আমার প্রিয় পোস্ট

সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

হুজুরদের রাজনীতি: হারাম! হারাম!! ইসলামে রাজনীতি হারাম!!! থুক্কু হালাল!!!!

০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

শেয়ারঃ
0 2 0

মোঘল সাম্রাজ্যের পতনের মধ্যদিয়ে রাজকার্য থেকে ভারতবর্ষের হুজুররা ছিটকে পড়েন। রাজভাষা ফার্সি পুরোপুরি বেফজুর হয়ে পড়ে ইংরেজ দরবারে। ফার্সি, উর্দু, আরবির মিশ্র মাধ্যমে তাফসীর, তাজবিদ, ফিকাহ, হাদিস, নাহু, ছরফ (আরবি ব্যকরন), আদাব (আরবি সাহিত্য) ইত্যাদি শাস্ত্রের অধ্যয়ন, অধ্যাপনা, লিখন, সংকলনের মধ্যে ডুবে যান বিক্ষুব্ধ আলেম সমাজ। নব্যব্রিটিশদের প্রতি ঘৃনা এতটাই প্রবল ছিল যে ভাষা ইংরেজিকেই ওনারা শুকুরের মাংস মনে করেন। রাজনৈতিক ফাঁকতালে সুযোগটা নেয় ধড়িবাজ হিন্দু সম্প্রদায়। দ্রুত ইংরেজি আয়ত্ব করে ব্রিটিশ নরঘাতক ঔপনিবেশিক শাসকদের পদযুগল দ্রুত ওদের জিহ্ববার তলে নিয়ে নেয়। শিকেয় থাক দেশপ্রেম, মানসম্ভ্রম। লাভটাও হয় নগদ। সাদা চামড়ার নীচের পদগুলো বগলদাবা। গুটিকতেক মুসলিম লোকও কালক্রমে তাতে যোগ দেয়। ব্রিটিশরাজ ও ভারতীয় বরকন্দাজের ইংরেজ শাসনে দু'শতাব্দীর গোলামির সুচনা হয়। সম্পদশালী ভারতবর্ষের ধন, মাল, ঐতিহ্য, ভাষা, সংস্কৃতি লুট হয়ে ইংল্যান্ড পাড়ি জমায় আর চুইয়ে পড়া নুন নেমক খেয়ে এদেশীয় কুত্তারা জিহবা চাটতে থাকে। হুজুররা প্রায় নির্বাসিত জীবন বেছে নেন। মূল জনগোস্ঠি বাংলার কৃষক চাপা পড়ে যান জুলুম, শোষন আর নির্মমতার পদপিস্ঠে। নামে দুর্ভিক্ষ।
উল্লেখিত জ্ঞানচর্চার বাইরে মসজিদে নামাজ পড়ানো, কোরান খতম, মিলাদ মাহফিল, সিজনাল ওয়াজ নসিহত, আকিকা, কাফন দাফনের মত রিচুয়াল কাজকর্মে সীমাবদ্ধ হয়ে যায় তাদের জগৎ। নিজেদের তান্ত্রিক মাদ্রাসা, মসজিদের মিম্বর ও গোরস্থানের বাইরে তাদের উপস্থিতি প্রায় অপ্রয়োজনীয় হয়ে যায়। সে ধারাই এখনও চলমান। পরাজিত জীবনের সাথে মিশ্রিত হয় নানা ধরনের কূপমন্ডুকতা, কূসংস্কার, বাইরের পৃথিবীর সাথে সংশ্লেষহীনতাজনিত অজ্ঞতা ও জড়াগ্রস্ততা। ব্রিটিশরাজ অর্ধশতক আগে বিদায় নিলেও রেখে যায় নিজেদের শাসনপ্রনালী, তল্পীবাহক সমাজের নিয়ন্ত্রককূল। মেধাবি, বিত্তশালীরা সংগতকারনে সে শিক্ষায়, সে পথে হাঁটছে। ভাল চাকুরে, ভাল ব্যবসায়ী হবার জন্য। এ ব্লগার যেমন। দুর্বল মেধা, দরিদ্র প্রান্তিক মানুষের ততটুকু দৌড়ে সামিল হবারও সামর্থ্য নেই। ফলে মুস্ঠির চালে গড়ে উঠা এবতেদায়ি, হেফজখানা, ক্বওমি মাদ্রাসা কিংবা মাদ্রাসাই তাদের ভরসা। ঘুর্নাবর্তে সুবিধাবঞ্চিত প্রজন্ম।
ঠিক এ প্রেক্ষাপটেই রাজনীতি থেকে নিরাপদ দুরত্বে থাকা শাস্ত্রিয় মুসলিম জন গোস্ঠির বা আলেমসমাজের বা মওলানা বা হুজুরদের জন্ম। রাসুলুল্লাহর আমলে বা চার অনুসারীর যুগেও সাধারন মুসলিম ও হুজুর মুসলিম এ ধরনের শ্রেনীবিভাগ পাওয়া যায়না।
