুন।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন।
রোহান বলেছেন:
হুমম ইলেক্ট্রো মেকানিকাল কোম্পানী যারা পাওয়ার সিস্টেমের সলুশন দেয়, সেসব জায়গার ভাইভাতে ইনভার্টার, কনভার্টার মোদ্দা কথা পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্স ফীল্ড থেকে ডায়াগ্রাম চাইতেই পারে, এটাই স্বাভাবিক। আহসানউল্লাহ তে একজন বোধহয় আছে টিচিং এ তাই না? ভালোই করছে শুনলাম
লেখক বলেছেন: চাকরী পাইলে আমার কাজ করার কথা কারখানাতে এবং শুনেছিলাম কাজ হবে ইনডাকশন মোটর,অলটারনেটর এইসব নিয়ে।এর আগে যারা আমার ইউনির ওইখানে কাজ করছে তারাই বলেছিলো ওইসব আর সার্কিট ব্রেকার পড়ার জন্য।তবে আপনি সঠিক বলেছেন।অবশ্যই পাওয়ার সল্যুশন দেয়া কোম্পানীর ইনভার্টার থেকে প্রশ্ন করার কথা।ব্যাপার হলো ইনভার্টার থেকে প্রশ্ন করে আমাকে উনারা ঠেকাতে পারেননাই
।সমস্যা হয়েছিলো যখন সার্কিট ডায়াগ্রাম এঁকে আই.পি.এস এবং ইউ.পি.এস এ ইনভার্টারের ফাংশন বুঝিয়ে দিতে হয়েছিলো।সেটাও সমস্যা হতোনা যদি আগে থেকে সংকেত পেতাম
।
আহসানুল্লাহ একজনই পড়ায়।ভালো করছে নাকি জানিনা।শেষ খবর জানতাম উনি বাহিরে পড়তে যাচ্ছেন।আপনি কি ওখানকার ছাত্র ছিলেন ?
আধারের আলো বলেছেন:
আমি সম্ভবত আমার কথা ঠিকভাবে বোঝাতে পারি নাই।বুয়েট-এ এসে ল্যাব করায় দোষের কিছু নাই।কথা হচ্ছিল BIT এর তুলনায় MIST এর lab খারাপ,তাই বললাম যে MIST-র একটা নতুন ভার্সিটি হিসেবে যে ল্যাবসল্পতা আছে তা নয়।আর এখানে ফ্যাকাল্টি ও খারাপ নয়।বরং শৃংখলা সহ সবদিক বিবেচনায় এটা অনেক উন্নত।আমি ঠিকভাবে বোঝাতে না পারায় sorry.
লেখক বলেছেন: না না ঠিক আছে,দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই।
ল্যাব আমাদের এখানকার কেমন তা এখানে যারা ছাত্র আছে বা ছিলো এবং যারা এম.আই.এস.টি তে একবারো এসেছিলো তারা বেশ ভালোমতই জানে।এ ব্যাপারে কিছু বলা আমার শোভা পায়না।তবে মহাকাব্যের মত মানসিক রোগী কি বললো তাতে আমার কিছু যায় আসেনা।
বাংলাদেশের মত গরীব দেশে একটি নতুন প্রকৌশল ইউনি যখন সর্বোচ্চ মান দেয়ার চেষ্টা করে দেশের সেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সহযোগিতা নেয়া ছাড়া উপায় থাকেনা।আর দু বছর পর হয়তো যে গুটিকয়েক ল্যাব তৈরী হয়নি সেগুলো হয়ে যাবে।
আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।
অমিত০৯৭ বলেছেন:
MIST এর প্রাচী পাল কি তোমাদের ব্যাচমেট? আমার ফ্রেন্ডের বউ এখন।
লেখক বলেছেন: ঠিক ধরেছেন,মিথিলা আমার ব্যাচমেট।
আমার ক্ষেত্রে একটা মজার ব্যাপার ছিলো আমি অল্প কয়েক জায়গায় সিভি দিয়েছিলাম রেফারেন্স ছাড়া যেখানে তারা ২-৫ বছরের এক্সপেরিয়েন্স চেয়েছিলো।কিন্তু কিভাবে যেন আমি অনেক গুলোতেই কল পেয়েছিলাম।লিখিতগুলোতেও টিকেছিলাম।শেষ পর্যন্ত আত্মবিশ্বাস এত ছিলো যে ভাইবাতে গিয়ে ফ্রেশার হিসেবে মোটামুটি বেশ ভালো অংকের বেতন চেয়েছিলাম ডেম কেয়ার ভাবে।হয়তো হাতে অপশন থাকার ফলেই এমন করার সাহস পেয়েছিলাম।
