এরশাদের পতনের সময় বিদেশী একটা পত্রিকার শিরোনাম ছিলো, " রিসেষ্ট প্রেসিডেন্ট অফ দ্যা পুওরেষ্ট কান্ট্রি!" আর এখন আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ৬৭জন চাকর বাকর! এর শিরোনাম কি হবে?
গতকাল "সি টিভি"তে রাত ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত "দি অমাজিন রেস'' এ বাংলাদেশ দেখলাম। মেইনলি সদরঘাট, নাজিরা বাজার আর নবাবপুর দেখালো। যা দেখলাম! কি দেখলাম! বলতে পারবো না।
বিদেশীরা বাংলাদেশে যায়, যাবে। তারা নতুন যা দেখে ক্যামেরাবন্দী করে নিয়ে আসে। তার কিছু আবার বিদেশী প্রচার মাধ্যমে প্রচার হয়। আমরা প্রবাসী বাঙ্গালীরা মাথা নীচু করে থাকি। এসব বন্ধ করতে সেন্সরের পক্ষে আমি নই। আমাদের চরিত্র পাল্টাতে হবে। পাল্টাতে হবে উপর থেকেই। জিল্লুর রহমান, হাসিনা বা খালেদা থেকেই। কিন্তু দূর্ভাগ্য আমাদের।
বাংলাদেশ এখন নানা ভাগে বিভক্ত। এই বিভক্তি বাড়ি ঘরেও চলে এসেছে। সব খানেই এখন দ্বিমত দেখা যায়! দ্বিমত মানে ভাঙ্গন। আর এর জন্য দ্বায়ী হাসিনা খালেদা। কেউ কারও কথা শুনেনা! মানেনা! তালগাছ আমার চাই! পাগলা গরু, বাইচের নৌকা না হলে যে সম্মান থাকেনা! দেশের বারোটা কেনো ৯৯টা বাজলেও আমার কিছু যায় বা আসেনা!
আসলে দেশ কেউ চালাচ্ছে না এমনিই চলছে। হাসিনা খালেদা না থাকলে দেশ আরও ভালো চলতো। যেমন চলেছে তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। লুটপাট করা ছাড়া কোন রাজনৈতিক দল দেশের জন্য আর কিছুই করেনি। করলে দেশ এমন না হয়ে অন্যরকম হত। ফখরুদ্দিন মঈন যা করেছে কারও ভোট পাওয়ার আশায় করেনি দেশের ভালোর জন্যেই করেছে।
রাজধানীটাকে কি সুন্দর করে সাজানো গুছানো যায় না? যদি তা না পারে কোন সরকার তাহলে তাদের যোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন করা নিশ্চয়ই অন্যায় হবেনা?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