যাহোক, টিভি দেখা হারাম, গান শোনা হারাম, মাইক বাজানো হারাম, মহিলা রাস্তায় বের হওয়া নাজায়েজ, ছবি তোলা নাজায়েজ! এসব হারাম আর নাজায়েজের প্লাবনে রাজনীতিও ভেসে যায়। রাজনীতি করা হারাম- মোটা দাগে এ হাইপোথিসিসের অন্ধকারে হারিয়ে যায় হুজুরকূল। এখনও সামাজিক বা সুশীল (!) পরিমন্ডলে "ইসলাম" শব্দটি উচ্চারন করলে অনেকের ভ্রু কুঞ্চিত হয় (প্রায় ৯৯% ভাগ মুসলিম কলিগদের কোম্পানিতে 'আসসালামুআলাইকুম' মেইল দিয়ে খারাপ কোন কমেন্ট না পেলেও 'কিছু একটার গুন্জন' পাই। সবাই 'গুড মর্নিং' লিখে জাতে উঠতে চাচ্চে। বলি! রাস্তাঘাটে, বাপ চাচা, শশুরকে কি গুড মর্নিং বলি আমরা), আর "ইসলামের রাজনৈতিক" দিক নিয়ে কথা উঠালে রীতিমত দাংগা হাংগামা বেধে যায়। মজার ব্যাপার হল হাংগামাকারীরা সবাইই মোটামুটি মুসলিম। ভালো মুসলিমও অনেকে। তারা বলে, পবিত্র ধর্মকে রাজনীতির ময়দানে টেনে আনার দরকার কি? তার মানে- রাজনীতি অপবিত্র হয়ে পড়েছে মোটামুটি। আত্নস্বীকার। এহেন সামস্টিক মনোবৈকল্যের আতুঁড়ঘর হল- যুগের পর যুগ হুজুরকূলের রাজনীতি নিস্পৃহতা। পুরোনো যুগের নবীদের সত্য অসত্য মিশ্রিত কেচ্ছা কাহিনী, সুরেলা ফারসি শে'র, পাঠ্য দোয়ার ফজিলত, রেওয়াজ রসম, কবর ও তৎপরবর্তী জীবনের ব্যাপক বর্ননার মধ্য দিয়ে ওনাদের বয়ান শেষ হয়ে যায়। বিশ্ব, দেশ, সমাজ, আইন, বিদ্যমান রাজনৈতিক ও অন্যান্য অনাচারের ব্যাপারে উনাদের একদিকে যেমন রয়েছে অজ্ঞতা অন্যদিকে সচেতন এড়িয়ে চলা। পাছে যদি মসজিদ কমিটি ক্ষ্যাপে যায়!
তবে এত সরল নয় ইতিহাস। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে পয়লা সংগ্রামও তারাই করেন। বালাকোট যুদ্ধ। সসম্মানে শহীদ হন পরাশক্তিকে রুখতে গিয়ে আহমদ বেরলভীর নেতৃত্বে। ভিন ভাবধারার রাজনীতির (ভারতীয় কংগ্রেস)মাধ্যমে হলেও দেশ পুনুরুদ্ধারে নামেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ। পুরোপুরি ইসলামিক রাজনীতির মিশনে নামেন আবুল আ'লা মওদূদি প্রমুখ। তার গঠিতদল নিখিল ভারত জামায়াতে ইসলামীকে সর্বাধিক সুসংগঠিত ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বলা যায় যারা বিপুল সংখ্যক বাংলা ও ইংরেজী মাধ্যমের (অ-মাদ্রাসা) মুসলিমকেও দলভুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানির ন্যাপ আরেকটি উদাহরন। তাছাড়া খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম, ইসলামী শাসন তন্ত্র আন্দোলন, ইসলামীক ফ্রন্ট বা ইসলামী ঐক্যজোট। অধুনা আওয়ামীলিগ ও বিএনপি ও কিছু মাওলানাকে ভাড়া করে ওলেমা লীগ বা ওলেমা দল উইং খুলে বসেছে! তাই রাজনীতি করা হারাম। ''গোমরাহ জমাতীরা ইসলামের মধ্যে রাজনীতি ঢুকিয়ে দিন ইসলামের সর্বনাশ করল'' ধরনের বক্তব্য এখন কম পাওয়া যায়। পরিবর্তে "মওদূদিবাদ নিপাত যাক, মার্কিন যুক্তরাস্ট্র নিপাত যাক, তসলিমা নিপাত যাক" ইত্যাদি শ্লোগানে আকাশ বাতাস কেপেঁ উঠে "বিবিধ" হুজুর দলের সমাবেশ থেকে। স্থান- বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট। আর নানান দল উপদলের উপর দোষারোপ। কাফের ঘোষনা। আঁতাত। একদার হারাম রাজনীতি এখন হালাল। (থুক্কু)।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হুজুররাজনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: হুজুর, হুজুর-ই-আলা, ওদের যুগ শেষ।
০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: না ওনারা টিকে আছেন