সিএসইতে ACM ICPC টাইপের দুয়েকটা প্রোগ্রমিং কন্টেস্ট যারা করেছে এবং মোটামুটি ১০ এর মধ্যে ছিলো তাদের বেশ ভালো চাহিদা।
লেখক বলেছেন: প্রোগামিং এর বড় শখ ছিলো।আমি মনে হয় বেশ ভালো বুঝতাম সি,সি++।আফসোস যেখানে পড়েছি সেখানে নিজ ডিপার্টমেন্টের বাহিরে কিছু করা খুব কঠিন।
ACM ICPC টাইপের প্রোগামিং কন্টেস্টে শেষবার এম.আই.এস.টির যে টীমটি ৭ম হয়েছিলো তার একজন আমার সাথে পাশ করে এখন একটা ইউনির টীচার আমার জানা মতে।সি.এস.ই সত্যিকার অর্থেই চমৎকার এবং স্মার্ট একটি বিষয়।জব ভ্যাকেন্সি এত বেশি যা বলার অপেক্ষা রাখেনা।ভালো থাকুন।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
একজন পুরকৌশলী হিসাবে লেখাটা পড়লাম, কমেন্টও কতক পড়তাম। ভালো লাগলো। চাকরীর জন্য অভিনন্দন। আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়, প্রকৌশলীরা যত পরিশ্রম করে পড়াশুনা করে, জব ততটা আউটপুট পায়না। -- এই কারণে অনেকেই পিছিয়ে পড়ে। আমি নিজেও যে খুব ভালো ইনকাম করি, তা নয়। তবুও চলে যায়! আর, উইনি নিয়ে বিতর্ক করে আমাদের লাভ নেই। যারা আমাদের নিয়ে কাজ করে এটা তাদের ব্যাপার, কাদের নিয়ে তাদের সবচেয়ে ভালো কাজ হবে। --- লেখাটা ভালো লাগলো তাই প্রিয়তে নিলাম। কোন ব্যাচ?
লেখক বলেছেন: আরাফাত ভাই, আমি ০৪ ব্যাচের।
"প্রকৌশলীরা যত পরিশ্রম করে পড়াশুনা করে, জব ততটা আউটপুট পায়না"---এই কথাটা মারাত্নক সত্য।আপনি বিশ্বাস করবেন কি না জানিনা এমনও কিছু কোম্পানী আছে যারা সাড়ে চার হাজার টাকা অফার করে বলে শুনেছি।আর কাজের চাপ বন্ধুবান্ধবদের থেকে শুনতে পাই।কেউ বলেনা সে satisfied।কাজের পরিবেশ,বেতন কোন দিকেই ভালো কিছু পাওয়া হয়না।হয়তো এসব দেখে হতাশ হয়ে প্রকৌশলীরা বিদেশে পাড়ি দেয়।
আপনাকে ধন্যবাদ।আমার জন্য দোয়া করবেন।
এনটনি বলেছেন:
হমমমম..........ভায়া হে, চাকরি তো হলো, আশা করি ২-৩ বছর পরে আবার এই ধরনের লেখা পাবো প্রোমোশন পাওয়ার আনন্দ বা না পাওয়ার বেদনা নিয়ে লেখা
ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: সবই আল্লাহর ইচ্ছা।আমিও আশা করি আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী এমনি একটি লিখা আবার দেবো কয়েক বছর পর।
আপনাকে শুভ কামনা।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
///আমরা তাই যারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখন পাশ করছি তারা যদি সেই দুর্নীতি আর দুর্নীতিবাজদের মুখে লাথি মেরে সৎ উপায়ে চাকরী করতে নামি তাহলে মনে করতে পারেন আপনি দেশকে এক পা এগিয়ে নিয়ে গেলেন///আমার সামনে এমন একটা পরীক্ষার ভাইভা যেইটাতে রিটেন পাস করার সাথে সাথে সবাই পলিটিকাল কানেকশনের জন্য দৌড়ায়।আমি ঠিক করছি যে এইগুলা কিচ্ছু করবনা-চাকরি হলে নিজের যোগ্যতায় হবে নাহলে নাই।
খুব,খুব,খুব ভাল লাগল ভাই উপরের কথাটা।
লেখক বলেছেন: বিসিএস পরীক্ষার ভাইভা ভালো হোক এই কামনা করি।
তাসফিয়া বলেছেন:
আর মাত্র ১ বছর ... তারপর না জানি আমার কি হয় ...চাকরির বাজারে কত কষ্ট যে পেতে হবে আল্লাহ ই জানেন ......
