........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :
শেষ...
![]() | আর এস এস ফিড |
পোস্ট আর্কাইভ
- মার্চ,২০১০(৭)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(৬)
- জানুয়ারী,২০১০(৭)
- ডিসেম্বর,২০০৯(৬)
- নভেম্বর,২০০৯(৭)
- অক্টোবর,২০০৯(৮)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(১২)
- আগস্ট,২০০৯(১০)
- জুলাই,২০০৯(১১)
- জুন,২০০৯(১০)
- মে,২০০৯(৯)
- এপ্রিল,২০০৯(১৪)
- মার্চ,২০০৯(১৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(১৯)
- জানুয়ারী,২০০৯(৩)
- ডিসেম্বর,২০০৮(২৬)
- নভেম্বর,২০০৮(২)
- অক্টোবর,২০০৮(১২)
- আগস্ট,২০০৮(৪)
- জুলাই,২০০৮(৩)
- মে,২০০৮(৬)
- এপ্রিল,২০০৮(৫)
- মার্চ,২০০৮(১৫)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৮(১৭)
- জানুয়ারী,২০০৮(১৫)
- ডিসেম্বর,২০০৭(৩০)
- নভেম্বর,২০০৭(১৩)
- অক্টোবর,২০০৭(৪৭)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(৭)
- আগস্ট,২০০৭(২)
- জুলাই,২০০৭(১১)
- জুন,২০০৭(৯)
- মার্চ,২০০৭(৭)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(৪)
- জানুয়ারী,২০০৭(১৮)
- ডিসেম্বর,২০০৬(১০)
- নভেম্বর,২০০৬(১৪)
- অক্টোবর,২০০৬(৬)
- সেপ্টেম্বর,২০০৬(৫)
- আগস্ট,২০০৬(৩)
- জুলাই,২০০৬(৩)
- জুন,২০০৬(২)
- মে,২০০৬(১০)
- এপ্রিল,২০০৬(২২)
- মার্চ,২০০৬(৩৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৬(৩০)
আমার লিঙ্কস
আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতককে দেখে আসি ২
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬ |
মাহবুবুর রহমান জালাল ভাইর আরেক নাম মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত বিশ্বকোষ। ব্যক্তিগতভাবে বড়ভাই-ছোটভাই সম্পর্ক। খুবই স্নেহ করেন। খোজ রাখেন কখন কোথায় কি লিখছি। সেটা যদি গালিযুক্ত পোস্টও হয় ঠিকই মেইলবক্সে তার প্রতিক্রিয়া পেয়ে যাই। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে আমার যা রেফারেন্স তার অর্ধেকেরও বেশি জালাল ভাইয়ের সৌজন্যে। এহেন কিছু নাই তার কাছে নেই। গতকাল যখন খালেক মজুমদারকে নিয়ে পোস্ট দিলাম চলুন খুব কাছ থেকে একজন ঘাতক দেখে আসি , জালাল ভাই সেটা পড়েছেন এবং কিছু জরুরী তথ্য পাঠিয়েছেন। আমার বাসায় এখন নেট নেই বলে রাতে ব্লগিং বন্ধ। নইলে খালেক মজুমদারের উপর একটা ভিডিও এভিডেন্সও ছিলো আমার কাছে যা আপলোড করা যেত। আপাতত অল্পতেই সারছি।
১৯৭২ সালের ১৮ জুলাই দৈনিক বাংলার প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি রিপোর্ট তুলে দিচ্ছি :
শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলা : জামাত নেতা খালেকের ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা
গতকাল ১৭ জুলাই ঢাকার পঞ্চম স্পেশাল ট্রাইবুনাল পাক হানাদার বাহিনীর দোসর আলবদর বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবি নিধন মামলায় প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলার রায় প্রদান করে বেআইনী জামাতে ইসলামীর বেতনভুক দফতর সম্পাদক এ.বি,এম আবদুল খালেককে দোষী সাব্যস্ত করে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও দশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদন্ড দান করেন।
