আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

সিরাজ শিকদার : ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা! ১

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

শেয়ারঃ
0 5 0

[সিরাজ শিকদার বাংলার রাজনীতিতে একজন কিংবদন্তী। কারো মতে বাংলার চে গুয়েভারা। আবার কেউ তার মধ্যে একজন সন্ত্রাসবাদী ছাড়া আর কিছু খুঁজে পাননি। তার অনেক কমরেডই তাকে একনায়ক হিসেবে আখ্যা করে দল ছেড়েছেন। অনেক প্রবীন নেতা তার কাজকর্মকে এডভেন্চারিস্টের তকমা দিয়েছেন, বলেছেন হঠকারী, বলেছেন সিআইএর দালাল। তারপরও লাল বই পড়ে বিপ্লবী হতে ইচ্ছুকদের কাছে সিরাজ শিকদার নমস্যই রয়ে গেছেন। সর্বহারা তথা প্রলেতারিয়েতের এত সুন্দর বাংলা এর আগে কোন বিপ্লবী নেতাই করতে পেরেছেন, কোন বাংলায়! এই বাংলাদেশে যেখানে চালটা-ডালটা-নুনটার সঙ্গে জঙ্গীটা এবং কমরেডশিপ ও তাদের থিসিসটাও আমদানী হয় ভারত থেকে, সেখানে সিরাজ শিকদার তার সর্বহারা তত্ব লিখেছিলেন এই বাংলাকে মাথায় রেখেই। এইখানেই তিনি আলাদা। বিপ্লবী কিংবা সন্ত্রাসী যাই হোন- এই একটা জায়গায় তিনি খাঁটি বাঙালী। পূর্ব বাংলার বাঙালী। এই পোস্টটি তাকে হেয় করতে কিংবা তাকে আকাশে তুলতে লেখা হচ্ছে না। প্রচলিত মিথের বাইরে কিছু চমকপ্রদ ব্যাপার নজরে এসেছে লেখকের। সেটা তুলে ধরার পাশাপাশি কিছু অবান্তর বিতর্ক খন্ডনের চেষ্টা থাকবে। তবে কোনো ক্ষেত্রেই ইতিহাস থেকে বিচ্যুতির কোনো চেষ্টা নেই- এ ব্যাপারে লেখক নিজের কাছে দায়বদ্ধ থাকার চেষ্টা করেছেন। তারপরও বক্তব্য পাতি বুর্জোয়াসুলভ হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।]

ষাটের দশকের শেষার্ধে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতে অসাধারণ কিছু ঘটনা ঘটে যায়। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার নামে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ফাসানো হয় লে.কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার সঙ্গীদের। এ নিয়ে স্বাধীনতার আগে কিছু চমকপ্রদ ঘটনা নামে সিরিজ লেখা হয়েছে আমার ব্লগে। এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয় শেখ মুজিবর রহমানকেও। তিনি সেই মুহূর্তে বেশ আলোচিত তার ৬-দফা নিয়ে। এই মামলা দিয়েই পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদের কিংবা স্বাধীনতার সামরিক ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় কিংবা যড়যন্ত্র প্রকাশ্যে চলে আসে।

বামপন্থীদের মধ্যে সে সময় দুটো ধারা-রুশ ও চীনাপন্থী। মূলত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের মধ্যেই তা প্রবল ছিলো। নেতা পর্যায়ে তা ছিলো ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ব্যানারে। কারণ পাকিস্তানে তখন কম্যুনিস্ট পার্টি ছিলো নিষিদ্ধ, অতএব গোপন। রাশিয়া এবং চীনের সঙ্গে সাংস্কৃতিক চুক্তিতে লেনিন এবং মাও সেতুংয়ের রচনাবলী তখন সহজপ্রাপ‌্য। সুবাদেই দলের প্রবীন নেতারা বিপাকে। এদের বেশীভাগই স্বদেশী করা আন্দামান ফেরত সন্ত্রাসী। নতুন পড়ুয়ারা বিভিন্ন তত্ব নিয়ে তর্ক করে তাদের নাজেহাল করে। রুশপন্থীদের ঝামেলা কম। তারা কর্মীদের নানা ধরণের অসাম্প্রদায়িক গান-বাজনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্যস্ত রাখে। তিন জনের সেল পদ্ধতিতে (যেখানে কর্মীরা একাধিক সেলের সদস্য) পার্টি ম্যানিফেস্টোর প্রচারণা চলে। সমাজতন্ত্রের পথে শান্তিপূর্ণ রূপান্তরে বার্মা তাদের কাছে মডেল। শৃংখলা ভাঙ্গার সুযোগ তাই নেই। অন্যদিকে চীনাপন্থীরা সোভিয়েত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কে বেশী সাম্রাজ্যবাদী, কাকে শ্রেনীশত্রু ও সংস্কারবাদী ধরা হবে এই নিয়ে বিতর্কে ব্যস্ত। ভিয়েতনাম যুদ্ধে সংস্কারপন্থীদের সঙ্গে নিয়ে লড়াইয়ে তাদের মন খারাপ হয়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদী উন্মেষ তাদের চোখ এড়ায়। ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের বিরুদ্ধে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে গলা মেলায় বটে, কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বার্থের পক্ষে তাদের রা সরে না।

১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময়ই তাদের এই রূপটা অবশ্য পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিলো। চীন পাকিস্তানের বন্ধু বলে তারা পাকিস্তানের পক্ষে গলা মিলিয়েছে। শোনা যায় ভাসানী কয় দিনের জন্য নিখোজ হয়ে গিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন পিকিংয়ে (বেইজিং) আইউব খানের জন্য সামরিক সাহায্যের দেনদরবার করতে। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি কেউ। এই দশকের শেষ দিকে পশ্চিম বঙ্গ কাঁপিয়ে দিলেন চারু মজুমদার। নকশাল বাড়ি আন্দোলনের সেই জোয়ার পিকিং রিভিউর সৌজন্যে রোমাঞ্চিত করে তুললো চীনাপন্থী তরুণ তুর্কীদের। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র সিরাজ শিকদার তাদের একজন। ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন) লিয়াকত হল শাখার সভাপতি তিনি। মার্কসবাদ সম্পর্কে তার প্রচুর জ্ঞান। পূর্ব পাকিস্তান কম্যুনিস্ট পার্টির (মার্কস-লেনিন) সদস্যপদও পেয়েছেন। নকশালবাড়ির আন্দোলনকে পার্টির নেতারা হঠকারিতা বলে রায় দিয়েছেন। আর এর প্রতিবাদে তরুণদের একটা দল বেরিয়ে এসে গঠন করলেন রেডগার্ড। ঢাকা শহরে চিকা পড়লো- বন্দুকের নলই সকল ক্ষমতার উৎস/ নকশালবাড়ী জিন্দাবাদ।

সিরাজ শিকদার তাদের অন্যতম। তার চোখে তখন মাও সেতুং হওয়ার স্বপ্ন জেঁকে বেসেছে। এমনিতে তার খুব বেশী বিলাসিতা নেই সানগ্লাসটা ছাড়া। প্রিয় খাবার বলতে মশুরের ডালে বিস্কিট ডুবিয়ে খাওয়া। ধুমপানের বদভ্যাস নেই। বিপ্লবী হওয়ার প্রাথমিক লক্ষ্য পূরণে এ যাবত তোলা যত ছবি সব পুড়িয়ে ফেললেন। তারপর তখনকার ফ্যাশন মেনে কৃষকদের জাগিয়ে তোলার জন্য গেলেন নিজের এলাকা মাদারীপুরের ডামুড্যায়। কিন্তু শ্রেনী সংগ্রামের বিভেদ বোঝাতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন। সার্কেল অফিসারের ছেলে, ইঞ্জিনিয়ার, পাত্রের বাজারে দাম লাখ টাকা। এক কৃষক তাকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন গরীবের প্রতি তার দরদ পরীক্ষায়। চ্যালেঞ্জ মেনে কৃষকের মেয়ে হাসিনাকে বিয়ে করলেন। স্বভাবতই পরিবার সেটা মেনে নিলো না। তাতে থোড়াই বয়ে গেছে শিকদারের। এবং হঠকারিতা অর্থে এটিই তার প্রথম নয়।

বিপ্লবের আরো প্রস্ততি হিসেবে মার্শাল আর্ট শেখা ধরলেন। এরপর ৭ সঙ্গী নিয়ে টেকনাফ হয়ে গেলেন বার্মা (মায়ানমার)। সেখানকার কম্যুনিস্ট পার্টির নেতা থান-কিন-থাউর সঙ্গে দেখা করলেন নে-উইনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রামের স্বরূপ জানতে। রেডগার্ডের মাহবুবুল করিমকে চিঠি দিয়ে জানালেন পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় তিনি বিপ্লবীদের মূল ঘাটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আরো সদস্য পাঠাতে। আর বাকী কমরেডদের নিয়ে লেগে গেলেন পাহাড় কেটে সুরঙ্গ তৈরিতে। চীনা দুতাবাসে এর আগে টানেল ওয়ারফেয়ার নামে একটা তথ্যচিত্র দেখেছেন তারা। সে ধাচেই তৈরি হবে বিপ্লবী সদর। সঙ্গীরা সব অল্প বয়সী, কেউ ২০ পেরোয়নি। মধ্যবিত্ত ঘরের আদুরে সন্তান। পাহাড়ের খাদে ওই খেয়ে না খেয়ে ঝড় বৃষ্টিতে মশার কামড় খাওয়া আর সাপের সঙ্গে শোয়া বিপ্লব তাদের সইলো না। ৭ জনের মধ্যে ৫ জন পালালেন। রেডগার্ড নেতা মাহবুবের ভাই মাহফুজ তাদের একজন। রয়ে গেলেন বিহারী দুই ভাই। এদের মধ্যে কায়েদ-ই আযম কলেজের বিএসসির ছাত্র সাইফুল্লাহ আজমী সিরাজ শিকদার অন্তপ্রাণ। তার স্বপ্ন লিন বিয়াও হওয়া। ক্ষুব্ধ সিরাজ তাকে ছেড়ে আসা ৫ জনের বিশ্বাসঘাতকতায় মৃত্যুদন্ড ঘোষণা করলেন। মাহবুব তার ভাইর পক্ষ নিলেন। সিরাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলো রেডগার্ড। (চলবে)




 

প্রকাশ করা হয়েছে: যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০২
সুজনবাঙালী বলেছেন: আপনে শিরোনামে বিস্মিত কেনো হইলেন?
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা! মাইন্ড করছেন?

২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৩
ইউনুস খান বলেছেন: চলুক.................. তথ্য অপ্রতুল...................... আরো সাবধানতা দরকার আছে.................

পোস্টের বিষয়বস্তুর জন্য প্লাস।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৭

লেখক বলেছেন: ঠিক কোন জায়গাগুলায় ধরাইয়া দিলে উপকার হইতো

৩. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: উনার সম্পর্কে জানার আগ্রহ ছিল। লেখার শেষে কিছু বইপত্রের নাম দিলে খুশী হব।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই, বারবার না দিয়ে একবারে শেষে দেবো

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চমকপ্রদ কিছু তথ্য হাতে আসাতেই এই লেখা

৫. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১১
অরণ্যদেব বলেছেন: ভুল্না ঠিক হেইডা মাপনের চুংগা কার হাতে? আপ্নের ? মাইনাস দিলাম।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: হ, আমার হাতে। আমি লিখলাম তো তাই :D

আরে মাইনাস গোনার টাইম আছে নিকি ;) জীবনে যা প্লাস কামাইছি হেইডি কাডাইতে তো তুমার আরো ১০ বছর ব্লগিঙ করতে হইবো

৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১১
ইউনুস খান বলেছেন: শোনা যায় ভাসানী কয় দিনের জন্য নিখোজ হয়ে গিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন পিকিংয়ে (বেইজিং) আইউব খানের জন্য সামরিক সাহায্যের দেনদরবার করতে। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি কেউ।

এরকম কথা আমিও শুনিনি। এই জিনিসটা বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে। তখন দেখবেন পোস্টের মূল উদ্দেশ্য ব্যহত হতে পারে। পোস্টের প্রাসঙ্গিকতায় এটা আসার প্রয়োজন ছিলো বলেও মনে হয়না।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: এটার লিংকটা খুজে পাচ্ছি না। এইখানে প্রাসঙ্গিক এইজন্য যে পিকিংপন্থীদের আশ্রয়স্থল ছিলেন ভাসানী (কমুনিস্ট পার্টি ব্যান ছিলো তাই) আর খোদ মাওলানা পাকিস্তানের পক্ষ নিছেন ওইসময়। এবং লেফটিস্টরাও। শুধু সিরাজ এইটার বিরুদ্ধে। এইজন্যই ব্যবহার করা হইছে। মওলানা ঠিকই গেছিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে

৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৬
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: সিরাজ শিকদার সম্প'কে তেমন কিছুই জানি না। তাই পরব'তী প'বের জন্য আমি অপেক্ষায় থাকব।
চলতে থাকুক আপনার লেখা।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩২
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল।পুরোটা শেষ হলে সংগ্রহে রাখার ইচ্ছা রইল।


(এখানে মাইনাস দেবার মতো কি লেখা হলো বুঝলামনা)

শুভেচ্ছা।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আছে কিছু, হিস্টামিন ডিসঅর্ডার

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১১. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪১
মনজুরুল হক বলেছেন:

কি করলেন সেটা ঠিক এমুহূর্তে বোঝা গেল না। সম্পূর্ণ সিরিজ না পড়ে চূড়ান্ত মন্তব্যও করতে পারছিনা। তবে লেখায় অনেক উপসঙ্গ থাকায় এবং সে সব "শোনা কথা" মনে হওয়ায় আপাতত এতটুকুই বলা যায.........অনেক উঁচু থেকে দেখা !
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: বস এইখানে একটা জিনিস বুঝতে হইবো এই পোস্টটা অনেকটা ছোটোদের সিরাজ শিকদার টাইপ লেখা, নট ফর দোজ যারা এম-এল-এম এর চর্চায় আছে। আমি উনার সম্পর্কে জানতে গিয়া পুরানা কমরেড মাহবুবুর রহমান শাকিলের একটা অসমাপ্ত পান্ডুলিপি পাই। সেখানে দেখি খুব ইন্টেরেস্টিং সব তথ্য। আমি উনার সেই পান্ডুলিপিটা অবলম্বনেই লিখতেছি, কিন্তু যেই জায়গায় খটকা, সেইখানটায় অথেনটিক সোর্স ইউজ করতেছি। শিরোনামে ব্যবহৃত কথাগুলাও তার সেই পান্ডুলিপিরই জিস্ট, আমি একটা আশ্চর্য্যবোধক ব্যবহার করতেছি মাত্র। পড়ার জন্য ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান মন্তব্য অনেক রিচ করবে আমার পোস্টটারে এই আশায় থাকলাম।

১২. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: "ভুল বিপ্লবের বাঁশীওয়ালা" - এরকম আরেকজন মনে হয় (আমার দৃষ্টিতে) কর্নেল তাহের। পূরোটা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: একমত বস। উনি ঠিক বাশিওয়ালা না, বাশিওয়ালা তো আমাদের দাদা ভাই

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা

১৪. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৭
ইউনুস খান বলেছেন: ৬ নং মন্তব্যের জবাবে বলেছেন - "মওলানা ঠিকই গেছিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে"

পোস্টে বলেছেন, "শোনা যায় ভাসানী কয় দিনের জন্য নিখোজ হয়ে গিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন পিকিংয়ে (বেইজিং) আইউব খানের জন্য সামরিক সাহায্যের দেনদরবার করতে। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি কেউ।"


দুই জায়গায় দুই কথা। বিভ্রান্ত হচ্ছি। আপনিই বলেছেন কেউ কোনো প্রমান হাজির করতে পারেনি। আবার আপনিই বলছেন মাওলানা ঠিকই গেছিলো। আপনি কোথ্থেকে এতোটা সিওর হইলেন?
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: এইখানে মওলানার গায়েব হ্ওয়ার বিষয়টা যেভাবে প্রচারিত সেই অর্থে কেউ প্রমাণ করতে পারে নাই, যে উনি হঠাত হাওয়ায় ভাইসা চীনে গেছেন। অথচ গেছেন ঠিকই। আমি একটা অপ্রমাণিত প্রচারণার উল্লেখ করছি।

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

১৬. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১২
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনার লেখাটা প্রিয়তে নিলাম পিয়াল। পোস্টে কিছু মারাত্মক বিভ্রান্তি আছে, যদিও তার দায় আপনার নয়, যেখান থেকে কপি করেছেন তার । খুব সম্ভবত আখতার সোবহান খান, রইসুদ্দীন আরিফ কে কোট করা। খুব অবাক হলাম "পাঠক সমাবেশে" সিরাজ শিকদারের ৪ খন্ড রচনাবলী আপনার বিবেচনায় এলো না দেখে!

লিখতে থাকুন। শেষ হলে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট আলোচনার আশা রাখি।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: বস আমি দোকান থেকে কারো বই পড়ি নাই। এ ব্যাপারে আপনার প্রথম মন্তব্যেই বলছি কিছু। এবং কৃতজ্ঞ থাকবো আপনি যদি ঘাটতিগুলো ঠিক করে দেন। আলোচনার মাধ্যমেই নিশ্চয়ই আমরা সত্যিকার ইতিহাস জানতে পারবো

১৭. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২২
না বলা কথা বলেছেন: অনেক ভুল আছে, তারপর ও সুন্দর একটা চমকপ্রদ সিরিজের জন্য
+++++
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: ভুল শোধরানোর এই সুযোগ ছাড়ত চাই না

২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস

১৯. ২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: ইন্টারেস্টিং, চরম ইন্টারেস্টিং। পড়তে থাকি।
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: আসলেই। সবচেয়ে ইন্টেরেস্টিং হবে তৃতীয় পর্বটা।

২০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০২
লংকার রাজা বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।আশা করি সোর্স উল্লেখ করবেন।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: Click This Link

২১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৭
অদ্রোহ বলেছেন: তর সইছে না,জলদি পরের পর্ব দ্যান।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: পাইবেন

২২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৩
ঘনাদা বলেছেন: ঘুরান দিয়ে চেক করে গেলাম মাইনাস দেয়া হয়েছিলো নাকি।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: হইছিলো নাকি? হয় নাই?

তোপখানায় আড্ডা দেওয়ার সময় আমগো চা আইন্না দিতো সেলিম নামে একডা পুলা, শুইন্যা শুইন্যা ভালোই শিখছিলো। লগে থাকেন, বহুত কিছু শিখতারবেন মিয়া

২৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৪
*পাগলা জগাই* বলেছেন: এই পর্ব পড়ে মনে হল উদ্দেশ্যমূলক চাতুরীপূর্ণ লেখা। দেখি সব পর্ব পড়ি আগে। চলুক।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: লে বাওয়া, জট্টিল কমেন্ট। বাধাইয়া রাখার মতো :)

২৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: আচ্ছা ,শামীম শিকদার , সিরাজ শিকদারের বোন না ?
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: হ্যা, উনি ভাস্কর। কো ইনসিডেন্টলি সিরাজ শিকদারের মৃত্যুর পর মুজিবের একটা ব্রোঞ্জের ভাস্কর্যের কাজ পাইছিলেন বইলা শোনা যায়। তবে পুরাটাই আমার ধারণা ফালতু প্রচারণা।

২৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
অন্যরকম বলেছেন: পোস্টের বিষয়বস্তুর জন্য +
সিরাজ শিকদার সম্পর্কে অনেক শুনছি... সব মিথের মত! কট্টর আওয়ামীরা তাকে উঠতে বসতে গাইল পারত! চলুক.... তবে তথ্যের রেফারেন্স দিলে বেশীগ্রহণযোগ্যতা পেত!
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের রাজনীতি তো ওই উঠতে বসতে গাইলের রাজনীতিই। সব এক লাইনে ফিক্স করা, প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলতেই আছে। এইখান থিকাই আসলে বাইর কইরা আনতে হবে ইতিহাসে যার যার জায়গটা। কেউ না কেউ একদিন সেটা করবে নিশ্চয়ই। ধন্যবাদ আপনারে

২৬. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মাইনাস দেওয়ার জন্য অবেলায় লগ-ইন করলাম।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: আহারে আপনার কষ্টে চৌক্ষে পানি আইসা পড়লো, কি দরকার আছিলো অবেলায় আসার, বেলাতেই আসতেন। ছাগুপার্টি তো দেরী করে নাই একটাও। যাক দিছেন যখন বরাবরের মতো এইটাও মাথা পাইতা নিলাম। খালি যদি বলতেন ঠিক কোন জায়গাটার জন্য... জ্বলছে, তাইলে শান্তি পাইতাম :)

২৭. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
ঘনাদা বলেছেন: আরে নাহ্‌.... পোলার নাম আছিলো জিয়াউদ্দিন... আমার এখনো মনে আছে... বেকুবডা মাতায় একটা টুপি পড়তো...


পরে শুঞ্ছি কেমনে কেমনে জানি কানাড়া গেছিলো গা... খবর টবর পান নাকি ওইডার....

হঠাৎ মনে উঠলো যে!!
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: তাই নিকি! হেহে, মানে কি এস্কিমো? আপনে কি আরিফুর রহমান? পোন্দাপুন্দি কি স্টিল অন?

২৮. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সিরাজ সিকদার......অত্যন্ত দুঃখজনক পরিণতি....চলুক।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: হুমম

২৯. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:১৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: হু , শামীম শিকদার আমাদের বাসার কাছেই থাকেন, প্রায় ই দেখতাম আগে। ইদানিং চোখে পরেনাই। আমার এই হিস্ট্রি টা জানা নেই। জাস্ট একটা ডায়ালগ বংগবন্ধুর "... কোথায় আজ সিরাজ শিকদার ?" এটা অনেক আর্টিক্যালে ,পত্রিকায় পড়েছি । কিন্তু আবার মিলাতে পারিনা যখন সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ইয়া বড় ভাস্কর্জ টা দেখি। আবার ওনার ফ্ল্যাট বাড়ির সামনের পোর্শানে অনেক ভাস্কর্জ সাজিয়ে রাখা গাছপালার মাঝখানে। একাত্তোরের আগে , একাত্তোরে আর একাত্তোরের পরের দুই ধারার কমিউনিসম এর ইতিহাস জানার ইচ্ছে থাকলেও কখনো পড়তে আগ্রহ পাইনা বায়াসড ইতিহাস বইগুলোর কারনে...
ধন্যবাদ :-)
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: সমস্যা এইখানেই। কেউই ইতিহাস লেখার সময় এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়ে না, তাই বায়াসডনেস কাটে না। কিন্তু আমি আগেও একজনরে বলছি এই টুইস্টিঙ অব দ্য হিস্টরি, এটা টেম্পরারি। সিরাজ শিকদার প্রসঙ্গে শেখ মুজিবের ওই উক্তিটারে এখনও হাইলাইট করা হয়। এই ব্যাপারটা নিয়া আগামী পর্বে থাকবে বিস্তারিত।

৩০. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:১৩
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: লেখাটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৩১. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫১
বিডি আইডল বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ লেখা...কিছু রেফারেন্স থাকলে ভালো হতো
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: রেফারেন্স পরের পর্বে আছে। আসলে এই ব্যাপারে আমার ব্লগে একটা ট্রেলার পোস্টে কিছু কথা ছিলো

৩২. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: পড়ছি। চোখ রাখার ইচ্ছে আছে!
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রইলো

৩৩. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
অপরিচিত_আবির বলেছেন: দারুণ লেখা গল্পের মতো মনে হচ্ছে। পরের পর্ব পড়ে আসি।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: হ্যা গল্পের মতোই

৩৪. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: ‍বিপ্লবের আরো প্রস্ততি হিসেবে মার্শাল আর্ট শেখা ধরলেন। এরপর ৭ সঙ্গী নিয়ে টেকনাফ হয়ে গেলেন বার্মা (মায়ানমার)।"
:)
এই জায়গাটা আমার ইমিডিয়েট বর্দার লগে মিইল্যা গেলো কেমতে হেইডাই ভাবতাছি। সে ইন্টারমিডিয়েট খ্রাপ কৈরা বাড়িত থিকা মনের দু:খে গা ঢাকা দিছে..এক বছর পরে তার হদিস মিললো, খাগড়াছড়িতে। ইতোমধ্যে মার্শাল আর্ট শিখছে এবং একবার বার্মা ঘুইরা আসছে।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: :) হইতেই পারে। উনি মনে হয় রুবেলের সিনেমার খুব ভক্ত কিংবা উস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের

৩৫. ২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭
অলস ছেলে বলেছেন: পড়লাম, বাকীগুলো পড়বো আগ্রহ নিয়ে। ভূল হওয়াই যথাযথ, চরম নরম সবাই ধীরে ধীরে পরে মুজিববাদে আর অন্যবাদগুলোতে জয়েন কর্ছে।
২৬ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: হুমম, এইটা কিন্তু আরো ইন্টেরেস্টিং। বেশীরভাগই কিন্তু এক পর্যায়ে আইসা পার্টি লাইন ভূল ছিলো এইটা বইলা অজু কইরা ফেলছে

৩৬. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
ছু-মন্তর বলেছেন: বাংলাদেশের ইতিহাসের সম্ভবত প্রথম ক্রসফায়ারের (এনকাউন্টার) শিকার সিরাজ সিকদার। তার বিষয়ে জানতে আগ্রহী। ভালো পোস্ট।+++
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: ধরছেন ঠিক। এখনও র‌্যাব যেই ক্রসফায়ার প্রেস রিলিজ ব্যবহার করে, তার শুরুটা ঠিক তখন থিকাই, কয়েকটা লাইন যোগ হইছে মাত্র

০১ লা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: হুমম, আজকেই শেষ কিস্তি

৩৮. ১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
লালপতাকা বলেছেন: সিরাজ সিকদার্ এই বাংলার স্বাধীনতার পরর্বতী সময়ে বাকশালের অন্যতম হুমকি যাকে মারার জন্য ফ্যাসিবাদী শেখ মুজিব ২৪ ঘন্টার বেশী সময় নেয়নি ।যদিত্ত শেখ মুজিবে সর্বশেষ পরিনতি ছিল সুখকর ত্ত প্রত্যাশিত।সিরাজ সিকদারকে মারার পর শেখ মুজিবের হুঙাকর ছিল 'কোথায় সিরাজ সিকদার"।
৩৯. ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: লালপতাকা@ তুমি আমার বাল্টা জানো
৪১. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৫
রাজিয়েল বলেছেন: সিরাজ শিকদার সম্পর্কে জানার অনেকদিনের আগ্রহ আছে। অথেনটিক ইতিহাসের প্রত্যাশায় রইলাম।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: সিরিজটা পুরোপুরি আছে আমার ব্লগে। পোস্টের লিংক ধরে ঘুরে আসতে পারেন যদি সত্যিই আগ্রহ থাকে

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৬২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