লেখক বলেছেন: ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সেই পুরানো কম জিপিএ আর মামা-চাচার কাহিনী।কিছু মনে করবেন না, আপনার লেখার মধ্যে হালকার উপর ঝাপসা হলেও একটা আমিত্ব ভাব রয়েছে।
আর জিপিএ নিয়া স্যারদের কিপ্টামীর কথা বলছেন, যদি কম্পু আর ইলেক্ট্রিক্যালের মধ্যে জিপিএ খুব একটা পার্থক্য না থাকে তাহলে আমাদের ব্যাচে ৩.৫ বা বেশি পেয়েছে ২০% এরও কম স্টুডেন্ট (অবশ্য পরের ব্যাচ গুলোতে এর রেট বেড়েছে)!!! আর এখন নিশ্চয়ই বুঝছেন যে চাকরীর বাজারে জিপিএ জিনিসটা খুব দরকারী কিছু না!! বরং কম থাকাই ভাল, বেশি থাকলে চাকরী পাওয়া কঠিন!!! কারন টেকনিক্যাল জব গুলাতে এমপ্লয়ির উপর কম্পানিকে বেশি নির্ভর করতে হয় আর এমপ্লয়ি রিপ্লেসমেন্টও বেশ ঝামেলার! বেশি জিপিএ থাকলে এমপ্লয়ির লাস্টিং কম হওয়ার ভয়ে (অনেকেই বিদেশে পড়তে চলে যায়!) কম্পানি গুলো এদের সহজে পাত্তা দিতে চায় না!!! আর সাধারনত হাই জিপিএ থেকে মিডিয়াম জিপিএ প্রাপ্তদের মাথা টেকনিক্যালি বেটার (আমি দেখে বলছি না
আর রিয়েল টেকনিক্যাল জব গুলাতে চাচা-মামার দৌরাত্ন অতটা না যতটা আপনে বলছেন!! এমপ্লয়াররা এভাবে নিয়াগ দিয়ে সহজে পস্তাতে চাইবে না!!
যাই হোক নতুন জবের জন্য অভিনন্দন (এই আনন্দ বুঝানো কঠিন!!!), ভালভাবে এনজয় করবেন। আর বোর ফিল করলে মাঝে মাঝে এটা দেখে নিবেন
লেখক বলেছেন: আমার মত অপক্ক লেখকের "আমিত্ব" বলে যে লিখনক্রুটির কথা বলেছেন আশা করি তা ক্ষমার্হ।
আমার নিজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি বেশিরভাগ কোম্পানী ইন্টারনাল লিঙ্ক ধরে এমপ্লয়ী নেয়।কোন নোটিশও দেয়না চাকরীতে নেয়ার জন্য।যারা দেয় তাদের বেশিরভাগ রেফারেন্সকে গুরুত্ব দেয়।আর যারা সৎভাবে নেয় সেখানেই শুধু আমার মত কিছু চাচামামাহীন হতভাগা কষ্টেসৃষ্টে চাকরীর একটা ব্যবস্থা করতে পারে!এখন সময়টা একটূ কঠিন হয়েছে আরকি।
আপনাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য ধন্যবাদ।ভালো থাকবেন।
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন:
এক কোম্পানির সাইটে সিভি দিতে গেছিলাম- ২য় প্রশ্ন জিপিএ কত- ফর্ম পূরণ করার কষ্ট আর করতে হল না বলে নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম- তবে এইগুলা কোন ব্যাপার না- সাময়িক কষ্ট হতে পারে- তারপর যার যেখানে থাকার কথা সেখানে ঠিকই যাবে-
অভিনন্দন-
লেখক বলেছেন: অভিনন্দনের জন্য ধন্যবাদ মারুফ ভাই।যদিও আপনার জীবনে অনেক শুভ ব্যাপার হয়ে গেছে,তবুও শুভ কামনা জানালাম।![]()
মতলববাজ বলেছেন:
MIST এর পোশাক পরিহিত ছাত্র ছাত্রী দর্শনমাত্র আমার মন্তব্য " এই স্কুলে মইরা গেলেও ভর্তি হমু না"।ভাইজান স্কুলে পইড়া ভালো চাকরির আশা করেন কেমনে।
আপনার দৃষ্টিতে জালাল মিয়া ভালো ছার।আপনের তো মিয়া দৃষ্টিই খারাপ।হের মতো ফাকিবাজ আমি কমই দেখছি।ছাড় অবশ্য এখন টেক্সাসে ভর্তি হইছেন
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের ভাষা পড়ে একথা জোর দিয়ে বলতে পারি MIST পড়ার মত যোগ্য আপনি না।আগে আচরণ শিখে আসুন,তারপর কারো ব্লগে মন্তব্য করতে আসবেন।আপনে ভর্তি হবেন কি,আপনার মত মানুষকে দেখলেও ওখানে পশ্চাতে লাথি দিয়ে বাহির করে দেয়া হয়।
একজন শিক্ষকের ব্যাপারে কিভাবে মন্তব্য করতে হবে এইটাও আপনার শিখে আসা উচিত।যার পায়ের ধুলার যোগ্য না তাকে নিয়ে অন্তত এমন বাগাড়ম্বর করা আপনার মত ছাগলের মুখে মানায়না।
আর চাকরী কি আপনার বাপ দাদা প্রোভাইড করে?নাকি ভালো চাকরী আপনার মত ছাগল টাইপ বেয়াদব লোকদের অধিকারে থাকে?যদি তাই হয় তাহলে আমার মত MIST থেকে পাশ করা কোন প্রকৌশলী কখনো চাকরি পাবেনা।কারণ ছাগলের কাছে ছাগল যায়,আমরা যাই না।
একটা সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিফর্ম থাকা এতো খারাপ লাগে কেন আপনার?পোশাক কি আমাকে পড়াশোনা করিয়ে দেয় নাকি ভাই?নাকি ছাগলের(আপনার স্বজন) চামড়া দিয়ে বানানো পোশাক পড়িনা এই জায়গায় আপত্তি?
যান এখন ঘাস খেয়ে আসেন তারপর কারো ব্লগে যেয়ে মন্তব্য করবেন।
লেখক বলেছেন: কিছুক্ষণ আগে জানলাম,আপনি কোন জায়গার ছাগল(আপনার ব্লগ পড়ে জানলাম
)।এখন বুঝলাম এত মনোকষ্টের কারণ কি! আপনার মন্তব্যের ধরন দেখে আসলে প্রথমেই বুঝে নেওয়া উচিত ছিলো।
যেখানে পরীক্ষা দিতে বসার মত যোগ্যতা নাই সেখানের ব্যাপারে মন্তব্য করার মত স্পর্ধা দেখানো আপনাকে মানায়না।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি যখন ভাইভার জন্য ডাক পাই তখন চুয়েটের যিনি সিলেক্ট হয়েছিলেন উনি ভাইভা দেয়ার আগে হাতে শুধু মাত্র একটি বই নিয়ে অত্যন্ত হাসিমুখে পড়ছিলেন।বইটি ছিলো হারুনুর রশীদ স্যারের পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস।উল্লেখ্য যে ভাইভাতে যিনি প্রধান প্রশ্নকর্তা ছিলেন তিনি আমাকে ইন্টারভিউতে সরাসরি বলেছিলেন,"আপনাকে আমি হারুনুর রশীদের পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস থেকে প্রশ্ন করছি,সব উত্তর তো পারা উচিত।"হয়তো ব্যাপারটা একটি কাকতাল মাত্র।ভাইজান, চুয়েটে থার্ড ইয়ারে পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্স বলতে এই হারুনুর রশীদ আরওএকটা বই পড়ানো হয়। তবে হারুন স্যার যেভাবে এটা লিখেছেন একে ছাড়ানোর যোগ্যতা কারো নাই!
আমি একটা নিজের পরিসংখ্যান দেই, আমি বিডিজবসে এ্যাপ্লাই করেছিলাম ৩৫৭৬ বার। ডাক পেয়েছিলাম ১২ টিতে। দেশে থাকতে ২০০৬ সালে মোট ৪ বার জব চেন্জ্ঞ করি আর শেষ যেই টেলিকম অপারেটরে ছিলাম সেখানে ৩-৪ বার ডিপার্টমেন্ট চেন্জ্ঞ করি! আর জীবনে বেশ কিছু জব অফারও পেয়েছি যেগুলো ক্ষেপ মারনের চিন্তা করেও করা হয় নাই!
এককালে আমিও বিশ্বাস করতাম লিংক চাড়া চাকরী হবে না, আমার পরিবারে কোনো বড় কেউ নাই, উল্লেখ্য অসচ্ছল পরিবার থেকেই আমি এসেছি! তবু লিংক দিয়ে খুব একটা আমার কিছু হয় নাই, তবে এটা ঠিক যেখানেই গিয়েছি কাউকে না কাউকে গুরু হিসেবে পেয়েছি যারা পরে আমাকে ঠেলে নিয়ে গেছে!
আল্লাহর কাছে হাত পাতেন, উনি যেখানে রিজিকে রেখেছেন সেখানেই হবে! আর আমার জানা মতে এম আইএসটিতে পড়ালেখা খুব কম সৌভাগ্যবান ছেলেপেলেদের জীবনেই ঘটে আর বাংলা দেশে ডাক্তার ইন্জ্ঞিনিয়ার ছাড়া অন্য যেসব জব আছে সবই আমার কাছে অন্য রকম মনে হয়, কারন এদেশে এরাই স্পেশাইলাইজড টেকনিক্যাল লাইন। সো ইন্জ্ঞিনীয়ার হয়ে হীনমন্যতায় ভোগার কোনো কারন দেখি না! বরংচ গর্বিত হোন!
লেখক বলেছেন: পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস বিষয়টি আমি পেয়েছিলাম ৪-১ এ থাকতে।রশীদ স্যার ছাড়াও তিনটি বই পড়েছিলাম।আমি আপনার সাথে দৃঢ়ভাবে একমত যে উনার মত এত বিস্তৃতভাবে বই আসলেও কেউ লিখেনাই।
আমি আপনার মত বিডিজবস ফ্যান।এপ্লাই করা আর ডাক পাওয়ার পরিসংখ্যান আপনার মতই।লিঙ্কহীন মানুষের একমাত্র উপায় তো এটাই!
লিংকের ব্যাপারটা খুব দুঃখজনক হলেও সত্য।নতুন একটি ইউনি থেকে এসেছি,তাই বড় ভাই কেউ ছিলোনা ওভাবে সাহায্য করার মত।ছিলোনা মামা চাচা।তবুও আমি ধৈর্য ধরেছিলাম সৎ ভাবে চাকরী পাওয়ার জন্য।আল্লাহ তা'লার অশেষ রহমতে উনি আমাকে নিজের কাছে ছোট করেন নাই।এখন আপনাদের দোয়ায় আরো পড়াশোনা করে কিছু জীবনে করতে চাই।আমার জন্য দোয়া করবেন ভাই।
আপনার সুইডেনে উচ্চশিক্ষা অসাধারণ কাটুক এবং দেশে ফিরে এসে দেশকে কিছু দেবেন এই কামনা করি।
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
প্রাইভেটগুলা আবার ইঞ্জিনিয়ার বাইর কইরা পাবলিকগুলার বারটা বাজাইছে। কি আর করবেন?
লেখক বলেছেন: দেশে ৫২টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় আছে।সবাইকে এক কাতারে কিন্তু মাপা যায়না।তেমনি সেখানে সব ছাত্রের মানও এক নয় বলে বিশ্বাস করি।আমি কামনা করি,দেশের সরকারী বেসরকারী সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয় একদিন সঠিক মানসম্মত হবে এবং সব জায়গার ছাত্র দেশের নাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিবে।
ভালো থাকবেন।
অমানিশা বলেছেন:
কেন মুছে দিলেন লেখাটা ? আমার নিজের কাছেই খারাপ লাগছে এখন । ওটা আবার ফিরিয়ে আনুন ,এখনি।
অমানিশা বলেছেন:
আমি জানি তো , যে এমন চমৎকার কিছু মানুষও এই ব্লগে আছে। তাইতো এখনও ব্লগে আসি। ভাল লাগে বলেইতো। কিছু কিছু মানুষের কাছ থেকে আরও ভাল করে মানবিকতা শিখব বলেইতো । মানুষকে শ্রদ্ধা করতে শিখব বলেইতো। অমানিশার ঘন অন্ধকার না থাকলে পূর্ণ চাঁদের মহিমা বুঝতো কে ?
এভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করা অমানিশার স্বভাবজাত তো নয়। আজ মনটা বড় খারাপ ছিল ।
তবু আমি ভীষন লজ্জিত। লেখাটা ফিরিয়ে আনুন , প্লীজ ।
লেখক বলেছেন: আমি লেখাটা মুছে দেইনি।সামুর বাগের কারণে মুছে গেছে।জানিনা কিভাবে লিখাটি ফিরিয়ে আনবো!
আপনার লজ্জিত হওয়ার কিছু নেই।
বিডি আইডল বলেছেন:
শুভকামনা থাকলো...বাংলাদেশে প্রকৌশল পেশার এই আকাল আরো বাড়বে....লাইন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে প্রকৌশল ভর্তি কমানো দরকার....বাজার চাহিদা কি দেখা উচিৎ...রাজমিস্ত্রীর কাছে সিমেন্ট বেচতেও এখন পুরকৌশলীদের পাঠানো হয়..(এখন টা ২০০২ এর কথা বলছি...পরিস্হিতি পরিবর্তন হয়নি বোধকরি)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আইডল ভাই।
আমাদের দেশের বাবা মায়েরা শুধু ডাক্তার আর ইঞ্জিনিয়ার এই দুটো পেশাকেই সন্তানের জন্য বেছে নেন।অথচ শুনেছি পাশ্চাত্যে মৌলিক বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনেক বেশি দেয়া হয়।
পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়নি।দিন দিন অবনমন হয়েছে।
আপনাকে শুভ কামনা।
কিন্তু অন্য লেখাটা কোথায় ? গতকাল যেটা ছিল
লেখক বলেছেন: ভাইয়া কি আর বলবো?
লিখা এডিট করতে যেয়ে যে পোস্ট উধাও হয়ে যায় এটা যদি আগে জানতাম!আমি এখন মাথায় হাত দিয়ে বসে আছি।ফিডব্যাকে মেইল করলাম।কোন রিপ্লাই নাই।পোস্ট কিভাবে ফিরিয়ে আনতে পারি বলতে পারেন?
লেখক বলেছেন: কিছুক্ষণ আগে পোস্ট ফিরে এসেছিলো এবং মজার ব্যাপার হলো অর্ধেক হয়ে ফিরে এসেছে।আবার এডিট করতে যেয়ে আবার উধাও হয়ে গেছে।
গুগল ক্যাশ কি আর বাকি রেখেছি ভাইয়া।কোথাও নেই আমার পোস্ট।
গুরুজী বলেছেন:
"আমি চাকরীক্ষেত্রে আসার পর যে জিনিসটি খুব ভালো ভাবে শিখতে পাই তা হলো,কে কোথায় কোন ইউনিতে পড়েছে তা হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানী ছাড়া কোথাও গুরুত্ব পায়না।লিখিত পরীক্ষাগুলো আপনার নিজের যোগ্যতা দিয়ে দিতে হবে।এই ব্লগে অনেক সরকারী-বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিতর্ক এসেছে।কিন্তু বাস্তবে চাকরী জীবনে এসব কিন্তু খুব একটা প্রভাব পায়না।"চরম সত্যি কথা কইসেন! আমি সিএসই-র। 3rd year এ পরার সময় প্রথম চাকরি হ্য়! reference এ! বর্তমার চাকরি টাও করছি reference এর মাধ্যমে!
কিনতু ভাই reference ছাড়াও চাকরি হ্য়! আমার ও হয়েছিল! কিন্তু সমস্যা মিটে যাওয়া্য় জয়েন করা হয়নাই!
মোট কথা হইল আপনেরে কাজ জানতে হবেই! তারপর কি পড়সেন কোথা থেকে পড়সেন! চাকরির দুনিয়া বড়ই আজিব!
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলেছেন।চাকরির দুনিয়া বড়ই আজিব।
গুরুজী বলেছেন:
ও আরেকটা কথা বলা হয়নাই! আমি কিন্তু সবেমাত্র ডিপ্লোমা শেষ করলাম ঢাকা পলিটেকনিক থাইকা। চাকরির বাজারে কাজ জানার বিকল্প কিসুই নাই!
সাজিদ. বলেছেন:
ভাই hsc কোন batch?
লেখক বলেছেন: ০৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
চাকুরি ক্ষেত্রে নিয়োগদাতারা বুয়েট গ্রাজুয়েট বলে শুধু বুয়েট গ্রাজুয়েট নিবে , অথবা আইইউটি গ্রাজুয়েট বলে বুয়েট গ্রাজুয়েট চাকুরী প্রার্থীদের এক হাত হেনস্তা করবে, এমনকি রুয়েট, কুয়েট, চুয়েটের গ্রাজুয়েট চাকুরিদাতারা অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতর প্রার্থীকে হেনস্থা করে বা নানান অজুহাত দেখিয়ে নিতে চায়না। চাকুরীক্ষেতে বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক এ স্বজনপ্রীতি অত্যন্ত দুঃখজনক।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
বিশাল পোস্ট অনেক কমেন্ট।সব গুলোই পড়ে ফেললাম ভাইয়া। আপনিতো ওসমান ভাই, সুমন ভাইদের ব্যাচের। মিথিলাপুর বাচ্চু হইল কয়েকদিন আগে।
দোয়া কইরেন ভাইয়া। ভার্সিটির পন্ডিত হওয়ার লাইগা টেরাই করতাসি।
লেখক বলেছেন: দোয়া রইলো।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
পুরা টা পড়লাম না..কারন এই সত্য আমরা ইঞ্জিনিয়ার রা সবাই কম বেশী জানি তো
লেখক বলেছেন: সবাই আমরা কম বেশি ভুক্তভোগী।
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
[sb]অসমাপ্ত-মহাকাব্য বলেছেন: ভাই,এই ডাবল গোল্ডেন আমাকে শিকায়েন না,এখন আহসানুল্লাহ তে পড়তে গেলেও ডাবল গোল্ডেন চায়। আর আমি তো আমার নিজের অনেক বন্ধু কে দেখেছি,যারা গোল্ডেন তো দূরে থাক,জি পি এ ৫ ও পায় নাই কিন্তু বুয়েট এ পড়ছে,মেডীকেল এ পড়ছে,খালি গোল্ডেন বিচার করে যদি ভার্সিটি ভাল হত তাহলে তো কথাই ছিল না,হাসালেন আপনি।১০০% সহমত।
একটা কথাই বলব,S.S.C & H.S.C এর জিপিএ দিয়ে একটা ছাত্রের মান কখনই যাচাই করা যায় না।ওটা একটা গৎবাধা সিলেবাসের কিছু গৎবাধা প্রশ্নের পরীক্ষা মাত্র।আসল পরিচয় ভর্তি পরীক্ষা।আমি নিজে এটার একজন উদাহরন।
তাই ওটা দিয়ে বিচার না করাই ভালো বলে আমার মনে হয়।
লেখক বলেছেন: আমিও এ ব্যাপারে সহমত যে, S.S.C & H.S.C এর জিপিএ দিয়ে একটা ছাত্রের মান কখনই যাচাই করা যায় না।
কিন্তু একটু ভালো ভাবে লক্ষ্য করলেই দেখবেন, আজকাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এইসব রেজাল্ট দিয়েই ছাত্র ভর্তি করে।নাহলে ভর্তি পরীক্ষা দিতেই সুযোগ পায়না।এ পরীক্ষাগুলোতে একটা নূন্যতম ফলাফল কিন্তু আপনার থাকতেই হবে একটি ভালো যায়গায় ভর্তির জন্য।আপনি নিশ্চয় আশা করেন না,বর্তমান সময়ে জিপিএ ৪ নিয়ে কেউ সরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার সুযোগ পাবে বা পাওয়া উচিত?এগুলো হয়তো মহাকাব্যের কাব্যকথাতেই সম্ভব।
ভালো থাকুন।
এবাদুল বলেছেন:
নতুন চাকুরী পেয়েছেন, এজন্য ধন্যবাদ। আপনি দেখছি অল্পতে রেগে যাচ্ছেন। রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। জীবন চলার পথে অনেক মানুষ পাবেন যারা আপনাকে রাগিয়ে মজা নিতে চেষ্টা করবে। আপনাকে পথ চলতে মানুষের বিচিত্রতা মনে রাখতে হবে। ভাল থাকুন, সুন্দরভাবে নতুন চাকুরীতে জয়েন করুন। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: চমৎকার উপদেশের জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও শুভ কামনা।
সার্থক বলেছেন:
সাড়ে তিন এর আশে পাশের সিজি নিয়ে তো মনে হয় রিটেন এর জন্যেই ডাক পামু না লেখক বলেছেন: এখন অবস্থা জানিনা বেশি একটা। কোথা থেকে পাশ করেছেন এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।জিপিএ অথবা মেজর কি নিয়ে করেছেন সেটা মাঝে মাঝে খুব গুরুত্ব পায়না বলেই মনে হয়।
সার্থক বলেছেন:
ও আচ্ছা, মাঝে মাঝের পরিমাণটা বেশি হইলে ভাল হয় লেখক বলেছেন: আল্লাহ ভরসা!
আজিজ তানভীর বলেছেন:
আমিতো ভয়ের চোটে এখন থেকেই নিজের ব্যবসা দেয়ার চিন্তা করতেছি
লেখক বলেছেন: হা হা!
এস.বি.আলী বলেছেন:
ভাই সত্যিই কষ্টে আছি। কুয়েট থেকে পাস করেছি। আমাদের স্যারদের বদান্যতায় ২৩% ৩.৫+ সিজি ধারী বের হয়েছে। চাকরী বাজারে এসে দেখি অবস্থা কাহিল। যদিও আমার সিজি ৩.৪৮,গত ৩ মাসে ৬০-৭০ যায়গায় এপ্লাই করে চাকরী দূরে থাক,ভাইবা তেই ডাক পাই না। জানিনা কি দেখে নিয়োগ দেয় তারা। তবে সিজি কোনো ফ্যাক্ট্র না,এটা বুঝি। মামা চাচার জোরে গায়ে হাওয়া দিয়ে চলা পুলাপানও সহজেই ভালো ভালো জব পেয়ে যাচ্ছে। এসব জানলে আগে পড়ালেখা না করে লিঙ্ক খোজায় মনোযোগ দিতাম।
ড়ৎশড় বলেছেন:
আলী কিছুদিন আগে ইন্টারভিউ নিয়েছিলাম।সেখানে আপনাদের কুয়েট সহ আরো কিছু ইউনি থেকে ইন্টারভিউয়ি এসছিলো।আমার খুব অবাক লেগেছে সবাই অনেক আড়ষ্ট।কথা মুখ দিয়ে বের হয়না।তাই আপনাকে পরামর্শ দেবো, সবার আগে নিজেকে সাহসী করে গড়ে তুলুন যেন ইন্টারভিউ বোর্ডে আমতা আমতা না করতে হয়।আপনার জন্য প্রার্থনা করি যেন খুব দ্রুত জব পেয়ে যান।
মনিং_ষ্টার বলেছেন:
ভাইরে ভয় লাগতাছে।গতকাল মাত্র ভার্সিটির শেষ পরীক্ষা দিয়া আইলাম।কি করমু জানিনা।আপনার লেখা পইড়াতো জানে পানি নাই।মামা চাচা নাই।ভাল জিপিএ নাই।
তার উপর আছে বাসায় খোটা। অমুক ভাই,তমুক ভাইয়ের পোলা/মাইয়া তো ছাত্র থাকতে জব পাইছে তুই পাস কইরাও চাকরি পাস না।
বাসা মানে দোজখ।
লেখক বলেছেন: পেয়ে যাবেন, কিন্তু আমি মনে করি আগে আপনার উচ্চ শিক্ষার চিন্তা করা উচিত।
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
আমিও লাইনে দাড়াইতেসি এই বছর শেষে , আমিও যে সামরিক জেলখানার কয়েদী এখন কোথায় আছেন ভাইয়া?
লেখক বলেছেন: একটা পোশাক ও তাতশিল্পের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে আছি ভাইয়া।তুমি কোন ডিপার্টমেন্টের?
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
সিভিল
নগর-বাউল বলেছেন:
এখন পর্যন্ত দুইটা জব চেন্জ করেছি। মজার ব্যাপার হল দুটোতেই আমি ছিলাম কনিষ্ঠতম ক্যান্ডিডেট, কোন লিংকও ছিল না। আসলে সবই কপাল। আমার মনে হয় চাকুরী পাওয়ার জন্য যোগ্যতা আর ভাগ্য সমানভাবে দরকার।
লেখক বলেছেন: কথা সত্য।
লেখক বলেছেন: এই তো ভাই, হাল্কা পাতলা জব করতেছি।আপনে কোথায় আছেন এখনো জানাইলেন না।
নিভৃত নয়ন বলেছেন:
একবছর পর যুদ্ধে নামব। এখন এ ত ভয় ধরাইয়া দিলেন। মাঝে মাঝে মনে হয় কেন য ইন্ঞ্জিনিয়ার হইতে চাইছিলাম।
লেখক বলেছেন: ভয় পাওয়ার কিছু নেই।আল্লাহ ভরসা!
নাবিদ সালমান বলেছেন:
মামা চাচাও নাই CGPA তেও আণ্ডা। কি করমু আল্লাহ্ জানেন।
লেখক বলেছেন: ভাল কিছুই করবেন ইনশাল্লাহ।
পাকাচুল বলেছেন:
এর বহুদিন পরে একটি বায়োমেডিকেল কোম্পানীতে ডাক পাই।সেখানে লিখিত পরীক্ষায় বেশ ভালো ভাবেই টিকে যাই।এরপর যখন ভাইভাতে ডাকা হয় তখন আমাকে নিম্নোক্ত শর্তসমূহ দেয়া হয়ঃ
১.ছয় বছরের কন্ট্রাক্ট করতে হবে।
২.তাদের নিকট আমাকে ৫ লাখ টাকার একটি চেক লিখে দিতে হবে।যদি কোম্পানী ছেড়ে যাই তাহলে তারা সেই চেক দেখায় আমাকে আদর করে ফেরত নিয়ে আসবে অথবা শ্বশুরবাড়ি পাঠাবে।
৩.বেতন বেশি না।৮-১০ দিতে পারি।আরো কমও দিতে পারি।বছর শেষে ১০০০ টাকা বেড়ে যাবে। এইটা কি বাবেল কর্পোরেশন নাকি?
আমি ও এককালে ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলাম, তার আগে তারা একটা কাগজ পড়তে দেয়। অতঃপর তাদের শর্তের কথা শুনে ইন্টারভিউ না দিয়ে চলে আসছিলাম।
লেখক বলেছেন: না বাবেল কর্পোরেশন নয়।
লেখক বলেছেন: আমি EECE - 3
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
হা হা হা
১ বছর পর আবার ফেরত আসলাম কমেন্ট করতে
চাকরিতে তিক্ত মধুর সব অভিজ্ঞতাই আছে, তবে আল্লাহর রহমতে চাকরি পেতে কোন সমস্যা হয় নাই, নিজের জোরেই পেয়েছি, ২টা সুইচ করে ৩ নম্বর জব এ এসেছি, মাশআল্লাহ আল্লাহর রহমতে ভালোই পাই ।
যদিও ১ম জব টাতে অফার একেবারে কম ছিল - কিন্তু সেটা নিয়ে অনেকগুলা মজার কাহিনি আছে
১) সেটা ছিল আমার ড্রপ করা ১ম সিভি
২) সেটা ছিল আমার সিভি ড্রপ করে ডাক পাওয়া ১ম ইণ্টারভিউ
৩) সেটা ছিল আমার ১টা ইন্টারভিউ দিয়েই ১ম বারেই পেয়ে যাওয়া চাকরি
৪) স্যালারি এর ব্যাপারে আমার কোন উচ্চ বাচ্চ্য ছিল না তাই, কারন ১ম জব, আমার টার্গেট ছিল কাজ বুঝা , ইভেন আমি কোন এক্সপেকটেড স্যালারি ও বলি নি। নামকরা গ্রুপ অব কোম্পানিজ এর রিয়েল এস্টেট ডিভিশন
৫- তবে কথা হলো, সেই ১ম চাকরি আমি ৪ দিন করেই ভেগেছিলাম
লেখক বলেছেন: বাহ! জেনে ভালো লাগলো।
সব মেধাবীর দল তোমরা, আরো আরো ভাল করো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















ভুক্তভোগী রে ভাই!