০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: কারে?

৪. ০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: গত ২০-৩০ বছরে তাদের রাজনীতি সচেতনতা কিন্তু বহুগুন বেড়েছে। এভাবে বিবর্ধিত হয়ে আবার কি হুজুরকুল রাস্ট্র পরিচালনার অংশ হবেন? নাকি দলীয় কোন্দল আর পাস্পরিক দোষারোপের মাধ্যমে হারিয়ে যাবেন ইতিহাসের আস্তাকুড়ে?
০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: হুজুরদের রাজনীতি এখনও গন্তব্যহীন, নগন্য, ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছাড়া ছাড়া সমাবেশ মাত্র।

৫. ০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: করছেন কি বস সব ! গোপন খবর ফাস করে দিলেন ;)

হুজুররা কি রাজনীতি বোঝে ;)
০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: তা আমি কি কইরা কমু?

৬. ০৭ ই মে, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
ডিজিটালভূত বলেছেন: সাদা বৃটিশরা হুজুরদের তারা খেয়ে চলে গেছে এখন কালো বৃটিশদের রাজত্ব চলেছ। তাদের সাথে হুজুররা সংগ্রামে লিপ্ত। তাইতো কালো বৃটিশরা এখন হুজুরদের আস্তানায় আঘাত হানতে চায়। পাকিস্তানে এটা শুরু হয়েছে বেশ আগে। এখন বাংলাদেশে শুরু হবে। হুজুরদের আবার জিহাদে নামতে বাধ্য করা হবে।
০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: তত বড় বিপ্লবী এদেশে নেই। এখনও ঝাড় ফুঁকের বাইরে যায়নি।

৭. ০৭ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: সময় কথা বলে । দেখা যাক আল্লাহ আমাদের কি কপালে রাখছেন।

তবে একখান কথা , মুসলিমরা কিন্তু বীরের জাতি তাদের ধমনিতে শহীদ হামজার রক্ত।
এই রক্ত কোন দিন পরাজয় মানেনি মানেব না।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: খাইছে। আমি তো বাংলা হুজুরদের কথা বলছি।
মুসলিম বলতে বীর সেটাতো আরব কেন্দ্রিক কথা!
পার্সিক, বাংগালী, চাইনিজ, মালয়ি সব মুসলিম তো এক কথা না। আর এখনকার আরব মুসলিমদেরকে বাই বীর বলার কি আছে!