মাননীয় স্পেশাল জজ জনাব এফ. রহমান আসামীকে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ১৬৪ নং ধারা ও দালাল আদেশের দ্বিতীয় তফসিলের কতিপয় অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দোষী সাব্যস্ত করে দন্ড প্রদান করে বলেন যে আসামী হত্যা করার জন্য পাক বাহিনীর দালাল হিসেবে শহীদুল্লাহ কায়সারকে অপহরন করেছে। এই চাঞ্চল্যকর অপহরন ও হত্যা মামলায় অভিযোগ আনা হয় যে, আলবদর বাহিনীর সদ্স্য ও জামাতে ইসলামীর দফতর সম্পাদক হিসেবে আসামী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দখলদার পাক বাহিনীর অবৈধ দখল কায়েম রাখার জন্য তাদের সমর্থন ও সাহায্য করে। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগে বলা হয় যে গত ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আসামী চার/পাঁচজন আলবদর সদস্য সাথে করে নিহত শহীদুল্লাহ কায়সারের বাড়ীর দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দোতলার একটি ঘর থেকে মরহুমকে ধরে নিয়ে যায় হত্যা করার উদ্দেশ্যে। আসামীদের হাতে স্টেনগান, রিভলবার ইত্যাদি অস্ত্র ছিল এবং বাড়ির মহিলারা চিৎকার করে বাধা দিলে তাদের ধাক্কা দিয়ে ঠেলে দেওয়া হয়। তখন কারফিউ বলবৎ ছিল। দেশ শত্রুমুক্ত হবার পর বহু তল্লাশী করে মরহুমের লাশ পাওয়া যায়নি। ২০ ডিসেম্বর থানায় এজাহার দায়ের করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে গোয়েন্দা পুলিশ আসামীর বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে।
মামলায় সরকার পক্ষে তেরোজন সাক্ষ্য প্রদান করেন। তন্মধ্যে মরহুমের স্ত্রী, বোন, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী এরা আসামীকে সনাক্ত করে বলেন যে অপহরনকারী আলবদর বাহিনীর মধ্যে আসামীও ছিল। আসামী ছোট কাটারা মুক্তিবাহিনী কর্তৃক ধৃত হবার পর তার ছবি কাগজে ছাপা হয়েছিল। এজন্য সাক্ষীরা আসামীর ছবি দেখে সনাক্ত করেছে। আসামী পক্ষের কৌশলীর এই যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে বিজ্ঞ জজ বলেন যে সাক্ষীরা শিক্ষিত এবং তাদের অবিশ্বাস করার কোন কারণ নেই।
জজ সাহেব তার রায়ে আরো উল্লেখ করেন যে দখলদার আমলে আসামী রিভলবারের লাইসেন্সের জন্য যে দরখাস্তা করেছে তাতে সে নিজেই নিজেকে পাকিস্তানবাদী বলে উল্লেখ করেছে তাছাড়া সরকার পক্ষের একজন বিশ্বাসী সাক্ষী বলেছেন যে আসামী কারফিউর সময় রাতে এমনকি পাকিস্তানী সৈন্যদের আত্মসমর্পণের পূর্বের রাতেও ঘোরাফেরা করেছে। কিন্তু জজ সাহেব প্রশ্ন রাখেন পাক বাহিনীর দালাল ছাড়া সে সময় অমনভাবে ঘোরা সম্ভব ছিল কি?
সংবাদ পত্রিকার সহযোগী সম্পাদক ও অন্যতম সাহিত্যিক শহীদুল্লাহ কায়সার হত্যা মামলার রায় শোনার জন্য বিপুল দর্শকের আগমন হয়।
মামলাটি সরকার পক্ষে সিনিয়র স্পেশাল পি.পি খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আসামী পক্ষে এডভোকেট এম, এম সাফকতা হোসেন পরিচালনা করেন।
পাদটিকা : এটি যুদ্ধের পর সবচেয়ে হাইপ্রোফাইল যুদ্ধাপরাধীর বিচার কিন্তু আইনের ফাক গলে সে ঠিকই বেরিয়ে গেছে। এতে একটা উপকার হয়েছে।সবাই বুঝে গেছে মান্ধাতা ব্রিটিশ আইন দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্ভব নয়, সম্ভব নয় আদি দালাল আইনেও যা প্রচলিত সাক্ষ্য প্রমাণ চায়। যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল। সেই দিনটির অপেক্ষাতেই আপাতত বাঁচি।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
চলুক। এখনো এগুলোর দরকার আছে
উপরোক্ত মন্তব্যটি আমার না। ব্লগের কতিপয় ব্লগার মনে মনে এই কথাগুলোই আওড়াচ্ছে এখন

অসাধারন পিয়াল ভাই
আমি ডোন্ট মাইন্ড ফেমিলির পোলা।
মাইন্ড করি নাই, করিও না!
কিন্তু এই অধম স্রোত একতু মজা করতে চাইছেলো।
তাই সে এই পুস্টা দেসিলো।
আর কই যায়...
পুস্ট উধাও!!
লিংকটা হইলো এই...
Click This Link
আমার লেখাটা ছিলো এমন...
ব্রেকিং নিউজ:
এ-তিম মেম্বারদের একটা রোগ মহামারী রুপে ছড়াইয়া গেছে!
রুগটা তারা ডিটেক্টও করতে পারছে!
এইটা আর কিসুই না।
আবহমান বাংলার প্রাচীন একটা অসুখ।
নাম চুলকানি!
