অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতককে দেখে আসি ২

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬ |

শেয়ারঃ
13 0

মাহবুবুর রহমান জালাল ভাইর আরেক নাম মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত বিশ্বকোষ। ব্যক্তিগতভাবে বড়ভাই-ছোটভাই সম্পর্ক। খুবই স্নেহ করেন। খোজ রাখেন কখন কোথায় কি লিখছি। সেটা যদি গালিযুক্ত পোস্টও হয় ঠিকই মেইলবক্সে তার প্রতিক্রিয়া পেয়ে যাই। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমার যা রেফারেন্স তার অর্ধেকেরও বেশি জালাল ভাইয়ের সৌজন্যে। এহেন কিছু নাই তার কাছে নেই। গতকাল যখন খালেক মজুমদারকে নিয়ে পোস্ট দিলাম চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতক দেখে আসি , জালাল ভাই সেটা পড়েছেন এবং কিছু জরুরী তথ্য পাঠিয়েছেন। আমার বাসায় এখন নেট নেই বলে রাতে ব্লগিং বন্ধ। নইলে খালেক মজুমদারের উপর একটা ভিডিও এভিডেন্সও ছিলো আমার কাছে যা আপলোড করা যেত। আপাতত অল্পতেই সারছি।

১৯৭২ সালের ১৮ জুলাই দৈনিক বাংলার প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি রিপোর্ট তুলে দিচ্ছি :

শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলা : জামাত নেতা খালেকের ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা
গতকাল ১৭ জুলাই ঢাকার পঞ্চম স্পেশাল ট্রাইবুনাল পাক হানাদার বাহিনীর দোসর আলবদর বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবি নিধন মামলায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলার রায় প্রদান করে বেআইনী জামাতে ইসলামীর বেতনভুক দফতর সম্পাদক এ.বি,এম আবদুল খালেককে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদন্ড দান করেন।

মাননীয় স্পেশাল জজ জনাব এফ. রহমান আসামীকে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ১৬৪ নং ধারা ও দালাল আদেশের দ্বিতীয় তফসিলের কতিপয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত করে দন্ড প্রদান করে বলেন যে আসামী হত্যা করার জন্য পাক বাহিনীর দালাল হিসেবে শহীদুল্লাহ কায়সারকে অপহরন করেছে। এই চাঞ্চল্যকর অপহরন ও হত্যা মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে, আলবদর বাহিনীর সদ্স্য ও জামাতে ইসলামীর দফতর সম্পাদক হিসেবে আসামী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দখলদার পাক বাহিনীর অবৈধ দখল কায়েম রাখার জন্য তাদের সমর্থন ও সাহায্য করে। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগে বলা হয় যে গত ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসামী চার/পাঁচজন আলবদর সদস্য সাথে করে নিহত শহীদুল্লাহ কায়সারের বাড়ীর দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দোতলার একটি ঘর থেকে মরহুমকে ধরে নিয়ে যায় হত্যা করার উদ্দেশ্যে। আসামীদের হাতে স্টেনগান, রিভলবার ইত্যাদি অস্ত্র ছিল এবং বাড়ির মহিলারা চিৎকার করে বাধা দিলে তাদের ধাক্কা দিয়ে ঠেলে দেওয়া হয়। তখন কারফিউ বলবৎ ছিল। দেশ শত্রুমুক্ত হবার পর বহু তল্লাশী করে মরহুমের লাশ পাওয়া যায়নি। ২০ ডিসেম্বর থানায় এজাহার দায়ের করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে গোয়েন্দা পুলিশ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে।

মামলায় সরকার পক্ষে তেরোজন সাক্ষ্য প্রদান করেন। তন্মধ্যে মরহুমের স্ত্রী, বোন, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী এরা আসামীকে সনাক্ত করে বলেন যে অপহরনকারী আলবদর বাহিনীর মধ্যে আসামীও ছিল। আসামী ছোট কাটারা মুক্তিবাহিনী কর্তৃক ধৃত হবার পর তার ছবি কাগজে ছাপা হয়েছিল। এজন্য সাক্ষীরা আসামীর ছবি দেখে সনাক্ত করেছে। আসামী পক্ষের কৌশলীর এই যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে বিজ্ঞ জজ বলেন যে সাক্ষীরা শিক্ষিত এবং তাদের অবিশ্বাস করার কোন কারণ নেই।

জজ সাহেব তার রায়ে আরো উল্লেখ করেন যে দখলদার আমলে আসামী রিভলবারের লাইসেন্সের জন্য যে দরখাস্তা করেছে তাতে সে নিজেই নিজেকে পাকিস্তানবাদী বলে উল্লেখ করেছে তাছাড়া সরকার পক্ষের একজন বিশ্বাসী সাক্ষী বলেছেন যে আসামী কারফিউর সময় রাতে এমনকি পাকিস্তানী সৈন্যদের আত্মসমর্পণের পূর্বের রাতেও ঘোরাফেরা করেছে। কিন্তু জজ সাহেব প্রশ্ন রাখেন পাক বাহিনীর দালাল ছাড়া সে সময় অমনভাবে ঘোরা সম্ভব ছিল কি?