১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: থুক্কু, ফার্সি হইবেক। মুদ্রন প্রমাণ ক্ষমার্হ

৯. ০৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
শুভ৭৭ বলেছেন: "আর "ইসলামের রাজনৈতিক" দিক নিয়ে কথা উঠালে রীতিমত দাংগা হাংগামা বেধে যায়। মজার ব্যাপার হল হাংগামাকারীরা সবাইই মোটামুটি মুসলিম। ভালো মুসলিমও অনেকে। তারা বলে, পবিত্র ধর্মকে রাজনীতির ময়দানে টেনে আনার দরকার কি? তার মানে- রাজনীতি অপবিত্র হয়ে পড়েছে মোটামুটি। আত্নস্বীকার।"

এহেন সামস্টিক মনোবৈকল্যের কারণ ভালভাবেই তুলে ধরেছেন। আজকের লেখার জন্যে আপনি পড়াশুনা করেছেন বলেই মনে হয়েছে। কিছু বানান শুদ্ধ করে নেবেন।

ভাল লেখার জন্যে ধন্যবাদ।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: পরামর্শের জন্য অনেক ধন্যবাদ

১০. ০৭ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
তরঙ্গ বলেছেন: পড়তে পড়তে দপ করে পোস্টটা শেষ হয়ে গেল, এজন্য মাইনাস . . . থাক প্লাস।
১২. ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:২৯
বিদেশী বাঙালী বলেছেন: ভাই এটা ঠিক, হুজুররা দলাদলিতে চলে গেছেন। ইসলামের চেয়ে তাদের কাছে ইগোটাই বড়। কিন্‌তু, তাদের ফিরিয়ে আনার উপায় কি? ফিক্‌হ্‌ বিষয়ে ভিন্ন মত থাকতেই পারে। কিন্‌তু, সবার goal-টা এক হলে একই platform-এর নীচে আসতে অসুবিধাটা কোথায় সেটা খুঁজে বের করা দরকার। আমার মনে হয় goal নিয়েই আসল সমস্যা। ওটা ঠিক হলে সবই ঠিক হয়ে যাবার কথা। এনিয়ে আলোকপাত করবেন আশা করি।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: দলাদলির অনেক কারন। ফলাফল এই যে তারা বিভক্ত, গন্তব্যহীন।

১৩. ০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৯
জানজাবিদ বলেছেন: ইসলামে রাজনীতি নাই বইলা যারা একদা মুখে ফেনা তুইলা ফেলতো তারাই এখন 'উলামা' উইং খুইলা বসছে।............ভাল অবজার্ভেশন।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: হে হে

১৪. ০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:০০
অন্যরকম বলেছেন: আপনার পারিপ্বার্শিক অবজারভেশন চমৎকার! সংক্ষেপে ইতিহাসের বিশ্লেষণও ভাল করছেন।
তবে 'ফরাসী' না হয়ে ভাষাটা 'ফার্সি' হবে। ফরাসী ভাষা মোঘল সাম্রাজ্যে চলত কিনা আমার জানা নেই! বেরেলভীর আন্দোলেনর আগে মনে ফকীর বিদ্রোহ শুরু হয়! আমি শিওর না, আরেকটু যাচাই করে দেখতে পারেন!
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: ফকীর বিদ্রোহ সম্ভবত: পরে। বই দেখতে হবে।

১৫. ০৮ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:০৯
আবাব বলেছেন: বাবুরনামা ছিলো আফগান চুগতাই ভাষায়(কিছুটা তুর্কি সমগোত্রীয়)। প্রথমদিকে চুগতাই ছিলো আফিশিয়াল, পরে ফার্সি, শেষেরদিকে উর্দু এবং হিন্দুস্তানী ও ব্যাবহৃত হত।
১৬. ০৯ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১০
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: একমত অনেক...
ইসলাম কিভাবে প্রচার এবং প্রসার এবং কায়েম হবে ... ... সমাজতান্ত্রিক কায়দায়? সাম্রাজ্যবাদী কায়দায় ? নাকি মিশনারী কায়দায়? ... প্রশ্ন এখানেই ... ... তিন রকম ভাবেই ইসলাম সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে ... রাসুল (সাঃ) একসময় প্রচার করেছেন, তারপর প্রসারিত করেছেন, অতঃপর কায়েম করেছেন।
আপনি এ ব্যাপারে কি ভাবছেন পাললিক, হালাল টা কি আসলে ?