রাজাকারের রাজাকার মহারাজাকারের দুইটা ঠ্যাং আছে
দুইটা ঠ্যাং তাদেরও আছে,
এইটা যে কত বড় লজ্ঝা তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো হতাশা!! মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে ঠ্যাংটারে কাইট্টা ফেলাইতে।
কিন্তু পারে না! রক্ত পড়বো!! ব্যাথা হইবো!!
তাই তাদের ঠ্যাং চুলকায়।প্রচন্ড রকম চুলকায়!!
মহারাজাকারটার দুইটা হাত আছে,
দুইটা হাত তাদেরও আছে,
এইটা যে কত বড় শরম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শড়ম!
মাঝে মইদ্যে ইচ্ছা করে হাতটারে কাইট্টা ফেলাইতে।
কিন্তু পারে না! রক্ত পড়বো!! ব্যাথা হইবো!!
তাই তাদের হাত চুলকায়।
প্রচন্ড রকম চুলকায়!!
মহারাজাকারটার (গন&প্রজাতি) Homo Sapiens এর সাথে মিল আছে,
তাদেরও Homo Sapiens এর সাথে মিল আছে,
এইটা যে কত বড় শরম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শরম!
তাই মইদ্যে মইদ্যে Anti Homo Sapiens Behavior করতে ইচ্ছা করে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই পারে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না, চুলকায়, প্রচন্ড রকম চুলকায়, খালি চুলকায়!!
ড়াজাকারটার দাড়ি আছে, তুপি পড়ে।
তাই তারা এর বিপরীত ব্যবহার করে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই পারে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না, চুলকায়, প্রচন্ড রকম চুলকায়, খালি চুলকায়!!
এখন নিওরাজাকাররাও ব্লগিং করে।
পুস্ট দেয়। কমেন্ট করে। এনালাইসিস করে। টেকি পুস্ট দ্যায়।
ওয়েবসাইট বানায়। গ্রুপ বানায়। এডমিন হ্য়। ধম্মের প্রতি ভালোবাসা দেখায়।
ইন্টেলেকচুয়াল তাড়নাবোধ, ফিলসফি, পলিটিক্স নিয়া নাড়াচাড়া করে!
এইগুলাইন আগে মনে করতো শুধু তারাই পারে।
এখন দেখে নিওরাজাকারেরাও এইসব বুলি কপচায়, পড়ে, ডিবেট করে।
এইটা যে কত্ত বড় শরোম তাদের কাছে!
কত্ত বড়ো শড়োম!!
মইদ্যে মইদ্যে ইচ্ছা করে ব্লগিং ছাইড়া দিতে, সব পুস্ট মুইচ্ছা দিতে।
ফাকে ফাকে তারা হুসেইন এ-তিমের মহান বাণী জপে,
"আমি সুকড়ের সাথে সহবাশের ফটুআ অস্বীকার কড়ি!"
তপসী দিয়া জপে।বারেবারে জপে।
এইটা তারা মাঝে মইদ্যেই করে এবং চুলকানির কিছুটা আরাম পায়!!
তারপরেও শান্তি পায় না!
চুলকায়!
প্রচন্ড রকম চুলকায়!
খালি চুলকায়!!!
লিখক স্রোত
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
"যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল। সেই দিনটির অপেক্ষাতেই আপাতত বাঁচি। " পিয়াল ভাই, এই খালেক এখন কই কি অবস্হায় আছে ? হে কি মন্ত্রী মিনিস্টার , বা কমপক্ষে এম পি হইছিলো ?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
এই রাজাকার এখন বই মেলায় বই বেচে
রাশেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
বস, লাল সেলাম
ইহা হচ্ছে সাধারন ক্ষমা আর রাজাকার পূনর্বাসনের আউটপুট
....ধন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতাগন
ফরহাদ উিদ্দন স্বপন বলেছেন:
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সে এখন বাংলাদেশের একজন সম্মানিত ব্যবসায়ী@শান্তির দেবদূতইহা হচ্ছে সাধারন ক্ষমা আর রাজাকার পূনর্বাসনের আউটপুট....ধন্য আমাদের রাজনৈতিক নেতাগন
ফেলুদা বলেছেন:
চলবে
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল । এবং তা যত শীর্ঘ্র সম্ভব ।ধন্যবাদ পিয়াল ভাই
েজবীন বলেছেন:
পেপারে দেখলাম বাতিল করা হয়েছে ঐ স্টল, তবে এখনো ঐলোক আছে কেমনে??ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ..... চলুক
এই ১টা জায়গা বাকি ছিলো দালালগুলা ঐখানেও ঢুইকা গেল,কই যাই?
মুকুল বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল।
এস্কিমো বলেছেন:
+
অমিত আহমেদ বলেছেন:
সেরম +
নেমেসিস বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধের বিচারে চাই স্পেশাল ট্রাইবুনাল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।