সংবাদ পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক ও অন্যতম সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলার রায় শোনার জন্য বিপুল দর্শকের আগমন হয়।
মামলাটি সরকার পক্ষে সিনিয়র স্পেশাল পি.পি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আসামী পক্ষে এডভোকেট এম, এম সাফকতা হোসেন পরিচালনা করেন।

পাদটিকা : এটি যুদ্ধের পর সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল যুদ্ধাপরাধীর বিচার কিন্তু আইনের ফাক গলে সে ঠিকই বেরিয়ে গেছে। এতে একটা উপকার হয়েছে।সবাই বুঝে গেছে মান্ধাতা ব্রিটিশ আইন দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্ভব নয়, সম্ভব নয় আদি দালাল আইনেও যা প্রচলিত সাক্ষ্য প্রমাণ চায়। যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল। সেই দিনটির অপেক্ষাতেই আপাতত বাঁচি।


 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


২৭টি মন্তব্য

১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২

শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: চলুক। এখনো এগুলোর দরকার আছে

২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

চিকনমিয়া বলেছেন: পুরা জটিল লেকা
পেলাচ

৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: নাউজুবিল্লাহ.....এহেন সাচ্চা মুসলমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক প্রহসনীয় বিচারের তীব্র প্রতিবাদ....সাথে এহেন গীবতের জন্য অমি রহমান পিয়ালেরও ব্যান দাবী করছি।

উপরোক্ত মন্তব্যটি আমার না। ব্লগের কতিপয় ব্লগার মনে মনে এই কথাগুলোই আওড়াচ্ছে এখন

অসাধারন পিয়াল ভাই

৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

স্রোত বলেছেন:
আমি ডোন্ট মাইন্ড ফেমিলির পোলা।
মাইন্ড করি নাই, করিও না!

কিন্তু এই অধম স্রোত একতু মজা করতে চাইছেলো।
তাই সে এই পুস্টা দেসিলো।

আর কই যায়...
পুস্ট উধাও!!

লিংকটা হইলো এই...
Click This Link

আমার লেখাটা ছিলো এমন...

ব্রেকিং নিউজ:
এ-তিম মেম্বারদের একটা রোগ মহামারী রুপে ছড়াইয়া গেছে!
রুগটা তারা ডিটেক্টও করতে পারছে!
এইটা আর কিসুই না।
আবহমান বাংলার প্রাচীন একটা অসুখ।
নাম চুলকানি!

রাজাকারের রাজাকার মহারাজাকারের দুইটা ঠ্যাং আছে
দুইটা ঠ্যাং তাদেরও আছে,
এইটা যে কত বড় লজ্ঝা তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো হতাশা!! মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ঠ্যাংটারে কাইট্টা ফেলাইতে।
কিন্তু পারে না! রক্ত পড়বো!! ব্যাথা হইবো!!
তাই তাদের ঠ্যাং চুলকায়।প্রচন্ড রকম চুলকায়!!

মহারাজাকারটার দুইটা হাত আছে,
দুইটা হাত তাদেরও আছে,
এইটা যে কত বড় শরম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শড়ম!
মাঝে মইদ্যে ইচ্ছা করে হাতটারে কাইট্টা ফেলাইতে।
কিন্তু পারে না! রক্ত পড়বো!! ব্যাথা হইবো!!
তাই তাদের হাত চুলকায়।
প্রচন্ড রকম চুলকায়!!

মহারাজাকারটার (গন&প্রজাতি) Homo Sapiens এর সাথে মিল আছে,
তাদেরও Homo Sapiens এর সাথে মিল আছে,
এইটা যে কত বড় শরম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শরম!
তাই মইদ্যে মইদ্যে Anti Homo Sapiens Behavior করতে ইচ্ছা করে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই পারে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না, চুলকায়, প্রচন্ড রকম চুলকায়, খালি চুলকায়!!

ড়াজাকারটার দাড়ি আছে, তুপি পড়ে।
তাই তারা এর বিপরীত ব্যবহার করে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই পারে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না, চুলকায়, প্রচন্ড রকম চুলকায়, খালি চুলকায়!!

এখন নিওরাজাকাররাও ব্লগিং করে।
পুস্ট দেয়। কমেন্ট করে। এনালাইসিস করে। টেকি পুস্ট দ্যায়।
ওয়েবসাইট বানায়। গ্রুপ বানায়। এডমিন হ্য়। ধম্মের প্রতি ভালোবাসা দেখায়।
ইন্টেলেকচুয়াল তাড়নাবোধ, ফিলসফি, পলিটিক্স নিয়া নাড়াচাড়া করে!
এইগুলাইন আগে মনে করতো শুধু তারাই পারে।
এখন দেখে নিওরাজাকারেরাও এইসব বুলি কপচায়, পড়ে, ডিবেট করে।
এইটা যে কত্ত বড় শরোম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শড়োম!!

মইদ্যে মইদ্যে ইচ্ছা করে ব্লগিং ছাইড়া দিতে, সব পুস্ট মুইচ্ছা দিতে।
ফাকে ফাকে তারা হুসেইন এ-তিমের মহান বাণী জপে,
"আমি সুকড়ের সাথে সহবাশের ফটুআ অস্বীকার কড়ি!"
তপসী দিয়া জপে।বারেবারে জপে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই করে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না!
চুলকায়!
প্রচন্ড রকম চুলকায়!
খালি চুলকায়!!!

লিখক স্রোত

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: :)
কানে কানে কই। এ-টিম ছাগল ..ন্দায় বিয়াইন রাইতে। খুব খিয়াল কইরা ;)

৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৮

স্রোত বলেছেন: পেলাস!

৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৫

স্রোত বলেছেন:
শালার মডু,
করলাম সেটায়ার,
করলো ব্যান।

এইগুলার সেন্স অব হিউমার নিয়া প্রশ্ন উঠতাছে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: মোজো, এমনে ফালাইলে তো ধরা খাইবা। রয়েসয়ে

৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১১

শান্তির দেবদূত বলেছেন: "যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল। সেই দিনটির অপেক্ষাতেই আপাতত বাঁচি। "

পিয়াল ভাই, এই খালেক এখন কই কি অবস্হায় আছে ? হে কি মন্ত্রী মিনিস্টার , বা কমপক্ষে এম পি হইছিলো ?

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: হ্যায় এখন বই মেলায় বই বেচে। আধুনিক প্রকাশনীতে পাবেন। নাহ, সেই সৌভাগ্য তার হয় নাই

৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

স্রোত বলেছেন:
আসামী পক্ষে এডভোকেট এম, এম সাফকতা হোসেন পরিচালনা করেন।
****
এই লুক কই??

৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৭

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: তিনি এখন আমাদের দেশের একজন প্রভাবশালী বিজিনেসম্যান...মুনতাসির মামুনের রাজাকারের মন বইতে তার সম্পর্কে লেখা আছে...যার আগ্রহ আছে পড়ে দেখতে পারেন...বইটি ভাল

১০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

শান্তির দেবদূত বলেছেন: এই রাজাকার এখন বই মেলায় বই বেচে X((। তারমানে সে সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত X(। আর মুক্তিযোদ্ধারা রিকসা চালায়, ভিক্ষাকরে :(

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: নিয়তি :(

১১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

রাশেদ বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।

১২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭

মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: বস, লাল সেলাম

১৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সে এখন বাংলাদেশের একজন সম্মানিত ব্যবসায়ী@শান্তির দেবদূত

ইহা হচ্ছে সাধারন ক্ষমা আর রাজাকার পূনর্বাসনের আউটপুট....ধন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতাগন

১৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সে এখন বাংলাদেশের একজন সম্মানিত ব্যবসায়ী@শান্তির দেবদূত

ইহা হচ্ছে সাধারন ক্ষমা আর রাজাকার পূনর্বাসনের আউটপুট....ধন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতাগন

১৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

নাভদ বলেছেন:
চলুক

১৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১

ফেলুদা বলেছেন: চলবে

১৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:২০

বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল । এবং তা যত শীর্ঘ্র সম্ভব ।
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই

১৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৮

েজবীন বলেছেন: পেপারে দেখলাম বাতিল করা হয়েছে ঐ স্টল, তবে এখনো ঐলোক আছে কেমনে??


ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ..... চলুক

১৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩২

ফারহান দাউদ বলেছেন: "লেখক বলেছেন: হ্যায় এখন বই মেলায় বই বেচে।"
এই ১টা জায়গা বাকি ছিলো দালালগুলা ঐখানেও ঢুইকা গেল,কই যাই?

২০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪১

মুকুল বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল।

২১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৬

এস্কিমো বলেছেন: +

২২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৯

অমিত আহমেদ বলেছেন: সেরম +

২৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

নেমেসিস বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল।

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন