আমার প্রিয় পোস্ট
- Transcend পেন ড্রাইভ মেরামতের সফটঅয়ার - জুয়েল ফুজি
- শেষ পর্যন্ত এই নিষ্ঠুর নাগরিকতা গ্রাস করে নিল আমাকেও! - শাকিল ফারুক.
- আজব প্রেমের গজব কাহিনী- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার - লালসালু
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, আমার আপন হারা প্রাণ, আমার বাঁধনছেড়া প্রাণ - অপ্সরা
- ১৬ টি বাংলা রেডিও চ্যানেল এক ওয়েবসাইট এ - সাদামেঘ
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- টেকি হেল্পঃ উবুন্টু/লিনাক্স প্রেমিরা সাহায্য করুন

- ইসানুর
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ ওয়েবসার্ভারে ইনস্টল করবেন? - হাসান
- ইসলাম, সম্প্রদায় ও পরিচয় বিষয়ে দশটি নোক্তা - ফারুক ওয়াসিফ
- কুয়াকাটা ভ্রমন,,,,,,,অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে ৯৯ ভাগ সফল এক সফর....(যাত্রা পর্ব) - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- যে লেখাগুলো প্রিয়তে নেয়া হয়নি... - ভেবে ভেবে বলি
- বিশ্বের সেরা দুইটি ডাউনলোড ম্যানেজার (IDM & DAP) - লেটেষ্ট ফুল ভার্সন উইথ প্যাচ
- নির্ভয় নির্ঝর
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপের কোরাল/প্রবাল: পানির নীচে অন্য এক জগত - রাব্বি !
- কবি ফরহাদ মাযহার লুঙ্গি পড়ায় ঢুকতে পারেন নি ঢাকা ক্লাবের এক জন্মদিন পার্টিতে - পথিক!!!!!!!
- পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন আলোচনার জন্য। - বিবর্তনবাদী
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
আঙ্গো মনি সাবের বাংলার তাজমহল @ গ্রাম: পেরাবো, থানা: সোনারগাঁও, জেলা: নারায়ণগঞ্জ 


১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
কোরবানীর ঈদের দুটি দিন কাটল মাংস ও নানা ফরমালিটিস্ নিয়েই। কোথাও তেমন ঘোরাঘুরি করা হয়ে উঠেনি। কাল রাতে বন্ধুরা মিলে ভাবছিলাম কোথায় যাওয়া যায়। একজন পরামর্শ দিল সোনারগাঁতে বাংলার তাজমহল উদ্বোধন হয়েছে। অনেকের মুখেই শোনা যাচ্ছে, আমাদেরও উচিত একটা ঢুঁ দিয়ে আসা। বুদ্ধিটা ভালই লাগল, সবাই রাজি হয়ে গেলাম। তাছাড়া যুক্তি ছিল, যেহেতু একদিন আগেই উদ্বোধন হয়েছে, তাই এখন গেলে তেমন ভীড় হবে না, কারন অনেকের কাছেই জায়গাটা অচেনা।
ঠিক হল, আজ সকালে দশটায় যাত্রাবাড়ী থেকে বাসে উঠব। বাঙালি হিসেবে ঠিক সময়ে যাত্রা শুরু করাটা স্বভাবে নেই, আমরা তাই যাত্রা শুরু করলাম দুপুর ১২ টায়। তিনবন্ধু গেলাম যাত্রাবাড়ি বাস স্টান্ডে। এদিকে কোন বাসেই সিট নাই, অনেক মানুষ, ঝুলে যেতে হবে। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে বুঝতে পারলাম, বসে যাবার আশা ত্যাগ করতে হবেই। ঝাপিয়ে লোকাল বাসে উঠে গেলাম গন্তব্য বড়পা। বিশাল জ্যামে বাসে ঝুলতে ঝুলতে পৌছলাম বড়পা, বাসে প্রত্যেকের ভাড়া নিল ১৫ টাকা। বাস কাউন্টারে জিজ্ঞাসা করলাম, তাজমহল কতদূর? ওরা বলে, বড়পা বাস স্ট্যান্ড থেকে ১৫ টাকা রিক্সা ভাড়া, আমগাঁও সুটিং স্পট। প্রথমে বড়পা বাজারে একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্টে হালকা খাওয়া দাওয়া সেরে নিলাম।
কিন্তু হায়! কোন রিক্সাই ৪০ টাকার কমে যেতে রাজি না। এক বেবিট্যাক্সি ওয়ালা বলে জনপ্রতি ১০ টাকা নিবে, যতদূর জ্যাম ছাড়া যাওয়া সম্ভব ততদূর যাবে। এর বেশি যেতে পারবে না, হাটতে হবে। বড়পা বাজারে দেখি এ্যারো দিয়ে চিহ্নিত করা “তাজমহল, দুই কিলোমিটার”। আমরা ভাবলাম, প্রতিদিন কতই না টৈ টৈ করি, দুই কিলোমিটার আর কি! তিনজনেই হাটা শুরু করলাম, তাজমহলের উদ্দেশ্যে। রাস্তায় প্রচুর লোক, আমাদের ধারণা ভুল ছিল। হুজুগে বাঙালি তাজমহলের হুজুগে ঢল নামিয়েছে বড়পাতে আমাদেরই মত। কিছুদূর গিয়ে বুঝলাম হেটে আসাটাই সবচাইতে ভাল কাজ হয়েছে। এত জ্যাম যে এখানে দুই কিলোমিটার রিক্সায় পার করতে ১ ঘন্টার বেশি সময় লাগত। হেটে যাবার আর একটা সুবিধা ছিল এই যে, অনেকের কমেন্ট শুনতে পারছিলাম। লোকের বিরক্তি আর রাগ দেখে বুঝলাম, তেমন আহামরি কিছুই আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে না।
দূর থেকে
![]()
বাইরে থেকে
অবশেষে পৌছলাম কাঙ্খিত গন্তব্যে, গ্রামের নাম পেরাবো। তাজমহল নামের তামাশা সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, বাইরে থেকেই দেখা যায়। ভেতরে ঢুকতে টিকেট ৫০ টাকা জনপ্রতি। বাইরে থেকে দেখেই ইচ্ছা মিটে গেল, তবুও এতদূর যখন এসেছি ভেতরে গিয়েই দেখা যাক এই সিদ্ধান্ত নিয়েই তিনজনে টিকেট নিতে গেলাম। মানুষের এত চাপ যে টিকেট সংকটে ভুগছে কর্তৃপক্ষ। আমাদের তিনজনকে একটা টিকেট দিয়ে উপরে তিন লিখে দিল। যাইহোক, ঢুকলাম কম্পাউন্ডের ভেতর।
প্রবেশ পথে মানুষের ভীড়
কার পার্কিং (নিকটস্থ দোকান হতে রশিদ নিতে হবে, কি অদ্ভুত!!)
কার পার্কিং (যে যার ইচ্ছে মত টাকা নিচ্ছে)
এন্ট্রি পথে টিকেটের দাম; ৪০০ কোটির (!) স্থাপনায় সাইনবোর্ডে বানান দেখুন
তিনজনের এক টিকেট
কিছুই না দেখবার মত। শুভ্র তাজমহলের সোকলড রেপ্লিকা বানিয়েছে সাদার মাঝে নানা রঙ্গের টাইলস দিয়ে। সংবাদপত্রে কত কিছুই না পড়লাম। খরচ ৪০০ কোটি টাকা, ইতালি থেকে আনা মুল্যবান পাথর ও টাইলস্, বেলজিয়াম থেকে আনা ১৭২ টি হীরক খন্ড, গম্বুজের উপরে চারমন ওজনের ব্রোঞ্জ, কোথায় এসব??? ৪০০ কোটি টাকা কি পান্তা ভাত নাকি! নরমাল ইট-সিমেন্টের একটা স্ট্রাকচারের উপরে দেশী টাইলস্ (আমার বন্ধু বাড়ির কাজকর্ম ভাল বোঝে, তার মতে টাইলস গুলো দেশী) বসানো। এমন কি টাইলসের কাটাও ঠিক মত হয় নাই, আনাড়ি হাতের কাজ। এখনও ফিনিশিং সম্পূর্ণ হয় নাই। ইতালির পাথর যদি পরে বসাবার ইচ্ছাও থাকে তবে কোথায় বসাবে?
![]()
কম্পাউন্ডের ভেতর থেকে
ক্লোজ শট।
বাংলার তাজমহলের বাইরের অংশ
ভেতরের দৃশ্য
দর্শনার্থিরা সবাই বিরক্ত এবং নিজেদের প্রতারিত ভাবছেন। এক ছেলে বলে, “টিভির খবরে গতকাল প্রতিবেদন দেখে খুব সুন্দর লেগেছিল। কিন্তু একি দেখলাম এসে?” সকালে নাকি এক টিভির রিপোর্টার এক মেয়ে দর্শনার্থিকে জিজ্ঞাসা করেছিল ক্যামেরার সামনে, ‘কেমন লাগছে বাংলার তাজমহল?’। মেয়ে উত্তরে বলল, “খুব সুন্দর”। চারিদিকের লোকজন নাকি, ভূয়া ভূয়া বলে মেয়েটাকে চুপ করিয়েছে। একলোক বর্তমান ভারতের শাহজাহানের তাজমহল দেখেছিলেন, উনি বললেন এটা তাজমহলের ধারে কাছেও নাই। বাংলার তাজমহলের ভেতরে ঢুকলাম, সেখানে এখনও কাজ কিছুই হয় নাই। কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখেছিল প্রবেশ পথ। জনগন কাপড় ছিড়ে ভেতরে ঢুকেছে, রাগে নিজেরাই ইট পাটকেল ছুড়ছে।
টাইলসের কিছু হালকা কারুকাজ
ইট সিমেন্টে গাথুনি, মার্বেল কোথায়?
৪০০ কোটি টাকা গাছে ধরে না। কোন প্রকার সুব্যবস্থাই নেই। গতকাল নাকি লোকজন টয়লেট এবং পার্কিং এর জন্য অনেক ঝামেলায় পড়েছে। আজ দেখলাম আশে পাশের লোকজন নিজ ক্ষেতে, বাড়ির উঠানে পার্কিং এর ব্যবস্থা করেছে। সাইনবোর্ডে গাড়ি প্রতি পার্কিং চার্জ লিখে বলা হয়েছে কাছের দোকান থেকে রশিদ নিতে! এলাকাবাসী কেউ কেউ হুজুগে পেরাবো গ্রামে জড়ো হওয়া ঢাকাবাসীর পাগলামী দেখছে, কেউ কেউ জুড়ে বসেছে জমজমাট ব্যবসা। তাজমহলের (!) পাশেই চটপটি, বিরিয়ানি ও অনান্য সামগ্রি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। প্রবেশ ও বের হবার পথে মোট তিনজন গার্ড এবং টিকেট কাউন্টারের লোক ছাড়া আর কোথাও কোন নিরাপত্তা কর্মী দেখা গেল না। কম্পাউন্ডের ভেতরে টেবিলের উপর সফটড্রিংকস্, চিপস ইত্যাদি খুব সম্ভবত কর্তৃপক্ষই বিক্রি করছেন।
প্রায় ১০ মিনিট দেখবার পরেই বুঝতে পারলাম আমাদের জন্য ভেতরে আর কিছুই নেই। বেরিয়ে হাটা ধরলাম। পথে অনান্য দর্শনার্থিদের সাথে কথা হল, সবার একই উত্তর “ভূয়া”। কোন রিক্সা/ক্যাব না পেয়ে হাটতে হাটতে পৌছলাম নিকটবর্তী আমতলা বাজারে। হঠাৎ এক ফার্মেসীর দোকান থেকে কিছু লোক আমাদের তিনজনকে ডাকলেন। বয়স্ক একজন জিজ্ঞাসা করলেন, “কোন খান থেকে আসছেন? এইখানের তাজমহল কেমন দেখলেন?” আমাদের যথারীতি উত্তর, “ভূয়া”। তারাই বললেন কিছু কথা। গতকাল নাকি আরো অনেক ভীড় হয়েছিল। এই তাজমহলের প্রতিষ্ঠাতা আহসানউল্লাহ মনি ঐ এলাকার লোক। ঢাকার কাকরাইলের রাজমনি সিনেমা হল সহ আরো কয়েকটা সিনেমা হলের তিনি মালিক। উনি বাজারের দোকানে মাঝে মাঝে চা খেতে আসে। দোকানের ওরা নাকি তাকে গতকাল জিজ্ঞাসা করেছিল, “এই যে একটা তাজমহলের হুজুগ তৈরি করলেন, এত মানুষ আসল, একটা টয়লেট-গাড়ি পার্কিং এর জায়গা না পেয়ে আপনাকে বাপ-মা তুলে গালাগালি করে গেল, লাভটা কি হল”। মনি সাহেবের উত্তর নাকি, “আমি কি জানতাম নাকি এত লোক হবে!!”।
এলাকাবাসী (যাদের সাথে কথা হল)
এই হল আমার আজকের বাংলার তাজমহল দর্শনের অভিজ্ঞতা। অবাক লাগল এই যে দেশের শীর্ষ স্থানীয় পত্রিকা গুলো কিভাবে কোন রকম খোজ খবর ছাড়াই ৪০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ১৭২ টি হীরক খন্ড, ইতালির টাইলস/পাথরের ভূয়া খবর ছাপালেন। ৪০০ কোটি টাকা কি কম? এত টাকার বিনিয়োগে, একটি বিখ্যাত স্থাপনার রেপ্লিকা তৈরি ব্যাপারে তারা কি সরোজমিনে একবারও ঘুরে দেখে আসবার সময় করতে পারলেনা। ঢাকা থেকে নারায়নগঞ্জের, সোনারগাঁয়ের পেরাবো গ্রামে যেতে বড়জোর এক দেড় ঘন্টাই লাগত!! এই দেশে কি খবরের অভাব আছে? নাকি টাকা দিলেই খবর ছাপানো যায়। খুব বেশী হলে এই স্থাপনাতে ৩/৪ কোটি টাকার মত খরচ হয়েছে। ৩৩,০০০ কোটিপতির বাংলাদেশে এইটাকা কোন ব্যাপার না।
প্রথম আলোর লিংক Click This Link
ডি ডাব্লিউ ওয়ার্ল্ডের লিংক Click This Link
আমাদের তিনজনের ১৫০ টাকার টিকেট বৃথা যায় নাই। ফিরতি পথে নানা লোকের মজাদার মন্তব্যে পুরো টাকা উঠে এসেছে। কিছু এইখানে শেয়ার করলাম।
একজন ফোনে এই তাজমহল দেখতে ইচ্ছুক পরিচিত জনকে বলছিলেন, “কষ্ট কইরা এইখানে আহনের চাইতে, সায়দাবাদী হুজুরের মসজিদ দেইখা নেন’’।
যুবক, পোলাপান তুচ্ছার্থে বলছিল, “সেই রকম” বা “ভূয়া ভূয়া ভূয়া”।
পথে যারা তখনও দেখতে আসছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে বলা হচ্ছিল, “খুব সুন্দর দেইখ আসেন, যান যান”।
সো কলড এই তাজমহলের আশে পাশে চাষের ক্ষেত বা ডোবা। তার মাঝে কিছু সরিষা ক্ষেত ছিল। কয়েকটা মেয়ে সেখানে ছবি তুলে এসে বলল, আজকে বিনোদন এই সরিষার ক্ষেতে ছবি তোলা।
একছেলে ফিরতি পথে অন্যদের বলছিল, “ভেতরে বিশাল বিশাল হিরা, একএকটা তুলতে দুই জন লাগে’।
এই সোকলড তাজমহল ঘুরে ঘুরে তিন মিনিটের একটা ভিডিও করেছিলাম। ইচ্ছা হলে দেখতে পারেন।
ইয়ুটিউবে সামহোয়ারের ভারতীয় ব্লগার কৌশিক বিশ্বাসের ভিডিও প্রেজেন্টেশনটা দেখুন। মনির জন্য বাংলাদেশের এই চরম অপমানের কোন জবাব দেবার মুখও আমাদের নাই ![]()
পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন মন্তব্য এখানে করুন।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা, কারেন্ট ইভেন্টস বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
কাইল টিভিতে দেখালাম।ভালোই করছে....আবার কপি রাইট ঝামেলা না হয় হাহাহাহালেখক বলেছেন: এই জিনিসের কপিরাইট নিয়া যে মামলা করবে তার কোর্ট মানসিক হাসপাতালে পাঠাবে
লেখক বলেছেন: এইটারে তাজমহল বলবে কোন গাধায়!
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
এইটাতো 'বাংলা'র তাজ মহল। মন খারাপ করেন ক্যান? ভারতের তাজ মহল তো আর এইটা না।
লেখক বলেছেন: সমস্যা তো সেটা না। ৪০০ কোটি টাকা, ১৭২ হীরক খন্ড, ইতালির পাথর ইত্যাদি নিয়ে যে মিথ্যা হুজুগ তৈরি করল এর দায়ভার কার?
সাগর সরোয়ার বলেছেন:
তাজমহলের কপিরাইটটা আসলে কার- এ নিয়ে এখন চলবে অনুসন্ধান৷ বিষয়টি নিয়ে এতদিন কারও কোন মাথাব্যথা ছিল না৷ কিন্তু বাংলাদেশের একজন ব্যবসায়ী ঠিক হুবহু একটি তাজমহল তৈরি করার পর এখন প্রশ্ন উঠেছে কপিরাইট নিয়ে৷ পড়ুন নিচের লিংকে Click This Link
লেখক বলেছেন: আরে রাখেন আপনার কপিরাইট। হুবহু মানে??? জনাব মনির এই তাজমহল যদি হুবহু আগ্রার তাজমহল হইত তাহলে বাংলার জেলায় জেলায় তাজমহল থাকত।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
![]()
আবু সালেহ বলেছেন:
আরে বাহ এইটা তো বাংলার তাজমহল...এইটার উপর বেশী আশা করা ঠিক হবেনা......
আমারও আজ যাওয়ার কথা ছিলো.....
লেখক বলেছেন: ৫০ টাকা বাইচা গেছে। এই পঞ্চাশটাকা ফকিরকে দিয়েন তবুও এই তাজমহলের পিছে দিয়েন না।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
আফনারে ৪০০ কোটি টাকার ধইন্যপাতাবাঁচাইলেন...
ঐ তামাশা দেহার ইচ্ছা আর নাই। সময় বাঁচলো, আমার টেকাও বাঁচলো
লেখক বলেছেন: ওয়েক্ল্যাম
সাব ষ্ট্যান্ডার্ড বলেছেন:
হা হা হা । সংবাদপত্রে পড়েছি আমিও। ইতালি থেকে আনা টাইলস, হীরা আরো কত কি। যাক ধন্যবাদ ক্লোজ শট ছবি গুলার জন্য। কিন্তু আপনি তো ভুল করে ফেললেন। এরকম বিখ্যাত (কিন্ত ভুয়া) জায়গা দেখে যাবার পর সবাইকে বলতে হয় "চরম বানাইছে... পয়সা উসুল... টাইম পাইলে আপ্নারাও যাইয়েন"
লেখক বলেছেন: দুই একজনের সাথে এমনটাই করছি![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
প্রথম কথা হচ্ছে, এরকম তাজমহল তৈরীটাই সমর্থনযোগ্য না, এবং বৈধও না ।
দ্বিতীয়ত তাজমহল তৈরীর সংবাদটা পড়েই মনে হয়েছে, এই লোক বাণিজ্য ভালো বুঝেন, আর একটা হুজুগ তৈরী করার চেষ্টা তিনি করেছেন , এখন পর্যন্ত সেটাই প্রমাণীত হতে যাচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: পুরাটাই তামাশা চলতেছে। ফিরতি পথের দর্শনার্থিদের মন্তব্য শুনলে বুঝতেন। এইটাকে বাণিজ্যজ্ঞান বলে না।
এইসব কপটতা করে আর যাই হোক, দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য সম্ভব না। একধরনের প্রতারক এরা।
অপ্সরা বলেছেন:
ভাগ্যিস ভ্রমন বৃতান্ত আর বাংলার তাজমহলে দর্শন বর্ণনা দিলে। আমি তো আজ সকালে প্ল্যান করে ছিলাম এই তাজমহল দর্শনে যাবার। আর যাচ্ছিনা তাহলে। অনেক অনেক ধন্যবাদ এই মূল্যবান পোস্টটির জন্য।
লেখক বলেছেন: যাওয়ার কোন যুক্তি নাই। অহেতুক, দুই/তিন কি.মি হাটা আর বিরক্ত হয়ে কিছু টাকা গচ্চা।
কেমন আছ বন্ধু?
লেখক বলেছেন: আরে রাখেন আপনের ৪০০ কোটি টাকা। শালা বেশি হইলে ৩/৪ কোটি ঢালছে। আর জায়গাটা একদম ক্ষেতখামার। জমির দাম খুব বেশিও না।
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
আচ্ছা Under Construction একটা Building এ কতৃপক্ষ মানুষকে ঢুকতে দেয় কিভাবে? কোন দূর্ঘটনা ঘটলে কে দায়ী হবে বলেন? লেখক বলেছেন: ইহা সম্ভব কারন ইহা বঙ্গদেশ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
যাও একটু আগ্রহ হলো তাও আপনি চুপসায় দিলেন ! ধুউউর !তবে কথা হলো এরকম ঘটা করে যে তাজমহল হলো তাতে তো কোন অনুমোদন নেয়া হয়নি । জনাব মনি নাকি বলেছেন অনুমতির প্রয়োজন নেই আবার কেউ কেউ বলছেন একমাত্র মিনিয়েচার ছাড়া এধরনের রেপ্লিকার জন্য অনুমতির প্রয়োজন ছিল । এই দ্বন্দ দূর করতে এক্ষেত্রে সরকার এবং মিডিয়াগুলোর একটু ভূমিকা আছে মনে হয।
আমাদের দেশে ঘোরাফেরার জায়গা কম তা বলবনা; সমস্যা হলো কোন একটা জায়গাকে সঠিক উপায়ে দর্শনীয় করে তোলা হয় না । যাতায়াত, পার্কিং, থাকা-খাওয়া - এসব একটা ঝামেলা সব সময়ই থেকে যায় ।
কালকে খবরে তো শুনলাম এর সাথে নাকি হোটেল হবে ; আসলেই কি ?
খবরে তো আরও শুনলাম, গ্রামবাসী খুশি, কারণ এই তাজমহলের কারণে তাদের গ্রামে এখন উন্নতির ছোঁয়া লাগবে । জনাব মনি নাকি বলেছেন এখান থেকে প্রাপ্ত আয় গ্রামোন্নয়নে ব্যয় করবেন ।
যাই হোক, তা কি মনে হয় টাকা-পয়সা খরচ করে আগ্রা যাবো নাকি নারায়ণগঞ্জ যাবো ?
লেখক বলেছেন: সব ফাকা বুলি।
কিসের হোটেল? জায়গাটা একেবারেই ক্ষেতখামার। গ্রামবাসী ঢাকাবাসীর মজা দেখছে। একবুড়া হাসতে হাসতে বলে, "হুজুজ্ঞা বাঙালির শুইনাই ঝাপাইয়া পড়ছে"। গ্রামের কিছু লোকের ব্যবসা ভাল চলছে, এই যা। ফাক তালে হুজুগ তুলে ৫০ টাকা টিকেটের জন্য রেখে মনি সাহেব মোটা অংকের টাকা তুলে নিচ্ছেন।
অবশ্যই আগ্রা যাবেন। টাকা পয়সা মাগনা নাকি!
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
গ্যালাম না । ঘুমাইলাম।
লেখক বলেছেন: অতি উত্তম
প্রকৃতি প্রেমিক বলেছেন:
ভাইরে ভারতের তাজমহল দেখেই মন ভরেনি আর বাংলার তাজ মহল কেমন হবে বলেন? আপনার বর্ণনা পড়ে ভাল লাগল। সত্যিকার তাজমহলের রেপ্লিকা তো আর মুখের কথা নয়!
লেখক বলেছেন: সেইটাই!!!
পারভেজ বলেছেন:
হা হা প গে!!একজনের কথা মন পড়লো!
তিনি খুব তর্ক করলেন আমার সাথে খুব ভালো কাজ করেছে দাবী করে। উনাকে এই পোস্ট পড়ার অনুরোধ রাখলাম।
অবাক হবার কিছু নেই এই ধরণের লোকের কাছে এর চাইতে বেশী রুচিকর কিছু আশা করাই যায়না।
অনেক ধন্যবাদ তোমাকে ছবিগুলির জন্য।
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সেই উনারে লিংকটা দিয়া আইসেন। বেশি কিছু না হোক ৫০ টাকা বাইচা যাবে![]()
টাজমহল দৈখা আইসা কৈতাম, "আরে যা জিনিস বানাইচে না,তাড়াতাড়ি দেইখা আয় "
লেখক বলেছেন: দুই একজনের লগে তাই করছি, মাগার আপামর জনসাধারণের সাথে তো আর তেমন করাটা ঠিক না।
কিস্তোয়ার বলেছেন:
ভাইজান বিপদে পড়েছি।পিসি ভাইরাস মুক্ত করার জন্য একটি লিংক দিন দয়াকরে।
লেখক বলেছেন: টেকি গো কাছে যান ভাই? প্যাট খারাপ হইলে আমারে কৈয়েন।
লেখক বলেছেন: কিন্তু সেই কৌতুহলটা জাগানো হয়েছে ৪০০ কোটি টাকা, ১৭২ টা হিরা এবং মার্বেলের মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে। এটা অতি নগ্ন প্রতারণা।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
টাইলস নিয়ে একটা কথা - বাংলার তাজমহল বাংলার টাইলস দিয়েই হওয়া উচিৎ ছিল .....যেমন বসুন্ধরা নাইলে R.A.K. হোটেল হয় নাই ! তাহলে আমি ভুল শুনলাম নাকি এটা পরে তৈরী হবে, এখন হয়ত ধৈর্য রাখতে নাই ; তাই যা আছে তাই পাবলিককে দেখতে দিল ...
লেখক বলেছেন: আসল কথা এগুলা না একেবারেই আফা। কথা হইল, পাবলিককে মিথ্যা খবর প্রচার করে প্রতারণা করা হয়েছে। এটা অপরাধ হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত।
আকাশ সুনীল বলেছেন:
প্রথম আলোর রিপোর্ট পড়ে আমিতো টাস্কি খেয়ে গেছিলাম। বাংলাদেশের এক মানুষ ৪০০ কোটি টাকা খরচ করে হুবুহু তাজমহল এর মত একটা বাংলার তাজমহল বানাচ্ছে। প্রথম আলোতে ব্যাপারটাতে সত্যতা দেবার জন্য এর সাথে কপিরাইট ইত্যাদি প্রশ্ন তুলে মানুষের আরো আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। রিপোর্টার সাহেব যে কতটাকা খাইছে তা তদন্তের দাবী রাখে। আর প্রথম আলোর মত একটা পেপার এই ধরনের ভুয়া রিপোর্ট ছাপলো কিভাবে ?এই লোক যতটাকাই খরচ করুক তা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। কিভাবে সে এতটাকা পাইল ?
লেখক বলেছেন: সে ইনভেস্ট করছে বেশি হইলে ৩/৪ কোটি। বাকি কয়েক লাখ খাওয়াইচে কিছু জনদরদী সাংবাদিক ভাইরে। ৪০০ কোটির ১০ ভাগের একভাগও তো দেখলাম না
লেখক বলেছেন: কয়েক লাখ হয়ত খুব বেশি বইলা ফালাইছি।
লেখক সাব, আমার তো মনে হয়, হালায় ধান্দাবাজ নতুন ধান্দা শুরু করছে ।কি বলেন ?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই।
লেখক বলেছেন: চুপ!! কইছি না ঐখানে দেখার কিছু নাই। যাহ্ গিয়া পড়তে বস।
কিস্তোয়ার বলেছেন:
চমৎকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
লেখক বলেছেন: লাভ কি? আমারে কি আর কেউ সাংবাদিক কইব। আমি যেই ব্লগয়ার সেই ব্লগারই থাকুম। ![]()
মামু বলেছেন:
আইজ কয়েক দুস্তো বাংলা তাজমহল যাওনের প্রস্তাব করচিল, মাগার হাতে টাইম না তাকনে যাওয়া হয় নাই...আপনে আমাগো বাচাইয়া দিলেন...
নেন আপনেরে ৪০০ কুটি টাকা দিলাম....
লেখক বলেছেন: দিলেন তো মোটে ১৩২০ টাকা।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
পোষ্টে ১০০ প্লাস।ক্লোজ শট এর ছবিতে যা দেখলাম এর থিকা ভালো মানের বাড়িঘর বাংলাদেশে আছে। মার্বেল পাথরের যে কাহিনী নিউজপেপারে পড়লাম...কই কিছুই তো দেখলাম না। যদি এখনো কাজ বাকি থাকে তাইলে নিউজে আসার মানে কি বুঝলাম না। বাংলাদেশের ছুশিল নিউজপেপার কতো টাকা খাইচে নিউজটা করতে কে জানে...........
আছিস কেমন ???
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা। এর চাইতে অনেক হাইফাই কবর পর্যন্ত আমি দেখছি, গ্রামের কবরস্থানে। একদম শ্বেতপাথরে মোড়ানো।
ছুশিলদের কথা আর কি কই?
আছি মোটামুটি! তুই খুব ব্যস্ত নাকি?
লেখক বলেছেন: জ্বী![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু দিবে না বাঈ।
লেখক বলেছেন: কিসের আবার ছুটি! যা রিপোর্ট লিখ গিয়া।
লেখক বলেছেন: নিলাম ![]()
চাণক্য বলেছেন:
বৎস, হুজুগে বাঙালিতো তুমিও কম নও। উদ্বোধন হইতে পারিল না, তুমি গিয়া উপস্থিত হইলে।
লেখক বলেছেন: বাঙালি হিসেবে এই জাতির সব দোষগুন নিশ্চয়ই আমারও আছে। থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
টেকনো বলেছেন:
ভাল উপকার করছেন ভাই।আমার কাল যাওয়ার কথা ছিল।এখন এই চিন্তা বাদ দিছি। এখন চিন্তা করি প্রথম আলো এর মত পত্রিকা কিভাবে এই ভুল তথ্য ছাপালো।
ভাবছি কাল ওদের ফোন করে এর জবাব চাইবো। খুবই দুঃখজনক।
টিভি চ্যানেল গুলা কিভাবে আই ভন্ড জিনিস তুলে ধরল???
লেখক বলেছেন: জবাব চাবেন অবশ্যই। উত্তরগুলোও আমাদের জানাবে আশা রাখি।
জটিল বলেছেন:
পোস্ট দেইখা উলটা এই মস্লা দেখার মন চাইতাছে , সবাই কইতাছে যাবেনা তয় আমি যাব ।
লেখক বলেছেন: আইসা পোস্টায়েন
নুশেরা বলেছেন:
কী করা ভাই, দেশে বিনোদনের বড়ই অভাব, তাই আমরা বলিউডের ছবির মতো এইটারও থুতুচাটা ভার্সন বানাইছি।বহুজনের টাকা-সময় বাঁচায় দিয়া সোয়াবের কাম করছেন বুড়ামিয়া।
লেখক বলেছেন: এতে বাংলাদেশের নাম, মর্যাদা খাট হল।
আমাদের ব্লগের ভারতীয় ব্লগার কৌশিক বিশ্বাস ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশা করে একটা ভিডিও প্রেজেন্টেশন ইয়ুটিউবে ছেড়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশকে নিয়ে উলটাপালটা কথা বলায় আমরা ব্লগাররা তাকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছিলাম। কিন্তু আহসানউল্লাহ মনি আমাদের এমন অবস্থায় ফেললেন যে এই নিয়ে আমাদের জবাব দেবার কিছু থাকল না। শুধু মাথা হেট হল।
এই অপমানের দায়ভার শুধু আহসানুল মনি নয়, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদেরও নিতে হবে
আসিফ বলেছেন:
নিউজটা মনে হয় ভুল ছিল। তারা এই ঈদে ব্যবসা করে ৪০০ কোটি টাকা আয় করার টারগেট রাখছে। আমারও যাওয়ার কথা ছিল, তবে আপনার পোস্ট ও কিছু বন্ধু বান্ধবদের ছবি দেখে বুঝছি যে না গিয়ে ভালই হইছে।
লেখক বলেছেন: জ্বী না গিয়ে ভালই করেছেন। যদি আসল তাজমহল দেখে থাকেন তবে আপনার পঞ্চাশটাকার জন্য চরম দুঃখ হওয়ার কথা।
পুরোটাই ফেক এই সো কলড তাজের।
লংকার রাজা বলেছেন:
আপনেরে এককোটি ধন্যবাদ।ভাবছিলামকালকে যাব,এখন আইডিয়া বাদ দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গ্রহণ করলাম।
রবিনহুড বলেছেন:
এইটাকে এখন থেকে "বাংলার টয়লেট" নাম দেওয়া হোক।
লেখক বলেছেন: সহমত
খুশবু বলেছেন:
মনে হয় ছবির সুটিং করার জন্য বানানো হয়েছে । নায়িকা আনার কলি পরবে আর নায়ক হান্জাবি পরে তুমার জন্য তাজমহল বানাইছি এই টাইপের গানের সুটিং হবে আর কি ।
লেখক বলেছেন: ১০০% ঠিক কথা।
আপনি আমাকে আনব্লক করবেন না আর??? ![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
তোমার লেখাটা পড়ছিলাম বিকালে......।পড়ে তো অবাক।
কালকে টিভিতে দেখে তো ভাবলাম বিশাল একটা কিছু হলো.........।
যদি ও ভাবছিলাম অনুকরণ ছাড়া অন্য কিছুও করা যেতো..........
তাজমহলের তুলনায় আসা কি কম কথা?
ভালো লিখেছো।
পত্রিকাতেও পাঠাতে পারো লেখাটা।
যাই হোক বন্ধুরা মিলে পথ হেঁটেছো একসাথে......এটাও কম আনন্দের না।
শুভেচ্ছা নাও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু।
আসলে তাজমহলের মত একটা স্ট্রাকচার বানিয়েছে এমন বললেই হত। ৪০০ কোটি টাকা, বেলজিয়ামের ১৭২ বড় বড় হিরা এইসব গাজাখুড়ি কথা প্রচার না করলেও পারত সে। এইসব প্রচার করেই মনি সাহেব নিজের এবং বাংলাদেশের নাম ডুবিয়েছেন।
পত্রিকায় পাঠাবার পদ্ধতিই জানি না
। আর পাঠিয়েও লাভ নাই। আমি আগে কিছু পাঠিয়েছিলাম, কখনই রেস্পন্স পাই নাই, তাই আর আগ্রহ নাই। তবে শেষের লাইনটাই সবচাইতে ঠিক। বন্ধু তিনজন মিলে অনেক আনন্দই পেয়েছি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ইয়ুটিউবে সামহোয়ারের ভারতীয় ব্লগার কৌশিক বিশ্বাসের ভিডিও প্রেজেন্টেশনটা দেখ। মনির জন্য বাংলাদেশের এই চরম অপমানের কোন জবাব দেবার মুখও আমাদের নাই লেখক বলেছেন: এইটা পোস্টে যোগ করে দিলাম।
অ্যামাটার বলেছেন:
টিভি রিপোর্টটা দেখে ভাবছিলাম,কোন একদিন সময় করে অভিযানে বের হব, আপনার পোষ্টটা আগ্রহের মুখে ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলপ্রথমে ভেবেছিলাম ব্যাক্তি উদ্যগে, সুতরাং সাধুবাদ না জানিয়ে উপাই নাই, কিন্তু এখন বুঝলাম, আসল খেলাটা হচ্ছে--- "তাজমহল নামের তামাশা সেখানে দাঁড়িয়ে আছে, বাইরে থেকেই দেখা যায়। ভেতরে ঢুকতে টিকেট ৫০ টাকা জনপ্রতি।"!! আর আমি তো ভেবেছিলাম কতবড় দিলদরিয়া দিলদরাজ ব্যাক্তি!! যা হোক, এ'রকম ডামি সৃষ্টিকর্ম নিয়ে মাতামাতির কিছু নাই, নন্দন পার্কেই আছে, বসুন্ধরা সিটিমার্কেটের টগি ওয়ার্লডেও এগুলোর মিনি সংস্করন আছে। আর শাজাহানের অমর সৃষ্টি'র অতি নিম্নমানের নকল বানিয়ে ব্যাবসা করাটা কতটা নৈতিক, সে প্রশ্নও তোলা যায়, কেননা সে দাবি করছে সরকারী 'টেক্স'(স্পেলিং-এর অরিজিন-টা নষ্ট কর্লাম না
লেখক বলেছেন: সেটাই! মনি কানারে হাইকোর্ট দেখাইতে আসছে।
অ্যামাটার বলেছেন:
কৌশিক বিশ্বাস-টা মনে হয় সব সময়ই ওঁৎ পেতে থাকে, কিভাবে বাংলাদেশকে এটু খাট করা যায়, কোন দিক দিয়ে এক হাত দেখে নেওয়া যায়। ওর কথায় যেন আহসানুল্লাহ মনি'র ব্যাক্তিগত গোয়ালঘরটা সমগ্র বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করছে!!
লেখক বলেছেন: কৌশিক সবসময় ওঁৎ পেতে থাকে। আমাদেরও উচিত, মনির মত লোকদের ও বিক্রি হওয়া সাংবাদিকদের বাংলাদেশের নাম ডুবানোর চান্স না দেওয়া।
বিষাক্ত আলো বলেছেন:
হা হা হা...এই না হলে বাংলার তাজমহল।খুব ভালো একটা পোস্ট দিছেন...খবরটা নিয়ে আমি একটা পোস্ট দিয়েছিলাম, তখনও কেউ কিছু জানাতে পারেনি, বরং আলোচনা অন্যদিকে বইছিল লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
শেষ পর্যন্ত কি হয় আমরা দেখতে থাকি। তোমরা বেশ মজা করেছো সেটা আসল কথা। এত টাকা বাংগালীর কাছে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে না অন্ততঃ ........
ভালো থেকো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যা মজাই হয়েছে।
ভাল থেকো তুমিও আপু।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: কি আর বলব!! আমি এর চাইতে সুন্দর কবর দেখেছি বরিশালে।
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম।
নুশেরা বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, ভিডিও দেখে লজ্জা আর অপমানে আধমরা হয়ে গেলাম।এই আহসানউল্লা=বাংলাদেশ; এমন ধারণা করার অর্থ কী, তাও মাথায় এলোনা।
লেখক বলেছেন: আমরা যদিও এটাই বলব যে আহসানউল্লাহ = বাংলাদেশ নয়। কিন্তু বহির্বিশ্বে কিন্তু আমাদের একএক জনের কর্মকান্ডকেই সম্পূর্ণ দেশের উপর চাপিয়ে দেবে। এটাই স্বাভাবিক। আমরাও এটাই করি, বেশির ভাগ সময়।
এইকারনে নিজেরা নিজেরা যাই করি না কেন, দেশের সম্মানের জন্য হলেও আমাদের প্রত্যেকের কাজকর্মের সচেতন থাকা উচিত। তাই না আপা?
ময়ুরবাহন বলেছেন:
দাদা কোনো ভিডিও তো দেখতে পেলাম না। লিঙ্ক দিন। তাছাড়া এটা কী এমন কিছু বড় বা গুরুত্বপূর্ণ খবর হল? সামনে ভোট সেটা ফেলে কাগজওয়ালারা যে কেন নকল তাজমহলের মত ফালতু খবর নিয়ে মাতল তা কে জানে? তাজমহল হাস্যকর হয়েছে ঠিকই তবে একটা হয়ত আপনি মানবেন যে, একে কেন্দ্র করে স্হানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অনেকে টুরিস্টের কাজ করবেন, এছাড়া দ্বিগুন ভাড়ায় পরিবহন কর্মীরা কাজ করবেন হয়ত অনেক খাবারের দোকান খুলবে ইত্যাদি। লোকটা তো খুন খারাপি কিছু করেনি। তাহলে এত ঘৃনা করছেন কেন? পছন্দ না হলে না হয় নাই বা গেলেন। দাদা মনি সাহেবের মমতাজ কে জানেন কী? কবে তিনি মারা গেছেন? নাকি নকল তাজমহলে কোনো কবর নেই?
লেখক বলেছেন: কি বলচেন দাদা!! ভিডিও তো সকলেই দেকলো। কষ্ট করে আর একবার দেকুন না দাদা।
আসলে লোকটা আমাদের ৪০০ কোটি টাকার মিথ্যে কথা শুনিয়েচে। তাইতো কৌশিকদা আমাদের নিয়ে হাস্যরস করচেন। কৌশিকদাকে দোষ দেই নে, দোষ দিচ্চি মনিকে।
না দাদা, মনি সাহেবের মমতাজের কোন খবর জানিনে। নকল তাজে কোন কবর দেকিনি।
পারভীন রহমান বলেছেন:
গতকাল রাতেই বন্ধুরা মিলে ঠিক ক রছিলাম কিভাবে যাওয়া যাবে সোনারগায়ে বাংলার তাজমহল দেখতে......... আমাদের অনেকের উপকার করলেন আপনি !!
লেখক বলেছেন: তারচেয়ে সোনারগায়ের পানাম সিটিতে ঘুরে আসতে পারেন, যদি আগে না যান। ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: দিমুনে
অপ্সরা বলেছেন:
শুধু গানের কলিতে গান কিভাবে দেয়? মানে মেইন পেজে না দিয়ে।
লেখক বলেছেন: আশা করি কাজে আসবে
পত্রিকা ওয়ালারা আপনার দেখা পেলে খবর আছে।
ঐ কমেন্ট টা ভাল লাগছে, সায়েদাবাদী হুজুরের মসজিদ দেখলেও হবে।
একবার সীতাকুন্ড পাহাড়ে উঠবার সময় যারা নামছিলেন শাড়ী পড়া মহিলা দেখেই আমাকে উপদেশ দিচ্ছিলেন উঠতে পারবেন না অনেক অনেক উঁচু, একে একে অনেক জন একথা বলাতে আমরা দু'জন আর উঠতে সাহস পেলাম না, নেমে এলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রাবনসন্ধ্যা
লেখক বলেছেন: পাগল না, ব্যবসায়ীক বুদ্ধিহীন এক ছাগল
রাত্রী বলেছেন:
কি চমেৎকার দেখা গেল!!! বাংলার তাজমহল দেখা গেল!!!!ভাইডি, অনেক উপ্কার কল্লেন ভাইডি। তয় কুশিক মিয়া যে অপ্মান কল্লো তার কি হইবে? লজ্জায় মাথাডা কাটি গেল।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: দেখলাম।
জংবাহাদুর বলেছেন:
তুই যত নষ্টের গুড়া
লেখক বলেছেন: তাই নাকি, ভালো ছেলে!!!
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
বিবর্তনবাদী, ঘটনাক্রমে আমার বিরুদ্ধে দেয়া পোস্টে আমাকে নিয়ে আপনার মূল্যায়ন পড়লাম্ । পোস্টের একটি বাক্যে শব্দ চয়নে ভুলের ইস্যু নিয়ে বিরুদ্ধবাদীরা আমার উপর ব্যক্তি আক্রমণ করে বসল, যদিও তারা হেলপার বা নুরুল কবির কারো সহানুভূতিশীল নন। কারণটা হয়ত আমার ও মানস চৌধুরীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই। আমি ভুল করে থাকলে সেটা স্বীকারে আমার আপত্তি নেই, দোষ স্বীকার করাটা "শিশুসুলভ" বটে, কারণ বাঙালি হিসেবে মানসিক পক্কতা আসে "নিজের বক্তব্য ভুল/মিথ্যা হলেও স্বীকার না করার" মাঝে। অথচ নিজের "মানসিক রোগের" ট্যাগটাও বাধিয়ে রাখতে দ্বিধা নেই আমার, শিশুসুলভ তো বটেই।
সমাজ কিভাবে চলে, কি পছন্দ করে সে ব্যাপারে আমার জানা শোনা যথেষ্ঠই আছে, আমাকে পুরো মাত্রার কিতাবী মনে করলে ভুল করবেন ভীষণ। তবে সমস্যা হল, আমি সমাজ আর মানুষের চেতনা আর লোকাচারে তাল দিইনা, ডিজুস নিয়ে আমার লিখাটা হয়ত আপনার কাছে সে কারণেই এক পেশে ঠেকেছে। এটাকে সামাজিক প্রথার অজ্ঞতা হেতু "শিশুসুলভ" নয়, বরং লোকাচারের অন্ধ অনুসারণ থেকে বিরত হার্ডলাইনার মনে করলে ভাল করবেন। মানস চৌধুরী এমনই একজন যিনি দল মতের বা প্রতিক্রিয়ার পরোয়া না করে ব্যক্তি চিন্তার পূজো দেন। শত জুতা প্রদর্শনের পরেও তার স্বভাবসুলভ শিষ্টাচার (ফাহমিদ ভাইয়ের মন্তব্যের জবাবে) কেউ দেখতে যাবেনা।
কাজিনকে আপন মায়ের পেটের বোনের মত ভাবতে আমার আপত্তি। এই পছন্দটা আমাকে কেউ শেখায়নি, আমি সমাজেরও ধার ধারিনা। সামাজিকতায় গা ভাসানোটাকে নিজের অস্তিত্ব নাশ মনে করি। কাজিনদের মাঝে প্রায়শই বিয়ে হচ্ছে এবং যারা এ কাজ করছে সেটাকে অসুস্থ সংস্কৃতি বলা বোধ হয় ঠিক হবেনা। খুব খোলাখুলিভাবে "বিয়ে করা যায়" আর "বিয়ে করা যায়না" এ ভেদ জ্ঞানটুকু আমি রেখেই চলি, একটা দেয়াল রাখার ব্যাপারে আমার পক্ষপাত... ভবিষ্যতে অহেতুক আপদ আর ভুল বুঝাবুঝি এড়াতে। ছেলে তার খালাত বোনের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে আর মেয়ে বলছে, ছি ছি ভাইয়া আমি তোমাকে ভাইয়ের মত দেখি, এ ধরনের দুর্ঘটনা কম দেখা হয়নি আমার। আর বিয়ের ভাবনাটা এতটাই অপবিত্র যে কাজিন কে বিয়ে করলে "ভাই-বোনের" মহা পবিত্র সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায় এ সমাজের কাছে। কিন্তু কাজিনকে বোন বানিয়ে সমাজ ও পরিবারের চোখে ধুলো দিয়ে প্রেম আর নোংরামি করতে বাধেনি একালের তরুণদের। এরপরেও আমি কিন্তু তাদের পছন্দের বিরুদ্ধে নোংরামির শব্দ চয়ন করিনি, শুধুই প্রস্তাব দিয়েছি।
আবারও বলি, "সমাজকে অন্ধ অনুসরণ মানেই মানসিক পক্কতা।" এটা আমার অভিধানে নেই। আমি দলগত নয়, ব্যক্তিচিন্তার মূল্যায়ন করি। বিশ্বাসী হিসেবে ক্ষণিকের জন্য অবিশ্বাসী হয়ে সমাজের উল্টো পিঠ দেখার ও মন্তব্য করার সাহস রাখি।
আপনি আমার প্রিয় ব্লগার বলেই বলছি, আমার সম্পর্কে মূ্ল্যায়ণ গালবাজদের প্লাটফরমে না করে আমার পোস্টে জানালে বাধিত হব। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাঈফ। আসলে সব সময় পোস্ট দাতাকে সেটা দেখা সম্ভব হয়ে উঠে না। কন্টেন্ট পড়েই মন্তব্য করে ফেলি। এরপর থেকে আপনার ব্যাপারে কিছু বলতে হলে আপনার ব্লগেই বলব।
আপাতত দুঃখিত, সেই পোস্টে মন্তব্যের জন্য।
মুনিয়া বলেছেন:
হায় হায় এই অবস্থা! খবর টবর দেখি না। তাই জানতামও না এইরকম আছে!
লেখক বলেছেন: খবর দেখেন না? কোণ দুনিয়ায় আছেন? খালি ইঞ্জিনিয়ার হলেই কি হবে? (উটকো খবরদারীর জন্য দুঃখিত।
মুনিয়া বলেছেন:
engineer to hobo na... apnader kopal kharap hole architect hoyeo jete pari...ami asholei ei duniyay thaki na... ordhek poroloke...
*** ki jeno prb hoyeche bangla lekha jachche na. tai english likhlam. dukkhito hoiyen na... kotha thiki bolechen
লেখক বলেছেন: ঠিক কথা বলবার জন্য আমার প্রাপ্য ধন্যবাদ কই?
দিগন্ত রেখা বলেছেন:
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: গ্যালাম না । ঘুমাইলাম।মুনিয়া আপুর মন্তব্য পড়ে অবাক হলাম, নাহিন আপুকে সেদিন দেখেছিলাম মনি কে কাঁচা চিবায় খাবে বলে খুঁজছে।
তার ঠিকানা থাকলে দিয়েন।
লেখক বলেছেন: না ভাই ঠিকানা।
মুনিয়া বলেছেন:
dhonnobad!
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
অনেক টাকা খরচ করে আসল তাজমহল দেখে এসেছি, তাই মনি সাহেবের তাজমহল দেখে নির্মল বিনোদন পেতে চাই না ।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন।