১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ১।বাই ডিফল্ট মানুষেরা ভালই। নস্ট হতে হতে চরম আকার ধারন করলে আল্লাহ নবী রাসুল পাঠাতেন সুপথে ফিরে আসার জন্য। তেমনি ঘোর অন্ধকার একটি সময়ে রাসুল (স) আরবে এসেছেন এবং যথারীতি পুর্ববর্তি নবীদের মত বুঝিয়ে সুঝিয়ে (মক্কী যুগ) একদল সুপথে ফিরে আসা মানুষ নিয়ে ভিন্নমতের (মদীনার ইহুদী ও অন্যান্যরা) কিছু মানুষ সমেত সমঝোতার ভিত্তিতে (মদীনা সনদ) ছোটখাট ১টি মডেল রাস্ট্রর গোড়াপত্তন করেছেন।
২।২য় ধাপে বড় বড় শাসকদের দাওয়াত দিয়েছেন সুপথে ফিরে আসার জন্য, অন্যথায় পদানত হওয়ার। তবে সাম্রাজ্যবিস্তার নয় বরং নিস্পেষিত মানুষকে জালেম শাসকের পদতল হতে বেরকরে নাগরিক সমমর্যাদা দান ও একত্ববাদের সাথে পরিচিত হবার জন্য। নাগরিকরা ইচ্ছা হলে তা গ্রহন বা নিজ ধর্মে অটল থাকার পুরোপুরি অধিকার ছিল।
৩। আলী (র) পর্যন্ত তা মোটামুটি এমনই ছিল। দুর্ভাগ্যর ব্যাপার হল শাসনভার মুয়াবিয়া (র) হাতে যাবার মধ্য দিয়ে রাজকার্যথেকে ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা আলাদা হতে বাধ্য হন। ইসলামের দাওয়াতের সাথে আরব সাম্রাজ্যবাদের মিশ্রন ঘটে।
সুতরাং, বিদ্যমান রাস্ট্রব্যবস্থায় সামাজিক শিক্ষা ও সংস্কারমূলক সংগঠনের মাধ্যমেই মানুষকে কম-বেশী বিচ্যুতি থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। ঢাল তলোয়ারের দরকার আপাতত নেই। কেননা মাত্র ৩৫%-৪০% মানুষের সমর্থনই উত্তম একটি সরকার প্রতিস্ঠার জন্য যথেস্ট। আর ক্ষুধার্ত, বেকার মানুষের কাছ ইসলামী আইন বাস্তবায়নে কাব্যিক পরিহাস না করে ভাত ও চাকুরির গল্প অনেক ফলপ্রসু হওয়ার কথা। এর চেয়ে বেশী কি আর বলব?

১৭. ১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
ভালো-মানুষ বলেছেন: পিপড়ারে ইকনমিক্স বুঝানি আর এই আবালগিলিরে ধর্মের সাথে আধুনিক রাষ্ট্রকাঠামোর সংঘর্ষ বুঝানি একই রকম কঠিন কাজ।
১০ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: তবে, উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এরা সুনাগরিক হবে!

১৮. ১০ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ধন্যবাদ পাললিক ভাইয়া, এই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবি সবসময়, ইসলাম এ রাজনীতি নেই" এটা বলে সোচ্চার অনেকেই হন... কিন্তু যখন রাষ্ট্র পরিচালক মুহাম্মদ (সাঃ) কে দেখি , তখন এটা ভাবতেই হবে যে রাজনীতি করে হোক বা না করে হোক , ইসলাম রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলে, এখন আমাদের রিজিওনে ইসলাম এসেছিল সাম্রাজ্যবাদীদের মাধ্যমেই প্রথম, খিলজীর কথা বলছি , আবার ঠিক এই এলাকাতে মিশনারীদের মাধ্যমে ...
রক্তপাতহীন যুদ্ধের মাধ্যমে ইসলাম ছড়িয়েছিল অনেক স্থানে উমার এর সময় , বিভিন্ন স্থানে বাহিনী গিয়েছিল, এমন না সবাই ইসলাম গ্রহন করেছিল, বরং কিছু স্থানে ভিন্ন মতাবলম্বী শাসক জিজিয়া করের বিনিময়ে শাসন করেছেন, মুসলিম বিশ্বের অংশ হিসেবেই।
এখন প্রসংগ , এই সময়কালে রাস্ট্রপরিচালনা ইসলামিক রুলস এর মাধ্যমে পরিপূর্ণভাবে করতে হলে ,শুধু ধর্ম প্রচার করলেই কি হবে ? এখানে এখন মিশনারীদের মাধ্যমে বা সাম্রাজ্যবাদী কায়দায়তো আর ইসলাম প্রচারের কিছু নেই ... প্র্যাকটিসিং না হলেও বিশ্বাসে অধিকাংশ মানুষ ই তাওহীদবাদী। তাইলে এখানে বাকি আছে দুটো কাজ, সঠিক ইসলামের জ্ঞ্যান বৃদ্ধিতে ,ইসলামিক স্কলার বা বিশেষজ্ঞদের কাজ করা ... আর রাস্ট্র ব্যাবস্থায় ইসলামিক রুলস বা ইসলামিক রাস্ট্র ব্যাবস্থা স্থাপনে কাজ করা... দুটো কা একি সাথে কি হওয়া উচিত না ? এটলিস্ট যারা এটা বিশ্বাস করে... আর এই দ্বিতীয় কাজ নিয়ে যত সমস্যা ... কেউ গনতন্ত্রের ধারায় এটা করতে চায়, একটা অংশ গনতন্ত্রকে বেদাত মনে করে অন্যভাবে করতে চায়, একটা ছোট্ট অংশ "খিলাফা" নামক নতুন বিশ্ব ব্যাবস্থার মাধ্যমে করতে চায় ... আরো ক্ষুদ্র একটা অংশ ব্যাপক এক্সাইটেড হয়ে , বিভ্রান্ত হয়ে ভয়ে দেখিয়ে ,হামলা আর বোমাবাজির মাধ্যমে এটা করার হাস্যকর স্বপ্ন দেখে ...
কথা হলো বর্তমান বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবচে উপোযোগী ওয়ে কোনটা হতে পারে একটি সফল ইসলামিক রাস্ট্র ব্যাবস্থা গঠনে??যেখানে আমরা উন্নয়নশীল দেশ ও না, দরিদ্র ,... কম শিক্ষি্‌ত, অশিক্ষিত আর বিভ্রান্ত! আর যেখানে আমাদের চারপাশে আধিপত্যবাদী শক্তি ...

আপনি কি ভাবছেন ভাইয়া ?
১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: ব্যালট বিপ্লব বলেন আর গণবিপ্লব বলেন সংখ্যাগরিস্ট মানুষের জনসমর্থন, নীরব/সরব সহায়তা লাগবেই।

কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, শিক্ষায়ন, রফতানী পন্য ও গন্তব্য বহুমুখীকরন, দাতা নামক দানবগোস্ঠির হাত থেকে দেশ রক্ষা, জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি বাচানো, নদী রক্ষা সহ জ্বলন্ত হাজারো ইস্যুতে ইসলামওয়ালাদের পরিস্কার যৌক্তিক সাজেশন মানুষের সামনে থাকতে হবে। নৈশ স্কুল, সাপ্তাহিক গ্রাম সেমিনারের মাধ্যমে নিরক্ষর কু সংস্কারাচ্চন্ন জন গোস্ঠিকে আলোকিত করতে হবে। শহুরে মানুষের কাছে তাদের মত টিভি, ইন্টারনেট, মুভি, রেডিও তে মেসেজ ছড়ানো যায়। আরো হাজারো টুলস টেকনিক আছে!

১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: মানে , কেবল বেহেশ্ত বা দোযখ, নেকি ... সওয়াব গুনাহের কথা না... রাস্ট্রের যাবতীয় বিষয়ের উপর স্বচ্ছ দিকনির্দেশনা থাকতে হবে(রুলস মেনেই) , মানব+দেশ সেবার কর্মকান্ড থাকতে হবে ... যে কোন ইসলামপন্থী দলের ,এটলিস্ট যারা সরকার গঠন করতে চায় এবং তা গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই ?
হু, একমত। এটা ঠিক, অনলি যারা ইসলাম ইসলাম করে কিন্তু তাদের মুখে কোন দিকনির্দেশনা শোনা যায়না অর্থনৈতিক সমস্যার ব্যাপারে, সামাজিক সমস্যা , প্রযুক্তিগত উতকর্ষতা বৃদ্ধি , শিল্প , সংস্কৃতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক,প্রতিরক্ষা ,এমনকি তারা জানে কিনা সামগ্রিক পরিচালনা, এই সন্দেহ তো লাগেই!!!
সেক্ষেত্রেও ...... দুটো কাজ ই ঠিকমত করছে ... দাওয়াহ এবং আধুনিক রাস্ট্র পরিচালনার যোগ্যতা অর্জন... ... এমন কেই আছে ??!!!!
সেই আর কি ...

ধন্যবাদ ভাইয়া, কষ্ট করে আমার বড় বড় প্রশ্নের উত্তর দিলেন। :-)
ভাল থেকেন।
২০. ১৩ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
নাজনীন১ বলেছেন: পোস্ট এবং শেষের কমেন্টগুলোতে যে আলোচনা উঠে এসেছে -- সবটাই ভাল লেগেছে।

@সোহায়লা রিদওয়ান, আপনার মতো আমারও মাঝে মাঝে মনে হয় ......

"যারা ইসলামের কথা বলে, তাদের মুখে কোন দিকনির্দেশনা শোনা যায়না অর্থনৈতিক সমস্যার ব্যাপারে, সামাজিক সমস্যা , প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধি , শিল্প , সংস্কৃতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা ,এমনকি তারা জানে কিনা সামগ্রিক পরিচালনা ??

তবে ক্ষুদ্র কিছু চেষ্টা দেখা যায়, যেমনঃ ইসলামী ব্যাংক চেষ্টা করছে ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালুর, হয়তো একশতভাগ সফল হওয়া সম্ভব হচ্ছে না, চেষ্টা তো চলছে......
১৩ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: তবে জনমুখীতা দরকার। হয়তে হবে। ভাল থাকুন।

২১. ১৪ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: @ নাজনীন১ , চেষ্টা গুলো আরো ব্যাপক হতে হবে , আরো বড় পরিসরে , তবুও যা হচ্ছে ... অবশ্যই এপ্রিশিয়েটেড!
ছোট খাট একটা মডেল করে যদি যাকাত ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যাবস্থাটা দেখানো যেত ইসলামিক অর্থনীতিবীদদের দ্বারা, যেমন জোবড়া গ্রামে ডঃ ইউনুস করেছিলেন, আমরা উপকৃত হতাম।
তারপর , বিভিন্ন সেক্টরে ইসলামিক স্কলারদের জ্ঞ্যানভিত্তিক পরিকল্পনা গুলো করা হতো , গবেষনার ভিত্তিতে ,সাথে কিছু উদাহরণ সৃষ্টি ...
হয়তো হচ্ছে। হচ্ছে বিভিন্ন ভাবে ... বিচ্ছিন্ন ভাবে।

আমরা এমন জাতি , যারা সহজে কিছু শিখতে চাইনা , ভুলে যাই সব কিছু খুব সহজে , খুব সহজেই হই বিভ্রান্ত , জ্ঞানীরা জ্ঞ্যানভিত্তিক সমাজ গঠনে না যেয়ে হয়ে যায় জ্ঞ্যানপাপী ......
আমাদের এখানে তাই কল্যান ... ... ...বহু দূরে ... বহু বহু দূরে ...
২২. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
জনৈক আরাফাত বলেছেন: "পাছে যদি মসজিদ কমিটি ক্ষ্যাপে যায়! "

সেই ভয়েই তো কমেন্ট করা যায়না! হা হা হা। ভালো লিখেছেন। এখনও হুজুররা সেই পুরনো কেচ্ছা কাহিনীতেই আছে। যুগের সাথে তাল মেলাতে পারছেনা। আমরা যারা একটু শিখছি, হুজুরদের কাছে 'বেয়াদব' আর তথাকথিত সুশীলদের কাছে 'মডারেট' নাম পেলেও বিশ্বাসযোগ্য নই! একটা কথা বলি, গত মাসে রাতের বেলা পাশের বাড়িতে মাইকিং এ ওয়াজ হচ্ছিলো। হুজুর হুমকি দিলেন, "ইসলামে গান হারাম। আছেন কেউ আমার এই কথার জবাবে পালটা যুক্তি দেবেন?"আর্তচিতকারে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেলো। তিনি কি জানেননা, সারাদিন খাটুনি শেষে রাতে আমাকে ঘুমাতে হয়?

ভাল লেখা। আলোচনাটা খেয়াল করলাম।
২৩. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: 'পুরোপুরি ইসলামিক রাজনীতির মিশনে নামেন আবুল আ'লা মওদূদি প্রমুখ।'

পাঠকের রাজনৈতিক পরিচয়টা উদ্ধার করে আস্বস্ত হলাম | সেই সাথে 'Radical Islam' বনাম যুগের সাথে পরিবর্তনশীল 'Manipulative Islam' কোন্দলের পিছনের কারণটাও পরিষ্কার হলো | কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা শিক্ষকের পাঠদান ছাড়াই স্বশিক্ষায় বোধি প্রাপ্ত হাওয়া ধর্মগুরুরা বিশ্বাসের বিবর্তিত ধারা চালু করে খ্যাতিমান বা মতান্তরে কুখ্যাত হন | সেই গুরুর বই, পুস্তক, নথি পাঠ করাটা ভক্ত কূলের মৌলিক জ্ঞান অর্জন ও পালনের বিষয় হয়ে দাড়ায় | গোড়া কাউমি পন্থীদের পিছনে লাগাটা সেই মাত্রাতরিক্ত 'গুরু ভক্তি' কে হালাল করবার একটা কৌশল মাত্র, আপনাদের মূল ধর্ম পালনের সাথে তার কোনো যোগ নেই |
২৪. ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: 'পাঠকের' স্থলে 'লেখকের' পড়বেন।
২৫. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: সঠিক বলেছেন।
'হারাম','হারাম' ধ্বনির পরিবর্তে এখন 'নিপাত যাক', 'নিপাত যাক' রব শোনা যায়।
২৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৪
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখাটা প্রিয়তে নিলাম। তত্বাবধায়ক সরকারের আমল চলছিলো তখন। তো একদিন সন্ধ্যায় জীমে গিয়ে শুনলাম একজন পরিচিত বেশ হম্বিতম্বি শুরু করছে। কি হইছে, এলাকায় নাকি মসজিদ কেন্দ্রিক শালিশ কেন্দ চালু হইছে। সেদিন একটা পুচকে চোরকে ধরে হাতের পাচ আঙ্গুল ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। চোরের বয়স হবে খুব বেশী হলে ১৪-১৫। চুরি করছিলো একটা দামী মোবাইল। ঐ কমিটিতে নাকি এলাকার এক আওয়ামী নেতাও নাকি ছিলেন।

যাই হোক, ভ্যাটিক্যানে যতদূর জানি ওদের বেশ ভালো কিছু অবজারভেটরী আছে, আছে তথ্যপ্রযুক্তির সরচেয়ে উন্নততর টেকনোলজি আছে মহাকাশের উপর গবেষনা করার জন্য বেশ কিছু ভালো রিসার্চার এবং কিছু ভার্সিটি।

ধরে নিলাম আমাদের ইসলামী আইন দরকার। কিন্তু সেটার দায়িত্ব কার উপর দেয়া যায়? অবশ্য এখন যারা দায়িত্ব কাধে নিয়েছেন তারা যেরকম শিক্ষিত সেটা হলে ভাই হুজুররা কি দোষ করলো? কিন্তু আমার কাছে মনে হয় আমাদের দেশে হুজুরদের ক্যালিবার নিয়ে ভাববার আগে ভাবা উচিত তাদের মানসিক সুস্হতা নিয়ে। বর্তমান রাজনীতিতে হত্যা খুন রাহাজানি সবি হয় তবে একটু ঘুরায়া কিন্তু হুজুরদের কর্মকান্ড দেখলে তা আরও শিহরিত হয়ে যাবার মতো। তাি মনে হয় বিষ খেয়ে মরতে চাই তবু এদের চাই না

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই